Brand Bucket

Brand Bucket Welcome to ❣️Brand Bucket❣️ Here you will find different seasonal authentic product.

Our products are collected from different trust able verified sources and then re-sell to you.

🍠চিনা বাদামের উপকারিতা🍠সববয়সের মানুষের জন্য চিনা বাদাম স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। শখ করে কখনো কখনো হয়তো খাওয়া হয় তবে এর উপকার...
07/10/2020

🍠চিনা বাদামের উপকারিতা

🍠সববয়সের মানুষের জন্য চিনা বাদাম স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। শখ করে কখনো কখনো হয়তো খাওয়া হয় তবে এর উপকারিতা সম্পর্কে জানলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই বাদাম রাখতে চাইবেন। এটি শরীরের অনেক উপকার করতে সক্ষম। এটি পুষ্টি গুণসম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে খেতেও বেশ দারুণ। আসুন জেনে নেই চিনা বাদামে কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে।

১. শরীরের মাত্রাধিক কোলেস্টেরল হৃদরোগ, উচ্চ রক্ত চাপ, ওজন বৃদ্ধি ও ডায়াবেটিস এর মতো কঠিন রোগ সৃষ্টি করে। বাদামের অসাধারণ কার্যকরী ফ্যাট শরীর থেকে কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া, এই বাদাম শরীরের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন একমুঠো চিনা বাদাম খেতে পারেন শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে।

২.রাতে ১০-১৫ টি বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ডায়াবেটিস নির্মূলে বিশেষভাবে কার্যকরী।
এছাড়া চিনা বাদাম রক্ত থেকে সুক্রোজের মাত্রা কমায়।

৩.প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একমুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। তাছাড়া এটি আপনার শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে।

৪.শরীরে সঠিক পরিমাণ পুষ্টি না থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। চিনা বাদামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে কঠিন রোগকে বাসা বাধতে বাঁধা দান করে। তাই প্রতিদিন চিনা বাদাম খেয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 #বাঁশের_কোঁড়লবাঁশের কোঁড়ল শুধু পার্বত্য  #চট্টগ্রামেই নয়, বিশ্বে বাঁশের কোঁড়ল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়  #জাপানে। বাংলাদেশ...
20/08/2020

#বাঁশের_কোঁড়ল

বাঁশের কোঁড়ল শুধু পার্বত্য #চট্টগ্রামেই নয়, বিশ্বে বাঁশের কোঁড়ল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় #জাপানে। বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য মতে,বিশ্বে প্রতিবছর #বাঁশখাদক লোকদের কাছে বাঁশের কোঁড়লের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৫০ হাজার টন।

বিশ্ব বাজারের প্রায় ৭০ শতাংশ বাঁশের কোঁড়লের ক্রেতা জাপান। আর সবচেয়ে বেশি বাঁশের কোঁড়ল উৎপন্ন হয় #চীনে। চীন প্রতিবছর বিশ্বের ৩৭টি দেশে গড়ে ১৩৭ হাজার টন টিনজাত বা প্যাকেটজাত বাঁশের কোঁড়ল রপ্তানি করে থাকে।কোরিয়া,জাপান, হংকং,সিঙ্গাপুর,জার্মানী, ইংল্যান্ড,নেদারল্যান্ড,অস্ট্রেলিয়া,কানাডা, সুইডেন প্রভৃতি দেশে বাঁশের কোঁড়লের প্রচুর চাহিদা ও বাজার রয়েছে। এসব দেশ ছাড়া ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশেও বাঁশের কোঁড়ল জনপ্রিয় খাদ্য।

চীনারা বাঁশের কোড়লকে বলেন ‘স্বাস্থ্যকর খাবারের রাজা।’ তাজা বাঁশের কোঁড়লে ৮৮-৯৩% পানি, ১.৫-৪% প্রোটিন, ০.২৫-০.৯৫% চর্বি, ০.৭৮-৫.৮৬% চিনি, ০.৬০-১.৩৪% সেলুলোজ এবং ১.১% খনিজ পদার্থ আছে। ভিটামিনও আছে।

বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে যে বাঁশের কোঁড়ল দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, উচ্চ রক্তচাপ কমায় ও ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, হাঁপানী, ডায়াবেটিস, তীব্র জ্বর, মৃগি রোগে মূর্ছা যাওয়া ইত্যাদি নিরাময়েও যথেষ্ট অবদান রাখে। তাই যেকোনো সবজির সাথে তুলনা করলে বাঁশের কোঁড়ল কোনোভাবেই হেলাফেলার নয়।

#বাঁশ_কোড়লের কয়েকটা রেসিপিঃ
প্রথমে বাঁশের কোড়লের উপরের সবুজ শক্ত অংশটাকে সরিয়ে ফেলতে হবে। সবুজ শক্ত অংশ সরানো অবস্থায়ও অনেক জায়গায় বাঁশের কোড়ল কিনতে পাওয়া যায়। যাইহোক, এরপর আপনার প্রয়োজনমত ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে ভালো করে পানিতে ধুয়ে একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে বাঁশ কোড়ল সিদ্ধ করবেন। সিদ্ধ করার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। এই সিদ্ধ হওয়া বাঁশ কোড়ল বিভিন্ন আইটেমে রান্না করে খেতে পারবেন। কয়েকটা নিম্নরুপ:

১. #পুঁইশাকের সাথেঃ একটি পাত্রে পরিমাণমত পানি নিয়ে তাতে শুটকি, পেঁয়াজ, মরিচ ও পরিমাণমত লবণ দেবেন। পাহাড়িরা এই আইটেমে ছাঁকা নাপ্পির পানি দিয়ে থাকে। নাপ্পি হল পাহাড়িদের তরকারী রান্নার প্রিয় একটি মশলা যা মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া দিয়ে তৈরি করা হয়। লক্ষ্য রাখবেন এই আইটেমে হলুদ গুঁড়া দেয়া হয় না। এরপর এটি চুলায় বসিয়ে ৪-৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে । পানিটা ফুটতে থাকলে এতে বাঁশ কোড়ল দিতে হবে। এর ১০-১৫ মিনিট পর এতে হালকা পুঁইশাক দিতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর রান্নাটা হয়ে আসবে।

২. শুধু বাঁশ কোড়লঃ সিদ্ধ করা বাঁশ কোড়ল কুচি কুচি করে কেটে তেল দিয়েও রান্না করে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে একটি পাত্রে পরিমাণমত তেল ‍দিয়ে চুলায় বসাতে হবে। পেঁয়াজ একটা কুচি করে কেটে শুটকি তেলে ভাজাতে হবে। কিছুক্ষণ ভাজার পর কুচি করে কাটা বাঁশ কোড়ল দিতে হবে। এতে লবণ ও হালকা লাল মরিচের গুঁড়া মেশাতে হবে। এরপর সামান্য পানি দিয়ে ঢেকে মিডিয়াম তাপে রান্নাটা করে নিতে হবে। চাইলে আপনারা শুটকি ভাজার স্থানে টাটকা চিংড়ি ভাজিয়েও দারুণ স্বাদের রান্না করে নিতে পারেন। এর জন্য হালকা জিরা গুঁড়া মেশাতে হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ! 💙💚💜

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী ; প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা ।স্বাদের দিক থেকে ...
11/08/2020

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী ; প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা ।

স্বাদের দিক থেকে অনেকের কাছেই 'আম্রপালী' আম খুবই প্রিয় । আকারে ছোট কিন্তু মিষ্টির দিক থেকে যেন সকল আমকে পিছনে ফেলে দিয়েছে 'আম্রপালী' । কিন্তু এই আমটার নামকরণ কোথা থেকে হল জানেন ?

আম্রপালী জন্মেছিলেন আজ থেকে ২,৫০০ বছর আগে ভারতে । তিনি ছিলেন সে সময়ের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী এবং নর্তকী । তার রুপে পাগল ছিল পুরো পৃথিবী আর এই রুপই তার জন্য কাল হয়ে ওঠে । যার কারণে তিনি ছিলেন ইতিহাসের এমন একজন নারী, যাকে রাষ্ট্রীয় আদেশে পতিতা বানানো হয়েছিল !

