Easy On-line shop

Easy On-line shop Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Easy On-line shop, Shopping & retail, Dhaka.

With Tanjina Islam liraa – I'm on a streak! I've been a top fan for 6 months in a row. 🎉
08/02/2026

With Tanjina Islam liraa – I'm on a streak! I've been a top fan for 6 months in a row. 🎉

With Sharif Uddin – I'm on a streak! I've been a top fan for 5 months in a row. 🎉
08/02/2026

With Sharif Uddin – I'm on a streak! I've been a top fan for 5 months in a row. 🎉

সতর্কতা
11/01/2026

সতর্কতা

আশিক জ্বীন ও রুকাইয়াহর নামে চলছে মারাত্মক প্রতারণা এবং এক নীরব ধ্বংসযজ্ঞ। এদের প্রতারণার ফাঁদ যে কত ভয়াবহ তা শুনলে চমকে যাবেনতো বটেই, তাওবা করা শুরু করে দিবেন৷ অনলাইন- অফলাইনে নীরবে ছড়িয়ে পড়ছে এই প্রতারকচক্র! যার শিকার আপনার আমার মা বোনরা।
“আশিক জ্বীন” ও “রুকাইয়াহ” এই দুইটি শব্দকে ঢাল বানিয়ে মানুষের ঈমান, সম্মান ও অর্থ লুট করা হচ্ছে।
বিশেষ করে মা-বোনদের দুর্বলতা, ভয়, মানসিক কষ্ট ও অসুস্থতাকে পুঁজি করে এই প্রতারকরা জাল পেতে বসে আছে।

একজন ভুক্তভোগীর ভয়াবহ বাস্তব ঘটনা তুলে ধরি তারপর আসল ব্যখ্যা দিব। ঘটনাটা জানলে বিষয়টি খুব সহজেই বুঝে যাবেন।
ঘটনায় যাওয়ার আগে নিজেকে সংক্ষেপে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি—
আমি ঈশান মাহমুদ, একজন প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর। এই পরিচয়টা পরিষ্কার করে বলা জরুরি, কারণ প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ নানান জটিল সমস্যা নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
এখানে স্পষ্ট করে বলে রাখা প্রয়োজন—
আমি কোনো হুজুর নই,
আমি তান্ত্রিক নই,
আমি সাধক নই।
আমি কোনো ধরনের চিকিৎসা দিই না,
আমি কোনো তাবিজ-কবচ দিই না,
আমি কোনো রকম টাকা-পয়সা গ্রহণ করি না।
মানুষ যখন আমাকে কল দেয় বা মেসেজ করে, আমি শুধুমাত্র তাদের উপসর্গগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনি। এরপর বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দিই—
এটা কি ডাক্তারি সমস্যা,
নাকি মানসিক সমস্যা,
নাকি আধ্যাত্মিক কোনো বিষয়,
নাকি সত্যিই জ্বীন বা প্যারানরমাল কোনো কেস।
আমার কাছে আসা বেশিরভাগ মানুষই এমন, যারা দীর্ঘদিন ভুল রাস্তায় দৌড়েছেন,
ভুল মানুষের কাছে গেছেন,
ভুল চিকিৎসা নিয়েছেন,
অপ্রয়োজনীয় ভয়, কুসংস্কার আর প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
তাদের ক্ষেত্রে আমি শুধু সঠিক পথটা দেখিয়ে দিই—
কোথায় ডাক্তার দেখানো দরকার,
কোথায় মানসিক কাউন্সেলিং প্রয়োজন,
আর কোথায় সত্যিই আধ্যাত্মিক দিক থেকে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া জরুরি।
আল্লাহর মেহেরবানীতে, শুধুমাত্র এই সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চলেই অনেক মানুষ সুস্থ হয়েছেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছেন।
এবার আসুন, সংক্ষিপ্তভাবে সেই ভয়াবহ বাস্তব ঘটনাগুলোর একটি তুলে ধরি—

