eBizNas.com

eBizNas.com Bringing information technology to the people.

eBizNas.com is an online marketplace featuring discount deals with games, software, tutorial, gaming t-shirt, gaming poster, gaming accessories etc. এখানে সুদক্ষ সফট্ওয়্যার ও মাদারবোর্ড বিশেষজ্ঞ ইন্জিনিয়ার এর মাধ্যমে, অত্যন্ত যত্ন সহকারে ধারাবাহিক ভাবে লিখিত ও প্রাকটিক্যাল ক্লাসের মাধ্যমে তিনটি প্যাকেজ যেমন ৫০০০ /= টাকায় ১৫ টি ক্লাস, ২০,০০০ /= টাকায় ৩০ টি ক্লাস, ৫০,০০০ /= টাকায় ৬০ টি ক্লাস এর মাধ

্যমে ল্যাপটপ মাদারবোর্ড রিপেয়ার ও সার্ভিসিং ট্রেনিং করানো হয় । এখানে ছাত্র, বেকার, চাকুরিজীবি পেশা থেকে শুরু করে যেকোন ব্যক্তি তিনটি প্যাকেজ এর যেকোন একটি প্যাকেজ গ্রহন করে আমাদের এখানে ল্যাপটপ রিপেয়ার বা ল্যাপটপ সার্ভিসিং প্রশিক্ষন কোর্সে ভর্তি হতে পারেন।

== আমাদের ট্রেনিং সমূহ ==

》কম্পিউটার ফান্ডামেন্টেল, সফট্ওয়্যার এর মাধ্যমে মেরামত, উইন্ডোজ সেটআপ , ড্রাইভার, অন্যান্য সফটওয়্যার, এন্টিভাইরাস এবং অপারেটিং সিস্টেম : ৫০০০ /= টাকা ১৫ টি ক্লাস

》ল্যাপটপ মাদারবোর্ড রিপেয়ার ও সার্ভিসিং : ২০,০০০ /= টাকা ৩০ টি ক্লাস

》এডভান্স ল্যাপটপ মাদারবোর্ড রিপেয়ার, ডেস্কটপ মাদারবোর্ড, মনিটর সার্ভিসিং, পাওয়ার সাপ্লাই সার্ভিসিং, হার্ডডিস্ক ডাটারিকবারী সবকিছু সহ : ৫০,০০০ /= টাকা ৬০ টি ক্লাস

বিঃদ্রঃ শুধু মাত্র কমদামে ডট কম এ যারা প্যাকেজ কিনেছেন তাদের ক্ষেত্রে ডিসকাউন্ট প্রযোজ্য।

আপনার যেকোনো ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ/ডেস্কটপ/প্রজেক্টর/মনিটর/স্মার্ট টিভি - এর নিচের যেকোনো সমস্যা দ্বারা আক্রান্ত হলে সাপোর্ট পেতে আমাদের ইবিজনাস ডট কম, EBIZNAS.COM, ৫৮৯ দনিয়া বাজার, দনিয়া বড় জামে মসজিদ সংলগ্ন, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা - ১২৩৬ এ সার্ভিসিং পয়েন্টে নিয়ে আসুনঃ

সার্ভিসিং চার্জঃ মিনিমাম ৫০০ টাকা থেকে সাধারনত ২৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

08/12/2025

আপনার WiFi বারবার Disconnect হচ্ছে? — ৩টি লুকানো Fix যেগুলো নেটকে একদম স্টেবল করে দেবে!
ইন্টারনেট চলছে ঠিকঠাক… হঠাৎই Disconnect!
কখনো মোবাইলে, কখনো ল্যাপটপে—হাজারো ঝামেলার মূল কারণ লুকিয়ে থাকে রাউটারের ভেতরের কিছু সেটিংসে।
আজকে দিচ্ছি ৩টি লুকানো Fix, যা অন করলে আপনার WiFi কানেকশন হয়ে যাবে প্রায় অপরিবর্তনীয় (Ultra Stable)! 📶⚡
✅ Fix ১: রাউটারের Channel Auto থেকে Fix করুন
Auto দিলে রাউটার নিজে নিজে চ্যানেল বদলায়—এই কারণেই কানেকশন ড্রপ হয়।
👉 Channel সেট করুন:
2.4GHz: 1 / 6 / 11
5GHz: 36 / 40 / 44 / 48
এতে সিগনাল স্টেবল থাকে, ড্রপ কমে ৮০%।
✅ Fix ২: DHCP Lease Time বাড়িয়ে দিন (২৪ ঘণ্টা বা বেশি)
ডিভাইস ও রাউটারের মধ্যে IP বরাদ্দ সময় কম থাকলে বারবার Disconnect হয়।
👉 যান:
LAN Settings → DHCP → Lease Time → 24 hours (বা বেশি)
এই একটি সেটিং লাখো লোকের নেট ড্রপ সমস্যার চিরতরে সমাধান করেছে!
✅ Fix ৩: Roaming / Smart Connect বন্ধ করে দিন (যদি Dual-Band হয়)
Dual-band রাউটারে Smart Connect ON থাকলে
মোবাইল 2.4GHz ↔ 5GHz স্যুইচ করতে থাকে—
এটাই বারবার Disconnect হওয়ার প্রধান কারণ!
👉 Smart Connect OFF করুন
👉 2.4GHz এবং 5GHz দুইটা আলাদা নামে রাখুন
ডিভাইস যেটায় ভালো সিগনাল পায় সেটা নিজে সিলেক্ট করে নিবে।
🔥 বোনাস Fix:
Auto-Reboot Schedule অন করুন (দিনে ১বার)
RAM ফ্রি থাকে, রাউটার স্টেবল থাকে।
✨ এক লাইনে সারসংক্ষেপ:
👉 Channel Fix + DHCP Boost + Smart Connect Off = WiFi Disconnect সমস্যা ৯০% সল্ভ! 🚀📶
Educational purpose only!!

