Natural Solution BD

Natural Solution BD কম দামে সেরা পণ্য

• শরীর ও মনের শক্তি বাড়াতে প্রতিদিন• ইমিউনিটি ও এনার্জির জন্য প্রাকৃতিক সমাধান• প্রাকৃতিক শক্তি — বিশুদ্ধ ও নিশ্চিত
09/09/2025

• শরীর ও মনের শক্তি বাড়াতে প্রতিদিন
• ইমিউনিটি ও এনার্জির জন্য প্রাকৃতিক সমাধান
• প্রাকৃতিক শক্তি — বিশুদ্ধ ও নিশ্চিত

27/10/2021

চুলের যত্নে কিছু টিপস!!!!

১:-গোসলের আগে চুল আঁচড়িয়ে নিবেন....
চুল সবসময় নিচ থেকে আচড়াবেন...
তাহলে খুব সহজে চুলে জট থাকলে খুলে যাবে...
চুল নষ্ট হবে কম...
আর চুলের জট খোলার জন্য সবসময় মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করবেন.........

২:-সপ্তাহে ৩ দিন চুলে Shampoo করবেন....
চুলে বেশি Shampoo করলে চুলের Natural Oil নষ্ট হয়ে গিয়ে চুল Dry হয়ে যায়....
চুলে Shampoo করার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে....

ক)চুল আগে ভিজিয়ে নিতে হবে...

খ)যতটুকু Shampoo চুলে দিবেন তা একটা বাটিতে নিবেন...তার মধ্যে একটু পানি মিক্স করে পাতলা করে নিবেন...তাহলে লাগাতে সুবিধা হবে...আর চুল যখন ধুবেন তাড়াতাড়ি পরিষ্কার হবে.....

গ)চুলে Shampoo লাগানোর সময় মাথার তালুতে ভালোভাবে লাগাবেন...তারপর চুলের নিচের দিকে লাগাবেন...খুব যত্ন করে আলতো হাতে লাগাবেন.....

ঘ)চুল ধোয়ার পর Conditionar লাগাবেন...শুধু চুলের নিচের দিকে লাগাবেন...উপরে লাগানো জরুরি নয়...৫/১০ মিনিট থেকে চুল ভালো করে ধুয়ে নিবেন...

৩:-গোসল শেষে চুল টাওয়েল বা গামছা দিয়ে শক্ত করে বেধে রাখবেন না.....চুলে গামছা বা টাওয়েল দিয়ে বাড়ি দিয়ে পানি ঝরানোর চেষ্টা করবেন না...এতে চুলের আগা ফেটে যায়....

৪:-ভেজা চুল আঁচড়াবেন না.....

৫:-চুলে অতিরিক্ত তেল দিবেন না..চুলের গোড়ায় তেল লাগিয়ে অবশ্যই চুলে Massage করবেন.....

৬:-রাতে ঘুমানোর আগে চুল আঁচড়িয়ে হালকা কারে বেনি করে ঘুমাবেন.....

৭:-খুশকি থাকলে সপ্তাহে ২ বার খুশকির Pack টা লাগাবেন....

৮:-সপ্তাহে ৩/৪ বার পছন্দের Hair প্যাক লাগাতে পারেন...

৮:-Shampoo করার পর Last মগ এর পানি লেবু/চায়ের লিকার দিয়ে চুল ধুতে পারেন চুল সিল্কি হবে....

৯:-গোসলের পর চুলে Last মগ এর পানি ৬/৭ টা পেয়ারা পাতা Shiddo পানি দিয়ে চুল ধুতে পারেন....এতে চুল পড়া অনেক কমে যাবে...😊😊😊

১০:-বেশি করে পানি খাবেন...আর সপ্তাহে ২ বার চিরনি ধুবেন.........

কমেন্ট না করলে পরবর্তী টিপস পাবেন না এই বলে দিলাম।!!!
এরকম চুলের যত্নের টিপস পেতে চাইলে অবশ্যই আমাদের গ্রুপে লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকবেন
ধন্যবাদ সবাইকে

ভালো লাগলে আমাকে ফলো করুন আরো সুন্দর সুন্দর পোস্ট করবো,,,

হেলদি বা স্বাস্থ্যকর খাবার (যেমন – ফল, শাকসবজি, ডাল, দুধ, বাদাম, মাছ, মুরগি, ডিম ইত্যাদি) শরীরের জন্য অনেকভাবে উপকার করে...
24/10/2021

