Loyal Mart

Loyal Mart Loyal Mart is made up of a young man from Bangladesh. The purpose of Loyal Mart is to make quality products accessible to the people of Bangladesh.

We strive to reach the buyer by ensuring the highest quality and safety of each of our products.

11/04/2023
নিশ্চয়ই আমি মানুষকে কষ্ট ও পরিশ্রম নির্ভর করে সৃষ্টি করেছি।  (সূরা বালাদ: ০৪)
30/01/2023

নিশ্চয়ই আমি মানুষকে কষ্ট ও পরিশ্রম নির্ভর করে সৃষ্টি করেছি।
(সূরা বালাদ: ০৪)

25/06/2020

সঠিক নিয়মে মাস্ক ব্যবহার করে আমরা #করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশে কমাতে পারি।

তাই আসুন মাস্ক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জেনে নেই 👇

22/06/2020

সকল বাবাদের প্রতি সকল মেয়েদের পক্ষ থেকে অফুরন্ত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

21/06/2020

তুরস্কের বিখ্যাত সিরিয়াল “দিরিলিস আর্তুগোল” এর কায়ী বসতির আলোকে তুরস্কের একটি বিয়ের আয়োজন।

♦জেনে নিন পুদিনা পাতার বিস্ময়করউপকারিতা♦পুদিনা পাতা আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। পুদিনা একটি সাধারণ আগাছা ধরনের গাছ। কাণ্ড...
18/06/2020

♦জেনে নিন পুদিনা পাতার বিস্ময়কর
উপকারিতা♦
পুদিনা পাতা আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। পুদিনা একটি সাধারণ আগাছা ধরনের গাছ। কাণ্ড ও পাতা বেশ নরম। কাণ্ডের রঙ বেগুনি, পাতার রঙ সবুজ। ছোট গুল্ম জাতীয় এই গাছের পাতা ডিম্বাকার, পাতার কিনারা খাঁজকাটা ও সুগন্ধীযুক্ত হয়। পাতা কিছুটা রোমশ ও মিন্টের তীব্র গন্ধযুক্ত। পুদিনা পাতার মূল, পাতা, কান্ড সহ সমগ্র গাছই ওষুধীগুনে পরিপূর্ণ । বিশ্বের অনেক দেশেই পুদিনার গাছ জন্মে। এর পাতা সুগন্ধি হিসাবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়।

১) গরমে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও ফুসকুরি সমস্যায় কয়েকটি পুদিনার পাতা চটকে গোসলের জলতে মিশিয়ে স্নান করলে ভালো কাজ হয়।

২) মুখের দুর্গন্ধ দুর করতে পুদিনা পাতা জলের সাথে মিশিয়ে কুলি করুন।উপকার পাবেন।
৩) পুদিনা পাতা হজম শক্তি বাড়ায়,মুখের অরুচি ও গ্যাসের সমস্যা দুর করে, কর্মক্ষমতা বৃদ্বি করে ও শরীর ঠান্ডা রাখে।

৪) পুদিনা ত্বকের যে কোনো সংক্রমণকে ঠেকাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। শুকনো পুদিনা পাতা ফুটিয়ে পুদিনার জল তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। এক বালতি জলতে দশ থেকে পনেরো চামচ পুদিনার জল মিশিয়ে স্নান করুন। এর ফলে গরমকালে শরীরে ব্যাকটেরিয়া জনিত বিশ্রী দুর্গন্ধের হাত থেকে রেহাই পাবেন, কেননা পুদিনার অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট গুণ অতুলনীয়। ঘামাচি, অ্যালার্জিও হবে না।

৫) পুদিনা পাতার রস তাত্‍ক্ষণিক ব্যথানাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে। পুদিনা পাতার রস চামড়ার ভেতর দিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভ শান্ত করতে সহায়তা করে। তাই মাথা ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা উপশমে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যায়। মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনা পাতা বেটে প্রলেপ দিতে পারেন।

