24/05/2026
আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক "জয় বাংলা" Loading....
আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ এবং হার গত এক বছরে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলেন পত্রিকায় অপ্রকাশিত আমলনামা দেখা যাক -
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের হার ছিল মাত্র ৯.৯২% (৪,৩৮৯ কোটি টাকা)। অর্থাৎ এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২২,৬৬৬ কোটি টাকারও বেশি। শতকরা হিসাবে ৬০.৬৩%। সাধারণত কোন ব্যাংকের ঋণ ১৫% অতিক্রম করলে তাকে ঝুঁকি হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্যাংকটি ৮,৬১৯ কোটি টাকা নিট লোকসান করেছে।
বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারা আইএফআইসি ব্যাংকে নতুন পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে এবং বোর্ড পুনর্গঠন করেছে।
ব্যাংকের এই চিত্র আগে প্রকাশ করা হয়নি।
মূলত সালমান এফ রহমান বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে এই ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা বের করে নিয়েছেন।
আগে যেসব ঋণকে "নিয়মিত" দেখানো হতো, নতুন বোর্ড আসার পর সেগুলো এখন খেলাপি হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। এবং দেখা গেছে সেসব অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নাই।
তাছাড়া, ব্যাংকটি বর্তমানে ৪,৪৫৫ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে।
আপনারা কি জানেন, এই ব্যাংক টানা দুইবছর লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারেনি বিধায় এই মাসে (মে, ২০২৬) শেয়ার বাজারে আইএফআইসি ব্যাংককে "জেড ক্যাটাগরি" তে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। শেয়ার বাজারে এটাই সর্বনিম্ন স্কোর।
জেড ক্যাটাগরি কি জানেন?
এই ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির পর চারদিন পর টাকা পাওয়া যায়, কোন ব্রোকারেজ হাউস 'মার্জিন লোন' দেয় না, ইনভেস্টররা এই ব্যাংক থেকে ১০০ হাত দূরে থাকে।
সবশেষে এতটুকু বলবো, রানিং মাসের আপডেট আপনাদের জানিয়ে দিলাম। আগামীকাল কি ঘটবে কেউ জানে না। পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হবে অনিশ্চিত, কেননা ৬০% খারাপ হওয়ার পর কোন ব্যাংক আস্থা ফিরে পেয়েছে কি না, খুঁজে পাইনি।
টাকা-পয়সা থাকলে চুপচাপ তুলে সরে যান। ধন্যবাদ।