আম্রপালী বাস করতেন বৈশালী শহরে । বৈশালী ছিল প্রাচীন ভারতের গণতান্ত্রিক একটি শহর, যেটি বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যের অর্ন্তগত ।
মাহানামন নামে এক ব্যক্তি শিশুকালে আম্রপালীকে আম গাছের নিচে খুঁজে পান । তার আসল বাবা-মা কে ইতিহাস ঘেঁটেও তা জানা যায়নি । যেহেতু তাকে আম গাছের নিচে পাওয়া যায় তাই তার নাম রাখা হয় আম্রপালী । সংস্কৃতে আম্র মানে আম এবং পল্লব হল পাতা । অর্থাৎ, আমগাছের নবীন পাতা ।

কিন্তু শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতেই আম্রপালীকে নিয়ে হইচই পড়ে যায় । তার রুপে চারপাশের সব মানুষ পাগল হয়ে যান । দেশ-বিদেশের রাজপুত্রসহ রাজা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে যান । নানা জায়গায় থেকে তাকে নিয়ে দ্বন্দ, ঝগড়া আর বিবাদের খবরও আসতে থাকে । সবাই তাকে একনজর দেখতে চান, বিয়ে করতে চান । এ নিয়ে আম্রপালীর মা-বাবা খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন । তারা তখন বৈশালীতে সকল গণমান্য ব্যক্তিকে এর একটি সমাধান করার জন্য বলেন । কারণ, সবাই আম্রপালীকে বিয়ে করতে চান । তখন বৈশালীর সকল ক্ষমতাবান ও ধনবান ব্যক্তি মিলে বৈঠকে বসে নানা আলোচনার পর যে সিদ্ধান্ত নেন তা হল, আম্রপালীকে কেউ বিয়ে করতে পারবেন না । কারণ তার রুপ । সে একা কারো হতে পারে না । আম্রপালী হবে সবার । সে হবে একজন নগরবধু, মানে পতিতা ।

এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত । ইতিহাসে এভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে কাউকে পতিতা বানানো হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত খুবই বিরল ! আম্রপালী সে সভায় পাঁচটি শর্ত রাখেন-

(১) নগরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় তার ঘর হবে ।
(২) তার মুল্য হবে প্রতি রাত্রির জন্য পাঁচশত স্বর্ণমুদ্রা ।
(৩) একবারে মাত্র একজন তার গৃহে প্রবেশ করতে পারবেন ।
(৪ ) শক্র বা কোন অপরাধীর সন্ধানে প্রয়োজনে সপ্তাহে সর্বোচ্চ একবার তার গৃহে প্রবেশ করা যাবে ।
(৫) তার গৃহে কে এলেন আর কে গেলেন- এ নিয়ে কোন অনুসন্ধান করা যাবে না ।

সবাই তার এসব শর্ত মেনে নেন । এভাবে দিনে দিনে আম্রপালী বিপুল ধন-সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন । তার রুপের কথাও দেশ-বিদেশে আরও বেশী করে ছড়িয়ে পড়তে থাকে ।

প্রাচীন ভারতের মগধ রাজ্যের রাজা ছিলেন বিম্বিসার । শোনা যায়, তার স্ত্রীর সংখ্যা নাকি ৫০০ ছিল ! নর্তকীদের নাচের এক অনুষ্ঠানে তিনি এক নর্তকীর নাচ দেখে বলেছিলেন, এ নর্তকী বিশ্বসেরা ।
তখন তার একজন সভাসদ বলেন- মহারাজ, এই নর্তকী আম্রপালীর নখের যোগ্য নয় !
বিম্বিসারের এই কথাটি নজর এড়ায়নি । তিনি তার সেই সভাসদের থেকে আম্রপালী সম্পর্কে বিস্তারিত শুনে তাকে কাছে পাবার বাসনা করেন ।
কিন্তু তার সভাসদ বলেন, সেটা সম্ভব নয় । কারণ, তাহলে আমাদের যুদ্ধ করে বৈশালী রাজ্য জয় করতে হবে আর আম্রপালীর দেখা পাওয়াও এত সহজ নয় । দেশ-বিদেশের বহু রাজাসহ রাজপুত্ররা আম্রপালীর প্রাসাদের সামনে তার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন । কিন্তু মন না চাইলে তিনি কাউকে দেখা দেন না ।

এত কথা শুনে বিম্বিসারের আগ্রহ আরও বেড়ে গেল । তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, ছদ্মবেশে বৈশালী রাজ্যে গিয়ে আম্রপালীকে দেখে আসবেন । কি এমন আছে সেই নারীর মাঝে, যার জন্য পুরো পৃথিবী পাগল হয়ে আছে !
তারপর বহু চড়াই উৎরাই শেষে তার আম্রপালীর সাথে দেখা করার সুযোগ আসে । আম্রপালীর প্রাসাদ আম্রকুঞ্জে । কিন্তু দেখা করতে গিয়ে রাজা চমকে উঠেন, এত কোন নারী নয় ; যেন সাক্ষাৎ পরী ! এ কোনভাবেই মানুষ হতে পারেন না । এত রুপ মানুষের কিভাবে হতে পারে !
কিন্তু অবাক রাজার জন্য আরও অবাক কিছু অপেক্ষা করছিল । কারণ, আম্রপালী প্রথম দেখাতেই তাকে মগধ রাজ্যের রাজা বলে চিনে ফেলেন এবং জানান- তিনি তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন বহু আগে থেকেই ।
এই কথা শুনে রাজার বিস্ময়ের সীমা থাকে না ।
রাজা সাথে সাথে তাকে তার রাজ্যের রাজরাণী বানানোর প্রস্তাব দেন । কিন্তু আম্রপালী জানান, তার রাজ্যের মানুষ এটা কখনোই মেনে নেবেন না । উল্টো বহু মানুষের জীবন যাবে । রক্তপাত হবে । তাই রাজাকে দ্রুত এখান থেকে চলে যেতে বলেন ।
কিন্তু বিম্বিসার বৈশালী আক্রমন করে আম্রপালীকে পেতে চান । ওদিকে আম্রপালী তার নিজের রাজ্যের কোন ক্ষতি চান না । তাই তিনি রাজাকে তার নিজ রাজ্যে ফেরত পাঠান এবং বৈশালীতে কোন আক্রমণ হলে তিনি তা মেনে নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন ।

এদিকে বিম্বিসারের সন্তান অজাতশত্রুও আম্রপালীর প্রেমে মগ্ন ছিলেন । তিনি বিম্বিসারকে আটক করে নিজে সিংহাসন দখল করে বসেন এবং আম্রপালীকে পাওয়ার জন্য বৈশালী রাজ্য আক্রমণ করে বসেন । কিন্তু দখল করতে সক্ষম হননি এবং খুব বাজেভাবে আহত হন । পরবর্তীতে আম্রপালীর সেবায় সুস্থ হয়ে গোপনে তার নিজের রাজ্যে ফেরত যান । সেদিনও আম্রপালী অজাতশত্রুর বিয়ের প্রস্তাব সবিনয়ে ফিরিয়ে দেন ।

এত নাটকীয়তার পর শেষের দিকে এসে কি হল ? গৌতম বুদ্ধর সময়কাল তখন । গৌতম বুদ্ধ তার কয়েকশ সঙ্গী নিয়ে বৈশালী রাজ্যে এলেন । একদিন বৈশালী রাজ্যের রাবান্দা থেকে এক বৌদ্ধ তরুণ সন্ন্যাসীকে দেখে আম্রপালীর মনে ধরে গেল । তিনি ভাবলেন, দেশ-বিদেশের রাজারা আমার পায়ের কাছে এসে বসে থাকেন আর এত সামান্য একজন মানুষ । তিনি সেই সন্ন্যাসীকে চার মাস তার কাছে রাখার জন্য গৌতম বুদ্ধকে অনুরোধ করলেন । সবাই ভাবলেন, বুদ্ধ কখনই রাজি হবেন না । কারণ, একজন সন্ন্যাসী এমন একজন পতিতার কাছে থাকবেন ; এটা হতেই পারে না । কিন্তু গৌতম বুদ্ধ তাকে রাখতে রাজি হলেন এবং এটাও বললেন, আমি শ্রমণের (তরুণ সে সন্ন্যাসীর নাম ছিল) চোখে কোন কামনা-বাসনা দেখছি না । সে চার মাস থাকলেও নিষ্পাপ হয়েই ফিরে আসবে- এটা আমি নিশ্চিত !