৬) পুদিনা পাতার চা শরীরের ব্যাথা দুর করতে খুবই উপকারি।

৭) মাইগ্রেনের ব্যাথা দুর করতে নাকের কাছে টাটকা পুদিনা পাতা ধরুন।এর গন্ধ মাথাব্যাথা সারাতে খুবই উপকারি।

৮) কোন ব্যাক্তি হঠাত করে অগ্গান হয়ে গেলে তার নাকের কাছে পুদিনা পাতা ধরুন।সেন্স ফিরে আসবে।

৯) অনবরত হেচকি উঠলে পুদিনা পাতার সাথে গোলমরিচ পিষে ছেকে নিয়ে রসটুকু পান করুন।কিছুক্ষনের মধ্যেই হেচকি বন্ধ হয়ে যাবে।

১০) গোলাপ, পুদিনা, আমলা, বাঁধাকপি ও শশার নির্যাস একসঙ্গে মিশিয়ে টোনার তৈরি করে মুখে লাগালে তা ত্বককে মসৃণ করে তোলে।

১১) পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টসের চমত্‍কারী গুনাগুণ যা পেটের যে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে খুব দ্রুত। যারা হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথা কিংবা পেটের অন্যান্য সমস্যায় ভুগে থাকেন তারা খাবার পর এককাপ পুদিনা পাতার চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৬/৭টি তাজা পুদিনা পাতা গরম জলতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খুব সহজে পুদিনা পাতার চা তৈরি করতে পারেন ঘরে।

১২) পুদিনাপাতা পুড়িয়ে ছাই দিয়ে মাজন বানিয়ে দাত মাজলে মাড়ি থাকবে সুস্থ, দাত হবে শক্ত ও মজবুত।

১৩) দীর্ঘদিন রোগে ভুগলে বা কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থাকলে অনেক সময় অরুচি হয়।এক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস ২ চা চামচ,কাগজি লেবুর রস ৮-১০ ফোটা,লবণ হালকা গরম জলতে মিশিয়ে সকাল বিকাল ২ বেলা খান।এভাবে ৪-৫ দিন খেলে অরুচি দুর হয়ে যাবে।

১৪) তাত্ক্ষনিকভাবে ক্লান্তি দুর করতে পুদিনা পাতার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। ক্লান্তি নিমিষেই দুর হয়ে যাবে।

১৫) কফ দুর করতে পুদিনা পাতার রস,তুলসী পাতার রস,আদার রস ও মধু একসাথে মিশিয়ে খান। পুরোনো কফ দুর করতেও এই মিশ্রণ অতুলনীয়।

১৬) সুস্থ হার্টের জন্য পুদিনা পাতা অনেক উপকারী। এটি রক্তে কলেস্টরেল জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ।

১৭) যেকোনো কারনে পেটে গ্যাস জমে গেলে পুদিনা পাতা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস ৮/১০ ফোঁটা, হালকা গরম জলর সাথে মিশিয়ে সারাদিন ২-৩ বার খেলে পেটে গ্যাস ভাব কমে আসে।

১৮) পিত্তে শ্লেষ্মার জ্বর, অম্লপিত্ত, আমাশা, অজীর্ণ, উদরশূল, প্রভৃতির কারনে অনেকসময় আমাদের বমি বমি ভাব আসে। এসময় পুদিনার শরবতের সাথে এক চা চামুচ তেঁতুল মাড় ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমিভাদ দূর হয়ে যায়।

১৯) পুদিনা পাতার রস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পুদিনা পাতার রস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে।

২০) পুদিনার শেকড়ের রস উকুননাশক হিসেবে খুবই কার্যকরী, এমনকি পাতাও। পুদিনার পাতা বা শেকড়ের রস চুলের গোড়ায় লাগান। এরপর একটি পাতলা কাপড় মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু বার এটা করুন। এক মাসের মধ্য চুল হবে উকুনমুক্ত।

