04/12/2025
প্রথমা প্রকাশনের প্রকাশিতব্য নতুন বই
শিলালিপি: বাংলার আরবি-ফারসি প্রত্নলেখমালা
মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক
৩০৪ পৃষ্ঠা
প্রথম প্রকাশ: অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ডিসেম্বর ২০২৫
প্রচ্ছদ: আনিসুজ্জামান সোহেল
মূল্য: ১৫০০ টাকা
ISBN 9789845370387
১ম ফ্লাপ
ইতিহাসের অনেক তথ্যের উৎস হলো প্রত্নলিপি। পুরোনো কালের নানা তথ্য ও ঘটনা উৎকীর্ণ রয়েছে সে যুগের প্রত্ন বা শিলালিপিগুলোতে। ভবিষ্যতের মানুষের কথা ভেবেই সমকালীন ঘটনার বিবরণ, তথ্য ও বাণী-বিবৃতি লিখে রাখা হতো কঠিন পাথরের গায়ে। বলা বাহুল্য, সে যুগের মানুষের জীবনযাত্রা, চিন্তাচেতনা, ধর্ম ও সংস্কৃতির পরিচয় লাভের পক্ষে এগুলোর উপকরণগত মূল্য অপরিসীম। শিলালিপিতে আরবি-ফারসি ভাষার ব্যবহার দুনিয়ায় প্রথম যে অঞ্চলগুলোতে দেখা যায়, আমাদের বাংলাদেশ তার অন্যতম। বাংলার স্থাপত্য অলংকরণেও এসব শিলালিপির রয়েছে বিশিষ্ট স্থান। লিপিশৈলীর সৌন্দর্য, শৈল্পিক স্ফূর্তি আর রূপের বৈচিত্রে্যও এগুলো অনন্য। শিলালিপি: বাংলার আরবি-ফারসি প্রত্নলেখমালা নামের এ বইটিতে লেখক বাংলা অঞ্চলে প্রাপ্ত আরবি ও ফারসি ভাষায় লেখা শিলালিপির পাঠোদ্ধার ও পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি সেগুলোর ঐতিহাসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেছেন। সত্যি কথা বলতে এই অঞ্চলের মধ্যযুগের শিলালিপি নিয়ে এত বড় মাপের কাজ এর আগে আর হয়নি। সেদিক থেকে আগ্রহী পাঠক, গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সকলের জন্যই এটি হবে একটি মূল্যবান আকরগ্রন্থ।
লেখক পরিচিতি
মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক
জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত। বর্তমানে বঙ্গীয় শিল্পকলা চর্চার আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের অতিথি অধ্যাপক। ইতিপূর্বে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, জায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ইসলামি অধ্যয়ন বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সভ্যতা ও সংস্কৃতির অধ্যাপক ছিলেন। ছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইসলামিক স্টাডিজের ভিজিটিং ফেলো। এ ছাড়া তিনি আগা খান প্রোগ্রাম ফর ইসলামিক আর্কিটেকচারের অধীন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এমআইটিতে পোস্ট ডক্টরেট গবেষক ও ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন। অধ্যাপক সিদ্দিক সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বিষয়ে বাংলা, ইংরেজি, আরবি ও উর্দুতে বেশ কয়েকটি গ্রন্থ ও অজস্র গবেষণা-প্রবন্ধ রচনা করেছেন। বিশ্বের নামী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও বিখ্যাত গবেষণা জার্নালসমূহে সেগুলো প্রকাশিত হয়েছে। এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম-এর ডজনখানেক ভুক্তি তাঁর লেখা। তিনি ‘বাণী’ নামের একটি পল্লি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও পরিচালক।