BoierAlo.com

BoierAlo.com বইয়ের আলো ডট কম একটি অনলাইন বুকশপ ওয়েবসাইট। ঘরে বসেই অর্ডার করুন যেকোনো বই।

স্বাধীনতার এই মহানায়কের জন্মদিনে বইয়ের আলো পাঠশালার পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শুভেচ্ছা।
17/03/2022

স্বাধীনতার এই মহানায়কের জন্মদিনে বইয়ের আলো পাঠশালার পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শুভেচ্ছা।

খুব শীঘ্রই বইয়ের আলো পাঠশালার এন্ড্রোয়েড অফিশিয়াল এপ রিলিজ হবে ইনশাআল্লাহ্‌, যেখান থেকে খুব সহজেই বইয়ের আলো পাঠশালার প্র...
23/02/2022

খুব শীঘ্রই বইয়ের আলো পাঠশালার এন্ড্রোয়েড অফিশিয়াল এপ রিলিজ হবে ইনশাআল্লাহ্‌, যেখান থেকে খুব সহজেই বইয়ের আলো পাঠশালার প্রত্যেক সদস্য যেকোনো বই রংপুর সদরের যেকোনো স্থান থেকে নতুন বই ইস্যু করে ধার নিয়ে পড়তে পারবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পড়া শেষ না হলে সেখান থেকেই রি-ইস্যু করে পূর্ণরায় নিতে পারবে। বই পৌঁছে দিবে পূর্বের নিয়মেই বইভাই।
এপের আংশিক কাজ শেষ, ২ হাজারের অধিক বই এন্ট্রিতেই যা সময় লাগবে, কোডিং-এ আংশিক কাজ এখনো বাকি।
ইনশাআল্লাহ্‌ ২৬ মার্চ মধ্যরাতে রিলিজ হবে।

যারা যারা বইপাঠক, কিন্তু বইয়ের আলো পাঠশালার সদস্য না, তারা তারা সদস্য হতে পারেন। শুধুমাত্র জামানত জমা দিতে হয় বই সেফটির জন্য, তা ব্যাতিত কোনো ফী নেই।

- প্রতিষ্ঠাতা (বইয়ের আলো পাঠশালা)

'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...!'আজ মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।যে...
21/02/2022

'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...!'
আজ মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
যেই মহান শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা, বইয়ের আলো পাঠশালা'র পক্ষ থেকে তাদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

18/11/2021

খুব শীঘ্রই রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে আত্মপ্রকাশ করবে বইয়ের আলো পাঠশালা।
ইনশা'আল্লাহ।

22/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণু_গল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
পরোপকার
জুবায়েদ মোস্তফা
শব্দ সংখ্যা: ২৭৫
__________________

