Muslim Book

Muslim Book বইয়ের পাতায় স্বপ্ন বুনন

21/04/2024

শিক্ষক : ভাষাগুলোকে মাতৃভাষা কেন বলা হয়?
ছাত্র : কারণ সংসারে বাবারা কথা বলারই সুযোগ পান না।

বই: বুকপকেটে প্রেমপত্র
লেখক: শায়েখ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

01/12/2023

কিসিঞ্জার যে আমাদের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলেছে৷ সেটা কি মিথ্যা নাকি?

যখন ‘পানিস’ ছিল, কিন্তু ‘ওমেন’ ছিল না৷
01/12/2023

যখন ‘পানিস’ ছিল, কিন্তু ‘ওমেন’ ছিল না৷

মাফ করবেন, আমার কাছে এটা অপরিনামদর্শী, অদূরদর্শী, বায়বীয় গায়রত (আত্মসম্মানবোধ) মনে হয়৷ এইসব করে মার্কেট পাওয়া যাবে, সাময়...
17/11/2023

মাফ করবেন, আমার কাছে এটা অপরিনামদর্শী, অদূরদর্শী, বায়বীয় গায়রত (আত্মসম্মানবোধ) মনে হয়৷ এইসব করে মার্কেট পাওয়া যাবে, সাময়িক বাহবা পাওয়া যাবে৷ কিন্তু এইসব লাফিলাফি কেবল ঝামেলাই বাড়াবে৷ কারো গায়রত বাড়াবে না৷ এইসব হল, লুঙ্গি খুলে পাগড়ি বাঁধার গায়রত৷

যদি এতই গায়রত থাকে, তাহলে যে এলাকার এমপি, যে এলাকার মন্ত্রী সেসব এলাকায় মাহফিল রাখাটাও গায়রতহীনতার পরিচয়৷

বিষয়টা সহজ, একটা এলাকাত এমপি, মন্ত্রী, ডিসি, এসপি ইত্যাদি সরকারি কর্মকর্তা হিন্দু সম্প্রদায়ের হওয়াটা, নারী হওয়াটা আপনার কাছে সহজ-সাধারণ বিষয়৷ কিন্তু তাদের অধীনে পরিচালিত, তাদের অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত মাহফিলে যাওয়াটা সাধারণ বিষয়৷ তাদের প্রধান অতিথি হওয়া সাধারণ বিষয়৷

কিন্তু সেই মাহফিলের পোস্টার তাদের নাম আগে দেওয়া দোষণীয়?

বিষয়টা হাস্যকর৷ যদি এতই গায়রত থাকে, যদি এতই আত্মসম্মানবোধ থাকে তাহলে আপনি সে এলাকায় যাবেন কেনো? আমি হলে তো যেতাম না৷

ক'বছর আগে একবার এক নারী সরকারি কর্মকর্তা এক খতমে বুখারির অনুষ্ঠানে এসেছিলেন৷ তখনও এমন হাউকাউ হইছে৷ তিনি নারী হয়ে, বেপর্দা হয়ে কেন এমন একটা অনুষ্ঠানে আসলেন— এটা তাদের বায়বীয় গায়রতে লাগলো৷ আর সবাই হাউকাউ শুরু করে দিল৷ অথচ ওই নারী ছিলেন উক্ত এলাকার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা৷ তাকে দাওয়াত দিতেই হত, কারণ, এলাকার অনুষ্ঠান করতে, জনসমাগম করতে তার অনুমতি লাগে৷ আর তারও আসতেই হত, কারণ, এরা তার ভোটার৷

এই মাহফিলেও সেইম হয়েছে, হিন্দু লোকটার অনুমোদন ছাড়া আপনারা মাহফিল করতে পারবেন? আপনি জানেন, আমিও জানি সে চাইলে এইসব দশ-পনেরোটা মাহফিল তার সামান্য ইশারাতেই অনুমতি পাবে না৷ সে হয়তো হার্ড লাইনে যাবে না৷ কারণ, এরা তার ভোটার৷ কিন্তু তার অনুমতি ছাড়া অথবা তার অধীনস্থ কারোর অনুমতি ছাড়া মাহফিল করে দেখেন৷

