Creative Marketing

Creative Marketing Assalamualaikum l
We help you take your business one step further. Through YouTube. And through engaging marketing content.

অনলাইন সেলস বা বিক্রয় বাড়ানোর জন্য বর্তমানে শুধু পণ্য থাকলেই চলে না, বরং কিছু কৌশলী পদক্ষেপ নিতে হয়। নিচে কার্যকর কিছু ট...
17/04/2026

অনলাইন সেলস বা বিক্রয় বাড়ানোর জন্য বর্তমানে শুধু পণ্য থাকলেই চলে না, বরং কিছু কৌশলী পদক্ষেপ নিতে হয়। নিচে কার্যকর কিছু টিপস দেওয়া হলো:
১. কন্টেন্ট মার্কেটিং-এ জোর দিন
বর্তমান সময়ে মানুষ সরাসরি বিজ্ঞাপন দেখার চেয়ে ভিডিও বা গল্পের মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে জানতে বেশি পছন্দ করে।
শর্ট ভিডিও:* ফেসবুক রিলস বা ইউটিউব শর্টসে পণ্যের ব্যবহার বা গুণাগুণ নিয়ে ছোট ভিডিও বানান।
ইনফোগ্রাফিক:* পণ্যের বিশেষত্বগুলো সুন্দর ছবি ও গ্রাফিক্সের মাধ্যমে তুলে ধরুন।
২. কাস্টমার রিভিউ ও সোশ্যাল প্রুফ
অনলাইনে মানুষ অন্য মানুষের অভিজ্ঞতা দেখে কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।
সন্তুষ্ট ক্রেতাদের রিভিউ বা ফিডব্যাক স্ক্রিনশট নিয়ে পেজে শেয়ার করুন।
পণ্যটি ডেলিভারি পাওয়ার পর ক্রেতার কোনো ছবি বা আনবক্সিং ভিডিও থাকলে সেটি প্রচার করুন।
৩. রিটার্নিং কাস্টমার বা পুনঃক্রেতা তৈরি
নতুন ক্রেতা খোঁজার চেয়ে পুরনো ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করা সহজ ও লাভজনক।
যিনি একবার কেনাকাটা করেছেন, তাকে উৎসব বা বিশেষ দিনে শুভেচ্ছা মেসেজ দিন।
পুরনো ক্রেতাদের জন্য বিশেষ ডিসকাউন্ট অফার রাখুন।
৪. প্রফেশনাল অনলাইন প্রেজেন্স
ক্রেতা যখন আপনার পেজ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, তখন যেন তা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।
লোগো ও ব্যানার:* পেজের প্রোফাইল পিকচার (লোগো) এবং কভার ফটো প্রফেশনাল মানের হতে হবে।
দ্রুত রেসপন্স:* মেসেজে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে যত দ্রুত সম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন।
৫ নাম্বার টিপস পেতে পেজটিকে ফলো করে সাথে থাকুন

বই কি?বই বলতে লেখা, ছাপানো অক্ষর, ছবি, ছবিবিশিষ্ট কাগজ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে তৈরি পাতলা শিট বা ডিজিটাল পৃষ্ঠার সমষ্টিকে...
20/11/2022

বই কি?
বই বলতে লেখা, ছাপানো অক্ষর, ছবি, ছবিবিশিষ্ট কাগজ অথবা অন্য কোনো মাধ্যমে তৈরি পাতলা শিট বা ডিজিটাল পৃষ্ঠার সমষ্টিকে বোঝায়। যা এক ধারে বাঁধা থাকে এবং মলাটের ভেতরে রক্ষিত থাকে। এর প্রতিটি পাতলা শিটকে পৃষ্ঠা বা পাতা বলে। বইয়ের সমার্থক শব্দ গ্রন্থ, কিতাব, পুস্তক।

Books are the best companions a person could have. ❤️❤️❤️

কীভাবে পাঠক হয়ে উঠবেনএই তো দিন কয়েক আগে ঢাকার একটি বইয়ের দোকানে বই দেখতে দেখতে কানে এল দুই তরুণের কথোপকথন—‘ইদানীং বই পড়া...
15/11/2022

কীভাবে পাঠক হয়ে উঠবেন

এই তো দিন কয়েক আগে ঢাকার একটি বইয়ের দোকানে বই দেখতে দেখতে কানে এল দুই তরুণের কথোপকথন—

‘ইদানীং বই পড়ার কেন জানি আর ধৈর্যই পাই না!’

