Natural BD Shop

Natural BD Shop আমাদের সকোল পন্য ১০০% বিশুদ্ধ ও ন্যাচ?

❤️ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেলের উপকারিতা❤️সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ...
29/10/2020

❤️ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেলের উপকারিতা❤️

সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল।সরিষার তেল আমাদের প্রতিদিনের রান্নার অন্যতম পরিচিত উপাদান। এটি যে শুধু খাবার সুস্বাদু করার কাজে লাগে, তা কিন্তু নয়। বরং আমাদের শরীরের নানা উপকারে লাগে এই সরিষার তেল।সরিষার তেলের উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন। এ তেল দিয়ে শুধু ত্বকই নয়- হৃৎপি-, পেশি, গাঁটের সমস্যা পর্যন্ত দূর করা যায়। সরিষার তেল ভেষজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যবহারে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং সহজেই হজমকারক। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শ্বাসনালি এবং মূত্রনালি ও ব্রঙ্কাইটিস ইনফেকশন সারাতে সরিষার তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ তেলে রোগের জীবাণু ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। এর উপাদান শরীর ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং ফুসফুস ও বৃহদান্ত্রের প্রয়োজনীয় জীবাণুকে কোনোরকম ক্ষতি না করেই কিডনির মাধ্যমে তা নিষ্কাশিত করে দেয়।ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য সরিষার তেলের অসাধারণ উপকারিতার কথা জেনে নেই।

১.ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়:
সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই ক্যান্সারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে সরিষার তেল। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।

2.ত্বকের তামাটে ভাব দূর করে:
সরিষার তেল ত্বকের তামাটে ভাব ও দাগ দূর করে এবং ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করতে পারে। এ জন্য বেসন, দই, সরিষার তেল ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি আপনার ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।

৩.চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক
সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।

৪.ঠোঁটফাটা রোধ করে
ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

৫.প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন
সরিষার তেল খুব ঘন হয় এবং এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন ই থাকে। এই তেল ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে এবং অন্যান্য দূষিত পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষা করে। তাই এটি ত্বকের ক্যানসারও প্রতিরোধ করতে পারে। ভিটামিন ই বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে। তাই সানস্ক্রিন লোশনের মতোই ব্যবহার করতে পারেন এই সরিষার তেল। তবে এই তেল যেহেতু ঘন, তাই ত্বকে লাগানোর পর ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে, যেন অতিরিক্ত তেল লেগে না থাকে। অন্যথায় অতিরিক্ত ধুলাবালু জমা হয়ে ত্বকের ভালোর চেয়ে খারাপই হতে পারে বেশি।

৬.শ্বাস কষ্ট দূর হয়
একাধিক গবেষণায় একথা প্রামাণিত হয়েছে যে শ্বাসকষ্ট সম্পর্কিত যে কোনো ধরনের সমস্যা কমাতে সরিষার তেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই যারা এমন ধরনের রোগকষ্টে ভুগছেন, তাদের নিয়মিত সরিষার তেল খাওয়া উচিত।

সতর্কতা
সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি।

27/10/2020
যত রোগের যম চিরতা:চিরতা সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি। চিরতা একটি তেতো ভেষজ উদ্ভিদ। এটি একটি ঔষধি ভেষজ। চিরতা সাধারণত ক...
22/10/2020

যত রোগের যম চিরতা:

চিরতা সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি। চিরতা একটি তেতো ভেষজ উদ্ভিদ। এটি একটি ঔষধি ভেষজ। চিরতা সাধারণত কালমেঘ নামে একটি গাছ শুকিয়ে এর ডাল ব্যবহার করা হয়। রোগ নিরাময়ে সেই প্রাচীনকাল থেকে তা ব্যবহার হয়ে আসছে। তবে এর শিকড় সবচেয়ে বেশি কার্যকর।চিরতা চর্ম রোগ ও জ্বর সারাতে এক ওস্তাদ গাছ। এছাড়াও হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস, ম্যালেরিয়া জ্বর, অ্যাজমা প্রভৃতি কঠিন অসুখের চিকিৎসাতেও চিরতা ব্যবহার করা হয়। নিচে চিরতার উল্লেখযোগ্য কিছু ভেষজ গুণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

১. জ্বর সারায়
আকষ্মিক ঋতু পরিবর্তনে অনেকের জ্বর হয়, সেই সাথে সর্দি-কাশি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় হাত-পা চিবোয় বা কামড়ায়। এ অবস্থা হলে ৫-১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। পরে তা ছেঁকে সকালে অর্ধেক ও বিকালে অর্ধেক খেতে হবে। কয়েকদিন খেলে জ্বরের এ ভাবটা চলে যাবে।

২. বমি কমায়
পিত্তজ্বরে অনেক সময় প্রচ- বমি হয়, বমিটা তিতা ও অল্প সবুজ রঙের বা সবুজাভ হলদে। বমি হলে পেটে কিছু থাকে না। সেই সাথে শরীওে দাহ সৃষ্টি হয়। এ অবস্থা সাধারণত শরৎকালে বেশি দেখা যায়। অখাদ্য খেলেও এরূপ হয়। এক্ষেত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা একটু থেঁতো করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজারোর ২-৩ ঘন্টা পর ছেঁকে পানিটা অল্প অল্প করে খেতে হবে। এতে বমি থেমে যাবে।

