Mashlapati.com

Mashlapati.com Importer & Exporter of Agro Commodity

19/12/2025
লিখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো, তাই share করলাম। পাকিস্তানে বিয়ে ভাঙেনা কেন?"""""""""'""""""""""""""""""""""""""""""""""""""...
16/08/2025

লিখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো, তাই share করলাম।



পাকিস্তানে বিয়ে ভাঙেনা কেন?
"""""""""'""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
এক যুগের বেশী সময় ধরে পাকিস্তান থাকার সুবাদে আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি আজ।যদিও আমি পাকিস্তান নিয়ে পোস্ট করিনা সহজে।সত‍্যি কথা হলো, পাকিস্তানিদের মানবিকতা,অতিথিপরায়ণতা,বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধাবোধ-ভ্রাতৃত্বপ্রেম এবং তাদের ভালো দিকগুলো নিয়ে লেখালেখি করলে আরো এক যুগেও আমি শেষ করতে পারবোনা। বাংলাদেশে আমরা পাঠ‍্যপুস্তক,ইতিহাস ও লোকমুখে পাকিস্তানিদের ব‍্যাপারে যেসব নেতিবাচক কথা পড়ে ও শুনে বড় হয়েছি পাকিস্তান বিদ্বেষ নিয়ে, বাস্তবতা তার সম্পূর্ণ উল্টো।
সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী নারীদেরকে সম্মান করা দেশের তালিকায় পাকিস্তান শীর্ষেই থাকবে।পোস্ট দীর্ঘ করতে চাইনা বলেই উদাহরণ বাদ দিচ্ছি।শুধু এইটুকুই বলবো,বাসে বা ট্রেনে আপনি যত দূরেই যাবেন,মহিলা উঠলেই খালি সীট না থাকলে মহিলার সম্মানার্থে আপনাকে সীট ছেড়ে দিতেই হবে।এটা পাকিস্তানের কোনো সরকারি আইন করা বিধিবিধান নয়,কিন্তু আপনি সীট ছেড়ে দিতে বাধ‍্য।পরিবারে শিশুকালেই পাকিস্তানিরা এই শিক্ষা পায় নিজের মা থেকে।শুধু তাই নয়,পথেঘাটে কোনো মহিলা বিপদে পড়লে তাকে নিজের বাসায় সহিসালামতে পৌঁছে দেয়ার লোক যে কেউ।পাকিস্তানে সবাই মুসলমান হলেও গোত্র ভাগ আছে অনেক।তাদের মধ‍্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাঁচটি অন্যতমঃ
১| সিন্ধি।
২| পাঞ্জাবী।
৩| বেলুচি।
৪| পাঠান।
৫| হিন্দুস্তানি।
শেষের এই হিন্দুস্থানিদেরকে আবার মহাজীর এবং মেহমানীও বলা হয়।১৯৪৭ সালে ভারত থেকে স্বাধীন হবার পর কায়েদে আযম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছিলেন," পাকিস্তান এখন মুক্ত স্বাধীন দেশ।যারা ভারতীয় তারা ইচ্ছে করলে চলে যেতে পারেন; আপনাদেরকে যাবার সুব‍্যবস্থা করে দেয়া হবে।যদি যেতে না চান তবে আপনাদেরকে পাকিস্তানের নাগরিক হিসেবে আজ থেকেই সম মর্যাদায় গ্রহণ করা হবে"।
একথা শুনে দুই/একটি উদাহরণ ছাড়া সবাই পাকিস্তানেই থেকে যায়।এমনকি হিন্দুরাও পাকিস্তান থেকে আর ভারত যেতে চায়নি।
কারণ?
কারণ হলো থাকা,খাওয়া,চলাফেরা,পরিবেশ,পরিচ্ছন্নতা,ফল-ফলারিতে এক উর্বরভূমির নাম পাকিস্তান; যা ভারত থেকে হাজারগুণ উন্নত ও সমৃদ্ধ ছিলো তখন।তাই অনেকেরই আত্মীয়স্বজন ভারতে থাকলেও তারা পাকিস্তানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করে।তাদেরকে হিন্দুস্থানি,মহাজীর বা মেহমানী বলা হয়।
তো বিয়ে কেন ভাঙেনা?