তপ্ত বিকালে মৃদু পায়ে হেঁটে চলছিল ফাহিম। খানিক বাদে ধরায় গোধূলি নামবে
প্রকৃতিতে চলছে আলো-আঁধারের খেলা। ঠিক সেই মুহূর্তেই ফাহিম লক্ষ্য করলো,
একটি চলন্ত গাড়ি থেকে কি যেন পড়ল। বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার পর সবাই
হাসি ঠাট্টা করতে লাগলো। হাসি ঠাট্টা শেষ হবার আগেই একটি ছোট ছেলে ছুটে আসলো
তখন সবার বোধ হল ফাহিমের কথা সত্য। তারা ছেলেটিকে ধমক দিয়ে টাকার
ব্যাগ উদ্ধার করলো। মুহূর্তের মধ্যেই তারা সিদ্ধান্তে উপনীত হলো এই কুড়ে পাওয়া ব্যাগটি
মালিকের নিকট হস্তান্তর করবে।
ফাহিম ব্যাগের মধ্যে একটি নোটবুক পাওয়ায় বিষয়টা আরেকটু সহজলভ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একে একে বিভিন্ন নম্বরে ফোন দেওয়া শুরু করলো কেউ উপযুক্ত কোনো সন্ধান দেখাতে পারেনি।
লাস্ট যখন একটি নম্বরে ফোন দিল, সে বলল তার দাদা জরুরী কাজে শহরে এসেছিল এখনো
বাড়ি ফিরেনি। ফাহিমকে অবগত করল, দাদা বাড়ি ফিরলে ওনাকে জিজ্ঞেস করবে।
ওর দাদা যখন বাড়ি ফিরল, তখনই দেখা গেল চোখেমুখে হতাশার ছাপ। নাতি জিজ্ঞেস করল,
কি ব্যাপার দাদা তোমার আঁখিতে অশ্রু কেন?
তখন দাদা সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বললো।
নাতি বলল, কোন চিন্তা নেই দাদা তোমার হারানো টাকার সন্ধান পাওয়া গেছে।
তখন ওই ব্যক্তিটি খুশিতে ক্রন্দন করে দিল।
ফাহিমের মোবাইলের রিং বাজছে, রিসিভ করা মাত্রই শুনতে পেল তার দাদার টাকাটি হারিয়েছে।
ফাহিম বলল ঠিক আছে, আপনি অমুক জায়গায় চলে আসেন
আমরা আপনাকে টাকা বুঝিয়ে দেবো।
লোকটি ছুটে আসলো পরক্ষণেই, তিনি টাকার যথার্থ বর্ণনা দিয়েছেন।
সবকিছু হবহু সদৃশ হওয়ায়, ওই ব্যক্তির হাতে হস্তান্তর করলো।
উনার কথায় বারবার ফুটে উঠছে কৃতজ্ঞতা।
তিনি ফাহিমকে সন্তুষ্ট হয়ে কিছু উপহার দিতে চাইলেন।
ফাহিম পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিল, সে তার নৈতিকতা এবং ধর্মীয়
দায়িত্ববোধ থেকে কাজটি করেছে।
উপহার গ্রহণ করা তার পক্ষে আদৌ সম্ভব না যতই আবদার করুক।
তখন তিনি মসজিদে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ কিছু টাকা দিয়ে যান।
আর বলেন, এখনো এমন সৎ মানুষ আছে বলেই পৃথিবীটা এত সুন্দর।
(সমাপ্তি)

লেখকঃ জুবায়েদ মোস্তফা
শিক্ষার্থী, লোকপ্রশাসন বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

22/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণুগল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্পঃ ব্লাস্টেড টুয়েলভ
লেখকঃ কাওছার তালুকদার
শব্দ সংখ্যাঃ ২৪৮

স্ট্যাভেন দাঁড়িয়ে আছে এক মরুভূমির উপর। যে মরুভূমি সে প্রতিরাতেই স্বপ্নে দেখে ঠিক সেটাই। চারপাশে বাতাস আর সেই বাতাসে মরুর ধুলোগুলো উড়ছে, চাঁদের আলো পড়েছে সেই দরজাটার উপর। আর কিছুক্ষণ পরই দরজাটা খুলে যাবে।

এখন শুধু অপেক্ষা চাঁদটাকে মেঘ এসে ঢেকে দেওয়ার। দরজাটার ভেতরে কে থাকে, প্রতিরাতে কেন তাকে ডাকে, কেন তাকে আসতে বলেছিল ১২ই ডিসেম্বর রাত ১২টায়? সময়, মাস, তারিখ যখন ১২-তে থাকে! আজকে সব জানতে পারবে সে।

গত ১২দিন যাবৎ স্ট্যাভেনের ঘুম পায় ঠিক ১২টা ১২মিনিট ১২সেকেন্ডে। আশ্চর্য এক স্বপ্ন দেখছে সে। স্বপ্নের মাঝে একটা বই খুঁজে পায়। বইটির নাম "ব্লাস্টেড টুয়েলভ"। বইটির প্রতিটা পাতা সে স্বপ্নের মাঝেই পড়ে এবং পরেরদিন সকালে তা নোট করে রাখে। স্ট্যাভেনের ধারণা সে অসম্ভব কিছুর সন্ধান পেতে চলেছে। যা তাকে অতি শীঘ্রই বিশ্বব্যাপী করে তুলবে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী একজন। এভাবে স্বপ্নের মাঝে ব্লাস্টেড টুয়েলভ পড়তে পড়তে স্ট্যাভেন চলে যায় বইটির শেষ এবং ১২-তম পাতায়। যেখানে লিখা "কাম হিয়ার" এবং একটি নকশা।
সে সূত্র ধরেই এখন সে দাঁড়িয়ে আছে এক মরুভূমিতে।

