12/05/2024
ভেজাল আতর চিনবেন যেভাবে!??
এগুলো সাধারণত ল্যাব টেস্ট ছাড়া ধরা পসিবল নয়, এজন্যই এই ভেজাল খুব রমরমা।
সাধারণ ভাবে বুঝার কিছু উপায়:
১/ এগুলোর লাস্টিং অনেক কম হয়।
২/ কালার হালকা (ফেইড) হয় জেনুইন প্রোডাক্ট থেকে।
৩/ ঝাকালে আতর ঘোলা হতে পারে।
৪/ এলোকহল মিক্সড করে ভেজাল করলে হাতে ঠান্ডা অনুভূত হবে।
৫/ ঘ্রাণ অনেক হালকা হবে জেনুইন প্রোডাক্ট থেকে, প্রজেকশন ও লাস্টিং কম হবে।
৬/ স্কিন ইরিটেশন হতে পারে।
৭/ ঘ্রাণ ১-২ ঘন্টা পর অস্বস্তিকর মনে হতে পারে।
৮/ মাথা ধরতে পারে, মাইগ্রেইন হতে পারে।
৯/ যারা ডাস্ট এলার্জিতে আক্রান্ত, তাদের এলার্জির ট্রিগার হতে পারে।
আসল প্রোডাক্ট কিনতে হলে করনীয়:
১/ সুপরিচিত ব্রান্ডের ইন্ট্যাক্ট আতর কিনবেন, অথবা লুস আতর কিনলে বিশ্বস্থ সেলার থেকে কিনবেন।
২/ যারা সুগন্ধি অপছন্দ হলে ফেরত নেন, তাদের থেকে কিনবেন। পেইজের রিভিউ দেখে কিনবেন।
৩/ সস্তা দামের সুগন্ধি এড়িয়ে চলবেন।
সস্তার শুধু ৩ অবস্থা না, অনেক অবস্থা হতে পারে।
৪/ চটকদার বিজ্ঞাপনে গলে যাবেন না।
কারন অনেক সুন্নাতি লেবাস পড়া মানুষও জেনে অথবা না জেনে ভুল তথ্য দিয়ে আতর সেল করছেন যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে,
তারা এমন তথ্য দিচ্ছে যা হাস্যকর।
সবশেষে এটা বলতে চাই, কিছু লোক মনে করেন আতর তো আমরা খাই না, তাহলে এটা লো কোয়ালিটি হলেও সমস্যা কোথায়!?
এর উত্তর হল, আতরের স্মেল আমরা নাক দিয়ে নেই যা ফুসফুসে পৌছে, স্কিন দিয়ে এভজর্ভ হয়ে ব্লাডের মাধ্যমে লিভারে চলে যায়।
তাই ক্ষতিকারক জিনিস বডির সংস্পর্শে আসলে তা আমাদের জন্য স্লো পয়জন হিসেবে কাজ করবে। তাই নিজের ভালোর জন্য আপনাকে সচেতন হতে হবে ইনশাআল্লাহ।