Sarobritto Prokashon

Sarobritto Prokashon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sarobritto Prokashon, Book shop, Dhaka.

পদ্মার পড়ে।...😍
08/11/2025

পদ্মার পড়ে।...😍

বইমেলার স্মৃতি।...😍
03/10/2025

বইমেলার স্মৃতি।...😍

28/05/2025
অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান।স্বরবৃত্ত প্রকাশন দু'বার লন্ডন বাংলা বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছে। এবার নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইম...
10/01/2025

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান।

স্বরবৃত্ত প্রকাশন দু'বার লন্ডন বাংলা বইমেলায় অংশগ্রহণ করেছে। এবার নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলায় অংশগ্রহণের ইচ্ছে।

প্রকাশনা শিল্পের অন্যতম নক্ষত্র 'অনন্যা প্রকাশনী'র প্রকাশক শ্রদ্ধেয় মনিরুল হক ভাইয়ের কাছে ইনভাইটেশন চাইলাম। অতঃপর তাঁর সহযোগিতায় মুক্তধারা ফাউন্ডেশন 'নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা' ২০২৪-এ 'স্বরবৃত্ত প্রকাশন'-এর অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র পাঠালেন।

বইমেলা ২৪-২৭ মে, ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত হবে। ফেব্রুয়ারি মাসে ইনভাইটেশন লেটার হাতে পেলাম। বইমেলাটা শুরু হতে ৩ মাস বাকি আছে। তাই দেরি না করে মার্চেই ভিসার জন্য আবেদন সাবমিট করলাম।

তারপর ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা এমবাসিতে ভিসা কনস্যুলার মহোদয় সাক্ষাতের জন্য সময় দিয়েছেন।...

এরই মাঝে ২৪ সালের বইমেলা সম্পন্ন হয়ে গেল। এখন ২৫ সালের বইমেলায় যোগ দিতে ভিসা পাওয়ার প্রতীক্ষায়।...

(ধারাবাহিক চলবে)...

বিজ্ঞানীদের জীবন ও কর্ম বিষয়ক "প্রযুক্তির জনকেরা" বইটি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ক্রয় কার্যাদেশ দিয়েছে। বইটি সব বয়সী পাঠক পড়তে...
14/06/2024

বিজ্ঞানীদের জীবন ও কর্ম বিষয়ক "প্রযুক্তির জনকেরা" বইটি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ক্রয় কার্যাদেশ দিয়েছে। বইটি সব বয়সী পাঠক পড়তে পারেন। জানা হবে অনেক অজানাকে। জ্ঞান অর্জনে সৃজনশীল বইয়ের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।....

'প্রযুক্তির জনকেরা' বইয়ের লেখক নাসরীন মুস্তাফা সাদাসিধে নিরহংকার প্রচারবিমুখ একজন মানুষ। নীরবে আপনমনে কাজ করে যাচ্ছেন; মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গঠনের ব্রত নিয়ে।...

শিশুর মেধা-মনন বিকাশে সহযোগী ভূমিকা রাখে তাঁর লেখা প্রকাশিত অসংখ্য বই। শিশুর বয়স অনুযায়ী ছোটদের লেখা লেখেন; পাখির পালকের মতো নরম করে। তাই তো লেখা হয়ে ওঠে—রস, গন্ধে মজাদার ও রহস্যের চাদরে মোড়া। পাঠে টেনে নিয়ে যায় শেষের অপেক্ষায়। সব বয়সী পাঠকের জন্যই রয়েছে তাঁর কোনো না কোনো বই।...

