Notaphilist ZIA

Notaphilist ZIA This page is committed to providing you with information, in-depth analysis and imp
(4)

Welcome to the page for collecting banknotes, coins and postage stamps from India and around the world.Please visit to read the latest reports and analysis on this topic. I am a notaphilist, numismatist ,and philatelist from West Bengal , India .Since my childhood days I have a keen desire to collect stamps , banknotes ,coins of all the countries and still it is counting .

বহু প্রবীণ মানুষকে এখনো বলতে শুনি “এক নয়া পয়সা ধারও কারো কাছে নেই “, অথবা ঝগড়ার মধ্যে বলতে শুনেছিলাম “তুই এক নয়া পয়সাও প...
04/01/2026

বহু প্রবীণ মানুষকে এখনো বলতে শুনি “এক নয়া পয়সা ধারও কারো কাছে নেই “, অথবা ঝগড়ার মধ্যে বলতে শুনেছিলাম “তুই এক নয়া পয়সাও পাবি না!”
আমরা ‘পয়সা’ দেখেছি বা ব্যবহার করেছি, কিন্তু প্রবীণদের বলা এই ‘নয়া পয়সা’ আসলে কি?

নয়া পয়সার ইতিহাস হলো ভারতীয় মুদ্রাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ১৯৫৭ সালের ১লা এপ্রিল থেকে চালু হয়েছিল। এই নতুন মুদ্রাব্যবস্থা চালু হওয়ার পর থেকে, জনসাধারণের মধ্যে এটিকে সহজে পরিচিত করানোর জন্য ১ পয়সার মুদ্রাকে 'নয়া পয়সা' বলা হত, যা ১৯৬৪ সালের ১লা জুন পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। এর পরে 'নয়া' শব্দটি বাদ দেওয়া হয় এবং এটিকে শুধু 'এক পয়সা' নামে পরিচিত করা হয়।

ভারতের স্বাধীনতা লাভের দশ বছর পর, অর্থাৎ ১৯৫৭ সালের ১লা এপ্রিল, ভারতীয় মুদ্রা ব্যবস্থা দশমিক পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়।এর আগে, এক টাকাকে ১৬ আনায় ভাগ করা হত, কিন্তু নতুন দশমিক পদ্ধতিতে এক রুপিকে ১০০ পয়সায় ভাগ করা হয়।এই নতুন দশমিক মুদ্রার প্রচলনকে জনগণের কাছে সহজ ও পরিচিত করতে, প্রথমদিকে ১ পয়সার মুদ্রাকে 'নয়া পয়সা' (অর্থাৎ 'নতুন পয়সা') বলা হতো।

১৯৬৪ সালের ১লা জুন, 'নয়া' শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
তখন থেকে ১ পয়সার মুদ্রাকে শুধুমাত্র 'এক পয়সা' বা শুধু 'পয়সা' নামে অভিহিত করা হয়।

এইভাবে, 'নয়া পয়সা' ছিল ভারতের আধুনিক দশমিক মুদ্রাব্যবস্থার প্রথম যুগের একটি অংশ, যা পরবর্তীতে সাধারণ 'পয়সা'-তে পরিণত হয়।

My Banknote Collection : Album 2 https://www.youtube.com/watch?v=tf0gmbPnw-I #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_...
29/09/2025

My Banknote Collection : Album 2
https://www.youtube.com/watch?v=tf0gmbPnw-I

#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , , , , , , ,

Old Indian Notes

স্বাধীন ভারতবর্ষের প্রথম কয়েন : ১৯৪৭ সালের ১৫ ই অগাস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করলেও ১৯৫০ সাল অবধি ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ার তৈরী মুদ্...
27/09/2025

স্বাধীন ভারতবর্ষের প্রথম কয়েন :
১৯৪৭ সালের ১৫ ই অগাস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করলেও ১৯৫০ সাল অবধি ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ার তৈরী মুদ্রা প্রচলন ছিল I

স্বাধীন ভারতবর্ষে প্রথম কয়েন মিন্ট হয় ১৯৫০ সালে I
ভারতবর্ষের প্রথম ১ টাকার কয়েন ১৯৫০ সালের ১৫ ই আগস্ট চালু হয়, ১১.৭ গ্রাম ওজনের সম্পূর্ণ নিকেলের তৈরী এই মুদ্রাটির ব্যাস ছিল ২৭.৯ মিমি, এবং পুরুত্ব ২.৬৫ মিমি I শুধু মাত্র বোম্বে টাঁকশালে এই ১ টাকার কয়েন গুলি তৈরী হয়েছিল I

ভারতের প্রথম টাঁকশাল চালু হয়েছিল পলাশীর যুদ্ধের সময় অর্থাৎ ১৭৫৭ সালে কলকাতায়। এরপর বোম্বে, হায়দ্রাবাদ ও নয়ডায় আরও তিনটি টাঁকশাল গড়ে ওঠে। প্রতিটি কয়েনে থাকে তার জন্মস্থানের চিহ্ন। যেমন কয়েনের সাল যেখানে লেখা থাকে ঠিক তার নীচে ডায়মন্ড চিহ্ন থাকলে সেই কয়েনটি বোম্বে মিন্টে তৈরী, ষ্টার চিহ্ন থাকলে হায়দ্রাবাদ, ডট বা ফুটকি থাকলে নয়ডা মিন্টের তৈরী হয়, একমাত্র কলকাতা টাঁকশাল থেকে তৈরি হওয়া মুদ্রায় সালের নীচে কোনো চিহ্ন থাকে না।

এই ১৯৫০ সালের ১ টাকার কয়েনটির সামনে দিকে রাজার পরিবর্তে অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতিকৃতি ছিল এবং বাঘের পরিবর্তে ভুট্টার শীষ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

মজার কথা ১৯৫০ সালে এই রকম 4 টা কয়েন দিয়ে 1 আমেরিকান ডলার পাওয়া যেতো, বর্তমানে যে 1 ডলার পেতে গেলে 89 টাকা দিতে হবে!

#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , ,

আমরা মাঝে মাঝেই বলতে শুনি -“পাই পয়সার হিসাব চাই” বা “সে প্রতিদিন পাই টু পাই হিসাব রাখে” কিংবা "ওয়ান পাইস ফাদার মাদার"  ব...
27/09/2025

আমরা মাঝে মাঝেই বলতে শুনি -
“পাই পয়সার হিসাব চাই” বা “সে প্রতিদিন পাই টু পাই হিসাব রাখে” কিংবা "ওয়ান পাইস ফাদার মাদার" বিশিষ্ট সাহিত্যিক সুবিমল মিশ্রের লেখা একটি বইয়ের শিরোনাম I কিন্তু কথা হচ্ছে পাই সম্পর্কে আমাদের কতোটা ধারনা আছে!!! অথবা পাই পয়সার কথা আমরা আজো শুনি কিন্তু পাই পয়সার চিহ্ন আজ আর নেই । পাই পয়সা রয়ে গিয়েছে শুধু বাংলার কথ্য সমাজে । কিন্তু একদিন ছিল “পাই পয়সা”। বৃটিশ ভারতে এই “পাই পয়সার” জন্ম । পাই পয়সা বৃটিশ ভারতের সবচেয়ে কম মূল্যের মুদ্রা ছিল ।

