AJM Happy Shop

AJM Happy Shop *সুবহানাল্লাহ... *আলহামদুলিল্লাহ...

🦋7 In One....💕🦋Wonderful Collection...💕🎀More....Check in Inbox...💕
15/02/2022

🦋7 In One....💕
🦋Wonderful Collection...💕

🎀More....
Check in Inbox...💕

السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ💕আসসালামু আ'লাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারাকাতুহ💕🦋The Crown 👑... প...
14/02/2022

السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ💕

আসসালামু আ'লাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারাকাতুহ💕

🦋The Crown 👑... প্রোডাক্ট এর ব্যাপারে নাইবা বললাম, আপাতত শুধু অফার টা শুনে নাও...💕🎀💕
💕💕প্রথম দুজন কাস্টমারের জন্য ফ্রি ডেলিভারি....❤️ এবং সাথে আকর্ষণীয় গিফট...🎀

পেইজ থেকে আমার প্রথম সেল পোস্ট, সে কারণেই সবার উৎসাহ আশা করছি... সবাই একটু কমেন্ট বক্সে এসে সাড়া দেবেন...🤩😍💕🎀

✅💯রিয়েল পিকচার সহ বিস্তারিত জানতে অবশ্যই ইনবক্স করুন....💕

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোক...
30/01/2022

এক লোক প্রচুর কুরআন পড়ত। কুরআন নিয়েই ডুবে থাকতে ভালবাসত। কিন্তু কেন যেন কুরআনের কিছুই সে মুখস্থ রাখতে পারত না। একদিন লোকটির ছোট ছেলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলল, 'বাবা, আপনি যে এত কুরআন পড়েন, কিছুই তো মনে রাখতে পারেন না। এতে কী লাভ হচ্ছে?'
— তোমার এই প্রশ্নের উত্তরটা দিবো। তার আগে এক কাজ করো, তুমি এই বেতের ঝুড়িটা সমুদ্র তীরে নিয়ে যাও এবং পানি ভরে নিয়ে আসো।
— এটা তো বেতের তৈরি, পানি কীভাবে ধরবে?
— আহা, চেষ্টা করে দেখো না!
সাধারণত কয়লা আনা-নেওয়ার কাজে তারা এই ঝুড়ি ব্যবহার করে। তবুও বাবার কথায় ছেলেটি ঝুড়ি নিয়ে তীরে গেল এবং পানি ভরল। কিন্তু বাড়ি ফিরে আসতে আসতে সব পানি পথেই শেষ। পড়তে পড়তে একদম খালি হয়ে গেছে।
'দেখলেন? কোনো লাভ হলো? পানি একটুও বাঁচেনি।' ছেলে আফসোস নিয়ে বলল।
লোকটি আশ্বাস দিলো, 'চেষ্টা চালিয়ে যাও সোনা। আরও কয়েকবার চেষ্টা করো।'
এভাবে দুইবার, তিনবার, চারবার, সবশেষে পাঁচবার পর্যন্ত চেষ্টা করল ছেলেটি। কিন্তু এক মুঠো পানিও আনতে পারল না। অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে বাবাকে বলল, 'এই ঝুড়ি দিয়ে আমার পক্ষে পানি আনা অসম্ভব।'
এবার লোকটি শান্ত গলায় বলল, 'আচ্ছা, তবে তুমি কি ঝুড়িটার ভিতরের দিকে খেয়াল করেছ? ভিতরের অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখেছ?'
— হ্যাঁ, এটা পানি ধরে রাখতে না পারলেও বার বার পানি ভরার কারণে কয়লার ময়লাগুলো সাফ হয়ে গেছে। ভিতরটা বেশ পরিষ্কার দেখাচ্ছে এখন।
— ঠিক ধরেছ। এবার বলি, কুরআনও ঠিক এই কাজটাই করে তোমার অন্তরের ভিতরে। দুনিয়ার পেছনে ছুটতে ছুটতে তোমার অন্তর যখন কলুষিত হয়ে পড়ে, তখন কুরআন সমুদ্রের পানির মতোই তোমাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দেয়। অন্তরে মুখস্থ রাখতে না পারলেও সে তোমাকে পবিত্র করে দেয়।

