30/10/2024
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফেসবুকে চিল মুডে স্ক্রল করতেসেন । হঠাৎ সামনে একটা পন্যের এড আসলো। ভালোই লাগলো। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে অর্ডার করে দিলেন। পরের দিন অর্ডার কনফার্ম হবে কিনা সেটা জানার জন্য ফোন আসলো যে ২-৩ দিনে পেয়ে যাবেন। আপনিও খুশি মনে বলে দিলেন, হ্যা পাঠায়ে দেন।
তারপর বাধলো বিপত্তি। খামাখা এতোগুলা টাকা নস্ট করে জিনিস টা নেয়া কি ঠিক হবে? ডেলিভারিম্যান ফোন দিতেছে। ফোন অফ করে রেখে দিলেন। ৩ দিন ডেলিভারিম্যান ঘুরে চলে গেলো। আপদ বিদায়!
অনেকের কাছেই নরমাল একটা ব্যাপার তাইনা? কারণ আমার তো কোনো লস নাই! প্রোডাক্ট নেই নাই টাকা দেই নাই সহজ হিসাব।
আসলে হিসাব টা সহজ না। বাংলাদেশের সকল অনলাইন ব্যাবসায়ীরাই ডেলিভারির জন্য ৩-৪ টা কুরিয়ার কোম্পানির উপর নির্ভরশীল। একটা পার্সেল ঢাকার বাইরে গেলে সেখানে ১০০-১২০ টাকা ডেলিভারি চার্জ (কুরিয়ার অনুযায়ী বেশি কম) নিয়ে থাকে। আবার একটা রিটার্ন আসলে ৫০ টাকা রিটার্ন চার্জ যোগ হয়। আবার তার সাথে প্যাকেজিং এর খরচ ২০-৫০ টাকা লস এর ব্যাপার আছে। তার ও সাথে আছে রিটার্ন পার্সেল এ প্রোডাক্ট চুরির ঘটনা । তো একটা পার্সেল রিটার্ন আসা মানে সেলারের লাভ তো নাই ই তার উপর এটলিস্ট ১৫০-১৭০ টাকা লস।
প্রোডাক্টে ফল্ট থাকলে কাস্টোমার ১০০ বার রিটার্ন করবে এবং করাই উচিত। কিন্তু পার্সেল আসলে ফোন বন্ধ করে রাখা কিংবা প্রোডাক্ট না দেখেই এখন নিবো না বলে ফোন কেটে দিলে সেই লোক তো কখনোই কাস্টোমার না, সে একটা ফ্রড।
যারা অরিজিনাল এবং ভদ্র কাস্টোমার তারা কখনোই এইভাবে রিটার্ন টা করেনা। সিওর হয়ে তারপরেও অর্ডার করে। আর এখন ফ্রড কাস্টোমার বের করার জন্য আমাদের হাতেও কিছু অপশন চলে এসেছে। ফোন নাম্বার সার্চ করে কাস্টোমারের পাস্ট অর্ডার হিস্টোরি জানা সম্ভব।