চার মাস শেষ হল । গৌতম বুদ্ধ তার সঙ্গীদের নিয়ে চলে যাবেন । তরুণ শ্রমণের কোন খবর নেই । তবে কি আম্রপালীর রুপের কাছেই হেরে গেলেন শ্রমণ ? সেদিন সবাইকে অবাক করে দিয়ে তরুণ শ্রমণ ফিরে আসেন । তার পিছনে পিছনে আসেন একজন নারী । সেই নারীই ছিলেন আম্রপালী । আম্রপালী তখন বুদ্ধকে বলেন, তরুণ শ্রমণকে প্রলুব্ধ করতে কোনও চেষ্টা বাকি রাখেননি তিনি । কিন্তু এই প্রথম কোন পুরুষকে বশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বৈশালীর নগরবধূ আম্রপালী । তাই আজ সর্বস্ব ত্যাগ করে বুদ্ধের চরণে আশ্রয় চান তিনি ।

পরে সব কিছু দান করে বাকী জীবন গৌতম বুদ্ধের চরণেই কাটিয়ে দেন ইতিহাস বিখ্যাত সেই রমণী আম্রপালী আর এই আম্রপালী নামেই ১৯৭৮ সালে ভারতের আম গবেষকরা 'দশোহরি' ও 'নিলাম'- এই দু'টি আমের মধ্যে সংকরায়ণের মাধ্যমে এক নতুন জাতের আম উদ্ভাবন করেন এবং নাম রাখেন 'আম্রপালী' ।

হরিধান: হরিপদের সোনালী সন্তানঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে নাম না জানা এক জাতের ধান চাষ হচ্ছে ব্যাপক হারে। আসাদ নগর বং...
31/07/2020

হরিধান: হরিপদের সোনালী সন্তান

ঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে নাম না জানা এক জাতের ধান চাষ হচ্ছে ব্যাপক হারে। আসাদ নগর বংকিরাসহ পাশ্ববর্তী গ্রামগুলোর কৃষকরা তাদের শত শত একর জমিতে এই ধান চাষ করে বাম্পার ফলন ফলাতে সক্ষম হয়েছেন। অল্প খরচে অধিক ফলনে এই ধান দেখতে ও বীজ সংগ্রহে প্রতিদিন দূর-দূরান্তের অসংখ্য লোক গ্রামগুলোতে আসছে।
কৃষি বিভাগ অজানা এই ধানের ফলন ভালো হচ্ছে বলে জানালেও ধানের জাত বলতে পারেননি। তারা দ্রুত পরীক্ষার মাধ্যমে জাত বাছাই করার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছে।
তবে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার আসাদনগর গ্রামের হরিপদ কাপালী এই নাম না জানা জাতের ধান প্রথম চাষ করেন। তার কাছ থেকে বীজ নিয়ে অন্যরা ওই ধান করছে। ফলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এলাকার লোকজন ধানের নাম দিয়েছেন ‘হরি ধান’। কৃষকরা জানান আশপাশের দশ-বারো গ্রাম ছাড়িয়ে বর্তমানে অন্য জেলায়ও এই ধানের চাষ শুরু হয়েছে। কম খরচে অধিক ফলন তুলতে দেখে সবাই এই ধান চাষে ঝুঁকে পড়েছে। হরি ধানে চিটা কম ও বিচালীর দামও বেশি।

সরেজমিন আসাদ নগর গ্রামে গিয়ে হরিপদ কাপালীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ছয়-সাত বছর আগে তিনি জমিতে অত্র অঞ্চলে প্রচলিত বিআর১১ জাতের ধান চাষ করেন। ওই ধান ক্ষেতে আগাছা পরিষ্কার করার সময় চার-পাঁচটি মোটা ধান গাছ দেখতে পান যা আগাছা হিসেবে কেটে না ফেলে তিনি রেখে দেন। তার ধারণা ছিল এই গাছে হয়তো বা ধান হবে না কিন্তু অন্যান্য ধান গাছের সঙ্গে এই গাছগুলোও বাড়তে থাকে এবং ভালো ধান হয়। ধানের গাছগুলো মোটা ও লম্বা হয়।

হরিপদ ওই গাছ থেকে পাওয়া ধানগুলো আলাদা করে রেখে দেন। পরের বছর তিনি দুই থেকে তিনশ গ্রামের ওই ধান বীজের জন্য আলাদা বীজতলা তৈরি করেন এবং আলাদা জমিতে রোপণ করেন। বাকিতে জমিতে করেন অন্য ধান। কিন্তু সমান ভাবে উভয় ধানের পরিচর্যা করেন। আচার্য অন্যান্য ধান থেকে অজানা জাতের ধানের ফলন ভালো হয়। এরপর ধান কাটার সময় তিনি স্বর্ণা জাত ও নাম না জানা ওই জাতের উত্পাদন পরীক্ষা করেন। নিজের দুই জাতের সমপরিমাণ জমির ধান কেটে দেখতে পান অজানা জাতের ধানের ফলন বেশি হয়েছে। এর পরের বছর তিনি দশ কাঠা জমিতে এই ধানের চাষ করেন। তার ক্ষেতের ধানগাছ দেখে এলাকার লোকজন মুগ্ধ হন। আশপাশের লোকজন ধানের ক্ষেত দেখতে আসতে শুরু করেন। পরে ধান কাটার সময় ফলন দেখে অন্য কৃষকরা বীজ নেওয়ার জন্য তার কাছে ধন্যা দেন। বীজ দিতে না পারায় অনেকে তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

হরিপদ জানান প্রথম বছর তার দশ কাঠা জমিতে যে ধান উত্পাদন হয়েছিল তার সবই বীজ করে গ্রামের কৃষকদের দিয়েছি এভাবে একে ওপরের কাছ থেকে বীজ নিয়ে এই ধানের চাষ শুরু করেছে। গত দুই/তিন বছরের ব্যবধানে পুরো এলাকায় এই ধান ছড়িয়ে পড়েছে। এ জাতের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় কৃষকরা এই ধানকে তার নাম অনুসারে ‘হরিধান’ নামকরণ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাছের রাজা ইলিশমাছের রাজা ইলিশভরদুপুরে নদীর কিনারে দুলছে মাছ ধরার নৌকা। তার পাটাতনে কলাপাতা বিছিয়ে খেতে বসেছেন মাঝিরা। প...
31/07/2020

মাছের রাজা ইলিশ

মাছের রাজা ইলিশ

ভরদুপুরে নদীর কিনারে দুলছে মাছ ধরার নৌকা। তার পাটাতনে কলাপাতা বিছিয়ে খেতে বসেছেন মাঝিরা। প্রথমেই পরিষ্কার কলাপাতায় দেওয়া হলো সামান্য লবণ, হলুদ ও শর্ষের তেল মেশানো প্রমাণ আকারের ইলিশের পেটি, কাঁচা। তার ওপর হাঁড়ি থেকে তোলা গরম ভাত। কলাপাতার এক পাশে লবণ, তার ওপর শর্ষের তেল। যাঁরা খেতে বসেছিলেন, তাঁরা ভাত ঠান্ডা হওয়ার জন্য একটুখানি সবুর করলেন। তারপর তেল মেশানো লবণ ভাতে ছিটিয়ে দিয়ে খেতে শুরু করলেন। দু-এক গ্রাস খাওয়ার পরই ধবধবে সাদা ভাত ইলিশের তেলে ধীরে ধীরে সোনালি হতে শুরু করল! চারদিকের বাতাস হয়ে উঠল ইলিশগন্ধি।

মাঝিরা বাদে আর যে দু-চারজন ছিলেন সেখান, এভাবে ইলিশ খেয়ে স্মৃতিকথা লিখে রেখেছেন তাঁরা। ‘আহা আহা’ লিখেই সুখ্যাতি করেছেন এ খাবারের। কিন্তু এই বিশেষ রেসিপির নাম কী? না, খুঁজে পাইনি। সম্ভবত মাঝিরাও এর কোনো নাম রাখেননি। ইলিশপ্রেমী এক কবিবন্ধু বলেছিলেন, ‘কেন ইলিশ মাছের রাজা, জানেন? কারণ, ভেজে, ভাপিয়ে, তরকারিতে দিয়ে সেদ্ধ করে, লবণ মেখে শুকিয়ে যেকোনোভাবে ইলিশ খাওয়া যায় এবং সেটা সেরা স্বাদেই। তবে সম্ভবত ইলিশের সেরা স্বাদ ভাপানোতেই।’ ভাপা নাকি ভাজা, কোন ইলিশ স্বাদে সেরা, সেটা তর্কসাপেক্ষ যদিও, তারপরও ব্যাপারটা ইলিশ—কোনো কথা হবে না!

খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই, সব মাছের নামের পাশে ‘মাছ’ শব্দটি লেখা বা বলা হয়। যেমন চিতল মাছ, বোয়াল মাছ, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি। কিন্তু ইলিশের বেলায় শুধুই ইলিশ। এ যেন এক এবং অনন্যতারই গল্প, নামেই যার পরিচয়। ইলিশ মানে জলের অধীশ্বর বা রাজা।

শুধু মানুষই নয়, ইলিশও চন্দ্রাহত হয়। ‘ফড়িংফাট’ মানে ফড়িং ধরা জোছনায় নাকি ইলিশ পাওয়া যায় বেশি, এমনটাই মনে করেন ইলিশ-জেলেরা। ভরা পূর্ণিমায় জলের গভীর তলদেশ থেকে জোছনাবিহারে বেরিয়ে পড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে চন্দ্রগ্রস্ত ইলিশ। উদ্দাম ডুবসাঁতারের খেলা চলে দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে। তারপরই টপাটপ ধরা পড়ে জেলেদের ফাঁদে। এ যেন চন্দ্রকলায় আত্মহত্যা! অবশ্য ইলিশ যদি এমন আত্মহত্যা না করত, তাহলে আমরাই-বা তার স্বাদে স্বর্গ-মর্ত্য ভুলে ‘ঘটি-বাঙাল’ ঝগড়া করতাম কীভাবে?

কিন্তু এমন যে ইলিশ, বাহারি স্বাদের ইলিশ ইংরেজরা তাকে কেন ঠিক গ্রহণ করল না? ২০০ বছর এ দেশ শাসন করে, এ দেশের অর্থে-সম্পদে পরিপুষ্ট হয়েও কেন তারা ইলিশকে নিজের করে নিল না? কেনই-বা ভেটকি মাছ প্রিয় হলো তাদের? এমন প্রশ্ন বহুবার করেছি বহুজনকে। বেশির ভাগই উদাস হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থেকেছেন। তবে দিগেন বর্মণ তার ইলিশ পুরাণ বইয়ে যা লিখেছেন, তাকে আমার মোটামুটি সন্তোষজনক বলে মনে হয়েছে। এই সব কেনর উত্তরে দিগেন বর্মণ ছোট্ট করে একটি শব্দ লিখেছেন—কাঁটা। আমরা ছড়া শুনেছি না, ইলিশ মাছের তিরিশ কাঁটা…। ইলিশে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি কাঁটা আছে। বলা হয়ে থাকে, ৯ হাজারের বেশি কাঁটা আছে ইলিশের শরীরে!

৯ হাজারের বেশি! এত কাঁটার জঙ্গল ঠেলে কাঁটাচামচে করে ইলিশ খাওয়ার কষ্ট ইংরেজরা স্বীকার করতে চায়নি। ফলে প্রায় কাঁটাহীন ভেটকি বা কোরাল মাছই তাদের প্রিয় হয়েছিল। এখন ভাবলে ভালোই লাগে যে ইংরেজরা ইলিশ অপছন্দ করত। পছন্দ করলে তাদের ‘বিটিশবুদ্ধিতে’ কি-না-কি করে ফেলত। তার চেয়ে এ-ই ভালো হয়েছে।

অবশ্য এখন কাঁটা ছাড়া ইলিশও পাওয়া যায়। কিন্তু বাঙালির সামনে বোনলেস ইলিশের গল্প দিলে মানসম্মান থাকবে কি?

আগেই বলেছি, ভেজে, ভাপে, তরকারিতে দিয়ে সেদ্ধ করে, পেঁয়াজ দিয়ে কিংবা ছাড়া, কাঁচা মরিচ দিয়ে বা না দিয়ে, যেভাবে খুশি আপনি ইলিশ খেতে পারেন। সব সময় আটপৌরে রন্ধনপ্রণালিতে আটকে থাকতে হবে, তেমন কোনো কথা নেই। গুগল ঘাঁটলে কিংবা ইউটিউবে খুঁজলে প্রচুর রান্নার পদ্ধতি পেয়ে যাবেন। যেকোনো একটা পছন্দ করে নিন। অথবা নিজেই বসে যান নিজের মতো করে রান্না করতে। আরে খাবেন তো আপনি, কেউ আপনাকে রেটিং দেবে না। কাজেই ভয় নেই।

তবে যা-ই করুন না কেন, ইলিশের সঙ্গে চিংড়ি মেশাবেন না যেন😋

কুষ্টিয়ার সুস্বাদু তিলের খাজা❣️বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া। পূর্বে নদীয়া জেলার এই মহকুমাটির রয়েছে নানা দর্শনী...
31/07/2020

কুষ্টিয়ার সুস্বাদু তিলের খাজা❣️
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া। পূর্বে নদীয়া জেলার এই মহকুমাটির রয়েছে নানা দর্শনীয় স্থান ও ঐতিহ্য। কুষ্টিয়ার তিলের খাজা দেশব্যাপী জনপ্রিয় এবং প্রসিদ্ধ এক উপাদেয় খাবার। ক্ষুদ্র শিল্পে পরিণত হওয়া তিলের খাজা কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধারণ করে আছে। তিল থেকে উৎপাদিত এই খাবার সব বয়সের মানুষের কাছেই জনপ্রিয়। বিশেষত অল্প বয়সী ছেলেমেয়েদের কাছে এটি চমকপ্রদ এক খাবার।

একসময় স্থানীয় পর্যায়ে শুধুমাত্র এর চাষ হলেও ধীরে ধীরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। খাজা বলতে কেবল কুষ্টিয়ার তিলের খাজাই বুঝে থাকে সকলে।

তিলের খাজা তৈরিতে ব্যবহৃত হয় তিল ও চিনি। চিনির সিরকা তৈরি করে একটি নির্দিষ্ট ঘনত্বে পৌঁছালে সেটাকে ঠাণ্ডা করে জমাট ধরানো হয়। এরপর চলে বিশেষ কায়দায় হাত ও গাছের ঢাল ব্যবহার করে সেই বাদামি রঙের সিরাকে সাদা করার পালা। হাতের ভাজে ভাজে টানা সিরার ভেতরে তৈরি হয় ফাঁপা। ফাঁপা আকৃতির এই সিরাকে নির্দিষ্ট পরিমাপে কেটে তাতে খোসা ছড়িয়ে তিল ছিটানো হয়। এভাবেই তৈরি হয় মজাদার মুখরোচক এই খাবার🥰

সয়াবিন খেলে মিলবে ৮ উপকারউদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সব চেয়ে সেরা উপাদানগুলোর অন্যতম সয়াবিন। ভিটামিন ও প্রোটিনে ভরপুর এই খাবার আদ...
23/07/2020

সয়াবিন খেলে মিলবে ৮ উপকার

উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সব চেয়ে সেরা উপাদানগুলোর অন্যতম সয়াবিন। ভিটামিন ও প্রোটিনে ভরপুর এই খাবার আদতে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। আজকাল ডায়াবিটিকদেরও নিশ্চিন্তে সয়াবিন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। আসলে এক বাটি ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে এক বাটি সয়াবিনে। যে কোনও প্রাণিজ প্রোটিনের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে সয়াবিন। তাই নিরামিষাশীদের ডায়েটে এই খাদ্য রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। প্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। শর্করা রয়েছে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণের হিসাবে এই খাদ্য অনেক পুষ্টিবিদেরই প্রথম পছন্দ। শরীরচর্চায় অভ্যস্তরা নিয়মিত ডায়েটে রাখেন সয়াবিন। জানেন কি কেন? দেখে নিন কী কী গুণ রয়েছে এই খাদ্যে। তার পর ডায়েটে ব্যবহার করুন সয়াবিন।

