Al Kareeb

Al Kareeb ক্রেতার নিকট সবচাইতে সাশ্রয়ী মূল্যে ?

ঢাকার বাহিরে যারা থাকেন তারা আমাদের পণ্য কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে নিতে পারবেন।
মূল্য পরিশোধের পরে পণ্য দেখে নেওয়ার সুযোগ আছে। আপনার শহরে অবস্থিত কুরিয়ার সার্ভিসের অফিস হতে এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হয়ে আসতে পারেন।

اُولٰۤٮِٕكَ لَهُمۡ جَنّٰتُ عَدۡنٍ تَجۡرِىۡ مِنۡ تَحۡتِهِمُ الۡاَنۡهٰرُ يُحَلَّوۡنَ فِيۡهَا مِنۡ اَسَاوِرَ مِنۡ ذَهَبٍ وّ...
10/09/2024

اُولٰۤٮِٕكَ لَهُمۡ جَنّٰتُ عَدۡنٍ تَجۡرِىۡ مِنۡ تَحۡتِهِمُ الۡاَنۡهٰرُ يُحَلَّوۡنَ فِيۡهَا مِنۡ اَسَاوِرَ مِنۡ ذَهَبٍ وَّ يَلۡبَسُوۡنَ ثِيَابًا خُضۡرًا مِّنۡ سُنۡدُسٍ وَّاِسۡتَبۡرَقٍ مُّتَّكِــِٕيۡنَ فِيۡهَا عَلَى الۡاَرَآٮِٕكِ​ؕ نِعۡمَ الثَّوَابُ ؕ وَحَسُنَتۡ مُرۡتَفَقًا‏ ٣١
তাদের জন্য আছে স্থায়ী জান্নাত যার নিম্নদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত। সেখানে তাদেরকে অলংকৃত করা হবে স্বর্ণ কংকণে। সূক্ষ্ম ও গাঢ় রেশমের সবুজ পোশাক তারা পরিধান করবে। তারা গদি লাগানো উচ্চাসনে হেলান দিয়ে বসবে। কতই না উত্তম পুরস্কার! কতই না উত্তম আশ্রয়স্থল!
[সূরা কাহ্‌ফ, আয়াত ৩১]

21/12/2023

নিশ্চয় যারা বলে, ‘আল্লাহই আমাদের রব’ অতঃপর অবিচল থাকে, ফেরেশতারা তাদের কাছে নাযিল হয় (এবং বলে,) ‘তোমরা ভয় পেয়ো না, দুশ্চিন্তা করো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর তোমাদেরকে যার ওয়াদা দেয়া হয়েছিল’।
[সূরা ফুস্সিলাত : আয়াত-৩০]

তীন ফলঃআশ্চর্জজনক ও বিস্ময়কর এক ফলের নাম ডুমুর বা ত্বীন ফল। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এই ফলের কথা উল্লেখ করেছেন । এর উপক...
05/09/2021