৩. হাঁপানির উপশম হয়
অল্প ঠাণ্ডা বা ঋতু পরিবর্তনের সময় যাদের সর্দি-কাশি হয়ে হাঁপানির টানটা বেড়ে যায়, তারা আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো ৩ ঘণ্টা অন্তর মধুসহ চেটে খাবেন। এতে ২-৩ দিনের মধ্যে হাঁপানি কমে যাবে।

৪. চুল ওঠা বন্ধ করে
চুল উঠতে উঠতে ঘন কেশ পাতলা হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি ছেঁকে তা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেললে চুল ওঠা কমবে।

৫. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে
চিরতা নিয়মিতভাবে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে বা কমে। চিরতা দেহে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।

৬. রক্তশূন্যতা কমায়
চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠন করে। তাই চিরতা সেবনে রক্তশূন্যতা কমে যায়। এমনকি ঋতুস্রাব বা মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাও কমাতে পারে। কোথাও কেটে গেলে, কাটা স্থানে চিরতার রস লাগিয়ে দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়।

৬. চুলকানি সারায়
গায়ে চুলকানি হলে ২০ গ্রাম চিরতাতে অল্প পানি ছিটিয়ে বেঁটে বা ছেঁচে নিতে হবে। তারপর তা লোহার কড়াই বা তাওয়াতে ১০০ গ্রাম সরষের তেল দিয়ে জ্বাল দিয়ে হবে। সরষের তেল গরম হয়ে ফেনামুক্ত হলে তাতে চিরতা ছাড়তে হবে। ভালো করে ভাজা হলে নামিয়ে ছাঁকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে চিরতা যেন পুড়ে না যায়। এই তেল চুলকানোর জায়গায় ঘষে অল্প অল্প করে মালিশ করলে দ্রুত চুলকানি সেরে যাবে।

৭. পচা ঘা সারে
ঘা হয়েছে অথচ কিছুতেই সারছে না। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই জল ছেঁকে পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে ঘায়ের পচানি চলে যাবে ও দ্রুত শুকাবে।

৮. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে। এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরোগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

৯. অ্যালার্জি সারায়
যাদের এলার্জি হয়ে শরীর চুলকায়, চুলকানোর জায়গাটা ফুলে লাল হয়ে যায়, ত্বক থাকা থাকা হয়ে ওঠে। তারা চিরতার শরণাপন্ন হয়ে ভালো থাকতে পারেন। অ্যালার্জি সারাতে চিরতার তিতা রস সাহায্য করতে পারে। আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে দিনের মধ্যে ২-৩ বারে খেতে হবে। সেই সাথে খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। যেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয় সেসব খাবার খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে পুঁইশাক, বেগুন, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ, হাঁসের ডিম ইত্যাদি খাওয়া উচিত হবে না।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বারাতে চাচ্ছেন?বছরের  অন্যান্য সময়ের মতো শীতকালেও যেন ত্বক থাকে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। বাজারে বিভিন্ন রং ফর্স...
14/10/2020

ত্বকের উজ্জ্বলতা বারাতে চাচ্ছেন?

বছরের অন্যান্য সময়ের মতো শীতকালেও যেন ত্বক থাকে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। বাজারে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী বিভিন্ন প্যাক কিনতে পাওয়া যায় । তবে বাসায় তৈরী প্যাকের ব্যবহারই ত্বকের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে ফেসপ্যাকের বিকল্প নেই। চাইলে ঘরে বসেই ত্বকের যত্ন নেওয়া যায় প্রাকৃতিক উপাদানে। কিন্তু ভাবছেন, কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্নে নেওয়া যায়।কাঁচা হলুদে আছে অ্যান্টি এজেনিং উপাদান যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।ত্বকের যত্নে নেয়াতে কাঁচা হলুদের অনেক গুন।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বারাতে কাঁচা হলুদের ব্যাবহার:

শুষ্ক ত্বকের জন্য হলুদ এবং বেসনের প্যাক
২ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ চন্দনের গুঁড়ো, ১ চা চামচ দুধের সর এবং এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আপনার ত্বক যদি অনেক শুষ্ক হয়, তবে কয়েক ফোঁটা বাদাম তেল ব্যবহার করতে পারেন।

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য টক দই এবং হলুদের প্যাক
২ চা চামচ টক দই, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি, গোলাপ জল এবং এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। আপনি চাইলে এতে চন্দনেরগুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন। এই প্যাকটি ভালো করে মুখ এবং ঘাড়ে লাগান। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

সংবেদনশীল ত্বকের জন্য অ্যালো ভেরা এবং হলুদের প্যাক
২ চা চামচ মুলতানি মাটি, ১ চা চামচ টক দই, ১/২ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল, এবং এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো দিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি ভালো করে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সংবেদনশীল ত্বকে প্যাক ব্যবহারে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয়। অ্যালোভেরা এবং হলুদের প্যাক ত্বকের যেকোন প্রকার দাগ দূর করে ব্রণের প্রবণতা কমিয়ে থাকে।

