Md manirul Islam

Md manirul Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md manirul Islam, Book shop, New York, NY.

11/11/2020
06/11/2020

হিজবুত তওহীদ নামক হিজবুত শয়তানদের সমস্ত কুফরি আকিদা সমূহ রেফারেন্স সহকারে এখানে দেওয়া হল.

সম্প্রতি বাংলাদেশে 'হেযবুত তাওহিদ' নামক ঈমান বিধ্বংসী কুফরী সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে।তাদের আক্বীদা-বিশ্বাস,কর্মসূচী চরম পর্যায়ের ভ্রান্ত,নোংরা এবং কুফরী।১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের করটিয়ার মু. বায়েজিদ খান পন্নী নামক এক হোমিও ডাক্তার এ মতবাদের আবিস্কারক।যাদের বর্তমান এমাম(প্রধান) হলেন হোসাইন মু সেলিম।যাদের বক্তব্যগুলি সরাসরি কুরআন-হাদিস, দেশ-জাতি ও স্বাধীনতার জন্য মহা হুমকি স্বরুপ।নিম্নে তাদের কিছু বক্তব্য তুলে ধরা হলো--

০১.চলমান ইসলাম আসল ইসলাম নয়।বরং এটা হিন্দু,খৃস্টান,ইহুদী,জৈন ধর্মের মতো।
সূত্র:পন্নী রচিত ইসলামের প্রকৃত সালাহ। পৃষ্টা- ২০,এসলাম শুধু নামে থাকেব। পৃষ্টা-০৯।

০২.বর্তমানে সমস্ত মুসলমান কাফের ও মুশরিক
সূত্র:আল্লাহর মোজেজা হেযবুত তাওহীদের বিজয় ঘোষনা।পৃষ্টা-২৩।

০৩.হিন্দুদের সনাতন ধর্ম মূলত দীনূল কায়্যিমাহ বা শ্বাশ্বত,চিরন্ত ধর্ম এবং কুরানের ধর্ম।
সূত্র: হো.মু.সেলিম রচিত শোষনের হাতিয়ার। পৃষ্টা:৬২-৬৩।

০৪.রামকৃষ্ণ, রামচন্দ্র, গৌতম বুদ্ধ তারা নবী ছিলেন।তাদের নামের শেষে আলাইহিস সালাম বলা যাবে।
সূত্র:শোষনের হাতিয়ার।পৃষ্টা:৬২

০৫.হেযবুত তাওহিদের সদস্যদের সম্মান নবী রাসূলদের থেকে বেশি এবং জান্নাতে এদের মর্যাদা দেখে নবীরাও হিংসা করবে।
সূত্র:পন্নীর ভিডিও বক্তব্য।

০৬.শেষ নবী(স:) রিসালাতের দায়িত্ব পূর্ণ করতে পারেনি,তাই উনাকে রাহমাতুল্লিল আলামীন বলা যাবে না।
সূত্র:পন্নী রচিত ইসলামের প্রকৃত রুপরেখা।পৃষ্টা:১৯

০৭.কেয়ামতের দিন কবিরা গুনাহ যেমন -চুরি,মিথ্যাকথা ইত্যাদির হিসাব দেয়া লাগবে না।
সূত্র:আক্বীদা।পৃষ্টা-৩৭

০৮.নামায বেহেস্তের চাবি নয়।
সূত্র:সেলিমের ভিডিও বক্তব্য

০৯.টুপি ও দাঁড়ীর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই।
সূত্র:ইসলামের শুধু নাম থাকবে।পৃষ্টা-১৩১

১০.পন্নী সাহেবের ভাষণ আর কোরানের আয়াত সমান মর্যাদার।
সূত্র:আল্লাহর মোজেজা হেযবুত তাওহীদের বিজয় ঘোষনা।পৃষ্টা-৩৩

১১.পন্নী সাহেব সরাসরি আল্লাহ তালার মনোনিত ব্যক্তি।
সূত্র:আল্লাহর মোজেজা হেযবুত তাওহীদের বিজয়।পৃ-২৪

১২.যে ব্যক্তি পন্নী সাহেবের দাবি মানেনা সে জাহান্নামী আর যারা মানবে তারা জান্নাতি।
সূত্র:আল্লাহর মোজেজা হেযবুত তাওহীদের বিজয়।পৃ-৬২-৬৪

১৩.নবীরা যা পারেননী পন্নী সেটা পেরেছেন।
সূত্র:পন্নীর ভিডিও।

খ্রিষ্টান মিশনারীর অর্থে গঠিত ও পরিচালিত কথিত "হিজবুত তাওহিদ" সংগঠনের প্রায় ৪০% সদস্য হলো হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান, যদিও তারা মুসলিম সেজে মুসলমানদের কে কাফের বানানোর মিশন চালাচ্ছে!

এদের মত নব্য ফিতনাবাজদেরকে প্রতিহত করা সরকারের এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি মুসলমান জনগণের ও কর্তব্য। বাংলাদেশ মুসলমানের দেশ হয়ে তারা কিভাবে আলেম ও ইসলামের বিরোধীতা করে, তাহলে আমাদের দেশের শাসক প্রশাসক কি করছে?

আমাদের সবার উচিৎ এই সব মিশনারি ইসলাম বিরোধীতাকারীদেরকে ধরে ধরে তাদের সাজা দিয়ে এই দেশ থেকে চিরতরে উতখাৎ করা ।

হিজবুত তাওহীদ" নামক এই ঈমান ধ্বংসের আখেরী জামানার নব্য ফেতনাবাজদের ফেতনা থেকে নিজেকে হেফাজত করুন এবং অন্যকেও রাখুন।

06/07/2020

# #বর্তমান লা মাযহাবী আহলে হাদিস ভাইদের কিছু ভ্রান্ত আকিদা ও মতবাদ:
(পোষ্টটি সবাইকে পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি,,)
👹বর্তমান যুগের বড় ফিতনা আহলে হাদিসের ভ্রান্ত আকিদা-মতবাদ থেকে সাবধান !!

👉বর্তমান সময়ের লামাজহাবি,বিদায়াতী,সালাফী পথভ্রষ্ট আহলে হাদিস সম্প্রদায় যারা শরীয়ত সম্পর্কে অজ্ঞ।বর্তমানকালের সব চেয়ে জঘন্যতম ফেতনা ও চরম প্রতারক কথিত আহলে হাদিস তথা লামাযহাবী ফেতনা। এরা খুব কৌশলে মানুষের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে দিতে পারে। এদের সব চেয়ে কৌশলী অস্ত্র হল, মিথ্যাচার আর অহর্নিশি সহীহ হাদিসের ফুলঝুরি। বড্ড অবাক হই, এরা কোনো ইমামের তাকলীদ করা তথা ফতুয়া মানাকে অন্ধ বিশ্বাস বলে কটাক্ষ্য করে, অপর দিকে নিজেরাই শায়খ আলবানীর নাম জপতে জপতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে। এটা কি তাদের দ্বিমুখী চরিত্র নয়? কথিত আহলে হাদীস নামধারীদের প্রকাশিত বই থেকেই উম্মতে মোহাম্মদীকে বিভক্তকারী আকিদা, আমল ও বিদ্বেষ মাখা কথাগুলো মতবাদ হুবহু উদ্ধৃত করা হল।আহলুস সুন্নাত ওয়াল জমাতের অনুসারীগন এর থেকে কিছু শিক্ষা নিতে পারবেন বলে আধমের বিশ্বাস।