২১) মেয়েদের অনিয়মিত পিরিয়ডের যন্ত্রণা থেকে সেরে ওঠার জন্য পুদিনা পাতা বেশ উপকারী।

২২) পুদিনা ত্বককে শীতল করে। খাবারের সঙ্গে নিয়মিত খেলে শরীরের ত্বক সতেজ হয়, সজীব ভাব বজায় থাকে। মৃত কোষকে দূর করে মৃসণ করে তোলে ত্বক। সেজন্য, আধা কাপ পুদিনা পাতা বাটা ও পরিমিত বেসন দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলে, উপকার পাওয়া যায়।

২৩) ব্রণ দূর করতে ও ত্বকের তৈলাক্তভাব কমাতে তাজা পুদিনাপাতা বেটে ত্বকে লাগান। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের দাগ দূর করতে প্রতিদিন রাতে পুদিনা পাতার রস আক্রান্ত স্থানে লাগান। সম্ভব হলে সারারাত রাখুন। নতুন কমপক্ষে ২/৩ ঘণ্টা। তারপর ধুয়ে ফেলুন। মাস খানেকের মাঝেই দাগ দূর হবে।

২৪) পুদিনা পাতার রস শ্বাস-প্রশ্বাসের নালী খুলে দেওয়ার কাজে সহায়তা করে। ফলে যারা অ্যাজমা এবং কাশির সমস্যায় পড়েন তাদের সমস্যা তাত্‍ক্ষণিক উপশমে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকরী। খুব বেশি নিঃশ্বাসের এবং কাশির সমস্যায় পড়লে পুদিনা পাতা গরম জলতে ফুটিয়ে সেই জলর ভাপ নিন এবং তা দিয়ে গার্গল করার অভ্যাস তৈরি করুন।

২৫) পেটের পীড়ায়:- এটি ইরেটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) এবং দীর্ঘস্থায়ী বদহজমের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। এছাড়াও পুদিনা কোলনের পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রন করে।

২৬) অ্যাজমা:- পুদিনায় রোজমেরিক এসিড নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এটি প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরীতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাজমা হয় না। এছাড়াও এ ঔষধি প্রোস্টসাইক্লিন তৈরীতে বাধা দেয়। তাতে শাসনালী পরিষ্কার থাকে।

২৭) রোদে পোড়া ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে পুদিনা পাতার রস ও অ্যালোভেরার রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। পনেরো মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

২৮) পুদিনা পাতা ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। পুদিনা পাতার পেরিলেল অ্যালকোহল যা ফাইটোনিউরিয়েন্টসের একটি উপাদান দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে।

২৯) পুদিনার তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর যদি তা ধুয়ে ফেলা যায়, তা হলে মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায়। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হয়।

৩০) পুদিনার পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করেন। যাদের চুলে উকুন আছে, তারা খুব উপকার পাবেন।

৩১) অরুচিতে রোগে ভোগার পর, পেটে বায়ু জমে ও কোষ্ঠ বদ্ধতায় অরুচি আসে। একই রকম খাদ্য দীর্ঘদিন খেলে অরুচি আসে। এ সব ক্ষেত্রে পুদিনার সরবত ( পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস্‌ ৮/১০ ফোঁটা, হাল্কা গরম জল পোয়া খানিক একত্রে মিশয়ে ) সকাল বিকাল দিনে দুই বার ৫/৭ দিন খেলে অরুচি চলে যায়। পুদিনা পাতা বেটে জলতে গুলে শরবত করা যায়। সে ক্ষেত্রে কাঁচা পাতা ৮/১০ গ্রাম নিতে হবে।