সময়, মাস, তারিখ যখনই সব ১২-হয়ে গেল ঠিক তখনই মেঘে ঢেকে গেল চাঁদ। অন্ধকার হয়ে গেল মরুভূমিটা। দরজাটা খুলে গেল। দরজাটার ভেতর থেকে নীল আলো এসে স্ট্যাভেনের গায়ে লাগল। সে প্রথমে সামান্য চমকালো কিন্তু কিছুক্ষণ পরই খুশিতে আত্মহারা হওয়ার উপক্রম। মনে মনে ভাবছে, এইতো, এইতো কিছুক্ষণ এরপরেই সে পেয়ে যাবে গুপ্তধন এবং হয়ে যাবে সর্বকালের সেরা ধনীব্যক্তি।

স্ট্যাভেন দৌড়ে চলে গেল দরজাটার ভেতর। যে দরজাটা একজন লোভী মানুষ খেয়ে নেয় প্রতি ডিসেম্বরের ১২ তারিখ ১২টা ১২মিনিট ১২সেকেন্ডে।

18/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অনুগল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্পের নাম:দোষ
লেখিকার নাম: ইসমিকা

ছেলেটার সাথে কাজের সূত্রে আমার পরিচয়। বয়স ২১ এর বেশি হবে না৷ ঢাকায় নতুন৷ চায়ের দোকানে গেলে প্রায়ই আমাদের দেখা হয়ে যায়।
দুজন দু কাপ চা নিয়ে বসলাম। ছেলেরা সাধারণত চায়ের সাথে সিগারেট খায়৷ মনে হলো হয়তো লজ্জায় বা সংকোচবোধের কারণে আমার সামনে সিগারেট খেতে পারছে না। আমি তাকে সিগারেট নেয়ার অনুমতি দিলাম।
"রাকিব তুমি চাইলেই সিগারেট নিতে পারো চায়ের সাথে। তুমি কি সিগারেট খাও?"
"এখন খাই না আপু৷ কদিন আগে ছেড়ে দিয়েছি।"
"খুবই ভালো। সাবধান, সিগারেট আর খাবে না৷ এটা খারাপ। তোমাদের বয়সের জন্যে তো আরও খারাপ। বুঝেছো?"
রাকিব মাথা নাড়লো। সে বুঝেছে।
ততক্ষণে চা প্রায় শেষ। আমি আরেক কাপ লেবু চা নিলাম। রাকিবের সাথে আমার সম্পর্কটা প্রায় বন্ধুর কাছাকাছি। যেকোনো ধরণের সমস্যার কথা সহজে বলতে পারে। মাথা নাড়ার পর আমার দিকে তাকিয়ে সহজ গলায় বললো, "আপা, গ্রামে থাকতে আমি সিগারেটের চেয়েও জঘন্য জিনিস খেয়েছি। কাউকে বলতে পারিনি এখনও। "
আমি রাকিবকে সেই জঘন্য জিনিস নিয়ে কোনো প্রশ্ন করলাম না। আরেকবার বললাম "সিগারেট বাজে জিনিস৷ এটা আর খাবে না। নিজেকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখার চেষ্টা করবে। তুমি কি আরেক কাপ চা নিতে চাও?"
আগের খালি কাপ জমা দিয়ে সে আরেক কাপ চা নিলো। তার চোখ দেখে মনে হলো যে কথাটা সে এখনও কাউকে বলতে পারেনি তা বলতে চাইছে। ঘনঘন হাত পা নাড়ছে। টুল থেকে উঠে আবার বসছে।
আমি বললাম "তুমি কি কিছু বলতে চাও?"
"আপনি কাউকে বলবেন না তো আপা?"
"আমিতো শুনতেও চাইনি। না শোনাই ভালো। বলার ঝুঁকি থাকলো না। ভালো না?"
"আপনাকে বললে হালকা লাগবে। আজকের পর তো এই এলাকায় থাকবো না। ভাই সাভারে বাসা নিয়েছে। আমরা ওখানে চলে যাবো।"
আমার আর অনুমতি দিতে হলো না। রাকিব নিজ থেকেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বলে গেলো তার প্রথম ইয়াবা সেবনের কাহিনী।
আমি শুনে একটা পরিচিত হাসি দিলাম। এই ছেলেকে দেখেই মনে হচ্ছে সে কারো পাল্লায় পড়ে ইয়াবা খেয়েছে এবং তার জন্যে সে অনুতপ্ত।
সেদিনের মত আমাদের আড্ডা শেষ হলো। আমি উঠে চলে যেতেই রাকিব ডাক দিলো।
"আপু আপনি কি জানেন মাদকদ্রব্য সেবন কমিয়ে আনলে ধর্ষণের পরিমাণ কমে যাবে?"
"তুমি কি করে জানলে? আর ধর্ষণতো শুধু নেশাখোর রা করছে না। বড় বড় আলেমরাও করছে।"
" ধর্ষকের পরিসংখ্যানে নেশাখোরদের পরিমাণ বেশি"
"আচ্ছা। বুঝলাম।"
"আমি ইয়াবা সেবনের পর বুঝেছি এই ব্যাপার টা। আচ্ছা আপা, যাই। আপনি ভালো থাকবেন। সাবধানে থাকবেন।"
"তুমিও।"
আমরা যে যার বাসায় চলে এলাম।
আমার মনে হলো রাকিব মূলত যে কারণে অনুতপ্ত তা বলতে পারেনি। কিংবা আমার অনুমান খারাপ হতে পারে। তারপরও বারবার মনে হতে লাগলো মাদকসেবীদের সাথে ধর্ষণের তুলনা করে সে অন্য একটা ঘটনা বলে গেলো।