১. সয়াবিনের প্রোটিন মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সকে সতেজ রাখে, তার কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে সহজে ক্লান্তি আসে না।

২. সয়াবিনে প্রচুর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে। হার্ট ও লিভারকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে এই খাবার। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে সয়াবিন।

৩. সয়াবিনে থাকা লেসিথিন মস্তিষ্ক গঠনের অন্যতম উপাদান। তাই সয়াবিন খেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা তো বৃদ্ধি পায়ই সঙ্গে হাইপোথ্যালামাসকে সক্রিয় রাখে।

৪. সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।

৫. সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে, যা অনিদ্রাজনিত অসুখ দূর করে সহজেই।

৬. মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা অত্যন্ত কার্যকর। কারণ সয়াবিনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

৭. সয়াবিনে অদ্রবণীয় ফ্যাট থাকায় তা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৮. যাদের শরীরে রক্ত কম, তারাও ডায়েট চার্টে রাখুন সয়াবিন। সয়াবিন রক্ত পরিশুদ্ধ করতেও কার্যকর।

মহিষের দুধ: পুষ্টির বিভিন্ন উৎসের সংমিশ্রণদুধ পুষ্টির একটি বড় উৎস । এটি একটি সম্পূর্ণ খাবার হিসেবে গণ্য করা হয় যার মাধ...
23/07/2020

মহিষের দুধ: পুষ্টির বিভিন্ন উৎসের সংমিশ্রণ

দুধ পুষ্টির একটি বড় উৎস । এটি একটি সম্পূর্ণ খাবার হিসেবে গণ্য করা হয় যার মাধ্যমে একটি মানব শরীর তার শরীরের সমস্ত চাহিদা পূরণ করতে পারে । মহিষের দুধ বিশ্বের দ্বিতীয় উৎপাদিত দুধ । এটা অনেক ভাবে ঐশ্বর্য ও কম্পোজিশনে গরুর দুধ থেকে আলাদা ।
সুবিধা
• মহিষের দুধ কম কোলেস্টেরল আছে কিন্তু গরুর দুধের তুলনায় বেশি ক্যালোরি এবং চর্বি যা স্বাস্থ্যকর হাড়, ডেন্টাল স্বাস্থ্য, কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য, এবং ওজন বৃদ্ধি জন্য ভাল ।
• এর বেশি ফ্যাট কনটেন্ট থাকায় তা গরুর দুধের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করা যায় ।
• মহিষের দুধ ক্যালসিয়াম অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, এবং ফসফরাস মত খনিজ একটি ভাল উৎস ।
• মহিষের দুধ উচ্চ দুগ্ধ কঠিন (গরুর দুধের চেয়ে দুইবার) সমৃদ্ধ, তাই এটি পুরু এবং সরসদৃশ দুগ্ধজাত পণ্য উত্পাদন করতে সহায়ক; বিশেষ করে মোজারেলা চিজ, দই, আইসক্রিম ।
• মহিষের দুধে গরুর দুধের চেয়ে বেশি ভিটামিন এ থাকে এবং কেবল ক্যারোটিন-এর চিহ্ন থাকে যা গরুর দুধের চেয়ে চেহারায় দুধকে বেশি সাদা করে দেয় । তাই এটি স্কিম মিল্ক পাউডার উৎপাদনের জন্য বেশি উপযুক্ত ।
• গরুর দুধের অ্যালার্জিতে ভোগা মানুষদের জন্যও এটি উপযুক্ত ।
• গরুর দুধের তুলনায় মহিষের দুধ প্রোটিন অনুপাত ও রেনেটিং ক্ষমতার বেশি ক্যাসিন রয়েছে । মহিষের দুধের উচ্চ ক্যাসিন উপাদান দই দৃঢ়তার সাথে প্রভাবিত করে বলে জানা যায় ।
• এটি প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট টোকোহার্ওল উপস্থিতির কারণে গরুর দুধের তুলনায় অক্সিডেটিভ পরিবর্তন কম হয় ।

• বিশ্ব মোট মহিষের দুধ উৎপাদন হয় 95.815 মেট্রিক টন প্রতি বছর যেখানে ভারত 65.140 মেট্রিক টন নিয়ে শীর্ষে আসে, সেখানে পাকিস্তান দ্বিতীয় নম্বরে অবস্থান করে উৎপাদন হার 22.955 মেট্রিক টন মহিষের দুধ এবং বাংলাদেশে মহিষের দুধ উৎপাদন হল 0.037 মেট্রিক টন ।
• এক কিলোগ্রাম পনির বানাতে প্রায় পাঁচ লিটার মহিষের দুধ লাগে, ১০ লিটার গরুর দুধের সঙ্গে তুলনা করলে একই পরিমাণ তৈরি হয় ।
• বিভিন্ন জৈব উপাদান যেমন ইমিউনোগ্লোবিউলিন, ল্যাটোফেরিন, লাইসোজাইম, ল্যাকোপারঅক্সিডেজ সেইসাথে বিফায়েড জেনিক কারণের উচ্চ মাত্রার উপস্থিতি, বিশেষ খাদ্যতালিকাগত একটি বিস্তৃত প্রস্তুতির জন্য গরুর দুধের চেয়ে মহিষের দুধ বেশি উপযুক্ত এবং হেলথ ফুডস ।
মহিষ এবং গরুর দুধ (অনামী, 1995) এর বৈশিষ্টসূচক কম্পোজিশন নিচে দেওয়া হল
প্যারামিটার মহিষের দুধ গরুর দুধ
মোট কঠিন বস্তুর (%) 16.30 13.10
চর্বি (%) 7.90 4.30
প্রোটিন (%) 4.20 3.60
ল্যাকটোজ (%) 5.00 4.80
টোকোহার্ওল (এমজি/জি) 0.33 0.31
কোলেস্টেরল (এমজি/জি) 0.65 3.14
ক্যালসিয়াম (mg/100g) 264.00 165.00
ফসফরাস (mg/100g) 268.00 213.00
ম্যাগনেসিয়াম (মিলিগ্রাম/100g) 30.00 23.00
পটাশিয়াম (এমজি/100g) 107.00 1 85.00
সোডিয়াম (মিলিগ্রাম/100g) 65.00 73.00
ভিটামিন এ (আইইউ) 33.00 30.30
ভিটামিন সি (এমজি/100g) 6.70 1.90

কাঁচা হলুদের এত উপকারিতা!প্রাচীন কাল থেকেই আমাদের দেশে মশলা হিসেবে হলুদের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু যে রান্নায় হলুদ ব্যবহার ...
23/07/2020

কাঁচা হলুদের এত উপকারিতা!

প্রাচীন কাল থেকেই আমাদের দেশে মশলা হিসেবে হলুদের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু যে রান্নায় হলুদ ব্যবহার করা হয়, তাই নয় সুন্দর ত্বক পেতে আগেকার দিনে হলুদ বাটা মাখারও চল ছিল। তার সঙ্গে রোজ সকালে এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেলেও নানা উপকারী ফল পাবেন আপনি।

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, হলুদ খাওয়ার উপকারিতা
১. হলুদ গ্যাস-অম্বল থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। কাঁচা হলুদে গ্যাস-নিরোধক উপাদান থাকায় নিয়মতি কাঁচা হলুদ খেলে সহজে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দেখা দেবে না। দেখা গিয়েছে, গ্যাস-অম্বল সারাতে বাজারে যে সব ওষুধ পাওয়া যায়, তার সমান অথবা অনেক সময় তার চেয়েও বেশি অম্বল নিরোধক উপাদান রয়েছে কাঁচা হলুদে।

২. কাঁচা হলুদ মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে অ্যালঝাইমার্স, ডিমেনশিয়া সহ মস্তিষ্কের বেশ কিছু সমস্যা শতহাত দূরে থাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কে যে সমস্যা দেখা দেয়, তাকে দূরে সরিয়ে মস্তিষ্ককে আরও সজাগ করে তোলে কাঁচা হলুদ।

৩. এমনকি ক্যানসার নিরোধক হিসেবেও কাজ করে কাঁচা হলুদ। রোজ সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ খেলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

