11/03/2024
‘....শেষ মিনিটের গোল। সেন্টারে কিক অফ হওয়ার পর রেফারির বাঁশি বেজে উঠল।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ হল পিয়াল। আর আমি ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট।
পিয়াল জড়িয়ে ধরে বলল— তুই টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছিস— আমি ভীষণ খুশি!
আমি জানতাম, পিয়াল বড়ো মনের ছেলে। এরকম ব্যবহার ওকেই মানায়।
সেই থেকে আমাদের বন্ধুত্ব গাঢ় হল।….’
অভিজিৎ চৌধুরীর ‘সেন্টার ফরওয়ার্ড’ মাঠের গল্প, ফুটবলের গল্প এবং এক অনাবিল বন্ধুত্বের গল্প। বর্তমান সময় থেকে কিছুটা পিছিয়ে গত শতকের শেষদিকে গল্পের প্রেক্ষাপট নির্মাণ করেছেন লেখক। সেই সময় ফুটবল নিয়ে বাঙালির উন্মাদনা চরমে! ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহামেডান স্পোর্টিং— এগুলি তখন ফুটবল দল নয়, বাঙালির একেকটি হৃৎস্পন্দনের নাম! সেই সঙ্গে খেলা হত গাঁয়ে, মফস্বলে, স্কুলে, পাড়ার ক্লাবে। এই রকমই এক পাড়ার মাঠে খেলত পিয়াল। তাদের ফুটবল টিমের সবার প্রিয় সেন্টার ফরওয়ার্ড। খেলা, বন্ধুত্ব, কৈশোরকালীন মিঠে পূর্বরাগ—এসব নিয়েই বেশ কেটে যাচ্ছিল দিন। কিন্তু হঠাৎ একদিন পিয়ালের ডাক এল বড়ো দল থেকে! তারপর নানা চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা কুড়োতে কুড়োতে পাড়ার টিমের সেন্টার ফরওয়ার্ড পিয়াল তরী ভাসিয়ে চলল একের পর এক দুর্গম দ্বীপে।
‘.....পিয়াল রিজার্ভ বেঞ্চে মাথা নিচু করেই বসেছিল। এইসময় কোচ পিকে ব্যানার্জি ডাকলেন— পিয়াল, তৈরি হও, মাঠে নামতে হবে। বয় রেডি, রেএডি— তিনি বলতে থাকলেন—’
ফুটবলের প্রতি প্যাশন আর প্রতিভা পিয়ালকে সাফল্যের পাহাড়চূড়ায় পৌঁছে দিল, নাকি সে হারিয়ে গেল মাঠের রাজনীতি আর দলাদলির পাঁকে— তা জানতে পড়ে ফেলুন ‘সেন্টার ফরওয়ার্ড’।