বই কিনুন, বই পড়ুন।...
"পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই"।

বিদায় শ্রদ্ধেয় প্রিয় দাদা। প্রকাশক অশোক নন্দী রায়।আপনার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
04/05/2024

বিদায় শ্রদ্ধেয় প্রিয় দাদা। প্রকাশক অশোক নন্দী রায়।

আপনার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

বছর ঘুরে ফিরে এলো শুভ জন্মদিন।...🎂প্রিয় মনির ভাইয়ের শুভ জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।...❤️শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এব...
29/04/2024

বছর ঘুরে ফিরে এলো শুভ জন্মদিন।...🎂

প্রিয় মনির ভাইয়ের শুভ জন্মদিনে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।...❤️

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।...

সময় পেলেই বেড়িয়ে পড়ি সবুজের টানে।...😍
31/03/2024

সময় পেলেই বেড়িয়ে পড়ি সবুজের টানে।...😍

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব (চার) ট্রেন যখন খুলনা স্টেশনে পৌঁছালো তখন রাত প্রায় ১০টা। খুলনা থেকে এত রাতে মোংলা যাওয়ার কোনো ব...
31/03/2024

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব (চার)
ট্রেন যখন খুলনা স্টেশনে পৌঁছালো তখন রাত প্রায় ১০টা। খুলনা থেকে এত রাতে মোংলা যাওয়ার কোনো বাস পাওয়া যাবে কি না তাও জানে না আনোয়ার। একজনকে জিজ্ঞাসা করে উত্তর পেল না। ট্রেন থেকে নেমে সোজা পথে প্লাটফরম থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণ এদিক-ওদিক তাকালো। ধীরে ধীরে এক দোকানের কাছে গিয়ে দোকানদারের কাছে জানতে চাইলো মোংলা যাওয়ার উপায় কী? দোকানদার সাফ জানিয়ে দিলেন এত রাতে বাস মিলবে না। শেষ বাস ছেড়ে গেছে রাত ৯টায়। তবুও বাস টার্মিনালে গিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

আনোয়ার বুঝলো, রাতে হোটেলে থাকতে হবে। এজন্য আবাসিক হোটেল কোথায় পাওয়া যাবে তা জানতে চাইলো।
-দোকানদার বললো, হোটেল তো কতই আছে। কত টাকার হোটেলে থাকতে চান সেটা আগে ঠিক করেন। খুলনা শহরে এক রাতে ৫ হাজার টাকার হোটেলও আছে। আবার তিনশ’ টাকার হোটেলও আছে।
-আনোয়ার অনেকটা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেল। আবাসিক হোটেলে রাত্রী যাপনের কোনো অভিজ্ঞতা তার নেই। থাকার ইচ্ছাও নেই। কিন্তু এখন তো আর উপায় নেই! সারারাত তো আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না।

দোকানদারের দেখানো একটা মিডিল ক্লাস হোটেলের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটেই রওনা দিল আনোয়ার। হাঁটতে হাঁটতে আবাসিক হোটেল নিয়ে নানা আতঙ্ক তার মনে ভর করতে লাগলো। একবার কার কাছে যেন শুনেছিল আবাসিক হোটেলগুলোতে খারাপ মেয়েরা থাকে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ওই সব খারাপ মেয়েকে হোটেলের কাস্টমারদের রুমে পাঠিয়ে ব্লাকমেইল করা হয়। আবার এমন হোটেলও আছে যেখানে কাস্টমারের হাত-পা বেঁধে টাকা পয়সা কেড়ে নেয়া হয়।