💪ওজন কমানোর সঠিক ও সহজ উপায়💪ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরকে একটি সুন্দর আকৃতি দেওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভেষজ মশলা হি...
11/10/2020

💪ওজন কমানোর সঠিক ও সহজ উপায়💪

ওজন কমানোর পাশাপাশি শরীরকে একটি সুন্দর আকৃতি দেওয়ার জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ভেষজ মশলা হিসেবে মেথি বীজ আমাদের সবার কাছেই বেশ পরিচিত। সেই সাধারণ মেথিরও কিন্তু আপনার ওজন কমাতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। মেথি এক ধরনের ঔষধি গাছ। এতে একবারই ফুল হয় এবং ফল ধরে। মেথি হিসেবে আমরা যে জিনিসটা চিনি সেটা আসলে ফলের বীজ।

ওজন কমাতে মেথির ব্যবহার:

ভাজা মেথিবীজ
এটি হচ্ছে ওজন কমানোর জন্য চমৎকার একটি উপায় যার জন্য অন্য কোন ঔষধ খেতে হবে না। কিছু মেথিবীজ একটি প্যানে নিয়ে কম আঁচে ভেজে নিয়ে সেটাকে গ্রাইন্ডারে গুড়ো করে পাউডার করতে হবে। তারপর কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে এবং সেই সাথে এই মেথিবীজের পাউডার চাইলে তরকারিতেও ব্যবহার করতে পারেন ওজন কমানোর জন্য।

মেথি ও মধু চা:
শরীরের আকর্ষণীয় আকৃতি পেতে ও দ্রুত ওজন কমাতে মধুমিশ্রিত মেথি বীজের চা চমৎকার কার্যকরী। প্রথমে মেথি বীজ গুঁড়ো করে নিতে হবে। সেই মেথি গুঁড়ো জলে দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে এবং এ ভাবে অন্তত ৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। তারপর সেই জলটা ছেকে নিয়ে তাতে লেবুর রস ও মধু যোগ করতে হবে। ভাল ফলাফল পেতে এই মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খেতে হবে। এতে আপনার শরীরের ওজন দ্রুত কমবে।

মেথিবীজ পানিতে ভিজিয়ে
মেথিবীজ ভেজানো পানি খেলে তা ওজন কমাতে সহায়ক হয়। কারণ এটি খেলে তা খাবারের পরিতৃপ্তি এনে দেয়। যার ফলে ক্ষুধা কম অনুভূত হয় এবং বেশি খাওয়ার ইচ্ছেটা কমে যায়। এর ফলে খুব দ্রুত ওজন কমে। আরো এক ভাবে খেতে পারেন। ১ কাপ মেথিবীজ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি ছেঁকে নিয়ে ভেজানো সেই মেথিবীজ গুলো প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে খেতে হবে।

মেথিবীজের চা
চমৎকার মেথিবীজের এই চা দুইটি কাজে সাহায্য করে,ওজন কমাতে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া হজমের ক্ষেত্রে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেরও তা ভাল কাজ করে।সামান্য পানি দিয়ে কিছু মেথিবীজ পেস্ট করতে হবে।একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে নিয়ে তাতে সেই পেস্ট দিতে হবে। চাইলে তাতে কিছু ভেষজ মশলা দেয়া যায় যেমন আদা এবং দারুচিনি। তারপর পাত্র ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। প্রতিদিন এই চা খালি পেটে খেতে হবে।

অঙ্কুরিত মেথি বীজ:
অঙ্কুরিত মেথি বীজে উচ্চ মাত্রার ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই যুক্ত। এর সঙ্গেই এর মধ্যে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, জিংক, পটাসিয়াম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, হজমে সহায়ক খনিজ পদার্থ এবং আরও অনেক কিছু রয়েছে। একটি বাটিতে মেথি বীজ নিয়ে তা একটি পাতলা কাপড় জলেতে ভিজিয়ে নিয়ে ঢেকে রেখে তার উপর ভারি কিছু দিয়ে ৩ রাত এই ভাবে রেখে দিতে হবে। তারপর দেখা যাবে মেথি বীজ অঙ্কুরিত হয়েছে এবং সেই বীজগুলো খেতে পারেন। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এটি খুবই কার্যকর।

কাঁচা হলুদের গুড়া:মসলাজাতীয় ফসলের তালিকায় শীর্ষ ব্যবহারযোগ্য ফসলের মধ্যে হলুদ অন্যতম। কাঁচা হলুদ থেকে শুরু করে গুঁড়া হল...
07/10/2020

কাঁচা হলুদের গুড়া:
মসলাজাতীয় ফসলের তালিকায় শীর্ষ ব্যবহারযোগ্য ফসলের মধ্যে হলুদ অন্যতম। কাঁচা হলুদ থেকে শুরু করে গুঁড়া হলুদের ব্যবহার ব্যাপক। নিত্য খাবার ব্যঞ্জনের রঙ করার উদ্দেশ্যেই প্রধানত এর ব্যবহার হয়ে থাকে তা নয়। শারীরিক প্রয়োজনেও হলুদের ব্যবহার হয়ে থাকে। শুধুমাত্র হলুদ দিয়েই রোগ নিরাময়ে বহুমাত্রিক ব্যবহার সম্ভব।