তীন ফলঃ
আশ্চর্জজনক ও বিস্ময়কর এক ফলের নাম ডুমুর বা ত্বীন ফল। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এই ফলের কথা উল্লেখ করেছেন । এর উপকারিতা সম্পর্কে মেডিক্যাল সাইন্সে প্রমানিত অনেক রিপোর্ট আছে। ত্বীন ফল দিয়ে জ্যাম, জ্যালি, চাটনি ইত্যাদি তৈরি করে খাওয়া যায়। এর মধ্যে আছে কার্বোহাইড্রেটেড, সুগার, ফ্যাট, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনসহ নানাবিধ পুষ্টিগুণ। পুষ্টি গুণের পাশাপাশি এটির বহুবিধ ওষুধি গুণও রয়েছে। ভোক্তা চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে খাস ফুড আপনাদের জন্য সরবরাহ করছে সিরিয়া থেকে আমদানিকৃত সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত এবং পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ত্বীন ফল। কুরআনে যে তীনের কথা উল্লেখ রয়েছে সেটির বৈজ্ঞানিক নাম ঋরপঁং পধৎরপধ। ফাইকাস দলভুক্ত ৮০০ প্রজাতির মধ্যে এই তীন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবার আগে স্থান। এটি দেশীয় কাকডুমুর থেকে বড়। স্বাদে সুমিষ্ট, অত্যধিক সুস্বাদু এবং রসালো। এককথায়, স্বাদে, ঘ্রাণে এবং পুষ্টিগুণে সেরা একটি ফলের নাম তীন। তীন গাছ তিন থেকে দশ মিটার পর্যন্ত বড় হয়। ঘন এবং খসখসে পাতায় ভরপুর থাকে। উর্দুতে এর ফলকে আঞ্জির বলা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশে এর চাষাবাদ হয়। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম এশিয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয় এবং এটি হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত এই ফলের বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় তুরস্কে। বৎসরে তিন লাখ টনের বেশি উৎপাদন হয় সেখানে। পরেই আছে মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, ইরান এবং সিরিয়া। তীনে আছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-বি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, কপার, আইরন ইত্যাদি। এতকিছু উপকারী উপাদান থাকলেও ক্যালরি এবং ফ্যাট নেই বললেই চলে। মোটা হয়ে যাওয়ার চিন্তা ঝেড়ে ফেলে পেটভর্তি খাওয়ার মতো একটি ফল তীন। বড় সাইজের একটি তীনে মাত্র ২ গ্রাম ফ্যাট থাকার কথা খাদ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন। ডায়েটেড এবং ফিট থাকতে চাইলে তীন সবচেয়ে কার্যকর ফল। আর এন্টিঅক্সিডেন্ট-এর তীনের চেয়ে ভালো ফল আর নেই বললেই চলে। প্রোস্টেট এবং জরায়ু ক্যান্সারের প্রতিষেধক হচ্ছে তীন। ব্লাড প্রেসার এবং স্নায়ুরোগ কমাতে দারুণ কার্যকর। মায়ের বুকে দুধ উৎপাদনে তীনের জুড়ি মেলা ভার। পাইলসে ভোগা ব্যক্তিরা অসাধারণ ঔষধ হিসাবে তীন খেতে পারেন। গরুর দুধে এলার্জি থাকলে তীন খান। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণ, হাঁপানি রোগ, শ্বাসকষ্ট, ত্বক সমস্যা, চুলের রোগে তীন সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে। গর্ভবতী মহিলাদের এসিডিটি নির্মূল করে তীন। কিডনি, লিভার, ইউরিনারি ব্লাডারের কার্যকারিতা বহুগুণে বৃদ্ধি করে। শরীরের দুর্বলতা দূর করে আনে সজীবতা আর অদম্য শক্তি। তীন ফলের উপকারিতা লেখতে চাইলে শেষ করা কষ্টকর হয়ে যাবে। আল্লাহর রাসুল (সা.) তীন ফল অনুসারীদের মধ্যে বণ্টন করে দেয়ার সময় বলতেন, ‘এটি খাও, কারণ এতে অনেক রোগের ঔষধ রয়েছে।’ সুতরাং তীনের তরজমা শুধুমাত্র ডুমুর দিয়ে যারা করেন তারা একটা ভুল অর্থ দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন। এ দেশীয় মানুষদের মগজে এমন একটি ফলের চিত্র এঁকে দেয়া হচ্ছে যা মানুষের খাওয়ার একদম অনুপযোগী। পাখপাখালির খাবার শুধু। এমনকি ডুমুরের নাম শুনলে অনেকে বিরক্তিভাব প্রকাশ করেন। তীনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে ঋরম। আর এই তীন এদেশের মানুষের কাছে একদমই অপরিচিত এক ফল।

সূত্রঃ
দিনাজপুর প্রতিদিন

03/09/2021

‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’
(বুখারি : ২৩০৫)

