Noapara Bazar

Noapara Bazar To introduce my hometown in the world.

The Beauty of Bhairob River...
17/08/2014

The Beauty of Bhairob River...

15/07/2014
04/06/2014
You people see all the players details country wise with mass planing and fixer as below link...
31/05/2014

You people see all the players details country wise with mass planing and fixer as below link...

29/05/2014

নওয়াপাড়ায় যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য আটক

অভয়নগর প্রতিনিধি : বুধবার বিকালে নওয়াপাড়া গরু হাট ও বৌ বাজার এলাকায় কোস্টগার্ড, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। এছাড়া বৌ বাজার এলাকার একটি বাড়ি থেকে ৩৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ নওয়াপাড়ার বিভিন্ন মাদক পয়েন্ট থেকে বিপুল পরিমাণে মাদকদ্রব্য আটক করে।

05/05/2014

নওয়াপাড়া থেকে তিলক পর্যন্ত কেডিএ’র উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা

এ এইচ হিমালয় : খুলনার জন্য ডিটেইল্ড এরিয়া প্লান (ড্যাপ) তৈরির কাজ শেষ করে এনেছে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ)। ড্যাপে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রস্তাবিত ২৬টি মৌজাসহ উত্তরে নওয়াপাড়া পৌরসভা, দক্ষিণে রূপসার তিলক ও পূর্বে দিঘলিয়ার সেনহাটি-বারাকপুর পর্যন্ত মোট ৭৮টি মৌজা কেডিএ’র উন্নয়ন মহাপরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৩ সালের মধ্যে খুলনাকে আধুনিক মেট্রোপলিটন সিটি হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় রূপকল্প তৈরি হচ্ছে। যা’ সরকারের ৩৩টি সংস্থা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে।

কেডিএ সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মাস্টার প্লান এলাকায় ড্যাপ তৈরির জন্য ২০০৯ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু হয়। কাজে ধীরগতির জন্য দুই দফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সম্প্রতি এর সারাংশ জমা দিয়েছে পরামর্শক সংস্থা। সব শ্রেণীপেশার মানুষের মতামত নিয়ে এটি চূড়ান্ত করা হবে। খুলনার জন্য ডিটেইল্ড এরিয়া প্লান তৈরি এবারই প্রথম।
প্রস্তাবিত ড্যাপে দেখা গেছে, ২০২৩ সাল নাগাদ খুলনার জনসংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১৭ লাখে। নতুন এলাকার জন্য তৈরি করতে হবে ১৭১ দশমিক ৫১ কিলোমিটার নতুন সড়ক। নির্মাণের পরিকল্পনায় রয়েছে ৮৩টি প্রাথমিক ও ১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি করে কলেজ, আলিয়া মাদ্রাসা, টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ও এতিমখানা। থাকবে দু’টি জেনারেল হাসপাতাল, একটি বিশেষায়িত মানসিক হাসপাতাল ও একটি নার্সিং ট্রেনিং ইন্সটিটিউট। নতুন ১৪টি বাজার, ৩টি মেট্রোপলিটন পার্ক ও ৪টি টাউন সেন্টার নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে ড্যাপে। এগুলোর সুনির্দিষ্ট স্থান, জমির পরিমাণ উল্লেখ করে জমা দেয়া হয়েছে কেডিএতে।
কেডিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে খুলনার তৃতীয় মাস্টার প্লান তৈরি হয়। সিটি বাইপাস সড়ক তৈরির পর পশ্চিম দিকে সম্প্রসারিত হতে থাকে মহানগরী খুলনা। ততদিনে যশোর জেলার নওয়াপাড়াকে কেডিএ’র আওতায় আনার কাজ শুরু হয়। নগরীর অপরিকল্পিত সম্প্রসারণ ও যত্রতত্র নগরায়ণ হতে থাকায় পুরো এলাকাকে উন্নয়ন মহাপরিকল্পনায় আনার উদ্যোগ নেয় কেডিএ। ২০০৯ সালে তৈরি করা হয় ‘খুলনা মাস্টার প্লান এলাকার জন্য ডিটেইল্ড এরিয়া প্লান প্রণয়ন প্রকল্প’। এর ব্যয় ধরা হয় ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা। প্রকল্পের পরামর্শক সংস্থা হিসেবে নিয়োগ পায় জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালটেন্টস এবং ডাটা এক্সপার্টস।
সূত্রটি জানায়, ২০১০ সালের ৩০ অক্টোবর ডিটেইল্ড এরিয়া প্লানের জন্য কাজ শুরু করে পরামর্শক সংস্থা। শুরুতেই গতি হারিয়ে ফেলে তারা। ধীরগতির কাজের জন্য কয়েকদফা তাগাদাপত্র এবং দু’দফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সম্প্রতি কেডিএ’র কাছে প্লানের সার সংক্ষেপ জমা দিয়েছেন তারা। এতে ২৩১ কিলোমিটার এলাকার স্ট্যাটেজি প্লান এবং ১৮১ কিলোমিটার এলাকায় ডিটেইল্ড প্লান তৈরি করা হয়েছে।
প্লানে প্রতিটি এলাকার ভূমি ও জনসংখ্যার নির্দিষ্ট জরিপ, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, ভূমির ব্যবহার এবং উন্নয়ন প্রস্তাবনার ছক ও ১০টি প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন করে দেয়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় কাগজে-কলমে থাকায় এর সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছে না নগরীর মানুষ। তবে প্লানটি সঠিকতা যাচাইয়ে কেসিসির কাউন্সিলর, আওতাধীন এলাকার জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয়দের নিচ্ছে কেডিএ। আগামী ৮ মে খুলনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক ও নগরীর বিশিষ্টজনদের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রকল্পের পরিচালক ও কেডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মুজিবর রহমান বলেন, নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য ডিটেইল্ড এরিয়া প্লান থাকা আবশ্যক। ইতোমধ্যে পরামর্শক সংস্থা খুলনার জন্য ড্যাপ জমা দিয়েছে। বর্তমানে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এখন বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় শেষে প্লানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। সবার মতামত নিয়ে ২০১৪ সালের জুনের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