একদিন একজন বোন আমাকে ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন,
“ভাইয়া, আমি খুব বড় একটা সমস্যার মধ্যে ফেঁসে গেছি।”
আমি তাকে শান্ত করে বললাম,
“ঠিক আছে বোন, আগে ধীরে ধীরে সবকিছু বিস্তারিত বলুন। কী হয়েছে শুনি।”
তিনি বলতে শুরু করলেন—
“ভাইয়া, আমি একসময় পড়ালেখায় খুব ভালো স্টুডেন্ট ছিলাম। নিয়মিত পড়তাম, রেজাল্টও ভালো হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে বন্ধুবান্ধবের লাইফ, আড্ডা, সারাক্ষণ ফোনে কথা বলা—এইসবের মধ্যে জড়িয়ে পড়ি। পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ একেবারে কমে যায়।
মোবাইলের প্রতি আমি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ি যে, বই খুললেই বিরক্ত লাগতো। পড়তে বসতে পারতাম না, মন বসতো না। পড়ালেখা আমার কাছে একদম অর্থহীন মনে হতো।”
কথা বলতে বলতে তার গলা আরও ভারী হয়ে ওঠে।
তিনি বলেন,
“এরপর হঠাৎ করে আমার শরীরে অস্বাভাবিক রকমের সেক্সুয়াল উত্তেজনা দেখা দিতে শুরু করে। আমি নিজেও বুঝতে পারতাম না কেন এমন হচ্ছে। যেই ছেলেদের দেখি, তাদের প্রতি অদ্ভুত একটা ফিল কাজ করতো। অনলাইনে ছেলেদের সঙ্গে কথা বলতে খুব ভালো লাগতো।
সারা রাত ঘুম না দিয়ে চ্যাট করতাম, কথা বলতাম। দিনের পর দিন ঘুম ঠিকমতো হতো না—তবুও যেন থামাতে পারতাম না নিজেকে।”
এই অবস্থার মধ্যেই তার শারীরিক সমস্যাগুলো শুরু হয়।
তিনি বলেন,
“এরপর হঠাৎ করে আমার মাইগ্রেনের ব্যথা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। মাথা ধরলে মনে হতো ফেটে যাবে। চুল পড়তে শুরু করে—হেয়ার লস এত বেড়ে যায় যে আয়নায় তাকাতে ভয় লাগতো।
আমার মেজাজ সবসময় খিটখিটে থাকতো। অল্পতেই রেগে যেতাম, পরিবারের লোকজনের সাথে ঝগড়া হয়ে যেত।”
তার আচরণে পরিবারের লোকজনও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন,
“আমার আচরণ দেখে পরিবারের মানুষ বলতে শুরু করে—আত্মীয়দের মধ্যে কেউ হয়তো আমার ওপর তাবিজ করেছে। আমি নিজেও ভয় পেয়ে যাই।
এরপর এমন একটা সময় আসে, যখন আমাকে একের পর এক হুজুর-কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক জায়গায় গেছি। অনেক চিকিৎসা করেছি।”
[কণ্ঠ আরও ভেঙে পড়ে তার]
“এই হুজুরদের অনেকেই আমাকে বলে—
আমার সাথে নাকি আশিক জ্বীন আছে।
এই কারণেই নাকি শুরু থেকে যেসব সমস্যা আমার মধ্যে দেখা দিয়েছে—সবকিছুর মূল কারণ সেটাই।
কিন্তু ভাইয়া, এত চিকিৎসা করেও…
এত কিছু করার পরও…
আমি কোনো সুফল পাইনি। বরং দিন দিন আমি আরও ভেঙে পড়ছিলাম।”