আমাদের দেশটা, আমাদের দেশের সিস্টেমটাই এমন৷ এখানকার প্রধানমন্ত্রী মহিলা, বিরোধীদলীয় নেত্রী মহিলা৷ মন্ত্রী-এমপি মহিলা ও বিভিন্ন ধর্মের৷ এইটা বাস্তবতা৷ এই বাস্তবতা মেনে নিতে গায়রতে লাগে না৷ অন্ততপক্ষে প্রতিটি জেলার ২০-৩০% সরকারি কর্মকর্তা, যারা আমাদের পরিচালনা করে, আমরা যাদের কাছে নিজেদের আত্মপরিচয় তুলে দিয়েছি, তারা মহিলা বা ভিন্নধর্মাবলম্বী৷

এইসব গায়রতে লাগে না৷ খালি পোস্টারে নাম নীচে দিছে বলে গায়রতে লাগছে৷ আরে ভাই, আপনার আর তার অবস্থানটা দেখেন৷ সে হল, প্রধান অতিথি আর আপনি একজন সাধারণ বক্তা! এইটা গায়রতহীনতা৷

25/04/2023
আবদুল আযীয আল আমান ও কতগুলো নির্মিত শব্দের কথা....................১০ মার্চ ১৯৩২ সালে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় জন্...
10/03/2023

আবদুল আযীয আল আমান ও কতগুলো নির্মিত শব্দের কথা....................
১০ মার্চ ১৯৩২ সালে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় জন্ম নেয়া লোকটা নিতান্তই জাদুকর। দরিদ্র বাবার ঘর আলোকিত করে প্রথম যেদিন অস্পষ্ট স্বরে বহুল আলোচিত শব্দে চিৎকার করে জানান দিচ্ছিলো- হ্যাঁ, আমি এসেছি। তখন কি কেউ জানতো- ডিকশনারির বুক গর্বে একেবারে ফুলে-ফেঁপে কেমন কী আশ্চর্য রকমের দেহে সেজে উঠছে? সহজ আর সরল যে মা লজিমোন বেগম, তিনি কি বুঝতে পেরেছিলেন, কী এক শব্দনির্মাতার চিৎকারে দশ মাস দশদিনের সমস্ত ব্যথা মুহূর্তেই কেমন ভুলে গেলেন তিনি?
কেউ হয়তো বুঝতেই পারেননি।

হয়তো নিত্যদিনকার অভ্যেসমতো, চোখে সয়ে যাওয়া দৃশ্যের মতো, কখন যে পথের ধারের জামরুল গাছটায় ফুল এসেছে কেয়ারই করেননি কেউ। কিন্তু বাবা অসীমউদ্দীন হয়তো ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন। অহেতুক ক্ষুধাকে একপাশে সরিয়ে ছেলেকে হাতে ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন পাঠশালায়। তারপর বাগফুল প্রাইমারী স্কুল থেকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। আবদুল আযীয আল আমান ততদিনে সোলেমানপুরের সত্যিকারের 'সুলতান সুলেমান'। কি কবিতা আর কি গদ্য! দু'হাতে তার মুক্তা ফলে!

