18/01/2019
জলপাই একটি শীতকালীন ফল হওয়া সত্ত্বেও এর অসাধারণ স্বাদ ও পুষ্টিগুণ সারা বছর ধরে মানুষের মনে থেকে যায়। RESCO সারা বছর খাওয়ার জন্য জলপাইয়ের আচার ও চাটনি তৈরি করে থাকে। জলপাই-এ নানা পুষ্টিকর উপাদান, যেমন- ভিটামিন, মিনারেল অর্থাৎ খনিজ পদার্থ এবং ভেষজ উপাদান, আয়রন, খাদ্যআঁশ, কপার, ভিটামিন-ই, ফেনোলিক উপাদান, অলিক অ্যাসিড এবং বিভিন্ন প্রকারের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান বিদ্যমান।
জেনে নিন জলপাই এর নানা উপকারিতা সম্পর্কে-
১। জলপাই-এ বিদ্যমান অলিক অ্যাসিড হচ্ছে এক ধরণের মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২। এটি রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। ফলে কার্ডিওভাসকুলার জটিলতা এবং দুশ্চিন্তা কমে যায়।
৩। এতে থাকা ফেনোলিক উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
হাইড্রক্সিটাইরোসল নামক এক ধরণের ফেনোলিক উপাদান অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা রক্ত পাতলা করে। ফলে সহজে রক্ত জমাট বাধা বা ব্লাড ক্লট সৃষ্টি হয় না এবং রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত হয়।
৪। জলপাই এর মধ্যে থাকা হাইড্রক্সিটাইরোসল এবং ওলিরোপিন নামক উপাদান ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। ফলে হাড়ের ক্ষয়রোধ হয়।
৫। এতে বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান (যেমন- অ্যান্টোসায়ানিন) পাওয়া যায়, যা বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার (যেমন- ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি) প্রতিরোধে সক্ষম।
৬। খাদ্যআঁশ থাকায় জলপাই পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
৭। এটি শরীরের জ্বালা-পোড়া প্রশমনে সাহায্য করে। ফলে যে সকল রোগীদের আর্থ্রাইটিস আছে তারা জলপাই খেলে উপকার পাবেন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করে।
৮। এটি ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
সতর্কতা
যদিও এর তেমন কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে সচারচর শোনা যায় না তবুও -
১। গর্ভাবস্থায় জলপাই এর তেল ব্যবহার না করাই উত্তম।
২।। এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম পাওয়া যায়। তাই যারা ইতোমধ্যে হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জলপাই না খাওয়াই ভাল।
অর্ডার করতে ইনবক্স করুন / অথবা কল করুন ০১৭১৬-৪১৬১০৪ এই নাম্বারে।
** হোম ডেলিভারি যে জেলা সদরে বাকি কুরিয়ারে দেয়া হয়।**