বাবারে, একটা কথা মনে রেখো, কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ আয়াত 'পড়ো', 'মুখস্থ করো' না। কাজেই মুখস্থ করতে না পারার কারণে শয়তান যেন তোমাকে ধোঁকায় না ফেলে, কুরআন পড়া থেকে দূরে সরিয়ে দিতে না পারে।
ড. আলী মুহাম্মাদ আস-সাল্লাবী (হাফি.)-এর পেইজ থেকে অনূদিত।
অনুবাদ: ওয়াফিলাইফ

29/01/2022

🔰🔰১৬ টি কুফরি বাক্য যা আমরা নিয়মিত বলে থাকি।

১. আল্লাহও লাগে ইল্লাও লাগে।

২. তোর মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।
(ফুল চন্দন হিন্দুদের পূজা করার সামগ্রী)

৩. কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে
(কেষ্ট হিন্দু দেবির নাম, তাকে পাবার জন্য কষ্ট করছেন?)

৪. মহাভারত কি অশুদ্ধ হয়ে গেল?
(মহাভারত একটি উপন্যাস, যা সবসময় অশুদ্ধ)

৫.মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।
(এটি ইসলামের নামে কটুক্তি করা)

৬. লক্ষী ছেলে, লক্ষী মেয়ে লক্ষী স্ত্রী বলা।
(হিন্দুদের দেব-দেবির নাম লক্ষী তাই ইসলামে এটি হারাম)

৭. কোন ওষুধকে জীবন রক্ষাকারী বলা।
(জন্ম-মৃত্যু একমাত্র আল্লাহর হাতে)

৮. দুনিয়াতে কাউকে শাহেনসা বলা।
(এর অর্থ রাজাদের রাজাধীকার)

৯. নির্মল চরিত্র বোঝাতে ধোয়া তুলসি পাতা বলা।
(এটি অনইসলামিক পরিভাষা যা হারাম)

১০. ইয়া খাজাবাবা, ইয়া গাউস, ইয়া কুতুব ইত্যাদি বলা।
(এটি শির্ক, ইসলামের সবচেয়ে বড় পাপ)

১১. ইয়া আলি, ইয়া রাসূল (সঃ) বলে ডাকা( মানে দোয়া করা অর্থে, আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে কিছু চাওয়া)
(আল্লাহ ছাড়া পৃথিবীর কারোর কাছে কিছু পার্থনা করা শির্ক)

১২. বিসমিল্লায় গলদ বলা।
(এটি সরাসরি কুফরি)

১৩. মৃত্যুর সাথে পান্জালড়া বলা।
(কুফরি বাক্য, তাই সাবধান)

১৪. মধ্যযুগ বর্বরতা বলা।
(মধ্যযুগ ছিল ইসলামের স্বর্ণযুগ)

১৫. মন ঠিক থাকলে পর্দা লাগে না।
(ইসলাম ধ্বংসকারী মতবাদ)

১৬. নামায না পড়লে ঈমান ঠিক আছে বলা। (ইসলাম থেকে বের করার মূলনীতি)