একটা সময় এসে আমি চরম হতাশায় ভেঙে পড়ি।
দিন যাচ্ছে, কিন্তু সমস্যা কমার বদলে যেন প্রতিদিনই নতুন করে বাড়ছে।
নিজের ভেতরে একটা অজানা ভয়, অস্থিরতা, আর অসহায়ত্ব কাজ করছিল।
শেষমেশ অনলাইনে খুঁজতে শুরু করি—কোথাও যদি ভালো কোনো হুজুর বা কবিরাজ পাওয়া যায়।
এভাবেই অনলাইনের মাধ্যমে একটি “রুকাইহ সেন্টার”-এর সন্ধান পাই।
যোগাযোগ করলে তারা জানায়—ভিজিট লাগবে ৫ হাজার টাকা।
আমি আর্থিকভাবে অপারগ ছিলাম, তবুও কোনোরকমে টাকা ম্যানেজ করে যোগাযোগ করি।
তারা এমন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলছিল—না বিশ্বাস করে উপায় ছিল না।
দুই দিন পর তারা আমাকে কল দিয়ে জানায়—
আমার সঙ্গে নাকি “আশিক জ্বীন” রয়েছে।
আমি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলি,
“তাহলে এটা ছাড়ানোর ব্যবস্থা করে দিন।”
উনি সঙ্গে সঙ্গে বলেন—
এই এই জিনিস লাগবে, এইভাবে ব্যবহার করতে হবে, তাহলেই ঠিক হয়ে যাবে।
একটা তাবিজ দিবে, কিন্তু সেটা শরীরে রাখা যাবে না।
বরং একটা কুমড়োর ভেতরে ঢুকিয়ে ২১ দিন ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
আমি তখনই বুঝে যাই—
যে হুজুর নাকি তাবিজ দেয় না,
সেই হুজুরই এখন তাবিজ দিচ্ছে—
আবার এমন আজব নিয়মে!

(বোনটির কথা শুনেই আমার মনে হলো,
এটা একটা বন্ডা হুজুর, একেবারে প্রতারণা)