বৃটিশ ভারতের মুদ্রার চেহারাটা একটু দেখে নেওয়া যাক । ১৬ আনায় এক টাকা । এক আনার ১২ ভাগ করলে এক পাই । তিন পাই তে এক পাইস । পাইস হোটেলের কথা বাংলা সিনেমায় অনেক শুনেছি । এই হল সেই পাইস । এক টাকার ১৯২ ভাগের এক ভাগ হল পাই । বৃটিশ ভারতে এক পাই ছিল সব চেয়ে ছোট মুদ্রা কিন্তু সে যেগে এতেও মিলতো অনেক কিছু । সে যুগে হিসাব ছিল তিন পাইতে এক পাইস , চার পাইসে এক আনা আর ১৬ আনায় এক টাকা । কিন্তু টাকা সে যুগে সবার ঘরে খুব কমই থাকতো । শুধু পাই আর পাইসে চলে ঘরের কেনাকাটা আর আনাতেই সংসার চলে যেত ভালো রকম ।

কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জেরে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকে ।বিদেশ থেকে মুদ্রা তৈরির জন্য তামা এবং অন্য ধাতুর দাম বাড়তে থাকে । ১৯৪২ সালে পাই তৈরি বন্ধ করে দেয় বৃটিশ সরকার তবে পাই বাজারে চলে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত । ১৯৪২ সালে পাই তৈরির জন্য যে ধাতু লাগতো তার মূল্য পাই এর বিনিময় মূল্য থেকে বেশ কম হয়ে যাচ্ছে । বৃটিশ সরকার পাই তৈরি বন্ধ করে দেয় । ১৯৪৭ সালে পাই এর বিমুদ্রাকরন হয় এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জাদুঘরে ঠাঁই হয় পাই এর ।
পাই পয়সার আর পাইস হোটেল আজো রয়েছে বাংলার মনে কিন্তু বাস্তবে সে শুধু ইতিহাস ।

৩ পাই = ১ পাইস
৪ পাইস = ১ আনা
১৬ আনা= ১ টাকা
১ টাকা = ১৯২ পাই

, ,
#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , , , #পাই , #পাইস

আমাদের জেনারেশনে নিশ্চিতভাবেই অনেকে ব্রিটিশ ভারতের সময়কার মুদ্রা দেখেছেন , যার উপর রাজা বা রাণীর ছবি ছাপা থাকে। আমরা যদ...
02/04/2025

আমাদের জেনারেশনে নিশ্চিতভাবেই অনেকে ব্রিটিশ ভারতের সময়কার মুদ্রা দেখেছেন , যার উপর রাজা বা রাণীর ছবি ছাপা থাকে। আমরা যদি না দেখে থাকি , তবুও আমাদের বাবা-মা নিশ্চয়ই দেখেছেন। আজকের সময়ে এই মুদ্রাগুলো খুবই বিরল, যার কারণে এগুলো দেখাও যায় না। আর এই মুদ্রাগুলোর দামও ভালো। এই মুদ্রাগুলোর দাম এত বেশি যে হাজার থেকে লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে ।সাধারণত এসব রুপি মুদ্রা সে সময় উচ্চবিত্ত পরিবারে মধ্যে ঘোরাফেরা করত। মধ্যবিত্ত পরিবার পেলে তা যত্নে গুছিয়ে রাখতো কোন কৌটায়।

ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনামলে মুদ্রা প্রচলনকে দুটি যুগে ভাগ করা যেতে পারে: ১৮৩৫ সালের পূর্ববর্তী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি (EIC) ইস্যু; এবং ইম্পেরিয়াল ইস্যু। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রত্যেকটি রুপোর মুদ্রার ওজন ছিল ১১.৬৬ গ্রাম অর্থাৎ ১ ভরি I এখনো প্রচলিত ‘ভরি’ ধারণা ঐ ধরণের ব্রিটিশকয়েন থেকেই এসেছিলো I এই খাঁটি রুপোর কয়েনে রুপোর ভাগ ছিল ৯১.৭%, কয়েন গুলি ১.৮ মিমি পুরু এবং ৩০.৭৮ মিমি ব্যাস বিশিষ্ট হয়ে থাকে I এই মুদ্রাগুলি মূলত তিনটি টাকশাল - কলকাতা, বোম্বে এবং মাদ্রাজ থেকে নির্মিত হতো , বোম্বে, মাদ্রাজ, কলকাতা এই তিনটি টাকশালের নিজস্ব টাকশাল চিহ্ন ছিল। মাদ্রাজ টাকশাল ১৮৬৯ সালে বন্ধ হয়ে যায়, এবং ১৯৪০-এর দশকে লাহোরে একটি নতুন টাকশাল স্থাপিত হয়।প্রথমদিকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রচলিত মুদ্রাগুলো মোঘল রীতি অনুসারে তৈরি হতো। স্বর্ণমুদ্রার নাম দেয়া হয় ক্যারোলিনা, রৌপ্যমুদ্রা অ্যাংলিনা, তামার মুদ্রা কাপেরুন এবং টিনেরগুলোকে বলা হত টিনি। পরবর্তীতে ১৮৩৫ সালে মুদ্রা আইন (Coinage Act 1835) জারি করে অভিন্ন মুদ্রার প্রচলন করা হয়। নতুন মুদ্রায় রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের প্রতিকৃতি আর অন্যপাশে ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় মুদ্রার মান উৎকীর্ণ করা হয়।

ইম্পেরিয়াল ইস্যুগুলির মুদ্রায় রানী ভিক্টোরিয়া (১৮৬২-১৯০১), রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড (১৯০৩-১৯১০), রাজা পঞ্চম জর্জ (১৯১১-১৯৩৬) এবং রাজা ষষ্ঠ জর্জ (১৯৩৮-১৯৪৭) ছবি দেখা যায় । রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড এর সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে কোনও ব্রিটিশ ভারতের মুদ্রা জারি করা হয়নি ।

১৮৫৭ সালের পরে জারি করা মুদ্রাগুলি ব্রিটিশ মনার্কর কর্তৃত্বাধীন ছিল কারণ ভারত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ হয়ে ওঠে। ১৮৭৬ সালের ‘রয়্যাল টাইটেলস এক্ট’ র মাধ্যমে , রানী ভিক্টোরিয়া "ভারতের সম্রাজ্ঞী" উপাধি গ্রহণ করেন, তাই ১৮৭৭ সাল থেকে পরবর্তী সমস্ত মুদ্রায় ভিক্টোরিয়া রানী থেকে ভিক্টোরিয়া সম্রাজ্ঞীতে পরিবর্তিত হয়। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভের পর একটি ক্রান্তিকাল শুরু হয় এবং ১৯৫০ সালে ভারত প্রজাতন্ত্রের প্রথম মুদ্রা জারি করা হয়।

রাজা চতুর্থ উইলিয়াম : ১৮৩০ থেকে ১৮৩৭ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু তিনি গ্রেট ব্রিটেনের রাজা ছিলেন I তাঁর মৃত্যুকালে কোনো জীবিত বৈধ সন্তান না থাকায়, রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের ভাইঝি ভিক্টোরিয়া ইংল্যান্ডের রানী হয়েছিলেন I তাঁর শাসনামলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৮৩৫ সালে ১ টাকার রুপার মুদ্রা প্রচলন করেছিলেন I