আমার অবচেতন মন বললো ২১ বছর বয়সী একজন রেপিস্ট একটু আগে আমাকে "আপা" ডেকে গেছেন... তারপর নিজেকে স্বান্তনা দিলাম, অবচেতন মন সবসময় সত্য বলে না।

(বিঃদ্রঃ : গল্পে আমাকে ৩০০ থেকে মাত্র কিছু শব্দ বেশি ব্যাবহার করতে হয়েছে। ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন)

18/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণু_গল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্পের নাম:অপেক্ষা
লেখিকা: রহিমা জান্নাত

আজ শনিবার। পথের দিকে তাকিয়ে দাড়িয়ে আছে রাজু। রাজু একটা এতিমখানায় আরবি পড়াশুনা করে। বয়স দশ বছর। প্রতি সপ্তাহে শনিবার ওর আম্মু বা আব্বু ওর সাথে দেখা করতে আসে। আজও আসার কথা, কিন্তু দেরি হচ্ছে দেখে রাজু গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, কিছুক্ষণ পর অনুভব করতে পারে ওর মাথায় কেউ হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। আস্তে আস্তে চোখ খুলে দেখলো মা শিয়রে বসে আছেন। উঠে বসল। মা ওর জন্য কিছু রান্না করা খাবার আর বিস্কিট নিয়ে গেছেন। রাজু মায়ের সামনে বসে খেলো,রাজু মা আসলেই বায়না করে,কিচু কিনে দেওয়ার জন্য, মা যতটুকু পারে ছেলের আবদার মিটাতো।
রাজুর পরিবার খুবই গরিব। বাবা একজন কৃষক। মা সেলাইয়ের কাজ করে। এলাকায় গরিবদের কোন সম্মান আর দাপট নেই। তাই রাজুকে ওর সম বয়সী ছেলেরা মারধর করতো,,খেলায় নিতোনা। মা বিচার চাইতে গেলে বিচার পেতোনা। তাছাড়া ওর বাবা বহু কষ্টে একটা ধানের জমি করছিলো, সেই জমির ফসল এলাকার লোকেদের গরু, ছাগল খেয়ে নষ্ট করতো,,বড় বড় ছেলেরা জমির পাশে ক্রিকেট খেলতো,,ফলে জমিতে বল পড়লে নেমে জমির ফসল নষ্ট করে দিতো,,বারণ করলেও শুনতোনা। এবাবেই অবহেলিত রাজুর পরিবার।
তাই রাজুর মা রাজুকে দূরের এই এতিমখানায় রেখে গেছেন,,বাবা মা থাকা সত্বেও রাজু এতিম উপাধি পেল৷
মাটির চুলায় রান্না করতে হতো,,দশ বছরের ছেলে রান্না করতে জানতনা,,যেভাবে পারতো রান্না করতো, সাদা পাঞ্জাবিতে কালো দাগ পড়ে যেতো, আগুন জ্বালাতে পারতোনা,,ধোঁয়ায় চোখ জ্বালা করতো, তারপরে ও রান্না করতো,,ঝাড়ু দিতে হতো।রাতে ফ্লোরে ঘুমাতো,, অসুখ হলেও কেউ সেবা করার মত ছিলনা।
সপ্তাহের ছয়টা দিন অপেক্ষা করে কাটিয়ে দেয় মা আসবে এই ভেবে। পরীক্ষা হলো রাজুদের। ওর রোল এক। খুব খুশি রাজু। মা আসলেই বলবে।
শনিবার চলে আসলো, পথের দিকে তাকিয়ে আছে রাজু,,, আজ ওর মা তাড়াতাড়ি আসলো,,দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো। মা আমি পাশ করেছি, রোল এক। । মা ও খুশি হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো। মা দেখে বিজয়ের হাসি হাসত, আর ভাবতো কত বড় হয়ে গেছে আমার ছেলে, কত কাজ করে। তারপর চলে আসলেন।
রাজুর মায়ের অসুখ অনেকদিন যাবত,,ঠান্ডার মধ্যে ও সিলাই করতো৷ কাশি খারাপ হয়ে গেছিলো।কাশির সাথে রক্ত যেতো। কখনও বমিও হতো। টাকার অভাবে ডাক্তারের কাছে যেতোনা।
চিকিৎসা না করার ফলে ছোট রোগ অনেক বড় আকার নেয়,আর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে রাজুর মা। অবশেষে ধরার বুক থেকে বিদায় নিলেন তিনি।

