It's Suyaib Hossain

It's Suyaib Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from It's Suyaib Hossain, Shopping & retail, Rupdia, Jessore.

গল্পের নামঃ-  #রক্তচোষাভূতপর্বঃ- ০৫লেখকঃ- মোঃ সুয়াইব হোসেন জ্ঞান ফিরলো আর দেখলাম সবকিছু আগের মতোই ঠিক আছে।ঐ লোকগুলো তাদে...
15/12/2023

গল্পের নামঃ- #রক্তচোষাভূত
পর্বঃ- ০৫
লেখকঃ- মোঃ সুয়াইব হোসেন

জ্ঞান ফিরলো আর দেখলাম সবকিছু আগের মতোই ঠিক আছে।

ঐ লোকগুলো তাদের নিজেদের মধ্যে গল্প করছে আর চা খাচ্ছে.....

তখন পাশ থেকে ইমদাদুল বলল..... কিরে কোথায় হারিয়ে গেছিস...?

আমি ভয়ে ভয়ে বললাম না.... না কিছু... না খা তোরা।
পেছন থেকে সাকিব বলে উঠলো.... ভাই আমার কিছুই ভালো লাগছে না..., জানিনা, গতরাতে এসব কি ছিলো কিন্তু আমি এখন বাড়ি যাবো।

আমি হালকা করে ধমক দিয়ে বললাম..... ওই লোকটা কি বলল শুনলি না...? আমরা ফেঁসে গেছি এখানে আর চাইলেও বের হতে পারব না। তাই এই কাজটা আমাদের করতেই হবে।

চা খেয়ে আমরা দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম আর যখন চায়ের দাম দিতে গেলাম তখন (মামা আমাদের কত বিল হয়েছে) এমন সময় দোকানদার বলে উঠলো আজ রাতেও জেগে উঠবে ওই মৃত্যুপুরী বাঁচবি না তোরা কেউ বাঁচবি না সবাই মরবি।

এই মামা কী বলছো এসব??? এই নাও তোমার টাকা।

এই বলে দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম...

তারপর হাঁটতে হাঁটতে একটা রিসোর্ট এর সামনে পৌছালাম, আজ এখানেই থাকবো আর রাতে কী করবো তার পরিকল্পনা করছিলাম, রাত যখন ঠিক ১১ঃ০০ টা বাজে তখন আমরা বের হলাম সেই জঙ্গলের দিকে।

সাথে সবার হাতে একটা করে টর্চ আর একটা করে ছুরি যেতে যেতে সেই বৃহৎ, জঙ্গলের সামনে পৌছালাম আর সবাইকে বললাম আমরা সবাই একসাথে থাকবো আর যাই হোক না কেন কেউ পেছনে তাকাবি না।

জঙ্গলের ভেতর প্রথম পা ফেলতেই যেন একটা জোরালো বাতাস আমাদের ধাক্কা দিয়ে চলে গেলো।

কিছুটা ভয় পেলেও এই ভয়টা এখন প্রকাশ করা যাবে না আস্তে আস্তে জঙ্গলের ভেতর প্রবেশ করা শুরু করলাম।

হঠাৎ করেই সামনে একটা কাটা মাথা যার শরীর নাই অর্থাৎ শুধু মাথা আমার সামনে এসে চিৎকার করে ওঠে।

এটা তো সেই লোকের মাথা যে দোকানে আমাকে পালাতে বলেছিল এটা দেখে পেছনে থাকা সাকিব চিৎকার করে ওঠে তখন আমি সামনে থেকে বললাম কেউ যেন পেছনে তাকাবি না বা কেউ দৌড় মারবি না এরা শুধু আমাদের ভয় দেখাতে পারবে তা ছাড়া আর কিছু না।

আমরা ধীরে ধীরে এগোতে লাগলাম আর পেছন থেকে কেউ যেন বলছে যাস না....... সুয়াইব যাস না...... আবির যাস না..... তোরা ফিরে যা.... এখনো সময় আছে ফিরে যা....

আরো কিছু সামনে এসে দেখি দোকানে যারা বসে চা খাচ্ছিল তারা দাড়িয়ে আছে তাদের মুখ একেবারে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে মনে হচ্ছে শরীরে একফোঁটাও রক্ত নেই তারা আমাদের সবার দিকে একটা রাগের দৃষ্টিতে চেয়েজ্ঞান ফিরলো আর দেখলাম সবকিছু আগের মতোই ঠিক আছে।

ঐ লোকগুলো তাদের নিজেদের মধ্যে গল্প করছে আর চা খাচ্ছে.....