রানী ভিক্টোরিয়া :
১৮৩৭ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের রানী হন ভিক্টোরিয়া I তাঁর সুদীর্ঘ ৬৩ বছরের রাজত্বকালকে ‘ভিক্টোরিয়ান যুগ’ বলা হয়ে থাকে I ভিক্টোরিয়ান যুগ ছিল শিল্প বিপ্লবের তুঙ্গে, যা যুক্তরাজ্যে উল্লেখযোগ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের একটি সময়কাল ছিল। ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটে এবং এই সময়কালে এটি তার শীর্ষে পৌঁছে, সেই সময়ের একটি শক্তিশালী বিশ্বশক্তিতে পরিণত হয়। ১৮৪০ সালের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রবর্তিত রুপার মুদ্রাগুলিতে রানী ভিক্টোরিয়ার ইয়ং বয়সের প্রতিকৃতি দেখা যায় I ১৮৬২ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত মুদ্রায় রানী ভিক্টোরিয়ার মুকুটযুক্ত ছবি দেখা যায় I ১৮৩৭ সালে সিংহাসনে অভিষিক্তা হন রানি । ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট তাঁর শাসনকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা । ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে সরাসরি ভারতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ব্রিটিশ সরকার । ১৮৬২ থেকে ১৮৭৬ পর্যন্ত মুদ্রা গুলিতে ‘ভিক্টোরিয়া কুইন’ লেখা হতো I ১৮৭৭ সালে রানীর উপাধি পরিবর্তন করে সম্রাজ্ঞী করা হয়েছিল। সেই কারণে ১৮৭৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত মুদ্রা গুলিতে ‘ভিক্টোরিয়া এমপ্রেস’ লেখা হয়েছিল I ১ জানুয়ারি, ১৮৭৭ :নিজেকে সে দিন ‘ভারতসম্রাজ্ঞী’র মুকুটে ভূষিত করলেন ভিক্টোরিয়া। সম্রাজ্ঞীর প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল এক বছর আগে থেকেই। ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডিজরেলির উদ্যোগে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হল ‘রয়্যাল টাইট্‌লস অ্যাক্ট’। একদা ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি প্রথম ‘হিজ ম্যাজেস্টি’ খেতাব নিয়েছিলেন। তাঁর উত্তরসূরি ভিক্টোরিয়া এ বার থেকে শুধু ‘হার হাইনেস’ নন, পুরোদস্তুর সম্রাজ্ঞী। ১৯০১ সালের ২২ শে জানুয়ারি রানী ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু হয় I

রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড :

রানী ভিক্টোরিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড ১৯০১ থেকে ১৯১০ আমৃত্যু পর্যন্ত তিনি রাজত্ব করেছিলেন I
১৯০৩ থেকে ১০১০ সালের ১/১২ আনা, ১/২ পয়সা, ১/৪ আনা, ১ আনা, ২ আনা, ১/৪ রুপি, ১/২ রুপি এবং ১ টাকার মধ্যে তাঁর মুকুটবিহীন ছবি দেখা যায় ।

রাজা পঞ্চম জর্জ :

রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড মারা যাবার পরে পরবর্তী রাজা হন সপ্তম এডওয়ার্ডের পুত্র পঞ্চম জর্জ I ১৯১০ সাল থেকে ১৯৩৬ সাল আমৃত্যু পর্যন্ত তিনি রাজা ছিলেন I তাঁর রাজ্যাভিষেক স্মরণীয় করে রাখার জন্য,১৯১১সালে১টাকার রুপোর মুদ্রাটি ভারতের জন্য তৈয়ারী করেন ব্রিটিশ সরকার। মুদ্রাটির ওজন ১১.৬৬ গ্ৰাম, ৯১.৭% রুপা দিয়ে তৈরি। মুদ্রাটি নকশা করেন খ্যাতিমান ভাস্কর ব্রার্টান্ড ম্যাকেনাল।১টাকার রৌপ্য মুদ্রাটির পঞ্চম জর্জের মাথায় মুকুট ও কোর্টের কলারে সূক্ষ্ম,সূক্ষ্ম নকশা করা, তাঁর মধ্যে একটি হাতি আঁকা আছে। কিন্তু নকশা করার সময় হাতির শুঁড় ও লেজ ভুল করে ছোট করাতে দেখতে শূকরের মত লাগে। সেইসময় মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা মুদ্রাটি হাতে ধরতে বা আদান,প্রদান করতে অস্বীকার করে, কারণ মুসলিম ধর্মে শূকর একটি অপবিত্র জীব। দিনে দিনে ভারতে তা বিদ্রোহের আকার ধারণ করে। তখন ব্রিটিশ সরকার মুদ্রাটি তুলে নিতে বাধ্য হয়। মুদ্রাটি পিগ কয়েন ( pig coin) নামে পরিচিত Iঅল্প কিছু কয়েন মানুষের কাছে থেকে যায়। নিউমিসম্যাটিক (Numismatics)বা মুদ্রা সংগ্ৰহকারীদের কাছে এটা খুব প্রিয় ও দামি একটি কয়েন।১৯২৩ সালে ব্রিটিশ সরকার ভারতে রুপি মুদ্রা ছাপা বন্ধ করে দেন। তারপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯ -১৯৪৫) সময় যুদ্ধকালীন রুপি মুদ্রার বানিজ্যিক চাহিদা মেটানোর জন্য ১৯৩৯ সালে তা পুনরায় ছাপার অনুমতি দেন।

রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড :
তাঁর অতি সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে তাঁর প্রতিকৃতি সম্বলিত কোনও মুদ্রা জারি করা হয়নি।

রাজা ষষ্ঠ জর্জ : ১৯৩৬ সাল থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত আমৃত্যু তিনি ইংল্যান্ডের রাজা ছিলেন I তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের শেষ সম্রাট I রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ছিলেন তাঁর কন্যা I তাঁর আমলে ইস্যু হওয়া ১৯৩৯ সালের ১ টাকা বেশ দুর্লভ I কারণ ঐটি ছিল Pure Silver দ্বারা নির্মিত শেষ মুদ্রা I ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ লাগলে রুপোর সংকট লেগে যায়, সেই কারণে ১৯৩৯-১৯৪৫ পর্যন্ত নির্মিত মুদ্রা গুলিতে রুপোর পরিমান কমে যায় I ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ৫০% রুপোর রুপি ছাপা হয়। তারপর আসে নিকেলের রুপি।
১৯৪৭ সালের রুপি, আধা রুপি, কোয়ার্টার রুপি এবং আনা মুদ্রাও সংগ্রহকারীদের কাছে বিশেষ আগ্রহের বিষয়, কারণ ওই বছরই ছিল ব্রিটিশদের জারি করা শেষ মুদ্রা! ব্রিটিশ ইন্ডিয়া কয়েন কেবল একটি মুদ্রা নয়; এটি ইতিহাসের একটি অংশ যা অতীতের এক যুগের গল্প বলে!

You must have seen the coins of the time of British India on which the picture of a king or queen is printed. Even if you haven’t seen it, your parents must have seen it. In today’s time, these coins are very rare due to which they are not even seen. And the price of these coins is also good. These coins are of such high value and you can get thousands to lakhs of rupees.