💪হলুদের পুষ্টিগুণ💪
হলুদের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কিছু তথ্য বলে রাখি। আমেরিকার কৃষি বিভাগের জাতীয় পুষ্টিগুণ তথ্যপঞ্জি মতে, ১ টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ায় পাওয়া যায় ২৯ ক্যালরি, শূন্য দশমিক ৯১ গ্রাম প্রোটিন, শূন্য দশমিক ৩১ গ্রাম চর্বি, ৬ দশমিক ৩১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ দশমিক ১ গ্রাম আঁশ ও শূন্য দশমিক ৩ গ্রাম গ্লুকোজ। এ ছাড়া পাওয়া যায় দৈনিক চাহিদার ২৬ শতাংশ ম্যাংগানিজ, ১৬ শতাংশ আয়রন, ৫ শতাংশ পটাশিয়াম, ৩ শতাংশ ভিটামিন সি এবং সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, কপার ও জিংক। এত সব পুষ্টি উপাদানের উপকারিতা বিচারে হলুদকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অন্যতম উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।হলুদে পুষ্টিগুণ তো আছেই, সেই সঙ্গে আছে বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধকারী ক্ষমতা।
কাঁচা হলুদের ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায় যেমন:মুখের রঙ উজ্জ্বল্যে,দাগ দূর করতে ,পেটের ক্রিমিতে,হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে,ব্রণ নিরাময়ে,রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ইত্যাদি উপকারিতা পাওয়া যায় কাঁচা হলুদ থেকে।

কাঁচা হলুদের উপকারিতা:

১)মুখের রঙ উজ্জ্বল্যে :
হলুদের এক নাম ‘হরিদ্রা’। মুখের লালিত্য বজায় রাখার জন্য মসুর ডাল ও কাঁচা হলুদ বেটে দুধের সর মিশিয়ে মুখে ও হাতে মাখতে হবে। ২ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন এবং ১ মাস ধরে ব্যবহার করুন।

২)দাগ দূর করতে:
রোদে পোড়া দাগ, বয়সের বলিরেখা, ত্বকের ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে সামান্য পরিমান শসার রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন পনেরো-বিশ মিনিট। কিছুদিনের মাঝেই দাগ দূর হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে।

৩)ব্রণ নিরাময়ে :
সকালে খালি পেটে ২ টুকরো কাঁচা হলুদ ও ২টা নিমপাতা একসঙ্গে (আখের গুড়সহ) মিশিয়ে খেলে ব্রণ সেরে যায় আবার দেহের রঙও উজ্জ্বল হয়।

৪)রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
হলুদের লাইপোপলিস্যাকারাইড দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল এজেন্ট প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এরূপ শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠান্ডা, সর্দি, কাশি হওয়ার প্রবণতাকে রোধ করে।

৫)হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:
রক্তনালীর অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। হলুদ রক্তনালীর কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

৬)ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে:
ক্যানসারের মত জটিল রোগ রোধ করতে হলুদ অনেক বেশি কার্যকরী। ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি এবং ছড়িয়ে পড়া রোধে হলুদ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটি মুখগহ্ববরের ক্যানসার রোধ করে থাকে।

মেথি কি?মেথি সবাই চেনেন। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর...
06/10/2020

মেথি কি?

মেথি সবাই চেনেন। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত ধীর হয়।

মেথি ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। সামান্য মেথি খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বদলে দেয়। যারা ডায়াবেটিস বা পরিপাক সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই মেথি খুবই উপকারী। এ ছাড়া খুশকি, ব্রণ ও ঋতুস্রাবের সময় পেটব্যথা কমাতে সাহায্য করে মেথি।
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। বিশেষত কৃমি মরে। রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদ্‌রোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মেথির গুণাগুণ দেখলে একে অন্যতম সুপারফুড বলা চলে।

মেথির উপকারিতা:

১. ডায়াবেটিস
মেথির বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অন্যান্য উপাদান থাকে যা হজমের ক্ষমতা এবং শরীরের কার্বোহাইড্রেট আর সুগার শোষণ করে নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। মেথি শরীরে ইন্সুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় |বর্তমানে করা রিসার্চ অনুযায়ী প্রতিদিন গরম জলে ভিজিয়ে রাখা ১০ গ্রাম মেথির বীজ ডায়াবিটিস টাইপ ২ নিয়ন্ত্রণ করবার জন্য দারুণ কার্যকর। মেথির গম দিয়ে বানানো রুটি, পাউরুটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষদের ইনসুলিন প্রতিরোধ করবার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

২.ওজন কমাতে
প্রাকৃতিক ফাইবার থেকে জন্ম নেয় মেথি। এগুলো চিবিয়ে গিলে খাওয়া যায় এবং পাকস্থলীর ফাঁকা স্থান এরা পূর্ণ করে। এতে ওজন কমানোর বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। খুব বেশি নয়, সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন সামান্য মেথি চিবিয়ে খান। এতেই স্পষ্ট বুঝবেন উপকার পাচ্ছেন। স্থূলতা কমাতে প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান করতে পারেন। দুটি আলাদা গ্লাসে পানি নিয়ে প্রতিটিতে এক টেবিল চামচ মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। এই পানি পেটের গ্যাসের সমস্যা দূর করে।