৩২) মুত্রাল্পতায়:- অনেক রোগে প্রস্রাব কম হয়। কিন্তু যে ক্ষেত্রে ঠান্ডা গরমের ফলে সাময়িক ভাবে অল্প অল্প প্রস্রাব হতে থাকে কোনো কোনো সময় দাহ হতে থাকে, সে ক্ষেত্রে পুদিনা পাতা ৮/১০ গ্রাম বেটে তাতে সামান্য লবন ও কাগজী লেবুর রস্‌ পোয়াখানিক ঠান্ডা জল মিশিয়ে শরবত করে দিনে ২/৩ বার খেতে হবে। অন্য কোনো রোগে মূত্রাল্পতা হলে সেক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা যাবে কিনা সেটা নির্ভর করবে রোগের ধরনের ঊপর এবং চিকিত্‍সকের বিচার ধারার উপর।

৩৩) শিশুদের অতিসারে:- পাতলা দাস্ত, সেই সাথে পেট মোচড় দিয়ে ব্যথা, কোন কোন ক্ষেত্রে অল্প আম -সংযুক্ত দাস্ত, সেই সাথে পেট ফাঁপা, হিক্কা বমি বমি ভাব, প্রস্রাবও সরলি হচ্ছেনা, শিশু কিছুই খেতে চাচ্ছেনা। এক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস্‌ ৮/১০ ফোঁটা আল্প একটু চিনি ও লবন সহযোগে এক ঘন্টা অন্তর কয়েকবার খাওয়াতে হবে। কখন কি ভাবে কতবার খাওয়াতে হবে সেটা নির্ভর করবে রোগীর সুস্থতার ক্রমের দিকে লক্ষ রেখে। বয়স আনুপাতে মাত্রাটা ঠিক করে নিতে হবে।

৩৪) পুদিনার চা:- বেশী চা খেলে শরীর খারাপ হতে পারে। ঠিক চাএর মত করে চায়ের পাতার বদলে পুদিনা পাতা ও সেই সাথে দুধ চিনি গোল মরিচ ও মৌরি দিয়ে এই চা তৈরী করতে হবে। এই চা খেতে সুস্বাদু এবং খেলে তৃপ্তি হয়।

হাকিমি ও ইউনানি মতে:- পুদিনা পাতা খেলে শরীরে তাপ বাড়ে। শরীরের দূষিত পদার্থ মলের সাহায্যে বেরিয়ে যায়। পাকস্থলি ও বুকের ও কিডনির যাবতীয় গ্লানি ও ক্লেদ দূর হয়।

৩৫) যাদের হজমশক্তি কম তারা পুদিনার শরবত ও চাটনি খেলে উপকার পাবেন।

৩৬) পাতলা পায়খানা হলে পুদিনাপাতা বেশ উপকারী।

৩৭) হঠাত্‍ সানস্ট্রোক করলে পুদিনার শরবত খেলে উপকার পাবেন।

৩৮) পুদিনাপাতার সালাদ খেলে পেটে গ্যাস হয় না হজম হয়।

৩৯) পুদিনা মেয়েদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে।

৪০) মায়ের বুকে দুধ বাড়ে।

৪১) যারা প্রস্রাব সমস্যায় ভুগছেন তারা এক গ্লাস জলতে কয়েক ফোঁটা পুদিনাপাতার রস, সামান্য লবণ ও অল্প চিনি দিয়ে শরবত খান প্রস্রাব পরিষ্কার হবে।

৪২) মাইগ্রেন বা আধকপালে মাথা ধরায় পুদিনাপাতা বেটে মাথায় লাগালে মাথাব্যথা ভালো হয়।

৪৩) যাদের বুক ধড়ফড় করে তারা পুদিনাপাতা খেলে উপকার হবে।
সূত্র:ডি.আই.ই

17/06/2020

দান করার উত্তম পদ্ধতি।

“একজন স্বপ্নজয়ী সফল তরুণ উদ্যোক্তার গল্প"BLUE DREAM এর স্বাধিকার কে.এস এম সপ্নীল চৌধুরী সোহাগ জীবনে চলার পথে আসে নানা বা...
16/06/2020

“একজন স্বপ্নজয়ী সফল তরুণ উদ্যোক্তার গল্প"
BLUE DREAM এর স্বাধিকার
কে.এস এম সপ্নীল চৌধুরী সোহাগ

