10/10/2024
সূরা কাহাফের ০৯টি শিক্ষা
----------------------------------
০১. বিতর্কে লিপ্ত হবে না:
فَلَا تُمَارِ فِيهِمْ إِلَّا مِرَآءً ظَٰهِرًا. (الآية٢٢)
সাধারণ আলোচনা ছাড়া তুমি তাদের বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হবে না। (আয়াত -২২)
০২. অজ্ঞাত বিষয়ে প্রশ্ন করবে না:
وَلَا تَسْتَفْتِ فِيهِم مِّنْهُمْ أَحَدًا. (الآية ٢٢)
আর তাদের বিষয়ে তাদের কাউকেও কিছু জিজ্ঞাসাও করোনা। (আয়াত ২২)
০৩ ভবিষ্যৎ বিষয়ে নিশ্চিত না বলে ইনশাআল্লাহ বলবে:
وَلَا تَقُولَنَّ لِشَا۟ىْءٍ إِنِّى فَاعِلٌ ذَٰلِكَ غَدًا * إِلَّآ أَن يَشَآءَ ٱللَّهُ. (الآيتان ٢٣ و ٢٤).
তুমি কোনো বিষয়ে কখনো এভাবে বলোনা যে ' আমি তা আগামীকাল করবো।' তবে এভাবে বলবে: ইনশাআল্লাহ্' (আমি তা আগামীকাল করবো)। (আয়াত -২৩-২৪)
০৪. জাগতিক কারণে আদর্শের সাথীদের পরিত্যাগ করো না:
﴿وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ﴾. (الآية ٢٨).
আর পার্থিব জীবনের চাকচিক্যের উদ্দেশ্য তুমি তাদের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ো না। (আয়াত -২৮)
০৫. আল্লাহর ব্যাপারে গাফিল ও সীমালঙ্ঘনকারীদের আনুগত্য করো না:
وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُۥ عَن ذِكْرِنَا وَٱتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُۥ فُرُطًا. (الآية ٢٨).
তুমি এমন কারো আনুগত্য করো না, যার অন্তরকে আমরা আমাদের যিকির থেকে গাফিল করে দিয়েছি এবং যে তার খেয়াল খুশির অনুসরণ করে আর যার কর্মকাণ্ড সীমালঙ্ঘনমূলক। (আয়াত -২৮)
০৬. উস্তায বলার আগেই তাকে প্রশ্ন করো না:
فلَا تَسْـَٔلْنِى عَن شَىْءٍ حَتَّىٰٓ أُحْدِثَ لَكَ مِنْهُ ذِكْرًا. (الآية ٧٠).
আমাকে এমন কোনো প্রশ্ন করবেনা, যতক্ষণ না আমি নিজেই সে বিষয়ে তোমাকে কিছু বলবো।(আয়াত -৭০)
০৭. ভুলের জন্য কাউকেও পাকড়াও করো না:
لا تُؤَاخِذْنِى بِمَا نَسِيتُ. (الآية ٧٣).
আমার ভুলের জন্য আপনি আমাকে পাকড়াও
করবেন না। (আয়াত -৭৩)
০৮. অনুগতদের বিষয়ে কঠোর হবেনা:
وَلَا تُرْهِقْنِى مِنْ أَمْرِى عُسْرًا. (الآية ٧٣).
আমার বিষয়ে অধিক কঠোর হবেন না। (আয়াত -৭৩)
০৯. কথা রক্ষা করতে না পারলে সাথে রাখা যাবে না:
فَلا تُصاحِبني قَد بَلَغتَ مِن لَدُنّي عُذرًا. (الآية ٧٦).
আপনি আমাকে আর সাথে রাখবেন না, কারণ আমার ওজর আপত্তির বিষয়টি আপনার কাছে চূড়ান্তভাবে স্পষ্ট হয়েছে। (আয়াত ৭৬)
(منقول)