Hasna Hena World Collections

Hasna Hena World Collections Our page Hasna Hena World Collections is here to help you to choose the right one – you don’t need to give an effort.

Everything you need is here on our single page Hasna Hena World Collections.

11/10/2025

শূন্যস্থান সারাজীবন শূন্য থাক, তবুও কোনো ভুল মানুষ দ্বারা সেই শূন্যস্থান পূরণ না হউক 💔🥹🥀

01/10/2025

"প্রেমে পড়েছিলাম একজনের একবার! শুধু যে প্রেমে পড়েছি তা বললে ভুল হবে। ভালোবাসছিলাম খুব করে। সে আমাকে এমন স্পেশাল ফিল করাইছে! মনে হইছে তাকে ছাড়া আমার চলবে না। হারায় যাওয়ার কথা বললে, ছেড়ে যাওয়ার কথা বললে, বলেছিলাম-তুমি ছেড়ে গেলে আমার কষ্ট হবে! তোমাকে ছাড়া আমার চলবে না।
তারপর একদিন সে নিজেই ছেড়ে গেলো। আমার আকুতি মিনতি কোনো কিছুই তাকে আর আটকাতে পারলো না। সে চলে গেলো ফিরেও দেখলো না!
অবশেষে- সব হারিয়ে গেলো... অথচ সবকিছু থেকে যাওয়ার কথা ছিলো!
নিয়নের ঘরে অনিয়ম এ সে মিথ্যা প্রতিশ্রুতির আড়ালে রেখে গেলো; কিন্তুু বৃদ্ধ বর্ষা নিংড়ানো স্মৃতি, যক্ষের কিছু কথোপকথন, অগোছালো শব্দ দিয়ে বাক্য গড়া অপ্রকাশিত উপন্যাস আর অবহেলাপূর্ণ এই আমি।
তারপরও, আমার আর ভালো দিন আসলো না! মনে হলো, পৃথিবীটা হঠাৎ থেমে গেছে, হাসি-দুঃখ কেমন যেনো বন্ধ হয়ে গেছে। সব সুখ-শান্তি, হাসি দূরে কোথাও হারিয়ে গেছে।
জীবনের পথে হাঁটার ভীষণ একাকিত্ব আর কষ্টের আধার নেমে এলো! এখানে শুধুই একটানা হতাশা আর বিষণ্নতা আমাকে ঘিরে আছে! সেই পুরনো সুখ আর হাসির দিনগুলো এখন কেবল স্মৃতি! আর আমি সেই স্মৃতিগুলোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাই, কিন্তু সময় আর ফিরে আসে না।
হঠাৎ একা হয়ে যাওয়াতে চারপাশ এতো সংকীর্ণ হয়ে আসলো, নিজেরে মেনে নিতে কষ্ট হয়তো খুব! মাঝে মধ্যে মনে হতো আমি বোধহয় পাগল হয়ে যাচ্ছি! আমি বোধহয় বেশিদিন আর বাঁচবো না! মরে যেতেও ইচ্ছে হতো! মানসিক ট্রমা নিয়ে আমি দিনের পর দিন তার চলে যাওয়ার কারণ খুঁজছি! কি দোষ আমার! কি করিনি! কি ছিলো না আমার! মানুষ সে তো ভিন্ন মানুষ না! আমি কি তাকে ভালোবাসিনাই? ইত্যাদি! ইত্যাদি!
তারপর একদিন নিজে নিজেই বুঝলাম; আসলে ভালোবাসাটাই সব কিছু নয়, ভালোবাসার আগে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যাকে ভালোবাসো সে তোমাকে ভালোবাসে কিনা?। যদি চাই সে আমাকে চাই কিনা? মন থেকে নাকি কোনো জিনিস চাইলে, সেই জিনিস পাওয়াতে পুরো দুনিয়া সাহায্য করে! সে তো আমাকে চায় নাই! সে তো আমাকে ভালোবাসে নাই।
হঠাৎ হঠাৎ কোনো ঝিরিঝিরি বৃষ্টির সন্ধ্যায়, অথবা জ্যোৎস্নার গলা রাত্রিতে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে! সে মুহুর্তে ইচ্ছে করে, আরও একবার তার সামনে দাঁড়িয়ে তাকে জিজ্ঞেস করি: কেন ভালোবাসলেন না আমায়? কেন থেকে গেলেন না? কি অপরাধ ছিলো আমার!? আমি কি সত্যিই ভালোবাসার মতো মানুষ ছিলাম না?!!
তবুও পরিশেষে বলি, :-) ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বিশ্বাস ভাঙ্গা মানুষগুলো।
হৃদয়ের রক্তক্ষরণ নিয়ে