12/06/2023

ফ্রিল্যান্সিং করে কত আয় করা যায়?
এই পেশাতে উপার্জনের কোন লিমিট নেই এবং মাসিক উপার্জন সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার উপর। আপনি যদি ভালোভাবে কাজ করলে মাসিক ১০,০০০ ডলারেরও বেশি উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমানে সবথেকে বেশি আয় হয় ওয়েব ডেভলপমেন্ট, অ্যাপ ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিএফএক্স এইসব থেকে।

কীভাবে পারিশ্রমিক পাবেন?
-----------------------------
পেপ্যাল বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয় এবং অনলাইনে লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত একটি মাধ্যম। তবে বাংলাদেশে পেপাল এর সার্ভিস না থাকার কারণে এ দেশের ফ্রিল্যান্সারদের অনলাইন থেকে আয়ের অর্থ উত্তোলন করা অনেক বেশি কষ্টকর ছিল।

পেওনিয়ার অনেকটাই সে সমস্যা দূর করে দিয়েছে । বর্তমানে প্রায় সব মার্কেটপ্লেসেই পেপালের বিকল্প হিসেবে পেওনিয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি বিশ্বব্যাপী ফ্রি মাস্টারকার্ড প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। পেওনিয়ারের প্রিপেইড, ডেবিট, মাস্টার কার্ডের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন কিংবা পেমেন্ট করতেও পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং -এর সুবিধা
ফ্রিল্যান্সিং যেমন প্রচুর সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে, তেমনি অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হতে হয়।

১। কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা:
এখানে কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা মানে, আপনি চাইলে অর্ডার নিতেও পারেন, আর আপনার যদি সমস্যা থাকে তাহলে অর্ডার নাও নিতে পারেন! কোন বাধ্যবাধকতা ছাড়াই আপনি কাজ থেকে ছুটি নিতে পারেন। তবে, আপনি যদি কোন কাজ নিয়ে থাকেন, তাহলে নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে সেই কাজ জমা দেওয়া আপনার জন্য আবশ্যক!

২। সময়ের স্বাধীনতা:
এর কোনো বাধাধরা সময় নেই, যেকোন সময় কাজ আসতে পারেন, আবার নাও আসতে পারেন। ফিল্যান্সিং সেক্টরে আপনি একটি অর্ডার নিলে সেই অর্ডারের একটি নির্দিষ্ট ডেডলাইন থাকে। আপনাকে এই সময়ের মধ্যে বায়ারের কাজ শেষ করতে হবে। কিন্তু, আপনি কাজটি সকালে করবেন না বিকালে, সেটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার! এটি ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার (freelancing career) গড়ার অন্যতম সুবিধা।

৩। ঘরে বসে কাজ করার সুবিধা:
আপনি যেখানেই থাকুন না কেন, কাজ ঠিক মতো করে জমা দিতে পারলেই বায়ার খুশি!

৪। নিজের পছন্দের কাজ করার স্বাধীনতা:
ফ্রিল্যান্সিং এ আপনি চাইলে কাজ নিবেন, আর না চাইলে কাজ নিবেন না, সেটা সম্পুর্ণ আপনার ব্যাপার! কেউ আপনাকে সেই জন্য কিচ্ছু বলবে না, বা তাদের সেই অধিকার নেই!

