13/09/2020
#বাস_জার্নিতে_বমি:
💫অনেকেই বাস জার্নির সময় বমি করেন।এটা কেন হয় জানেন?
🔘 হাইপোথিসিস অনুযায়ী এর জন্য দায়ী হচ্ছে আমাদের কান
▪️বাসের ঝাঁকুনিতে কানের ভিতরের ফ্লুইড নড়াচড়া করে,
যার কারণে কান ব্রেইনকে ইনফরমেশন দেয়, বডি মুভ করছে!
🔘 কিন্তু, চোখ ব্রেইনকে ইনফরমেশন দেয়,না বডি স্থির আছে।
দুই রকম ইনফরমেশন পেয়ে ব্রেইন কনফিউজড হয়ে যায়!
আর এধরনের কন্ডিশনকে "Brain poison"হিসেবে রিড করে!
তাই poison কে বডি থেকে বের করে দেওয়ার জন্য "Vegal Stimulation"হয় যার জন্য বমি হয়!
একে "মোশন সিকনেস"ও বলে।..
🔹এই হাইপোথিসিস অনুযায়ী, বাসে বসে ঘুমিয়ে গেলে আর বমি আসে না কারণ চোখ তখন ইনফরমেশন দেয় না ফলে ব্রেইনে কোনো কনফিউশন তৈরি হয় না!
এছাড়াও...
🔹ঘুম না আসলেও হালকাভাবে দুচোখ বন্ধ করে রাখুন। অথবা একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নিয়ে আসুন। উপকারে আসবে।
🔹চলন্ত অবস্থায় যানবাহনের ভেতরে দৃষ্টি নিবদ্ধ না রেখে জানালা দিয়ে বাইরে তাকান। অথবা সামনের গ্লাস দিয়ে যত দূর সামনে দৃষ্টি যায়, তাকিয়ে থাকুন, প্রকৃতি দেখুন।
🔹সামনের দিকে বা জানালার কাছে আসন নিন। জানালাটা খুলে দিন। ঠান্ডা বাতাস লাগবে শরীরে। ভালো লাগবে।
🚫বই, পত্রিকা ইত্যাদি পড়তে থাকলে বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
🚫গাড়িতে আড়াআড়িভাবে বা যেদিকে গাড়ি চলছে, সেদিকে পেছন দিয়ে বসবেন না। বমি বমি ভাব বা বমি হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
🚫যাত্রা শুরুর আগে ভরপেট খাবেন না বা পানি পান করবেন না।
🔹 কিছু ওষুধ আছে, যেগুলো বমি বা বমি বমিভাব বন্ধ করতে পারে, চিকিৎসকের পরামর্শমতো তা নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবন করতে পারেন গাড়িতে ওঠার আগে।
গাড়িতে বসে আদা কিংবা চুইংগাম চিবালেও উপকার পাওয়া যায়।
🔹" #গাড়িতে_উঠলেই_আমার_বমি_হবে"—এমন চিন্তা মনে আনবেন না। অন্য চিন্তা করুন। প্রকৃতি দেখুন।...দেখবেন ভ্রমণেও আপনি সুস্থ আছেন।