✍️আকিদা-মতবাদ ১. সারা পৃথিবীর মানুষ কালিমার মধ্যে আল্লাহ ও মুহাম্মদকে এক করে আল্লাহ ও মুহাম্মদকে দুই ভাই বানিয়ে ফেলেছে।(তথ্যসূত্র-ইসলামের মূলমন্ত্র কালিমা তয়্যেবাহ লাইলাহা ইল্লাল্লাহ, পৃষ্ঠা-৯, লেখক-আব্দুল্লাহ ফারুক বিন আব্দুর রহমান) ✍️আকিদা-মতবাদ ২. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ এটা কোন পবিত্র বাক্য নয়।(কালিমার মর্মকথা, পৃষ্ঠা-৩১৮, লেখক আকরামুজ্জান বিন আব্দুস সালাম) ✍️আকিদা-মতবাদ ৩. হানাফী ইহুদীদের অভ্যাস হল তারা কুরআনের মাঝে কম-বেশি করে কুরআনের হুকুম অস্বীকার করে। (মাসায়েলে গাইরে মুকল্লিদীন, পৃষ্ঠা-৪৭, লেখক-মাওলানা আবুবকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪. কোন নবী বা অন্যকোন সৎ আমলকারীর কবর জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে সফর করা জায়েজ নেই। (দ্বীন ইসলামের জানা অজানা, পৃষ্ঠা-১১৯, লেখক-ড. ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ) ✍️আকিদা-মতবাদ ৫. “সাহাবাগণের (রা.) কথা দলীল স্বরূপ পেশ করা যাবে না।” এবং তাদের বুঝ নির্ভরযোগ্য নয়। (আর রাওজাতুল নাদীয়া- পৃ.১/১৪১] [আর রাওজাতুল নাদীয়া-পৃ.১/১৫৪, লেখক-নবাব সিদ্দীক হাসান খান) ✍️আকিদা-মতবাদ -৬. “সাহাবীদের কথা প্রমাণযোগ্য নয়”।( ফাতাওয়ায়ে নজীরিয়া-পৃ.১/৩৪০, লেখক মিয়া নজীর হুসাইন দেহলবী) ✍️আকিদা-মতবাদ ৭. “সাহাবাদের মধ্য হতে কিছু সংখ্যক ফাসেক্বও ছিল, যেমন-ওয়ালিদ, তেমনি ভাবে মুয়াবিয়া, উমর, মুগীরা ও সামুরা (রা.) প্রমুখ সম্বন্ধেও অনুরূপ বলা যেতে পারে ”। (নুযুলুল আবরার, পৃ.২/৯৪, লেখক-নবাব ওহীদুজ্জামান খান) ✍️আকিদা-মতবাদ ৮. “তাক্বলীদ হচ্ছে ঈমানদারদের জন্য শয়তানের সৃষ্ট বিভ্রান্তি।(কাটহুজ্জাতীর জওয়াব, পৃ.৮৩, লেখক- মাও. আবু তাহের বর্দ্ধমানী) ✍️আকিদা-মতবাদ ৯. ”মুক্বাল্লিদগণকে মুসলমান মনে করা উচিত নয়।(তাওহীদী এটম বোম, পৃ.১৫, লেখক- মাওলানা আব্দুল মান্নান সিরাজনগরী,বগুড়া) ✍️আকিদা-মতবাদ ১০. “মাযহাবীগণ ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত, তাদের মধ্যে ইসলামের কোন অংশ নেই।(তাম্বিহুল গাফেলীন, আব্দুল কাদির রচিত পৃ.৭) ✍️আকিদা-মতবাদ ১১. ”চার ইমামের মুক্বাল্লেদ এবং চার তরিকার অনুসারীগণ মুশরিক ও কাফির।(ইতেছামুস সুন্নাহ পৃ.৭-৮, লেখক- মাও. আব্দুল্লাহ মুহাম্মদী) ** পবিত্র কুরআনের কোন আয়াত বা কোন সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে এ উদ্ভট মতবাদ? আহলে হাদিস ভাইয়েরা বলবেন কি? ✍️আকিদা-মতবাদ ১২. পাঞ্জাবী, টুপি এগুলো সুন্নতী পোশাক নয় বরং ভিক্ষা বৃত্তির পোশাক। ইসলামে সুন্নতী পোশাক বলতে কোন পোশাক নেই। বরং প্রত্যেক দেশের প্রচলিত পোশাকই সুন্নতী পোশাক এবং যে পোশাক যার কাছে ভাল লাগে তাই সুন্নতী পোশাক তবে শর্ত হল উক্ত পোশাক দেখতে সুন্দর হতে হবে। টুপি পাগড়ী পড়লে সুন্দর লাগে এতটুকুই কিন্তু এগুলোকে সুন্নতী পোশাক বলা যাবে না। কেননা, পাগড়ি হল সুদান, আফগানিস্তান, ইরান আর ভারতের শিখদের পোশাক। এটা কোন সুন্নতী পোশাক নয়।(দ্বীন ইসলামের জানা অজানা, পৃ-২১২-২১৩, লেখক-ড. ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৩. হানাফীরা রাসূল সাঃ এর তরীকা অনুযায়ী নামায আদায় করে না, কেননা তাদের ধর্ম ইসলাম নয় বরং হানাফী, তাদের প্রভু আল্লাহ নয় বরং আবূ হানীফা, তাদের নবী মুহাম্মদ নয় বরং উলামায়ে আহনাফ।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন, পৃ-৪৯, লেখক-মাওলানা আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৪. হানাফীরা যদিও যাহেরীভাবে কালেমা “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” বলে কিন্তু তাদের আসল কালিমা হলো “লা ইলাহা ইল্লা আবু হানীফা ওয়া উলামাউল আহনাফ আরবাবুন মিন দুনিল্লাহ”।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন, পৃ-৪৯, লেখক-মাওলানা আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৫. সাহাবীদের মধ্যে আমর বিন আস, ওয়ালিদ বিন মুগীরা, মুআবিয়া বিন আবু সুফিয়ান, মুগীরা বিন শু’বাহ, সামুরা বিন জুন্দুব, এরা সকলেই ফাসেক ছিল। এদের নামের সাথে রাদিয়াল্লাহু আনহু বলা হারাম।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন, পৃ-৬০, লেখক-মাওলানা আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৬. “ আহলে সুন্নাতের ইয়াহুদী হল রক্ষণশীল মাযহাবপন্থীরা, বিশেষতঃ কিছু হানাফী।(আদদেওবন্দিয়া , পৃ.৪৫০, লেখক শেখ সাইফুর রহমান) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৭. “হানাফী মাযহাবের মাসআলা কাফির হিন্দুদের পঞ্চভ্রাতাদের মাসআলার চাইতেও জঘন্য-ঘৃণ্য।