একদিন। দুই দিন। তিনশো পয়ষট্টি দিন।
একদিন। দুই দিন। তিনশো পয়ষট্টি দিন।
তারপর আবারও সেই একদিন। দুই দিন। তিনশো পয়ষট্টি দিন। এমন করে করে রূপকথার সেই রাজকুমারের মতোই কী এক রাজকীয় আয়োজনেই না জাদুর সেই ক্ষণটি চলে আসে! ক্যালেন্ডারের পাতায় তখন ১৯৬৯ সাল। সোলেমান পুরের সেই 'সুলতান সুলেমান' আবদুল আজিজ আল আমানের বাগানে হঠাৎ একটা ফুল ফোটে। 'সেই ফুলেরই রৌশনিতে' মাতোয়ারা হয় সবাই। আহা, শব্দে শব্দে কী মায়া!
দ্রূতলয়ের মুক্তগদ্যের অপূর্ব জাদুতে মোহগ্রস্ত করে ফেললেন সবাইকে। ছোট বাক্যের বড় ভাবনায় কখনো কখনো অতিসতর্ক হয়ে পাহাড়ে পা ফেলার মতোই, আহা এইবুঝি শেষ হলো মানযিল, শব্দের পা ধরে ধরে হাঁটতে হয় শেষাবধি। মুসাফিরের তবু যেনো ক্লান্তি নেই। ওই তো পথের শেষেই প্রেমিকার দেখা!

তারপর 'আলোর আবাবিল'-এ পুরো হৃদয়টাকেই যেনো উপুর করে দিলেন। হয়তো আকাশের সঙ্গে জেদ করেই কি না কি জানি, কঠিন সেই মরণ প্রতিযোগীতায় নামলেন লোকটি। একেবারে হৃদয়-কলস উপুর করে ঢেলে দিলেন যেনো। কেমন যেনো সরল অবাককরা আর প্রচন্ড ঘোরলাগা শব্দে বললেন হৃদয়ের সব কথাগুলো।
'মানুষের নাবী'তেও কী অবাক কাণ্ড দেখো দেখি, ভোরের মিষ্টি হাওয়ার মতো, সদ্য গজানো সবুজ পাতার মতোই সরল আর হৃদয়গ্রাহী কী এক অবাককরা সুরে বলে গেলেন কতোকথা!
'আলোর রাসুল আল আমিনেও' সেই একই সুর! একই স্বর! এ যেনো অনন্তকালের চেষ্টা। কিংবা বে-শরম প্রেমিকের নির্লজ্জ চিৎকার- ভালোবাসি! ভালোবাসি! সরল গদ্যে এ যেনো প্রেমেরই নজরানা!
কিন্তু 'অনন্তের দিকে' আর রৌদ্রময় নিখিলের' এই স্বর নেমে এলো কোন আসমান থেকে! লম্বা দীর্ঘ মাঘের কম্বল জড়ানো রাতের মতোই যার দীঘল শব্দে মোড়ানো দেহ। একটু খটমটে আর কেমন যেনো, উঁহু, বুঝলাম না তো! বুঝলাম না তো!---তারপরও প্রেমিকার উষ্ণ ঠোঁট ছুঁয়ে দেয়ার অপার্থিব সুখ সুখ লাগা সেই অনুভব।

রৌদ্রময় নিখিলের কথা আলাদা ছন্দে- আহা, যদি সেই শক্তি থাকতো আমার!- প্রাণভরে লিখতাম লিখতাম আর লিখেই যেতাম। কিন্তু আমি তো সোলেমান পুরের আমান নই। আমি তো অক্ষম। অধম আর কেবলই 'আনা লাইসা বি-ক্বারী'- পাঠের সেই প্রশস্ত হৃদয়টুকুনও নেই যে আমার। আমি বাকরুদ্ধ হই। চোখ ঝাপসা হয়ে আসে আমার। আহা, শব্দে এতো মায়া থাকে! এতো জাদু থাকে! এতো প্রেম থাকে! এতো- এতো- এতো- এতোকিছুও থাকে!

সুদূর সেই কলকাতার পথ হেঁটে ধুলোবালির এই শহরে বইকেন্দ্রের ছোট্টকুটিরে সদ্যই মেহমান হয়ে এসেছেন আমানের সন্তানেরা- আমার প্রিয় আবদুল আযীয আল আমানের আদরের সন্তানেরা! আমানের ছয়টি সন্তানের গায়ে কী চমৎকার পোষাকই না পরিয়ে দিয়েছে বইকেন্দ্র! যদি একটু সুযোগ হয়। যদি হৃদয়ে হাহাকার জাগে- উঁহু, ভেঙ্গে পড়ছেন কেন- বইকেন্দ্রে যান!