জীবনে চলার পথে আসে নানা বাঁধা। পথচলার শুরু হতে না হতেই থমকে দাঁড়াতে হয় কখনও কখনও। বুদ্ধিমত্তা আর কৌশল প্রয়োগ করে পেরিয়ে যেতে হয় সেই বাঁধা। অক্লান্ত পরিশ্রম বয়ে আনে সেই পথে সফলতা। আর এই পথের শেষ দেখতে যারা এগিয়ে যায় তারা অন্য সবার থেকে বেশী আত্মবিশ্বাসী হয়। এগিয়ে থাকে তারুন্যের যাত্রায়। সেই সাথে এই মানুষগুলো হয় অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা। তেমনই একজন তরুন উদ্যোক্তা কে.এস.এম সপ্নীল চৌধুরী সোহাগ।

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার উলা গ্রাম। দুরন্ত বালক দাপিয়ে বেড়িয়েছে খেলার মাঠ থেকে সর্বত্র। এ পাড়া থেকে ও পাড়া কোথায় নেই তার পদচারনা? গ্রামের মানুষের মধ্যমনি ছিলেন ছোট বেলা থেকেই। বাবা ছিলেন আর্মি অফিসার। লেখাপড়ার শুরুটা হয় ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট স্কুল থেকে। এরপর নড়াইল তারপর ঝিনাইদহ প্রি ক্যাডেট। বাবার চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন জায়গায় লেখাপড়া করলেও অষ্টম শ্রেনীতে বৃত্তি তুলে নিতে ভুল হয়নি। নড়াইল দিঘলিয়া আদর্শ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি। গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এইচএসসি(সাইন্স)। কম্পিউটার এন্ড সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ারিং এ বিএসসি ও এমএসসি।
ইটকাঠ পাথরের যান্ত্রিক ঢাকায় আসা পড়াশুনার সুবাদে। কারও মুখাপেক্ষী না হয়ে কিভাবে আত্মকর্মসংস্থান করা যায় সেটা খুঁজতেই শুরু হয় টিউশনি করা। নিজের পড়াশুনার খরচ নিজে যোগানোর পরেও হাতে থাকা কিছু কিছু টাকা জমানো শুরু করেন। কিন্তু হটাৎ করেই টিউশন চলে যায়। এভাবে যে জীবন চলবে না বুঝতে বাকি থাকে না। তখন থেকেই মূলত বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। ২০১০ সাল তখনও ঢাকা শহর অচেনা। অচেনাকে চেনার যাত্রা শুরু হয় টিউশনি করে জমানো মাত্র ২২,০০০ টাকা হাতে নিয়ে।

নিজেকে কিভাবে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরী করা যায় সে ভাবনা ভাবতে ভাবতে বন্ধুর পরামর্শ পছন্দ হয়। মজার বিষয় হচ্ছে যে বন্ধু পোশাক ব্যবসার আইডিয়া দিয়েছিল সে বিস্তারিত কিছুই জানত না। শুধু রাস্তাটা বলে দিয়েছিল। পরের দিন ভার্সিটির ক্লাশ শেষ করে দুপুরের রোদ মাথায় নিয়ে ঘর্মাক্ত শরীরে আইডিয়া কে বাস্তবায়নের পথে নেমে পড়েন। কাছে থাকা ২২০০০ টাকাই সম্বল। পন্য কিনে কোথায় বিক্রি করবেন নেই সে সম্পর্কেও কোন ধারনা।

গুলিস্থান এলাকায় খুঁজেও পেলেন তার ব্যবসার জন্য পাইকারী পন্য ক্রয়ের জায়গা। কিন্তু কোয়ালিটি নিয়ে সন্তুষ্ট হতে পারলেন না। সর্বপ্রথম ১২০০০ টাকার টিশার্ট কিনলেন। যে বাসায় থাকতেন সেখান থেকেই শুরু হল যাত্রা। বন্ধু আর সল্প সময়ের পরিচিত জনদের কাছে তার পণ্য বিক্রি শুরু করলেন। কিছু দিনের মধ্যে প্রচার বাড়তে লাগল তার ক্রেতাদের কাছ থেকেই।