৩. চুল পড়া রোধে
স্বাস্থ্যহীন চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে দেয় মেথি। চুল পড়া রোধে বহুকাল ধরে মেথির কদর চলে আসছে। এটি খেতেও পারেন, বা বেটে মাথায় দিতে পারেন। বিস্ময়কর উপকারিতা মিলবে। মেথি বাটা সারা রাত নারিকেল তেলের মধ্যে চুবিয়ে রেখে সকালে চুলে মাখুন। ঘণ্টাখানেক পর গোসল করে ফেলুন।

৪. হার্টের স্বাস্থ্য
হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় মেথির উপকারিতা অপরিসীম। মেথি শরীরে থেকে অ্যাসিডের পরিমাণ খুব দ্রুত কমাতে পারে। শরীরের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এর থেকে কার্যকরী ভেষজ মেলা ভার। মেথির বীজ সারারাত্রি জলে ভিজিয়ে রেখে দিয়ে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেয়ে নিলে হার্টের ব্যাথা বা বুক জ্বালার মতন সমস্যা গুলো ওষুধ না খেয়েই ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমে যাবে।

৫. মাসিকের ব্যাথা
পিরিয়ডস-এর ব্যাথা প্রায় সব মেয়েদের জীবনেই বিভীষিকার মতন এবং মাসের ওই বিশেষ দিনগুলিতে মেজাজ খারাপ থাকা বা স্কুল কলেজ কামাই করবার মতন ঘটনা প্রায় সবার জীবনেই ঘটেছে। চিন্তা নেই- রান্নাঘরেই মিলবে এর সমাধান! ইউটেরাসে মৃত টিস্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেই পিরিয়ডস-এর ব্যাথা শুরু হয়। মাসের ওই বিশেষ দিনগুলিতে গরম গরম মেথি দিয়ে বানানো চা হতে পারে এই ব্যাথার হাত থেকে মুক্তি পাবার মোক্ষম দাওয়াই।

৬. খুশকি দূর করতে
বিশেষ ধরনের চুলে প্রচুর খুশকির উত্পাত ঘটে। মাথার শুষ্ক ও মৃত ত্বক থেকে খুশকি হয়। গোটা রাত পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে তা বেটে পেস্ট তৈরি করুন। এতে ইচ্ছে হলে দই মেশাতে পারেন। এরপর এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে লাগান। মিনিট তিরিশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে।

৭.ত্বকের দাগ দূর করে
মেথির ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে ত্বকের ছোপ ছোপ দাগ এবং বয়সের রেখা দূর করে। রাতে ভেজানো মেথি দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পরের দিন সকালে একটি মিশ্রণ বানান। কিছুক্ষণ রেখে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়বে।

ইসবগুলের ভুষি কি?মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য ইসবগুলের ভুষি। কোলন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, পাইলস, কোষ্ঠকাঠিন্য,...
06/10/2020

ইসবগুলের ভুষি কি?

মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য ইসবগুলের ভুষি। কোলন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, পাইলস, কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি ইত্যাদি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ইসবগুলের ভুষি। এছাড়া, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হজমক্রিয়ার উন্নতি, হৃদযন্ত্রের সুস্থতা, ওজন নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপকারিতা রয়েছে ইসবগুলের।ইসপগুল একটি একবর্ষজীবি উদ্ভিদ। লম্বায় ১২-১৮ ইঞ্চি হয়। বীজ বপনের ২ মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে ও ১১০-১৩০ দিনের মধ্যে ফসল তোলার উপযোগী হয়। ভারত, পাকিস্তান, ইরান, এ্যারাবিয়ান পেনিনসূলার দেশগুলিতে এর চাষ হয়।

ইসবগুলের উপকারিতা-

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে:
ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে।এটি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে জলগ্রাহী হওয়ার কারনে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন।

ওজন কমায়:
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাঁধা হচ্ছে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। ইসবগুল পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। অন্ত্র পরিস্কারেও সাহায্য করে ইসবগুল। ওজন হ্রাসের সময় চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়ায় শরীরে অনেক বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়। হঠাৎ করে কাঁচা খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে তা পাকস্থলীর জন্য বেশ ভারী হয়ে যায় তাই কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা তৈরি করে। সুস্থতার জন্য এই বর্জ্য পদার্থগুলো শরীর থেকে বাহির হয়ে যাওয়া প্রয়োজন। ইসবগুল পাকস্থলী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়ার মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালে অথবা খাওয়ার পূর্বে কুসুম গরম পানিতে ইসবগুল ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে পেট ভরার অনুভূতি হয় এবং অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।

পাইলস প্রতিরোধে
প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুল যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।

ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে:
যদিও শুনলে অবাক লাগে, ইসবগুল একই সাথে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দুটিই প্রতিরোধ করতে সক্ষম।দইয়ের সাথে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে এটি ডায়রিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে। এজন্য তিন চা চামচ দইয়ের সাথে দুই চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খাবার পর খেতে হবে। এভাবে দিনে ২ বার খেলে বেশ কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায়।

অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে
বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে :
ইসবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের কোলেস্টেরল কমতে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রে ফ্যাট ও অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের সাথে জেল গঠন করে বর্জ্যের সাথে বের হয়ে যায়। অন্ত্রের দেয়াল যাতে ফ্যাট শোষণ করতে না পারে তাতে সাহায্য করে ইসুবগুল।এছাড়াও ডায়াবেটিস, পাইলস ও ফিশারের রোগীদের জন্য উপকারী ইসবগুল। এসিডিটির সমস্যা সমাধানে এবং হজমক্রিয়ার উন্নতিতেও সাহায্য করে ইসবগুল।

অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে:
বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি ঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।

ইসুবগুলের ভুষির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যেকোন খাবারই বেশি পরিমাণে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তাই উপকারী ইসবগুলেরও কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে কখনো কখনো এটি পাকস্থলীতে টান সৃষ্টি করতে পারে। তাই এমন ক্ষেত্রে ইসবগুল খাওয়া বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।– যদি অ্যালার্জি দেখা দেয় তাহলেও দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।– যদি আপনার এপেন্ডিসাইটিস ও স্টোমাক ব্লকেজের মত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে তাহলে ইসবগুল খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন– ইসবগুল অনেকক্ষণ আগে ভিজিয়ে না রেখে সাথে সাথে ভিজিয়ে পান করুন। চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো ইসবগুল যথেষ্ট পরিমাণ পানিতে ঢেলে যত দ্রুত সম্ভব পান করে নিন। এর সুফল পেতে এর সঙ্গে প্রচুর পানি পান করতে হবে।

চিয়া বীজ কি?আসলে চিয়া বীজের জন্ম সুদূর মেক্সিকোতে। স্থানীয় “Salvia hispanica” নামক “mint” প্রজাতির গাছের বীজ এটি, তাই এর...
06/10/2020

চিয়া বীজ কি?

আসলে চিয়া বীজের জন্ম সুদূর মেক্সিকোতে। স্থানীয় “Salvia hispanica” নামক “mint” প্রজাতির গাছের বীজ এটি, তাই এর কোনও ভারতীয় নাম নেই, এটি চিয়া বীজ বা চিয়া সিড নামেই প্রচলিত। ছোট, সাদা, ধূসর, বাদামী ও কালো রঙের এই বীজটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর উপকারিতা অনেক।

চিয়া বীজ এ রযেছে:

ফাইবার- ১১ গ্রাম
প্রোটিন- ৪ গ্রাম
ফ্যাট- ৯ গ্রাম (যার ৫ গ্রাম আবার Omega-3s)
ক্যালসিয়াম- RDA (Recommended Dietary Allowance) এর ১৮%
ম্যাঙ্গানিজ- RDA এর ৩০%
ম্যাগনেসিয়াম- RDA এর ৩০%
ফসফরাস- RDA এর ২৭%
সমুচিত পরিমাণে জিঙ্ক, ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন), পটাশিয়াম, ভিটামিন বি১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন বি২

চিয়া বীজ এর উপকারিতা সমুহ:

১.অস্টিওপরোসিস প্রতিহত করতে সাহায্য করে:
চিয়া সীড এ থাকা উচ্চ মাত্রার ক্যালশিয়াম আমাদের হাঁড়ের মজবুতি আনে সাথে দাঁতের স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে সহায়তা করে| তাই যদি আপনি আপনার হাঁড়ের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে চান তাহলে চিয়া বীজকে রোজ আপনার ডায়েটে সামিল করুন যাতে আপনার শরীরের ক্যালশিয়ামের মাত্রাও বজায় থাকবে|

২.ত্বকের সংক্রমনের মাএা কমায়:
প্রতিদিনের দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং কৃএিম প্রসাধনীর দাপটে ত্বকের সংক্রমণ নিত্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের জীবনে। চিয়া সীড আপনাকে এই ত্বকের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে। প্রতিদিন ৩৭ গ্রাম নিয়মিত গ্রহণে ত্বকের এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। মূলত এর নিয়মিত গ্রহণ রক্তের কনিকা সমূহ সুস্থ থাকে এবং ত্বকে অক্সিজেনের মাএা বৃদ্ধি করে। ফলে আপনার ত্বক ভিতর ও বাহির থেকে হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল।

৩.পাচনতন্ত্রের দক্ষতা বৃদ্ধি করে:
যদি আপনি চিয়া বীজের জন্য পানি যোগ করেন, আপনি খুব দ্রুত বীজের বাইরে একটি জেল-গঠন দেখতে পাবেন যা দ্রবণীয় ফাইবারের একটি ফর্ম। আমাদের পাচনতন্ত্রের একটি জেল হিসাবে, এটি হজম হ্রাস পায় এবং রক্তে শর্করার উপর কার্সেসের প্রভাবকে ঘিরে ফেলতে পারে।

৪.শরীরকে অস্টিওপরোসিস প্রতিহত করতে সাহায্য করে:
চিয়া সীডে থাকা উচ্চ মাত্রার ক্যালশিয়াম আমাদের হাঁড়ের মজবুতি আনে সাথে দাঁতের স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে সহায়তা করে| তাই যদি আপনি আপনার হাঁড়ের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে চান তাহলে চিয়া বীজকে রোজ আপনার ডায়েটে সামিল করুন যাতে আপনার শরীরের ক্যালশিয়ামের মাত্রাও বজায় থাকবে।