01/10/2025

“আপনি যদি কোন কিছুর ঝুঁকি না নেন, তবে আপনি আপনার সবকিছুকে ইতোমধ্যে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন।” ― Geena Davis

Big thanks to Muntaha Islamfor all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
01/10/2025

Big thanks to Muntaha Islam

for all your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!

06/03/2025

যারা কুরআন খতম করছেন তাদের জন্য বেশ উপকারী একটি পরামর্শ হচ্ছে — প্রতিদিনের তিলাওয়াতের সময় সাথে বড় একটি বোতলে পানি প্রস্তুত রাখবেন। যেদিন যতটুকু পড়বেন, পড়া শেষে কারো সাথে কথাবার্তা বলার আগেই উক্ত পানিতে ফুঁ দিয়ে রাখবেন। এভাবে পুরা খতমের ফুঁ দেয়া পানি বাসায় হেফাজত করবেন। বিভিন্ন রোগব্যাধি, বাচ্চাদের ভয় পাওয়া, পেটে ব্যথা, জ্বী-ন, জাদু, বদ ন'জ'র ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক চিকিৎসার ক্ষেত্রেই এই পানি বহুত কাজে আসবে — ইনশাআল্লাহ্🤲

05/03/2025

"হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান!

হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ
হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পাপি?"

আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পাপি"

আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পাপি

হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"

আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"

হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।

মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পাপি আবার মহা নেকী" .

আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!

তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।

হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপি ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শাস্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করুন"
আমিন

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
আবু দাউদঃ ৫১৫

আজ কোর্টের ১৭ নম্বর এজলাসে এক অভিনব কেস উঠেছে।  এক ভদ্রমহিলা জীবনের মধ্যাহ্ন পেরিয়ে এসে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হতে চান, ...
15/09/2024

আজ কোর্টের ১৭ নম্বর এজলাসে এক অভিনব কেস উঠেছে। এক ভদ্রমহিলা জীবনের মধ্যাহ্ন পেরিয়ে এসে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা হতে চান, নিঃশর্তে। অথচ, স্বামী তার স্ত্রীকে কিছুতেই ছাড়তে চান না।

বিষয়টা এইরকম -- চাকরিরতা স্ত্রী, বয়স প্রায় পঞ্চাশের কাছে, হঠাৎ করেই ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন যে, আর সংসার করবেন না তিনি। সংসার করতে তার আর ভালো লাগছে না। তাই, সব কিছু থেকে নিজেকে মুক্ত করতে নিঃশর্তে ডিভোর্স চাইছেন দাম্পত্য জীবন থেকে। কিন্তু স্বামী চান, স্ত্রীর সাথে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত কাটাতে। একমাত্র মেয়ে তার নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিত, তাই জীবনের বাকি সময়টা স্ত্রীয়ের সাথে একান্তে, আনন্দে কাটিয়ে দিতে চান তিনি।

কোর্টের চত্বরে বিশাল কৌতূহল -- বিচারক কার পক্ষে রায় দেবেন। কার দলিল কতটা পোক্ত জেতার জন্য।