প্রথম চালানের মাল বিক্রি করতে না করতেই ধাক্কা। একজনের সাথে সল্পসময়ের পরিচয়। সেই লোক কিছু প্রোডাক্ট সোর্সিং করে দেওয়ার কথা বললেন ভাল কোয়ালিটির। কিন্তু যা দিলেন তা ছিল রাশিয়ান বায়ারের প্রোডাক্ট। বাংলাদেশের মানুষের পোশাকের সাইজ থেকে অনেক বড়। তার ওপর ছেড়া কাটা রিজেক্ট প্রোডাক্ট প্যাকেট করে দিয়েছিল। বড় ধরনের ক্ষতি হল। মনটা ভেঙে গেল। হতাশ হলেন দারুন ভাবে। ভাবলেন কোন ভাবেই এ ব্যবসা করবেন না। আশপাশে সব অসৎ মানুষ। এদের মাঝে থেকে ব্যবসা করা সম্ভব নয়।
থেমে গিয়েও থামলেন না। বড় হওয়ার জিদটা আরও বেশী কাজ করল। হটাৎ করেই ভাবলেন অসৎ মানুষের ভীড়ে সততা নিয়ে ব্যবসা করাটা অবশ্যই ভাল কিছু হতে পারে। তার প্রতি ক্রেতাদের আস্থা তৈরী হতে বেশী সময় লাগবে না। ধাক্কাটাকে পজিটিভ ভাবে নিয়ে শুরু হল সাবধানে পা ফেলা। পণ্যের বিক্রি বাড়ানোর জন্য নতুন পথের সন্ধান করা। সেই সাথে কোন জায়গা থেকে আরও ভাল কোয়ালিটির প্রোডাক্ট সংগ্রহ করতে পারবে সেদিকে নজর দেওয়া। অন্যদিকে নিজের পড়াশুনা আর টিউশন তখনও চলছে।

প্রতিদিন সকালে উঠে ভার্সিটি, তারপর সেখান থেকে পাইকারী মার্কেটে গিয়ে আনকমন ষ্টাইলিশ পন্য খুঁজে বের করে বাসায় এনে সুতা কাটিং করে সেগুলোতে মেটাল ও বাটন সংযুক্ত করে আয়রন করা, সাথে হ্যান্ড ট্যাগ ও প্যাক চেঞ্জ করে দর্শনীয় উপস্থাপন। তত দিনে ঢাকার পোশাক বিক্রেতারা তার খোঁজ পেয়ে গেছে। দিন দিন পন্য বিক্রয়ের জায়গা বাড়ার সাথে পন্য পাইকারী কিনে আনার পর সেটিকে দর্শনীয় রুপ দিতে চুক্তি ভিত্তিক তিন জন ছেলে ও একটি মেয়ের কাজের ব্যবস্থাও হল। সেই সাথে তার অক্লান্ত পরিশ্রম যুক্ত হয়ে ভাল কিছুর দেখা মিলতে শুরু করল।

কিন্তু গল্প তো এখানেই শেষ নয়? দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করার পরও স্বপ্নটাকে ছুতে পারছিলেন না। ব্যবসাকে কিভাবে আরও সমৃদ্ধ করা যায় সে চেষ্টা চলছিল দিনরাত। পরিচয় হল বায়িং হাউজের সঙ্গে। প্রতিশ্রুতি পেলেন গার্মেন্টস থেকে তার পছন্দের নির্দিষ্ট পোশাক তৈরী করে দেওয়ার। এবার স্বপ্নের পথে যাত্রার আরও একটি ধাপ পার হতে পারবেন বলেই অনেকটা নিশ্চিত। গার্মেন্টস এ তার দেওয়া অর্ডারের মাল সুইং হল। কিন্তু তিনি হাতে পেলেন না। তার টাকায় তৈরী পন্য মার্কেটে বিক্রি করে দিয়ে মুনাফা লুটে নিতে লাগল সেই বায়িং হাউজ। আর তাকে দেখাতে লাগল নানান অজুহাত। অন্যদিকে তার পাইকাররা তার কাছে মাল চাইতে লাগল। কিন্তু হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সমস্যায় পড়তে হল প্রতিনিয়তই।

