Gopal Kumar Sarkar

Gopal Kumar Sarkar Learning..

07/06/2026

06/06/2026

টাকা ধার দেওয়ার সময় অন্যের দুঃখ শুনতে হয়, সেই টাকা ফেরত নিতে, নিজের দুঃখ বলতে হয়!

03/06/2026

শুরুতে Samsung কি ছিল জানেন?
একটা grocery store।
IKEA কি বিক্রি করতো জানেন?
শুনলে হাসবেন...কলম!!

Nike ছিলো একটা college project।
Nintendo বিক্রি করতো কার্ড ।
আর Sony? রেডিও ঠিক করতো।

কেউ জানতো না এরা একদিন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় brand হবে।
কেউ ভাবেনি।
কেউ guarantee দেয়নি।
কেউ "perfect সময়" আসার জন্য অপেক্ষা করেনি।
তারা শুধু শুরু করেছিল।

তারপর?
একটু একটু করে এগিয়েছে।
একটু একটু করে শিখেছে।
একটু একটু করে বড় হয়েছে।

আমরা কিন্তু উল্টো করি।
- আরেকটু ready হই!
- Idea-টা আরেকটু strong হোক।
- Market আরেকটু ভালো হোক।
- Savings আরেকটু বেশি হোক।

আর এভাবেই বছরের পর বছর চলে যায়।

সত্যি কথাটা হলো,
সব কিছু বড় শুরু হয়নি।
সব কিছু বড় হয়েছে।

Everything big started small।
Everything clear started messy।

আপনার idea টা হয়তো এখন অনেক ছোট।
হয়তো অস্পষ্ট।
হয়তো নিজেও পুরোটা বোঝেন না।
কিন্তু সেটা শুরু না করলে,
সেটা কোনোদিনও বড় হবে না।

Start messy
Start weird
Start scared
Start unclear

শুধু স্টার্ট করুন ❤️

© Gopal Kumar Sarkar

আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক "জয় বাংলা" Loading....আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ এবং হার গত এক বছরে অস্বাভাবিকভা...
24/05/2026

আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক "জয় বাংলা" Loading....

আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ এবং হার গত এক বছরে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলেন পত্রিকায় অপ্রকাশিত আমলনামা দেখা যাক -

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ৯.৯২% (৪,৩৮৯ কোটি টাকা)। অর্থাৎ এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২২,৬৬৬ কোটি টাকারও বেশি। শতকরা হিসাবে ৬০.৬৩%। সাধারণত কোন ব্যাংকের ঋণ ১৫% অতিক্রম করলে তাকে ঝুঁকি হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্যাংকটি ৮,৬১৯ কোটি টাকা নিট লোকসান করেছে।

বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারা আইএফআইসি ব্যাংকে নতুন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে এবং বোর্ড পুনর্গঠন করেছে।

ব্যাংকের এই চিত্র আগে প্রকাশ করা হয়নি।

মূলত সালমান এফ রহমান বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে এই ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বের করে নিয়েছেন।

আগে যেসব ঋণকে "নিয়মিত" দেখানো হতো, নতুন বোর্ড আসার পর সেগুলো এখন খেলাপি হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। এবং দেখা গেছে সেসব অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নাই।

তাছাড়া, ব্যাংকটি বর্তমানে ৪,৪৫৫ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে।

আপনারা কি জানেন, এই ব্যাংক টানা দুইবছর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারেনি বিধায় এই মাসে (মে, ২০২৬) শেয়ার বাজারে আইএফআইসি ব্যাংককে "জেড ক্যাটাগরি" তে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। শেয়ার বাজারে এটাই সর্বনিম্ন স্কোর।

জেড ক্যাটাগরি কি জানেন?
এই ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির পর চারদিন পর টাকা পাওয়া যায়, কোন ব্রোকারেজ হাউস 'মার্জিন লোন' দেয় না, ইনভেস্টররা এই ব্যাংক থেকে ১০০ হাত দূরে থাকে।