শঙ্খনীল আর অনুপমা, দাম্পত্য জীবনের পঁচিশ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন একসাথে। একটি মাত্র কন্যাসন্তানকে নিয়ে গড়ে ওঠা তাদের সংসারে কেউ কখনো অশান্তি দেখেনি। বাইরে থেকে সবাই জানতো এরা সবাই সুখী। এমনকি, শঙ্খনীল - অনুপমার বন্ধুমহলে ওরা স্বামী - স্ত্রী হিসেবে সেরা দম্পতির একটা উদাহরণও ছিল। সেই দম্পতির এমন কাহিনী যেন মেনে নেওয়া যায় না। পঁচিশ বছরের দাম্পত্য জীবনে যখন মানুষ রজত জয়ন্তী বিবাহবার্ষিকী পালন করেন, ঠিক সেই সময়েই অনুপমার এমন আইনি আপিল।

বিচারক জিজ্ঞেস করলেন অনুপমাকে, "আপনার স্বামী কি পরকীয়া করেন? "

অনুপমার উত্তর, "বর্তমানে আমার স্বামীর জীবনে আমি ছাড়া কেউ নেই। আমিই তার সবচেয়ে কাঙ্খিত নারী। "

বিচারক আবারও জিজ্ঞেস করেন, "তাহলে উনি কি অত্যাচারী? ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স হয় আপনার সাথে? "

অনুপমা হেসে বলল, "মোটা টাকা মাইনে পাওয়া বৌয়ের ওপরে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স করতে পারেন কোনো স্বামী? আমার মনে হয় না, সে ক্ষমতা কোনো স্বামীর থাকতে পারে বলে? "

"তাহলে কেন ডিভোর্স চান আপনি আপনার স্বামীর থেকে ? আপনার সাথে কোনো খারাপ কিছু না হলে তো আর শুধু শুধু একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন না আপনি ? "

বিচারকের এমন প্রশ্নে অনুপমা উত্তর দিতে শুরু করলো, "আজকের ভালোটুকু দেখেই আপনি বিচার করবেন ধর্মাবতার? আমার বিগত পঁচিশ বছরের প্রত্যেকটা দিনের কষ্ট, গ্লানি, চোখের জল, অমানসিক শারীরিক পরিশ্রম -- তার কি কোনো মূল্যই নেই ?

কলেজ জীবনে বন্ধুত্ব দিয়ে প্রেম আসে আমার জীবনে। দীর্ঘ সাত আট বছরের প্রেমের পরে আমাদের বিবাহিত জীবন শুরু হয়। বিয়ের পরেই দেখলাম, আমার স্বামীর মধ্যে থেকে সেই প্রেমিক হারিয়ে গেলো। সে তখন আমাকে তার মায়ের সাথে আপোষ করে চলার শিক্ষা দেয়, রান্না শিখে নিতে বলে, তার রোজকার জীবনের বহুকাজ আমার উপরে চাপিয়ে নিশ্চিন্তে স্বামী হওয়ার মজা লুটতে শুরু করেন। স্বামীর মায়ের কাছে আমি তখন একজন তুচ্ছ প্রতিদ্বন্দ্বী মাত্র, যাকে রোজ অতি তুচ্ছ কারণে হেনস্থা, অপমান করে আমার শাশুড়িমা মজা লুটছেন মআমি কিন্তু তখনও চাকুরীরতাই ছিলাম, ছিলাম অর্থনৈতিকভাবে পুরোপুরি সাবলম্বী। তবুও স্বামীকে কাছে পাবার লোভে শাশুড়িমায়ের দেওয়া সমস্ত গ্লানি হাসিমুখে মেনে নিয়েছি। লোভ ছিল একটাই, আমার স্বামীর মধ্যে যে প্রেমিক মানুষটি আছে সে তার প্রেম দিয়ে আমায় ভরিয়ে রাখবে। যতই অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হই না কেন, বাজারে তো আর প্রেম বিকোয় না, যে অর্থ দিয়ে কিনে নেবো। তাই নিজের উজাড় করা ভালোবাসা দিয়ে, তার সংসারে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে, তার মায়ের সামনে নিজেকে চরম ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণ করে আমি সেই প্রেমিকের প্রেম পেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি আমি সেই প্রেম।সেই প্রেমিক ভালোবাসার কবরে চাপা পড়ে গিয়ে একজন স্বামীকে ফিরিয়ে দিলো আমার কাছে, যে খুব ভালো সন্তান, যে খুব ভালো ভাই, আবার যে খুব ভালো বাবা, ভালো বন্ধু এমনকি ভালো বসও প্রমাণিত হলো।শুধু হতে পারলো না আমার প্রেমিক। ভালো প্রেমিক চাইনি,, প্রতিপত্তি থাকা, অর্থবান প্রেমিকও চাইনি। শুধু সামান্য একজন প্রেমিককে চেয়েছিলাম যার বিশাল হৃদয়টা শুধু আমার জন্য তোলা থাকবে, কিন্তু কিছুই হয়নি।