- আমাদের দেশে যেমন ঢাকার লোকটি চট্টগ্রামে গিয়ে কোনো পরিচিতি ছাড়াই সহজেই বিয়ে করতে পারে, পাকিস্তানে কিন্তু সেটা সহজ নয়। সিন্ধি সিন্ধিদের মধ্যে, বেলুচ বেলুচদের মধ্যে, পাঞ্জাবী পাঞ্জাবীদের মধ্যে, পাঠান পাঠানদের মধ্যে এবং হিন্দুস্থানি হিন্দুস্থানিদের মধ্যেই বিবাহ সম্পর্কে সীমাবদ্ধ।তবে পাঠান বা খাঁন-দের মধ্যে আরো বেশী কড়াকড়ি;খুব ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ছাড়া তাদের মধ্যে বিয়ে করার নজীর নেই।খালাতো,মামাতো,ফুপাতো,চাচাতো,জেঠাতো ভাইবোনের মধ্যেই বিয়ে হয় খাঁন বা পাঠানদের।এইক্ষেত্রে আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ের বয়েসী উপযুক্ত মেয়ে না থাকলে ছেলেকে অপেক্ষা করতে হয়। মেয়েদের ক্ষেত্রেও তাই। ফলে লাখে এক দুইটি ক্ষেত্রে বয়েসের তারতম্য ঘটে যেতে পারে; কিন্তু বিয়ে টেকসই ও স্থায়ী থাকে।তবে একটি ক্ষেত্রে সিন্ধি,বেলুচ,পাঞ্জাবী,পাঠান সহ সব গোত্রেই সমান নীতি দেখা যায়।সেটা হলো, পাকিস্তানে বিয়ে হয় কমিউনিটি সেন্টারে এবং ছেলেপক্ষ মেয়েপক্ষকে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করতে হয়। কেবল মোহরানার নগদ অর্থ নয়,ছেলের অভিভাবক মেয়ের অভিভাবকদের কাছে নমনীয় আচরণের দৃষ্টান্ত রাখে।বলা যায়, পাকিস্তানে মেয়ে জন্ম দেয়া পিতামাতারা সোনায়সোহাগা। মেয়ে হলেই তারা বেশী খুশী।
এবার ভাবুন,যে মেয়েকে বিয়ে করতে আপনার জীবনের বিশাল একটা টাকার অংক ব‍্যয় করতে হয়েছে,তাকে কি ইচ্ছে করলেই সহজেই ছাড়া যায়? ছাড়লে আপনার স্ত্রী আবার সহজেই যে কোনো ছেলেকে বিয়ে করতে পারবে কিন্তু আপনি বিয়ে করতে হলে আবারো লাগবে ৪০|৫০ লাখ টাকা।একেতো স্ত্রী ঘনিষ্ঠ আত্মীয়,দ্বিতীয়ত বলতে গেলে টাকা দিয়ে কেনা,তো ছাড়াছাড়িটা সহজ কিনা?বিয়ে বিচ্ছেদের সংখ্যা পাকিস্তানে খুব খুবই কম।
(উল্লেখ‍্য,রাজনৈতিক ব‍্যক্তি,নায়ক-নায়িকা,গায়ক-গায়িকা,ক্রিকেটার তথা সেলিব্রিটিদের ক্ষেত্রে আলাদা চিত্র দেখা যেতেই পারে;এমন লোকদের সংসার পৃথিবীর যে কোনো দেশেই স্থায়িত্বের দৃষ্টান্ত সীমিত।কিন্তু আমার লেখা গোটা পাকিস্তানের সামষ্টিক জনসাধারণের বাস্তবতা নিয়ে)।
ব‍্যবচ্ছেদ টীকাঃ
আমাদের বাংলাদেশে আমরা আদতে লালন করি হিন্দুত্ববাদী সংস্কৃতি।এদেশে নারী প্রধানমন্ত্রী, নারী বিরোধীদলীয় প্রধান, নারী স্পিকার সহ সব উঁচু পর্যায়ে নারীর অবস্থান এবং নারীর অধিকারে আইন পাশ ও নারীদের অধিকারে সবাই সোচ্চার হলেও আদতে মুসলিম বিশ্বের বাস্তবতায় সবচেয়ে বেশী অধিকারহারা ও অবহেলিত নারীর বিশাল একটা অংশের দেশ বাংলাদেশ।দুনিয়াতে হিন্দুদের মধ্যে ছাড়া কোনো দেশের কোনো ধর্মেই মেয়ে পক্ষ ছেলে পক্ষকে যৌতুক দিতে হয়না, শুধু আমরা বাংলাদেশীরা মুসলমান হয়েও হিন্দুদের এই অমানবিক সংস্কৃতিকে ধরে রেখেছি।যেকারণে টেকনাফের ছেলেটিও তেঁতুলিয়া গিয়ে পরিচিতি ছাড়াই সহজেই বিয়ে করতে পারছে,যৌতুকও পাচ্ছে এবং বাচ্চা দুই/তিনটা জন্ম দেয়ার পর সহজেই স্ত্রীকে ছেড়েও দিতে পারছে। অপরদিকে স্ত্রী বেচারীর ঠিকানা পিত্রালয়ে ভোঝা হওয়া বা গার্মেন্টস ইত্যাদি অথবা ধুকে ধুকে বাকি জীবন সন্তানদের নিয়ে কঠিন সংগ্রামে সংগ্রামী হয়ে কাটাতে হয়।বাংলাদেশে যতো সংসার ভেঙে যাওয়া মেয়ের ভোঝা বহন করতে হচ্ছে পিতামাতাকে, পৃথিবীর অনেক ছোট দেশের মোট জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে সেই সংখ্যাটি।কোথাও প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এই চিত্র দেখা যায়।
যে কোনো কিছুই সহজলভ্যতায় কদর কম,গ্রাহ‍্য কম।
তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করতে লেখাটি শেয়ার বা সূত্র উল্লেখে কপি করতে পারেন।