সবশেষে এতটুকু বলবো, রানিং মাসের আপডেট আপনাদের জানিয়ে দিলাম। আগামীকাল কি ঘটবে কেউ জানে না। পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হবে অনিশ্চিত, কেননা ৬০% খারাপ হওয়ার পর কোন ব্যাংক আস্থা ফিরে পেয়েছে কি না, খুঁজে পাইনি।

টাকা-পয়সা থাকলে চুপচাপ তুলে সরে যান। ধন্যবাদ।

মুর্দার ছবি দেখে ফেরত আসে যে হাসিমুখ, তুমি তার নাম দিয়েছো "জীবন"...
22/05/2026

মুর্দার ছবি দেখে ফেরত আসে যে হাসিমুখ, তুমি তার নাম দিয়েছো "জীবন"...

📌 হঠাৎ কেন ভারত-নেপাল সম্পর্কের টানাপোড়েন? জেনে নিন আসল কারণ! 🇳🇵🤝🇮🇳​'রুটি-বেটির সম্পর্ক' হিসেবে পরিচিত ভারত ও নেপালের দী...
21/05/2026

📌 হঠাৎ কেন ভারত-নেপাল সম্পর্কের টানাপোড়েন? জেনে নিন আসল কারণ! 🇳🇵🤝🇮🇳

​'রুটি-বেটির সম্পর্ক' হিসেবে পরিচিত ভারত ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে ইদানীং প্রায়ই কিছুটা উত্তাপ দেখা যাচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ কেন এই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ক্ষোভ আর উত্তেজনা? এর পেছনে রয়েছে কিছু গভীর ও ঐতিহাসিক কারণ।
​সহজ ভাষায় মূল কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

​১. কালাপানি ও লিপুলেখ সীমান্ত বিতর্ক 🗺️
উত্তেজনার সবচেয়ে বড় কারণ হলো সীমানা নির্ধারণ। নেপালের দাবি— কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা তাদের ভূখণ্ড। কিন্তু ভারত এগুলোকে নিজেদের অংশ মনে করে। ২০২০ সালে ভারত এই অঞ্চলে একটি নতুন রাস্তা উদ্বোধন করার পর নেপাল তাদের নিজস্ব একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র (Map) প্রকাশ করে, যেখানে এই বিতর্কিত অঞ্চলগুলোকে নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। এই মানচিত্র বিতর্কই মূলত সম্পর্ককে বেশি তিক্ত করেছে।

​২. 'চীন' ফ্যাক্টর ও ভূ-রাজনীতি 🇨🇳
নেপালের রাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ভারতকে বেশ চিন্তায় ফেলেছে। নেপাল চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই দিল্লির ধারণা, কাঠমান্ডু ক্রমশ বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকছে।

​৩. অভ্যন্তরীণ রাজনীতি 🗳️
নেপালের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে 'ভারত-বিরোধিতা' অনেক সময়ই একটি বড় রাজনৈতিক কার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ভোট টানতে সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়ই ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রদর্শন করে।

​৪. ১৯৫০ সালের শান্তি ও বন্ধুত্ব চুক্তি 📜
নেপালের একটি বড় অংশের দাবি, ১৯৫০ সালের এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিটি অসম এবং এতে ভারতের আধিপত্য বেশি। তারা এই চুক্তির সংশোধন চায়, যা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা ঝুলে আছে।

ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিকভাবে ভারত ও নেপাল একে অপরের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। তাই সাময়িক উত্তেজনা থাকলেও, সামরিক বা অর্থনৈতিক সংঘাত কোনো দেশের জন্যই কল্যাণকর নয়। কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলেই এই সীমান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজা সম্ভব।
​আপনার কী মনে হয়? কমেন্টে জানান আপনার মতামত! 👇

​ #বাংলাখবর #ভূরাজনীতি

💸 আইপিএল: শুধুই ক্রিকেট নাকি টাকার খনি?​ক্রিকেট মাঠে যখন ব্যাটে-বলে লড়াই চলে, মাঠের বাইরে তখন চলে হাজার হাজার কোটির টাকা...
20/05/2026

💸 আইপিএল: শুধুই ক্রিকেট নাকি টাকার খনি?