রাজুর মন ভেঙে যাবে বলে কেউ ওর মায়ের মৃত্যুর খবর জানায়নি।
মাঝে একটা শনিবার চলে গেলো। রাজু অপেক্ষা করতে লাগলো কখন ওর মা আসবে,। কিন্তু মা তো আসেনা। মন খারাপ হয়ে যায় রাজুর। কেমন অজানা ব্যথায় মন ভারী হয়ে উঠে। অজান্তেই চোখের কোণে জল চলে আসে।
মাঝে একটা শনিবার চলে গেলো,তাও ওর মা আসেনা। ব্যকুল হয়ে উঠে রাজু। কিছু হলোনা তো মায়ের মনে মনে ভাবে রাজু। মনে হয় রাগ করে আসেনা। আমি আবদার করি বলে। আর কোন আবদার করবোনা মায়ের কাছে। পথ চেয়ে বসে থাকে রাজু। কখন ওর মা আসবে --- ও তো জানেনা ওর মা আর কোনদিন ও আসবে না।

13/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডটকম_অণুগল্প_প্রতিযোগিতা
গল্পের নাম: নিজ আখ্যান
লেখক: ফজলে রাব্বি

আমি কিন্তু আজ উন্মত্ত নই ,মুক্ত আর কোলাহলপূর্ণ। নিরেট পাষাণ হলেও সেদিন লাল রক্তে,রক্তিম হয়েছিল আমার রাজপথ।বাংলা আমায় শোভিত করেছিল মাতৃভাষার মধুর আস্বাদে। মমতাময়ী মায়ের ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত নয়ন আজও জলে সিক্ত! দিনশেষে আজও শহীদ জননী মিথ্যা আশাতেও একটা প্রাণের খোঁজ চাই ! তার হারানো সন্তানের অস্তিত্ব পেতে চাই ! পিচঢালা বিরাণ রাজপথটা ঠিক যে তেমনটাই আছে। অজস্র শহীদের রক্ত সেদিন নিমিষেই গোগ্রাসে গিলে নিলো ও! সেই থেকেই তো বায়ান্ন, একাত্ততরের স্রষ্টা। সেই থেকেই বায়ান্ন, আমার বিজয়ের স্রষ্টা !

11/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণুগল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্পঃ মরীচিকা
কলমেঃ হাতিম আল আমীন চৌধুরী

চাচা কিংবা মামার অভাবজনিত কারণে বড় চাকরি হতে বঞ্চিত মাস্টার্স পাস শফিউদ্দিন। হাসপাতালে ভর্তি স্বীয় অসুস্থ কন্যার অন্তিম নিঃশ্বাস ফুঁড়ানোর প্রতীক্ষায় অবিরত প্রহর গোণে চলেছে গারদের অন্তরালে। অকষ্মাৎ খুলে যায় ফটকের তালা। কোনো এক কর্কশ কন্ঠে আওয়াজ বিস্ফোরিত হচ্ছে, “রুটি দুটো খেয়ে ঘুমিয়ে পর। বেটা পকেটমার! তোদের জন্যই আজ দেশের এহেন দুর্গতি!” পলকহীন তাকিয়ে রয় রক্তবর্ণ ধারণকৃত নয়নযুগল।