Coinage under British governance of the Indian subcontinent can be divided into two periods: East India Company (EIC) issues, pre-1835; and Imperial issues struck under direct authority of the crown. These coins were originally minted in three mints - Calcutta, Bombay and Madras - with their own mint marks. The Madras mint was shut down in 1869, while a new mint was set up in Lahore in the 1940s. English pattern coins were struck at the Bombay Mint. The gold coins were termed Carolina, the silver coins Anglina, the copper coins Cupperoon and tin coins Tinny. By the early 1830, the English had become the dominant power in India. The rise of one dominant power after over a hundred years of turmoil, enabled the enactment of the Coinage Act of 1835 and for uniform coinage to be issued.

Imperial issues bear obverse portraits of Queen Victoria (dated 1862–1901), Edward VII (dated 1903–1910), George V (dated 1911–1936), and George VI (dated 1938–1947). No British India coins were issued during the brief reign of Edward VIII.

Coinage issued after 1857 were under the authority of the monarch as India became part of the British Empire. With the Royal Titles Act 1876, Queen Victoria took the title "Empress of India", so in 1877 coin inscriptions changed from Victoria Queen to Victoria Empress. There was a transition period after India gained independence on 15 August 1947, and the first set of republic India coins were issued in 1950.

King William IV: He was King of the United Kingdom of Great Britain and Ireland and King of Hanover from 26 June 1830 until his death in 1837. William had no surviving legitimate children at the time of his death, so he was succeeded by his niece Victoria in the United Kingdom and his brother Ernest Augustus in Hanover. Newly designed coins with the effigy of William IV on the obverse and the value on the reverse in English and Persian, were issued in 1835.

Queen Victoria:
The coins issued after 1840 bore the portrait of Queen Victoria. The first coinage under the crown was issued in 1862. Currency and proof issues of the 1862 dated rupee coins have a number of different obverse and reverse die varieties, which are helpful in identification of the mint. The design of the coin, however, remained largely unchanged. From 1863 till 1875, the Bombay mint introduced an unusual system of dots to date the coins. These dots occur on the reverse below the date, above the word 'ONE', or in both positions. From 1874, this practice was halted and coins began to be dated continuously. From this development, it may be inferred that by this time the 'batta' system must have all but disappeared. As with all other Victoria coinage, the title on the obverse was changed from 'Victoria Queen' to 'Victoria Empress' in 1877. Calcutta mint coins usually carry no mint mark or an incused 'C' at the bottom of the reverse. Bombay mint issues are usually marked by a raised bead below the date, or a raised/incused 'B' in the top or bottom flower, with some exceptions. Rupee coins with Victoria's bust were minted until her death in 1901.

Fractional denominations of half rupee, quarter rupee, and two annas were also issued under Victoria's reign. The dot-dating system was not used for these denominations, and is unique to the 1862 dated Bombay rupees. Similar to the rupee coins, the title of Queen was changed to Empress in 1877. The Bombay and Calcutta issues have mint identification marks similar to the rupee issues (no mark or 'C' incused for Calcutta, bead or raised/incused 'B' for Bombay). Different reverse and obverse die varieties are known for each denomination.

Edward VII:
Coins featuring the effigy of Edward VII were issued in denominations of 1⁄12 anna, 1⁄2 pice, 1⁄4 anna, 1 anna, 2 annas, 1⁄4 rupee, 1⁄2 rupee and 1 rupee. All coins featured an uncrowned effigy of Edward VII by George William De Saules.
George V:
The effigy of George V by Bertram Mackennal used here. In 1911, when the first rupee coins of King George V were minted, one of the decorations on his portrait featured an elephant. Unfortunately, in the first version of the coin, the ‘elephant’ had short legs and a short trunk, looking somewhat like the snout of a pig – and caused a furor. The British government, perhaps mindful of the 1857 revolt, decided to withdraw the coin and altered the dies to show a more anatomically correct elephant from 1912 onwards. As a result, the pig-rupee is a rare coin, and fetches a substantial premium over other coins of the time.
Edward VIII:
During the short reign of Edward VIII, no coins were issued in India bearing his portrait.
George VI:
1939 rupee change in silver content wartime measures. There are many rare coins of this period which interests coin collectors. The 1939 rupee is the most expensive rupee, as after 1939 all silver coins effectively became less pure, due to the shortage of silver during World War II. The 1947 rupee, half rupee, quarter rupee and anna coins are also of special interest to collectors, since that was the last year British issued coins were circulated in India.

British India Coin is more than just a piece of currency; it’s a piece of history that tells a story of a bygone era.

, , , , , , #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , ,

গত ২৬ শে ডিসেম্বর ২০২৪  প্রয়াত ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কর্মজীবনের কথা বলতে গেলেই এমন এক সাফল্যের উল্লেখ করতে ...
05/01/2025

গত ২৬ শে ডিসেম্বর ২০২৪ প্রয়াত ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের কর্মজীবনের কথা বলতে গেলেই এমন এক সাফল্যের উল্লেখ করতে হয়, যার ভাগিদার একমাত্র তিনিই। মনমোহন সিং-ই ভারতের একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যার স্বাক্ষর টাকায় ছিল।

দেশের মুদ্রা অর্থাৎ রুপিতে স্বাক্ষর করার সম্মান বা অধিকার সকলের নেই। একমাত্র রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার গভর্নরই এই সম্মান পান। প্রতিটি নোটে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর পরিবর্তন হলে মুদ্রিত নোটে গভর্নরের স্বাক্ষরও পরিবর্তন হয়। নতুন গভর্নরের স্বাক্ষর যোগ হয় নোটে।

২০০৪ সালে ভারতের ত্রয়োদশতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মনমোহন সিং অর্থমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি ২০০৪ সাল ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন I তবে রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি আরবিআই-র পঞ্চদশ গভর্নর ছিলেন তিনি। সেই সময় দেশের মুদ্রায় মনমোহন সিংয়ের স্বাক্ষর ছিল।

এছাড়াও ১৯৭৬ সালে ভারতের ফিনান্স সেক্রেটারি হওয়ার সুবাদে ১ টাকার নোটেও তাঁর স্বাক্ষর ছিল I এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে ভারতবর্ষের কেবল ১ টাকার নোটেই ফিনান্স সেক্রেটারির স্বাক্ষর থাকে I অর্থাৎ ১ টাকার নোট সরাসরি ভারত সরকার ইস্যু করে থাকেন I ভারতের ১ টাকা ব্যাতিত অন্য সমস্ত নোটে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে অর্থাৎ ২, ৫, ১০, ৫০,১০০, ৫০০, ১০০০, ২০০০ টাকার নোট গুলি ইস্যু করে থাকেন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া I

Dr Manmohan Singh, the only Indian prime minister whose signature adorned currency notes---the one-rupee note as Finance Secretary, and all other notes as RBI Governor.

Former Prime Minister Manmohan Singh, who passed away on Dec 26 th’2024, holds a rare distinction in India's currency history due to his association with currency notes.

Dr Singh, who held several prominent positions throughout his career, including that of Secretary in the Ministry of Finance, was responsible for signing the Rs 1 note. This rare occurrence set him apart in India's financial history.

