23/02/2026
১৮শ শতাব্দীতে ইউরোপ টুথব্রাশ আবিষ্কার করেছে—এই গল্প শুনেই আমরা বড় হয়েছি। কিন্তু সত্যিটা হলো, আধুনিক ডেন্টিস্ট্রির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ১৫০০ বছর আগে!
যখন মধ্যযুগীয় ইউরোপে গোসল করাকেও অস্বাস্থ্যকর মনে করা হতো এবং মানুষের দাঁত কালো হয়ে পচে যেত, এমনকি বর্তমান সময়ে অনেক মুভিতেও আপনি দেখবেন মধ্যযুগীয় ইউরোপিয়ান বিভিন্ন মুভিতে দৃশ্যায়নে সাধারণ মানুষদের ব্যাক্তিগত হাইজিন খুবই ভয়াবহ থাকে, তাদের দাঁত গুলো কালো থাকে, কারণ সেটিই ছিল সে সময়ের বাস্তবতা। অপরদিকে সে সময়ে একজন মুসলিমের দিনে ৫ বার দাঁত পরিষ্কার করা ছিল ইবাদতের অংশ। ইউরোপীয় পর্যটকরা যখন মুসলিমদের অঞ্চলে আসতেন বাগদাদ, শাম, কিংবা গ্রানাডা তারা মুসলিমদের সাদা ঝকঝকে দাঁত আর পরিচ্ছন্ন শ্বাস প্রশ্বাসে রীতিমতো বিস্মিত হত!
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, ৭ম শতাব্দীতেই আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন 'মিসওয়াক'-এর সাথে। আধুনিক বিজ্ঞান আজ যা প্রেসক্রাইব করছে, গবেষণা করে বের করেছে- ইসলাম তা প্রেসক্রাইব করে দিয়েছিল শত শত বছর আগে।
ইউরোপ তাদের প্রথম টুথব্রাশ পায় ১৭৮০ সালে। অর্থাৎ, মুসলিমরা যখন উন্নত ওরাল হাইজিন মেইনটেইন করছিল, তার ১১০০ বছর পর ইউরোপ তাদের ওরাল হাইজিনের স্ট্যান্ডার্ডে পৌঁছায়! আজ কোলগেটের মতো বড় কোম্পানিগুলো মিসওয়াক নিয়ে গবেষণা করছে এবং এর কার্যকারিতা স্বীকার করে নিয়েছে!
ক্লিলিক্যাল একটি স্টাডি মতে,
“It was concluded that miswak was as effective as a toothbrush for reducing plaque on buccal teeth surfaces both experimentally and clinically. [১]
আজ থেকে যখনই ব্রাশ হাতে নিবেন, মনে রাখবেন—এই পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি আমাদের ইসলামেরই শিক্ষা! নিজেদের শেকড়কে জানুন, ইতিহাস জানুন, গর্বের সাথে সুন্নাহ পালন করুন।
★সংগ্রহীত★