৫.রক্তের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে
রক্তের সুগার লেভেল বৃদ্ধি পাওয়া টাইপ-২ ডায়বেটিসের প্রধান লক্ষণ। ক্রমাগত ভাবে রক্তের সুগার লেভেল এভাবে বৃদ্ধি পাওয়া হার্টের সমস্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। আশার কথা হচ্ছে চিয়া সীড নিয়মিত গ্রহনে রক্তে ইনসুলিনের সেনসিটিভিটি মাএা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত চিয়া সীড আপনাকে অনেকটা রক্তের সুগার লেভেল বৃদ্ধি হওয়া কমাতে সাহায্য করবে এবং হার্টকে রাখবে সুস্থ।

৬.ত্বকের সংক্রমনের মাএা কমায়
প্রতিদিনের দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং কৃএিম প্রসাধনীর দাপটে ত্বকের সংক্রমণ নিত্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের জীবনে। চিয়া সীড আপনাকে এই ত্বকের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে। প্রতিদিন ৩৭ গ্রাম নিয়মিত গ্রহণে ত্বকের এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। মূলত এর নিয়মিত গ্রহণ রক্তের কনিকা সমূহ সুস্থ থাকে এবং ত্বকে অক্সিজেনের মাএা বৃদ্ধি করে। ফলে আপনার ত্বক ভিতর ও বাহির থেকে হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল।

৭.ওজন কমাতে সাহায্য করে-
চিয়া সীড আপনার ডায়েট চার্টের জন্য যথা উপযুক্ত খাবার৷ কারন চিয়া সীড আপনি যে খাবারের সাথে মিশিয়ে গ্রহণ করুন না কেন, পেটে যাবার পর তা ফুলতে শুরু করে এবং আপনার পেট ভরে যায়। ফলে ক্ষুধা কমে যায় এবং অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করার প্রবনতা হ্রাস পায় । সেক্ষেত্রে আপনার বাড়তি ওজন সহজে ঝরে গিয়ে চলে আসবে স্বাভাবিক আকারে। এখানে একটু বলে রাখা ভালো,চিয়া সীড খাবার হজমে বেশ সহায়তাকারি।

এ ছারাও চিয়া সীড আরও আনে উপকারিতা রযেছে যা আপনার এবং আপনার পরিবারের শরীর শুস্থ রাখতে সহয়াতা করবে।

সর্দি সারানোর ঘরোয়া উপায়গরম-ঠান্ডার এই সময়ে হুট করেই ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সর্দির বিরক্তিকর যন্ত্রণা আর সেইসঙ্গে মাথা...
29/09/2020

সর্দি সারানোর ঘরোয়া উপায়

গরম-ঠান্ডার এই সময়ে হুট করেই ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সর্দির বিরক্তিকর যন্ত্রণা আর সেইসঙ্গে মাথাব্যথা তো রয়েছেই। আর সেখান থেকে একবার কাশি বসে গেলে তো কথাই নেই! যন্ত্রণার একশেষ যেন! তবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে মেনে চলতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়।

কালোজিরায় ভিটামিন, স্ফটিকল নাইজেলোন, অ্যামিনো অ্যাসিড, স্যাপোনিন, ক্রুড ফাইবার, প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো লিনোলেনিক, ওলিক অ্যাসিড, উদ্বায়ী তেল, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, একজিমা, এলার্জি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সর্দি সারাতে কালোজিরার তেল খুব ভালো কাজে দেয়। তবে এই তেলে বেশ ঝাঁজ থাকে।

একটি পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা জড়িয়ে তা নাকের কাছে নিয়ে গিয়ে বড় করে শ্বাস টানুন কিছুক্ষণ। এর ঝাঁজ বুকে জমে থাকা শ্লেষ্মাকে টেনে বার করতে সাহায্য করে। একইসাথে, নাকবন্ধের সমস্যাতেও ঘরোয়া এই উপায়ের জুড়ি মেলা ভার।এবং নিয়মিত ১ চা চামুচ কালোজিরার তেল পান করুন।

বৃষ্টি ভেজার ফলে সর্দি-কাশি থেকে বুকে চাপ লাগলে কলোজিরার তেল গরম করে বুকে ও পিঠে মালিশ করে চাদর গায়ে থাকুন কিছুক্ষণ। কয়েক বার করলেই কষ্ট কমবে। কাশির প্রকোপ থেকেও রক্ষা পাবেন ।

কালোজিরা  কি?কালিজিরার ইংরেজি নাম ( Fennel flower,Black caraway) । অন্যান্য বাংলা নাম কালিজিরা, কালোজিরা,নিজেলা, কালঞ্জি...
28/07/2020

কালোজিরা কি?