Moreover, Dr Singh had also served as the 15 th Governor of the Reserve Bank of India (1982-1985), during which his signature appeared on other denomination notes.

While the Prime Minister of India is a prestigious position, they do not typically have the authority to sign currency notes. Dr Singh's legacy include his signature on currency notes.

During Dr. Manmohan Singh's tenure as Prime Minister (2004–2014), the BSE Sensex soared by an impressive 398%, closing positively in 8 out of 10 years. Landmark years included 2009 with an 81% return and 2006–2007 with 47% each.

As India's fourth longest-serving PM, the architect of India's economic reforms, Dr. Singh also made significant contributions as a former RBI Governor and Finance Minister, leaving an indelible mark on the nation’s economic and political landscape.

“I Promise to pay the bearer the sum of ***Rupees” /'मैं धारक को***रुपये अदा करने का वचन देता हूं'
Whenever you last held a banknote in your hands, chances are you may not have paid attention to these words. But the meaning these words hold are both simple and significant. In meaning, if somebody presents a note of say,100 rupees then it is the liability of the RBI to pay the bearer goods/gold of 100 rupee at any cost. The Reserve Bank of India (RBI) has the responsibility of printing currency banknotes in India. Every single banknote has the declaration of the RBI governor, here the familiar 2,10,50 and 100 rupee banknotes signed by Dr Manmohan Singh. Besides being PM twice, Dr Singh was widely acknowledged and respected in the finance world - he became Governor of the RBI.

But wait, did you know that RBI prints the notes of all denominations except 1 rupee note because it is printed by the Ministry of Finance. Dr Singh was also Finance Secretary and so you will find one rupee notes with his sign as well.

As the world bids him adieu, remember you too may well have his autographed banknote, an accomplishment only he held.

Goodbye to one of our most accomplished, distinguished economists, office bearers, Governor and Prime Minister.

, #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , , #মনমোহন_সিং

মোবাইলের  গেম , টিভির  দৌরাত্বে  আজকালকার  ছেলে  মেয়েদের  মধ্যে  শখ  বা  হবির অন্তর্জলী  যাত্রা  ঘটছে  I কিন্ত  আমাদের  ...
21/05/2024

মোবাইলের গেম , টিভির দৌরাত্বে আজকালকার ছেলে মেয়েদের মধ্যে শখ বা হবির অন্তর্জলী যাত্রা ঘটছে I কিন্ত আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে ছোট বেলায় ডাকটিকিট বা মুদ্রা সংগ্রহ করিনি I ছোটবেলায় চিঠি এলে প্রথম কাজ ছিল ডাকটিকিট টা তুলে নেওয়া I কিন্ত পরবর্তীতে চিঠির ব্যবহার কমে যাওয়ায় এভাবে ডাক টিকিট সংগ্রহ করা অসম্ভব হয়ে উঠেছিল I মুদ্রা সংগ্রহ , কারেন্সী নোট সংগ্রহ করাও অনেকের শখ Iমুদ্রা সংগ্রহের শখটা অনেক পুরনো; প্রায় দুই হাজার বছর আগের। শখের বশে রাজা আর উচ্চবংশীয় ধনী লোকজন মুদ্রা সংগ্রহ করতেন। এই জন্য রেনেসাঁকালে মুদ্রা সংগ্রহের শখটাকে রাজার শখ (King of Hobbies) বলা হত। প্রথমবার মুদ্রা সংগ্রহ শুরু করেছিলেন একজন রাজা। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার বিভিন্ন সাম্রাজ্য থেকে প্রথম মুদ্রা সংগ্রহ শুরু করেন। শুধু রাজ-রাজাদেরই মুদ্রার শখ ছিল এমনটা নয়। চতুর্দশ শতকের ইতালিয়ান কবি পেত্রার্কের সংগ্রহে ছিল নানা ধরনের মুদ্রা।কিছুদিন আগেই যে টাকা কিংবা কয়েন গুলো মানুষের হাতে হাতে ঘুরতে ঘুরতে গায়েব হয়ে যায়, বাজার থেকে হারিয়ে যায় – কালেক্টরদের কাছে সেই টাকার দাম অনেক বেড়ে যায়।
হারিয়ে যাওয়া টাকা কিংবা কয়েন নিজের সংগ্রহে রাখার জন্যে কেউ কেউ যে কোন দাম দিতেও প্রস্তুত হয়ে যায়। এক টাকার জন্যে দুই বা তিন হাজার টাকা দিয়ে দিতেও দ্বিধা করে না – পৃথিবীর নানা দেশে এই ধরণের মুদ্রা কালেক্টরদের নানা গল্প শোণা যায়।
পৃথিবীর ইতিহাসে, দেশে বিদেশে, মুদ্রা মানে শুধু যে বিনিময় প্রথার মাধ্যম, তা নয়। মুদ্রা মানে হাতের মুঠোয় চলমান জলজ্যান্ত এক ইতিহাস। বদলে যাওয়া সময়ের এক ইতিকথা, সময়ের ছাপ।
যে কোন দেশের মুদ্রা সেই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার কথা যেমন বর্ণনা করে, তেমনি মুদ্রা সেই দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক, ভৌগলিক ছবিও দেখায়। মুদ্রা মানে এক শিল্প। আর এই মুদ্রা যারা সংগ্রহ করেন তাঁদের একটা পোশাকি নাম আছে numismatist. শুরুতে বন্ধু - বান্ধব , আত্মীয় স্বজন যাঁরা বাইরে থাকেন তাঁদের মাধ্যমে বিদেশী মুদ্রা ও নোট সংগ্রহ করা যেতে পারে I পরবর্তীতে বিভিন্ন নোট / coin সেলার আছে (অনলাইন /অফলাইন ) তাঁদের কাছ থেকে কিনে সংগ্রহ বাড়ানো যেতে পারে I বিনিময়ের মাধ্যমেও সংগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়ানো যায় I তবে মুদ্রা , ব্যাংক নোট ভালো করে সংরক্ষণ না করলে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে I এই গুলি যত্নসহকারে অ্যালবামের মধ্যে রাখা যেতে পারে এবং পরবর্তীতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এইগুলি মূল্যবান অ্যাসেট হয়ে যাবে নিশ্চিত ভাবে I

#ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , ,

---বার্বাডোজের গর্ব স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল এবং ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের ২ ডলারের নোটে কিংবদন্তি স্যার ভিভিয়...
19/05/2024

---বার্বাডোজের গর্ব স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল এবং ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের ২ ডলারের নোটে কিংবদন্তি স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস---

🇧🇧 বার্বাডোজের গর্ব স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল

ক্রিকেট ইতিহাস বা একদা প্রবাদ প্রতিম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ সম্পর্কে ধারণা থাকলে কিংবদন্তি “3W” অজানা থাকার কথা নয় I তাঁরা হলেন বার্বাডোজের স্যার এভার্টন উইকস, স্যার ক্লাইড ওয়ালকট এবং স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল I তিনজনই দুর্ধর্ষ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ছিলেন I

