ASFAA HONEY

ASFAA HONEY Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ASFAA HONEY, Shopping & retail, Matuail.

ক্যালিফোর্নিয়া আখরোট
23/06/2020

ক্যালিফোর্নিয়া আখরোট

29/05/2020

সকলের উদ্দেশ্যেই বলছি - আশা করি পুরোটাই পড়বেন,,,,,
– অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা৷

লক ডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই। কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার। তানাহলে হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লক ডাউন রাখা সম্ভবও না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন। চীন,ইতালিতেও উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে লকডাউন।
তবে আমরা কি এভাবেই মরব?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যা এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার। প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে। এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারে নি বলে তারা আজ নেই। অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে। কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে। ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রুপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution।

তো এগুলা বলার মানে কি? এগুলা জেনে কি করব?
আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে। লড়াই করে টিকে থাকতে হবে।

আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে। কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই টিকে থাকা সম্ভব।

💯 অভ্যাসঃ
বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে।
কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া,
কলমের মুখ কামড়ানো,
আঙুল জিব্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো,
থুতু দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে।

২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যেস গুলা গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করতেসে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে। ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।

💯 এনভায়রনমেন্ট,,,,

আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি। নয়ত এই ঘনবসতি দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভাল কাজ করতেসে। আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে। শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে। এজন্য শীত প্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিতেসে বেশি। তাই ঠান্ডা এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।

💯 ইমিউনিটি,,,,,,

এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট। এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী। হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই। আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে। সেটা কিভাবে?

🔶🔷🔸🔹
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি।

# ফিজিক্যালিঃ

1⃣ নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে।

2⃣ প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট। মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে।

3⃣ প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে। রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই

✅ খাবার,,,,,,,

1⃣ ভাতে কোন পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন। ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে।

2⃣ প্রচুর পানি খেতে হবে ( এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না)

3⃣ এন্টি অক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার খেতে হবে। শাক সবজি খেতে হবে। প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।

4⃣ ভিটামিন সি বা টক যুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে। এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে লেবু সেদ্ধ গরম পানি খান।

5⃣ ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবন খাওয়াও কমাতে হবে।

6⃣ আমাদের দেশের মশলা গুলা দারুন কাজের। লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এই গুলা মারাত্মক ভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে। দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের। চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন। গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টি তে এই মশলা গুলা খেলে অনেক ভাল।

7⃣ কালিজিরা কার্যকরী একটা জিনিস। প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালিজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন। এছাড়া কালিজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারে সাথেও খেতে পারেন।

🔶 মেন্টালি,,,,,,

ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি। তাই মন কে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে। ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।

সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক। সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই। বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা।

বাঘ-কুমিরের সঙ্গী হয়ে মধুর খোঁজে সুন্দরবনে হাজারো মৌয়ালশেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট: বাঘ-কুমিরের সঙ্গী হয়ে মধুর খোঁজে সু...
06/05/2020

বাঘ-কুমিরের সঙ্গী হয়ে মধুর খোঁজে সুন্দরবনে হাজারো মৌয়াল
শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট:

বাঘ-কুমিরের সঙ্গী হয়ে মধুর খোঁজে সুন্দরবনে হাজারো মৌয়াল
জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ, এর মধ্যেই মধুর খোঁজে হাজার হাজার মৌয়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে। আজ শুক্রবার থেকে সুন্দরবনে শুরু হয়েছে মধু আহরণ মৌসুম। চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। ইতোমধ্যে প্রায় একহাজার মৌয়াল নির্দিষ্ট পরিমান রাজস্ব দিয়ে মধু আহরণ করতে বিশ্বের অন্যতম এ ম্যানগ্রোভ বনে পৌঁছেছেন। সুন্দরবন বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সুন্দরবনের মধুর খ্যাতি বিশ্বজোড়া। প্রতি বছর এ বন থেকে গড়ে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার মন মধু আহরিত হয়, যা সারা দেশ থেকে আহরিত মধুর অর্ধেকেও বেশী।

ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার কাছে সমান সমাদৃত সুন্দরবনের মধু। শত শত বছর আগে জমিদার, রাজা-বাদশাদের কাছেও জনপ্রিয় ছিল সুন্দরবনের মধু। নানা রোগ-বালাই নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এ মধু। সুন্দরবনের বিভিন্ন ফুলের মধুর মধ্যে খলসী ফুলের মধু হচ্ছে সর্বাধিক স্বচ্ছ ও সুস্বাদু। বিক্রি হয় অধিক দামে। সে কারনে সুন্দরবনের ৪টি রেঞ্জের মধ্যে সাতক্ষীরা ও খুলনা রেঞ্জের অরণ্যে খলসী গাছের আধিক্য থাকায় মুধু আহরণকারী মৌয়ালদের লক্ষ্য থাকে ওই দুটি রেঞ্জ। এই দুটি রেঞ্জ থেকে সুন্দরবনের মধুর ৬০ থেকে ৭০ ভাগ আহরিত হয়ে থাকে। সুন্দরবনের মৌয়ালরা হতদরিদ্র ও অশিক্ষিত হলেও সনাতন পদ্বতিতে পেশাগত কারনে তারা মধু আহরণ করে থাকে নিপুন হাতে। মৌয়ালরা ছোট-বড় দেশীয় নৌকা ও ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে দলবদ্ধভাবে সুন্দরবনে মধু আহরণ করতে যায়।