দেড় মাস পর উদ্ধার পেলেন কৌশল আর বুদ্ধিমত্তার গুনে। ডেলিভারী পেলেন পন্য কিন্তু নিন্মমানের। ততদিনে তার ব্যবসার যত পাইকার ছিল তা হাতছাড়া হয়ে গেছে। ব্যবসা বন্ধের পর্যায়ে প্রায়। হাল ছাড়লেন না। আবারও ভাবলেন যেখানে যত অসৎ মানুষ সেখানেই সততার স্বীকৃতি পাওয়া সহজ হবে। পথে নেমে বাধার সম্মুখীন না হলে বাধা পার হওয়ার উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না। এবার আর মার্চেন্ডাইজার নয় সরাসরি গার্মেন্টস মালিকদের সাথে যোগাযোগ শুরু করলেন। সেই সাথে পুরাতন পাইকারদের ফিরিয়ে আনার সাথে সাথে নতুন পাইকার খুঁজতে লাগলেন। সফলতাও এলো সে পথে। দিন দিন পরিচিতি বাড়তে শুরু করল। সততা, বুদ্ধিমত্তা, আর অক্লান্ত পরিশ্রমের গুণে ঘুরে দাড়ানো শুরু হল।

ব্যবসা বড় হতে শুরু করল। বিভিন্ন বায়িং হাউজ থেকে স্যামপল কালেক্ট করে বাহিরের বায়ারদের কাছে এপ্রুভ করিয়েও কমিশনের মাধ্যমে বেশ আয় করতে থাকলেন। কিন্তু নিজের কাছে বড় ধরনের পুজিঁ না থাকার কারনে সমস্যায় পড়তে হল। কিন্তু তার সততা আর পরিশ্রম তাকে সেই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় দেখিয়ে দিল। বেশ কয়েকজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী তাকে সাহায্য করতে শুরু করলেন। গার্মেন্টস থেকে বাকীতে মাল নিয়ে বিক্রি করে বাকী টাকা পরিশোধের সুযোগ করে দিলেন। মুলত এখান থেকেই সে সর্বোচ্চ লাভের সুযোগ পেলেন কোন রকমের পুজিঁ না খাটিয়ে। সেই সাথে আবিস্কার করতে পারলেন সততা থাকলে ব্যবসায় পুঁজির সংস্থান করা কঠিন কিছু না।

ব্যবসাকে আরও সমৃদ্ধ করতে শোরুম ভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিলেন। যদিও মাঝখানে পুঁজির সংস্থানের জন্য লোনের ব্যবস্থা করতে গিয়ে বড় অংকের টাকা ক্ষতি হল। সিদ্ধান্ত নিলেন লোনের টাকায় ব্যবসা নয়। শোরুম ব্যবসার যাত্রা শুরু হল ২০১৪ সালে। সেই সাথে ব্যবসায়কে আইনগত দিক থেকে শক্ত অবস্থানে দাঁড় করাতে লিমিটেড কোম্পানীতে রুপান্তর করলেন। ব্লু ড্রিম কোম্পানী লিমিটেড এর বায়িং হাউজ,গার্মেন্টসসহ বর্তমানে ১৭ টি নিজস্ব শোরুমসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডিলারদের ৮৪ টি শোরুম ব্লু ড্রিম ব্রান্ডে চলছে। ২০০০ এর বেশী শোরুমে পাইকারী পন্য সরবরাহ করে। এখন থান কাপড়ও ইমপোর্ট করছে এবং সদরঘাট নিজের শোরুমে পাইকারি সেল করেন।সেই সাথে দেশের ৫৮ টি জেলায় ১২২ টি ডিলার ও সাব-ডিলার নিয়োগের পাশাপাশি ৩২ টি দেশে সিমিত আকারে এক্সপোর্ট করছে।