৫। নিজের মূল্য নিজেই নির্ধারনের স্বাধীনতা:
ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনি কাজের জন্য কেমন পারিশ্রমিক নিবেন তা নিজেই ঠিক করে নিতে পারবেন।

৬। একই সময়ে কয়েকটি কোম্পানিতে কাজ করার স্বাধীনতা:
একজন ফ্রিল্যান্সার চাইলে একই সাথে বেশ কয়েকটি কোম্পানিতে কাজ করতে পারেন। আসলে, ফ্রিল্যান্সিং এর এই কাজ গুলো সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত হয় না! তাই, একজন চাইলে এক সাথে একাধিক কোম্পানিতে সার্ভিস দিতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং -এর অসুবিধা:
১। প্রতিষ্ঠিত হতে সময় লাগে:
ধৈর্য্য নিয়ে কাজ করতে অনেকে পারে না। সেজন্য অসুবিধা হতে পারে। কাজের কোন নিরাপত্তা বা গ্যারান্টি নাও হতে পারে।

২। সব মাসে সমান উপার্জন হয় না:
ফ্রিল্যান্সিং এর অনেক বড় একটি সমস্যা হচ্ছে, এখান থেকে আপনি প্রতি মাসে সমান উপার্জন করতে পারবেন না! দেখা গেল, আপনি এক মাসে ২০টি অর্ডার পেয়ে ৫০০০ ডলার উপার্জন করলেন। আবার দেখা গেল পরের মাসেই মাত্র ৫টি অর্ডার পেলেন যার মূল্য হয়তো ২০০ ডলার।

৩। সামাজিক মর্যাদা:
আমাদের দেশের মানুষ এখনো প্রযুক্তিগত দিক থেকে অনেক পিছিয়ে আছে আর সেই কারণে অনেকেই ফ্রিল্যান্সারদেরকে মূল্যায়ন করে নাহ। ফলে ফ্রিল্যান্সারদের সামাজিকভাবে কিছুটা হীন দৃষ্টিতে দেখা হয়।

৪। অতিরিক্ত কাজের কারণে শারীরিক সমস্যা:
দেখা যায়, অনেকেই আছেন যারা ঘুমের থেকে উঠে কম্পিউটারে বসেন আর ঘুমানোর আগে কম্পিউটার ছাড়েন। এই সব মানুষদের নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। ধীরে ধীরে ব্যাক পেইন, শোল্ডার পেইন, মাইগ্রেনের সমস্যা, চোখের সমস্যা, ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।

তাই সব সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিন কী করবেন। আপনার যদি একটি স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ, ইংরেজি ভাষা জ্ঞান, নতুন কিছু শেখার মানসিকতা ও ধৈর্য থাকে, তাহলে আপনিও হয়ে যেতে পারেন একজন ফ্রিল্যান্সার!

ফ্রিল্যান্সিং কি সবাই করতে পার? কাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার:
যাদের অতিরিক্ত লোভ নেই।
যারা কাজ শেখার ধৈর্য রাখে।
যারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার মত কমিউনিকেশন জানে।
যারা শর্টকাটে টাকা আয় করতে চায় না।
যাদের জীবনে কিছু করার প্রবল ইচ্ছে আছে।
যারা সৎ পথে জীবিকা নির্বাহ করতে চায়।
যাদের শেখার প্রবণতা আছে।

যারা এ পথে না আসলে ভাল করবেন:
যারা সবসময় চিন্তা করে ফ্রিল্যান্সিং করে কত আয় করা যায়।
যারা সহজে আয়ের পথ খুঁজছেন।
যারা চাকরির বা অন্য পেশার পাশাপাশি সাইড ইনকাম হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং কে ভাবছেন।
যারা মনে করছেন শেখা শুরুর ১৫দিন – ১ মাসের মধ্যেই কারিকারি টাকা আয় করবেন।
যারা ফ্রিল্যান্সিং ট্রেইনিং সেন্টারের চটকদার বিজ্ঞাপন ‘ঘরে বসে লাখ টাকা’ দেখে এই পেশার জন্য আগ্রহী হয়েছন।
যারা ফ্রিল্যান্সিং কে খুব সহজ ভাবেন।
ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কিছু ভুল ধারণা:
ট্রেইনিং সেন্টারে গেলেই সফল হওয়া যায়!
CAPTCHA এন্ট্রি, ফেইক লাইক, পিটিসি, BET365 এগুলো ফ্রিল্যান্সিং!
ফ্রিল্যান্সিং করা খুব সহজ, দিনে ২ ঘন্টা সময় দিলেই হাজার টাকা!
ফ্রিল্যান্সিং মানে SEO.
ফ্রিল্যান্সিং আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্য, বিজনেস, নন-আইটি বা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছেলে মেয়েদের জন্য না।
ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আইটি ওরিয়েন্টেড ফিল্ডে কাজ করতে হবে।

আরেকদল আরও এক ধাপ এগিয়ে। তারা অবৈধ-সাইবারক্রাইমকে ফ্রিল্যান্সিং বলে চালিয়ে দেয়, আর এ সম্পর্কে জানেনা এমন ছেলেমেয়েদের কাজ করায় তাদের প্রতিষ্ঠানে।

CAPTCHA এন্ট্রি, ফেসবুক ফেইক লাইক, পিটিসি (Clicksense, trafficmonsoon), আর এখন নতুন যুক্ত হয়েছে Bet365.