30/04/2014

স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিন্তু জনপ্রিয় সাতটি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্য !!!

বিশ্বজুড়ে ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন কেমিস্টরা। তারাই মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার প্রস্তুতের নানা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। আবার তারাই জানেন, কোন খাবারগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। এমন বহু খাবার গোটা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তাও লাভ করেছে। এখানে বিশেষজ্ঞরা সাতটি প্রক্রিয়াজাত খাবারের কথা বলছেন যা মানুষের দেহে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
১. সফট ড্রিংকস
বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাত খাবার তৈরির শুরুর দিকের একটি অস্বাস্থ্যকর পানীয় হলো কার্বোনেটেড বেভারেজ। ১৭৭২ সালে জোসেফ প্রিস্টলি একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যা কার্বোনেটেড বেভারেজ তৈরি করতে পারে। এই সফট ড্রিংকস ফার্মাসিস্টদের দ্বারাই হেলথ ড্রিংকস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বাস্তবতা হলো, এটি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নয়। কারণ এই পানীয়ের সোডার কারণে অস্টিওপরোসিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২. এমএসজি
মনসোডিয়াম গ্লুটামেট (এমএসজি) ১৯০৯ সাল থেকে খাবারের স্বাদ-গন্ধ বৃদ্ধিকারী উপাদান হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। খাবারের গন্ধ বাড়ালেও এর স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। এমএসজি এমন এক রাসায়নিক পদার্থ যা মস্তিষ্কের কোষ উত্তেজিত করে তোলে। বিভিন্ন খাবারে ফ্লেভার ব্যবহার করা হয় এবং তা বিভিন্ন নামে পরিচিত।
৩. মার্গারিন
মাখনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের জন্য ফ্রান্সে নেপোলিয়ন তৃতীয় এর সময় প্রস্তুত করা হয় মার্গারিন। নেপোলিয়ন ভেবেছিলেন, ফ্রান্সের নেভি সদস্য এবং দরিদ্র মানুষদের মাখনের চাহিদা মেটাতে কম দামে মাখনের বিকল্প তৈরি করা প্রয়োজন। এমন খাবার যে বানানোর জন্য পুরষ্কার ঘোষণা করেন তিনি। ১৮৬৯ সালে কেমিস্ট হিপোলি মিগে মরিস মাখনের বিকল্প মার্গারিন প্রস্তুত করেন যা বহু মানুষের হৃদরোগের জন্য দায়ী। কারণ এটি ক্ষতিকর হাইড্রোজেনেটেড তেল দিয়ে তৈরি করা হয়।
৪. ব্লিচড আটা
১৯০০ এর প্রথম দিকে সাদা রঙের আটা প্রস্তুতের জন্য ব্লিচিং এবং অক্সিডাইজিং উপাদানের ব্যবহার শুরু হয়। ব্লিচিং এতটাই মারাত্মক ক্ষতিকর ছিলো যে, পিওর ফুড অ্যান্ড ড্রাক অ্যাক্ট এর জনক ড. হার্ভে ডাব্লিউ উইলে মামলা ঠুকে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট অবধি যান। সর্বোচ্চ আদালত ব্লিচিং ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও দুর্ভাগ্যবশত আইনের প্রয়োগ ছিলো না। তাই আজও আমরা ব্লিচড আটা-ময়দা খাই।
৫. স্যাকারিন
১৮৭৮ সালে দুর্ঘটনাবশত স্যাকারিন আবিষ্কার করে ফেলেন রসায়নের এক প্রফেসর। পরীক্ষাগারে কয়লার এক ধরনের গাদ পেয়ে যান যার স্বাদ চিনির মতো মিষ্টি। ব্লিচড আটার মতো স্যাকারিন ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন ড. উইলে। কিন্তু এটা এতোটাই জনপ্রিয়তা পায় যে তিনি কাউকে বোঝাতে পারেননি যে, স্যাকারিন কতোটা অস্বাস্থ্যকর। এমনকি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট থিওডর রুজভেল্ট পর্যন্ত ক্যালরিমুক্ত এই চিনি পেয়ে বেজায় খুশি হয়ে যান। অথচ স্যাকারিন কারসিনোজেনিক সাবস্টেন্স যা কিন্তু মোটেও মিষ্টি নয়।
৬. খাবারের রঙ
১৮৫৬ সালে সিনথেটিক রঙ আবিষ্কার হয়। পরবর্তীতে এই রঙে রসায়ন ফলিয়ে খাবারে ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৫০ সালে আমেরিকায় হ্যালোয়েন উৎসবে কমলা রঙ করা ক্যান্ডি খেয়ে বহু শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। খাবারের রঙও কারসিনোজেনিক পদার্থ যা হাইপারসেনসিটিভ সমস্যার সৃষ্টি করে।
৭. সয় প্রোটিন আইসোলেট
১৯৩৬ সালে সয় প্রোটিন আইসোলেট আবিষ্কৃত হয়। রঙিন কাগজ, আঠা এবং রঙ তৈরিতে এই প্রোটিন ব্যবহার করা হয়। পরে কৃষকরা এটা গরু-ছাগলকে খাওয়ানো শুরু করে এবং এক সময় সয় প্রোটিন আইসোলেট মানুষের খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। এটি তৈরিতে এসিডে ধোয়া, ক্ষারে ডোবানে এবং উচ্চতাপমাত্রায় রাখার মতো প্রক্রিয়া চলে যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। তা ছাড়া এটি হজম হওয়া প্রায় অসম্ভব।

ফজরের আজান হচ্ছেঃস্ত্রীঃ এই উঠো, আজান হচ্ছে ,মসজিদে যাবে উঠো ...স্বামীঃ হু আরেক টু ঘুমাই না ...স্ত্রীঃ হা ঘুমাও তুমি আরা...
28/04/2014

