Islamic Masala

Islamic Masala Your gateway to Islamic knowledge and inspiration.
(1)

Islamic Touch একটি ব্র্যান্ড যেটি সবসময় কাজ করে যাচ্ছে ইসলামী বই নিয়ে এবং সেই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে গিয়েছি বিশ্বস্ততার সাথে। আমরা প্রতিযোগিতা মূলক মূল্য নির্ধারণ করে কাস্টমারদের বাজেটকে মূল্যায়ন করে থাকি। সততা, দক্ষতা, জবাবদিহিতা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে সার্ভিস প্রদান করে আসছি।
ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত ইসলামী বই সরবরাহে সকল প্রকাশন রয়েছে এক ধাপ এগিয়ে। আমরা

সবাই জানি যে মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে বই একটি অন্যতম মাধ্যম Islamic Touch । ইসলাম একমাত্র শান্তির ধর্ম। ইসলামী বই গুলো পড়ার মাধ্যমে আপনি এই শান্তির ধর্মের সম্পর্কে বিস্তারিত আরও জানার সুযোগ সৃস্টি করতে পারবেন।
এক সময় আমাদের ভিতর বই পড়ার আগ্রহ থাকলেও সময়ের সাথে সাথে ডিজিটাল সকল ডিভাইসের আগ্রাসনের কারণে এবং ডিজিটাল ডিভাইসের অধিক ব্যবহারের কারণে বই পড়ার আগ্রহ দিন দিন কমে যাচ্ছে। একটি সুন্দর জীবন গড়ে তোলার জন্য হলেও আমাদের সকলের উচিত নিয়মিত ইসলামী বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। আমাদের সকলের নিজ দায়িত্ব থেকে বই পড়ার পাশাপাশি পরিবারের সকলকে বই পড়ার জন্য আগ্রহী করে তোলার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।
দেখা হবে জান্নাতে ইনশাআল্লাহ ❤️
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ

📌 বাচ্চা হিফজে অমনোযোগী? সহজে পড়া আদায়ের রহস্য কী?​হিফজ শিক্ষার্থীদের থেকে সহজে পড়া আদায় এবং তাদের পড়ার প্রতি আগ্রহ ধরে...
23/07/2026

📌 বাচ্চা হিফজে অমনোযোগী? সহজে পড়া আদায়ের রহস্য কী?

​হিফজ শিক্ষার্থীদের থেকে সহজে পড়া আদায় এবং তাদের পড়ার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখার কার্যকর কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন হাফেজ ক্বারী মাহমুদুল হাসান সাহেব এম.এ।
​🎬 পুরো ভিডিওটি দেখুন এবং আপনার মত জানান!
🎥[comment check]

একটি আয়াত ও ভুল ব্যাখ্যা! একবোন প্রশ্ন করেছেন, আমি ফ্ল্যাট বাসায় থাকি তো আমি থার্ড ফ্লোর থাকি আর একটা ফ্যামিলি আছে যিনি...
29/06/2026

একটি আয়াত ও ভুল ব্যাখ্যা!

একবোন প্রশ্ন করেছেন,

আমি ফ্ল্যাট বাসায় থাকি তো আমি থার্ড ফ্লোর থাকি আর একটা ফ্যামিলি আছে যিনি দুই তালায় থাকেন। ওই ফ্যামিলির মহিলার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক উনি একজন খ্রিস্টান মহিলা। মাঝে মধ্যে আমার বাসায় আসে আর আমিও উনার এইখানে যাই। মাঝেমধ্যে আমার কাজে উনি হেল্প করে আর আমিও মাঝেমধ্যে করার চেষ্টা করি। আমি কখনোই উনার ধর্মটাকে বিশ্বাস করি না আমি একমাত্র ইসলাম ধর্মকে বিশ্বাস করি। আমার উদ্দেশ্য ছিল এভাবে চলতে চলতে কোন একদিন আমি আস্তে আস্তে করে উনাকে দিনের দাওয়াত দিব।
যেখানে কোরআনের সূরা নিসা নাকি এই আয়াতটা আছে এর ভিত্তিতে কি আমি খ্রিস্টানদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছি এবং সেই সাথে কি আমাদের বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল আছে এখনো?