বোনটি আরও বলে দুই মাস কেটে যায়।
কিন্তু কোনো সুফল তো পাই-ই না, বরং সমস্যা আরও বেড়ে চলে।
তাদের ফোন দিলে উল্টো রাগ করে,
ফোন ধরে না, এড়িয়ে যায়।
এরপর একের পর এক হুজুর, একের পর এক রুকাইয়াহ সেন্টার—
যে যেভাবে বলে, সেইভাবেই চিকিৎসা নেই।
কিন্তু ফলাফল?
শূন্য।
একদিন হঠাৎ ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস চোখে পড়ে—
“আশিক জ্বীন” নিয়ে লেখা।
প্রোফাইল দেখে মনে হয়—লোকটা ভালো, ধর্মীয়, বিশ্বাসযোগ্য।
যোগাযোগ করতেই উনি এমনভাবে কথা বলেন—
আমার ভয় আরও বেড়ে যায়।
তিনি বলেন, সমাধান দিতে ৭ হাজার টাকা লাগবে।
তবে ১০০% সমাধান হবে যদি সামনাসামনি গিয়ে চিকিৎসা নেই।
তিনি নাকি গ্লাসে জ্বীন হাজির করবেন, আরও কত কী!
আমি ভেতরে ভেতরে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।
এই কথা আম্মুকে বললে,
আম্মু আব্বুকে জানাতে নিষেধ করেন।
পরের সোমবার “নানুর বাড়ি যাব” বলে
আম্মুকে নিয়ে সেই হুজুরের চেম্বারে যাই।
হুজুর আমাকে দেখেই বলতে শুরু করেন—
আশিক জ্বীনের ভয়াবহ প্রভাব,
আমার ভবিষ্যৎ কীভাবে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, সবকিছু।
তারপর আশ্বস্ত করেন,
“ভয় নেই, তুমি ভালো হবে।”
এরপর হুজুর আম্মুকে বলেন,
“আপনি রুমের বাইরে বসুন, আমি চিকিৎসা শুরু করি।” তারপর আম্মু বাহিরে চলে যায় আর তার এসিস্ট্যান্ট বাইরে থেকে পর্দা ছেড়ে দেয়।
রুমটা আধা অন্ধকার।
আমি হুজুরের সামনে বসে আছি—হৃদপিণ্ড যেন বুক ফেটে বেরিয়ে আসবে।
হুজুর একটা গ্লাসে পানি আর কিছু জিনিস দিয়ে বলেন,
“তাকাও… আমি দোয়া পড়ছি।”
একটা সময় তিনি বলেন,
“গ্লাসে কিছু দেখছো? আশিক জ্বীন আসছে।”
সত্যি বলতে—আমি কিছুই দেখিনি।
কিন্তু তার ধমকানি আর ভয় দেখানো কথায়
আমি কাঁপতে কাঁপতে বলি,
“হ্যাঁ… কালো ছায়া দেখছি।”
এরপর হুজুর নিজেই আশিক জ্বীনের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেন।
হঠাৎ আমাকে বলেন, “ও তোকে কোথায় কোথায় সমস্যা দিচ্ছে বল।”
তারপর হুজুর আমার গলায় হাত দিয়ে গ্লাসের দিকে তাকিয়ে বলেন,
“ গলার এইখানে ব্যথা দিছস, কমা এবার।”
এরপর কপালে হাত রেখে বলেন,
“মাইগ্রেনের ব্যথা কমা।”
এরপর জ্বীনকে ধমক দিতে থাকেন—
“সব জায়গা দেখাস, কোথায় কী রাখছস!”
এরপর আমাকে বলেন,
“তুমি বোরকা, উড়না সব খুলে বস—আজই সমাধান করব।”
আমি ভয় আর লজ্জায় কিছুতেই খুলছি না।
তখন তিনি আরও রেগে যান, ধমক দিতে থাকেন।
এক পর্যায়ে জোর করেই আমাকে খুলতে বাধ্য করেন।
তারপর তিনি আমার স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতে শুরু করেন, আর মুখে মুখে জ্বীনের সঙ্গে কথা বলার অভিনয় করেন।
আমি বাধা দিই।
এক পর্যায়ে তিনি আমাকে মারধর শুরু করেন।
আমার আম্মু বাইরে থেকে আসতে চাইলে,
তিনি বলেন— “জ্বীন ছাড়াচ্ছি, আসবেন না!”
তিনি আমাকে এত জঘন্যভাবে স্পর্শ করেন,
আমি ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি।
একটা সময় আমি আল্লাহকে স্মরণ করি—
আর হঠাৎ সাহস করে দরজা খুলে বেরিয়ে আসি।
আম্মুকে বলি, “আম্মু, চলো এখান থেকে বেরিয়ে যাই।”
আমার জোরে বলা কথা শুনে হুজুর আর বাধা দেয়নি।
কারণ নিচে দোকানপাট ছিল, মানুষজন ছিল।
সেদিন আমি শুধু একটা জায়গা থেকে বের হইনি—
আমি একটা ভয়ংকর প্রতারণা, একটা নোংরা মুখোশের আড়ালের শয়তান থেকে বেঁচে গিয়েছিলাম।

আমি ঈশান বোনটির কথা যত শুনছিলাম, ততই আমি হতভম্ব হয়ে যাচ্ছিলাম। একজন মানুষ কীভাবে এত ভয়, লজ্জা আর প্রতারণা বুকে চেপে বেঁচে থাকতে পারে—তা না শুনলে বোঝা যায় না। আমি তখনই তাকে বলি—
“আপনার সমস্যার সমাধান সহজেই সম্ভব। আর এই ভণ্ড হুজুরের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে আমি আপনাদের পাশে থাকব।” কিন্তু বোনটির মা ও তিনি দু’জনেই বলেন, পারিবারিক মানসম্মান, সমাজের চোখ, আর মেয়ের ভবিষ্যৎ জীবনের কথা ভেবে তারা কোনো আইনি বা সামাজিক পদক্ষেপ নিতে চান না। তাই এই মুহূর্তে আমার আর কিছু করার ছিল না। জোর করার অধিকারও আমার নেই। তখন আমি ভিন্ন পথে এগোই। আমি বোনটিকে খুব শান্তভাবে বুঝিয়ে বলি, আপনার যে উপসর্গগুলো দেখা দিয়েছে, সেগুলো মেডিকেল সাইন্স অনুযায়ী সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাযোগ্য।
আপনার সমস্যাগুলো মূলত—
Depression
Anxiety
Digital Addiction
Hormonal Imbalance
ঘুমের ঘাটতি
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ
এই সব লক্ষণের সম্মিলিত প্রভাব।