আমি সেই মানুষটার ভালোবাসার বাঁধনে পড়ে তার সন্তানের মা হলাম। সংসার, সন্তান, চাকরি -- সবকিছু সামলাতে গিয়ে যখন আমি নাজেহাল, যখন প্রতিদিন প্রতি ক্ষনে আমার শাশুড়িমায়ের গঞ্জনায় আমি অতিষ্ট, তখন আমার প্রেমিককে একটু পাশে চেয়েছিলাম, যে আমার পিঠের ব্যথায় তার হাতটা বুলিয়ে দেবে, যে অফিস শেষে তার ক্লান্ত শরীরটা নিয়েই আমার ক্লান্ত শরীরের পাশে দাঁড়িয়ে বলবে, "চলো, আজ দুজনে মিলে কাজগুলো সেরে ফেলি। আমি মানা করলেও সে বলবে, "ক্লান্ত তো দুজনেই, অফিস তো দুজনেই করেছি, তাহলে ঘরের সবটুকু তুমি একা করবে কেন? "

আমি চেয়েছিলাম সেই প্রেমিককে যে তার মায়ের গঞ্জনার সামনে দাঁড়িয়ে বলবে, "এর চেয়ে বেশি কিছু আমার অনুপমা করতে পারবে না। তুমি ওকে অপমান করবে না। ভুলে যেওনা, অনুপমা শুধু আমার স্ত্রীই নয়, সে আমার ভালোবাসাও। "

সে বলেনি ধর্মাবতার, আমার হয়ে একটি কথাও খরচ করেনি সে | বরং বাচ্চা হওয়ার পরে যখন তখন আমার শরীরে, পেটে স্ট্রেচের দাগ, পেটটা মোটা, রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে চোখের কোণে কালি পড়ে গেলো, তখন আমার সেই কুশ্রী চেহারাটাকে সে অবজ্ঞা করতে শুরু করে। তার কাছে সে সময় চেহারায় চড়া রঙ মাখা অফিস কলিগটির দুঃখ ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অফিসের পরেও বাড়ি ফিরে এসে তার সাথে চলতো ফোনে বার্তালাপ। আমি সব দেখেও চুপ ছিলাম। বহুবার আমার স্বামীর কাছে কাকুতি মিনতি করে বলেছি -- "আমি তোমার প্রেমিকা হতে চাই। কিন্তু আমার স্বামী তখন অন্য মহিলার মধ্যে প্রেমিকা খুঁজতে ব্যস্ত। আমি তবুও যাইনি আমার স্বামীকে ছেড়ে, বুকের মধ্যে পাথর চাপা দিয়ে অপেক্ষায় থাকলাম -- যদি আমার সেই হারিয়ে যাওয়া প্রেমিকটাকে ফিরে পাই কোনোদিন, এই আশায়।

মেয়েকে নিয়ে আমি তখনও আলাদা হতে পারতাম, কিন্তু হইনি। কারণ, আমি চাইনি, আমার সন্তান তার বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হোক। কিন্তু আমার স্বামী কি ভেবে দেখেছিলেন, তার প্রেম, তার ভালোবাসাকে যদি আমি তার মতোই অপমান করতাম, বেচে আসতাম অন্য কোনো পুরুষের কাছে, তাহলে তার কেমন লাগতো? সে ভাবেনি ধর্মাবতার, সে কোনোদিন আমার জায়গায় তাকে বসিয়ে ভাবেনি, আমার কষ্টটা কোথায়? বরং আমার কিঞ্চিৎ প্রতিবাদও তার পৌরুষকে নাড়িয়ে দিতো। আমার সিঁথিতে এক চিলতে করুণার সিঁদুর দিয়েছে বলে সে বহুবার অতি সহজে বলতে পেরেছে , "বৌ, বৌয়ের মতো থাকবে। "