উত্তর :
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَتَّخِذُوا الۡیَہُوۡدَ وَالنَّصٰرٰۤی اَوۡلِیَآءَ ۘؔ بَعۡضُہُمۡ اَوۡلِیَآءُ بَعۡضٍ ؕ وَمَنۡ یَّتَوَلَّہُمۡ مِّنۡکُمۡ فَاِنَّہٗ مِنۡہُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَا یَہۡدِی الۡقَوۡمَ الظّٰلِمِیۡنَ

হে মুমিনগণ! ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা নিজেরাই একে অন্যের বন্ধু! তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই মধ্যে গণ্য হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ জালিমদেরকে হিদায়াত দান করেন না।
—আল মায়িদাহ - ৫১

এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ হিসাবে বলা হয় যে, উবাদা বিন স্বামেত আনসারী (রাঃ) এবং মুনাফিকদের সর্দার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই দু'জনেই জাহেলিয়াতের যুগ থেকে ইয়াহুদীদের সাথে মৈত্রীচুক্তিতে আবদ্ধ ছিল। বদরের যুদ্ধে যখন মুসলিমগণ বিজয়ী হলেন, তখন আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই নিজেকে মুসলিম বলে প্রকাশ করল। এদিকে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই বানু কাইনুকার ইয়াহুদীরা ফিতনার আগুন জ্বালিয়ে দিল এবং তা নির্বাপিত করা হল। এর ফলে উবাদা (রাঃ) ইয়াহুদীদের সাথে মৈত্রী-সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করে দিলেন। কিন্তু আব্দুল্লাহ বিন উবাই বিপরীত পথ অবলম্বন করে ইয়াহুদীদেরকে বাঁচানোর জন্য সমস্ত রকম প্রচেষ্টা শুরু করে দিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াত অবতীর্ণ হয়।

সুতরাং আয়াতের অর্থ_

হে বিশ্বাসীগণ, তোমরা (মুনাফিকদের মত) ইহুদী ও খ্রিস্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা (নিজেরাই) একে অপরের বন্ধু। (অর্থাৎ ইহুদীরা পরস্পর এবং খ্রিস্টানরা পরস্পর বন্ধু উদ্দেশ্য এই যে, বন্ধুত্ব সামঞ্জস্যের কারণেই হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে পরস্পর সামঞ্জস্য রয়েছে, কিন্তু তোমাদের সাথে কি সামঞ্জস্য?) এবং (যখন জানা গেল যে, সামঞ্জস্যের কারণে বন্ধুত্ব হয়, তখন) তোমাদের মধ্য থেকে যে লোক তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, নিশ্চয়ই সে (বিশেষ কোন সামঞ্জস্যের দিক দিয়ে) তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (বিষয়টি যদিও সুষ্পষ্ট, কিন্তু) নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা'আলা তাদেরকে (এ বিষয়ের) জ্ঞানই দেন না, যারা (কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করে,) নিজেদের ক্ষতি সাধন করছে (অর্থাৎ বন্ধুত্বে মগ্ন থাকার কারণে বিষয়টি তাদের বুঝেই আসে না।)

আল্লামা শানকীতী (রহঃ) বলেন, বিভিন্ন আয়াত থেকে এটাই বুঝা যায় যে, কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারটি ঐ সময়ই হবে, যখন ব্যক্তির সেখানে ইচ্ছা বা এখতিয়ার থাকবে। কিন্তু যখন ভয়-ভীতি বা সমস্যা থাকবে, তখন তাদের সাথে বাহ্যিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের অনুমতি ইসলাম শর্তসাপেক্ষে দিয়েছে। তা হচ্ছে, যতটুকু করলে তাদের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রেও আন্তরিক বন্ধুত্ব থাকতে পারবে না। [আদওয়াউল বায়ান]

তাফসীরে জাকারিয়া।
الله اعلم بالصواب

Address

Maghbazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Masala posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category