৪. হার্টকে ভালো রাখতেও সাহায্য করে কাঁচা হলুদ। নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে হার্টের অনেক সমস্যাই আপনার কাছে ঘেঁসতে পারবে না।

৫. আর্থারাইটিসের সমস্যাকেও ভালো করে কাঁচা হলুদ। অনেক গবেষণায় এটা প্রমাণিত নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে আর্থারাইটিসের সমস্যা অনেকাংশেই ভালো হয়ে যায়।

৬. সকালবেলা খালি পেটে নিয়মিত কাঁচা হলুদ খেলে আপনি সহজে বুড়িয়ে যাবেন না। বয়সজনিত নানা সমস্যাকে দূরে রাখে কাঁচা হলুদ।

কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেতে না পারলে তাজা ফলের রস, স্যুপ- এ সবের মধ্যেও এক চামচ কাঁচা হলুদ মিশিয়ে নিতে পারেন আপনি

অনেক গুণের কালাই রুটি, নামেই আসে জিভে পানিভোজন রসিকদের কাছে রাজশাহীর আমের যেমন তুলনা হয়না। তেমনি আরেকটি খাবার দারুন প্রি...
23/07/2020

অনেক গুণের কালাই রুটি, নামেই আসে জিভে পানি

ভোজন রসিকদের কাছে রাজশাহীর আমের যেমন তুলনা হয়না। তেমনি আরেকটি খাবার দারুন প্রিয়। সেটি হলো মাসকালাইয়ের রুটি। রাজশাহী আসবেন আর মাষ কালাইয়ের রুটি খাবেন না সেকি হয়। এখানকার রসালো শাঁসালো আম মুখে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৃপ্তি এনে দেয়। একইভাবে পেঁয়াজ-মরিচ খাঁটি সরিষা তেলের ঝাঁজ মেশানো চাটনি কিংবা বেগুনের ভর্তা দিয়ে কালাইয়ের রুটি। আর কিছুই বলার দরকার নেই। এমনিতেই জিভে পানি এসে গেল।
অসাধারণ স্বাদের কালাইয়ের রুটি একবার খেলে বার বার মুখে দিতে মন চাইবে। সাধারণ খাবার হলেও এর স্বাদ আর সুঘ্রানের তুলনা হয় না। হলফ করে বলা যায় যারা এখনো এর স্বাদ নেননি, তারা একবার নিলে মনের অজান্তেই বলে উঠবেন ‘আবার খাবো’। রাজশাহী এলেই তুখোড় রাজনৈতিক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছুটে যান পদ্মা বাঁধের উপর কালাইয়ের রুটির দোকানে। সার্কিট হাউজ থেকে ভোরে বের হয়ে পাশ্ববর্তী পদ্মা বাঁধের উপর। এরপর পেঁয়াজ মরিচ আর খাঁটি সরিষা তেলের ঝাঁজ মেশানো চাটনি আর বেগুন ভর্তা দিয়ে গরম গরম কালাইয়ের রুটির স্বাদ নেন।
পদ্মার বাঁধে পূর্বাকাশে সূর্যোদয়ের পর বায়ু সেবনকারী পথচারীরা অবাক বিস্ময়ে দেখেন খেজুরের পাটি কিংবা কাঠের মাচায় বসে এমন খাবার দৃশ্য। এনিয়ে সাধারণ সম্পাদকের অসাধারণ জবাব, রাজশাহী এলাম কালাই রুটি খেলাম না তাকি হয়। কালাইয়ের রুটি এখন সবার প্রিয় খাবারের স্থান নিয়েছে। শুরুতে ফুটপাতে থাকলেও এই রুটি হোটেল রেস্তোঁরায় ঠাঁই নিয়েছে।
এক সময়কার ফুটপাতে কালাই রুটির কারবার থাকলেও এখন আলাদাভাবে গড়ে উঠেছে এর রেস্তোঁরা। শুধু কলাইয়ের রুটি আর ঝাল ভর্তার পাশে হাঁসের মাংস মেলে। পরিবেশনাতেও এসেছে ভিন্নতা। ঝাল চাটনি ও বেগুন ভর্তার পাশপাশি আচারসহ বিভিন্ন জিনিস থাকছে। তবে কলাই রুটির সাথে পেঁয়াজ মরিচের চাটনি আর বেগুন ভর্তাই মানানসই। আর ভোক্তাদের নজর ওইদিকেই।
কলাই রুটি বিক্রি করে অসংখ্য অসহায় নারী তাদের কর্মসংস্থান খুঁজে পেয়েছে। যে কলাইয়ের রুটি নিয়ে এতো কথা, সেটি বানানো সবার সহজ নয়। আটার রুটি ময়দা দিয়ে পরোটা তন্দুরি কিংবা নানরুটি খুব সহজেই কাঠের পিড়িতে বেলে তাওয়া আর তন্দুরে সেঁকে নেয়া যায়। কিন্তু কলাইয়ের রুটি কাঠের বেলুন পিড়ি কিংবা রুটি মেকারে বানানো সম্ভব নয়।
অন্যান্য রুটির ন্যায় কলাইয়ের আটার গোল গোল বল দুই হাতের তালুর চাপে চাপে বনে যায় রুটি। এই রুটি বানাতে হলে প্রয়োজন কালাইয়ের মিহি আটা। যদি যাঁতায় পেষানো যায় তবে খুবই ভাল। এই আটার সাথে আতপ চালের কিছুটা মিশ্রন দেয়া হয় মচমচে করার জন্য। মাটির তাওয়ায় এপিট ওপিঠ সেঁকতে হয়। চুলার ধারে বসে গরম গরম রুটির স্বাদই আলাদা।
এখানেও ঘটেছে ভেজালের মিশ্রন। তাই সেই আগের মত এর স্বাদ পাওয়া যায় না। প্রকৃত স্বাদ নিতে হলে আগে বলে বানিয়ে নেয়াই ভাল। বাড়িতে নিজেরাও চেস্টা করে দেখতে পারেন। খাঁটি মানের কালাইয়ের রুটি বা ডাল তৈরির সময় এর মনকাড়া সুগন্ধ অনেক দূর থেকে ভেসে আসে।
কালাই রুটির আদি উৎসভূমি হলো চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চল। যাকে বলে দিয়াড়। এটি ছিল নিম্নবিত্ত মানুষের খাবার। সকালে এটি দিয়ে লাহারী খাওয়া (নাস্তা) হয়। কৃষকরা ভোর বেলায় মাঠে গেলে কৃষাণ বধূ লাহারী বানিয়ে কাপড়ে মুড়িয়ে পরম যতেœ নিয়ে যায় মাঠে কৃষকের কাছে। এটি খেলে পেটে অনেকক্ষণ থাকে বলে ক্ষিধে কম লাগে। আবার পুষ্টিমানের দিক দিয়েও অনন্য।
জাতীয় অথবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় কর্মীরা খাবার হিসেবে গামছা কিংবা কাপড়ে বেঁধে কালাই রুটি অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যায়। এই রুটির কারনে এক সময় রসিকতা করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষকে ‘কালাই’ বলে সম্বোধন করা হতো। আর সেই কালাইয়ের রুটির জনপ্রিয়তা এখন দেশ-বিদেশে। কালাই বলে সম্বোধন করলে আগে বিব্রত হলেও এখন গর্ব অনুভব করে।
কালাইয়ের ডাল কি রসনা মেটায় না? পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে এর গুণও অনন্য। এতে রয়েছে শতকরা কুড়ি থেকে পঁচিশ ভাগ আমিষ। প্রোটিন ও ভিটামিন বি এর অন্যতম উৎস্য। রুচিকর ও বল বর্ধক। পুরুষের শুক্রানু বাড়ায়। রয়েছে প্রচুর আয়রণ। প্রচুর ফাইবার আছে বলে হজম ভালো হয়। কোষ্ঠ্য কাঠিন্য দূর করতে বেশ উপকারি। হার্ট ভাল রাখে। কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাকৃতিক উদ্দীপক হিসাবে এ ডাল ভাল কাজ করে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে এবং ব্যাথানাশক। সর্বোপরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ত্বকের যতেœ দারুণ কাজ করে।
রোদে পোড়া ত্বক, মুখের দাগ, ব্রনসহ নানা রোগের উপশম করে। এ ডাল মুখে মাখলে চুলের খুশকি দূর হয় আর চুলও নরম হয়। কালাইয়ের ডাল স্বাদ ও গন্ধে অনন্য। তৃপ্তিসহ ভাত খেতে চাইলে এ ডাল খেয়ে দেখতে পারেন। দিন দিন বাড়ছে কালাইয়ের ডালের চাহিদা ও দাম। আগে সবচেয়ে কমদামি ডাল ছিল এটি। আর এখন হয়েছে উল্টো। সবচেয়ে বেশি দামি ডাল এটি।
চাহিদা আর দামের কারনে এরমধ্যে আবার ভেজাল অনুপ্রবেশ করেছে। মেশানো হচ্ছে কালিকালাই আর মুগডাল। ডাল কিংবা কালাইয়ের রুটির আসল স্বাদ নিতে হলে বাজার থেকে কালাই কিনে ভেঙে ডাল কিংবা আটা করাই উত্তম। আগে কালাইয়ের রুটি শীতকালে বেশি খাওয়া হলেও এখন বছরজুড়েই চলছে। শিক্ষা নগরী রাজশাহীতে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদেরও প্রিয় খাবার। আর হাত বাড়ালেই সহজেই মেলে এমন মুখরোচক ও পুষ্টিকর খাবার। যারা এখনো এর স্বাদ নিতে পারেননি তারাও চলে আসতে পারেন।