২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ বার্বাডোজ ৫ ডলারের একটি পলিমার ব্যাংকনোট রিলিজ করেছিল যার সম্মুখে রয়েছে ওয়েস্টইন্ডিজ ক্রিকেট টিমের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়ক স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল এবং নোটের পেছনসাইডে “3W Oval“ মাঠে ব্যাটিংরত স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেলের ছবি I আসুন ফ্রাঙ্ক ওরেল সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক I

১৯৬২ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নরি কনট্রাক্টর দল নিয়ে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ সফরে এসেছেন। দলের ব্যাটিং বেশ শক্তিশালী তবে একজন সত্যিকারের ফার্স্ট বোলারের অভাব। তখন মাথায় হেলমেট পরে ব্যাটিং করা প্রচলন হয়নি I তৃতীয় টেস্টের আগে ব্রিজটাউনের কেন্সিংটন ওভালে বার্বাডোজের বিরুদ্ধে ব্যাট করতে গিয়ে চার্লি গ্ৰিফিথের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে মাথায় ভয়ঙ্কর আঘাত পেয়ে ক্রীজে লুটিয়ে পড়লেন নরি কনট্রাক্টর। মাথায় রক্ত জমাট বেঁধেছে। জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা কনট্রাক্টরের জন্য প্রচুর রক্ত দরকার। ভারতীয় ক্রিকেটাররা এগিয়ে এলেন, মানবিক রূপের অসমান্য উদাহরণ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অধিনায়কের জন্য রক্ত দিতে এগিয়ে আসলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ফ্র্যাঙ্ক ওরেল ।দু'বার অস্ত্রপচার হয় কনট্রাক্টরের ,মস্তিস্কের জমাট রক্ত বের করা হল। জীবন ফিরে পেলেন ভারত অধিনায়ক, বেঁচে গেলেও তারপর আর দেশের হয়ে আর খেলা হয়নি ৩১ টেস্ট খেলা নরি কন্ট্রাক্টরের । তাঁর জায়গায় তৃতীয় টেস্ট থেকে অধিনায়কত্ব করেছিলেন মনসুর আলী খান পটোদি I ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীরা সেই ঘটনার জন্য কোনও দিনই ভুলতে পারবেন না ফ্রাঙ্ক ওরেল কে। একই ভাবে ভারতীয় ক্রিকেট সম্পর্কে বরাবর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন ফ্রাঙ্ক ওরেল। এই ঘটনাকে স্মরণ করে এবং ওরেলের মানবিক দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৮১ সাল থেকে আজো ক্রিকেট এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (CAB) প্রতি বছর ৩ রা ফেব্রুয়ারীতে রক্তদান শিবির আয়োজন করে, এবং এই দিনটি “ফ্রাঙ্ক ওরেল দিবস” হিসেবে পালিত হয় I ১৯৮১ সালে প্রথমবার যে সার্টিফিকেট রক্তদাতাদের দেওয়া হয় তাঁর মধ্যে সই ছিল নরিম্যান কন্ট্রাক্টরের। ১৯৮২ সালে তাতে সই করেন ডন ব্রাডম্যান ও ইয়ান বোথাম। ১৯৮৩ সালে সই করেন ইমরান খান, ৮৪-তে সুনীল গাভাসকর, ৮৫-তে কপিলদেব। এইভাবে প্রতিবছর সই করে থাকেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মাস্টার ব্ল্যাস্টার শচিন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলির, রোহিত শর্মা I

পুরো নাম ফ্রাঙ্ক ম্যাকগ্লিন ওরেল। ছোট থেকেই ক্রিকেট খেলায় আগ্ৰহ। বেশ ভাল বল করতেন। তেরো বছরের ফ্রাঙ্ক এক লাফে স্কুলের প্রথম দলে সুযোগ পায়। তবে ছোট থেকেই বেশ নিরাসক্ত ভাব। নেটে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্যাট করতে ভাল লাগত না। সেদিন অবশ্য ওরেলের হিসেবে একটু গন্ডগোল হয়ে যায়। তাঁর স্কুল জয়ের পথে, ফ্রাঙ্কের ব্যাট করার কথা দশ কি এগারো নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে ‌। ভেবেছিলেন তাঁর আর ব্যাটিংয়ের দরকার হবে না, বরং সিনেমা দেখে আসা যাক। কিন্তু রাস্তায় দেখা সেই মাস্টার মশাইয়ের সঙ্গে যিনি ওরেলকে একেবারে পছন্দ করতেন না। প্রধানশিক্ষক কে নালিশ করলেন,ওরেলকে সাসপেন্ড করা হল। এসব ঘটনা ফ্রাঙ্কের ক্রিকেট প্রতিভা বিকশিত হতে খুব একটা বাধা হতে পারেনি।

ওরেল বরাবর একটু ঘুমকাতুরে,প্যাড পরে ড্রেসিংরুমে ঘুমিয়ে পড়তেন। কেউ ডেকে ঘুম ভাঙিয়ে বলত ফ্রাঙ্ক তোমার ব্যাটের পালা। ব্যাট,গ্লাভস দুটো নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে পড়লেও জানতেন না খেলার কি অবস্থা। দলের রান কত, কেমন হচ্ছে বোলিং এসব জানা - বোঝার প্রয়োজন অনুভব করতেন না। একসময়ে ভাল ফুটবলও খেলতেন। সাঁতার ও টেবিল টেনিসেও ওস্তাদ।
সেইসময়ে মনে হত ফ্রাঙ্ক শুধু বোলার বাঁ - হাতে লেগ ব্রেক বল করে। সে যে ভাল ব্যাটিং করতে পারে কেউ বুঝত না, ফ্রাঙ্ক নিজেও অত ভাবত না।

ফ্রাঙ্ক ওরেল বিরলদের জগতে বিরল প্রতিভা। মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলতেন। কত রান করেছেন মনে রাখতেন না।কতক্ষণ খেললেন তাও জানেন না। খবরের কাগজের হেড লাইন হয়েও পাতা উল্টিয়েও দেখেন না নিজের কৃতিত্বের উচ্ছ্বাসিত বর্ণনা। একি অবহেলা,নাকি অহঙ্কারী মনের বহিঃপ্রকাশ। অথছ এই ওরেল ১৯৬০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বার্বাডোজ টেস্টে চতুর্থ উইকেটে গ্যারি সোবার্সের সাথে ৩৯৯ রানের পার্টনারশিপ গড়ে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। এই ওরেল বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম টাই টেস্ট খেলা দুই অধিনায়কের অন্যতম।

বার্বাডোজের 🇧🇧 গর্ব ফ্রাঙ্ক ওরেল। দিনে দিনে বয়স যেমন বেড়েছে, তেমন বেড়েছে খেলার মান।ওয়েষ্টইন্ডিজ দলে সে যে নিয়মিত সুযোগ পাবে সবাই বুঝতে পেরেছিলেন। পরে অবশ্য ফ্রাঙ্ক জামাইকায় চলে আসেন। পেশাদার ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলেন,কাউন্টি খেলেছেন ইংল্যান্ডে। কিছুদিন পরে ভেলভা ব্রেওষ্টারের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন। ওই মরসুম বেশ ভাল কাটল। পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন,খেলা ছাড়ার পরে পড়াশোনা করবেন। ভর্তি হলেন ইংল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় অর্থনীতি। খেলা একই সঙ্গে পড়াশোনা। একদিকে পেশাদার ক্রিকেটার একই সঙ্গে ছাত্র। ফ্রাঙ্ক ওরেল ওয়েষ্টইন্ডিজ দলের প্রথম কৃষ্ণকায় অধিনায়ক।

