15/12/2023
গল্পের নামঃ- #রক্তচোষাভূত
পর্বঃ- ০৫
লেখকঃ- মোঃ সুয়াইব হোসেন
জ্ঞান ফিরলো আর দেখলাম সবকিছু আগের মতোই ঠিক আছে।
ঐ লোকগুলো তাদের নিজেদের মধ্যে গল্প করছে আর চা খাচ্ছে.....
তখন পাশ থেকে ইমদাদুল বলল..... কিরে কোথায় হারিয়ে গেছিস...?
আমি ভয়ে ভয়ে বললাম না.... না কিছু... না খা তোরা।
পেছন থেকে সাকিব বলে উঠলো.... ভাই আমার কিছুই ভালো লাগছে না..., জানিনা, গতরাতে এসব কি ছিলো কিন্তু আমি এখন বাড়ি যাবো।
আমি হালকা করে ধমক দিয়ে বললাম..... ওই লোকটা কি বলল শুনলি না...? আমরা ফেঁসে গেছি এখানে আর চাইলেও বের হতে পারব না। তাই এই কাজটা আমাদের করতেই হবে।
চা খেয়ে আমরা দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম আর যখন চায়ের দাম দিতে গেলাম তখন (মামা আমাদের কত বিল হয়েছে) এমন সময় দোকানদার বলে উঠলো আজ রাতেও জেগে উঠবে ওই মৃত্যুপুরী বাঁচবি না তোরা কেউ বাঁচবি না সবাই মরবি।
এই মামা কী বলছো এসব??? এই নাও তোমার টাকা।
এই বলে দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম...
তারপর হাঁটতে হাঁটতে একটা রিসোর্ট এর সামনে পৌছালাম, আজ এখানেই থাকবো আর রাতে কী করবো তার পরিকল্পনা করছিলাম, রাত যখন ঠিক ১১ঃ০০ টা বাজে তখন আমরা বের হলাম সেই জঙ্গলের দিকে।
সাথে সবার হাতে একটা করে টর্চ আর একটা করে ছুরি যেতে যেতে সেই বৃহৎ, জঙ্গলের সামনে পৌছালাম আর সবাইকে বললাম আমরা সবাই একসাথে থাকবো আর যাই হোক না কেন কেউ পেছনে তাকাবি না।
জঙ্গলের ভেতর প্রথম পা ফেলতেই যেন একটা জোরালো বাতাস আমাদের ধাক্কা দিয়ে চলে গেলো।
কিছুটা ভয় পেলেও এই ভয়টা এখন প্রকাশ করা যাবে না আস্তে আস্তে জঙ্গলের ভেতর প্রবেশ করা শুরু করলাম।
হঠাৎ করেই সামনে একটা কাটা মাথা যার শরীর নাই অর্থাৎ শুধু মাথা আমার সামনে এসে চিৎকার করে ওঠে।
এটা তো সেই লোকের মাথা যে দোকানে আমাকে পালাতে বলেছিল এটা দেখে পেছনে থাকা সাকিব চিৎকার করে ওঠে তখন আমি সামনে থেকে বললাম কেউ যেন পেছনে তাকাবি না বা কেউ দৌড় মারবি না এরা শুধু আমাদের ভয় দেখাতে পারবে তা ছাড়া আর কিছু না।
আমরা ধীরে ধীরে এগোতে লাগলাম আর পেছন থেকে কেউ যেন বলছে যাস না....... সুয়াইব যাস না...... আবির যাস না..... তোরা ফিরে যা.... এখনো সময় আছে ফিরে যা....
আরো কিছু সামনে এসে দেখি দোকানে যারা বসে চা খাচ্ছিল তারা দাড়িয়ে আছে তাদের মুখ একেবারে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে মনে হচ্ছে শরীরে একফোঁটাও রক্ত নেই তারা আমাদের সবার দিকে একটা রাগের দৃষ্টিতে চেয়েজ্ঞান ফিরলো আর দেখলাম সবকিছু আগের মতোই ঠিক আছে।
ঐ লোকগুলো তাদের নিজেদের মধ্যে গল্প করছে আর চা খাচ্ছে.....
তখন পাশ থেকে ইমদাদুল বলল..... কিরে কোথায় হারিয়ে গেছিস...?