আবদুল আজীজ আল-আমান- এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতিজন্ম :বাংলাভাষায় ধর্মীয় সাহিত্যে শক্তিশালী অবস্থানে থাকা এ মহান লেখক ১৯৩২ সালের ...
09/03/2023

আবদুল আজীজ আল-আমান- এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

জন্ম :

বাংলাভাষায় ধর্মীয় সাহিত্যে শক্তিশালী অবস্থানে থাকা এ মহান লেখক ১৯৩২ সালের ১০ মার্চ উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার আমডাঙা থানার অন্তর্ভুক্ত সোলেমানপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

পরিবার ও পড়াশোনা :

তিনি ছিলেন পিতা-মাতার একমাত্র পুত্র-সন্তান। চরম দরিদ্রের মাঝে গ্রামের নিজস্ব পাঠশালায় শিক্ষা-জীবনের হাতেখড়ি হয়। এরপর গোবরডাঙা কলেজ ও সুরেন্দ্রনাথ কলেজ হয়ে ১৯৫৬ তে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করেন এম-এ।

কর্মজীবন :

প্রধানশক্ষিক হসিবেে পরিচালনা করেছেন কানখুলি হাইস্কুল এবং অধ্যাপনা করেছেন গার্ডেন রীচ কলেজ ও ঢাকার জগন্নাথে।

লেখালেখি :

লেখালেখির সাথে যুক্ত হয়েছেন সেই ছাত্রজীবনেই। তার একটি বিখ্যাত বই পদক্ষেপ তিনি সেই ছাত্রজীবনেই রচনা করেছিলেন । নিজ সম্পাদিত জাগরণ পত্রিকাকে কেন্দ্র করে ঘনিষ্টতা গড়ে তোলেন পেমেন্দ্র মিত্র, কাজী আবদুল ওদুদ, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, হুমায়ূন কবীর প্রমুখের সাথে।

এছাড়াও বিভিন্ন সময় সম্পাদনায় যুক্ত ছিলেন অন্যান্য পত্রিকার সাথে। করেছেন কবি নজরুলের লেখা নিয়ে নতুন ভাবনা ও পুনর্মূল্যায়ন। গল্প, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধের বই মিলিয়ে লেখকের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৫০ এর বেশি।

১৯৮৩ সালে সস্ত্রীক পবিত্র হজ সম্পাদন করে ফিরে এসে শুরু করেন বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক কাবার পথে রচনা। ১৯৮৭ তে শুরু হয় বহু আকাক্সিক্ষত সিরাতগ্রন্থ রচনা রাসূলুল্লাহ সা। এই সময়ই লেখক নিজেকে বহির্জগত থেকে গুটিয়ে নিয়ে দ্বীনি অধ্যয়ন ও লেখালেখিতে আবদ্ধ রাখেন। ১৯৯৪-এ মাদরাজে চোখের অপারেশনের আগ-মুহূর্তে নভেম্বরে লেখেন জীবনের শেষ প্রবন্ধ (যা মাসিক মদীনাতে মুদ্রিত হয়েছিল) ‘রাসূলুল্লাহ সা-এর বিনয়’।

মৃত্যু :
১৯৯৪-এর ১ লা ডিসেম্বর হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হন লেখক এবং এ দিনই সকাল ১১:৫৫ মিনিটে মহান প্রভুর ডাকে সাড়া দেন।

আল্লাহ তার মাকবারাকে নুর দ্বারা ভরপুর করে রাখুন।

আমানের কালজয়ী সিরাত-সিরিজ!
03/03/2023

আমানের কালজয়ী সিরাত-সিরিজ!

Address

Dhaka

Telephone

+8801820014386

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim Book posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share