আমি স্পষ্ট করে বলি, অজ্ঞতা ও ভয়কে কাজে লাগিয়ে ভণ্ড হুজুর বা কবিরাজরা এই উপসর্গগুলোর নাম দেয়
“আশিক জ্বীন”। কিন্তু বাস্তবে এগুলো কোনো জ্বীনের কাজ নয়। এগুলো হলো মন, মস্তিষ্ক ও শরীরের রোগ। আমি আরও বলি, কুরআন ও হাদিসে যেসব জ্বীনের অস্তিত্বের কথা বলা হয়েছে, সেই ধরনের কোনো জ্বীন সম্পর্কিত সিন্ড্রোম বা লক্ষণ আপনার শরীরে নেই। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আপনি অসুস্থ ছিলেন, এবং অসুস্থতার চিকিৎসা আছে।

এরপর আমি তার সমস্যার ধরন অনুযায়ী—
উপযুক্ত Psychiatrist
প্রয়োজনীয় Psychologist
এবং প্রাসঙ্গিক মেডিকেল বিশেষজ্ঞের পরামর্শ দিই।
আল্লাহর মেহেরবানিতে, সেই পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়ার পর দুয়েক মাসের মধ্যেই বোনটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যান,
ভয় ও অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হন।

এবার প্রশ্ন পৃথিবীতে কি জ্বীনের অস্তিত্ব আছে?
হ্যাঁ, জ্বীনের অস্তিত্ব কোরআন ও সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। আল্লাহ তাআলা মানুষ ও জ্বীনকে সৃষ্টি করেছেন—এ বিষয়ে ইসলামে কোনো সন্দেহ নেই।
-কোরআন থেকে প্রমাণ:
“আর আমি জ্বীন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।”
(সূরা আদ-ধারিয়াত: ৫৬)

- আরেকটি আয়াত:
“তিনি জ্বীনকে সৃষ্টি করেছেন আগুনের শিখা থেকে।”
(সূরা আর-রাহমান: ১৫)

তাহলে ‘আশিক জ্বীন’ কি?
এখানেই মূল প্রশ্ন। ‘আশিক জ্বীন’ নামে কোরআন ও সহীহ হাদিসে কোনো জ্বীনের অস্তিত্ব নেই। ‘আশিক জ্বীন’ কোনো শরয়ি পরিভাষা নয়। এটি ভন্ড কবিরাজ ও তথাকথিত ভন্ড হুজুরদের বানানো একটি শব্দ, যার উদ্দেশ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক রোগকে ভয় দেখিয়ে পুঁজি করা। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে একজন প্রকৃত আলেম বা দ্বীনদার ব্যক্তি কখনো মানুষের অসুস্থতাকে “আশিক জ্বীন” বলে ভয় দেখাবেন না
টাকা, তাবিজ, কবচ বা অলৌকিক গল্প দিয়ে ব্যবসা করবেন না

- রাসূল (সা) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং তার কথা বিশ্বাস করে, সে মুহাম্মাদ (সা) এর উপর নাযিলকৃত বিষয়ের প্রতি কুফরি করল।”
— মুসনাদ আহমাদ, হাদিস: ৯৫৩২

রাসূল (সা) আরও বলেছেন:
“যে তাবিজ ঝুলায়, সে শিরক করল।”
— (মুসনাদে আহমাদ)

