13/07/2024
লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছুদিন যাবৎ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের (প্রাক্তন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড) সম্মানিত রেজিস্ট্রার, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, হোমিওপ্যাথিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। সাবেক ছাত্রনেতা, বিশিষ্ট পেশাজীবী সংগঠক, সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি, স্বাধীনতা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব, এশিয়ান হোমিওপ্যাথি মেডিকেল লীগের ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের অগ্রসৈনিক, হোমিও হিরো ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যার এর বিরুদ্ধে একটি কুচক্রীমহলের ছত্রছায়ায় এবং প্ররোচনায় টট্টগ্রামের ভুয়া প্রফেসর পরিচয়দানকারী চন্দন দত্ত নামের একজন ও তার দোসরগন ফেসবুক, হোয়াটসএ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নামে, বেনামে, মিথ্যা, বানোয়াট, ষড়যন্ত্র, হয়রানী ও উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ দাখিলসহ ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয়ে আপত্তিকর, অপমানজনক ও মানহানিকর তথ্য-বক্তব্য প্রচারকরছে, যা বাংলাদেশ সরকারের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভূয়া প্রফেসর পরিচয়দানকারী চন্দন দত্ত গংদের এই ধরনের অপপ্রচার, আপত্তি ও মানহানিকর বক্তব্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক সকল অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সকলকে প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি।
প্রতিয়মান হচ্ছে যে, চন্দন দত্ত ও তার সহযোগী দুষ্ট চক্রান্তকারীদের এসব মিথ্যা, বানোয়াট ও আপত্তিকর তথ্য প্রচার করে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের সুযোগ্য ও মেধাবী রেজিস্ট্রার ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যার সহ হোমিওপ্যাথির উন্নয়নের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অবস্থান নিয়েছেন। চন্দন দত্ত ও তার দোসরদের এই ধরনের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবী। অন্যথায় দুষ্টু লোকেরা সমাজের ভালো এবং দায়ীত্বশীল ব্যক্তিদের এভাবে মানহানি ও অপমান করতেই থাকবে, যা হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে মারাত্তক ভাবে হুমকি স্বরূপ।
প্রকৃতপক্ষে, ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হোমিওপ্যাথিতে সর্বোচ্চ বিএইচএমএস ডিগ্রিসহ চিকিৎসা শিক্ষা বিষয়ে উচ্চতার ডিগ্রিধারী একজন মেধাবী ব্যক্তিত্ব, যোগ্যতা সম্পন্ন সফল চিকিৎসক ও প্রশাসক। তিনি হোমিওপ্যাথির একজন ভিশনারী লিডার ও স্মার্ট ব্যক্তিত্ব।
ডা. মো: জাহাঙ্গীর আলম স্যার বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের তথা বর্তমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ সমূহের উন্নয়নসহ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, তাঁর দাপ্তরিক কর্মপরিকল্পনায় এবং কর্মদক্ষতায়।
আমার জানামতে এবং বাস্তব সত্য এই যে, ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্যারের পরিকল্পনা, মেধা ও উদ্যোগে বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথির নিন্মোক্ত উন্নয়ন কার্যক্রম সমূহ সাধিত হয়েছে -
১. হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি নামের আগে ডা. পদবী ব্যবহারের সুযোগসহ বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন ২০২৩ মহান সংসদে পাশের জন্য প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক পদক্ষেপ ও কর্মকান্ড সমূহ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সার্থকভাবে সম্পন্ন হয়েছে ।
২. তিনি জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ও জাতীয় ওষুধনীতিতে হোমিওপ্যাথিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাপ্তরিক কাজের পূর্ণাঙ্গ সহায়তা ও ভূমিকা পালন করেছেন।
৩. তিনি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ডকে এবং বোর্ড ও সরকার অনুমোদিত বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সমূহকে আধুনিকায়ন এবং প্রকৃত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের উন্নতিকল্পে পরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
৪. বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সমূহের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
৫. বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ সমূহে অধ্যক্ষসহ শিক্ষক, চিকিৎসক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করেছেন।
৬. তিনি প্রাক্তন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক বোর্ড তথা নবপ্রতিষ্ঠিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের অধীন ডিএইচএমএস কোর্সের ভর্তি প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল অটোমেশন সিস্টেম চালু করেছেন এবং একই সাথে তিনি ডিএইচএমএস কোর্সের পরীক্ষা এবং পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন সিস্টেম চালু করার প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছেন।