(তাওহীদী এটম বোম,পৃ. ৬৬, লেখক- মাও.আব্দুল মান্নান সিরাজনগরী (বগুড়া), অনুরূপ” আমি কেন মুসলিম হইলাম” সুজাউল হক, ৫-১৭) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৮. মাযহাবীদের যুক্তির সন্ধান, বইয়ের লিখক মাও. আব্দুর রহমান লিখে- “ হানাফী মাযহাব ৭২টি জাহান্নামী দলের একটি দল।” (মাযহাবীদের যুক্তির সন্ধানে ভূমিকা) ✍️আকিদা-মতবাদ ১৯. মৌ. আব্দুল কাদের এবং কথিত নব মুসলিম সুজাউল হক লিখেছে-” আবু হানীফা মানুষের মন জয় এবং আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে হানীফা নামক সুন্দরী যুবতী মেয়েটির নাম অনুসারে মাযহাবের নামকরণ করেছে।(“তাম্বিহুল গাফেলীন” আঃ কাদির রচিত, পৃ. ১৯, সুজাউল হক নব মুসলিম রচিত “আমি কেন মুসলিম হইলাম” পৃ. ১৯) ✍️আকিদা-মতবাদ ২০. “আমি কেন মুসলিম হইলাম” বইয়ের লিখক সুজাউল হক নব মুসলিম, হানাফী ছিলেন। লা-মাযহাবী মতবাদ অবলম্বন করতঃ উক্ত বিতর্কিত বই রচনা করে। এ বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেবল ইমাম আবু হানীফা ও হানাফী মাযহাবের প্রতি অপবাদ, অপপ্রচার ও কুৎসা রটানোর চুক্তিতেই লাগামহীনভাবে হীনস্বার্থ চরিতার্থ করেছে। এ বইয়ের ৩,৪,৯ ও ১৩ পৃষ্ঠায় লিখেছে, হানাফীরা মুরতাদ, ৪ ও ৮ পৃষ্ঠায় লিখেছে- হানাফীরা নাস্তিক। ৫ও১৮নং পৃষ্ঠায় লিখেছে, হানাফীরা ধর্মের দালাল ও প্রতারক, ইমাম আবু হানীফা (রহ.) সম্বন্ধে উক্ত বইয়ের ১৭ পৃষ্ঠায় লিখেছে- “ ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, ইসলামদ্রোহী শত্রুদলসমূহের মধ্যে অন্যতম ইমাম আবু হানীফার নগ্ন ভূমিকার কুৎসিত ইতিহাস। ✍️আকিদা-মতবাদ ২১. “ইমাম আবু হানীফা ও ফিক্বহের প্রতিষ্ঠাতা আবু হানীফা এক নয় কারণ ফিক্বহের উদ্দেশ্য সৎ ছিল না, ফিক্বহের উদ্দেশ্য হলো মানুষের শয়তানী ইচ্ছাকে পূর্ণ করা এবং সরকারী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গের রায়কে বাস্তবায়িত করা।(ইমাম আবু হানীফ বনাম আবু হানীফা, পৃষ্ঠা-২, লেখক- মাওলানা আব্দুর রউফ, আমীর আহলে হাদীস তাবলীগে ইসলাম) ✍️আকিদা-মতবাদ ২২. কথিত মাওলানা আব্দুর রউফ সাহেব তার “ইমাম আবু হানীফা বনাম আবু হানীফা” নামক বইয়ের ৭ম পৃষ্ঠায় লিখেছে- “ আবু হানীফা বে-ঈমান হয়ে মারা গেছে” , ৮ম পৃষ্ঠায় লিখেছে-” ইমাম আবু হানীফা কাফির হয়ে মারা গেছে”, ১০ম পৃষ্ঠায় লিখেছে- “মুসলিম জাতির মধ্যে আবু হানীফার চাইতে বড় সর্বনাশা সন্তান আর কোনটি জন্মায়নি।” একই পৃষ্ঠায় আরো লিখে-” ইসলামের প্রতি আবু হানীফার কোন শ্রদ্ধাই ছিল না।” ✍️আকিদা-মতবাদ ২৩. “পর্যালোচনা ও চ্যালেঞ্জ” নামে আকরামুজ্জান বিন আব্দুস সালাম বাইতুল মুকাররমের সম্মানিত খতীব উবায়দুল হক রহঃ এর ব্যাপারে চরম বিষোদগার করে। ৩য় পৃষ্ঠায় লিখেছে, তাক্বলীদপন্থীরা হাদীস অবলম্বন ছাড়া যা ইচ্ছা তা-ই বলে। ৬ষ্ট পৃষ্ঠায় লিখেছে, খতীব সাহেবের উক্ত বক্তব্য হাদীস অস্বীকারকারীদের কথারই সাদৃশ্য। ১৩নং পৃষ্ঠায় লিখেছে, বল্গাহীনতা ও দলীল প্রমাণের বালাই না থাকার কারণে হানাফী মাযহাবের লোক সংখ্যা বেশী।” ✍️আকিদা-মতবাদ ২৪. কাফের ব্যক্তির ইমামতিতে মুসলমানের নামায সহীহ হয়ে যাবে। এমনকি কাফের ব্যক্তি যদি বলেও আমি কাফের তবুও নামায হয়ে যাবে।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন-৩৮২, লেখক আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ২৫. মহিলারা পুরুষের ইমামতী করতে পারবে।(মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন-৩০৯, লেখক আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ২৬. তাবলীগ জামাত শিরক জনিত আক্বীদার জালে আবদ্ধ এক ফেরকা, এদের নিসাবী কিতাব কুরআন ও সহীহ হাদীস পরিপন্থী জাল ও জঈফ হাদীসে ভরপুর। তাবলীগী নিসাবের কিতাবে জাল হাদীস ও কিচ্ছা কাহিনী এবং বিভিন্ন শিরকি কথা ছাড়া আর কিছুই নেই। কুরআন ও সহীহ হাদীসের দু একটা থাকলেও তা অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। (সহীহ আক্বীদার মানদন্ডে তাবলীগী নিসাব-লেখক মুরাদ বিন আমজাদ) ✍️আকিদা-মতবাদ ২৭. পৃথীবিতে যত মাযহাব আছে এদের মধ্যে আহলে হাদীসই সঠিক পথ প্রাপ্ত বাকি সব মাযহাব জাহান্নামী একথা সুষ্পষ্ট সুতরাং আহলে হাদীসের জন্য ওয়াজিব হলো ঐ সমস্ত বাতিল ফেরক্বার সাথে চলাফেরা, লেনদেন এবং ধর্মীয় সম্পর্ক বর্জন কর। এমনকি তাদের পিছনে নামায পড়বে না, তাদের জানাযায় শরীক হবে না, তাদের সালাম দিবে না, তাদের কাছে মেয়ে বিয়ে দেবে না এবং তাদের মেয়ে আনবেও না। (মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন-৫১২, লেখক আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ২৮. হানাফীরা শরীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কাফির,.সুতরাং আহলে হাদীসের জন্য তাদের কাছে মেয়ে বিয়ে দেওয়া তাদের মেয়ে বিয়ে করা হারাম। (মাসায়েলে গাইরে মুকাল্লিদীন-৫১২, লেখক আবু বকর গাজিপুরী) ✍️আকিদা-মতবাদ ২৯. প্রচলিত কালিমা তাইয়্যিবাহ তথা (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) ভুল। (মাযহাবীদের গুপ্তধন-৩৩, লেখক- মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম.) ✍️আকিদা-মতবাদ ৩০. হানাফী মাযহাবের আলেম/ওলামাগণের ইজমা একমত মান্য করা হলে তারা বিদআত হানাফী মাযহাব পালনকারী জনগণ বিদআতী কাজ করে চলেছেন তাদের পরিণাম জাহান্নাম। (ফিক্বহে ইসলাম বনাম দ্বীন ইসলাম-১৭৯, লেখক- ইঞ্জিনিয়ার শামসু) ✍️আকিদা-মতবাদ ৩১*আহলে হাদীস আলেম ওহিদুজ্জামান হাইদ্রাবাদী তার হাদইয়াতুল মাহদী কিতাবে লিখেছে,আমাদের জন্য অন্যান্য নবীদের নবুওয়াত অস্বীকার করা উচিৎ নয়, যাদের কথা কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত হয়নি, কিন্তু তাওয়াতুর বা অসংখ্য লোকের বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত যে, তারা নেককার নবী ছিলো; যদিও এসব বর্ণনাকারী কাফের হয়। যেমন, হিন্দুদের রামচন্দ্র, লক্ষণ, কিশান জী, পারস্যের ঝারাতুশত, চীন ও জাপানের গৌতম বুদ্ধ ও কনফুসিয়াস। গ্রিকদের সক্রেটিস, পিথাগোরাস (এরা সবাই নবী ছিলো)। (হাদইয়াতুল মাহদী, পৃ.