তাই মুসলমান ভাই ও বোনেরা যখন কথা বলবেন খুব সাবধানে বলবেন ।।

- আর এসব কথা ভুলেও কখনো মুখে আনবেন না। 🚫

17/01/2022

্বামী_স্ত্রীর_হালাল_বিনোদন_

♦আর বিয়ে করবো না তার পর থেকেপড়েন খুব হাসি পাবে♥

স্ত্রীঃ ওও আচ্ছা তাইলে ফুলে ফুলে মধু খেয়ে বেড়াবা,তাই না..?
স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ে করে নিবো।
স্ত্রীঃ সেতো করবেই অপেক্ষায় আছো,কবে মরবো।
স্বামীঃ না গো না! তোমায় আমি কিছুতেই মরতে দিবেনা।
স্ত্রীঃ হ্যাঁ, আমি জানি তো আমি বিছানায় পড়ে থাকবো আর তুমি বাহিরে মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করবা।
স্বামীঃ কি যে বলো, বাহিরে ফুর্তি করতে যাবে কেনো.?
স্ত্রীঃ আচ্ছা তার মানে ঘরে এনে ফুর্তি করবা.?
স্বামীঃ আচ্ছা মুশকিল, ঘরে আনবো কেন.?
স্ত্রীঃ তারমানে, তার ঘরে গিয়ে ফুর্তি করবা.? কে সেই রমনী.? পাশের ফ্লাটের ভাবি তাই না.?
স্বামীঃ আরে ধুর, উনি তো আমার বয়সে বড়।
স্ত্রীঃ ওও আচ্ছা , বয়স টাও জানা হয়ে গেছে।
স্বামীঃ আরেহ নাহ্ আমি জানতে চাই নাকি, উনি নিজেই বললেন।
স্ত্রীঃ কবে বললো তুমি ঐ ফ্লাটে গিয়েছিলে তাি না.?
স্বামীঃ নাহ, তার ফেন হ্যাংক করছিল ভাইয়া বাসায় ছিলো না তাই ঠিক করার জন্য আমাকে ডেকে ছিল।

স্ত্রীঃ ওও আচ্ছা, যখুন ভাইয়া ছিল না তখন গেছো,? চরিত্রহীন, লম্পট, আজই তোমাকে ডিভোর্স দিবো.!
স্বামীঃ ধুর পাগলী, ডিভোর্স কি একদিনে হয় নাকি.? অন্তত তিন মাস লাগে।
স্ত্রীঃ সে খবরও নেওয়া হয়ে গেছে। বাকি রেখেছো কি শুনি.?
স্বামীঃ কি যে সব বলো, ঘুমাও তো।
স্ত্রীঃ হুম, আমি ঘুমাই আর তুমি ভাবির সাথে ছাদে ডেটিং মারবা.?
স্বামীঃ ধুর, তোমার যা মন চায় ভাবো আমি গেলাম।
স্ত্রীঃ সেতো যাবাই, টাইম তো ফিক্সড করেই রাখছো।
স্বামীঃ [ বেহুশ ]
The_end.

17/01/2022

্বামী_স্ত্রীর_হালাল_বিনোদন_

💗🤣___ওরে বিনোদন__🤣💗

আপুর বিয়ে হয়ে যাবার পরে:

আমি: আম্মু আমিও বিয়ে করবো☺️
আম্মু: বিয়ে করে বউকে খাওয়াবি কি?😡
আমি: কেনো আপু যে খাবার গুলো খেতো ঐগুলোই আমার বউ খাবে🥰
আম্মু : 🙄🙄🙄🙄

ছেলে পক্ষ : লজ্জা পেয়ো না মা, তোমার কিছু বলার থাকলে বলো।
পাত্রী: আপনারা তো রসগোল্লা গুলো খাচ্ছেন না।আমি খেয়ে ফেলি।😁

স্বামী: আজ সবজিতে লবন একটু বেশি হইছে।
স্ত্রী: লবন ঠিকই আছে। সবজি কম ছিল তাই লবন বেশি মনে হচ্ছে। বলচিলাম সবজি একটু বাড়িয়ে আনতে।

স্বামী: এক সাপ্তাহ যাবত আলু ভাজি খাচ্ছি, সো এই মাসে আলু ভাজি খাবো না।
স্ত্রী: প্রতিদিন-ই তো কয়েক কাপ চা খাও। কোনো দিন তো বলোনা এক মাস চা না খেয়ে থাকবো।😒
স্বামী: ওকে আগামীকালও আলুভাজি করো।