‘আমার অবস্থাও সেইম। বই হাতে নিলে কেন যোন চোখে ঘুম চলে আসে!’

‘তারপরও বইয়ের দোকানে েঘারাঘুরি করেন যে!’

কাছে গিয়ে প্রশ্ন করি। এবার দুজনেই হেসে বললেন, ‘একেবারেই যে পড়ি না তা তো নয়। তবে আগের মতো পড়তে পারি না। এখানে এসেছি ঘুরতে। ঘুরতে ঘুরতে দু–একটা বই পছন্দ হয়ে যেতেও পারে। তখন কিনে ফেলব।’

এ কথা শুনে আমার মনে পড়ল ‘পাঠকের মৃত্যু’র কথা। সেই কবে বনফুল লিখে গেছেন। সেদিন এই দুই তরুণকে দেখে মনে হলো এঁদের ভেতরের পাঠকাত্মা কি মরে গেছে? নাকি তাঁরা পাঠকই হয়ে উঠতে পারেননি কখনো?

আসলে কোনো কিছু হয়ে ওঠাই সহজ নয়—না লেখক হয়ে ওঠা, না পাঠক হয়ে ওঠা। হয়ে ওঠার পথে পথে ছড়িয়ে কত শত প্রতিবন্ধকতার কাঁটা ও কাঁকর। লেখক হয়ে ওঠার গল্প লেখকদের মুখে আমরা নানা সময়ে শুনে থাকি। কিন্তু পাঠক হওয়ার গল্প কি আমরা শুনি সচরাচর? কীভাবে একজন মানুষ ‘পাঠক’ হয়ে ওঠেন, তা কি আমরা জানি?

আপনি কেন নিয়মিত বই পড়বেন ?সুইজা স্নেহার্দ্র: বই অবসরের বন্ধু। জ্ঞান অর্জনের প্রথম মাধ্যম। কিন্তু ভার্চুয়েল জগতের ছোঁয়ায় ...
03/11/2022

আপনি কেন নিয়মিত বই পড়বেন ?
সুইজা স্নেহার্দ্র: বই অবসরের বন্ধু। জ্ঞান অর্জনের প্রথম মাধ্যম। কিন্তু ভার্চুয়েল জগতের ছোঁয়ায় আমরা প্রায় বই পড়া ছাড়তেই বসেছি। অথচ নিয়মিত বই পাঠ আমাদের জন্য খুলে দিতে পারে সৌভাগ্যের দরজা। আসুন জেনে নিই তাহলে বই পড়ার উপকারিতা-

মনোযোগ বাড়ায়: ইন্টারনেটের এই যুগে প্রতিটা মানুষ এখন প্রতি মুহুর্তে হাজারো কাজে একসাথে ব্যস্ত থাকে। একসাথে সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকতে হয়, সকলের সকল ঘটনার ব্যপারে একদম আপ-টু-ডেট থাকতে হয়। আবার নিজের কাজের খাতিরে ই-মেইল দেখা, কাজের খোঁজ রাখা ইত্যাদি একশ ধরণের কাজের মধ্যে ডুবে থাকতে হয় নিজেকে। সেখানে একটা বই পড়ার মতো কাজ অনেক ধৈর্যর ব্যাপারই বটে। ঘন্টার পর ঘন্টা তো বটেই, দিনের পর দিন একটা বই নিয়ে বসে থাকার ফলে যেমন আপনার সকল মনোযোগ একদিনে কেন্দ্রীভূত হয়, তেমনভাবেই যেকোন কাজের প্রতি মনোযোগটাও বৃদ্ধি পাবে আপনার।