৮৫, মাতবুয়া শাওকাতুল ইসলাম, বেঙ্গলোর) ✍️আকিদা-মতবাদ ৩২* হায়েজ নেফাসের রক্ত ছাড়া মানুষ ও সকল প্রাণীর রক্ত পাক।(দলীলুত তালেব-২৩০, বুদুরুল আহিল্লাহ-১৮,উরফুল জাদী-১০) ✍️আকিদা-মতবাদ ৩৩ ব্যবসায়িক সম্পদে কোন জাকাত নেই। (বুদুরুল আহিল্লাহ-১০২) ✍️আকিদা-মতবাদ ৩৪ হাদীসে বর্ণিত ছয়টি বস্তু ছাড়া বাকি সকল বস্তুতে সুদ নেয়া জায়েজ। (দলীলুত তালেব, উরফুল জাদী, আল বুনয়ানুল মারসূস, বুদূরুল আহিল্লাহ ইত্যাদি গ্রন্থ)। ✍️আকিদা-মতবাদ -৩৫ গোসল ছাড়াই নাপাক ব্যক্তি কুরআন কারীম স্পর্শ করা, উঠানো, রাখা, হাত লাগানো জায়েজ। (দলীলুত
তালেব-২৫২, উরফুল জাদী, আল বুনইয়ানুল মারসূস) ✍️আকিদা-মতবাদ -৩৬ স্বর্ণ রোপার অলংকারে যাকাত আবশ্যক নয়। (বুদুরুল আহিল্লাহ-১০১) ✍️আকিদা-মতবাদ -৩৭ মদ নাপাক ও অপবিত্র নয়, বরং তা পাক। (বুদূরুল আহিল্লাহ-১৫, দলীলুত তালেব-৪০৪, উরফুরজাদী-২৪৫) ✍️আকিদা-মতবাদ -৩৮ স্বর্ণ রোপার অলংকারে কোন সূদ নেই। তাই যেভাবে ইচ্ছে কম- বেশি করে তা ক্রয়- বিক্রয় জায়েজ। (দলীলুত তালেব-৫৭৫) ✍️আকিদা-মতবাদ -৩৯- মানুষের বীর্য পাক। (বুদূরুল আহিল্লাহ-১৫) ✍️আকিদা-মতবাদ -৪০ -সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে পড়ার আগেই জুমআর নামায পড়া জায়েজ। (বুদূরুল আহিল্লাহ-৭১) ✍️আকিদা-মতবাদ-৪১-জুমআর নামাযের জন্য জামাত হওয়া জরুরী নয়। যদি দুইজন ব্যক্তিও হয়, তাহলে একজন খুতবা পড়বে, তারপর উভয়ে মিলে জুমআর নামায পড়ে নিবে। (বুদূরুল আহিল্লাহ-৭২) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪২- “জুমার খুতবায় খোলাফায়ে রাশেদার নাম নেয়া বিদয়াত।” (নাউযুবিল্লাহ) ।(আহলে হাদিসদের রচিত ‘হাদিয়াতুল মাহদি‘ পুস্তকের ১১০ নং পৃষ্ঠা) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪৩-“খোলাফায়ে রাশেদা অর্থাৎ হযরত আবু বকর, হযরত উমর, হযরত উসমান এবং হযরত আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) উনারা শরীয়তের খেলাফ হুকুম জারি করতেন।” (নাউযুবিল্লাহ)। ‘(তানবীরুল আফা-ক‘ পুস্তকের ১০৭ নং পৃষ্ঠা) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪৪-“হযরত আয়েশা (রা) আলীর সাথে যুদ্ধ করে মুরতাদ হয়ে গেছেন।” (নাউযুবিল্লাহ)।‘(কাশফুল হিজাব‘ পুস্তকের ২১ নং পৃষ্ঠা) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪৫- “আইম্মায়ে ইছনা আশারা যারা শীয়াদের ইমাম, আমরা তাদের অনুসারী।‘(হাদিয়াতুল মাহদি‘ পুস্তকের ১০৩ নং পৃষ্ঠা) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪৬-“হযরত উমর কুরআনের হুকুম পরিবর্তন করে ফেলেছেন।” (নাউযুবিল্লাহ) । (‘তানবীরুল আফা-ক‘ পুস্তকের ৪৯৮-৪৯৯ নং পৃষ্ঠা) ‘দলীলুত ত্বলিব‘ পুস্তকের ৫২ নং পৃষ্ঠায় লেখা আছে “অপবিত্র অবস্থায় কুরআন স্পর্শ করা জায়েজ।” (নাউযুবিল্লাহ) ।
✍️.আকিদা-মতবাদ ৪৭-“সমস্ত জানোয়ার তথা জন্তুর পেশাব পবিত্র।” (নাউযুবিল্লাহ)। (‘বদূরুল আহিল্লাহ‘ পুস্তকের ১৪-১৫ নং পৃষ্ঠা). ✍️আকিদা-মতবাদ ৪৮-“নামাযের জন্য কাপড় পাক হওয়া জুরুরি নয়।” (নাউযুবিল্লাহ)।(‘দলীলুত ত্বালিব‘ পুস্তকের ২৬৪ নং পৃষ্ঠা) ✍️আকিদা-মতবাদ ৪৯-“মহিলাও মুয়াজ্জিন হতে পারবে।” (নাউযুবিল্লাহ)। (‘হাদিয়াতুল মাহদি‘ পুস্তকের ২৩ নং পৃষ্ঠা) ✍️আকিদা-মতবাদ ৫০-“এক বকরীতে ১০০ মানুষের পক্ষ থেকে কুরবানি হতে পারে।” (নাউযুবিল্লাহ)।( ‘বদূরুল আহিল্লাহ‘ পুস্তকের ৩৯১ নং পৃষ্ঠা) “পুরুষ একই সময় যত ইচ্ছে বিয়ে করতে পারবে।” (নাউযুবিল্লাহ)।‘যফরুল কাযী‘ পুস্তকের ১৪১, ‘উরুফুল জাবী‘ পুস্তকের ১১৫ নং পৃষ্ঠা) 👉পবিত্র কুরআনের কোন আয়াত বা কোন সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে এ ৫০ টি মতবাদ-আকিদা পোষন করেন? আহলে হাদিস ভাইয়েরা বলবেন কি?
উল্লেখিত মতবাদ - আকিদা দ্বারা পুরোপুরিভাবে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে যে, মাযহাবের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডাকারী ও আহলে হক্বের সাথে আলোচনার টেবিলে যোগদানে অস্বীকারকারী ক্রমাগত পালিয়ে বেড়ানো আহলে হাদিস নামধারি কথিত ছহিহ হাদিসের অনুসারীরা মূলত ইয়াহুদীদের মদদপুষ্ট শীয়াদেরই একটি অঙ্গ সংগঠন। যাদের কাজই হল আহলুস সুন্নাত ওয়াল জমাতের অনুসারী মুসলিমের বিভ্রান্ত করে মাযহাবের বন্ধন থেকে বের করে দেয়া ও ধীরেধীরে সাহাবী বিদ্বেষী করে তুলা। পর্যায়ক্রমে শীয়াদের পাল্লাই ভারি করা। যা দেরিতে হলেও আজ দিবালোকের ন্যায় পরিষ্কার।
সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকা! সহিহ হাদিসের মোড়কে শীয়া এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী কথিত আহলে হাদিসদের এরকম হাজারো উল্টাপাল্টা ফতুয়াবাজির ডকুমেন্ট আমাদের নিকট রয়েছে। যা সুস্পষ্টভাবে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ফেরকা শীয়া কুফফারদের সাথে মিল। আল্লাহ তায়ালা এ আখেরি যামানায় এ জাতীয় নতুন ফেরকাগুলো হতে আমাদের রক্ষা করুন, আমীন