আমি ভয়ে ভয়ে বললাম না.... না কিছু... না খা তোরা।
পেছন থেকে সাকিব বলে উঠলো.... ভাই আমার কিছুই ভালো লাগছে না..., জানিনা, গতরাতে এসব কি ছিলো কিন্তু আমি এখন বাড়ি যাবো।
আমি হালকা করে ধমক দিয়ে বললাম..... ওই লোকটা কি বলল শুনলি না...? আমরা ফেঁসে গেছি এখানে আর চাইলেও বের হতে পারব না। তাই এই কাজটা আমাদের করতেই হবে।
চা খেয়ে আমরা দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম আর যখন চায়ের দাম দিতে গেলাম তখন (মামা আমাদের কত বিল হয়েছে) এমন সময় দোকানদার বলে উঠলো আজ রাতেও জেগে উঠবে ওই মৃত্যুপুরী বাঁচবি না তোরা কেউ বাঁচবি না সবাই মরবি।
এই মামা কী বলছো এসব??? এই নাও তোমার টাকা।
এই বলে দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম...
তারপর হাঁটতে হাঁটতে একটা রিসোর্ট এর সামনে পৌছালাম, আজ এখানেই থাকবো আর রাতে কী করবো তার পরিকল্পনা করছিলাম, রাত যখন ঠিক ১১ঃ০০ টা বাজে তখন আমরা বের হলাম সেই জঙ্গলের দিকে।
সাথে সবার হাতে একটা করে টর্চ আর একটা করে ছুরি যেতে যেতে সেই বৃহৎ, জঙ্গলের সামনে পৌছালাম আর সবাইকে বললাম আমরা সবাই একসাথে থাকবো আর যাই হোক না কেন কেউ পেছনে তাকাবি না।
জঙ্গলের ভেতর প্রথম পা ফেলতেই যেন একটা জোরালো বাতাস আমাদের ধাক্কা দিয়ে চলে গেলো।
কিছুটা ভয় পেলেও এই ভয়টা এখন প্রকাশ করা যাবে না আস্তে আস্তে জঙ্গলের ভেতর প্রবেশ করা শুরু করলাম।
হঠাৎ করেই সামনে একটা কাটা মাথা যার শরীর নাই অর্থাৎ শুধু মাথা আমার সামনে এসে চিৎকার করে ওঠে।
এটা তো সেই লোকের মাথা যে দোকানে আমাকে পালাতে বলেছিল এটা দেখে পেছনে থাকা সাকিব চিৎকার করে ওঠে তখন আমি সামনে থেকে বললাম কেউ যেন পেছনে তাকাবি না বা কেউ দৌড় মারবি না এরা শুধু আমাদের ভয় দেখাতে পারবে তা ছাড়া আর কিছু না।
আমরা ধীরে ধীরে এগোতে লাগলাম আর পেছন থেকে কেউ যেন বলছে যাস না....... সুয়াইব যাস না...... আবির যাস না..... তোরা ফিরে যা.... এখনো সময় আছে ফিরে যা....
আরো কিছু সামনে এসে দেখি দোকানে যারা বসে চা খাচ্ছিল তারা দাড়িয়ে আছে তাদের মুখ একেবারে ফ্যাকাসে হয়
অবশেষে সেই বড় বট গাছের নিচে পৌঁছালাম সেখানে গিয়ে দেখি একটা মহিলা ওখানে বসে কান্না করছে।
আমি পেছন থেকে ডাক দিতেই সে তার কান্না থামিয়ে দিল আর বলতে লাগলো মরবি তোরা মরবি এই বলে মাটিতে কি যেন আঁকিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল
আমি বট গাছের নিচে গেলাম আর আঁকানোটার দিকে তাকালাম কিন্তু কিছুই বুঝতে পারলাম না
ঘড়িতে তখন ১২:০০ বাজে তাড়াতাড়ি গাছের নিচে খোঁজা শুরু করলাম মিনিট পাঁচেক খোঁজার পর সেই ছুরিটা পেয়ে গেলাম ছুরিটা হাতে নেওয়ার সাথে সাথে যেন ভূমিকম্প শুরু হয়ে গেলো
দূর থেকে অনেকগুলো শিয়ালের ডাকার শব্দ কানে ভেসে আসলো
আমরা সবাই প্রাণ পণে দৌড় দিয়ে জঙ্গলের বাইরে চলে আসলাম জঙ্গলের বাইরে পৌঁছাতেই দেখি সেই চা ওয়ালা দাঁড়িয়ে আছে আমি তার কাছে গেলাম।
সে ছুরিটার দিকে তাকালো আর বললো শেষ করে দাও এই মৃত্যু খেলা..... শেষ করে দাও সবকিছু। কিন্তু একটা কথা............