—লিখেছেন Abdul Quddush Paban




শেষের লাইনটা যদি বাস্তব হতো!সব বাবারা যদি তার ছেলেদের এভাবে বোঝাতো তাহলে মেয়েদের জীবন অনেক বেশি সুন্দর হত।শিলপাটার ওজন।...
16/08/2025

শেষের লাইনটা যদি বাস্তব হতো!
সব বাবারা যদি তার ছেলেদের এভাবে বোঝাতো তাহলে মেয়েদের জীবন অনেক বেশি সুন্দর হত।

শিলপাটার ওজন।

১৯৯৬ সাল।
বিয়ের মাত্র দু’বছর পেরিয়েছে।
একদিন আমার আর আমার স্ত্রী লিজার মধ্যে লেগে গেলো তুমুল ঝগড়া। ঝগড়া শেষে সে ব্যাগ ঘুচিয়ে বিদায় নিলো। শহরেই তাঁদের বাড়ি।বলে গেল জীবনেও ফিরবে না।আমিও বললাম। সমস্যা নাই, নো প্রবলেম।

সমস্যা হলো, বাবা বাড়ি ফেরার পর। তিনি বাড়ি ফিরলে দরজা খুলে লিজা। তিনি পুত্রবধূ দরজায় দাঁড়িয়ে আছে দেখতে পেলে অতি আনন্দিত হয়ে তার হাতে চকলেট, পেয়ারা, আমড়া এসব হাবিজাবি গুঁজে দেন। পুত্রবধূ আরেক কাঠি বাড়া, তিনি আগে থেকেই বেলের শরবত, লেবুর শরবত সব অখাদ্য বানিয়ে রাখেন। মাঝে মাঝে দেখি পুত্রবধূর পার্স বেশ ভারি। বাবা পেনশনের টাকা পেয়েছেন, আর তা কাউকে না বলে গুঁজে দিয়েছেন তার হাতে।
তো, সেদিন লিজা না, দরজা খুললেন মা।
বাবা অবাক! তাঁর নুপুর পায়ে ঝমঝম করা কন্যা গেলো কই?
মা-ই দরোজায় দাঁড়িয়ে সব বললেন। তাঁর কথা শুনে মনে হচ্ছে বাংলা সিনেমার কুখ্যাত এক ভিলেনের জন্ম দিয়ে তিনি অতি দুঃখিত। এ কুপুত্রের মুখ তিনি আর দেখতে চান না।
বাবা একটি কথাও বললেন না, বাড়িতেও ঢুকলেন না। সারা শরীরে ঘাম নিয়ে হনহন করে বেরিয়ে গেলেন।
ঘন্টা দুয়েক পর দেখি পিতা-কন্যা অতি আনন্দে গলাগলি করে ফিরে এসেছে।
তাঁদের পৌষ মাস, আমার সর্বনাশ! কারণ জানি আজ বাবা ছাড়বেন না। অতি কোমল এ মানুষটির মত ‘কঠিন’ মানুষ আমি খুব কম দেখেছি।
তিনি আমাকে ডাকলেন, কিন্তু একটুও রাগারাগি করলেন না। ঠান্ডা গলায় যা বললেন তা হচ্ছে,