এগুলো পিওর সাইবারক্রাইম এবং অবৈধ। এগুলোর সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর কোন যোগসূত্র নেই। বছর কয়েক আগে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর নামে এসব অবৈধ কাজ হচ্ছে বলে বিশ্বের নামকরা কয়েকটি সংবাদপত্রে প্রতিবেদনও আসে।

আচ্ছা, এত নেগেটিভ দিক কেন আলোচনা করা হল?

আমার একটা বিশ্বাস হল, মানুষ কোন কাজে সফল না হতে পারার কারণ হল তারা সঠিক পথে না গিয়ে ভুল পথে যায়। আপনি যদি তাদের ভুল পথ সম্পর্কে সাবধান করে দিতে পারেন, তারা কোন না কোনভাবে সঠিক পথে এগিয়ে যাবে।

12/06/2023

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে এই গাইডলাইনগুলো জেনে নিন!
ফ্রিল্যান্সিং শব্দের অর্থই হচ্ছে মুক্ত পেশা। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির আদেশ অনুযায়ী কারো কাজ না করাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলে। মূলত যারা এ ধরনের কাজ করে থাকে তাদেরকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।

ফ্রিল্যান্সিং হলো কোন প্রতিষ্ঠানে পার্মানেন্ট চুক্তিবদ্ধ না হয়ে বরং প্রজেক্ট বেসিসে কাজ করা। ফ্রিল্যান্সিং করে আসছে মানুষ শত বছর ধরে। যেমন একজন রিক্সাওয়ালাও ফ্রিল্যান্সার, কারণ সে অন্যের রিক্সা চালায়, ইচ্ছা হলে প্যাসেঞ্জার নেয়, নাহলে নেয় না। তার ফ্রিডম আছে। ইদানিং ফটোগ্রাফাররাও ফ্রিল্যান্সার, কারণ তারা কোথাও ফটোগ্রাফার হিসাবে চাকরি না করে বরং অনুষ্ঠান বেসিসে শুট করে আর পারিশ্রমিক নেয়।

মনে করুন আপনি একজন সিনেম্যাটোগ্রাফার। এখন একটা ভিডিও এডিট করার জন্য আপনার একজন ভিডিও এডিটর প্রয়োজন। তখনই আপনি একটা বিজ্ঞাপনে দেখলেন একজন এডিটর কাজ খুঁজছেন। ব্যস, আপনি তাকে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে কাজটা করতে বললেন। এখানে ভিডিও এডিটর হলেন ফ্রিল্যান্সার, আপনি বায়ার বা ক্লায়েন্ট এবং বিজ্ঞাপনটি হলো মার্কেটপ্লেস।

আপনি কখনই আউটসোর্সিং করছেন না। সেটা করছে ক্লায়েন্ট! কেউ যদি ক্লেইম করে সে আউটসোর্সিং শেখাবে, তাকে প্রতারক বলে গণ্য করুন, কারণ সে নিজেই জানে না আউটসোর্সিং কি। সে প্রতারণা করছে। যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং কোনো কাজ না, কেউ যদি ক্লেইম করে সে ফ্রিল্যান্সিং শেখাবে, সে ক্ষেত্রে সে-ও প্রতারক।

১৫ হাজারের জব করার জন্য ২০ বছর পড়াশোনা করলেন দু-বার না ভেবে। পড়াশোনা শেষ করে একটা লোকাল জবের জন্য প্রতিযোগীতায় নামলেন একই শহরের অন্যদের সাথে, যারা কিনা আপনার লেভেলের পড়াশোনাই করেছে।

এবার ভাবুন ফ্রিল্যান্সিং এর কথা, এমেরিকার একটা কোম্পানি তাদের একটা জব আউটসোর্স করল মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে। ২ সপ্তাহের প্রজেক্ট, ১ হাজার ডলার। এপ্লাই করল কারা? সারা বিশ্বের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ওপেন, (ছোট শহর নয়), বিশ্বের টপ প্রফেশনালরা এপ্লাই করল, আপনিও করলেন। তার মানে? এবার আপনার প্রতিযোগীতার লেভেল কোথায়?

এবার ভাবুন, এই লেভেলে প্রতিযোগিতার জন্য আপনি শুধু ২ মাসের কোর্স করেই দক্ষ হতে পারবেন? অবাস্তব নয়?

হ্যাঁ এটা সত্যি যে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়ে মাসে লাখ টাকা আয় করা যায়, সার্ভেতে দেখা যায়, বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং আয় মাসে ২ লাখের উপর। কিন্তু তারা ২ মাসে কোর্স করে এত দূর আসেনি। তারা অন্তত এক বছর সময় নিয়ে টাকা আয়ের কথা না ভেবে শেখার উপর জোর দিয়েছিল!