ঘি দুগ্ধজাত খাবার।ঘি নাম শুনলেই যেন মনটা ভরে যায়।গরম ভাতে একটু ঘি হলেই যেন পুরো ভাতটা নিমিষেই খাওয়া হয়ে যায়।ভাতের সঙ্গে ...
23/07/2020

ঘি দুগ্ধজাত খাবার।ঘি নাম শুনলেই যেন মনটা ভরে যায়।গরম ভাতে একটু ঘি হলেই যেন পুরো ভাতটা নিমিষেই খাওয়া হয়ে যায়।ভাতের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি থাকে। ঘি এর ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বিশেষ কিছু খাবারের স্বাদ বাড়াতে যেমন কাচ্চি বিরিয়ানীসহ আরো অন্যান্য খাবার তৈরিতে ঘিয়ের প্রয়োজন হয়। ঘি খেতে তো অনেকেই পছন্দ করেন আবার অনেকেই অপছন্দ করেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না ঘিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে। ঘি তখনই শরীরের ক্ষতি করে, যখন তা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়। তাই ঘিয়ের উপকারিতা পাওয়ার জন্য নিয়ন্ত্রণ মেনে ঘি খেতে হবে। তবে তার আগে জেনে নেওয়া যাক ঘিয়ের উপকারিতা গুলো কি কি-

১। হাড়ের জন্য:- “ঘিয়ের ভিটামিন ‘কে’ ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিলে হাড়ের স্বাস্থ্য ও গঠন বজায় রাখে। স্বাস্থ্যকর ইনসুলিন ও শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে কাজে লাগে ভিটামিন ‘কে।” বলেন চ্যাডউইক। ঘিতে যেসব ভিটামিন রয়েছে -এ, ডি, ই এবং কে, যা আমাদের হৃৎপিন্ড,হাড়ের জন্য খুব উপকারী। এই ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক লুব্রিকেন্ট যা গিঁটে ব্যথা ও আর্থ্রাইটিসের সমস্যা সমাধানে কাজ করে। তাছাড়া এর মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে কাজ করে এবং হাড়কে ভালো রাখে।

২। চুল পড়া প্রতিরোধ করে:- খালি পেটে ঘি খেলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটি চুল পড়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। ঘি চুল নরম, উজ্জ্বল করতে উপকারী।

৩। উপকারি কোলস্টেরল:- কোলস্টেরল দু ধরনের- উপকারি ও ক্ষতিকর।ঘিতে রয়েছে উপকারি কোলস্টেরল। ঘিতে রয়েছে কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড। এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে।যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

৪। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়/ব্রেন টনিক হিসেবে কাজ করে:- নিউট্রিশনিস্টদের মতে নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিকবাবে ব্রেন পাওয়ারের উন্নতিতে ঘি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এত উপস্থিত ওমাগা- ৬ এবং ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রাকাশিত বেশ কিছু গবেষমায় দেখা গেছে এই দুই ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড ডিমেনশিয়া এবং অ্যালঝাইমারসের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫। কনজুগেটেড লিনোলেক অ্যাসিড- এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ রয়েছে। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয় এই কারণেই।

৬। ওজন কমায় ও এনার্জি বাড়ায়:- ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব দ্রুত এনার্জি বাড়াতে সহায়তা করে থাকে।অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।

৭। হজম ক্ষমতা বাড়ায়:- ঘিতে রয়েছে প্রচু বাটাইরিক অ্যাসিড, যা আমাদের খাবার তাড়াতাড়ি হজম করতে সাহায্য করে।যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।

৮। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:- প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকায়, ঘি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।ঘি এর বৈশিষ্ঠ্য হল নষ্ট হয় না- ঘি সহজে নষ্ট হয় না। দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

৯। ক্ষিদে কমায়: ঘিতে ওমেগা-ত্রি ফ্য়াটি অ্যাসিড থাকায় এটি ক্ষিদে পাওয়ার প্রবণতা কমায়। ফলে ওজন হ্রাসের পথ প্রশস্ত হয়। অন্যমতে হজম ক্ষমতা বাড়ানোর কারণে ঘি খিদে বাড়ায়।

১০। পজিটিভ ফুড-:- বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। কনশাসনেস উন্নত হয়।

১১।ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়:- ঘিয়ের মধ্যে কোষকে পুনর্গঠন করার ক্ষমতা রয়েছে। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। ঘি ত্বককে ময়েশ্চার করে, ত্বকের রোগ সোরিয়াসিস কমাতে কাজ করে। প্রতিদিন খালি পেটে ঘি খাওয়া শুরু করলে শরীরে ভিতর থেকে শক্তিশালী হয়ে ওঠে, সেই সঙ্গে ত্বকের ভেতরে কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যায়। তাই ত্বকের সৌন্দর্যও বাড়ে।

১২। ত্বকের প্রদাহ কমায়: অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকায় সেই প্রাচীন কাল থেকেই ত্বককে মসৃণ করতে ঘিয়ের ব্য়বহার হয়ে আসছে। শুধু কী তাই, ত্বকের প্রদাহ, ক্ষত এবং পোড়ার দাগ মেটাতেও এটি দারুন কাজে আসে।

১৩। ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: ঘিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত ফ্রি রেডিকালদের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে অনেকেই ঘি সহযোগে রান্না করে থাকেন। এই অভ্যাসও কিন্তু খারাপ নয়। কারণ ঘি-এর “স্মোকিং পয়েন্ট” খুব হাই। ফলে বেশি তাপমাত্রায় রান্না করলেও কোনও ক্ষতি হয় না।

১৪। চোখকে ভালো রাখে: ঘিতে রেয়েছ ভিটামিন -ই। তাই এটি যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে অবটিক নার্ভের উন্নতি ঘটে। ফলে আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়।
১৫।আরও কিছু উপকারিতা: নিয়মিত ঘি খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও ধরনের সংক্রমণই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

১৭।অ্যালার্জি কমায়: ‘ল্যাকটোজ ইনটোলেরেন্ট’ বা দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের যাদের পেটের গড়বড় হয় তাদের জন্য আদর্শ খাবার হতে পারে ঘি।

চ্যাডউইক বলেন, “মাখনকে ১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় গরম করে ঘি তৈরি হয়, ফলে এই সকল আমিষ উপাদান পাত্রে থেকে যায়, শুধু চর্বি অংশটুকু অবশিষ্ট থাকে ঘিতে। আর এই আমিষ অংশটিই পেটের গড়বড়ের জন্য দায়ী।”

“মাখনে থাকে ‘ক্যাসেইন’ ও ‘ল্যাকটোজ’, যা অনেকেরই হজম করতে সমস্যা হয়, অ্যালার্জি দেখা দেয়। মাখন থেকে এই উপাদানগুলো বের করে দিয়ে ঘি তৈরি করলে চর্বি ও পুষ্টিগুনগুলো পাওয়া সম্ভব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। তবে আপনার ঘি সহ্য হয় কি না সেটা আগে নিশ্চিত হতে হবে।” -বলেন চ্যাডউইক।