৭. পেশাগত দক্ষতার বৃদ্ধির জন্য শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন, দেশে বিদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বিভিন্ন সেমিনার ও সম্মেলনে যোগদানের সুযোগ সুবিধা প্রসারিত করেছেন
৮. বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল সমূহে উন্নত ও আধুনিক পরিবেশ স্থাপনে কাজ করে চলেছেন।
৯. বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক কলেজে শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং মেধাবী ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির বিষয়ে আধুনিক ভর্তি নিতীমালা প্রনায়ন করেছেন।
১০. তাঁর প্রশাসনিক কর্মদক্ষতা বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক কলেজ সমূহের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
১১. তিনি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মান উন্নয়নে এবং পেশাগত ডিগনিটি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন বিধি-বিধান, নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন।
১২. তার পরিকল্পনায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এবং উপজেলায় দাতব্য হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল সেন্টার প্রকল্প চালু হয়েছে
১৩. তিনি সরকারি পর্যায়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের সরকারি চাকুরির জন্য বিশেষ অবদান রেখেছেন এবং বর্তমানেও কাজ করে চলেছেন।
১৪. তিনি হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি ও ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের সমন্ময় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। যার সুফল এখন হোমিওপ্যাথিক সমাজ ভোগ করছে।
১৫. তিনি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের অধীনে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন সিস্টেমে চিকিৎসক নিবন্ধীকরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।
১৬. তিনি বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষক,চিকিৎসক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দায়িত্বে সচেতনতা আনয়ন ও তদারুকির লক্ষ্যে প্রতিটি কলেজে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন।
১৭. আন্তর্জাতিক মহামারী করোনা কালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেরিয়েছেন, বিভিন্ন স্থানে বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প, বিনামূল্যে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম তদারকি ও পরিচালনা করেছেন।
১৮. ডিএইচএমএস চিকিৎসকদের সরকারি পর্যায়ে চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন করেছেন।
বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ সমূহের একাডেমিক ভবন ১৯. নির্মাণের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল সংগ্রহে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।
২০. বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে কর্মরতদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট তহবিল গঠন করেছেন।
২১. তিনি জাতীয় পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে হোমিওপ্যাথিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা, একটি আধুনিক হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল ও হোমিওপ্যাথিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে একটি হোমিওপ্যাথিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন।
২২. তিনি প্রতিনিয়ত বেসরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ সমূহে আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষার ধ্যান-ধারণা, প্রচলিত বিধি-বিধান এবং নিয়মাবলী সংশোধন - সংযোজন করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আমার জানা মতে তিনি ছাত্র জীবন থেকে পেশাজীবী জীবন পর্যন্ত হোমিওপ্যাথির বাইরে অন্য কোন ব্যবসা বা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত হন নাই।
আমি বিশ্বাস করি ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর স্যারদের মত ভিশনারী, দায়িত্বশীল ও সৎ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন কর্মকর্তারাই পারবেন হোমিওপ্যাথির প্রকৃত উন্নয়ন করতে।
আমরা আশা করছি যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা হোমিওবান্ধব দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাগন অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের গভর্নিং বডি ও নির্বাহী পরিষদে সৎ, যোগ্যতাসম্পন্ন, ন্যায় পরায়ণ ও দুর্নীতিমুক্ত সুশিক্ষিত
ও উচ্চশিক্ষিত হোমিওপ্যাথিক মেধাবী চিকিৎসক ও ব্যাক্তিদের মূল্যায়ন করবেন এবং হোমিওপ্যাথির উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশকৃত বিএইএমএস ডিগ্রিধারী ও উচ্চশিক্ষিত সফল রেজিস্ট্রার ডা. মো: জাহাঙ্গীর আলম স্যার কে সার্বিক প্রশাসনিক কাজে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবেন।
ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বাঁধা ও অপতৎপরতা রোধকরে হোমিওপ্যাথি এগিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।