You should know that sports smartwatches are not the same as the normal ones. Their primary purpose is to support athletes with expert functions r যে শাড়ীর নকশায় প্রাণ পায় কারিগরদের শিল্পভাবনা। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের উপাদান জামদানী বয়নশিল্প। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি অর্জনের পর এটি এখন আর শুধু বয়নশিল্প নয়, দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। জামদানী মূলত ইতিহাসখ্যাত ঢাকাই শাড়ী মসলিনের
ই একটি প্রজাতি। জামদানী ঢাকা জেলার বিশেষ ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প। বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জড়িয়ে রয়েছে জামদানী শিল্পের নাম। বাংলাদেশের অহংকার হিসেবে চিহ্নিত এ শিল্পের ভেতরের যে ঐশ্বর্য ছড়িয়ে আছে আমাদের ঐতিহ্যে, তার ধারক হয়ে আজও জনপ্রিয়তায় অনন্য হয়ে আছে জামদানি বয়ন শিল্প। জামদানীর প্রসারে যাদের সীমাহীন অবদান রয়েছে তারা বর্তমানে খুবই ম্রিয়মাণ। জামদানী শাড়ীর আগের সব বিখ্যাত ও অবিস্মরণীয় নকশা ও বুননের অনেকগুলোই বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়। নবীন কারিগররা অধিকাংশ নকশাই বুনতে জানেন না। জামদানী শাড়ীর মূল আকর্ষণ নকশা বা মোটিফ। এ নকশা সাধারণত কাগজে এঁকে নেয়া হয় না। জামদানীর শিল্পীরা নকশা আঁকেন সরাসরি তাঁতে বসানো সুতায় শাড়ীর বুননে বুননে। তারা এমন পারদর্শী যে, মন থেকে ভিন্ন ভিন্ন নকশা আঁকেন। পুরো জমিনে নকশা করা একটি শাড়ি তৈরি করতে ন্যূনতম সময় লাগে দুই মাস। জামদানী শাড়ীর দাম নির্ভর করে শাড়ির গাঁথুনি এবং সুতার কাউন্টের ওপর। যত বেশি কাউন্টের সুতা, শাড়ীর দামও তত বেশি। সেই সঙ্গে নকশা তোলার সুতার কাউন্টও হতে হবে কম এবং নকশাও হতে হবে ছোট ছোট। আগে সুতা ও রেশম ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে জামদানীর বুননের সিল্ক, সুতির সুতা এবং নাইলন ব্যবহৃত হচ্ছে। জামদানী বুননের মূল শক্তিই হল সুতা।