যেখানে ১৫ হাজার টাকার জবের জন্য ২০ বছর পড়াশোনা করলেন, মাসে কয়েক লক্ষ আয় করতে, বিশ্বের টপ-লেভেল প্রফেশনালদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামতে ১-২ বছর সময় দিয়ে কাজ শিখবেন না?

কীভাবে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন?
আপনি যেই কাজে দক্ষ শুধু সে কাজগুলোই ফ্রিল্যান্স হিসেবে করবেন। কাজের জন্য নিয়মিত বিড করবেন। আপনি যা জানেন তা দিয়েই কাজ শুরু করতে পারবেন:

ডাটা এন্ট্রি, আর্টিকেল লেখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কপি রাইটিং, মার্কেটিং, টাইপিং, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ভার্চুলাল এসিস্ট্যান্ট এর মতো কাজগুলোর জন্যে প্রচুর বিড আসে৷ তাই এমন কাজ পেতে হলে একজন ফ্রিল্যান্সারকে বেশ বড় রকমের একটা প্রতিযোগিতায় পড়তে হয়।

তুলনামূলক কঠিন কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং- এমন সব কাজ। এমন কাজে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া যায়, প্রতিযোগিতাও কিছুটা কম। কিন্তু এসব কাজ নিখুঁতভাবে করতে হবে।

কাজের অভিজ্ঞতার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। কাজের অভিজ্ঞতা বেশি হলে আয়ও বেশি হয়। কোনো কাজ না জানলে শিখে নিন। আজ না হোক, কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন।

কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হলো:
Fiverr
Upwork
Freelancer
Peopleperhour
Guru
Toptal
99designs
Belancer
Komdaame

ফ্রিল্যান্সার হতে যা যা প্রয়োজনঃ
---------------------------------
১ কম্পিউটার চালানোর বেসিক স্কিল
কম্পিউটার অন অফ করতে পারা
যেকোনো সফটওয়্যার ইনস্টল এবং আনইনস্টল করতে পারা
কম্পিউটারে লেখালেখির কাজ করতে পারা
MS Word, MS Excel, MS PowerPoint ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় টুলসগুলোর ব্যবহার করতে পারা।
ফাইল ট্রান্সফার করতে পারা।
কম্পিউটারের বেসিক ট্রাবলশুটিং সম্পর্কে জানা, ইত্যাদি।
২ ইন্টারনেট ইন্টারনেট কানেকশনের সাথে পরিচিত থাকা এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং করতে পারা।
৩ ইংরেজি ভাষার দক্ষতা ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে আপনাকে বাইরের দেশের ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কথা বলা এবং কাজ বুঝিয়ে দেওয়া লাগবে, অনেক বাহিরের ব্লগ পড়তে হবে, অনেক মার্কেটপ্লেসে জয়েন থাকতে হবে। তাই আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে।
৪ দক্ষতা অর্জন ফ্রিল্যান্সিং করার আগে আপনি কোন বিষয়ে (গ্রাফিক ডিজাইন, মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি) দক্ষ, তা ভালোভাবে জানতে হবে। কারণ, নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা না থাকলে ফ্রিল্যান্স কাজ করা বেশ কঠিন।
৫ আত্মবিশ্বাস আপনাকে অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। কোনো কাজ নেওয়ার সময় অবশ্যই ভেবে দেখতে হবে আপনি কাজটি নির্দিষ্ট সময়ে ভালোভাবে শেষ করতে পারবেন কি না। এ জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিজের দক্ষতা ভালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে। ক্লায়েন্টকে জানাতে হবে যে আপনি তার কাজের জন্য উপযুক্ত
৬ প্রবলেম সলভিং স্কিল কাজ করার সময় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের কৌশল জানতে অনলাইনে দ্রুত এবং সঠিকভাবে তথ্য খোঁজার কৌশল জানতে হবে। কারণ, ফ্রিল্যান্স কাজ করতে গেলে মাঝেমধ্যেই বেশকিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সমাধান করা সম্ভব।
৭ ফ্লেক্সিবিলিটি ক্লায়েন্টের সমস্যা সমাধানের মনমানসিকতা থাকতে হবে। কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে কাজ জমা দেওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, ক্লায়েন্টের চাহিদামতো একাধিকবার জমা দেওয়া কাজে পরিবর্তন আনার মানসিকতাও থাকতে হবে। বিরক্তবোধ করা যাবে না, এতে বাজে রেটিং পেতে পারেন।

01/06/2023

কম্পিউটারে সমস্যা! কখনও ভেবে দেখেছেন কি?
অন্য কাউকে দিয়ে উইন্ডোজ সেটাপ দিতে গিয়ে আপনার পার্সোনাল ডেটা বা ফাইল লিক হয়ে যাচ্ছে না তো? সে আপনার অজান্তে ফাইল কপি করে রাখছে না তো? আর এই সব কারণে আপনার ব্ল্যাকমেইল হওয়ার সম্ভাবনা নেই তো? আর এইসব সব সমস্যার কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন কিছু প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করে একটি ডিভাইস এর মাধ্যমে অলমোষ্ট সকল ধরণের সমস্যার সমাধান নিয়ে আসার চেষ্টা করেছে ইবিজনাস - EBIZNAS.