স্মরণশক্তি বাড়ায়: একটা উপন্যাস পড়ার সময়ে আপনাকে উপন্যাসের অনেকগুলো চরিত্র, চরিত্রের ধরণ, চরিত্রের নাম, উপন্যাসের কাহিনী, উদ্দেশ্য, ইতিহাসসহ বিভিন্ন জিনিস মনে রাখতে হয় এবং এইভাবে মনে রেখেই আপনাকে উপন্যাসটি শেষ করতে হয়। যদিও এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া তবুও আপনাকে উপন্যাসের গল্পটির বিভিন্ন বাঁক, এবং বিভিন্ন ঘটনা ও টুকিটাকি মনে রাখতে হয় বলে এক্ষেত্রে আপনার প্রচুর ব্রেইন ওয়ার্ক হয়। যে কারণে, বই পড়ার মাধম্যে আপনার স্মরণশক্তি বৃদ্ধি হয়।

উদ্দীপনা তৈরি করে: গবেষণা থেকে প্রমাণ হয়েছে যে মানসিক উদ্দীপনা আলঝেইমার এবং ডেমেনশিয়ার মতো মানসিক সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। আপনার মস্তিষ্ক উদ্দীপনাময় এবং কর্মচঞ্চল থাকলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আপনার শরীরের অন্যান্য অংশের মতোই, আপনার মস্তিষ্কের এক্সারসাইজের প্রয়োজন রয়েছে সুস্থ এবং সবল থাকার জন্য। পাজল মেলানো এবং দাবা খেলার মতো খেলাগুলো মস্তিষ্কের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।

মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনে: আপনার পছন্দের বিষয় এবং পছন্দের বই এবং পছন্দের লেখা পড়লে মানসিকভাবে আপনি অনেক বেশী শান্ত এবং প্রশান্তি অনুভব করতে পারবেন। গবেষণা থেকে দেখা গেছে যে, আধ্যাত্মিক মূলক বই পড়লে রক্তচাপ কমে যায় অনেকখানি!
এমনকি দেখা গেছে যে, হালকা মানসিক সমস্যায় ভুক্তভোগীদের ক্ষেত্রেও মানসিকশক্তি বৃদ্ধিমূলক বই পড়া খুব সাহায্য করে থাকে।
Book Point

কিভাবে সময়ের প্রতি আরো যত্নবান হতে পারি?সময়ের সুষম ব্যবহারসমাজ ও রাষ্ট্র ভেদে ব্যক্তিক উন্নতির ধারণায় ভিন্নতা থাকলেও সাধ...
16/10/2022

কিভাবে সময়ের প্রতি আরো যত্নবান হতে পারি?
সময়ের সুষম ব্যবহার

সমাজ ও রাষ্ট্র ভেদে ব্যক্তিক উন্নতির ধারণায় ভিন্নতা থাকলেও সাধারণ অর্থে উন্নতি বলতে কর্মক্ষেত্রে সফলতা, আর্থিক সমৃদ্ধি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসীমায় অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার মতো বিষয়গুলো উল্লেখ করা যেতে পারে। মানুষ স্বভাবতই অর্থনৈতিক মুক্তি, সুনাম-সম্মান, ক্ষমতা ও খ্যাতি অর্জন করতে চায়। কিন্তু এর বিপরীতে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য সময়কে যেভাবে কাজে লাগানো দরকার সেভাবে করতে চায় না। ব্যক্তিজীবনে, সমাজজীবনে, রাষ্ট্রজীবনে উন্নতি করতে হলে বা একজন সফল মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সময়কে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে। সময়ের সঠিক ব্যবহার বা কার্যকর সময় ব্যবস্থাপনা না থাকলে চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এজন্য জীবনে উন্নতি করার প্রবল আকাঙ্ক্ষার সাথে সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত সচেতন হতে হবে। অর্থাৎ সময়ের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সময়কে সংগতিপূর্ণভাবে, সুন্দররূপে, যথোপযুক্ত প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করাই হচ্ছে সময়ের সুষম ব্যবহার । চব্বিশ ঘণ্টা সময়কে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা অর্থাৎ কোন কাজটি আমি কখন করব, কতক্ষণ সময় ধরে করব, একটি কাজের সাথে অন্য একটি কাজের সম্পর্ক বা প্রতিক্রিয়া, সুস্থতা ও সামাজিকতা রক্ষা করা এবং সবশেষে কাজের ফলাফল – এই সবকিছুর গঠনমূলক কার্যকর সময় পরিকল্পনাকেই আমরা বলছি সময়ের সুষম ব্যবহার। তবে সব মানুষের সময় ব্যবস্থাপনা যে একরকম হবে, সেরকমটা নয়। ব্যক্তিমানুষের পরিবেশ-পরিস্থিতি, চিন্তার ধরন, কর্মপদ্ধতি ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে সময় ব্যবস্থাপনায় ভিন্নতা থাকাটাই স্বাভাবিক। সময়ের সুষম ব্যবহার মানে এই নয় যে, সারাক্ষণই কাজের মধ্যে ব্যস্ত থাকতে হবে। বিনোদনের পাশাপাশি অবসর থাকাটাও কাজেরই অংশ। পরিমিত বিশ্রাম বা বিনোদন কাজের গতিকে বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ। আমেরিকান কবি, দার্শনিক ও ইতিহাসবিদ হেনরি ডেভিড থোরেও বলেন, – “সব সময়ে ব্যস্ত থাকাই শেষ কথা নয়। পিঁপড়ারাও সারাদিন ব্যস্ত থাকে। এমন কিছুর পেছনে সময় দাও যা আসলেই কাজে লাগে।”