স্বামী: স্বামী-স্ত্রী বসে একদিন গল্প করছেন।
স্ত্রীঃ আচ্ছা তুমি মারা গেলে উপরে কার সাথে তোমার দেখা হবে.?
স্বামীঃ ইন-শা-আল্লাহ্ জান্নাতের হুর.
স্ত্রী আবার বললেনঃ আমি মারা গেলে কার সাথে দেখা হবে.?
স্বামীঃ একটু বিরক্তি হয়ে বললেন, আর বাবা এ ব্যপারে কোথাও কিছু লেখা নাই তো🙄; মহিলাদের বেলায় কি আর হবে, মনে হয় কোনো বান্দর টান্দর এর সাথে দেখা হবে তোমার🤔

স্ত্রীঃ খুব হতাশ গলায় বলছে তোমার কতো ভালো কপাল, পৃথিবীতে ও হুর আবার উপরে গিয়েও হুর😥আর আমার কপালটা দেখো,দুনিয়াতেও বান্দর, উপরে গিয়েও বান্দর.. 😂

ভোরবেলায় স্ত্রীকে জাগিয়ে স্বামী জিজ্ঞেস করলোঃ-
স্বামীঃ হ্যাঁগো, তুমি কি আমার সাথে ব্যায়াম করবে.?
স্ত্রীঃ ও তুমি আমাকে খুব মোটা ভাবো তাইনা.?
স্বামীঃ না, না, ব্যায়াম তো শরীরের জন্য ভালো...
স্ত্রীঃ ও তাহলে আমার শরীর বুঝি খারাপ...
স্বামীঃ না, না, আচ্ছা তুমি যখুন উঠতে চাওনা তবে থাকো...
স্ত্রীঃ ও এবার বলছো আমি কুঁড়ে.?
স্বামীঃ ওহো...তুমি আমায় বুঝতে পারছে না.!
স্ত্রীঃ ও, আমি তো অবুঝ.?
স্বামীঃ আমি তা বলিনি.!
স্ত্রীঃ তাহলে কি আমি মিথ্যাুক.?
স্বামীঃ সাজ সকালে ঝগড়া করো না please..
স্ত্রীঃ হ্যাঁ, আমি তো ঝগড়াটে।সকাল থেকেই ঝগড়া করি।
স্বামীঃ ঠিক আছে, তাহলে আমিই যাবনা ব্যায়াম করতে..
স্ত্রীঃ দেখছো, ইচ্ছে তোমার নেই,আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছো...
স্বামীঃ ঠিক আছে, ঘুমাও তুমি,আমি একাই চললাম..
স্ত্রীঃ তুমি তো সব সময় একা একাই ঘুরো আর ফুর্তি করো...
স্বামীঃ উফফ্, থাকো এবার।আনার শরীর খারাপ লাগছে..
স্ত্রীঃ দেখেছো, কি স্বার্থপর তুমি। শুধু নিজের চিন্তা করো,আমার শরীর স্বাস্থ্যের কথা কখুনও ভাবো.?
স্বামী বেচারা আজ তিনদিন বসে বসে ভাবছে কোথায় কি ভুল বললাম.?
এভাবে বসে আছে দেখে স্ত্রী স্বামীকে জিজ্ঞাসা করে।
স্ত্রীঃ তিনদিন ধরে দেখছি ঝিম মেরে আছো। কাকে নিয়ে চিন্তা করে.? কার রঙ ধরছে মনে.?

