Sandip book centre

Sandip book centre all types books are available here.

20/05/2026
লক্ষ্য যখন মাধ্যমিক ২০২৭, প্রস্তুতি হোক সেরাদের সাথে! 🎯​মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাজারে সেরা গাইড 'মাধ্যমিক টপা...
10/05/2026

লক্ষ্য যখন মাধ্যমিক ২০২৭, প্রস্তুতি হোক সেরাদের সাথে! 🎯
​মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাজারে সেরা গাইড 'মাধ্যমিক টপারস্ ফাইল'।
বিগত ১০ বছরের বাছাই প্রশ্ন ও নির্ভুল উত্তরসহ এই একটি বই আপনার রেজাল্ট বদলে দিতে যথেষ্ট। 📖✨
​✅ কেন কিনবেন?
​সাতটি আবশ্যিক বিষয়ের সম্পূর্ণ সমাধান।


​বিগত ১০ বছরের মাধ্যমিকে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নপত্র।
​লেটেস্ট ২০২৭ সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি।
​সাফল্যের পথে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আজই আপনার নিকটবর্তী বুক স্টল থেকে সংগ্রহ করুন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
ফ্লিপকার্টের মাধ্যমেও সরাসরি সংগ্রহ করতে পারবেন। Take a look at this Madhyamik Toppers File 2025 With Previous 10 Years Question Answer on Flipkart
https://dl.flipkart.com/s/KkLM6AuuuN
https://amzn.to/3P45UTi

​📍 প্রকাশক: সন্দীপ বুক সেন্টার
৯০০৭৫৬২৯২০
​ #মাধ্যমিক_টপারস্_ফাইল
​ #টপারস্






​ #মাধ্যমিক২০২৭



​ #ছাত্রছাত্রী






Madhyamik Topper's File 2027 (Bengali Version)

28/03/2026

প্রশ্ন সন্ন্যাসী ফকির বিদ্রোহের (১৭৬৩-১৮০০)সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। এই বিদ্রোহের ঐতিহাসিক তাৎপয্য কী ছিল? (মাধ্যমিক ২০২৫)

উত্তর :বাংলায় সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহ (১৭৬৩-১৮০০) হলো ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রথম দিকের একটি উল্লেখযোগ্য কৃষক ও ধর্মীয় আন্দোলন। নিচে এর সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরা হলো:
​সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
​বক্সারের যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দেওয়ানি লাভ করলে বাংলার আর্থ-সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ে। এই অস্থিরতা থেকেই সন্ন্যাসী ও ফকির বিদ্রোহের সূত্রপাত।
​নেতৃত্ব: এই বিদ্রোহের প্রধান নেতাদের মধ্যে ছিলেন মজনু শাহ, ভবানী পাঠক, দেবী চৌধুরানী, মুসা শাহ এবং চেরাগ আলী।
​বিদ্রোহের কারণ: 1. তীর্থকর আরোপ: সন্ন্যাসী ও ফকিরদের তীর্থযাত্রার ওপর কোম্পানি কর ধার্য করে এবং তাদের অবাধ চলাচলে বাধা দেয়।
2. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ): ১৭৭০ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় কোম্পানির অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় জনগণের জীবন অতিষ্ঠ করে তোলে।
3. শোষণ: জমিদার ও কোম্পানি কর্মকর্তাদের অমানবিক নির্যাতন সন্ন্যাসী ও সাধারণ কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করে।
​প্রকৃতি: এটি মূলত উত্তর ও পূর্ব বঙ্গে (যেমন: ঢাকা, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ) ছড়িয়ে পড়েছিল। বিদ্রোহীরা কোম্পানির কুঠি আক্রমণ করত এবং সরকারি খাজনা লুঠ করে গরিবদের মধ্যে বিলিয়ে দিত।

​ঐতিহাসিক তাৎপর্য:

​সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ কেবল একটি ধর্মীয় বা গোষ্ঠীগত আন্দোলন ছিল না, এর গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে:
​ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম প্রতিরোধ: এটি ছিল বাংলার মাটিতে ব্রিটিশ অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রথম দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী সশস্ত্র বিদ্রোহ। এটি প্রমাণ করেছিল যে ভারতীয়রা কোম্পানি শাসনকে সহজে মেনে নেয়নি।
​হিন্দু-মুসলিম ঐক্য: এই বিদ্রোহের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। গিরি সন্ন্যাসী এবং মাদারী ফকিররা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, যা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
​কৃষক বিদ্রোহের সূচনা: যদিও এটি সন্ন্যাসী ও ফকিরদের নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল, কিন্তু ভূমিহীন কৃষক ও কারিগররা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিয়েছিল। এটি পরবর্তীকালে নীল বিদ্রোহ বা ফরায়েজি আন্দোলনের মতো কৃষক আন্দোলনের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে।
​জাতীয়তাবাদী অনুপ্রেরণা: এই বিদ্রোহ ভারতের জাতীয়তাবাদী চেতনাকে প্রবলভাবে প্রভাবিত করেছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'আনন্দমঠ' ও 'দেবী চৌধুরানী' এই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটেই রচিত, যা পরবর্তী প্রজন্মের বিপ্লবীদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
​ভয় ও প্রশাসনিক পরিবর্তন: এই বিদ্রোহ কোম্পানি সরকারকে এতটাই আতঙ্কিত করে তুলেছিল যে তারা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয় এবং শেষ পর্যন্ত ওয়ারেন হেস্টিংস কঠোর হাতে এটি দমন করেন।