হ্যাঁ, ধর্মাবতার , "বৌ".... বৌ হয়ে বেঁচে থাকতে হয়েছে আমায়, প্রেমিকা হতে পারিনি। একমাত্র মেয়ের যাবতীয় দায়িত্ব একা বয়ে চলেছি, নিঃশব্দে, যতই কষ্ট হোক না কেন আমার, মুখ ফুটে বলতে পারিনি। কারণ আমি জানতাম আমার সব অনুরোধের একটাই উত্তর আসবে -- "পারবো না।

আমার স্বামী আমাকে সেরা বৌয়ের শিরোপা দিয়েছেন তার বন্ধুমহলে। গর্ব করে বুক ফুলিয়ে বলেছেন -- "আমার বৌয়ের সাথে আমার কখন ঝগড়া হয় না। আমার বৌ ভীষণ এডজাস্টিভ। আমার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলায় না কখনো। "

কি করে নাক গলাবো বলুন তো? কি করে এডজাস্টিভ হবো না বলুন তো? তার ব্যক্তিগত জীবনটা তো তার একার ছিল। সে বিবাহিত হয়েও বিনা নোটিসে বন্ধুদের সাথে বেরিয়ে পড়তো ভ্রমণের পথে, রাতের পর রাত আড্ডা দিয়ে কাটিয়ে দিতেন নির্বিদ্বিধায়। কখনো জানতে চাননি, অনুপমার তাকে প্রয়োজন আছে কিনা ? তার ব্যক্তিগত জীবনটা যেমন একান্ত তার, আমার ব্যক্তিগত জীবনটাও কি আমার একান্ত ব্যক্তিগত নয়?

আমি দীর্ঘ পঁচিশ বছর ধরে স্ত্রীর ভূমিকা পালন করেছি, তেইশ বছর ধরে মায়ের ভূমিকা পালন করেছি, যে সন্তানকে নিজে যেচে পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিলাম, তার প্রতি সমস্ত দায়িত্ব পালন করে তাকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছি, সাবলম্বী করে দিয়েছি। নিজের জীবনকে শূণ্য করে সবার জীবনকে পরিপূর্ণ করেছি।

কিন্তু বিনিময়ে আমি কি পেয়েছি -- কিচ্ছু না। বরং প্রতিক্ষনে আমার ভিতরের প্রেমিকাকে একটু একটু করে মরতে দেখেছি আমি , অবসাদে নিঃশব্দে তাকে কাঁদতে দেখেছি আমি। সেই প্রেমিকাকে আমি বাঁচাতে পারিনি ধর্মাবতার। কিন্তু আমার মধ্যে যে মানুষটা বেঁচে আছে এখনও, তাকে আমি পূর্ণরূপে বাঁচতে দিতে চাই, সেই মানুষটার জীবনে যত শূণ্য আছে, তাকে তৃপ্তি দিয়ে পূরণ করতে চাই তাই জীবন সায়হ্ন -- এ এসে আজ বন্ধন মুক্ত হতে চাই আমি, সংসারের সব মেকি সম্পর্ক থেকে। আমি জানি, আজ আমার স্বামী আমাকে ছাড়তে চাননা, কারণ, দীর্ঘ পঁচিশ বছর ধরে আমার সেবা পেয়ে আমার সেবা পাওয়া তার অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গেছে, আমি আজ তার একটা অভ্যেস, একটা অবলম্বন, বলতে পারেন অন্ধের যষ্ঠীর মতো। কিন্তু অন্ধ হলেই যষ্ঠীর প্রয়োজন হয়, একটা লাঠির প্রয়োজন হয় ; একজন পঙ্গুর জীবনে তার লাঠিটা তার প্রয়োজন হতে পারে, কিন্তু তার ভালোবাসা হতে পারেনা কখনো আমার স্বামীর কাছেও আমি ঠিক তাই। আজ আমি তার একাকিত্ব জীবনে প্রয়োজন মাত্র , তার ভালোবাসা নই।