স্ত্রীঃ আমি মারা গেলে তুমি আর একটা বিয়ে করে নিও,(অসুস্থ হওয়ার সময়)
স্বামীঃ না, না, আর বিয়ে করবো না...।

16/01/2022

#ক্লোজআপ_মহান_রবের_নাফরমানীর_দুঃসাহসী_গল্প

___একজন কিশোরীর পোস্টমর্টেম দেখেছিলাম।

মৃত কিশোরীর সৌন্দর্য বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবুও বর্ণনা করা হল।

লম্বা এবং শুষ্ক চুল। মনে হচ্ছে কিছুক্ষন আগে শ্যাম্পু করে চুল শুকিয়েছে। মেয়েটা দাঁড়িয়ে থাকলে নিশ্চয় এই চুলে ঢেউ খেলত। টানটান মায়াবী চিবুক। চোখ বন্ধ থাকায় চোখের সৌন্দর্য কেমন বোঝা যাচ্ছেনা।

কিশোরীর মৃত শরীরটাকে টেবিলের উপরে শুয়ে দেওয়া হয়েছে। টানটান করে। মাথার নিচে আধাগজ চৌকাঠ। চৌকাঠটাকে বালিশ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আমি জানি না কতজন মৃত মানুষের বালিশ হবার ভয়ংকর অতীত আছে এই কাষ্ঠদন্ডের।

কিশোরীর সারা শরীর ফিনফিনে পাতলা সাদা ওড়নায় ঢাকা। বেঁচে থাকার সময় সম্ভবত এই সাদা ওড়নাটি কিশোরী পরত।

স্যার মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন-মৃত্যুর কি হতে পারে?

আমরা সারা শরীরে তাকালাম। কোন আঘাতের চিহ্ন নাই। ত্বক মসৃণ, উজ্জ্বল। লাবণ্য বলতে কি বোঝানো হয় জানি না। তবুও মনে হচ্ছিল, কিশোরীর ত্বক লাবণ্যময়। লাবণ্যময়ী মৃত কিশোরীর মৃত্যুর কারণ কি হতে পারে?

আমরা চল্লিশ জন মিলে টিউটোরিয়াল গ্রুপ। চল্লিশজন একসাথে বলল,
-স্যার, ব্রেইন ইনজুরি!
-কিভাবে?
-সম্ভবত রোড ট্র্যাফিক এক্সিডেন্ট। ব্রেইন দেখলেই বোঝা যাবে।

ডোমদের কাছে মরা গরুও যা, মরা মানুষও তা। একজন ডোম মোটামুটি হাসিমুখে ঝনঝন শব্দে অস্ত্র হাতে তুলে নিল। হাতুড়ি, বাটালি এবং ছুরি। ছুরি ধারালো। টাংস্টেন লাইটে জ্বলজ্বল করে জ্বলছে।

প্রথমে কপালের উপর দিয়ে, এক কান থেকে আরেক কান বরাবর লম্বালম্বি ছুরি দিয়ে চামড়াটা কেটে ফেলল। কাটতে গিয়ে দেখা গেল ছুরিতে ধার নাই। দুইটা হিন্দি গালি দিয়ে কিশোরীর মাথার নিচের তক্তাটা টেনে বের করে ঘষঘষ করে ছুরিটা ধার দিল।

কপালের চামড়া কেটে চুলসহ মাথার স্কিনটা(স্কাল্প)) সামনে থেকে টেনে পেছনে আনল। নারকেলের ছোবড়া ছেলার মতো, টুপি খোলার মতো, গরুর চামড়া ছিলে ফেলার মত।

হাতুড়ি আর বাটালি দিয়ে কপালের কাছে 'ঠকঠক' করে খুলিটা ফাটিয়ে ফেলল। বয়ামের ঢাকনী খোলার মতো কপালের হাড্ডি দুইটা খুলে মাথার মগজ বের করল। ধারালো ব্লেড দিয়ে কেক কাটার মত করে মগজটা কয়েক খন্ডে কেটে দেখা হল। কোথাও জমে থাকা রক্তের চিহ্ন নাই। এর অর্থ- মাথায় আঘাত পেয়ে কিশোরী মারা যায় নি। অন্য কোন কারণ আছে!

স্যার আবার জিজ্ঞাসা করল,
-মৃত্যুর কারণ কি হতে পারে?