তখন পাশ থেকে ইমদাদুল বলল..... কিরে কোথায় হারিয়ে গেছিস...?

আমি ভয়ে ভয়ে বললাম না.... না কিছু... না খা তোরা।
পেছন থেকে সাকিব বলে উঠলো.... ভাই আমার কিছুই ভালো লাগছে না..., জানিনা, গতরাতে এসব কি ছিলো কিন্তু আমি এখন বাড়ি যাবো।

আমি হালকা করে ধমক দিয়ে বললাম..... ওই লোকটা কি বলল শুনলি না...? আমরা ফেঁসে গেছি এখানে আর চাইলেও বের হতে পারব না। তাই এই কাজটা আমাদের করতেই হবে।

চা খেয়ে আমরা দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম আর যখন চায়ের দাম দিতে গেলাম তখন (মামা আমাদের কত বিল হয়েছে) এমন সময় দোকানদার বলে উঠলো আজ রাতেও জেগে উঠবে ওই মৃত্যুপুরী বাঁচবি না তোরা কেউ বাঁচবি না সবাই মরবি।

এই মামা কী বলছো এসব??? এই নাও তোমার টাকা।

এই বলে দোকান থেকে বের হয়ে আসলাম...

তারপর হাঁটতে হাঁটতে একটা রিসোর্ট এর সামনে পৌছালাম, আজ এখানেই থাকবো আর রাতে কী করবো তার পরিকল্পনা করছিলাম, রাত যখন ঠিক ১১ঃ০০ টা বাজে তখন আমরা বের হলাম সেই জঙ্গলের দিকে।

সাথে সবার হাতে একটা করে টর্চ আর একটা করে ছুরি যেতে যেতে সেই বৃহৎ, জঙ্গলের সামনে পৌছালাম আর সবাইকে বললাম আমরা সবাই একসাথে থাকবো আর যাই হোক না কেন কেউ পেছনে তাকাবি না।

জঙ্গলের ভেতর প্রথম পা ফেলতেই যেন একটা জোরালো বাতাস আমাদের ধাক্কা দিয়ে চলে গেলো।

কিছুটা ভয় পেলেও এই ভয়টা এখন প্রকাশ করা যাবে না আস্তে আস্তে জঙ্গলের ভেতর প্রবেশ করা শুরু করলাম।

হঠাৎ করেই সামনে একটা কাটা মাথা যার শরীর নাই অর্থাৎ শুধু মাথা আমার সামনে এসে চিৎকার করে ওঠে।

এটা তো সেই লোকের মাথা যে দোকানে আমাকে পালাতে বলেছিল এটা দেখে পেছনে থাকা সাকিব চিৎকার করে ওঠে তখন আমি সামনে থেকে বললাম কেউ যেন পেছনে তাকাবি না বা কেউ দৌড় মারবি না এরা শুধু আমাদের ভয় দেখাতে পারবে তা ছাড়া আর কিছু না।

আমরা ধীরে ধীরে এগোতে লাগলাম আর পেছন থেকে কেউ যেন বলছে যাস না....... সুয়াইব যাস না...... আবির যাস না..... তোরা ফিরে যা.... এখনো সময় আছে ফিরে যা....

আরো কিছু সামনে এসে দেখি দোকানে যারা বসে চা খাচ্ছিল তারা দাড়িয়ে আছে তাদের মুখ একেবারে ফ্যাকাসে হয়

অবশেষে সেই বড় বট গাছের নিচে পৌঁছালাম সেখানে গিয়ে দেখি একটা মহিলা ওখানে বসে কান্না করছে।

আমি পেছন থেকে ডাক দিতেই সে তার কান্না থামিয়ে দিল আর বলতে লাগলো মরবি তোরা মরবি এই বলে মাটিতে কি যেন আঁকিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল

আমি বট গাছের নিচে গেলাম আর আঁকানোটার দিকে তাকালাম কিন্তু কিছুই বুঝতে পারলাম না

ঘড়িতে তখন ১২:০০ বাজে তাড়াতাড়ি গাছের নিচে খোঁজা শুরু করলাম মিনিট পাঁচেক খোঁজার পর সেই ছুরিটা পেয়ে গেলাম ছুরিটা হাতে নেওয়ার সাথে সাথে যেন ভূমিকম্প শুরু হয়ে গেলো