এখন থেকে যেতে হবে না কোন সার্ভিস পয়েন্টে; এতে করে আপনার মূল্যবান সময় ও অর্থ দুই-ই বাঁচবে। ক্র্যাক উইন্ডোজ ব্যবহার করা মানে আপনার পিসিতে ভাইরাসকে আমন্ত্রণ করা।

আর এই ভাইরাসের কারনে আপনি হ্যাকিং এর শিকার হতে
পারেন! আর হারাতে পারেন আপনার পিসির গুরুত্বপূর্ণ ডেটা
এবং ফেসবুক, জি-মেইলের মত গুরুত্বপূর্ণ একাউন্ট ও।
এছাড়াও কমন আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে
পারেন। যেমনঃ 👇

💻 বার বার উইন্ডোজ একটিভেট মেসেজ আসা,
💻 ল্যাপটপ বা পিসি স্লো হয়ে যাওয়া,
💻 পিসির সমস্ত ফাইল Encrypted হয়ে যাওয়া,
💻 পিসিতে Malware ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া
💻 অথবা Ransomware ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া,
💻 পিসির গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ডিলিট হয়ে যাওয়া,
💻 উইন্ডোজ বুট মিসিং, ফাইল মিসিং, ড্রাইভার মিসিং,
বুলু স্ক্রিন আসা ইত্যাদি।

আর এসব সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার পিসি কোনো
এক্সপার্ট কে দেখাতে হচ্ছে অথবা নিয়ে যেতে হচ্ছে কোনো
সার্ভিস পয়েন্টে। এতে করে আপনার গুরুত্বপূর্ণ সময়তো
নস্ট হয়ই এবং প্রতিনিয়ত দিতে হয় অর্থ দন্ডও

💻 আমরা নিয়ে এসেছি এসব সমস্যার সহজ সমাধান! 💻
💥👨‍💻 EBIZNAS এর MASTER PENDRIVE 👨‍💻💥

এখন আপনি নিজেই ঘরে বসে এসব সমস্যার মাধান করতে
পারবেন স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিও দেখে, তাও আবার একটি
মাত্র মাস্টার পেনড্রাইভের মাধ্যমে 💥

👨‍💻 MASTER PENDRIVE ডিভাইসটির ইউনিক ফিচার সমূহঃ 👇
✅ জেনুইন উইন্ডোজ সেটাপ 7, 8, 10 and 11
✅ উইন্ডোজ মিসিং হলে ফাইল ব্যাকাপ রাখার সুবিধা
✅ উইন্ডোজ একটিভেশন লাইসেন্স কী 🗝🔑
✅ প্রিমিয়াম এন্টিভাইরাস (লাইফটাইম)
✅ প্রিমিয়াম ডাটা রিকভারি (লাইফটাইম)
✅ অল ড্রাইভার সেটাপ 7, 8, 10, 11
✅ ডিভাইসটির সিস্টেম ফাইল ডিলেট প্রটেক্ট
✅ ডিভাইসটির সিস্টেম ফাইল ভাইরাস প্রটেক্ট
✅ ডিভাইসটির এক্সট্রা স্পেস ইউজেবল সুবিধা
✅ প্রয়োজনীয় যেকোনো সফটওয়্যার সাপোর্ট
✅ প্রিমিয়াম পার্টিশন কনভার্টার (লাইফটাইম)
✅ এন্ড্রয়েড সেটাপ (লাইফটাইম)
✅ টিউটোরিয়াল ভিডিও স্টেপ বাই স্টেপ
✅ লাইফটাইম সিক্রেট সাপোর্ট গ্রুপ এক্সেস
✅ ডিভাইসটিতে ৫ বছরের গ্যারান্টি
✅ ডিভাইসটির সিস্টেম ফাইলে ১ বছরের গ্যারান্টি
✅ ১ বছরের ফ্রি রি-প্রোগ্রামিং সুবিধা
তাহলে আর দেরি কেন! অর্ডার করতে কিংবা
আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট-টি
ভিজিট করতে পারেন। লিংকঃ 👇

এবং যেকোন প্রয়োজনে নক করতে পারেন আমাদের
হটলাইন হোয়াটসআপ নাম্বারে 👉 01716-182907