উপসংহার : সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ ছিল বিদেশি শাসনের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের প্রথম স্ফুলিঙ্গ, যা প্রমাণ করেছিল যে সাধারণ মানুষ ও ধর্মপ্রাণ গোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ হলে শক্তিশালী শক্তির ভিত কাঁপিয়ে দেয়।
Madhyamik 2025 history Question Paper
#মাধ্যমিক #মাধ্যমিক # মাধ্যমিক টপারস প্রস্তুতি

07/02/2026

প্রশ্ন ঃভারতের জলবায়ু নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা আলোচনা কর|
[মাধ্যমিক ২০২৬]
উত্তর :
ভারতের বৈচিত্র্যময় জলবায়ু কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর নির্ভর করে না। বরং বেশ কিছু ভৌগোলিক ও বায়ুমণ্ডলীয় ফ্যাক্টর ভারতের জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে। নিচে ভারতের জলবায়ু নিয়ন্ত্রকগুলোর প্রধান ভূমিকা আলোচনা করা হলো:
​১. হিমালয় পর্বতমালার ভূমিকা
​ভারতের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে হিমালয়ের অবদান অপরিসীম।
​শীতল হাওয়া থেকে রক্ষা: শীতকালে মধ্য এশিয়া থেকে আসা অতি শীতল ও শুষ্ক বায়ুকে হিমালয় পর্বত বাধা দেয়। ফলে ভারত তীব্র শৈত্যপ্রবাহের হাত থেকে রক্ষা পায়।
​বৃষ্টিপাত ঘটানো: দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু হিমালয়ের গায়ে বাধা পেয়ে ভারতের সমভূমি অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
​২. অক্ষাংশ (Latitude)
​ভারতের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (23.5^{\circ} উত্তর) যাওয়ার ফলে ভারতের দক্ষিণ অংশ ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং উত্তর অংশ উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে দক্ষিণ ভারতে সারা বছর তাপমাত্রা বেশি থাকে এবং উত্তর ভারতে ঋতুভেদে তাপমাত্রার ব্যাপক পরিবর্তন দেখা যায়।
​৩. মৌসুমি বায়ু (Monsoon Winds)
​ভারতের জলবায়ুর সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক হলো মৌসুমি বায়ু।
​ঋতু পরিবর্তন: মৌসুমি বায়ুর আসা ও যাওয়ার ওপর ভিত্তি করেই ভারতে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও শীতকাল নির্ধারিত হয়।
​বৃষ্টির বণ্টন: ভারতের বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০% ই ঘটে এই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে।
​৪. সমুদ্রের সান্নিধ্য ও উচ্চতা
​সমুদ্রের প্রভাব: ভারতের দক্ষিণ দিক তিনদিকে সমুদ্র দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় উপকূলবর্তী অঞ্চলে (যেমন- মুম্বাই, চেন্নাই) জলবায়ু সমভাবাপন্ন থাকে। অর্থাৎ সেখানে শীত বা গরম কোনোটিই খুব বেশি নয়।
​উচ্চতা: উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমে (প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় 6.4^{\circ}C)। এই কারণে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও সমভূমির তুলনায় দার্জিলিং বা শিমলা অনেক বেশি ঠান্ডা থাকে।
​৫. জেট বায়ু ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝা
​জেট বায়ু: ঊর্ধ্ব বায়ুমণ্ডলে প্রবাহিত জেট বায়ু মৌসুমি বায়ুর আগমনকে ত্বরান্বিত করে।
​পশ্চিমী ঝঞ্ঝা: শীতকালে ভূমধ্যসাগর থেকে আসা দুর্বল ঘূর্ণবাতের কারণে উত্তর-পশ্চিম ভারতে যে সামান্য বৃষ্টিপাত ও তুষারপাত হয়, তাকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বলে। এটি রবি শস্য চাষের জন্য খুব উপকারী।
​৬. এল নিনো ও লা নিনা (El Niño & La Niña)
​প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রার পরিবর্তন ভারতের জলবায়ুকে প্রভাবিত করে। এল নিনো হলে ভারতে খরা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে, অন্যদিকে লা নিনা হলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়।

আরও জানতে follow করুন মাধ্যমিক টপারস প্রস্তুতি পেজটি।

Write a letter (in about 100 words) to your cousin advising him/her to plant saplings or new plants during rainy season....
06/02/2026

Write a letter (in about 100 words) to your cousin advising him/her to plant saplings or new plants during rainy season. Your letter should include reasons why you are advising him/her to plant trees every year and why rainy season is chosen for tree plantation. [Madhyamik 2026]

Dear [Cousin's Name],
​I hope you’re doing well! With the monsoon finally arriving, I wanted to encourage you to plant a few saplings in your garden this week.