সুন্দরবনের মধু আহরণ করা একাধিক মৌয়ালের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা একটি গ্রুপে সাতজন করে থাকেন। একজন রান্নাসহ নৌকা পাহারা দেন, অন্যরা দুই দলে বিভক্ত হয়ে মৌচাক খুঁজতে মধু আহরণের নানা সরঞ্জাম নিয়ে মৌমাছির পিছনে ছুঁটে চলে। অনেকে আবার বাইনোকুলারের সাহায্য নেয়। এভাবে তারা মৌচাক খুঁজে পেলে 'কু' শব্দ করে সংকেত দেয়। তখন দলের অন্যরা সেখানে পৌঁছায়।

এরপর তারা মাথায় গামছা বা কাপড় বেঁধে খড়-কুটার 'উকো বা তড়পা' দিয়ে আগুনের ধোয়া সৃষ্টি করলে মৌচাক থেকে মৌমাছিরা পালিয়ে যায়। এরপর চাক থেকে মধু ও মোম আহরণ করা হয়। মৌয়ালরা সনাতন পদ্ধতিতে মধু আহরণকালে প্রতি বছর অনেক মধু মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়। সুন্দরবন বিভাগের তথ্যমতে, প্রতিবছর মধু আহরণকালে বেশ কিছু মৌয়াল সুন্দরবনের রাজা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হামলায় নিহত হয়। এছাড়া সাপের কামড়ে, কখনো আবার কুমিরের হামলায় প্রাণ হারায় অনেকে।

বিডি-প্রতিদিন/০১ এপ্রিল ২০১৬/ এস আহমেদ

দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মানসিক চাপ এড়াতে বেছে নিতে পারেন আখরোট। গবেষণা বলছে, দুশ্চিন্তা কমাতে শরীরকে সাহায্য করে আখরোট। এতে...
06/05/2020

দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মানসিক চাপ এড়াতে বেছে নিতে পারেন আখরোট। গবেষণা বলছে, দুশ্চিন্তা কমাতে শরীরকে সাহায্য করে আখরোট। এতে থাকে ‘পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট’ যা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। আরও দেখা যায়, ‘অ্যাভারেজ ডায়াস্টলিক বস্নাড প্রেশার’ (নিচের নম্বর) কমাতে আখরোট অত্যন্ত উপকারী। পাশাপাশি এতে থাকে আঁঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আনসাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড। এক কাপের এক চতুর্থাংশ আখরোট শরীরের দৈনিক ওমেগা-থ্রি ফ্যাটস এর চাহিদার ৯০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। পুষ্টিবিদদের মতে, একমুঠো আখরোট ‘কটিসল’ হরমোনের মাত্রা কমায়। এই হরমোন যা মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশেষ করে যাঁদের অতিরিক্ত দুচিন্তার সমস্যা রয়েছে। এছাড়াও শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় আখরোট। প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক আখরোট। পাশাপাশি স্তনে টিউমারের বৃদ্ধি রোধ করে। খাদ্যাভ্যাসে আখরোট থাকলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বিপাকীয় প্রক্রিয়ার উন্নয়নে অবদান রয়েছে আখরোটের। প্রতি এক কাপের এক-চতুর্থাংশ আখরোট শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এবং দেহের আদর্শ ওজন ধরে রাখতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তি ও মেধা বাড়াতে ভূমিকা রয়েছে আখরোটের, বিশেষত বয়স্কদের ক্ষেত্রে। এতে থাকে প্রচুর ‘ পলিফেনল’ উপাদান যা স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন মাত্র ছয়টি আখরোট থেকেই মিলবে এই উপকারিতা। উর্বরতা বাড়াতে আখরোটের উপকারিতা অনেকের অজানা। প্রতিদিন প্রায় ৭৫ গ্রাম আখরোট গ্রহণ শুক্রাণুর গুণগত মান বাড়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে। শরীরে কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে আখরোট। আখরোটে থাকা ‘আলফালিনোলেনিক অ্যাসিড’ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, উজ্জ্বলতা ভিটামিন ‘বি’ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর আখরোট ত্বক ঝুলে পড়া ও বয়সের ছাপ পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে। বাড়তি পুষ্টি গ্রহণের সুস্বাদু উপায় আখরোট।

 #মধুতে_এনজাইম এর উপস্থিতি ও এগুলো কিভাবে মানুষের শরীরের অভ্যন্তরে উপকার সাধন করে তার কিছু বর্ণনা:বিভিন্ন ধরনের এনজাইম প...
04/05/2020