11/08/2021

সমসাময়িক বিয়য়ের উপর গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্ট।

03/08/2021

وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ سَنُدْخِلُهُمْ جَنَّـٰتٍ تَجْرِى مِن تَحْتِهَا ٱلْأَنْهَـٰرُ خَـٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدًا ۖ لَّهُمْ فِيهَآ أَزْوَٰجٌ مُّطَهَّرَةٌ ۖ وَنُدْخِلُهُمْ ظِلًّا ظَلِيلًا
যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করব যার নিম্নে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরবাসী হবে, তাতে তাদের জন্য থাকবে পবিত্র স্ত্রী এবং আমি তাদেরকে চির স্নিগ্ধ ঘন ছায়ায় দাখিল করব।

25/05/2021

যেকোন কাজে সফলতা পেতে হলে থাকা চাই ৫টি গুণ

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সবাই সাফল্যের দেখা পেতে চায়; কিন্তু, কজনাই বা সেই সাফল্যের স্বর্ণতোরণে পৌঁছাতে পারে? খুব সামন্য কজন, তা নায় কি? কিন্তু কেনো? সবাই তো মানুষ, যে সাফল্যের স্বর্ণতোরণে পৌঁছায় সে তো আর ভিন গ্রহের কেউ নয়! বা নয় ঐশ্বরিক শক্তি প্রাপ্ত কেউ। তাহলে সফলতা পেতে হলে কি কিছু গুণাবলি অর্জন করতে হয়? হ্যাঁ, সফলতা পেতে হলে কিছু গুণাবলি অবশ্যই অর্জন করতে হয়। আজকের লেখাটি যেকোন কাজে সফলতা পেতে এমন ৫টি গুণাবলি নিয়েই।

১.আমিই পারবো, এই কথাটি বিশ্বাস করা:

যদি মনের মাঝে বিশ্বাসই না থাকে যে আমি পারবো, তাহলে কিন্তু বিপদ। দেখা যাবে, সঠিক আত্মবিশ্বাসের অভাবে নিজের সবটুকু সামর্থ্য দিয়েও কাজে ব্যর্থ হতে হবে। তাই, সবসময় ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে। দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে যে, ‘আমি যেভাবে চিন্তা করি, সেভাবেই সবকিছু পরিবর্তন করতে পারবো। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, যারা এই ধরনের ইতিবাচক মনোভাব ধারণ করে, তারা সহজেই সফলতার দেখা পেয়ে থাকে।

২.নিজের সামর্থ্যের উপর ভরসা রাখা:

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, যখন কেউ কোন একটি কাজের ব্যাপারে নিজের সামর্থ্যের উপর পূর্ণ ভরসা এবং আস্থা রাখে তখন সে ব্যক্তি তার সত্যিকারের সামর্থ্যের চাইতেও আরো ভালোভাবে সেই কাজটি সম্পন্ন করতে পারে। হ্যাঁ সত্যিই, যেকোন কাজে সফলতা পেতে হলে নিজের সামর্থ্যের উপর ভরসা রাখা খুব জরুরী।

৩.শঙ্কা-আশঙ্কা দূর করা:

এই লেখাটি পড়ার পর থেকেই প্রতিজ্ঞা করো যে তুমি আর কোন ব্যাপার নিয়ে মিছে শঙ্কা বা অতিরিক্ত নেতিবাচক ভাবনা চিন্তা করবে না। জীবনের বিভিন্ন সময়ে আমাদের সাথে নানাধরণের খারাপ কিছু হতেই পারে। কিন্তু, সেসব নিয়ে অযথা ভেবে কোন কাজে পিছিয়ে আসার মানে কি! কোন সাধারণ ঘটনা থেকেই উপসংহার টেনে আনা ঠিক না। যেমনঃ ধরো, তুমি একদিন বিকেলবেলা বাইসাইকেল চালাতে গিয়ে বাইসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছিলে। কিন্তু, তার জন্যে তুমি কি আঘাত পাবার ভয়ে বিকেলবেলা আর সাইকেল চালাবে না? জানি মোটেও তুমি তা করবে না! তাই, সফলতা পেতে শঙ্কা-আশঙ্কা আজ থেকে আর নয়।

৪. সবকিছুর জন্যে নিজেকে দায়ী ভাবা বন্ধ করা:

সফলতার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সবকিছুর জন্য নিজেকে দায়ী না ভাবা। ব্যাপারটি একটু বুঝিয়ে বলছি, এটি আসলে একধরণের মনের ফাঁদ। যেমন: মনে করো খেলার মাঠে তোমরা ফুটবল খেলছো। খেলার এক পর্যায়ে তোমার পাশেই অবস্থান করা একজন বন্ধু ব্যাথা পেলো। আপাতদৃষ্টিতে সেখানে তোমার কোন দোষই নেই। এমন পরিস্থিতিতে যদি তুমি নিজেকে দায়ী ভেবে থাকো তাহলে কিন্তু মুশকিল।

অনেক সময় আমাদের মন বিভিন্ন কাজে নিজের কাছে নিজেকেই দায়ী/দোষী সাব্যাস্ত করে যার জন্যে আসলে আমরা দায়ী নই। সুতরাং, এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে -

সবকিছু যুক্তি দিয়ে চিন্তা করবেন।
কোন ঘটনা নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায়, সবদিক বিবেচনা করে কাজ করবেন।

৫. হুট করে কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়া:

কোন ব্যাপারে হুট করে কিছু সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তীতে আমাদের ধারণা ভুল প্রমাণিত হলেও সেই ঘটনাটি সম্পর্কে আমাদের আগের মনোভাবে কোন পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়ে উঠে না। তাই, কোন কিছু নিয়ে উপসংহারে পৌঁছাতে চাইলে আগে প্রমাণ দেখতে হবে, যুক্তি দিয়ে মিলিয়ে সবকিছু বাছবিচার করে তবেই নিজের মতামতকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যেমন: কোন প্রমাণ ছাড়াই বেশভুষা দেখেই কোন একজনকে যদি মনে হয় সেই ব্যক্তি ভালো নয় এবং এই মনোভাব নিয়েই যদি সে ব্যক্তির সাথে তুমি খারাপ আচরণ করো তাহলে সেটি অন্যায় হবে। আগে জানতে হবে সে ব্যক্তি সত্যিই ভালো নাকি মন্দ।

এই অভ্যাসটি গড়ে তুলবার জন্য –

সরাসরি কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবার আগে বিরতি দিন। ভাবুন, চিন্তা করুন, তারপর সিদ্ধান্তে আসুন। নিজের মনের সাথে নিজে কথা বলুন, কিছু প্রশ্ন তৈরি করে প্রশ্নগুলোর উত্তর নিজের কাছ থেকে নিজেই জেনে নিন। নিজেকে আগে বুঝার চেষ্টা করুন।

যে কারণে আজওয়া খেজুর বরকতময়..পবিত্র নগরী মদিনায় উৎপন্ন হওয়া বিশেষ প্রজাতির খেজুর 'আজওয়া'। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহ...
25/03/2021

যে কারণে আজওয়া খেজুর বরকতময়..

পবিত্র নগরী মদিনায় উৎপন্ন হওয়া বিশেষ প্রজাতির খেজুর 'আজওয়া'। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম নিজ হাতে এ খেজুর গাছ রোপন করেছিলেন। এ খেজুর গাছ রোপন ও জন্মের পেছনে রয়েছে বিশেষ কারণ। যার ফলে এ খেজুরের রয়েছে বিশেষ বরকত ও ফজিলত। যা তুলে ধরা হলো-

>> চিকিৎসা বিজ্ঞানের তথ্য মতে আজওয়ায় খেজুরে আছে-
'আমিষ, শর্করা, প্রয়োজনীয় খাদ্য আঁশ ও স্বাস্থ্যসম্মত ফ্যাট। এছাড়া ভিটামিন এ, বি সিক্স, সি এবং কে দ্বারা ভরপুর। ভিটামিন 'এ'-এর গুরুত্বপূর্ণ উপাদান 'ক্যারোটিন'ও রয়েছে এতে। ক্যারোটিন চোখের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। আরও রয়েছে স্বাস্থ্যকর উপাদান ফলেট, নিয়াসিন, থিয়ামিন ও রিবোফ্লেভিন।