​I make it a point to plant trees every year because it is one of the best ways we can fight climate change and ensure fresh air for our future. I’m suggesting the rainy season specifically because the high humidity and constant moisture provide the perfect environment for young roots to establish themselves without the stress of summer heat. Plus, nature does the watering for you!
​Let’s contribute to a greener planet together.
​Warmly,
​[Your Name]
মাধ্যমিক টপারস প্রস্তুতি page দেখুন আরও ঊত্তর এর জন্য।

06/02/2026

প্রশ্ন:উনিশ শতকের ভারতের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাসে বাবা রামচন্দ্রের অবদান লেখ।
[মাধ্যমিক ২০২৬]

উত্তর : উনিশ শতকের ভারতের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাসে বাবা রামচন্দ্র এক অবিস্মরণীয় নাম। মূলত ১৯২০-এর দশকে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা ও অবধ অঞ্চলে কৃষকদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
​নিচে তাঁর ভূমিকার প্রধান দিকগুলো আলোচনা করা হলো:
​১. কৃষক সংগঠন ও 'কিষাণ সভা' গঠন
​বাবা রামচন্দ্র কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করতে ১৯২০ সালে 'অযোধ্যা কিষাণ সভা' প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি কেবল একজন নেতাই ছিলেন না, বরং কৃষকদের অতি আপনজন হয়ে উঠেছিলেন। তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে কৃষকদের ওপর জমিদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করেন।
​২. জমিদারী শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
​তৎকালীন সময়ে কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত কর, 'বেগার' শ্রম (বিনা পারিশ্রমিকে কাজ) এবং অহেতুক নানা রকম উপরি পাওনা আদায় করা হতো। বাবা রামচন্দ্র কৃষকদের এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করেন এবং জমিদারদের সামাজিক বয়কট করার ডাক দেন।
​৩. ধর্মীয় আবেদনের মাধ্যমে সংহতি
​তিনি কৃষকদের একত্রিত করার জন্য রামায়ণের কাহিনী ও 'সীতা-রাম' স্লোগান ব্যবহার করতেন। এটি সাধারণ গ্রামীণ কৃষকদের মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল এবং তাদের মধ্যে একতার ভাব তৈরি করেছিল। তাঁর এই কৌশলের কারণে হাজার হাজার কৃষক আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
​৪. অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে সংযোগ
​মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন যখন শুরু হয়, বাবা রামচন্দ্র সেই জোয়ারকে কৃষক আন্দোলনের সাথে যুক্ত করেছিলেন। তাঁর আমন্ত্রণে জওহরলাল নেহরু অবধ অঞ্চলে আসেন এবং কৃষকদের দুর্দশা নিজ চোখে দেখেন, যা পরবর্তীকালে জাতীয় কংগ্রেসের নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলেছিল।

​সংক্ষেপে তাঁর অবদানের গুরুত্ব [মাধ্যমিক ২০১৯]
​একতা: বিচ্ছিন্ন কৃষকদের একটি শক্তিশালী সংগঠিত শক্তিতে পরিণত করেন।
​সাহস: জমিদার ও ব্রিটিশ প্রশাসনের ভয়ে কুঁকড়ে থাকা কৃষকদের অধিকার আদায়ে সাহসী করে তোলেন।
​প্রভাব: তাঁর আন্দোলনের ফলেই ১৯২১ সালে ব্রিটিশ সরকার 'অবধ রেন্ট অ্যাক্ট' বা অবধ খাজনা আইন সংশোধন করতে বাধ্য হয়। মাধ্যমিক টপারস প্রস্তুতি দেখুন

08/11/2025

প্রকাশিত হলো Joyosree Publication এর psc clerckship main exam এর practice set এর একমাত্র বই, যেখানে current topics এর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রচারি বিজ্ঞাপনের উপর নয়,
ভরসা রাখুন Jayasree Practice Set এ!"
ভয়কে করুন জয়।
বইটি কিনতে পারবেন নিচের link এর মাধ্যমে। এছাড়াও যেকোনো বইয়ের দোকানে পাবেন। কেনার আগে অবশ্যই
বইটির রিভিউ দেখতে পারেন।
যেকোনো দরকারে ☎️ করুন 97356 08728
মূল্য মাত্র 260 টাকা।

"Exam নয়, Experience — বাংলার আসল practice set মানেই ৩০ বছরের অভিজ্ঞ প্রকাশক publication...

Take a look at this WBPSC Clerkship Mains 2025-26 Dr. Ramkrishna Mandal AndPartha Pratim Roy on Flipkart
https://dl.flipkart.com/s/a0YK7AuuuN

https://youtu.be/bIyuH8yMmuU?si=wtRV55t7SGUsdW9z

Address

15 Bankim Chatterjee Street
Kolkata
700012

Opening Hours

Monday 10:45am - 6pm
Tuesday 10:45am - 5:30pm
Wednesday 10:45am - 5:30pm
Thursday 10:45am - 5:30pm
Friday 11am - 5:30pm
Saturday 11am - 5:30pm

Telephone

9007562920

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sandip book centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sandip book centre:

Share