ফজরের আজান হচ্ছেঃ

স্ত্রীঃ এই উঠো, আজান হচ্ছে ,মসজিদে যাবে উঠো ...
স্বামীঃ হু আরেক টু ঘুমাই না ...
স্ত্রীঃ হা ঘুমাও তুমি আরাম করে আর
আমি যাচ্ছি পানি আনতে ... তোমার মুখে ঢালবো ...
স্বামীঃ আরে আরে এই দেখো আমি উঠে গিয়েছি
স্বামী ঘুম থেকে জাগলেন , আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ
পাকের শোকর , যিনি সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে মরনের
কাছাকাছি থেকে আবার জীবিত করলেন ...
স্ত্রী মুচকি হেসে, সালাম দিলেন স্বামীকে, অতঃপর
জানতে চাইলেন ,
স্ত্রীঃ ঘুম কেমন হলো ?
স্বামীঃ হুম সেরকম দারুন ঘুম হয়েছে , স্বপ্নও দেখেছি একটা
স্ত্রীঃ ইশ তাই বুঝি ? কি দেখলে ?
স্বামীঃ দেখেছি হাফ ডজন পিচ্ছি বাচ্চা আমাকে আব্বু আব্বু
আর তোমাকে আম্মু আম্মু বলে চিৎকার করে ডাকছে ...
স্ত্রীঃ ইশ হয়েছে অনেক দুষ্টামি , এখন উঠো জলদি ...
স্বামীঃ ইশ দেখো কিভাবে ভাগিয়ে দেয়
স্ত্রীঃ ভাগবে নাকি পা ধরে টেনে ফেলে দিবো নিচে ??
স্বামীঃ ইশ দেখো পাগলী রেগে গিয়েছে ... এই নেও উঠে গেলাম
স্বামী ওযু করে এসে রেডি হয়ে নামাজের উদ্দেশে বের
হচ্ছিলেন ...
স্ত্রী দরজা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন ...
স্বামীঃ তুমি অনেক লক্ষ্মী একটা বউ , সেটা জানো ??
স্ত্রীঃ হু হয়েছে দেরী হয়ে যাচ্ছে ...
স্বামীঃ এভাবে রোজ
বকা ঝকা করে আমাকে নামাজে পাঠিও কেমন ?
স্ত্রীঃ তারপরেও নিজ থেকে উঠে যাবেনা তাইনা ?
স্বামীঃ সকাল সকাল তোমার ডাকে ঘুম ভাঙবে তারপর
তোমার তাড়া খেয়ে নামাজ পড়তে যাবো , আর এর জন্যই
আমি কখনও নিজ থেকে উঠবো না
স্ত্রীঃ তোমাকে নামাজের জন্য রেডি করে পাঠাতে আমার
অনেক ভাল লাগে
স্বামীঃ এই জন্য তুমি লক্ষ্মী
স্ত্রীঃ দেরী হচ্ছে কিন্তু জলদি যাও আমি চা রেডি করি ...
স্বামীঃ আল্লাহ্ হাফেজ
স্ত্রীঃ ফি আমানিল্লাহ
তারপর স্বামী মুচকি হাসি দিয়ে নামাজের উদ্দেশে অন্ধকার
পথ বেঁয়ে হেঁটে যায় আর মনে মনে বলে '' হে আল্লাহ্ , কোনও
ভাবেই আমি তোমার শোকর আদায় করে শেষ করতে পারবোনা ,
কিসের বিনিময়ে আমাকে এমন জীবন সঙ্গিনী দিয়েছ আমি তাও
জানিনা ''
দরজা আটকিয়ে স্ত্রী জায়নামাজে বসে মুনাজাত শুরু করে ''
হে আল্লাহ্ , এই মানুষটার সাথেই যেন জীবনের শেষ মুহূর্ত
টা কাটে , আর আখেরাতের শুরুটাও যেও হয় এই মানুষটার
হাত ধরেই ''

27/04/2014

One of the most well known industrial town of Bangladesh.

Address

Abhaynagar Upazila
Jessore

Telephone

+8801911437003

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Noapara Bazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Noapara Bazar:

Share