25/09/2025
জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের ফজিলত অনেক বেশি। ইতিহাসে এই দিন অনেক বড় বড় ঘটনাও ঘটেছে। এই দিনের কিছুর আমল অনেক সওয়াব ও ফজিলতের। তন্মধ্যে দরুদ শরিফ পাঠ অন্যতম।
মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার প্রিয় হাবিব রাসুল (ﷺ)-এর ওপর দরুদ পড়তে স্বয়ং আল্লাহ নির্দেশ দেন। পবিত্র কোরআনুল কারিমে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) স্বয়ং এবং আমার ফেরেস্তারা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর রহমত প্রেরণ করিয়া থাকি; হে মুমিনরা! তোমরাও তাঁহার ওপর রহমতের দোয়া কর এবং সালাম প্রেরণ কর।’
(সুরা আহজাব, আয়াত: ৫৬)
মহানবী (ﷺ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পড়ে, আল্লাহ তায়ালা তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন।’
(মুসলিম, হাদি : ৩৮৪; তিরমিজি, হাদিস : ৩৬১৪)
শুক্রবার তথা জুমার দিন দরুদ পাঠের রয়েছে বিশেষ ফজিলত। আওস ইবনে আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, একটি হাদিসে এসেছে, মহানবী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই জুমার দিন শ্রেষ্ঠতম দিনগুলোর অন্যতম। ... সুতরাং সেদিন তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পড়। নিশ্চয় তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়। ...
(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৭; মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৬১৬২; সহিহ ইবনে হিববান, হাদিস : ৯১০, হাদিসটি সহিহ)
অন্য হাদিসে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুল (ﷺ) ইরশাদ করেন, ‘তোমরা জুমার রাত ও জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ কর। যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে আল্লাহ তায়ালা তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করেন।
(আসসুনানুল কুবরা, বায়হাকি : ৩/২৪৯; ফাযাইলুল আওকাত, বায়হাকি : ২৭৭; আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, ইবনুস সুন্নি : ৩৭৯, এর সনদ হাসান পর্যায়ের)
আল্লাহ আমাদেরকে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করার তৌফিক দান করুক।