Ra-SALE'S

Ra-SALE'S সদাই চর্চা, অল্পই খরচা

18/02/2026

রমাদান মোবারক!

29/04/2023

S.S.C পরীক্ষার্থী সকল ভাই বোনদের জন্য দোয়া রইল!❤️🌸

বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর নাই ——————————— গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল...
11/04/2023

বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর নাই
———————————
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ৮১, আর নেই। মঙ্গলবার, এপ্রিল ১১, ২০২৩, রাত ১১টায়, রাজধানীর ধানমণ্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছু দিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগেও ভুগছিলেন। গত বুধবার তাঁকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের প্রধান কিডনি বিশেষজ্ঞ ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রধান চিকিৎসক অধ্যাপক মামুন মোস্তাফী রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন ভাস্কুলার সার্জন। তিনি মূলত জনস্বাস্থ্য চিন্তাবিদ। ১৯৮২ সালের ওষুধ নীতি দেশকে ওষুধে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ করে, ওই নীতি প্রণয়নের অন্যতম কারিগর ছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বহির্বিশ্বে তাঁর পরিচয় বিকল্প ধারার স্বাস্থ্য আন্দোলনের সমর্থক ও সংগঠক হিসেবে।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী নাগরিক অধিকার আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন। অসুস্থ শরীরেও তিনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার কোয়েপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবা হুমায়ন মোর্শেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মা হাছিনা বেগম চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। মা–বাবার দশ সন্তানের মধ্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন সবার বড়। জাফরুল্লাহ চৌধুরী ঢাকার বকশীবাজারের নবকুমার ইনস্টিটিউট থেকে স্কুলজীবন শেষ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। ঢাকে কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ভর্তি হন। সেই সময় তিনি বাম রাজনীতিতে যুক্ত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সে সময় হাসপাতালের অনিয়ম–দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। জাফরুল্লাহ চৌধুরী ১৯৬৪ সালে এমবিবিএম পাস করে যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে তিনি সাধারণ সার্জারি ও ভাস্কুলার সার্জারিতে প্রশিক্ষণ নেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় ভারতের ত্রিপুরায় বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল গড়ে তোলায় বিশেষ ভূমিকা ছিল জাফরুল্লাহ চৌধুরীর। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত চিকিৎসকদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সংগঠিত করা, হাসপাতালের জন্য ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম সংগ্রহ করার ক্ষেত্রেও তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। যাদের আগে কোনো প্রশিক্ষণ ছিল না এমন নারীরা কয়েক দিনের প্রশিক্ষণ নিয়েই হাসপাতালে সেবার কাজ করেছিলেন। বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতালের সেই অভিজ্ঞতা জারুল্লাহ চৌধুরী কাজে লাগিয়েছিলেন ১৯৭২ সালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা যে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব–তা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রমাণ করে। সেই অভিজ্ঞতার কথা বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ল্যানসেটে প্রবন্ধ আকারে প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। তারপর থেকে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার ধারণাটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পায়। জাফরুল্লাহ চৌধুরী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ট্রাস্টি হিসেবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করতে চাইতেন সহজভাবে। তিনি বিশ্বাস করতেন, চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য সেবার জন্য সব ক্ষেত্রে উচ্চতর ডিগ্রিধারী বা মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা চিকিৎসকের দরকার নেই। স্বল্প শিক্ষিত মানুষকে যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়েও সেবা পাওয়া সম্ভব। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম স্বাস্থ্য বিমা চালু হয়। জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার কোনো উদ্যোগকে লাভজনক ব্যবসায় পরিণত করতে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন, গণস্বাস্থ্যের মাধ্যমে গড়ে তোলা সফল স্বাস্থ্য উদ্যোগ সরকারই যেন সারা দেশে প্রয়োগ করে বা ছড়িয়ে দেয়।