১৮। প্রদাহরোধী: স্বাস্থ্যকর ও নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের জন্য চাই স্বাস্থ্যকর চর্বি। ঘাস খেয়ে বেড়ে ওঠা গাভীর দুধ থেকে তৈরি ঘিয়ে মেলে ওমেগা থ্রি ও ওমেগা সিক্স ফ্যাট বা চর্বি। ছোট ও মাঝারি ‘চেইন’য়ের এ্ চর্বি প্রদাহের মাত্রা মৃদু করতে সাহায্য করে। কারণ এই চর্বি দ্রুত ভাঙে এবং হজম হয় সহজে। ফলে হজম প্রক্রিয়া, গলব্লাডার ও কোষের স্বাভাবিক কার্যাবলী বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

১৯। ভিটামিনের উৎস: বিশেষজ্ঞের মতে, “প্রাকৃতিকভাবেই ঘিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, লাইনোলেইক অ্যাসিড ও বিউটাইরিক অ্যাসিড থাকে। দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, জননাঙ্গ ইত্যাদির জন্য ভিটামিন ‘এ’ অত্যন্ত উপকারী।

ঘিতে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ‘কে’, ‘ই’ এবং ‘বি টুয়েলভ’ থাকে।

ঘিয়ের ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘কে’ চর্বিতে দ্রবণীয়। ফলে চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে খেলে শরীরে আরও ভালোভাবে শোষিত হয়। শরীরের প্রয়োজনে ব্যবহৃতও হয় বেশি কার্যকরভাবে।”

২০।অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান: কোষকে ‘অক্সিডেটিভ’ ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। অক্সিজেনের সঙ্গে পদার্থের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের যে ক্ষয় হয় তাই হচ্ছে ‘অক্সিডেটিভ’ ক্ষতি। শরীরে চিনি বেশি হলে, বিপাকীয় চাপ বেশি হলে, কোষের মাইটোকন্ড্রিয়া ভালোভাবে কাজ না করলে এবং ইনসুলিনের অনিয়ম হলে এই সমস্যা হয়। অতিরিক্ত অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে ক্যান্সার ও শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর এই সমস্যার ঝুঁকি কমাতে কিছুটা হলেও অবদান আছে ঘিয়ের।

২১। নষ্ট হয় না– ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

২২।স্ফুটনাঙ্ক– ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত খাঁটি ঘি গরম করা যায় যেমন বিডি হেলথ ঘি। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।

২৩।কোষ্ঠকাঠিন্য: ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে ন্যাচারাল লুব্রিকেটিং, যা এক ধরনের পিচ্ছিল উপদান। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন, তারা এক কাপ দুধের মধ্যে এক চামচ ঘি মিশিয়ে কিছুক্ষণ চুলার ওপর রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি পান করুন।

২৪। স্বাদ: সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

২5। ভিটামিন: ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর।
২৬।রূপচর্চা: রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এক চামচ ঘি নিয়ে আপনার চোখের চারপাশে মাখুন। এবার সারা মুখে আলতো করে লাগিয়ে নিন। আই ক্রিমের পাশাপাশি এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে। বিশেষ করে ত্বকে শুষ্কতা দূর করতে এটি উপকারী।

২৭।রাগ প্রশমন:বিশেষ কোনো কারণে কিংবা বিনা কারণে খুব রেগে গেছেন। গ্লাস ভাঙে কিংবা কুটিকুটি করে কাগজ ছিঁড়েও কাজ হচ্ছে না। হাতে একটু ঘি নিয়ে নাকে লাগান। এবার স্বাভাবিকভাবে নিশ্বাস নিন। দেখবেন এর সুগন্ধটা আপনার মন আর মস্তিষ্ককে বশে এনে ফেলেছে। আর রাগের বিষয়টি— ততক্ষণে ভুলে গেছেন আপনি।

২৮।মারাত্মক রোগের ঝুঁকি কমায়:
ঘি’তে লিনলিয়েক এসিড সমৃদ্ধ, এটি এক প্রকার ফ্যাটি এসিড যা প্লাককে প্রতিরোধ করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হার্টের বিভিন্ন রোগ দূর করে।

২৯।কোষ্ঠকাঠিন্যে: যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন, তাঁদের জন্য ঘি খুবই উপকারী।

৩০।মানসিক বিষক্রিয়াগত মাথাব্যথা মুছে ফেলে:
গবেষণায় দেখা যায়, নেতিবাচক আবেগের একটি রাসায়নিক রচনা রয়েছে এবং তা হল এইসব রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। ঘি একটি সুস্থ চর্বি যা এই আবেগ পোষণ করে না। এর পরিবর্তে এটি তাদের খুঁজে ফ্লাশ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

রূপচর্চায়ও বেশ কার্যকরী ঘিয়ের ৪টি ব্যবহার:
১. ঠোঁটকে নরম এবং গোলাপি রাখতে ঘিয়ের জুড়ি নেই। অল্প ঘি নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন।
২. চোখের নিচের কালি দূর করবে ঘি। এক ফোঁটা ঘি নিয়ে চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩. প্রতিদিন মাথার ত্বকে ঘি দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথায় রক্ত চলাচল ভালো হয় এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে। চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও ঘি দারুণ উপকারী। চুলকে আরো চকচকে এবং নরম রাখে ঘি। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ চামচ ঘি নিয়ে চুল এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪. দুই চামচ ঘি হালকা গরম করে ভালো করে তাতে অল্প পানি মেশান। তারপর সেই মিশ্রণ সারা গায়ে এবং মুখে মাখুন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক সমৃণ থাকবে।
কতটা পরিমাণ ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যকর: উপকারি খাবারও বেশি মাত্রায় খাওয়া উচিত নয়। কারণ এমনটা করলে শরীরের ভাল হওয়ার থেকে ক্ষতি হয় বেশি। যেমন, ঘি-এর কথাই ধরুন না। এই খাবারটি শরীরের এতটা উপকারে লাগে। কিন্তু কেউ যদি অনিয়ন্ত্রিত হারে ঘি খাওয়া শুরু করেন, তাহলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাহলে এখন প্রশ্ন হল, দিনে কত পরিমাণ ঘি খাওয়া চলতে পারে? চিকিৎসকদের মতে শরীরকে সুস্থ রাখতে দৈনিক ২ চামচের বেশি ঘি খাওয়া একেবারেই চলবে না। অর্থাৎ এ খাবার গ্রহণে পরিমিত হতে হবে। একবারে বেশি খাওয়া যাবে না। দিনে ১০ থেকে ১৫ গ্রাম ঘি খাওয়া যেতে পারে।

ভিটামিন: ঘি-তে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে আছে। যা আমাদের হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক এবং হাড়ের জন্য খুবই উপকারী।
কাদের ঘি খাওয়া উচিত না?: অনেকের মতেহার্টের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অথবা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় যারা ভুগছেন ঘি খাওয়া উচিত না।

ঘি কিভাবে তৈরি করবেন? ঘিয়ের উপকারিতা শুনে এরই মধ্য যারা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তারা কিন্তু ঘরে বসেই এটি তৈরি করতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন ভালো মানের অর্গানিক মাখন, যা অবশ্যই লবণমুক্ত।

একটি পাত্রে মাঝারি আঁচে এটিকে জাল দিন। কিছুক্ষণ পর পপকর্নের গন্ধের মতো করে মিষ্টি একটি সুবাস ছড়িয়ে সোনালি রঙ ধারণ করবে গলে যাওয়া মাখন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর দেখবেন মাখনের মধ্যে থাকা দুধ নিচে জমা হচ্ছে এবং সুবর্ণ বাদামি রঙ ধারণ করছে। এবার একটি ছাঁকনি দিয়ে এটিকে ছেঁকে ফেলুন। ব্যস! ২০ মিনিটেই তৈরি আপনার ঘি। এতসব ঝামেলার কাজ নিজে না করতে চাইলে Brand Bucket ঘি কিনে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন।

Address

30/1 Prashanti Garden, Darussalam Road, Dhaka
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801975458388

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Brand Bucket posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Brand Bucket:

Share