শব্দসংখ্যাঃ ৫৮

11/11/2020

#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণুগল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্প: ছিন্ন মস্তিষ্ক
লেখা: মার্জিয়া রহমান
শব্দ সংখ্যা: ২৯৫
-------------------------
কাঠের দরজায় প্রচণ্ড করাঘাতে ঘুম ভেঙে গেছে মেহেরের। টেবিল হাতড়িয়ে মোমবাতি জ্বালালো সে। এত রাতে কে আসতে পারে ভাবতেই, দ্বিতীয়বার টোকা পড়লো দরজায়। একটু সময় নিয়ে ধীর পায়ে দরজার দিকে এগোলো মেহের।
রাতের শেষ প্রহর। মধ্য আকাশের চাঁদটাও হেলে পড়েছে পশ্চিমে। চারদিকে শুনশান নিরবতা ও গাঢ় নিস্তব্দতায় রাতজাগা পাখিটাও জুবুথুবু হয়ে আছে কোথাও। সেই থমথমে পরিবেশে একটা উটকো গন্ধ নাকে এসে লাগলো তার। চাঁদের আলোয় চারপাশটা একদম ঝকঝকে পরিষ্কার। ছিঁড়ে ফেলা পঁচা,গোলা দুর্গন্ধ ছড়ানো আধখাওয়া মস্তিষ্কের অংশটুকু হাতে নিয়ে সুরু পথ দিয়ে হেঁটে চলেছে কেউ। অবয়বটির সারা শরীর কালো চাদরে আবৃত। মেহেরের সমস্ত অনুভূতি যেন লোপ পেয়েছে,অবাক কিংবা ভয় কোনোটিই তাকে ছুঁতে পারেনি। তার কেবলই মনে হচ্ছে,কে সে? কেনই বা এই বিভৎস খেলায় মত্ত সে? সে কি মানুষ না কি অন্যকিছু? এইসব ভাবনার মাঝেই আগন্তুকটি যেন হাওয়ায় নিরুদ্দেশ, অগোচরে চলে গেল মেহেরের চোখের পলকেই।
ঊষার আলো ফুটতেই প্রকৃতিকে জেঁকে ধরেছে মাকড়সার জালের মতো ধোঁয়াটে কুয়াশা। পরের রাতেও ঠিক একই ঘটনা ঘটলো। কিন্তু তৃতীয় রাতে বটগাছের নিচে সেই অবয়বটিকে বসে থাকতে দেখলো মেহের। ভীত পায়ে সেদিকেই আগালো সে। আগন্তুকটি চাদরটা সরাতেই মেহেরের পুরো পৃথিবীটা যেন থমকে গেল, বাকরুদ্ধ সে। এ কাকে দেখছে মেহের!
এ তো তার স্বামী অনীল। যে গত তিন বছর ধরে নিখোঁজ। কিন্তু তার সারা শরীরে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ,চেহারাটা কেমন বরফ সাদা। সে মেহেরকে হাতের ইশারায় বসতে বললো। তারপর হিমশীতল গলায় বলতে শুরু করলো,
-- পরীকে নিয়ে তোমার কাছে ফিরছিলাম। কিন্তু পরীকে ওরা! বাঁচাতে পারিনি আমার বোনকে। আমাকেও খাদে ফেলে দিয়েছিল।
বিস্ময়ের চরম পর্যায়ে সে,নির্বাক ও অপলক চাহনি মেহেরের।
-- আমি এসেছিলাম,তোমার বিশ্বাসের মূল্য রাখতে আর বোনের হত্যার প্রতিশোধ নিতে। ছিন্ন করেছি ওদের মস্কক। আমার কাজ শেষ।
চোখের জলে ভেসে যাচ্ছে মেহেরের কপোল।
-- আমার আত্মার মুক্তির সময় হয়েছে। ভালো থেকো আর ক্ষমা করে দিও আমাকে!
নিঃশব্দে উঠে চলে গেল অনীল,মিলিয়ে গেল রাতের আঁধারে।
[ ভুল ক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন,এই ধরনের গল্প প্রথম লিখেছি। ]

Address

Khat Khatia Sadar
Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BoierAlo.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BoierAlo.com:

Share

Category