এক ক্লিকেই ডিলিট করুন Computer এর সকল Junk file গুলো (temp ।। %temp%।। prefetch।। recent) - Third party software ছাড়াআমর...
30/05/2023

এক ক্লিকেই ডিলিট করুন Computer এর সকল Junk file গুলো (temp ।। %temp%।। prefetch।। recent) - Third party software ছাড়া

আমরা প্রত্যেকেই Computer এ কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় Lag/processor slow হওয়ার কবলে পরে যাই, যার ফলে কোন কাজই ঠিকভাবে করতে পারা যায় না। তাছাড়া Cpu 100%, RAM হঠাৎ Full হয়ে PC/Computer Hang হওয়া তো নিত্যদিনের ঘটনা। তাই না?

এর একটাই সমাধান তা হল–

হয়তো Third Party Software (CCleaner Pro) ব্যবহার করা নয়তো computer এ built
in Run Comand ব্যবহার করা।

এই Run softwareটি তে Temp. %temp prefetch এবং recent fileগুলো তে জমা হওয়া junkগুলো এক এক করে delete করে দিলে দেখবেন আপনার কম্পিউটার আগের তুলনায় কতটা smooth চলছে। এটা আমরা কম বেশি সবাই জানি , কিন্তু আজ দেখাব কি ভাবে আপনি এক ক্লিকেই সব Run কমান্ড এর junk file ডিলিট করতে পারবেন ।

তো শুরু করা যাক-

🔰নিম্নোক্ত কোডটি কপি করে নিন
cd/
COLOR 4A

ECHO DELETE ALL TEMP FILES
C:
CD %TEMP%
RMDIR/S/Q %TEMP%Junk
CD C:\WINDOWS\TEMP
RMDIR/S/Q C:\WINDOWS\TEMP
CD C:\WINDOWS\Prefetch
RMDIR/S/Q C:\WINDOWS\Prefetch
CD %TEMP%/Speed
Del/s/q *.*
🔰 কোডটি হুবহু কপি করার পর কম্পিউটারের NotePad-এ Paste করে দিন.

🔰 এবার Fileটি Save করুন এই Style-এ >>>
select
Save as >> Desktop>>{ file extention .bat দিবেন মানে আপনি picture save করতে .jpg দেন সেইম এখানেও .bat দিবেন}
ব্যস save এ click করলেই সেটা আপনার staring windows পেইজে চলে আসবে

🔰এবার ঐ ফাইলটাতে ডাবল ক্লিক করলেই, মাইক্রো সেকেন্ডের ভিতর আপনার কম্পিউটারের সব Junk ফাইল ডিলিট হয়ে যাবে

♥ সব সময় কম্পিউটার ওপেন কিংবা বন্ধ করার সময় এই ফাইলে ডাবল ক্লিক করলে আপনার ব্যবহৃত সফ্টওয়্যার এর junk ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে যাবে তখন বারবার আর কষ্ট করে run এ গিয়ে temp %temp prefecth ফাইল ডিলিট করা লাগবে না।

চেষ্টা করেছি আপনাদের সাথে ভালো কিছু শেয়ার করা, আশাকরি উপকৃত হবেন।

11/05/2023

EBIZNAS TYPE SOFTWARE টি দিয়ে ব্রেনের IQ স্পিড বাড়ান
--------------------------------------------------------------
Typing Tutor Software টি হল বিভিন্ন দেশের ভাষায় টাইপ শিখার জন্য টাইপ ফাস্টার মানে দ্রুত টাইপ শিখার জন্য সফটওয়্যার। যা আপনাকে শেখায় কিভাবে টাচ-টাইপ করতে হয়। একবার আপনি স্পর্শ-টাইপ করতে পারলে আপনি যে অক্ষরগুলি টাইপ করতে চান তা খুঁজে পেতে আপনাকে কীবোর্ডের দিকে তাকাতে হবে না। এটির মাধ্যমে গেইমস এর মত খেলা করে টাইপ শিখা যায়। এভাবে প্র্যাকটিজ করতে করতে টাইপ স্পিড এর সাথে ব্রেনের আইকিউ স্পিডও বেড়ে যায়।

এন্টিভাইরাস লাইসেন্স করে নিন ১ বছরের জন্য। একবার লাইসেন্স একটিভ করার পর সেটাপ দিলে ম্যানুয়ালি একটিভ করতে হবেনা। ইন্টারনে...
13/04/2023