আমি এখন ইচ্ছেমতো ভোরের সূর্য্য দেখতে চাই, ইচ্ছেমতো পড়ন্ত দুপুর অব্দি বিছানার আলিঙ্গনে জড়িয়ে থাকতে চাই, ইচ্ছে মতো পাহাড় হতে চাই, ইচ্ছেমতো নদী। আমি সারারাত জেগে ডায়েরির বুকে মুখ লুকোতে চাই, লিখে রাখতে চাই মনের সব অভিব্যক্তি। পরেরদিন সকালবেলায় উঠে কাউকে চা জলখাবার করে দেবার তাড়া যেন আমাকে জোর করে ঘুমের কোলে না নিয়ে যেতে পারে, আমি সেই চেষ্টাটাই করতে চাই, আমি স্বাধীন হতে চাই।

খুব বেশি দাবী কি করেছি ধর্মাবতার? একটা মেয়ে হয়ে জন্মেছি বলে, আমৃত্যু শুধু দান করে যাবো, পাবো না কিছুই ? মনুষ্যজীবন তো পেয়েছি ঈশ্বরের কাছ থেকে , তাকে উপভোগ করার অধিকার তো কোনো পুরুষ বা কোনো সমাজ কেড়ে নিতে পারে না আমার কাছ থেকে ?

তাই, বাঁধনমুক্ত হয়ে মুক্ত বিহঙ্গের মতো জীবনের শেষ কটা বছর নিজের মতো করে বাঁচতে চাই, জীবনের সব ব্যর্থতা আর শুন্যতাকে আনন্দ আর পরিতৃপ্তি দিয়ে পূরণ করতে চাই। তাই, জীবনের সব পিছুটান থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চাই আমি। "

অনুপমার বক্তব্যে আদালতের এজলাস নিঃশব্দতায় ভরে গেলো। সত্যিই কি অনুপমা বেশি কিছু দাবী করেছে ? সত্যিই কি এই দাবী অনুপমার শুধু একার ? এই দাবী কি পৃথিবীর সব অনুপমার নয় ? পৃথিবীর সব অনুপমাই কি স্বামীর মধ্যে একজন প্রেমিককে খুঁজতে খুঁজতে ফুরিয়ে যায় না ?

উত্তর জানা নেই কারোরই। বিচারকও স্তব্ধ। জীবনের আদালতে বিচার করা যে শুধু কঠিনই নয়,সে বিচার যে বড়ো বেদনাদায়কও।
সংগৃহীত

"সাতার পারে না মেয়েটা, অন্তত তাঁকে নিয়ে যান। বাপ নাই ঘরে, এত পানির মাঝে আমি কুলাতে পারবো না !"এমন আকুতি ঘরে ঘরে। ফুলগাজী...
26/08/2024

"সাতার পারে না মেয়েটা, অন্তত তাঁকে নিয়ে যান। বাপ নাই ঘরে, এত পানির মাঝে আমি কুলাতে পারবো না !"

এমন আকুতি ঘরে ঘরে। ফুলগাজীতে এখনো স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।

ঘুম হয় নি, রাতের খাবার জুটে নি। তবুও বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ নেই। এখনো অনেক ঘর যাওয়া বাকি।

অনেক ইঞ্জিন চালিত নৌকা আর স্বেচ্ছাসেবী দরকার। কেউ কি আছেন এঁদের পাশে দাঁড়াতে?