হেলদি বা স্বাস্থ্যকর খাবার
(যেমন – ফল, শাকসবজি, ডাল, দুধ, বাদাম, মাছ, মুরগি, ডিম ইত্যাদি) শরীরের জন্য অনেকভাবে উপকার করে:
শক্তি জোগায় ⚡ – শরীর চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালোরি ও ভিটামিন-খনিজ সরবরাহ করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় 🛡 – ভিটামিন C, জিঙ্ক, আয়রন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ থেকে রক্ষা করে।
হজম শক্তি ভালো রাখে 🌿 – আঁশযুক্ত খাবার (যেমন শাকসবজি, ফল, ডাল) কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।
হাড় ও দাঁত মজবুত করে 🦴 – ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D সমৃদ্ধ খাবার হাড় শক্ত রাখে।
মস্তিষ্ক সতেজ রাখে 🧠 – মাছ, বাদাম ও ফল মনোযোগ বাড়ায়, স্ট্রেস কমায়।
ত্বক ও চুল সুন্দর করে ✨ – ভিটামিন A, E ও প্রাকৃতিক ফ্যাট ত্বক উজ্জ্বল ও চুল মজবুত করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ⚖ – প্রাকৃতিক ও পরিমাণমতো খাবার খেলে ওজন ঠিক থাকে।
হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে ❤ – স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (যেমন অলিভ অয়েল, বাদাম, মাছ) কোলেস্টেরল কমায়।

সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে কিছু সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চললে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে:সুষম খাবার খান – প্রতিদিন ভ...
21/10/2021

সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে কিছু সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চললে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে:
সুষম খাবার খান – প্রতিদিন ভাত-রুটি, শাকসবজি, ডাল, ফল, দুধ, মাছ-মাংস মিলিয়ে খান। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত তেল-ঝাল-চিনি এড়িয়ে চলুন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন – দিনে অন্তত ৭–৮ গ্লাস পানি খান। শরীরের টক্সিন দূর করতে সহায়তা করবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন – হাঁটা, যোগব্যায়াম বা হালকা দৌড় প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট করার চেষ্টা করুন।
পর্যাপ্ত ঘুম – প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম শরীর ও মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে।
মানসিক চাপ কমান – অযথা দুশ্চিন্তা না করে বই পড়া, নামাজ-ধ্যান বা গান শোনা অভ্যাস করতে পারেন।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা – নিয়মিত হাত-মুখ ধোয়া, সঠিকভাবে স্নান করা, পরিষ্কার জামাকাপড় পরা শরীরকে অনেক রোগ থেকে বাঁচায়।
খারাপ অভ্যাস এড়িয়ে চলুন – ধূমপান, অতিরিক্ত ফাস্টফুড বা রাত জাগা থেকে বিরত থাকুন।

“স্বাস্থ্য ধরে রাখা মানে নিয়মিত ছোট ছোট ভালোবাসা তৈরি করা” – এর মানে হলো, সুস্থ থাকার জন্য আমাদের বিশাল কিছু করার দরকার ...
21/10/2021

“স্বাস্থ্য ধরে রাখা মানে নিয়মিত ছোট ছোট ভালোবাসা তৈরি করা” – এর মানে হলো, সুস্থ থাকার জন্য আমাদের বিশাল কিছু করার দরকার নেই। বরং প্রতিদিনের জীবনে ছোট ছোট ভালো অভ্যাস, নিজের প্রতি ভালোবাসা আর যত্নের কাজগুলোই আসল ভিত্তি।
ব্যাখ্যা:
খাবারের প্রতি ভালোবাসা 🍎
– প্রতিদিন সুষম ও প্রাকৃতিক খাবার খাওয়া মানে নিজের শরীরকে ভালোবাসা। জাঙ্কফুড এড়িয়ে শরীরকে সুস্থ রাখার সুযোগ দেওয়া।
ঘুমের প্রতি ভালোবাসা 😴
– সময়মতো ঘুমানো ও বিশ্রাম নেওয়া মানে শরীর ও মস্তিষ্ককে নতুন শক্তি দেওয়ার জন্য ভালোবাসা দেখানো।
ব্যায়ামের প্রতি ভালোবাসা 🏃‍♂
– প্রতিদিন অল্প হলেও হাঁটা বা যোগব্যায়াম করা মানে শরীরকে সক্রিয় রাখার জন্য ভালোবাসা।
মানসিক শান্তির প্রতি ভালোবাসা 🧘
– অযথা দুশ্চিন্তা না করে প্রার্থনা, ধ্যান বা মন ভালো রাখা কাজ করা মানে মনের প্রতি ভালোবাসা।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি ভালোবাসা 🌿
– নিয়মিত হাত-মুখ ধোয়া, স্নান করা, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা মানে নিজের চারপাশকে সুস্থ রাখার ভালোবাসা।
সম্পর্কের প্রতি ভালোবাসা 🤝
– পরিবার-বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, হাসিখুশি থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালোবাসা।
সারকথা:
👉 সুস্বাস্থ্য কোনো একদিনে পাওয়া যায় না, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট ভালো অভ্যাসের সমষ্টিই আমাদের শরীর ও মনের জন্য সবচেয়ে বড় ভালোবাসা হয়ে দাঁড়ায়

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা আমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার এই একটি সুন্নতের পেছনেও আছে অনেক উপ...
20/10/2021