>> বরকতময় খেজুর আজওয়া
এ খেজুরটি সারা দুনিয়ার মানুষের বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাতে এ খেজুর রোপন করেছিলেন। আর তা রোপনের পেছনে ছিল আশ্চর্যজনক ও বিস্ময়কর ঘটনা। আর তাহলো-

ইসলাম গ্রহণের আগে হজরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন একজন ইয়াহুদির অধীনে ক্রীতদাস। তিনি যখন তার কাছ থেকে মুক্তি চাইলেন, তখন ইয়াহুতি তাকে মুক্তি দিতে আপত্তি জানায়। বারবার বলার পর ওই ইয়াহুদি বাস্তবে অসম্ভব একটি শর্তসহ দুইটি শর্ত জুড়ে দেয়। যা স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল হজরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে মুক্তি দেবে না।

>> ইয়াহুদির শর্ত
- অল্প দিনের মধ্যে ৬০০ দিরহাম দেয়া।
- ৩০টি খেজুর গাছ রোপন করে তা পরিচর্যা করে অল্প দিনে খেজুর উৎপন্ন করে পাকিয়ে দেয়া। এ শর্তটি ছিল স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় একেবারেই অসম্ভব।

>> কঠিন শর্ত দেয়ার কারণ
ইয়াহুদি জানতো যে, সালমান ফারসি কোনোভাবে ৬০০ দিরহাম সংগ্রহ করতে পারলেও অল্প সময়ে খেজুর গাছ রোপন এবং তা থেকে অল্প সময়ে খেজুর ফলানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আর তার মুক্তি পাওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। কেননা খেজুর রোপন থেকে ফল উৎপন্ন হওয়া অনেক সময়ের ব্যাপার।

>> বিশ্বনবির দরবারে সালমান ফারসি
কোনো উপায় না দেখে হজরত সালমান ফারসি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে এসে ইয়াহুদির দেয়া শর্ত বর্ণনা করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৬০০ দিনারের ব্যবস্থা করলেন।

তারপর ইয়াহুদির দেয়া এক কাঁদি খেজুর চারা রোপন করতে হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে সাথে নিয়ে গেলেন বিশ্বনবি। তিনি দেখলেন খেজুরের বীজগুলো কলো, আগুনে পেড়ানো। ইয়াহুদি এগুলো আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে যাতে তা থেকে চারা না গজায়।

>> বিশ্বনবির নিজ হাত বীজ রোপন
বিশ্বনবি এ বীজগুলো রোপনের উদ্দেশ্যে হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন গর্ত করার জন্য। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে গর্তে বীজ রোপন করলেন। আর সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন বীজ রোপন করা গর্তে পানি দেয়ার জন্য।

>> সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বিশ্বনবির নির্দেশ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে এ দির্দেশ দিলেন যে, বাগানের শেষ প্রান্তে না যাওয়া পর্যন্ত পেছনে ফিরে তাকানো যাবে না। সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু পেছনে না তাকিয়ে পানি দিতে লাগলেন।

>> বিশ্বনবির অন্যতম মুজিজা
সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু বাগানের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পর তিনি পেছনে তাকিয়ে দেখলেন যে প্রতিটি গাছ চারা গাছে খেজুরে পরিপূর্ণ। পোড়া খেজুর থেকে গজানো চারা ও খেজুরগুলো পেকে কালো বর্ণ হয়ে গেলো। কারণ এই খেজুরের বীজগুলো ছিলো আগুনে পোড়া কয়লার মতো কালো। তাই এর স্বাদও অনেকটা পোড়া পোড়া গন্ধ। যার নাম আজওয়া।

>> দুনিয়ার সেরা খেজুর
বিশ্বনবিরে নিজ হাতে পোড়া বীজ লাগানো খেজুরই আজওয়া। যা দুনিয়ার সবচেয়ে দামি ও উন্নতমানের সুস্বাদু খেজুর। এ খেজুরের গুণ, বরকত ও ফজিলত বর্ণনা করেছেন স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেই দিন ও রাত পর্যন্ত কোনো বিষ ও যাদু তার কোনো ক্ষতি করবে না। অন্য বর্ণনায়, সাতটি খেজুর খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। (বুখারি)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ফজিলত ও বরকতময় আজওয়া খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে সুস্বাস্থ্যসহ যাবতীয় ক্ষতিকর বিষক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা আজকে আমরা জানব ইংশা-আল্লাহ্ ......।আমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার ...
24/03/2021