দূর থেকে অনেকগুলো শিয়ালের ডাকার শব্দ কানে ভেসে আসলো

আমরা সবাই প্রাণ পণে দৌড় দিয়ে জঙ্গলের বাইরে চলে আসলাম জঙ্গলের বাইরে পৌঁছাতেই দেখি সেই চা ওয়ালা দাঁড়িয়ে আছে আমি তার কাছে গেলাম।

সে ছুরিটার দিকে তাকালো আর বললো শেষ করে দাও এই মৃত্যু খেলা..... শেষ করে দাও সবকিছু। কিন্তু একটা কথা............

গল্পের নামঃ-  #রক্তচোষাভূতপর্বঃ-  #৪লেখকঃ- মো. সুয়াইব হোসেন আর ইশারার মাধ্যমে জানালার দিকে তাকাতে বলল....তখন তাকিয়ে দেখ...
29/09/2023

গল্পের নামঃ- #রক্তচোষাভূত
পর্বঃ- #৪
লেখকঃ- মো. সুয়াইব হোসেন

আর ইশারার মাধ্যমে জানালার দিকে তাকাতে বলল....
তখন তাকিয়ে দেখে সে বৃদ্ধ লোকটা। এটা দেখে শ্রাবণ চিৎকার করতে যাবে তখনই আবির মুখ চেপে ধরলো...
তারমানে এই বৃদ্ধ লোকটি আমাদের খুঁজতে খুঁজতে এ পর্যন্ত চলে এসেছে....

তখন আমি এই লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলাম তুমি আমাদের বাঁচালে কেন?

উত্তরে সে যা বলল তা শুনে আমরা সবাই ভয় পেয়ে গেলাম।

সে বলল এটা ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট এর ঘটনা অর্থাৎ আজকের থেকে এক বছর আগের ঘটনা যখন সেও আমাদের মত এই গ্রামে এসেছিলো এবং তাকে তারা খুব নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। প্রথমে তারা তাকে সে রক্ত খাইয়ে দিয়েছিলো যা খেলে নেশা হয়ে যায় আর প্রচুর ঘুম পায়। কেউ না ডাকা পর্যন্ত এই ঘুম ভাঙে না।
তাহলে আমার কেন ঘুম ভেঙ্গে গেল? আমাকে তো কেউ ডাকে নি।
তখন সে বলল তুমি খুব সাহসী আর আমার মনে হয় তুমিই এই মৃত্যুর খেলা শেষ করতে পারবে।
আমি বললাম কিন্তু কিভাবে আমি এটা করব?
সে বলল..... আমি তোমাকে সব কিছু বুঝিয়ে দিবো। তোমরা আমার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনো। যখন সূর্য পুরোপুরি উঠে যাবে তখন তোমরা এই গ্রাম থেকে বের হতে পারবে কেননা এরা সূর্যের আলো সহ্য করতে পারে না। তোমাদের যেটা করতে হবে সেটা হলো.... এখান থেকে ঠিক পশ্চিমে একটা বড় জঙ্গল আছে সে জঙ্গলের মাঝে একটা বড় বট গাছ আছে সেই বট গাছের নিচে একটা ছুরি লুকানো আর সেই ছুরিটা তোমাকে আনতে হবে। আর সেটা তোমাদের শনিবারটা ঠিক ১২ টার ভেতর করতে হবে অর্থাৎ কাল রাত ১২ টায়। আর সেই ছুরি দিয়ে ওই বৃদ্ধের ঘরে যে টিয়া পাখি আছে ওটাকে মারতে হবে বা নষ্ট করে দিতে হবে আর এটা তোমাকে কাল রাতেই করতে হবে।
তখন সাকিব পেছন থেকে বলল আমরা কেন করবো এইগুলো...? দেখ দোস্ত আমি তোদের সাথে ঘুরতে আসছি আমি ওসব কিছু করবোনা আমি বাড়ি যাব।
তখন সেই লোকটা বলল না তোমরা পারবা না কারণ তোমরাই মৃত্যু পুরিতে ফেসে গেছো বলে হাসতে লাগলো........।

কোন উপায় না পেয়ে আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে করবো আমরা।