কালিজিরার ইংরেজি নাম ( Fennel flower,Black caraway) । অন্যান্য বাংলা নাম কালিজিরা, কালোজিরা,নিজেলা, কালঞ্জি এসব ।
যে নামেই ডাকা হোক না কেন এ কালো বীজের গুণাগুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম অসাধারণ কালজয়ী ।কালিজিরার আদি নিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব
এশিয়া।ওষুধ শিল্প, কনফেকশনারি শিল্প ও রন্ধনশালায় নিত্যদিনের ব্যঞ্জরিত খাবার তৈরিতে কালিজিরার জুড়ি নেই।কালিজিরার যে অংশটি ব্যবহার করা
হয় তাহলো শুকনো বীজ ও বীজ থেকে পাওয়া তেল।আশ্চর্য বীজ কালিজিরার উপকারিতা বহুমুখী।

কালোজিরার তেল কি?

কৃষকদের থেকে সংগ্রহ করে কালোজিরার বীজকে শুকানো হয়। তারপর প্রাকৃতিক উপায়ে ঘানি ভেঙে কালোজিরার বীজ থেকে তেল নিষ্কাশন করা হয়।
কালোজিরার তেলকে সংরক্ষণের জন্য নিজ হাতে বোতল জাত করন করা হয়।

কালোজিরার তেল স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা তেল ।
শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা তেল চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা তেল থাকা উচিত যা খাবারকে সুবাসিত ও
স্বাস্থ্যকর করে তোলে।এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক
এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন,জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।
এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং
অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালোজিরার তেলর উপকারিতা

১. কালোজিরার তেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে।
২. ডায়েটের জন্য কালোজিরা দারুণ কাজ করে।
৩. লেবুর রস ও কালোজিরা তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের অনেক সমস্যার সমাধান করে।
৪. কালোজিরা তেল মাথাব্যথার সমস্যার সমাধান করে।
৫. সরিষার তেলের সঙ্গে কালোজিরা তেল গরম করে ব্যাবহার করলে ব্যথা থেকেও মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।
৬. কালোজিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায়, প্রদাহ, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করার ক্ষমতাসহ লিভারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করে।
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা।
৯. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী।
১০. নিয়মিত কালোজিরার তেল খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়।
১১. নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

কেন আমাদের থেকে নিবেন?

১। শতভাগ অরজিনাল এবং অরগাকি পন্য।
২। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি।
৩। সরাসরি কৃষকদের থেকে কালোজিরার সংগ্রহ করা হয়।
৪। দামে সাশ্রয়ী এবং সহজে হাতের নাগালে পাওয়া যায়।

অনলাইনে অর্ডার করতে:
☎️ OFFICIAL NUMBER
01776123221(Bkash personal)

📩মেসেজ লিংক= https://m.me/naturalbdshop

✅ অথবা নিম্নলিখিত তথ্য আমাদের পেইজ এ মেসেজ করুনঃ
1) আপনার নাম
2) ঠিকানা
3) মোবাইল নাম্বার
4)পণ্যের পরিমান

🚛 ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে পৌছে দেওয়া হয়।

কালোজিরার তেল চুলে লাগালে কী উপকার হয়?চুলে বাঙালি নারীরা অনেক রকম তেল ব্যবহার করেন। কালিজিরার তেল মূলত ওষধি তেল, কিন্তু ...
23/07/2020

কালোজিরার তেল চুলে লাগালে কী উপকার হয়?

চুলে বাঙালি নারীরা অনেক রকম তেল ব্যবহার করেন। কালিজিরার তেল মূলত ওষধি তেল, কিন্তু চুলের যত্নের জন্যও এই তেল অনেক উপকারে আসে।

আপনার কাছাকাছি আড়ং এর আউটলেটে নেকটার কালিজিরার তেল পাবেন। এখানে কালিজিরার তেলের চুলের উপকারিতার উপর ভিত্তি করে রিভিউ দেয়া হল। তবে এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে।

• সপ্তাহে এক বা দুই দিন কালিজিরার তেল ব্যবহার বিধি অনুযায়ী লাগানো যেতে পারে।

• শুষ্ক চুলের জন্য ডিমের সাদা অংশের সাথে সামান্য কালিজিরার তেল মিশিয়ে লাগালে চুলের শুষ্কতা কমে আসে।

• নিয়ম করে সপ্তাহে ২ বার এই তেল দিয়ে চুলের যত্ন করলে চুলের সজীবতা ফিরে আসে।

• নতুন চুল গজানোর জন্য ১:১ অনুপাতে অলিভ অয়েল এবং কালিজিরার তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় গোড়ায় ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এর পর একটি নরম তোয়ালে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে এবং পানি নিংড়ে পুরো চুল মুড়িয়ে মাথায় লাগিয়ে রাখুন ৪০ থেকে ১ ঘন্টা সময়ের জন্য। নিয়ম করে সমতাহে ২ বার এভাবে চুলের যত্ন নিলে নতুন চুল গজায়।

• চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতেও এই তেল উপকারে আসে।

• এই তেল চুলের উকুন কমাতেও সাহায্য করে।

কালোজিরার তেল চুলে ব্যবহার করলে যেসব উপকার পাবেন

1.চুল পড়া বন্ধ করে।
2.চুলের ভেঙে যাওয়া রোধ করে।
3.রুক্ষতা দূর করে চুল ঝলমলে করে।
4.চুলের অকালে পেকে যাওয়া রোধ করে।
5.চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে দ্রুত বাড়ে চুল।

Address

Rangpur
5400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural BD Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share