05/31/2020

সুল (সাঃ) বলেন,
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমার সকল উম্মত জান্নাতে প্রবেশ করবে শুধু যে অস্বীকার করেছে সে ছাড়া। সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.) কে অস্বীকার করবে? রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, যে আমার আনুগত্য করল সে জান্নাতে যাবে আর যে আমার অবাধ্য হল বা অমান্য করল, সে অস্বীকার করল। (সহীহ আল-বুখারী -২/১১২)।
রাসুল (সাঃ) এর সুন্নত অনুসরণ সংক্রান্ত সহিহ হাদিসসমূহ
(১) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার সকল উম্মাতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করবে। তারা বললেন, কে অস্বীকার করবে। তিনি বললেনঃ যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সে-ই অস্বীকার করবে।[1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৩), সহীহ বুখারী (তাওহীদ প্রকাশনী)-৭২৮০.।
[1] যারা আল্লাহর রাসূলের সহীহ হাদীসকে জেনে বুঝে স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে পরিত্যাগ ক’রে কারো স্বকপোল কল্পিত রায় কিয়াসের অনুসরণ করে তারা আল্লাহর রাসূলের অবাধ্য।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
(২) জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদল ফেরেশ্তা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন। তিনি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। একজন ফেরেশ্তা বললেন, তিনি (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ঘুমিয়ে আছেন। অন্য একজন বললেন, চক্ষু ঘুমিয়ে বটে, কিন্তু অন্তর জেগে আছে। তখন তারা বললেন, তোমাদের এ সাথীর একটি উদাহরণ আছে। সুতরাং তাঁর উদাহরণ তোমরা বর্ণনা কর। তখন তাদের কেউ বলল- তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বলল, তাঁর উদাহরণ হল সেই লোকের মত, যে একটি বাড়ী তৈরি করল। তারপর সেখানে খানার আয়োজন করল এবং একজন আহবানকারীকে (লোকদের ডাকতে) পাঠাল। যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল, তারা ঘরে প্রবেশ করে খানা খাওয়ার সুযোগ পেল। আর যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল না, তারা ঘরেও প্রবেশ করতে পারল না এবং খানাও খেতে পারল না।
তখন তারা বললেন, উদাহরণটির ব্যাখ্যা করুন, যাতে তিনি বুঝতে পারেন। তখন কেউ বলল, তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত, তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বললেন, ঘরটি হল জান্নাত, আহবানকারী হলেন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণ করল, তারা আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবাধ্যতা করল, তারা আসলে আল্লাহরই অবাধ্যতা করল। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলেন মানুষের মাঝে পার্থক্যের মাপকাঠি। কুতাইবাহ জাবির (রাঃ) থেকে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি ‘‘নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বের হয়ে আসলেন’’ এ কথাটি বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৪), সহীহ বুখারী (তাওহীদ)-৭২৮১. ।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)
(৩) হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে কুরআন পাঠকারী সমাজ! তোমরা (কুরআন ও সুন্নাহর উপর) সুদৃঢ় থাক। নিশ্চয়ই তোমরা অনেক পশ্চাতে পড়ে আছ। আর যদি তোমরা ডানদিকের কিংবা বামদিকের পথ অনুসরণ কর তাহলে তোমরা সঠিকপথ বহু দূরে সরে পড়বে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৫), সহীহ বুখারী (তাওহীদ)-৭২৮২।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ হুযাইফাহ (রাঃ)
(৪) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমাকে প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাক, যে পর্যন্ত না আমি তোমাদের কিছু না বলি। কেননা, তোমাদের আগে যারা ছিল, তারা তাদের নবীদেরকে বেশি বেশি প্রশ্ন করা ও নাবীদের (নবীদের) সঙ্গে মতভেদ করার জন্যই ধ্বংস হয়েছে। তাই আমি যখন তোমাদেরকে কোন ব্যাপারে নিষেধ করি, তখন তাত্থেকে বেঁচে থাক। আর যদি কোন বিষয়ে আদেশ করি তাহলে সাধ্য অনুসারে মেনে চল। [মুসলিম ১৫/৭৩, হাঃ ১৩৩৭, আহমাদ ৯৭৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৯০), সহীহ বুখারী (তাওহীদ)-৭২৮৮।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
(৫) হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আমানাত আসমান হতে মানুষের অন্তরের অন্তঃস্তলে অবতীর্ণ হয়েছে, তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং মানুষ কুরআন পাঠ করেছে এবং সুন্নাত শিক্ষা করেছে। [৬৪৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮০), সহীহ বুখারী (তাওহীদ)-৭২৭৬.।
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারী রাবীঃ হুযাইফাহ (রাঃ)
(৬) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সর্বোত্তম কালাম হল আল্লাহর কিতাব, আর সর্বোত্তম পথ নির্দেশনা হল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পথ নির্দেশনা। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল নতুনভাবে উদ্ভাবিত পন্থাসমূহ। ‘‘তোমাদের কাছে যার ও‘য়াদা দেয়া হচ্ছে তা ঘটবেই, তোমরা ব্যর্থ করতে পারবে না’’- (সূরাহ আন‘আম ৬/১৩৪)।[1] [৬০৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮১), সহীহ বুখারী (তাওহীদ)-৭২৭৭।
সুন্নতের গুরুত্ব যে কতটুকু তা উপরে উল্লেখিত হাদীস শরীফ দ্বারা সহজেই অনুমান করা যায়। সুন্নত মানব জীবনের সফলতার জন্য একটি সহায়ক। যার জীবন সুন্নত তরীকা অনুযায়ী যততুটু সাজানো তার জীবনও তত আরামদায়ক জীবন এবং উন্নত । যে ব্যক্তি দুনিয়াতে আরামের যিন্দিগী তালাশ করে তার জন্য সুন্নত আকড়ে ধরা উচিত। সুন্নত ব্যতীত আরামের যিন্দেগী তালাশ করা বোকামী ছাড়া কিছু নয়। আল্লাহ পাক যাদের মঙ্গল ও কল্যাণ চান তাদেরকে দ্বীনের সঠিক বুঝ দান এবং সুন্নত তরীকা অনুযায়ী জীবন গড়ার তৌফিক দান করেন। আল্লাহ পাক আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাঁর বন্ধুর তরীকায় চলার তৌফিক এনায়েত করুন। আমিন।
রাসুল (সাঃ) এর হাদিস বা সুন্নাহ না মানা