এবার দশজন চুপ করে থাকল, ত্রিশজন বলল,
-স্যার, হ্যাংগিং। গলায় দড়ি!

ডোম গলা দেখাল...গলায় কালো দাগ...গলা কাটল। বুকের মাংস-স্কিন লম্বা টান দিয়ে দিয়ে চিরে ফেলল। মোটামুটি বোঝা গেল- হ্যাংগিং।

স্যার বললেন- গলায় রশি দিয়ে মরা। সুইসাইড। এবার বলো, সুইসাইডের প্রবাবল কজ (সম্ভাব্য কারণ) কি?

আমরা চুপ করে থাকলাম। কিছু বলতে পারলাম না। স্যার হাসলেন। আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন,
-হিন্টস দিচ্ছি... ডেডবডি একটি মেয়ের... বয়স কম... সুইসাইড... কি কারণে হতে পারে?
আমরা সবাই বললাম,
-জানিনা স্যার।
-ব্রেইন খাটাও!
-ব্রেইন খাটছে না স্যার।
স্যার হাসলেন। ফিসফিস করে বললেন, 'মেয়ের বাবা-মা বলেছে, তাদের সাথে ঝগড়া হয়নি। মেয়ে বাবা-মায়ের উপর মন খারাপ করে সুইসাইড করেনি। বয়স দেখে তোমরা আন্দাজ করো...আর কি কারণে হতে পারে?'

ভিড়ের ভেতর হতে একজন ছাত্রী বলল,
-প্রেমঘটিত স্যার?
স্যার উচ্চস্বরে বললেন,
-একজ্যাক্টলি... উত্তর কাছাকাছি গেছে...আরো একজ্যাক্ট উত্তর দাও! একটু ভাবো...

আমরা ভেবে কিছুই পেলাম না।
আমাদের ব্যাচের প্রথম পোস্টমর্টেম। আমাদের এরকম বডি দেখার কোন অভিজ্ঞতা পর্যন্ত নেই। স্যার আমাদের লিড দিচ্ছেন প্রশ্নে। তিনি জানেন বলেই লিড দিতে পারছেন। তাকে নিশ্চয় এরকম অনেকগুলো কেইসের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। এরকম অনেকগুলো কিশোরীর ডেডবডি কাটাছেড়া করে দেখতে হয়েছে।

স্যার আমাদের বললেন,
-মেয়েটার বডির দিকে তাকাও। স্কিনটা কেমন গ্লেজ দিচ্ছেনা? দেখতে বেশ সুন্দরী...ঠিক?
-জ্বি স্যার...ঠিক।
-এবার বডির তলপেটের দিকে তাকাও। কিছু বোঝা যাচ্ছে?

অন্ধকে হাতি চেনানোর মত অবস্থা। আমরা বডির তলপেটে কিছুই দেখতে পেলাম না।

স্যার ডোমকে নির্দেশ দিলেন।
ডোমসাহেব ছুরির ফলাটা গলায় ঢুকিয়ে দিয়ে নাভি পর্যন্ত টান দিল।মনে হল...একটানে একটা বড় ট্র্যাভেল ব্যাগের চেইন খোলা হল। স্যার আমাদের বুকের-পেটের সব ভিসেরা দেখালেন। কিশোরীর স্টোমাক(পাকস্থলি) কেটে ফেলা হল। লিভার(কলিজা), ফুসফুস সব কাটাকাটি করা হল। কোন কিছু পাওয়া গেল না। স্যার জিজ্ঞাসা করল,
-কি কারনে সুইসাইড করতে পারে...এখনো বুঝতে পারছ না?

এবার দুই-একজন ছেলে আরেক জনের পিছনে মাথা লুকিয়ে, দুই-একজন মেয়ে লজ্জায় ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে বলল,
-সেক্সুয়াল এসল্ট?