এন্টিভাইরাস লাইসেন্স করে নিন ১ বছরের জন্য। একবার লাইসেন্স একটিভ করার পর সেটাপ দিলে ম্যানুয়ালি একটিভ করতে হবেনা। ইন্টারনেট কানেকশন দিলে অটোমেটিক একটিভ হয়ে যাবে।
আপনি যদি চান এন্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন, সেটাও কিন্তু হাতের কাছেই রয়েছে
★ eScan Total Security
★ Kaspersky Internet Security
আমাদের কাছে রয়েছে
1. eScan Antivirus - 499 taka
- Original Genuine License Key
- Official Product
- Only for 1 PC
- Only one-time payment
2. Kaspersky Antivirus - 899 taka
- Original Genuine License Key
- Official Product
- Only for 1 PC
- Only one-time payment
বিকাশ এবং নগদ এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
( আমাদের অনুমতি ব্যতীত আমাদের কোনো Picture অথবা Post এর অংশ কপি করে অন্য কোথাও ব্যবহার করা নিষেধ, এমনটি প্রমাণিত হলে কপিরাইট আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে )

Contact: 01716-182907
13/04/2023

Contact: 01716-182907

নিজের কম্পিউটারে বসে অন্যের কম্পিউটারে কীভাবে কাজ করা সম্ভব চলুন জেনে নেই!!উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এ রিমোট ফাংশন আছে, ত...
13/04/2023

নিজের কম্পিউটারে বসে অন্যের কম্পিউটারে কীভাবে কাজ করা সম্ভব চলুন জেনে নেই!!
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এ রিমোট ফাংশন আছে, তবে সেটা সাধারনের জন্য ঝামেলার।
আপনাকে ২টি সহজ সফটওয়্যার এর নাম দিবো, যেটার মাধ্যমে আপনি সহজেই আরেকটি কম্পিউটার অপারেট করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে সফটওয়্যার টি দুটি কম্পিউটারে ইন্সটল / থাকতে হবে।
১. AnyDesk- ৩ এমবি এর মতো ছোট এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে হয় না, শুধু কম্পিউটারে ফাইলটি থাকলেই হয় যেটা ক্লিক করে রান করতে হবে। রান করলে নিচের ছবির মতো আসবে এবং ব্যবহার করার জন্য একটি নাম্বার দিবে আপনাকে। আপনি যদি অন্য কম্পিউটারকে অপারেট করতে চান তাহলে সে কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ওপেন করে নাম্বারটি সংগ্রহ করবেন এবং Remote Desk এর ঘরে নাম্বারটি বসিয়ে Connect এ ক্লিক করবেন। আর আপনার কম্পিউটারে অন্য কেও কাজ করতে চাইলে আপনার নাম্বারটি তাকে দিবেন এবং একইভাবে কানেক্ট করে আপনার কম্পিউটার অপারেট করতে পারবে!
link: https://anydesk.com/en/
২. Teamviewer- ঠিক একই রকম পদ্ধতিতে কানেক্ট করতে হয়, তবে এই সফটওয়্যারটি আপনাকে ইন্সটল করতে হবে।
link: https://www.teamviewer.com/en/
তবে এটা মাথায় রাখবেন, এইভাবে রিমোট কাজ করার জন্য দুই প্রান্তেই ভালো স্পিড এর ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। নয়তো কাজ করে মজা পাবেন না!

28/02/2023

আপনার কম্পিউটারটি কত ওয়াটের ও আপনার ওখানে ১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত? তার ওপর নির্ভর করবে বিদ্যুতের বিল।

বিদ্যুত বিলের ইউনিট হিসাব করার ফর্মুলাটি হল, ওয়াট x ঘন্টা ÷১০০০, যদি আপনার কম্পিউটারটি ২৫০ ওয়াটের হয় ও দিনে ৫ ঘন্টা ব্যবহার করেন, তাহলে ২৫০x৫÷১০০০= ১.২৫ ইউনিট, এখন ১ ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬ টাকা হলে, প্রতিদিন ১.২৫ × ৬ = ৭.৫ টাকা বিল হবে, মাসে হবে ৭.৫ × ৩০ = ২২৫ টাকা, তবে বিল এর থেকে একটু কম হবে, কারণ কম্পিউটার টি যখন ফুলস্পিডে চলবে কেবলমাত্র তখনই ২৫০ ওয়াট বিদ্যুত খরচ করব, বাকি সময় ১০০ থেকে ২০০ ওয়াট পর্যন্ত খরচ করবে।

20/02/2023

শিখতে ও শেখাতে ভালোবাসি
যেটাই শিখুন মন থেকে ভালোবেসে, ভালোভাবে শিখুন। “ব্যবসার জগতে তারাই সবচেয়ে বেশি সফল, যারা তাদের সবচেয়ে ভালো লাগার কাজটি করছে” – ওয়ারেন বাফেট

Address

৫৮৯ দনিয়া বাজার, দনিয়া বড় জামে মসজিদ সংলগ্ন, যাত্রাবাড়ি
Dhaka
1236

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Friday 09:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801716182907

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when eBizNas.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to eBizNas.com:

Share