স্বাধীনতার পর দেশের ওষুধের বাজারে বিদেশি ও বহুজাতিক কোম্পানির একচেটিয়া আধিপত্য ছিল। তখন বাজারে চার হাজার ধরনের ওষুধ ছিল, তার প্রায় সবই বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো। ওষুধ ছিল সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনামলের ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধ নীতি পরিস্থিতি পাল্টে দেয়। জাতীয় ওষুধ নীতি দেশি কোম্পানিগুলোকে ওষুধ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি করে দেয়, পাশাপাশি দেশে তৈরি হওয়া ওষুধ বিদেশ থেকে আমদানি করা বন্ধ হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ একটি ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ। দেশের মানুষকে স্বল্প মূল্যে ওষুধ দেওয়ার জন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ওষুধ কোম্পানিও প্রতিষ্ঠা করে।
বৈশ্বিকভাবে বিকল্প স্বাস্থ্য আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ভূমিকা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি বছর ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি আয়োজন করে। এর বিকল্প হিসেবে কয়েক বছর পর পর আয়োজন করা হয় পাবলিক হেলথ অ্যাসেম্বলি বা জনগণের স্বাস্থ্য সম্মেলন। এটা আয়োজন করে পিপলস হেলথ মুভমেন্ট নামের একটি বৈশ্বিক সংগঠন। এই সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সদস্য জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে জীবনের নানা পর্বে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার বা সম্মান পেয়েছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ১৯৭৭ সালে তাঁকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয় সরকার। ফিলিপাইনের র‌্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পান ১৯৮৫ সালে। ১৯৯২ সালে সুইডেন থেকে তাঁকে দেওয়া হয় রাইট লাইভলিহুড অ্যাওয়ার্ড। কানাডার ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব ন্যাচারাল মেডিসিন ২০০৯ সালে দেয় ডক্টর অব হিউম্যানিটেরিয়ান উপাধি। যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলি থেকে ২০১০ সালে দেওয়া হয় ইন্টারন্যাশনাল পাবলিক হেলথ হিরোজ অ্যাওয়ার্ড। যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ ২০২২ সালে জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে ‘এনআরবি লিবারেশন ওয়ার হিরো ১৯৭১’ পুরস্কার দেয়।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী ৫০টির বেশি দেশে বিভিন্ন সম্মেলন বা সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে অংশ নেন। একাধিক দেশকে জাতীয় ওষুধ নীতি তৈরিতে পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রকাশনার মধ্যে একটির নাম ‘রিসার্চ: অ্যা মেথড অব কলোনাইজেশন’। এটি ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। এরপর এটি বাংলা ছাড়াও ফরাসি, জার্মান, ইতালি, ডাচ, স্পেনিস ও একাধিক ভারতীয় ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জীবনের শেষ বছরগুলোতে রোগ–ব্যধির সঙ্গে লড়তে হয়েছে। জটিল কিডনি রোগে ভুগছিলেন। মানুষ যেন সহজে প্রতিস্থাপনের জন্য কিডনি পেতে পারেন সেজন্য তিনি আইনের পরিবর্তন চেয়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর হাতে গড়ে ওঠা গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ১০০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট তৈরি করেছিলেন। ওই ইউনিটে নিজেই ডায়ালাইসিস করাতেন। ইউনিটটি তিনি করেছিলেন কম মূল্যে সাধারণকে মানুষকে সেবার সুযোগ করে দিতে। একটি ক্যানসার হাসপাতাল করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল।
———
তথ্যসূত্র — প্রথম আলো

২৫ ই মার্চ ছিলোনা কোনো সিনেমা কাহিনী,ছিলো না লেখকের তৈরি গল্প।এটা ছিলো বাস্তবিক,চমর সত্য চলে যায় ১৯৭১ এর ২৫ শে মার্চ।বাং...
26/03/2023

২৫ ই মার্চ ছিলোনা কোনো সিনেমা কাহিনী,
ছিলো না লেখকের তৈরি গল্প।
এটা ছিলো বাস্তবিক,
চমর সত্য চলে যায় ১৯৭১ এর ২৫ শে মার্চ।