স্যার যথেষ্ট পর্দা এবং গোপনীয়তার সাথে যৌনাঙ্গ পরীক্ষা করলেন। সেক্সুয়াল এসল্টের সাইন-সিম্পটম নাই।

চল্লিশজন নিশ্চুপ। স্যার আত্মবিশ্বাসের সাথে বললেন,
-আমি তলপেট দেখতে বলেছি... এবার দেখ!

এবার তলপেট কাটা হল। জরায়ু(ইউটেরাস) কেটে একটা মাংসপিন্ড বের করা হল।

আমি নিশ্চত আমার মতো অনেকেই সেদিন কেঁপে উঠেছিল। মেয়ের জরায়ু কেটে একটা নবজাতক বের হল। এতো চমৎকার লাল টকটকে ছোট্ট শিশু আমরা কোনদিন দেখি নি। এত সুন্দর খাড়া নাক, গোলাপী ঠোঁট, লাললাল গাল, আঙ্গুরের দানার মত সুন্দর সুন্দর হাত পায়ের আঙ্গুল...কিশোরীর লাবণ্যময়তার কারণ বোঝা গেল। গর্ভবতী সকল নারীদের মত এই কিশোরীর শরীরেও লাবণ্যতা চলে এসেছে। স্নিগ্ধতা এসেছে।

বাচ্চাটাকে বের করে কাটাছেড়া করা লাবণ্যময়ী কিশোরী মায়ের পাশে আস্তে করে শুইয়ে রাখা হল।

মর্গের ভেন্টিলেটর দিয়ে বেলা তিনটার রোদ আসছে। সরাসরি শিশুটার উপর মুখের উপর রোদ পড়ছে। আমার মনে হচ্ছিল, শিশুটা জেগে যাবে। যেকোন মুহুর্তে জেগে যাবে। ট্যাওট্যাও করে কান্নাকাটি শুরু করবে। এখন হয়তো কাঁদছে না। সম্ভবত গলায় কিছু আটকে আছে। কেউ উল্টা করে পিঠে দুইটা থাবড়া দিলেই শিশুটা জেগে যাবে। কান্নাকাটি করবে।

আচ্ছা! জেগে উঠলে শিশুটা কি করবে?

তাকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে। কিন্তু তার কিশোরী মাকে তো কাটাছেড়া করা। মৃত শরীর। বুকে দুধ নেই। শিশুটা যদি বুঝতে পারে তার মা মৃত, সে কি করত? শিশুটা যদি বুঝতে পারত যে সে কিশোরী মায়ের সন্তান...যে মা কোন বিচিত্র কারণে তাকে পেটে নিয়েই গলায় রশি ঝুলিয়েছে... পেটের সন্তানকে নিয়েই সহমরণে গেছে... এই তথ্যটা জানলে শিশুটা কি করত?

জানার খুব ইচ্ছা করছে।
ইচ্ছা করলেও উপায় নেই। শিশুটার পিঠে কেউ থাবড়া দিচ্ছে না। কেউ দিবেনা। কার ইচ্ছাও নেই। এটা যুক্তিহীন কাজ। যুক্তিহীন কাজ করার অর্থ নেই।

স্যার পোস্টমর্টেম শেষ করলেন।
মর্গের পাশে ছোট্ট ঘরটাতে গিয়ে আমাদের পার্সেন্টেজ দিলেন।

পার্সেন্টেজ দেওয়া শেষ। এখন ছুটি। স্যার আমাদের মর্গ ছারার আগমুহুর্তে জিজ্ঞাসা করলেন,
-বলতো মেয়েটা কেন সুইসাইড করেছে?
আমরা নিশ্চুপ।
স্যার মৃদ্যু হেসে বললেন,
-হিন্টস দিই?
আমরা নিশ্চুপ।
স্যার বললেন, 'মেয়েটা কিশোরী...সুইসাইড করেছে...কারণ তার পেটে বাচ্চা ছিল...পেটে বাচ্চা আসলে মানুষ সুইসাইড করেনা...কিন্তু এই মেয়েটা করেছে কারন তার এখনো বিয়ে হয়নি...এবার বলো মেয়েটাকে কেন সুইসাইড করতে হল?