ওরেল দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেছেন। শক্তিশালী দল,সে যুগের শ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার সোবার্স,রোহন কানহাই,সর্বোপরি ফ্রাঙ্ক ওরেল স্বয়ং। আর অস্ট্রেলিয়া, দলে রিচি বেনোর সাথে নীল হার্ভে,অ্যালান ডেভিডসনের সঙ্গে আরও বড় বড় সব ক্রিকেটার। ১৯৬০ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রথম টেস্ট ব্রিসবেনে। ক্রিকেট কত মধুর কত রোমাঞ্চকর হতে পারে দেখল গোটা বিশ্ব। ওয়েষ্টইন্ডিজের দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭৩৭ রান করে। অস্ট্রেলিয়ার সংগ্ৰহ একই রান। পৃথিবীর ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম টাই। খেলা শুরু করেছেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের বিরুদ্ধে খেলে অবসর নেবেন ফ্রাঙ্ক। খেলার ফলাফল নিয়ে দর্শকদের উৎসাহ নেই। সবার হৃদয় ভেঙেছে ফ্রাঙ্ক আর খেলবেন না। অবসরের বছর ঘুরতে না ঘুরতে ইংল্যান্ডের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ওরেলের গলায় পরিয়ে দিলেন নাইটহুডের সম্মান। তারপর ফ্রাঙ্ক ওরেল খুব বেশি দিন বাঁচেন নি। দুরারোগ্য রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে তখন বয়স মাত্র বিয়াল্লিশ ১৯৬২ সালে অকালেই তিনি চলে গেলেন । ফ্রাঙ্ক আর নেই ভাবলে শিউরে উঠেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা,পড়ে আছে তাঁর স্মৃতি I

স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসকে অনন্য সম্মান🇦🇬
ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের ২ ডলারের নোটে কিংবদন্তির ছবি :
ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক তাদের ৪০ তম বর্ষে পা রাখল। আর সেই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই নেওয়া হল এই উদ্যোগ। ক্যারিবিয়ান ২ ডলারের নোটে ছাপা হল কিংবদন্তি ভিভ রিচার্ডসের ছবি। এই স্পেশাল নোট সবেমাত্র প্রকাশ করেছে ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক।
বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। তাঁর হাত ধরেই একাধিক সম্মান পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলায় তাঁর জুড়ি মেলা ভার। হেলমেট ছাড়া যেভাবে তাবড় তাবড় পেসারদের অনায়াসে চার-ছয় হাঁকাতেন তিনি তা অতুলনীয়। এরকম এক ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের প্রতি জানানো হল অনন্য সম্মান। তাঁকে সম্মান জানাতে উন্মোচন করা হল স্মারক নোটের। ইস্টার্ন ক্যারিবিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের তরফে নতুন একটি কারেন্সি নোট প্রকাশ করা হল। অ্যান্টিগাতে এক অনুষ্ঠানে এই নয়া নোট ছাপা হয়েছে।স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস তাঁকে এমন অভিনব উপায়ে কৃতজ্ঞতা জানানোর ফলে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর স্বপ্ন সত্যি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিজের স্বর্গীয় বাবা-মা'কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলার জন‌্য। তাঁর সাফল্যের রসায়নও যে এই আত্মবিশ্বাস তা জানিয়েছেন ভিভ রিচার্ডস।
অনেকের কাছেই ক্রিকেটের আসল ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ একজনই; স্যার ভিভ রিচার্ডস। ক্রিকেট ইতিহাসের সবচাইতে আগ্রাসী এবং খুনে মেজাজের ব্যাটসম্যান হিসেবে যাঁকে একবাক্যে মেনে নেন সবাই। যিনি ব্যাট করতেন হেলমেট ছাড়া; ফাস্ট বোলারদের স্বর্ণযুগে যিনি ছিলেন ফাস্ট বোলারদের যম। প্রতিপক্ষের শিরদাঁড়ায় ভয়ের শীতল স্রোত বইয়ে দিতে মাঠে যাঁর উপস্থিতিই ছিল যথেষ্ট।

ভিভ রিচার্ডসের ছিল অসামান্য রিফ্লেক্স, প্রচণ্ড কবজির জোর আর দুর্দান্ত হ্যান্ড আই কো-অর্ডিনেশন। অফ স্টাম্পের বাইরের একটা গুড লেন্থ বলকে অনায়াসে মিডউইকেট অঞ্চল দিয়ে সীমানাছাড়া করতে পারতেন। কম্পালসিভ পুলার এবং হুকার ছিলেন। বিশেষ করে হুক শটে তাঁকে সর্বকালের সেরাদের একজন মনে করা হয়। হরাইজন্টাল ব্যাটে ‘অ্যাক্রস দ্য লাইন’ শট খেলতে পছন্দ করতেন বলে নিজের আত্মজীবনীর নাম দিয়েছিলেন ‘হিটিং অ্যাক্রস দ্য লাইন’!
ভিভের ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান দেখলে অবশ্য এ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। ১২১ টেস্টে ৫০.২৩ গড়ে ৮৫৪০ রান কিংবা ১৪৭ ওয়ানডেতে ৪৭ গড়ে ৬৭২১ রান ভিভের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানোর জন্য ‘যথেষ্ট’ হলেও ভিভের আসল মাহাত্ম্য লুকিয়ে আছে তাঁর অবিশ্বাস্য স্কোরিং রেটে। সত্তর-আশির দশকের ভয়ঙ্কর সব ফাস্ট বোলার, ঘাসে ভরা বাউন্সি উইকেট আর হেলমেটবিহীন যুগে খেলেও টেস্টে ৮৬ আর ওয়ানডেতে ৯০ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন যা এককথায় অতুলনীয়! সত্তর-আশির দশকের বোলারদের কাছে ভিভ রিচার্ডস ছিল এক বিভীষিকার নাম। ইংল্যান্ডের সাবেক ফাস্ট বোলার বব উইলিস একবার মজা করে বলেছিলেন, ‘ভিভ আমার ভালো বলগুলোতে মারত চার, আর বাজে বলগুলোতে ছয়।’
ব্যাট হাতে ভিভ যে কেবল বিধ্বংসীই ছিলেন তা নয়, তিনি ছিলেন অবিশ্বাস্য রকমের ধারাবাহিক।
১৯৭৬-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটের একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫৫ গড়ে রান করেছেন ভিভ! ২৩ টি সিরিজ খেলেছেন, যার ১৩টিতেই তাঁর গড় ছিল পঞ্চাশের বেশি! ব্যাটিং গড়ে ভিভ পেছনে ফেলে দিয়েছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল (৫৪), সুনীল গাভাস্কার (৫১), অ্যালান বোর্ডার (৫২), জাভেদ মিয়াঁদাদের (৫৪) মত অলটাইম গ্রেটদেরও।