বাংলাকে মেধাবী শূন্য করতে,বাংলাকে প্রতিবন্ধী করে পাক পরিকল্পনার আরো একটি ভয়াবহ রাত,তাদের কাছে ছিলো এ পরিকল্পনার নাম অপারেশন সার্চলাইট।আর আমাদের কাছে ছিলো প্রাণ হারানোর দিন,স্বজন হারানোর দিন,ভূলি কি করে সেদিনের সেই গুলি বর্ষণে বুক ঝার্ঝরা মাটিতে পড়ে থাকা সেই রাত্রির কথা।

আমাদের কাছে কালোরাত,হারিয়ে কিছু সৈনিক,
কিছু মেধাবী ও নিরীহ মানুষকে।

রাতটি ছিলো রক্তঝরার দিন,বুকের মধ্যে কষ্টের ক্ষত তৈরি করার।

২৫ শে মার্চ প্রাণ হারানো সকল শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

প্রিয় 'রমাদান!💕আমাদের দূর্বল হৃদয়ে হেদায়াতের নূর হয়ে এসো।আমিন'!❤
22/03/2023

প্রিয় 'রমাদান!💕
আমাদের দূর্বল হৃদয়ে হেদায়াতের নূর হয়ে এসো।

আমিন'!❤

রমাদানের দ্বারপ্রান্তে আমরা...!আল্লাহ যেন আমাদের রমাদানের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার তৌফিক দান করুন।
15/03/2023

রমাদানের দ্বারপ্রান্তে আমরা...!
আল্লাহ যেন আমাদের রমাদানের জন্য
প্রস্তুতি নেয়ার তৌফিক দান করুন।

অভিনন্দন টিম বাংলাদেশ
14/03/2023

অভিনন্দন টিম বাংলাদেশ

15/07/2022

আসছে.....

এই ঈদুল আযহা স্রষ্টার পরম করুণায় বর্ষিত হোক, বন্যাকবলিত এলাকার সকল মানুষ ফিরুক স্বাভাবিক জীবনে। রাসেল'স পরিবারের পক্ষ থে...
08/07/2022

এই ঈদুল আযহা স্রষ্টার পরম করুণায় বর্ষিত হোক, বন্যাকবলিত এলাকার সকল মানুষ ফিরুক স্বাভাবিক জীবনে।
রাসেল'স পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ মোবারক।

27/04/2022

ব্যাক্তিগত কিছু জটিলতার কারণে ঈদের আগ পর্যন্ত সকল ধরনের অর্ডার নেয়া স্থগিত করা হলো। ঈদের পর ইনশাআল্লাহ আবার পেইজে নিয়মিত সেল পোস্ট করা হবে। আপু ও ভাইয়ারা -- আপনাদের অর্ডার নিতে পারছি না বলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত!
সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ!

ইসলামী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিবছর রমজান মাসের সেহরি এবং ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করে থাকে প্রতিবছরই রমজান রোজার সেহরি ...
01/04/2022

ইসলামী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রতিবছর রমজান মাসের সেহরি এবং ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করে থাকে প্রতিবছরই রমজান রোজার সেহরি এবং ইফতারের সময়সূচি অন্যান্য বছরের চেয়ে আলাদা হয়ে থাকে কেননা আহ্নিক গতির কারণে এবং বার্ষিক গতির কারণে প্রতিবছর ইংরেজি মাস এবং আরবি মাসের মধ্যে অনেকটা পার্থক্য হয়ে থাকে সে হিসাবে প্রতিবছর বিগত বছরের চেয়ে ১০ দিনের মত আগে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ নির্ধারিত রোজার সময়সূচী এবং নামাযের সময়সূচী নিচে প্রদান করা হলো।
২০২২ সালের রমজানের সময়সূচি রমজান মাসের ক্যালেন্ডা

Address

21, Topkhana Road
Wari
1000

Telephone

+8801969278674

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ra-SALE'S posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ra-SALE'S:

Share