আমাদের কেউ জবাব দিলাম না। সবাই ধাক্কা খেয়েছে। বড়সড় ধাক্কা। কেউ কারো দিকে তাকাতে পারছেনা।

ধীরেধীরে মর্গ থেকে সবাই বের হয়ে গেল।

শুধু পেছনে পড়ে রইল একটা লাশকাটা ঘর.. ঘরের মাঝখানে একটা ট্রলি...ট্রলিতে চৌকাঠে মাথা দিয়ে শুয়ে থাকা এক লাবণ্যময়ী কিশোরীর নিষ্প্রাণ দেহ... একজন কিশোরী মায়ের নিষ্প্রাণ দেহ...কিশোরী মায়ের পাশে শুয়ে আছে একটি চমৎকার শিশু... ভেন্ট্রিলেটর দিয়ে ভুল করে ঢুকে পড়া সূর্যের আলো পড়েছে শিশুর মুখে...

এ পর্যন্ত লিখেছেন © ডা. রাজীব হোসাইন সরকার

মৃত্যুর পর যে দেহ পুর্ণ পর্দার সাথে কবর পর্যন্ত যেত। সে দেহ নিয়ে রীতিমতো গবেষণা হলো, অনেকে বলবে এক্সিডেন্ট বা খুন হলেও তো সে নিষ্পাপ হওয়া সত্যেও তার সাথে এমনটাই হতো।
কিন্তু আসলে বিষয়টা এক্সিডেন্টের মতো না, এমন ঘটনা আসলে ক্রিয়েট করা বিষয়,

ক্লোজ আপ কাছে আসার গল্পের শেষ অধ্যায়ে এরকম অনেক হয়। কিন্তু সে অধ্যায় না ছাপিয়েই গল্পের বইটি ছাপিয়ে দেয়া হয়। এ যেন অসমাপ্ত গল্প।
আঠারো একুশের আগে বিয়ে করা যাবে না, কিন্তু বিয়েবিহীন একই কাজ অবৈধ হলে ঠিকই করা যাবে।

দারুনভাবে বলা হয়, শারীরিক সম্পর্কের পর বিয়ে না করলে সেটা খারাপ। অথচ বিয়েবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক তো দুরের কথা, গায়রে মাহরামদের সাথে নগন্য ছুতোয় কথা বলাও ইসলামে হারাম। ইসলামের প্রতিটি নিষেধ আপাত দৃষ্টিতে অনেকের কাছে বাড়াবাড়ি মনে হলেও, সবগুলো মানবজাতি তথা সমগ্র সৃষ্টিকূলের ভারসাম্যের জন্যই দেয়া।
অথচ আমরা ইসলামকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সৃষ্টি করি মহান রবের দুঃসাহসী নাফরমানীর গল্প। যে গল্পের শেষ, দুনিয়াতেও বেইজ্জতী। আখিরাতে কি হবে সেটা না হয় ধারনা করুন :)

আসছে ফেব্রুয়ারীতে কেউ গফ বফের সাথে ফুর্তী ঘুরাফেরা করে রবের নাফরমানীতে জড়িয়ে পড়বে।

কেউ আফসোস করবে গফ বফ নাই বলে। আবার কেউ কেউ এমন নাফরমানী থেকে বেচে আছে বলে "আলহামদুলিল্লাহ্" বলে অন্যান্য দিনের মতোই প্রতি ওয়াক্ত নামাজ পড়বে, রবের সন্তুষ্টিতে সারাদিন কাটাবে।
সবার জন্য তো একই সুর্য ওঠে, শুধু দিনটার ব্যবহার আলাদা আলাদা, তাই না.?

বর্ধিত লেখাঃ- মাহমুদুর রহমান মৃদুল

Address

Kashinathpur Pabna
Pabna

Telephone

+8801636074648

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AJM Happy Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AJM Happy Shop:

Share