জীবনটা যে স্বামী ছাড়াও অবিস্মরণীয় হতে পারে তার উদাহরণ— মারিয়াম আলাইহিস সালাম।  জীবনটা যে সন্তান ছাড়াও সফল হতে পারে তার ...
11/06/2024

জীবনটা যে স্বামী ছাড়াও অবিস্মরণীয় হতে পারে তার উদাহরণ— মারিয়াম আলাইহিস সালাম।

জীবনটা যে সন্তান ছাড়াও সফল হতে পারে তার উদাহরণ— আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা।

জীবনটা যে জালিম স্বামীর সাথে বসবাস করেও সমুজ্জ্বল হতে পারে তার উদাহরণ— আসিয়া আলাইহিস সালাম।

জীবনটা যে পড়ন্ত বয়সেও অন্যদিকে মোড় নিতে পারে তার উদাহরণ— খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা।

জীবনটা যে শুধু সংসারী হয়ে সবচেয়ে উঁচু মর্যাদার নারী-জীবন হতে পারে তার উদাহরণ— ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা।
©️

বয়কটের কথা আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম তারা আমাদেরকে মনে করে দিলো।"আরে মিয়ারা, কোক মোটেও ঐ "জায়গা"র না" লাইনটা বিজ্ঞাপনে যতবা...
11/06/2024

বয়কটের কথা আমরা ভুলেই গিয়েছিলাম তারা আমাদেরকে মনে করে দিলো।

"আরে মিয়ারা, কোক মোটেও ঐ "জায়গা"র না" লাইনটা বিজ্ঞাপনে যতবার কানে আসতেসে, অন্যরকম একটা আনন্দ হইতেসে।

প্রথমত, বয়কটে নাকি তোমাদের বাপদের কিছু হয় না? তাইলে এখন প্রতি ওভার শেষে কোক মোটেও ঐ জায়গার না বলে কানতেসো কেন?

শখে শখে নিশ্চয়ই কোন ব্র্যান্ড এমন টাকা খরচ করে কান্নাকাটি করে না?

আর দ্বিতীয়ত, যতই সাপোর্ট করুক, ঐ জায়গা এতোটাই নোংরা যে, ঐ জায়গার নাম উচ্চারণ করার সাহস ইভেন কোকেরও হয় নাই।

অর্থাৎ, যতই সাপোর্ট করুক, ওরা যে ঘৃণারও অযোগ্য, ওদের দেশের নাম যে পাবলিকলি উচ্চারণ করা যায় না, সেইটা ওরা নিজেরাও জানে।

সত্য আর মিথ্যার তফাতটা যুগে যুগে এমনই ছিলো, এমনই আছে, ভবিষ্যতেও এমনই থাকবে।

যারা গত একটা বছর মানুষের হাজারো টিটকারি সহ্য করেও কোকের বোতলটা দূরে সরিয়ে রেখে চলেছেন, আপনাদের সবাইকে অভিবাদন জানাই।

- সাদিকুর রহমান খান

আপনি কি জানেন..?সূর্য ডুবার পর কোথায় যায়?রাসূল (ﷺ) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবু যর গিফারী (রাঃ) কে বললেন: তুমি কি জানো ...
23/05/2024

আপনি কি জানেন..?
সূর্য ডুবার পর কোথায় যায়?
রাসূল (ﷺ) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবু যর গিফারী (রাঃ) কে বললেন: তুমি কি জানো সূর্য ডুবার পর কোথায় যায়? আমি বললাম আল্লাহ ও তার রাসূল (ﷺ) তা ভালো জানেন।
তিনি বললেন,
তা যেতে যেতে আরশের নিচে গিয়ে সিজদায় পড়ে যায়। এরপর সে পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেওয়া হয়।
আর অচিরেই এমন দিন আসবে যেদিন সিজদা করবে কবুল হবেনা এবং অনুমতি চাইবে অনুমতি দেওয়া হবেনা। তাকে বলা হবে যে পথে এসেছো সে পথে ফিরে যাও।
তখন সে পশ্চিম আকাশে উদিত হবে তখনই ঘনিয়ে আসবে কেয়ামত। তখন থেকে আর দোয়া কবুল হবেনা!
[সহিহ বুখারী ২৯৭২] Deen of Ummah

কপি

18/05/2024

অনার্স নামক ট্রেনটির শেষ বগিতে বসে আগামীকাল যারা পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন সকলের জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইল 🥰

Address

Kamrangir Char , Khalifaghat
Dhaka

Telephone

+8801881623214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasna Hena World Collections posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hasna Hena World Collections:

Share