05/31/2020

খবরে ওয়াহেদের নামে আবুবকরের(রাঃ) জাল হাদিসঃ
রাসুল নাকি আবুবকরকে (রাঃ) বলেছেন, “ আমরা নবীগনের কোন উত্তরাধিকারী নেই; আমরা যা কিছু রেখে যাই তার সবই জাকাত হিসাবে বায়তুল মাল”( বুখারী, ৪র্থ খন্ড,পৃঃ৯৬; ৫ম খন্ড, পৃঃ২৫, ২৬, ১১৫, ১১৭; ৮ম খন্ড, পৃঃ ১৮৫; নায়সাবুরি, ৫ম খন্ড, পৃঃ ১৫৩-১৫৫; তিরমিজী, ৪র্থ খন্ড, পৃঃ ১৫৭-১৫৮; তায়লিসী, ৩য় খন্ড, পৃঃ ১৪২-১৪৩; নাসাঈ, ৭ম খন্ড,পৃঃ ১৩২; হাম্বল, ৪র্থ খন্ড,পৃঃ ৪, ৬, ৯, ১০; শাফী, ৬ষ্ট খন্ড,পৃঃ৩০০; সাদ, ২য় খন্ড, পৃঃ ৮৬-৮৭; তাবারী, ১ম খন্ড, পৃঃ ১৮২৫; বাকরী, ২য় খন্ড, পৃঃ ১৭৩-১৭৪)।
এ হাদিসটি উত্তরাধীকার সংক্রান্ত কোরানের নির্দেশের পরিপন্থী। নবীদের উত্তরাধিকার সম্পর্কে কোরানে বর্নিত হয়েছেঃ
“এবং সোলায়মান ছিল দাউদের উত্তরাধিকারী” (সুরা নামল,আয়াত # ১৬)। “সুতরাং তোমরা নিজের থেকে আমাকে একজন উত্তরাধিকারী দাও যে আমার উত্তরাধিকারী হবে এবং ইয়াকুবের পরিবারের উত্তরাধীকারী হবে-বললেন জাকারিয়া” (সুরা মরিয়ম,আয়াত # ৫-৬)।
উপরোক্ত আয়াতগুলোতে ভৌত সম্পদের উত্তরাধিকারীকেই বুঝানো হয়েছে।কেউ কেউ মনে করেন এমন আয়াত মানুষের নবুয়তের জ্ঞানের উত্তরাধিকারীকে বুঝানো হয়েছে।এটা একটা অসাড় যুক্তি এবং বাস্তব বিবর্জিত কথা।কারন নবীদের জ্ঞান উত্তরাধিকারের বস্তু হতে পারে না এবং এটা উত্তরাধিকারের মাধ্যমে হস্তান্তর যোগ্য নয়।এমনটি হলে সকল নবীর বংশধর নবী হতেন।সেক্ষেত্রে কোন কোন নবীর পুত্র নবী হয়েছিলেন এবং অন্যরা এটা থেকে বঞ্চিত হয়েছে-এরুপ ব্যবধানের কোন অর্থ হয় না।
বুখারি শরিফে মুশরিক আবু জাহেলকে রক্ষার ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছেঃ
আব্দুল্লাহ(রাঃ) বলেন,বদর যুদ্বের দিন(আহত) আবু জাহেল যখন ইন্তেকালের মুখোমুখী,সে সময় তিনি তাঁর কাছে গেলেন।যে লোকটিকে তোমরা হত্যা করলে( অর্থাৎ আমাকে) তাঁর চেয়ে অধিকতর নির্ভরযোগ্য(উত্তম) আর কোন লোক আছে কি?(হাদিস # ৩৬৭৫,সোলায়মান প্রকাশনি)।
ইমাম/খতিব্দের প্রতি অনুরোধ মসজিদের মিম্বরে বসে সত্য প্রচার করুন।কখনো প্রচার করবেন না,কুরানের পর বিশ্বের সবচেয়ে সহী গ্রন্থ বুখারী শরীফ।
কৃ্ষি যন্ত্রপাতির বিরুদ্বে বুখারীর মিথ্যা হাদিস সংকলনঃ
আধুনিক প্রকাশনী প্রকাশিত বুখারী শরিফে(অধ্যায়-২,হাদিস # ২১৫৩) বর্ননা করা হয়েছে, “কৃ্ষি কাজের যন্ত্রপাতি যে জাতির ঘরে প্রবেশ করে,আল্লাহ সেখানেই হীনতা ও নীচতা ঢুকিয়ে দেন”। একটি জাতিকে পঙ্গু করে ফেলার জন্য এধরনের জাল হাদিসই যথেষ্ট ।কারন পবিত্র কুরানের সুষ্পষ্ট আয়াত-“তোমরা নামাজের পরে জমিনে ছড়াইয়া পড়”।অর্থাত আল্লাহ পাক আমাদেরকে কাজ করতে বলেছেন।সেই কাজ হতে পারে কৃ্ষি কাজ,পড়ালেখা,গবেষনা ইত্যাদি।আর কৃ্ষি কাজ প্রত্যেক জাতির উন্নয়নের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি।এই হাদিসের বক্তব্য ইসলামের রীতিনীতির পরিপন্থী,যা মহাসম্মানিত আল্লাহর রাসুলের(সাঃ) নামে চালিয়ে দেয়া হয়েছে।
হজরত সোলায়মানের (আঃ) স্ত্রী সহবাস প্রসঙ্গেঃ
আধুনিক প্রকাশনী প্রকাশিত বুখারী শরিফে(অধ্যায়-৩, হাদিস # ২৬০৯, ৩১৭২, অধায়-৫, হাদিস # ৪৮৫৯, অধায়-৬, ৬১৫৩, ৬১৭৬, ৬২৫৩) আবু হুরায়রা (রাঃ) দ্বারা বর্নিত হয়েছে যে, “হজরত সোলায়মান (আঃ) এক রাতে ৭০-১০০ জন স্ত্রীর নিকট গমন করেছিলেন” (বুখারী, হাদিস # ৩১৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন,)। আমরা জানি,রাসুল(সাঃ) বলেছেন, যে হাদিস কুরানের আয়াতকে সমর্থন করে না সেটি জাল হাদিস(মুঃ আল বাকির,সহি আল কাফি,ভল্যুম-১,পাতা-৮,সংস্করন ১৪০২ হিজরী)।এই হাদিসের আলোকে আমি মনে করি উল্লেখিত বুখারীর হাদিসটি ডাহা মিথ্যা।
রাসুল(সাঃ) কি আল্লাহকে সেজদার সময় হজরত আয়েশার (রাঃ) পা টিপতেন?
