13/08/2025
ফিসমিল ৭০% প্রোটিন যুক্ত মাছের খাবার || Fishmeal, শুটকি গুড়া, ফিসমিল, মুরগির খাদ্য
থাইল্যান্ড কর্তৃক ইম্পোর্টেড বিদেশি ফিসমিল
ফিসমিল ৭০%+ প্রোটিন
🛢 ২৫ কেজি প্রতি বস্তা
💰 রেগুলার প্রাইজ: ৩০০০/- টাকা
👉 অফার প্রাইজ মাত্র ২৭৫০/- টাকা
🚛 সারা দেশে কুরিয়ারে ডেলিভারি ফ্রি!
ফিসমিল + শুটকির গুঁড়া
উচ্চ প্রোটিনযুক্ত স্পেশাল খাদ্য – মাছ, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশুর জন্য একসাথেই উপযুক্ত ✅
শুধু খাবার নয়, আপনার মাছের সুস্থতার নিশ্চয়তা – “ফিসমিল” (শুটকির গুড়া মাছের খাবার)!
ফিসমিল কী?
ফিসমিল হলো শুকানো ছোট মাছ (শুটকি) থেকে তৈরি উচ্চপ্রোটিনযুক্ত মাছের খাবার। এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে প্রস্তুতকৃত এবং মাছের দ্রুত বৃদ্ধি ও সুস্থতার জন্য আদর্শ।
কীভাবে তৈরি হয় ফিসমিল?
১. প্রথমে বেছে নেওয়া হয় ভালো মানের ছোট মাছ (যেমন: ছুরি, রূপচাঁদা, ট্যাঁটকা ইত্যাদি)।
২. মাছগুলো পরিষ্কার করে রোদে ভালোভাবে শুকানো হয়।
৩. শুকানো মাছ হাইজেনিকভাবে গুড়ো করা হয় উন্নত মেশিনে।
৪. অতঃপর তা ঝাঁকি দিয়ে চালানো হয় যেন কোন খোসা বা অপ্রয়োজনীয় অংশ না থাকে।
৫. অবশেষে তা প্যাকেটজাত করে রাখা হয় সংরক্ষণযোগ্য পরিবেশে।
ফিসমিল-এর উপকারিতা:
✔ মাছের দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি
✔ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
✔ প্রাকৃতিক প্রোটিনে সমৃদ্ধ
✔ অ্যান্টিবায়োটিক-মুক্ত ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক
✔ সব ধরনের মাছের জন্য উপযোগী
✔ পানির গুণমান ঠিক রাখে – দুর্গন্ধ বা দূষণ হয় না
✔ কম খরচে বেশি লাভ
কারা ব্যবহার করবেন?
যে কেউ মাছ চাষ করছেন – পুকুর, ঘের বা ট্যাংকে – তাদের জন্য ফিসমিল আদর্শ। বিশেষ করে রুই, কাতলা, পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সিলভার কার্প, শিং-মাগুর – সব প্রজাতির জন্য উপযোগী।
"এছাড়া মাছের পাশাপাশি গবাদি পশু যেমন গরু, ছাগল, ভেড়া এবং হাঁস, মুরগি ইত্যাদির পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে ফিশমিল ব্যবহার করা যায়।"
বিশেষ অফার চলছে – সীমিত সময়ের জন্য!
অর্ডার করুন এখনই!
🚒সারাদেশে কুরিয়ারে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে /
অফিসে এসে সংগ্রহ করা যাবে 🚒
📲আজই অর্ডার করুন-☎ 01711 755 441 অথবা-☎ 01329 645 450
🏠 হেড অফিসের ঠিকানা: Tm Agro & Fisheries
❐নাটোর সদর : ( পচুর হোটেল সংলগ্ন ) ,হাউজ নং (3) চকরামপুর,নাটোর।
🏠TM Trading ঢাকা শাখা: -☎01711 332 340
৩০, সেনপাড়া, মিরপুর-১০ (সারজ স্কুল এন্ড কলেজ গেটের ভিতরে, হাউজ নং-৩২/২), ঢাকা-১২১৬
Tag:
#ফিসমিল #মাছেরখাদ্য #প্রোটিনযুক্তখাদ্য #দ্রুতমাছবড় #মাছচাষ #আধুনিকমাছচাষ