06/07/2024
মশার এখন কোন সিজন নেই । কি শীত কি বর্ষা সব ঋতুতেই তাদের এখন রাজত্য । প্রতি বছর মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়ায় লাখো মানুষ আক্রান্ত হয়।
মশা তাড়ানোর জন্য আমরা নানা পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। যেমন মশার কয়েল, স্প্রে, ত্বকে লাগানের লোশন ইত্যাদি। এগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা আবার নতুন স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছি।
মশার কয়েলের ধোঁয়া ফরমালডিহাইড, হাইড্রোকার্বনসহ আরও কিছু উপাদান থাকে, যেগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যর ক্ষতিকর। হাঁপানি রোগীদের জন্য এই ধোঁয়া খারাপ। শিশুদের ধারে-কাছে কয়েল না জ্বালানোই ভালো।
অ্যারোসল স্প্রেতে পাইরিথোয়েড নামক রাসায়নিক উপাদান থাকে যা হাঁপানি, ব্রংকাইটিস রোগীদের শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে, শ্বাসনালির ইরিটেশন তৈরি করে, কখনো চোখ জ্বালা করতে পারে, কারও কারও মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মাশা তাড়ানোর অধিকাংশ ক্রিম বা লোশনে ডিট নামের এক ধরনের টলঅ্যামাইড থাকে। অনেকের ত্বকে এ থেকে ফুসকড়ি র্যা শ, চুলকানি, অ্যালার্জি ও চোখে সমস্যা হতে পারে।
তাই মশার উপদ্রোপ থেকে বাচার জন্য কয়েল / স্পে / ক্রিম যথা সম্ভব কম ব্যবহার করুন । সবসময় বাড়ির চার পাশ পরিস্কার রাখুন, বাড়ির আনাচে কানাচে ব্লিসিন পাউডার সিটিয়ে দিন এবং ফুলের টব, নারিকের খোসা, পুরনো টায়ার, অ-ব্যবহারীত বালতি /পাতিলাতে যেন বেশিদিন পানী জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন । বাড়ির দরজা জানালায় নেট ব্যবহার করুন এবং ঘুমানোর সময় মশাড়ি ব্যবহার করুন ।