২০১৭সাল। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে অনেক লোক। যারা নিয়মিত ভাবে তার প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করছে। সেই সাথে তার পন্য উৎপাদনের সাথে জড়িত আরও হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হয়েছে।
২০১৮ বর্তমানে ব্লু ড্রিমের টোটাল ৬ টি কোম্পানি মিলে গ্রুপ কোম্পানি হয়েছে।এবং ২৬ টি দেশে ব্লু ড্রিম ব্রান্ড সর্ট কোয়ানটিটি এক্সপোর্ট হচ্ছে আর যারা নিচ্ছেন মেক্সিমাম বাংলাদেশী।২০১৯ সালের জুন মাস পর্যন্ত নতুন ২৩ টি নতুন শোরুম উদ্ভোধনের হয়েছে।ব্লু ড্রিমের শোরুম মালদ্বীপ ও দুবাইসহ ১১টি দেশে করা হয়েছে। বাংলাদেশী বেশ কিছু নামিদামি ব্রান্ডের পোশাক ও তৈরি করে দিচ্ছে।সর্বশেষ ইউরোপের সকল দেশে পোশাক রপ্ততানির জন্য ইউরোপীয় বায়ারের সাথে চুক্তি হয়েছে।তরুন এই সফল উদ্যোক্তার সাথে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে জানতে চাইলাম ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান? সময় বিলম্ব না করে বললেন একজন উদ্যোক্তা হিসেবে দেশের পাইকারী পোশাকের বাজারে নিজেকে মার্কেট লিডার হিসেবে দেখতে চাই। আর মানব সেবায় নিজের প্রতিষ্ঠান এশিয়ান লাইফ ফাউন্ডেশন নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে থাকতে চাই জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত।

তরুন এ উদ্যোক্তার সাথে কথা বলতে বলতে আরও জানতে চেয়েছিলাম আগামীতে যারা উদ্যোক্তা হতে চায় তাদের কি করনীয়? খুব হাস্যোজ্বল ভাবে বলছিলেন একটা বড় লক্ষ দাঁড় করিয়ে দিয়ে তার পেছনে তাড়া করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হল সততা থাকতে হবে। অসৎ মানুষের ভীড়ে সততাকে কাজে লাগানো সম্ভব হলে সফল হওয়াটা খুব সহজ হবে। প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। দিন রাতের পার্থক্য ভুলে কাজে লেগে থাকতে হবে। যতক্ষন সফলতার দেখা না পাওয়া যায় ততক্ষণ লেগে থাকতে হবে।অর্থাৎ নিজেকে অলরাউন্ডার করে তুলতে হবে। লেখাপড়া শিখে চাকুরী করতে হবে এমন মানুষিকতা বাদ দিয়ে নিজে কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। লেখাপড়ার সাথে সাথে নিজে কিছু একটা করার মত মানুষিকতা তৈরী করে ঝুঁকি নিতে হবে। সফলতার জন্য ব্যার্থতাকে মেনে নিতে হবে। অন্যের কথায় কান না দিয়ে সামনে এগিয়ে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

অফিসিয়াল পেইজ:
https://facebook.com/bluedream14/
Blue Dream group
Head office:
House-c1,Road-2/1, Mirpur-2,

15/06/2020

মধু ও কালোজিরার প্রকৃত উপকারিতা এবং খাওয়ার সঠিক নিয়ম। জেনেনিন ডা. ফায়জুল হকের নিকট থেকে।

Address

W/19, Nurjahan Road, Mohammadpur
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Loyal Mart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Loyal Mart:

Share