​ক্রিকেট মাঠে যখন ব্যাটে-বলে লড়াই চলে, মাঠের বাইরে তখন চলে হাজার হাজার কোটির টাকার হিসাব-নিকাশ। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট তো অনেক আছে, কিন্তু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (IPL) কেন বাকি সবার চেয়ে আলাদা? কেন একে বলা হয় স্পোর্টস বিজনেস বা 'টাকার খেলা'-র মাস্টারক্লাস?

​চলুন এর পেছনের মূল চালিকাশক্তি বা Revenue Model-এর দিকে একটু নজর দেওয়া যাক:

​১. মেগা মিডিয়া রাইটস (সম্প্রচার স্বত্ব)
​আইপিএলের আয়ের সিংহভাগ আসে টিভি এবং ডিজিটাল রাইটস থেকে। ২০২৩-২০২৭ চক্রের জন্য বিসিসিআই (BCCI) প্রায় ৪৮,৩৯০ কোটি রুপিতে মিডিয়া রাইটস বিক্রি করেছে। এর মানে হলো, আইপিএলের প্রতিটা ম্যাচ সম্প্রচার করার মূল্য প্রায় ১১৮ কোটি রুপি! মাঠের খেলা তো ফ্রি-তে দেখা যায় না, প্রতিটা সেকেন্ড এখানে মূল্যবান বিজ্ঞাপন।

​২. স্পনসরশিপের পাহাড়
​টাইটেল স্পনসর (যেমন- টাটা) থেকে শুরু করে আম্পায়ারের জার্সি, বাউন্ডারি লাইন, এমনকি থার্ড আম্পায়ারের ডিসিশন স্ক্রিন—সবকিছুই কোনো না কোনো ব্র্যান্ডের দখলে। ব্র্যান্ডগুলো কোটি কোটি টাকা ঢালে শুধু কয়েক সেকেন্ডের জন্য দর্শকের চোখে ভেসে থাকার জন্য।

​৩. টিকিট এবং গেট রেভিনিউ
​প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির একটা হোম গ্রাউন্ড থাকে। ঘরের মাঠে যখন ম্যাচ হয়, তখন টিকিটের টাকা, স্টেডিয়ামের ভেতরের খাবার ও মার্চেন্ডাইজ (জার্সি, ক্যাপ) বিক্রি থেকে আয়ের একটা বড় অংশ সরাসরি দলের পকেটে যায়।

​৪. সেন্ট্রাল পুল বন্টন
​আইপিএলের নিয়মটা দারুণ। মিডিয়া রাইটস এবং সেন্ট্রাল স্পনসরশিপ থেকে বিসিসিআই যে বিশাল অংকের টাকা পায়, তার একটা বড় অংশ (প্রায় ৫০%) নির্দিষ্ট অনুপাতে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ফলে দলগুলো প্লেয়ার কিনতে বা ব্র্যান্ডিংয়ে দেদারসে টাকা ওড়াতে পারে।


আইপিএল শুধু ২২ গজের ক্রিকেট নয়, এটি বিনোদন, গ্ল্যামার এবং আধুনিক কর্পোরেট ব্যবসার এক নিখুঁত মেলবন্ধন। এখানে প্রতিটা চার-ছক্কার পেছনে লুকিয়ে থাকে কোটি টাকার কর্পোরেট স্ট্র্যাটেজি।
​আপনার কী মনে হয়? অতিরিক্ত টাকার ঝলকানি কি ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্যকে নষ্ট করছে, নাকি স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে?
কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানান!👇

Address

Sirajganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gopal Kumar Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share