লোকটি হাসতে হাসতে বলল ঠিক আছে তাহলে কাল রাত থেকে বারোটা, তবে তোমাদের সাবধান করে দিচ্ছি কিছু বিষয়ে... তোমরা যখন সেই জঙ্গলে প্রবেশ করবে তখন অনেক ভয়ঙ্কর জিনিস দেখতে পাবে কিন্তু তোমাদের ভয় পেলে চলবে না আর কেউ পেছনে তাকাবে না যদি কেউ পেছনে তাকাও বা ভয়ে দৌড় মারতে চাও তাহলে সেখানেই তার সময় শেষ।
এসব শুনে আমরা গলা যেন শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে...
তখন পেছন থেকে আবির বললো ওটা ছাড়া কি আমাদের কোন উপায় নেই...? তখন সেই লোকটি বলল না আর কোন উপায় নেই..... আর কোন উপায় নেই.... আর কোন উপায় নেই...... এটা বলতে বলতে সে অদৃশ্য হয়ে গেল।
তার কিছু সময় পর সকাল হলো আর সূর্য যখন পুরোটা উঠে গেলো তখন আমরা সেই গ্রাম থেকে বের হলাম।
গ্রাম থেকে বের হয়ে পুরো অবাক হয়ে গেলাম সবাই। আমরা এই রাস্তা দিয়েই তো গতরাতে আসলাম আর তখন তো এই রাস্তাটা পিচের ছিলো কিন্তু এখন তো এটা কাদাওয়ালা একটা মাটির রাস্তা মাত্র। কি যে হচ্ছে তার কিছুই মাথায় ঢুকছেনা।
তখন পেছনে তাকিয়ে দেখি গতকাল রাতের সেই গ্রামটা তো এখন একটি ফাঁকা মাঠে পরিণত হয়েছে।
এটা দেখে আমরা দৌড় শুরু করলাম দৌড়াতে একটা ছোট চায়ের দোকানে পৌঁছালাম।
সেখানে 10 থেকে 12 জন লোক বসে চা খাচ্ছে।
তখন আমি চাওয়ালাকে ৫টা চা দিতে বললাম।
চা খেতে খেতে খেয়াল করলাম দোকানের সব লোক গুলো কেমন যেন ভয়ানক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে, হঠাৎ করে সেখানে থাকা একজন বলে উঠলো পালা...... এখনই পালা.... না হলে মরবি সবাই.... কিন্তু পালাবি কোথায়.... বলে ভয়ানকভাবে আসতে লাগলো।
হঠাৎ পাশে বসে থাকা ইমদাদুল আমাকে ধাক্কা দিয়ে বললো..... কি হলো খাচ্ছিস না কেনো....?
তখন আমার.............

#চলবে-

এমন মজার মজার গল্প পেতে আমাদের পেজটা ফলো করে সাথে থাকুন

গল্পের নামঃ-  #রক্তচোষাভূতপর্বঃ-  #২ও৩লেখকঃ- মো. সুয়াইব হোসেনএসব কিছুর ভেতর আমার নজর গেল একটা টিয়া পাখির দিকে যা দেখতে ...
25/09/2023