বাস্তবতা কী? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যেসব সমস্যাকে
“আশিক জ্বীন”, “জ্বীনের বিয়ে”, “জ্বীনের প্রেম” বলা হয়, সেগুলো আসলে মানসিক চাপ! হরমোনাল সমস্যা, নিউরোলজিক্যাল বা শারীরিক অসুস্থতা।
যার চিকিৎসা ডাক্তারি চিকিৎসা ও একই সঙ্গে বৈধ রুকইয়ার মাধ্যমে সম্ভব।

ভন্ডদের প্রতি আমার খোলা চ্যালেঞ্জ, যদি কেউ কোরআন বা সহীহ হাদিস থেকে ‘আশিক জ্বীন’-এর অস্তিত্বের একটি নির্ভরযোগ্য দলিল দিতে পারেন, তাহলে এক লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

২য়'ত, রুকইয়াহ কি মিথ্যা?
না—রুকইয়াহ মিথ্যা নয়। রুকইয়াহ হলো কোরআনের আয়াত ও সহীহ দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শিফা চাওয়া। এটি রাসূল (সা) -এর সুন্নাহ।
তবে বাস্তবতা হলো, আজকাল অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে, কল সেন্টার/ইনবক্সে টাকা চেয়ে, ভয় দেখিয়ে যে “রুকইয়াহ সার্ভিস” চালানো হচ্ছে—এর ৯৯%ই প্রতারণা। রুকইয়াহ ব্যবসা বা শো নয়, ভয় দেখিয়ে টাকা নেওয়া শরীয়তসম্মত নয়, রুকইয়াহ করার জন্য কোনো তাবিজ, কবচ, বিশেষ প্যাকেজ বা আগাম ফি প্রয়োজন নেই। একজন হক্বানি আলেম যিনি রুকাইয়াহ করলে এইসব করবেন না। যদি করেন সে ভন্ড৷
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, রুকইয়াহ আপনি নিজেই করতে পারবেন।

কোরআন ও হাদিসের রেফারেন্স দেই বুঝুন।
১️/ কোরআন:
“আমি কোরআন নাযিল করেছি, যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।”
— সূরা আল-ইসরা: ৮২

২️/ হাদিস:
রাসূল (সা) নিজে অসুস্থ হলে নিজের ওপর রুকইয়াহ করতেন। তিনি তিন কুল পড়ে শরীরের ওপর ফুঁ দিতেন।
— সহীহ বুখারী: ৫৭৪৮

৩️/ সাহাবিদের আমল:
এক সাহাবি সূরা ফাতিহা পড়ে রুকইয়াহ করে এক রোগীকে সুস্থ করেন আর রাসূল (সা) তা অনুমোদন করেন।
(সহীহ বুখারী: ৫৭৩৬)

এখানে প্রমাণিত হলো: রুকইয়াহ হলো সত্য! আর কোরআন দিয়েই রুকইয়াহ সাধারণ মুসলিমও করতে পারে। নিজে রুকইয়াহ করার সহজ নিয়ম:
প্রথমে নিয়ত করবেন এইভাবে, “হে আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো শিফাদাতা নেই।” তারপর সূরা ফাতিহা – ৭ বার, আয়াতুল কুরসি – ১ বার, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস – প্রত্যেকটি ৩ বার।
এর পর এই দোয়া পড়ুন:
“আল্লাহুম্মা রব্বান্-নাস, আযহিবিল বা’স, ইশফি আন্তাশ্-শাফি, লা শিফা ইল্লা শিফাউকা।”
— সহীহ বুখারী: ৫৬৭৫
পড়ার পর দুই হাতে হালকা ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে শরীরের ওপর বুলিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন বা আরোগ্য হওয়ার আজ পর্যন্ত করতে পারেন। করার সময় ফজর ও মাগরিবের পর, ঘুমানোর আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শেষ কথা: মহান আল্লাহ আমাদের সকল ধরনের অসুস্থতা থেকে পূর্ণ শিফা দান করুন। ভণ্ড, মিথ্যাবাদী ও প্রতারকদের ফাঁদ থেকে আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন। আমিন।
এই লেখাটি যদি আপনার চোখ খুলে দেয়, হৃদয়ে নাড়া দেয়, তাহলে অনুগ্রহ করে একবার শেয়ার করুন।
কারণ আপনার একটি শেয়ার হতে পারে অন্যজনের শেষ টাকা হারানো থেকে বাঁচার কারণ, বিশ্বাসভঙ্গের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির পথ, ভণ্ডদের প্রতারণা চিনে নেওয়ার প্রথম সতর্কতা।