ভিভ রিচার্ডসকে মনে করা হয় ওয়ানডের সর্বকালের সেরা ম্যাচ উইনার। ১৮৭ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে ম্যাচসেরা হয়েছেন ৩১ বার! অর্থাৎ প্রতি ৬.০৩ ম্যাচে অন্তত একবার ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছেন তিনি।ভিভ রিচার্ডস হলেন ওয়ানডে ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি ৪৫ গড় এবং ৯০ স্ট্রাইক রেটের অনবদ্য ‘কম্বিনেশন’ বজায় রেখে পাঁচ সহস্রাধিক রান করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন।

𝗙𝗼𝗿 𝘁𝗵𝗲 𝗟𝗼𝘃𝗲 𝗼𝗳 𝗖𝗿𝗶𝗰𝗸𝗲𝘁 : 🇧🇧 𝗕𝗮𝗿𝗯𝗮𝗱𝗼𝘀’ $ 𝟱 𝗕𝗮𝗻𝗸𝗻𝗼𝘁𝗲 (𝗦𝗶𝗿 𝗙𝗿𝗮𝗻𝗸 𝗪𝗼𝗿𝗿𝗲𝗹𝗹)

What could be more Barbadian than cricket? It's a sport the country has traditionally excelled in.With cricket so much a part of the culture, it's fitting that the Barbadian $ 5 note features cricket legend Frank Worrell. Together with Sir Everton Weeks and Clyde Walcott, Worrell was one of the famous “Three W's” —-the strongest middle-order batters in the world at the time. All three were born in Saint Michael, Barbados.
Worrell was the first Black man to captain the West Indies cricket team.

Sir Frank Worrell (1924-1967), one of the legendary 3Ws along with Sir Everton Weekes and Sir Clyde Walcott, is widely acknowledged to be one of the greatest cricketers to ever play the game and was even named Wisden Cricketer of the Year in 1954.His contribution to the game goes beyond his exploits with the bat and ball, however. In 1960, he became the first black man to be appointed as captain of the West Indies team, a position he held until his retirement in 1963. He has also been credited for encouraging sportsmanship and curbing insularity in the team.

By donating blood Sir Frank Worrell once saved Indian captain Nari Contractor who was hit on the head by a ball from Charlie Griffith during India’s 1962 tour match against Barbados.As a remembrance of Worrell’s help in saving Contractor’s life, the Cricket Association of Bengal organises a blood donation drive on February 3 every year and the day is commemorated as Sir Frank Worrell Day in the state of Bengal.

After his retirement from cricket, he served as Warden of the University College of the West Indies and as a senator in Jamaica’s parliament.In 1964, he was knighted by Queen Elizabeth II for his contribution to the game of cricket. Sir Frank Worrell died of leukaemia on March 13, 1967 at the age of 42.

The championship trophy for the cricket series between the West Indies and Australia and one of the residences at the University of the West Indies, Cave Hill Campus are named in his honour.

The obverse of the note has bust of Sir Frank Worrell.The back of the note has an image of
Worrell at the pitch in front of the “3Ws Oval,”
a cricket facility on the Cave Hill Campus of the
University of the West Indies. The ground was
upgraded and renamed in honor of the country’s three cricket legends when the West Indies hosted the 2007 Cricket World Cup.The banknotes are inscribed with lines from
the national anthem. Above an image of Worrell batting are the words “We write our names on history’s page, with expectations great.”

𝗦𝗶𝗿 𝗩𝗶𝘃𝗶𝗮𝗻 𝗥𝗶𝗰𝗵𝗮𝗿𝗱𝘀 𝗴𝗲𝘁𝘀 𝗶𝗺𝗺𝗼𝗿𝘁𝗮𝗹𝗶𝘇𝗲𝗱 𝗼𝗻 $𝟮 𝗻𝗼𝘁𝗲𝘀 𝗶𝗻 𝗘𝗮𝘀𝘁𝗲𝗿𝗻 𝗖𝗮𝗿𝗶𝗯𝗯𝗲𝗮𝗻 𝗖𝘂𝗿𝗿𝗲𝗻𝗰𝘆🇦🇬

The Eastern Caribbean Central Bank (ECCB) issued a polymer legal tender $2 commemorative bank note on Dec. 1 honoring the Caribbean Sultan of Swat, legendary cricketer Sir Vivian Richards, known in the sport as “The Master Blaster.”

The issue is part of the bank’s celebration of its 40th anniversary, with the theme “ECCB@40: A Year of Reflection, Celebration and Implementation.” It was printed by De La Rue in a slightly smaller size than the other Eastern Caribbean polymer notes. It is the first time that a reflective silver ink, a gold iridescent ink and a holographic blue foil have appeared together on a bank note.

The top half of the face of the vertically oriented commemorative bears an image of Richards at bat. The 71-year-old native of Antigua and Barbuda 🇦🇬, who was on the West Indies cricket team between 1974 and 1991, is considered one the sport’s greatest batsmen (hitters) of all time. He was named as one of the five top cricketers of the 20th century.

The bottom of the face and the entire back is representative of the region’s interconnected aquatic ecosystem, with coral reefs and marine life. A reflective turtle seen on both sides changes color as the note is tilted.

After presenting Richards with an example of the $2 note during the unveiling ceremony, ECCB Governor Timothy N.J. Antoine explained that it was the hope of the bank that by placing Sir Vivian’s image on the note, it would “deliver fresh inspiration for the people of the Caribbean, not just for cricketers, but for all youth and people around the world.” He added, “We hope we can rekindle, through this act, a consciousness about Caribbean Civilization, self-belief, a sense of purpose and fearlessness as you so ably demonstrated on the field of play.”

Minister Camillo Gonsalves, Chairman of the ECCB Monetary Council, noted it was the hope of the Central Bank to inspire all citizens of the Eastern Caribbean to “reflect on the qualities, principles and the excellence embodied in the image of Sir Viv.”

Sir Vivian Richards said that he was honored and humbled to receive such recognition, and acknowledged the role of his parents whom he said instilled in him the self-belief which enabled him to be successful.

If there was ever a batsman in the history of the game who could be truly associated with the word, ‘fearless’, it had to be Sir Vivian Richards. So, fast bowlers were treated with utter disdain, as he arrogantly banished the quickest of the breed to all parts of the ground when he got going. To add insult to injury, he never wore a helmet in his career, and kept intimidating bowlers by nonchalantly chewing gum.

He has once been involved in 100 run plus partnership for the tenth wicket with Michael Holding in which the latter’s contribution was only 12, where as he also has scored a Test century off 56 deliveries. His 8000 odd Test runs have come at an average of more than 50, while his average of 47 and a strike rate of 90 in ODIs – at a time when the concept of fielding restrictions did not exist – is second to none. Richards’ three runouts in the 1975 World Cup final and a murderous century in finals of the 1979 World Cup went a long way in clinching them for his team. As a captain, Richards won a gigantic 27 matches out of the fifty he skippered in.

In 2002, Richards was chosen as the greatest ODI batsman of all time by Wisden, while in 2000, he was voted as one of top five Wisden cricketers of the century, behind Bradman, Sobers, Hobbs and Warne.

, #ভারতীয়_মুদ্রা, #ভারতীয়_ব্যাংকনোট, #বিদেশী_মুদ্রা,
#বিদেশী_ব্যাংক_নোট, , , , , , , , , , ,

Address

Santipur
741404

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Notaphilist ZIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Notaphilist ZIA:

Share

Category