গল্পের নামঃ- #রক্তচোষাভূত
পর্বঃ- #২ও৩

লেখকঃ- মো. সুয়াইব হোসেন

এসব কিছুর ভেতর আমার নজর গেল একটা টিয়া পাখির দিকে যা দেখতে সত্যিই অসাধারণ। ঠিক যখনি পাখিটিকে ধরতে যাবো তখনই সে বৃদ্ধ লোকটি পাখিটি নিয়ে নিল এবং ধমক দিয়ে আমাদের কোন কিছুতে হাত দিতে নিষেধ করল আর ভেতরে চলে গেল। মিনিট দশেক পর বৃদ্ধ লোকটি ফিরে এসে আমাদের খাওয়ার জন্য ডাক দিল। আমরা ঘরে প্রবেশ করে পুরোটাই অবাক হয়ে গেলাম। এতোটুকু সময়ের মধ্যে এত খাবার কিভাবে বানানো সম্ভব? তাহলে লোকটি কী জানতো যে আমরা আসবো কিন্তু কিভাবে...? এসব প্রশ্ন মাথায় ভেতর ঘুরপাক খেতে লাগলো। আবার ক্ষুধাও পেয়েছে সবার, আবির বলল বন্ধু আর ক্ষুধা সহ্য হচ্ছে না এখন না খেলে মরেই যাব। এদিকে ইমদাদুল, শ্রাবণ আর সাকিব খাওয়া শুরু করে দিছে। তো আমরা দুজনও বসে পড়লাম খেতে আর সাথে বৃদ্ধ লোকটিকেও বসতে বললাম কিন্তু সে নাকি আমাদের আসার আগেই খাওয়া শেষ করে ফেলেছে। তো আমরা খাওয়া শেষ করলাম। তখন বৃদ্ধ লোকটি আমাদের জন্য একটা বিশেষ ধরনের পানি নিয়ে আসলো যা আগে কখনো খাওয়া হয়নি। পানির এত স্বাদ হতে পারে তা আগে জানা ছিল না। খাওয়া দাওয়া শেষ করে সবাই ঘুমাতে গেলাম। রাতটা ঠিক তখন ৪ টা বেজে ২৫ মিনিট কারো ফিসফিস করে কথা বলার শব্দ আমার ঘুম ভেঙে গেল। সবাই ঘুমাচ্ছে, তাই কাউকে না ডেকে চুপচাপ আমাদের ঘর থেকে বের হয়ে ভেতরের ঘরে উঁকি দিতেই আমার চোখ যেন তার পলক হারিয়ে ফেলেছে। নিজের চোখকে আমি নিজেই বিশ্বাস করতে পারছি না। সে বৃদ্ধ লোকটি যেন পুরোই বদলে গেছে, তার চুল ঘাড় পর্যন্ত চলে আসছে, নকগুলো লম্বায় ৫ ইঞ্চি ছাড়িয়ে গিয়েছে আর পায়ের দিকে তাকিয়ে আমি যেন ওখানেই জমে গেছি পা দুটো ছিল পুরোটাই উল্টো। অবশ্য আগে এসবের কিছুই বিশ্বাস করতাম না কিন্তু এখন এগুলো আমি কি দেখছি...? অর্থাৎ এটা কি তাহলে জিন ছিল............?

সেই বৃদ্ধ লোকটি হাঁটু গেড়ে বসে কারো সাথে কথা বলছে। তাদের কথোপকথনে শুনতে পারলাম বৃদ্ধ লোকটি বলছে..... আজ পুরো ৫টা শিকার পেয়েছি। আর আপনি যে রক্তটা দিয়েছিলেন তা ওদের সবাইকে খাইয়ে দিয়েছি, এটা শুনে আমি মুখে হাত দিয়ে দেখি সত্যিই আমার মুখে রক্তের চাপ লেগে আছে অর্থাৎ ওই বৃদ্ধ লোকটি আমাদের রক্ত খাইয়ে দিয়েছে। তারপর আরো বলল আমার ওপর কেউ কোন সন্দেহ করেনি সরদার। তখন সেই অন্য লোকটি বলল...... সাবাস কবির সাবাস.... ওদের আটকে রাখ কাল সকালেই ওই ৫টাকে শেষ করে রক্ত খাব। এই শুনে আমি মনে মনে বললাম এখন কোন ভাবে ভয় পেলে চলবে না, এখান থেকে বের হতেই হবে। ঠিক তখনই কিছুর সাথে স্পর্শ লেগে একটা গ্লাস মাটিতে পড়ে গেল। এটা শুনে তারা দুজনেই সতর্ক হয়ে গেল। আর আমি দ্রুত ঘরে এসে ঘুমের অভিনয় করে পড়ে থাকলাম। তখন অনুভব করলাম কেউ যেন আমার মুখের খুব কাছাকাছি তার নিঃশ্বাস ছাড়ছে। আর নিশ্বাসটা এতোটাই ঠান্ডা ছিলো যেন মনে হচ্ছে কেউ বরফ গলা পানি আমার মুখের উপর ঢেলে দিছে। তার কিছু সময় পর লোকটি ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসলো। তখন আমি সবাইকে ডেকে সবকিছু খুলে বললাম। সবাই অনেক ভয় পেয়ে গেল, সবাইকে শান্ত করে বললাম এভাবে এখন ভয় পেলে চলবে না আগে আমাদের বের হতে হবে এখান থেকে, সবাই নিজেদের ব্যাগ নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসলাম আর দৌড় দিলাম শরীরে যত শক্তি আছে। গ্রামের শেষে পৌছাতেই একটা ৩০ থেকে ৩৫ বছরের যুবক আমাদের পথ আটকালো। তাকে দেখে আমার সন্দেহ জাগল যে এটা কোন ভাবে মানুষ হতে পারে না কেননা তার চোখ গুলো একদম স্থির আর দেখে মনে হচ্ছে একটা রোবট দাঁড়িয়ে আছে। আমি বললাম কি চাও তুমি এখন আমাদের থেকে?? সে আমার হাত ধরে টান দিয়ে একটা ভাঙা ঘরের মধ্যে নিয়ে গেল............ ,৷