আধুনিক প্রকাশনী প্রকাশিত বুখারী শরিফে(অধ্যায়-১,হাদিস # ৩৬৯, ৪৮৩, ৪৮৯, ১১৩০) বর্নিত হাদিস অনুযায়ী রাসুল(সাঃ) আল্লাহকে সেজদার সময় হজরত আয়েশার(রাঃ) পা টিপতেন এবং হজরত আয়েশা(রাঃ) তখন পা গুটিয়ে নিতেন।
আমরা একথা নির্দ্বিধায় জানি,আল্লাহ পাকের সম্মানিত রাসুল(সাঃ) অসভ্য ছিলেন না,বরং উমাইয়া শাসকগন ছিল চরম অসভ্য।তাঁদের অসভ্যতা জায়েজ করার জন্য তারা রাসুলের(সাঃ) নামে এধরনের জাল হাদিস রাসুলের নামে চালিয়ে উমাইয়ারা তাঁদের অপকর্মকে জায়েজ করার চেষ্টা চালিয়েছে।
রাসুল(সাঃ) কি কাবাঘর মেরামতকালে উলংগ হয়েছিলেন?
আধুনিক প্রকাশনী প্রকাশিত বুখারী শরিফে (অধ্যায়-১,হাদিস # ৩৫১,অধ্যায়-২,হাদিস # ১৪৭৮ ও অধায়-৩,হাদিস # ৩৫৪৪) হাদিস অনুযায়ী রাসুল(সাঃ) কাবাঘর মেরামতকালে উলংগ হন।যেই রাসুল(সাঃ) জন্মের পর থেকেই আল্লাহ পাকের সম্মানিত ফেরেস্তা দ্বারা প্রহরাধীন থাকতেন এবং আল্লাহ দ্বারা protected ছিলেন,সেই আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কি উলংগ হয়েছিলেন কাবাঘর মেরামতকালে? একথাও কি আমাদের বিশ্বাস করতে হবে?বিশ্বের বিবেকবান মুমিন-মুসলমানদের কি এখনো জেগে উঠার সময় হয় নি?
সবার কাছে অনুরোধ,মিথ্যা হাদিস গুলো ছুড়ে ফেলুন। রাসুলের (সাঃ) পরিবারের (আঃ) সদস্যদের দ্বরা বর্নিত হাদিস মেনে চলুন।
ইয়াজিদের বায়াতের সমর্থনে বুখারি শরিফে বর্নিত হাদিসঃ
নাফি (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন,যখন মদীনার লোকেরা ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার (রাঃ) বায়াত ভংগ করলো, তখন ইবনে উমর (রাঃ) তাঁর বিশেষ ভক্তবৃন্দ ও সন্তানদের সমবেত করলেন এবং বললেন, আমি নবীকে (সাঃ) বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য একটি করে ঝান্ডা (পতাকা) উত্তোলন করা হবে আর আমরা এ লোকটির (ইয়াজিদের) প্রতি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বর্নিত শর্তানুযায়ী বায়াত গ্রহন করার পর তাঁর বিরুদ্বে যুদ্বের প্রস্তুতি গ্রহনের চেয়ে বড় কোন বিশ্বাসঘাতকতা আছে বলে আমি জানি না। আমি যেন কারো সম্পর্কে ইয়াজিদের বায়াত ভংগ করেছে বা সে আনুগত্য করছে না জানতে না পাই। অন্যথায় তাঁর ও আমার সম্পর্ক বিচ্ছিন হয়ে যাবে। (বুখারি শরিফ, হাদিস # ৬৬২৬, অনুবাদঃ মওলানা আজিজুল হক, প্রকাশকঃ সোলেমানিয়া বুক ডিপো, ৩৬,৪৫, বাংলা বাজার, ঢাকা-১০০০, প্রকাশকাল-২০০৬।
ওহুদের যুদ্ব ক্ষেত্র থেকে পালান হজরত আবু বকর (রাঃ) ও ওমরের (রাঃ) নামে শ্রেষ্ঠত্বের হাদিসঃ
আধুনিক প্রকাশনী প্রকাশিত বুখারী শরিফে (অধ্যায়-১, হাদিস #২২, ৮২, ৩৮৭, ৪৪৬-৪৪৭, ৪৯৪, ১৩০২, অধ্যায় ৩, হাদিস # ২৬৩১, ৩০০২, ৩২১১, ৩৩৬২, ৩৩৮২-৮৮, ৩৩৯০, ৩৩৯২, ৩৩৯৪, ৩৩৯৬, ৩৩৯৯, ৩৪০০-০২, ৩৪০৪-০৫, ৩৪০৭-০৮, ৩৪১০-২০, ৩৪২৪, ৩৬১৭; অধ্যায়-৪,হাদিস # ৪০১২, ৪১২৫, ৪৪২৫; অধ্যায়-৫,হাদিস # ৪৮৪৩-৪৪, ৪৮৫৪, ৫৭৯৮; অধ্যায়-৬,হাদিস # ৬১৭০, ৬২৭০, ৬৫২১-২৪, ৬৫৩৩-৩৯, ৬৯৫৭) আবুবকর ও ওমরের শ্রেষ্টত্ব বর্ননা করা হয়েছে এবং রাসুলের (সাঃ) নামে বলা হয়েছে, তিনি বলেছেন,”তারপরে আর কেহ নবী হলে ওমর নবী হতেন”( হাদিস # ৩৪১৪, বুখারী, আধুনিক প্রকাশনী)। অপর এক বর্ননায় পাওয়া যায় যে, “ আবুবকরের ঈমান একদিকে,আর সকল মুমিনের ঈমান একত্রে অন্যদিকে হলে,আবুবকরের একার ঈমান বেশী হবে”। হজরত আবুবকর (রাঃ) ও ওমরের (রাঃ) উভয়েই ওহুদের যুদ্ব ক্ষেত্র থেকে পলায়ন করেছিলেন (মা’রেফুল কুরান,পাতা-২০০-০১,২০৮)। রাসুলকে (সাঃ) যুদ্ব ক্ষেত্রে একা ফেলে তারা চরম স্বার্থপরতার পরিচয় দিয়েছিলেন। অথচ পবিত্র কুরান বলছে, “ যুদ্ব ক্ষেত্র থেকে পলায়ন করা হারাম (সুরা আনফাল,আয়াত # ১৫)। হাদিস জালকারীগন পরাস্ত হন, নীচের লেখাটি থেকে সুষ্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায়ঃ