#মধুতে_এনজাইম এর উপস্থিতি ও এগুলো কিভাবে মানুষের শরীরের অভ্যন্তরে উপকার সাধন করে তার কিছু বর্ণনা:

বিভিন্ন ধরনের এনজাইম প্রাকৃতিকভাবেই মানুষের শরীরে উপস্থিত থাকে। সমস্ত জীবিত প্রাণী তাদের নিজস্ব এনজাইম উত্পাদন করে। এই এনজাইমগুলি ছাড়া আমরা জীবন বাঁচাতে সক্ষম হব না।
ডায়েটে এনজাইমের অভাব এ বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, ফোলাভাব, ক্লান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ অনেক অসুস্থতার কারণ হয়। টাটকা এবং কাঁচা খাবার, বিশেষত ফল এবং শাকসব্জি এনজাইমে পূর্ণ।
এজন্য ডায়েটরি বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন যে খাবারের শুরুতে শাকসব্জী খাওয়া যাতে হজমকারী এনজাইম গুলো পেটের মধ্যে আগত খাবারগুলি ভেঙে দিতে সহায়তা করে।

#আশাকরি #এনজাইমের কাজ কি তা অল্প পরিসরে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি।

#মধুতে বিস্ময়কর সংখ্যক এনজাইম রয়েছে, পুষ্টি বিশেষজ্ঞ সেলি এর মতানুসারে প্রায় ৫০০০(পাঁচ হাজার) টিরও বেশি এনজাইম রয়েছে ।

এই এনজাইমগুলি শরীরে তাত্ক্ষণিক ডিটক্সাইফাইং প্রভাব ফেলে কারণ এগুলি সরাসরি রক্তের সাথে মিশে যায় এবং কাজ করতে শুরু করে এবং শরীরের টক্সিনগুলি ভেঙে ফেলতে শুরু করে ।
Honey ঠান্ডা বা উষ্ণ পানিতে মিশ্রিত করা হলে ডিটক্সাইফাইং প্রভাবটি বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।

একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, মৌয়াল এবং মৌচাষিরা দীর্ঘায়ু হয়। এর কারণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে যে তারা নিয়মিত মধু এবং pollen খেতেন।

Honey তে উপস্থিত এনজাইমগুলি "মৌমাছির নিজের পেট" এবং "ফুলের নেক‌‌টার" যেগুলো মৌমাছি খায় উভয় থেকেই আসে অর্থাৎ মৌমাছি প্রথমে ফুলের নেকটার গুলো খায় তারপরে তার পেটের মধ্যে নিয়ে মৌমাছির নিজস্ব এনজাইমগুলো মিশ্রিত করে এবং সেগুলো মৌমাছি তাদের নিজস্ব বাসায় সংরক্ষণ করে আর এটাই #মধু। অর্থাৎ ফুলের নেকটার আর মৌমাছির পেটের মধ্যে থাকা এনজাইমগুলো মিশ্রিত হওয়ার পরে আমরা যে মধু পাই তাতে প্রায় ৫০০০ এনজাইম উপস্থিত থাকে ।

এনজাইম যেভাবে উপকার সাধন করে তার মধ্যে কিছু এনজাইম আছে যেগুলো গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ কে ভেঙ্গে দিয়ে শরীরকে চিনি জাতীয় পদার্থ হজমে সহায়তা করে।

আবার কিছু এনজাইম -গ্লুকোজ অক্সিডেস থেকে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড উত্পাদন করে, যা honey র শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি থেকে আসে।

আবার honey তে পেপটিডেস থাকে যা একটি প্রোটোলিটিক এনজাইম হিসাবে পরিচিত যার কাজটি প্রোটিনকে অ্যামিনো অ্যাসিডে বিভক্ত করে দেয়া অর্থাৎ শরীরের দ্বারা প্রোটিনকে আরও ভালভাবে শোষিত হতে দেয়।
এছাড়া মধুতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ থাকে প্রায় ৮0 শতাংশ।

সুতরাং মধু শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে এবং হজমে শক্তিশালী সহায়তা করে।

র উচ্চ এনজাইম সামগ্রী থেকে উপকৃত হওয়ার সর্বোত্তম উপায় হ'ল এক গ্লাস ঠান্ডা বা কুসুম গরম (গরম নয়) পানিতে এক চা চামচ honey মিশিয়ে সকালে খালি পেটে প্রথম পান করা ..

বি: দ্র: #কালোজিরা ফুলের মধু অত্যান্ত উপকারী মধু।

#বন্ধুরা আমার কাছে পাচ্ছো খাঁটি মধু

#কালোজিরা ফুলের মধু
#সুন্দরবনের মধু
#সরিষা ফুলের মধু
#লিচু ফুলের মধু
#মিশ্র ফুলের মধু

খাঁটি মধু
03/05/2020

খাঁটি মধু

নিয়মিত মধু সেবন করুন সুস্থ থাকুন
03/05/2020

নিয়মিত মধু সেবন করুন সুস্থ থাকুন

Address

Matuail
1215

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801886211320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ASFAA HONEY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ASFAA HONEY:

Share