৮ বছরের শিশু, লেখাপড়ায় খুবই অমনোযোগী। কিন্তু আগে তার মনোযোগ ছিল। এখন কীভাবে তার মনোযোগ ফেরাতে পারি?শিশুর মনোযোগ ফেরাতে হ...
16/10/2022

৮ বছরের শিশু, লেখাপড়ায় খুবই অমনোযোগী। কিন্তু আগে তার মনোযোগ ছিল। এখন কীভাবে তার মনোযোগ ফেরাতে পারি?
শিশুর মনোযোগ ফেরাতে হলে শিশুর সাথে বসে আপনিও ওই একই কাজ করুন। ধরুন সে পড়তে বসে কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই এদিক ওদিক তাকাচ্ছে, তাহলে তার পাশে বসে আপনিও নিজের পড়া লেখার কোনো কাজ থাকলে সেটি করুন, সেরকম কিছু না থাকলে কোনো পত্রিকা বা খবরের কাগজ পড়ুন। আপনার মনোযোগ দেখে সেও নিজের কাজে উৎসাহী হবে। শিশুরা বাবা মাকে অনুসরণ করে, তারা অনুকরণ প্রিয়। আপনার বাচ্চাকে কোনো গল্পের বই বা কোনো কল্পবিজ্ঞানের বই পড়তে দিয়ে আপনিও তার কাছে বসে নিজের গল্পের বইটি পড়ুন। এভাবে সে শিখবে যে পড়ার সময় মনোযোগ সহকারে পড়তে হয়। তার কোনো লেখার কাজ থাকলে তাকে লিখতে দিয়ে আপনি তার পাশে বসে আপনার দরকারি ফর্দটা লিখে ফেলুন। তাকে অঙ্ক করতে দিয়ে আপনিও আপনার সংসারের মাসিক খরচের হিসাব নিকাশ করতে শুরু করে দিন। এরকম ক্রমাগত চলার ফলে সে নিজের লেখাপড়ায় মনোযোগী হয়ে উঠবে। তখন আর আপনাকে তার পাশে বসে থাকার দরকার পড়বে না।

শিশুদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলবেন যেভাবেবই মানুষের প্রিয় বন্ধু। বই মানুষকে হাসায়, কাঁদায় আবার আনন্দ দেয়। বই কখনও কাউকে ছ...
19/08/2022

শিশুদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলবেন যেভাবে

বই মানুষের প্রিয় বন্ধু। বই মানুষকে হাসায়, কাঁদায় আবার আনন্দ দেয়। বই কখনও কাউকে ছেড়ে যায় না। তবে সম্প্রতি সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় বড়দের সঙ্গে শিশুরাও বই থেকে মুখ পিরিয়ে নিচ্ছে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে বইগুলো পড়লে শিশুর জ্ঞানের ভাণ্ডার আরও বিকাশিত হবে।
তবে অনেক অভিভাবক যদিও বুঝতে পারছেন গল্পের বই পড়ার উপকারিতা সম্পর্কে, কিন্তু অনেক সময় দেখা যাচ্ছে- সমস্যাটা থেকে যাচ্ছে শিশুর দিক থেকে। স্মার্টফোন, কার্টুন আর মোবাইল গেমের কারণে অনেক শিশুর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে যেতে বসেছে।
বই পড়াকে আমরা সবসময় একটু অন্যভাবে দেখি। একবার ভাবুন তো, সাদা পৃষ্ঠায় কালো কালিতে দেয়া আঁচড়গুলোর ওপর দিয়ে চোখ বুলিয়ে যাওয়ার সময় আমরা কিভাবে অন্য এক জগতে হারিয়ে যাই। চোখ বুজলেই যেন দেখতে পাই চরিত্রগুলোকে। এখানে মূল সার্থকতা লেখকের। তাই তো আমরা নতুন প্রজন্মকে এই অসাধারণ কল্পনাশক্তির বীজ তুলে দিতে পারলে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হবে সারা পৃথিবী।

বই পড়ার সঠিক নিয়মশক্ত মলাট বা পেপারব্যাকের বইগুলো পড়া ও সংরক্ষণ করার সময় প্রয়োজন সতর্কতা। বই পড়ার সময় হাতে ধরতে হ...
19/08/2022

বই পড়ার সঠিক নিয়ম
শক্ত মলাট বা পেপারব্যাকের বইগুলো পড়া ও সংরক্ষণ করার সময় প্রয়োজন সতর্কতা। বই পড়ার সময় হাতে ধরতে হবে এমন উচ্চতায়, তা যেন থাকে চোখ বরাবর। ঝুঁকে পড়তে গেলে চোখ ও কাঁধ দুই জায়গা থেকেই একটু পর নালিশ আসা শুরু করবে।

আপনি কেন নিয়মিত বই পড়বেন ?বই অবসরের বন্ধু। জ্ঞান অর্জনের প্রথম মাধ্যম। কিন্তু ভার্চুয়েল জগতের ছোঁয়ায় আমরা প্রায় বই পড়া ছ...
17/08/2022

আপনি কেন নিয়মিত বই পড়বেন ?
বই অবসরের বন্ধু। জ্ঞান অর্জনের প্রথম মাধ্যম। কিন্তু ভার্চুয়েল জগতের ছোঁয়ায় আমরা প্রায় বই পড়া ছাড়তেই বসেছি। অথচ নিয়মিত বই পাঠ আমাদের জন্য খুলে দিতে পারে সৌভাগ্যের দরজা। আসুন জেনে নিই তাহলে বই পড়ার উপকারিতা-
মনোযোগ বাড়ায়: ইন্টারনেটের এই যুগে প্রতিটা মানুষ এখন প্রতি মুহুর্তে হাজারো কাজে একসাথে ব্যস্ত থাকে। একসাথে সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকতে হয়, সকলের সকল ঘটনার ব্যপারে একদম আপ-টু-ডেট থাকতে হয়। আবার নিজের কাজের খাতিরে ই-মেইল দেখা, কাজের খোঁজ রাখা ইত্যাদি একশ ধরণের কাজের মধ্যে ডুবে থাকতে হয় নিজেকে। সেখানে একটা বই পড়ার মতো কাজ অনেক ধৈর্যর ব্যাপারই বটে। ঘন্টার পর ঘন্টা তো বটেই, দিনের পর দিন একটা বই নিয়ে বসে থাকার ফলে যেমন আপনার সকল মনোযোগ একদিনে কেন্দ্রীভূত হয়, তেমনভাবেই যেকোন কাজের প্রতি মনোযোগটাও বৃদ্ধি পাবে আপনার।
স্মরণশক্তি বাড়ায়: একটা উপন্যাস পড়ার সময়ে আপনাকে উপন্যাসের অনেকগুলো চরিত্র, চরিত্রের ধরণ, চরিত্রের নাম, উপন্যাসের কাহিনী, উদ্দেশ্য, ইতিহাসসহ বিভিন্ন জিনিস মনে রাখতে হয় এবং এইভাবে মনে রেখেই আপনাকে উপন্যাসটি শেষ করতে হয়। যদিও এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া তবুও আপনাকে উপন্যাসের গল্পটির বিভিন্ন বাঁক, এবং বিভিন্ন ঘটনা ও টুকিটাকি মনে রাখতে হয় বলে এক্ষেত্রে আপনার প্রচুর ব্রেইন ওয়ার্ক হয়। যে কারণে, বই পড়ার মাধম্যে আপনার স্মরণশক্তি বৃদ্ধি হয়।