হজরত আয়েশার (রাঃ) হত্যাকারী মুয়াবিয়াকে(লা’নত) রক্ষার চেষ্টা করেছেন বুখারী সংকলক ইসমাইল বুখারী হোমায়দ ইবনে আব্দুর রশিদ(রাঃ) বলেন,আমি হযরত মুয়াবিয়াকে (রাঃ) একদা খোতবার মধ্যে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন,আমি রাসুলকে(সাঃ) বলতে শুনেছি,তিনি ইরশাদ করেছেনঃআল্লাহ যার কল্যান মঙ্গলের ইচ্ছা করেন তাঁকে দ্বীনি ইলম দান করেন।আমি বন্টনকারী এবং আল্লাহ হলেন দাতা।এ উম্মত সর্বদা আল্লাহর হুকুমের উপর প্রতিষ্টিত থাকবে।যারা তাঁদের বিরোধীতা করবে,কেয়ামত আসা পর্যন্ত বিরোধীরা কখনও তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারী, হাদিস # ৭১, প্রকাশকঃ সোলায়মানী বুক হাউস, একুশে বই মেলা,২০০৬)।
সম্মানিত পাঠক খেয়াল করুন,মুয়াবিয়া ছিল হজরত আয়েশার(রাঃ) হত্যাকারী। মুয়াবিয়া গর্ত খুড়ে গর্তের ভিতর গরম চুন ঢেলে তাতে হজরত আয়েশাকে (রাঃ) নিক্ষেপ করে হত্যা করে। মুয়াবিয়ার বাপ আবু সুফিয়ান রাসুলের (সাঃ) বিরুদ্বে ২২ বছরে ২৬টি যুদ্বের নেতৃ্ত্ব দেন। মুয়াবিয়ার মা হেন্দা ছিল রাসুলের(সাঃ) চাচা হামজার (রাঃ) কলিজা ভক্ষনকারীনি মহিলা এবং সে ছিল ততকালীন আরবের প্রতিষ্টিত পতিতা। মুয়াবিয়ার কুপুত্র ইয়াজিদ ছিল রাসুল (সাঃ) ঘোষিত বেহেস্তের নেতা হজরত ইমাম হুসাইনের (সাঃ) হত্যাকারী। হাদিসটির একটি অংশ-“এ উম্মত সর্বদা আল্লাহর হুকুমের উপর প্রতিষ্টিত থাকবে।যারা তাঁদের বিরোধীতা করবে,কেয়ামত আসা পর্যন্ত বিরোধীরা কখনও তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না”। হাদিসের একথাটি মোটেই সঠিক না। কারন রাসুলের(সাঃ) উম্মত সর্বদা আল্লাহর হুকুমের উপর প্রতিষ্টিত থাকেন নি।রাসুলের (সাঃ) ইন্তেকালের পরেই উম্মতের একটি অংশ রাসুলের (সাঃ) মনোনীত উত্তরাধীকারী ইমামকে ত্যাগ করে নিজেরা খলিফা হয়েছিল।এরপরের মুসলমানদের যে ক্ষতি উমাইয়া ও আব্বাসীয়রা করেছে ,ইতিহাস তাঁর সাক্ষী হয়ে আছে।আশা করি কুরান ও নবী পরিবারের(আঃ) অনুসারীরা এব্যাপারে আরও বিস্তারিত সবাইকে জানাবেন।ইনশাআল্লাহ-চেপে রাখা ইতিহাস থেকে মুমিন-মুসলমানেরা শিক্ষা গ্রহন করবেন।
রাসুল (সাঃ) কাচা রসুন খেতে নিষেধ করেছেন?
৩৯০০/ আব্দুল্লাহ বিন ওমর (রাঃ) বলেন,খায়বার যুদ্বের সময় রাসুল (সাঃ) কাচা রসুন এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।রসুন খেতে নিষেধ করেছেন এ কথা নাফে(রঃ) এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন-একথা হজরত সালেম দ্বারা বর্নিত।(বুখারী,হাদিস # ৩৯০০, প্রকাশক: সোলায়মানী বুক হাউস,একুশে বই মেলা, ২০০৬)।
বুখারী শরিফের হাদিসে হজরত আলীকে(আঃ) অপমান করা হয়েছেঃ
হজরত আলী (রাঃ) থেকে বর্নিত, আমি এমন এক ব্যক্তি ছিলাম,যে, আমার ‘মযী’ অধিক বের হত। এ মাসয়ালা সম্পর্কে অবগত হবার জন্য আমি এক ব্যক্তিকে আদেশ করলাম, তিনি যেন রাসুলাল্লাহকে (সাঃ) প্রশ্ন করে জেনে নেন যেহেতু তাঁর বেটি আমার স্ত্রী(আ্মি তাঁকে এ মাসয়ালা জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা বোধ করছি)। অতপর তিনি এ মাসয়ালা জিজ্ঞাসা করলে হুযুর(সাঃ) বললেন,মযী বের হবার পর অযু করতে হবে ও পুরুষাংগ ধুয়ে নিতে হবে। (বুখারী, হাদিস # ২৬৭, প্রকাশকঃ সোলায়মানী বুক ডিপো,, ২০০৬ সাল)।
সম্মানিত পাঠক,আমরা জানি হজরত আলী (আঃ) হচ্ছেন রাসুলের (সাঃ) প্রধান সাহাবী,২৩ বছরের কুরান লেখক, হাফিজ-ই-কুরান,রাসুল (সাঃ) ঘোষিত জ্ঞানের নগরীর দরজা, শেরে খোদা, রাসুলের (সাঃ) নেতৃত্বে সমস্ত যুদ্বের বিজয়ী বীর। রাসুলের (সাঃ) বানী,” জুলফিকারের মত কোন তরবারী নেই, আলীর মত কোন বীর নেই”।অথচ লক্ষ্য করুন,কিভাবে বুখারীর সংকলিত হাদিসে হজরত আলীকে (আঃ) অপমান করা হয়েছে।কুরান ও নবী পরিবারের ১ম ইমাম হজরত আলীর(আঃ) শানে এ ধরনের অসভ্য, নির্লজ্জ মিথ্যাচার কুরান বিরোধী।

Address

New York, NY
11208

Telephone

(347) 471-7131

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md manirul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category