১। তোমার স্ত্রী তোমার সন্তান গর্ভে ধারণ করবেন। একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু যখন মায়ের গর্ভে থাকে তার ওজন হয় প্রায় একটি পাটার ওজনের সমান, যাতে মরিচ বাটা হয়। এখন তোমাকে যদি একটি পাটা পেটে বেঁধে দেয়া হয়, তুমি কতক্ষণ তা বহন করতে পারবে? পনের মিনিটও না। আর তোমার স্ত্রী তা বইবেন দশ মাস দশ দিন। কেবল মেয়েরাই এই কষ্ট সহ্য করেন, পুরুষরা নন। এ ব্যাপারটা মাথায় রাখলে কোনোদিন কোনো মেয়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে ইচ্ছে হবে না।

২। তুমি তোমার স্ত্রীকে সম্মান না করলে তোমার সন্তানও কোনদিন কোনো মহিলাকে সম্মান করবে না। তোমার ব্যবহারের কারণেই সে বুঝতে পারবে না, মাতৃজাতির সম্মান কত উচ্চ।

৩। মনে রাখবে, মেয়েরা যত ক্ষমতাবানই হন না কেন, বাবার কাছে, স্বামীর কাছে তাঁরা ‘পক্ষীশাবকের’ আদর চান, মায়া চান। এমনকি রানি এলিজাবেথও এর ব্যতিক্রম নন। এ পক্ষীশাবকের সমস্ত স্বাচ্ছন্দ্য তোমাকেই নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো কপালে যতই ইবাদতের কালো দাগ পড়ুক, মহান আল্লাহতালা তোমাকে রহম করবেন না।

৪। আজ আমি তোমার হয়ে তোমার স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছি। কারণ আসলেই তুমি অন্যায় করেছ। তবে এ ক্ষমা চাওয়ায় আমি লজ্জিত নই। পিতা কন্যার কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন। এটা হচ্ছে মমতা থেকে চাওয়া ক্ষমা, কিন্তু ব্যাপারটা তোমার জন্য খুবই লজ্জার বিষয়, কারণ তোমার জন্য তোমার বাবাকে ক্ষমা চাইতে হয়েছে।পুত্রের আচরণের জন্য পিতার ক্ষমা চাওয়ার চাইতে বড়ো লজ্জা আর কিছু হতে পারেনা।

তারপর বাবা আমার মাথায় হাত রেখে বললেন, শুধু নিজের স্ত্রী নয়, দুনিয়ার সব মেয়ের ক্ষেত্রে যা বললাম সে ব্যাপারগুলো খেয়াল রাখবে, দেখবে পরমকরুণাময় তোমার জীবন ফুলে ফুলে ভরে দেবেন।

আমার মনে হচ্ছে, আমরা সব বাবারা যদি আমাদের সবার পুত্রদের এভাবে বুঝাতাম তাহলে কত মেয়ে বেঁচে যেতো!

সংগৃহীত




এটা আত্মহত্যা না, মার্ডার…!কোন বিবাহিত মেয়ে মরে গেলে অথবা সুইসাইড করলে বাবা মায়ের মনে বড় দুঃখ হয়।কি কষ্ট ছিল মেয়ের মনে এ...
12/08/2025

এটা আত্মহত্যা না, মার্ডার…!

কোন বিবাহিত মেয়ে মরে গেলে অথবা সুইসাইড করলে
বাবা মায়ের মনে বড় দুঃখ হয়।
কি কষ্ট ছিল মেয়ের মনে একটুও বললনা?

কিন্তু আসলেই কি বলেনাই?
আপনার তাই মনে হয়?
বলেছে।
বারবার বলেছে।
হাজার বার বলেছে শতবার বলেছে।

কিন্তু তারা সমাধান কি দিয়েছেন জানেন?