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা আজকে আমরা জানব ইংশা-আল্লাহ্ ......।

আমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার এই একটি সুন্নতের পেছনেও আছে অনেক উপকারিতা আর এই সম্পর্কে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না।

রোজা শেষে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনেরও জোগান দেওয়া ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খেজুরের গুরুত্ব অপরিসীম। সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে যে উপকারগুলো হয় তা জেনে নিন......

খেজুরে আছে প্রচুর শক্তি, এমিনো এসিড, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। প্রতিদিন রোজায় আমাদেরকে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকতে হয় যার কারণে আমাদের দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন এই খেজুর আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি যোগান দিতে সাহায্য করে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা-

কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট - খেজুরে কোন কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। যার ফলে আপনি যখন সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করবেন তখন অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

প্রোটিন - আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। খেজুর হল প্রোটিন সমৃদ্ধ। ফলে আমাদের পেশী গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।

ভিটামিন - খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, বি১, বি২, বি৩ এবং বি৫। এছাড়াও ভিটামিন এ১ এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। সেই সাথে খেজুরে দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

আয়রন - আয়রন মানব দেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে এটা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিণ্ড, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ ওষধ।

ক্যালসিয়াম - ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ - খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। এক গবেষণায় দেখা যায়, খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুঁকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেক সময় ওষুধের চেয়েও ভাল কাজ করে।

ওজন হ্রাস - মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনও কখনও ডায়রিয়ার জন্যেও এটা অনেক উপকারী।

সংক্রমণ - যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠাণ্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।

রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ - প্রচুর মিনারেল সঙ্গে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।

কর্মশক্তি বাড়ায় - খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদাররা যদি মাত্র ২টি খেজুর খান তবে খুব দ্রুত কেটে যাবে তাদের ক্লান্তি।

স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় - খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্র-ছাত্রী যারা নিয়মিত খেজুর খায় তাদের দক্ষতা অন্যদের তুলনায় ভাল থাকে।

হৃদরোগ প্রতিরোধ - খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভাল কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।। খেজুরের উপকারিতাগুলো তো জানলেনই, তাই শুধু রমজান মাসেই নয়, আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত সারাবছর, প্রতিদিন।

লেখক: ইশরাত জাহান, প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটাল।

23/03/2021

শুন্যে লাফাচ্ছে হরিণ,
এক লাফে তেইশ হাত।
আর বাঘ, যায় এক লাফে বাাইশ হাত।
তাহলে অঙ্কের হিসেবে বাঘ কখনও
হরিণকে ধরার কথা নয়।

কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টোটা।
বাঘের হাতে হরিণকে কাবু হতে হয়।
কারণটা কি?
কারণ হল হরিণ লাফাতে লাফাতে
কখনও কখনও পেছন ফিরে তাঁকায়।
বাঘের চাইতে সে
কতোটা এগিয়ে আছে বুঝার জন্য।

আর এটাই হয় সর্বনাশের কারণ।
পেছন ফিরতে গিয়ে এক লাফ কমলেই
তেইশ হাত পিছনে চলে আসে।
তাই চলার পথে কখনও পেছনে তাঁকাতে নেই।
দৃঢ় প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার
নামই হচ্ছে স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছা।

21/03/2021

আল্লাহ্ তায়ালা বলেন বলেন,
فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوْا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوْا مِنْ فَضْلِ اللهِ
‘যখন ছালাত শেষ হয়ে যাবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহ্’র অনুগ্রহ (জীবিকা) তালাশ কর’ (জুম‘আ ১০)

Address

75 Green Road, Hossen Tower, Farmgate
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Kareeb posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share