#চলবে-ৃ

এমন মজার মজার গল্প পেতে আমাদের পেজটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন

গল্পের নামঃ-  #রক্তচোষাভূতপর্বঃ-  #১লেখকঃ- মো. সুয়াইব হোসেন গল্পটি ২০২০ সালের ২০ এ আগষ্ট শুরু হয় যখন আমিও আমার চার বন্ধ...
24/09/2023

গল্পের নামঃ- #রক্তচোষাভূত
পর্বঃ- #১
লেখকঃ- মো. সুয়াইব হোসেন

গল্পটি ২০২০ সালের ২০ এ আগষ্ট শুরু হয় যখন আমিও আমার চার বন্ধু মিলে একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ঘুরতে যায়। প্রত্যন্ত এজন্য বলছি যে সেখানে এখনো আধুনিকতার কোন ছোঁয়া লাগেনি। এই ৫ম জেনারেশনে এসেও যে পৃথিবীতে এমন কোন জায়গা আছে তা কল্পনা করাও কঠিন। আমার ৪ বন্ধুর মধ্যে ছিল ইমদাদুল, আবির, শ্রাবণ ও সাকিব। তো সেই গ্রামে যখন আমরা প্রবেশ করি তখন রাত প্রায় ১১ঃ৪৫ মিনিট। গ্রামে ঢুকেই আমার শরীরটা কেমন জানি শিহরিত হয়ে উঠল তবে এসব চিন্তা বাদ দিয়ে আমরা রাস্তা থেকে নেমে গ্রামের ভেতর যাওয়া শুরু করলাম। গ্রামের যত ভেতরে যাচ্ছি শরীরটা তত ভারি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কেন এমন হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না। গ্রামের ঠিক মাঝ বরাবর পৌছে দেখলাম গ্রামটা একেবারে নিস্তব্ধ, কোন আওয়াজ নেই, ঘর গুলোতে অন্ধকার, একটুও আলো জ্বলছে না। তখন আমার বন্ধু ইমদাদুল অনুভব করলো কে যেন তার শরীরকে স্পর্শ করছে কিন্তু আমরা সবাই সবার থেকে খানিকটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তখন সে চিৎকার করে ওঠে এমন নিস্তব্ধ পরিবেশে ইমদাদুলের চিৎকারে ভারী হয়ে ওঠে এবং আমরা দৌড়ে ইমদাদুল এর কাছে যাই। তখন ইমদাদুল আমাদের সবকিছু খুলে বলে এসব কথা শুনে সবাই একটু ঘাবড়ে যায় তখন আমি সবাইকে শান্ত থাকতে বলি আর একটা ঘরের কাছে যেয়ে দরজায় নক করি। প্রায় মিনিট পাঁচেক পর একটা বৃদ্ধ ব্যক্তি হাতে একটা হারিকেন নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। লোকটাকে দেখে আমার কেমন জানি মনে হলো বয়স প্রায় ৮০ আর কাছাকাছি হলেও মাথায় একটা চুলও পাঁকেনি। তাকে সবকিছু খুলে বলার পর সেখানে সেই বৃদ্ধ লোকটা কোন কথা না বলে ইশার মাধ্যমে ভেতরে আসতে বলে। আমরা ভেতরে প্রবেশ করে হতবাক হয়ে গেলাম ঘরের ভেতরে সব পুরনো দিনের জিনিসপত্র মনে হচ্ছে যেন ৫-৬শত বছর আগে চলে আসছি। এসবকিছুর ভেতর আমার......

#চলবে-

এমন মজার গল্প পেতে আমাদের পেজটি ফলো দিয়ে সাথে থাকার অনুরোধ করছি

08/02/2023

আলহামদুলিল্লাহ আগামী ১৮ ই ফেব্রুয়ারি (শনিবার)
দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মিরাজ 🥰🥰

Address

Rupdia
Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when It's Suyaib Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share