গল্প কিংবা উপন্যাসের বই পড়তে যতটা ভালো লাগে প্রাতিষ্ঠানিক বই পড়তে কেনো ততটা ভালো লাগেনা?এটা আমাদের মনমানসিকতার উপর ডিপেন...
13/08/2022

গল্প কিংবা উপন্যাসের বই পড়তে যতটা ভালো লাগে প্রাতিষ্ঠানিক বই পড়তে কেনো ততটা ভালো লাগেনা?

এটা আমাদের মনমানসিকতার উপর ডিপেন্ড করে।আমরা যখন প্রাতিষ্ঠানিক বই পড়ি তখন আমরা মনে মনে ভেবে নিই যে " এটা কতো কঠিন, আমাকে এটা মুখস্ত করতে হবে" এছাড়া আমরা প্রাতিষ্ঠানিক বই বিনোদনের উদ্দেশ্যে পড়ি না যার ফলে তা আমাদের কাছে একটু অন্যরকম ভাবেই আসে অথবা আমরাই এটাকে একটু অন্যরকম ভাবে নেই। অন্যদিকে গল্প কিংবা উপন্যাস পড়লে আমাদের মন প্রফুল্ল থাকে, আবার আমরা এই ধরণের বইগুলো বিনোদনের উদ্দেশ্যে পড়ি। তাই,, মূলত মনের ভাবের পরিবর্তনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বই পড়তে আমাদের ভালো লাগে না কিন্তু গল্পের বই পড়লে আমাদের ভালো লাগে।

বই পড়তে ভালো লাগে না কেন ?"পড়তে ভালো লাগে না। পড়ার টেবিল, বই, খাতা কিছুই ভালো লাগেনা।", এই সমস্যার সম্মুখীন অনেক শিক্ষা...
13/08/2022

বই পড়তে ভালো লাগে না কেন ?

"পড়তে ভালো লাগে না। পড়ার টেবিল, বই, খাতা কিছুই ভালো লাগেনা।", এই সমস্যার সম্মুখীন অনেক শিক্ষার্থীই হয়। এর জন্য দায়ী করা হয় মূলত মনোযোগ কে। মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা প্রায় সবারই আছে। কিন্তু সবার মনোযোগের ক্ষেত্র এক নয়। পড়তে ভালো না লাগার কারণ হচ্ছে পড়ার বিষয় খুব কঠিন, তাই অনেকেই পড়া এড়িয়ে চলতে চান। আরেকটি কারণ হচ্ছে না বুঝে বুঝে মুখস্থ করে পড়া, এর ফলে পড়া বেশিক্ষণ মনেও থাকেনা, প্রয়োগও সেভাবে করা যায়না। এর ফলে পড়ালেখার প্রতি অনীহা সৃষ্টি হয়। অনেকেই পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পাওয়ার লক্ষে পড়াশুনা করেন, পড়তে হবে শিখার জন্য। তাহলেই পড়ার আনন্দ পাওয়া যাবে। বর্তমান যুগে পড়ায় মন না বসার মূখ্য কারণ হচ্ছে ফেইসবুক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এইসব থেকে চাইলেও দূরে থাকা সম্ভব নয়। তাই পড়ার জন্য সময় ঠিক করতে হবে, যখন আপনি পড়তে বসবেন তখন ফোন দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। সমস্ত মনোযোগ পড়ায় দিতে হবে। অনেকেই আছেন সারা রাত জেগে পড়ালেখা করেন, এটিও অনীহার জন্ম দিতে পারে। শরীর ও মস্তিষ্কের বিশ্রাম প্রয়োজন এটি ভুলে গেলে চলবে না। পড়ালেখার প্রতি অনীহা কাটাতে ফাঁকে ফাঁকে ব্যায়াম করা, ছোট ছোট বিরতি নেওয়া যেতে পারে।

Address

Jatrabary, Dhaka
Jatrabari

Telephone

+8801732502603

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creative Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share