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা
আমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার এই একটি সুন্নতের পেছনেও আছে অনেক উপকারিতা আর এই সম্পর্কে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না।
রোজা শেষে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনেরও জোগান দেওয়া ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খেজুরের গুরুত্ব অপরিসীম। সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে যে উপকারগুলো হয় তা জেনে নিন......
খেজুরে আছে প্রচুর শক্তি, এমিনো এসিড, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। প্রতিদিন রোজায় আমাদেরকে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকতে হয় যার কারণে আমাদের দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন এই খেজুর আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি যোগান দিতে সাহায্য করে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা-
কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট - খেজুরে কোন কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। যার ফলে আপনি যখন সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করবেন তখন অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
প্রোটিন - আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। খেজুর হল প্রোটিন সমৃদ্ধ। ফলে আমাদের পেশী গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।
ভিটামিন - খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, বি১, বি২, বি৩ এবং বি৫। এছাড়াও ভিটামিন এ১ এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। সেই সাথে খেজুরে দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।
আয়রন - আয়রন মানব দেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে এটা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিণ্ড, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ ওষধ।
ক্যালসিয়াম - ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ - খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। এক গবেষণায় দেখা যায়, খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুঁকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেক সময় ওষুধের চেয়েও ভাল কাজ করে।
ওজন হ্রাস - মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনও কখনও ডায়রিয়ার জন্যেও এটা অনেক উপকারী।
সংক্রমণ - যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠাণ্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ - প্রচুর মিনারেল সঙ্গে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।
কর্মশক্তি বাড়ায় - খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদাররা যদি মাত্র ২টি খেজুর খান তবে খুব দ্রুত কেটে যাবে তাদের ক্লান্তি।
স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় - খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্র-ছাত্রী যারা নিয়মিত খেজুর খায় তাদের দক্ষতা অন্যদের তুলনায় ভাল থাকে।
হৃদরোগ প্রতিরোধ - খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভাল কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।। খেজুরের উপকারিতাগুলো তো জানলেনই, তাই শুধু রমজান মাসেই নয়, আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত সারাবছর, প্রতিদিন।

সু-স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।সুস্বাস্থ্য সবারই কাম্য। কেউ এর প্রতি সচেতন। আবার কেউবা একেবারেই ধার ধারেন না। সুস্বাস্থ্য প...
20/10/2021

সু-স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।
সুস্বাস্থ্য সবারই কাম্য। কেউ এর প্রতি সচেতন। আবার কেউবা একেবারেই ধার ধারেন না। সুস্বাস্থ্য পেতে চাই ডায়েট ও সামগ্রিক সচেতনতা।
সুস্বাস্থ্যের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম রয়েছে যা প্রত্যেকের জানা উচিত। আমরা সকলেই সুস্বাস্থ্য চাই। অতিরিক্ত ফ্যাট এবং ওজন হ্রাস করতে আপনার শারীরিক অনুশীলন করা উচিত। এটি আপনাকে ফিট রাখবে। আপনি এটির জন্য জিমে যেতে পারেন। এবং তারপরে আপনার স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া দরকার। আপনি প্রতিদিন খাওয়ার তালিকায় প্রতিটি জাঙ্ক বা ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন। গভীর রাতে নিজেকে জাগ্রত করবেন না। আট ঘন্টা ঘুম আপনার শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি আপনার শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য উভয়েরই উন্নতি করবে। প্রত্যেকের সুস্বাস্থ্যের এই নিয়মগুলি অনুসরণ করা উচিত।
স্বাস্থ্য সম্পদ এবং প্রত্যেকেই একটি ভাল স্বাস্থ্যের অধিকারি হতে চায়। আপনার যদি স্বাস্থ্য ভাল না হয় আপনি নিজের পড়াশুনা বা কাজের দিকে মনোনিবেশ করতে পারবেন না। সুতরাং আপনি প্রথমে আপনার স্বাস্থ্যের দিকে আরও ভাল মনোযোগ দিন। অন্যথায়, আপনার অধ্যয়ন বা কাজ ও সময় নষ্ট হতে পারে। সুস্বাস্থ্যের জন্য আপনাকে প্রচুর নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। আসুন কয়েকটি বিধি একবার দেখে নিই। সবার আগে আপনার নিজের খাবার সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার। আপনি যা খাচ্ছেন তা আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি বড় পার্থক্য আনতে পারে।
আমাদের অখাদ্য খাবার খাওয়া উচিত নয়। উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। ঔষধ আপনার শরীরকে ফিট রাখার একটি ভাল উপায় হতে পারে। ভাল ঘুম মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কমপক্ষে সাত গ্লাস পানি পান করা একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সকালের খাবার এড়িয়ে যাবেন না। খুব সকালে উঠে নিয়মিত সকালের খাবার খাবেন তারপর বাইরে যাবেন।

Good Food Happy life!
20/10/2021

Good Food Happy life!

Address

Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Natural Solution BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category