মনে রাখবেন, নীরব থাকলে প্রতারক'রা জেতে।
শেয়ার করলে মানুষ বাসে বাঁচে।

যারা আল্লাহর উপর এখনো সর্বাবস্থায় ভরসা রাখেন!
একটি “আমিন” লিখে শেয়ার করুন।

- ঈশান মাহমুদ
(প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর)

#আশিক_জ্বীন_প্রতারণা
#রুকাইয়াহ_নামে_প্রতারনা


07/01/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Atisha Shaurya, Md Masok Md Masok, Cabaan Cg, तेजा भाइया सरकौना वाला, Junahed Ahmed, Golu Ahir, Yug Kumar, Imrani Rahman, Muddasir Mukter, Santu Kumar, SK Parves Vlog

07/01/2026
07/01/2026

I got over 10 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Hasan Hossen
06/01/2026

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Hasan Hossen

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mahbub Alam, Helal Ahmed Khan, Nila Ahmed, Ali Rizwan, Ja...
04/01/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mahbub Alam, Helal Ahmed Khan, Nila Ahmed, Ali Rizwan, Jawad Khan, Tota Shaikh, Dineshbhai Thakor Chatara, Naresh Saini Seemla, Krishna Kumar, Rajneesh Tiwari, Ariyan Khan, Mahnawaz ALam, Shakir Shakir, Mona Chauhan, Azharul Islam, Alamin Sheik, Pradeep Kumar, Mahamuda Akter Bela, Milan Ram Milan, Sk Arafat SK Arafat, Rishi Raj, Bhabesh Barman, Tiwari Ji Tiwari Ji, Laxmi Pote, Nayanti Shil, MD Ebrahim Mia, Modern Homes, Neha Chauhan, Mohorom Ahmed, Ayesha Khatun, Hasan Hossen, Yashie Vlog, Monira Jahan, Nandan Kumar, নিসা আক্তার মারিয়া, Godstime Wisdom, তাসলিমা তাসলিমা, Moynul Islam Islam

31/12/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Mahbub Alam, Helal Ahmed Khan, Nila Ahmed, Mannu Bafila, Ali Rizwan, Md Kasim, Jawad Khan, Tota Shaikh, Dineshbhai Thakor Chatara, Naresh Saini Seemla, Krishna Kumar, Rajneesh Tiwari, Ariyan Khan, Mahnawaz ALam, Shakir Shakir, Mona Chauhan, Azharul Islam, Alamin Sheik, Pradeep Kumar, Sk Rahim, Mahamuda Akter Bela, Milan Ram Milan, Sk Arafat SK Arafat, Rishi Raj, Rashtra Darpan, Bhabesh Barman, Tiwari Ji Tiwari Ji, Laxmi Pote, Nayanti Shil, MD Ebrahim Mia, Modern Homes, Neha Chauhan, Mohorom Ahmed, Ayesha Khatun, Hasan Hossen, Yashie Vlog, Monira Jahan, Nandan Kumar, নিসা আক্তার মারিয়া, Godstime Wisdom, তাসলিমা তাসলিমা, Baked Laughs, Moynul Islam Islam

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Alamin Sheik
30/12/2025

Thanks for being a top engager and making it on to my weekly engagement list! 🎉 Alamin Sheik

Address

Dhaka
1219

Telephone

+8801712125839

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Easy On-line shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Easy On-line shop:

Share