চাকরী ছেড়ে দেও
ব্যাবসা ছেড়ে দেও
সংসারে মন দাও
আরেকটা বাচ্চা নাও

কখনো অই মেয়ের স্বামীর মা কে বলতে শুনেছেন?
বাবা তুই সংসারে মন দে!
বাবা তুই এইযে প্রতি সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে বাইরে আড্ডা দিতে যাস সেটা বাদ দিয়ে বউকে সময় দে!
বাবা তুই জিম করতে না গিয়ে বাসায় বউকে সময় দে! বাবা তুই ব্যাবসা ছেড়ে দে এত যখন ব্যাস্ততা!
বাবা তুই অফিস থেকে আসার সময় বউ এর প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো এনে দিস!
বাবা তুই বউকে মাঝে মধ্যে একটু ঘুরতে বাহিরে নিয়ে যাস!
বাবা তুই বউকে এত নির্যাতন করিস না।

কোন দিন শুনেন নাই।

কারন পুরুষ এর কম্প্রোমাইজ করতে হয়না!

তাদের সংসার করতে হয়না।

সংসার শুধু এক তরফা নারীরা করবেন।
সমস্ত কম্প্রোমাইজ, স্যাক্রিফাইজ তারা করবেন।

সন্তান ধারন করতে জীবন টাও বাজি রাখবেন।
এক সন্তানে কাজ না হলে তিন চার বার এটেম নেবেন।

তাও সংসার কে টাইট করে ধরে তাকে রাখতেই হবে।

এরপর কেউ সফল নারী চিকিৎসক হয়েও গায়ে আগুন ঢেলে সুইসাইড করবে
কেউ ছাদ থেকে লাফ দেবে।
কেউবা মানসিক চাপ থেকে স্টক করে মরবে।

লিখে রেখে যাবে আই কুইট।

কত দুখে একজন মানুষ কোথাও একটু আশ্রয় আর শান্তনা না পেয়ে এভাবে কুইট করে কেউ জানেনা।

সবার কাছে গিয়ে যখন তার সমস্ত রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় তখনি সে কুইট করে।

আমি একে আত্নহত্যা বলবনা।

এটা খুন,এটা মার্ডার।

আফসোস এসব মার্ডারের কোন শাস্তি নেই।

সংগৃহীত




26/03/2024

Lies can be spread, but not established. Truth can be hidden, but not erased.

02/12/2023

Who could feel earthquake just a while before…?!!

Saffron is the most expensive spice in the world. The reason for its high price is its labor-intensive harvesting method...
30/04/2023

Saffron is the most expensive spice in the world. The reason for its high price is its labor-intensive harvesting method, which makes its production costly.
Saffron is harvested by hand from the Crocus sativus flower, commonly known as the saffron crocus. The term “saffron” applies to the flower’s thread-like structures called stigma.
While saffron’s origin is still debated, it most likely originated in Iran.
Saffron is not all of the same quality and strength. Strength is related to several factors including the amount of style picked along with the red stigma. Age of the saffron is also a factor. More style included means the saffron is less strong gram for gram because the colour and flavour are concentrated in the red stigmas.

We are providing in wholesale price. For order & details please inbox.

জাফরান বিশ্বের সবচেয়ে দামি মসলা। এর উচ্চ মূল্যের কারণ হল এর শ্রম-নিবিড় ফসল কাটার পদ্ধতি, যা এর উৎপাদনকে ব্যয়বহুল করে তোলে।
ক্রোকাস স্যাটিভাস ফুল থেকে জাফরান সংগ্রহ করা হয়, যা সাধারণত জাফরান ক্রোকাস নামে পরিচিত। "জাফরান" শব্দটি ফুলের সুতোর মতো কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যাকে কলঙ্ক বলা হয়।
যদিও জাফরানের উত্স এখনও বিতর্কিত, এটি সম্ভবত ইরানে উদ্ভূত হয়েছিল।

জাফরান সব একই গুণ এবং শক্তি নয়। শক্তি লাল কলঙ্কের সাথে বাছাই করা শৈলীর পরিমাণ সহ বিভিন্ন কারণের সাথে সম্পর্কিত। জাফরানের বয়সও একটি কারণ। আরো শৈলী অন্তর্ভুক্ত মানে জাফরান ছোলার জন্য কম শক্তিশালী ছোলা কারণ রঙ এবং গন্ধ লাল স্টিগমাসে কেন্দ্রীভূত হয়।

আমরা পাইকারি মূল্যে সরবরাহ করছি। অর্ডার ও বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

Address

Shahbazpur
4217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mashlapati.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mashlapati.com:

Share