হাঁটতে হাঁটতে কখন যেন একটা হোটেলের সামনেই এসে পড়েছে আনোয়ার। চার তলা ভবনের সামনে একটু খালি জায়গা। দোতালায় বড় একটা সাইনবোর্ডে লেখা ‘ হাটেল আনন্দ’। সাইনবোর্ডের দিকে তাকাতেই দুজন মাঝবয়সি লোক আনোয়ারের সামনে এসে দাঁড়ালো।
-একজন বললো, একেবারে মনের মতো জিনিস আছে। রুপে-গুণে অনন্যা। ব্যবহার একদম ঘরের মানুষের মতো। আপনার গায়ে একটা টোকাও দিবে না। যেমনে বলবেন, তেমনই পাবেন।
-অন্যজন বললো, ভাই আজ কাস্টমার কম। সন্ধ্যার ট্রেন এসেছে রাত ১০টায়। রাত ৯টা, ১০টার ট্রেন আসতে আসতে ভোর হয়ে যাবে। এজন্য সস্তায় পাবেন। রাত তো আর মিস দেয়া যায় না। মেকআপ ছাড়াই ৫/৬জন দেখাবো। যেটা পছন্দ হয় সেটা নিবেন। সকালে আবার গা-গোসল দিয়ে চলে যাবেন।
-অন্যজন বললো, মিডনাইট ডিনারের ব্যবস্থাও আছে।
এবার একজন আনোয়ারের হাত ধরে টেনে কলাপসিবল গেটের মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলো।
আনোয়ার ভয় পেল। তা শরীর ঠান্ডা হতে লাগলো! গলায় জোর না পাওয়া সত্ত্বেও চিৎকার করে বললো,
-আমি কি হোটেলে থাকবো একথা বলেছি? আপনারা আমার সাথে এরকম করছেন কেন? কেন আমাকে ভেতরে ঢুকানোর চেষ্টা করছেন। কেন জোর করছেন?
আনোয়ারের হাত ছেড়ে দিল একজন। বললো- আরে ভাই আপনাকে জোর করেছে কে? লাগলে ’হ্যাঁ’ বলবেন, না লাগলে ’না’ বলবেন। এখানে জোর-জবরদস্তির কী আছে? লাগে যেন তাবলীগ জামাতে এসেছে!

আনোয়ার দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়লো। কিছুদুর গিয়ে আবার একটা দোকান খোলা দেখে দাঁড়ালো। দোকানদারকে কিছু একটা বলতে গিয়েও বললো না।
দোকানদার আনোয়ারকে উদ্দেশ্য করে বললো, ভাইডি কিছু খুঁজতিছো। যাবা কনে? কিছু খাবা নাকি? চা কিন্তু বন্ধ করে দিয়েছি। চুলা বন্ধ। খালি পারে বিস্কুট বা পাউরুটি খাতি পারো।

(চলবে)
পুনশ্চ: বইটি বিক্রির স্বার্থে প্রকাশকের আপত্তির কারণে পরের পর্ব থেকে শুধু চুম্বক অংশ প্রকাশিত হবে। আশা করি বিষয়টি পাঠকরা ভিন্নভাবে নিবেন না।

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব (তিন)বগুড়া থেকে মোংলা যাওয়ার দুটো পথ আছে। বাস আর ট্রেন। সরাসরি কোনো বাস মোংলা যায় না। বগুড়া থেকে...
29/03/2024

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব (তিন)
বগুড়া থেকে মোংলা যাওয়ার দুটো পথ আছে। বাস আর ট্রেন। সরাসরি কোনো বাস মোংলা যায় না। বগুড়া থেকে যেতে হবে আরিচা ঘাটে। যমুনা নদী পার হয়ে ওপাড় থেকে আবার বাসে উঠতে হবে। আর ট্রেনে গেলে বাসে যেতে হবে সান্তাহার। সেখান থেকে ট্রেনে যেতে হবে খুলনা। খুলনা থেকে বাসে যেতে হবে মোংলা। আনোয়ার ট্রেনেই যাবে বলে ঠিক করে। সান্তাহারে রুপসা এক্সপ্রেস বেলা সাড়ে ১২টায়। আর বগুড়া থেকে সান্তাহারে বাস যেতে লাগবে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। সে হিসাবে ট্রেন ধরতে হলে আনোয়ারকে সকাল ১০টার মধ্যে বাসে উঠতে হবে। সে কারণে সাত সকালে রাজ্জাক সাহেবের সাথে দেখা করতে আসা। যত তাড়াতাড়ি দেখা হবে ততই সময় পাওয়া যাবে। আনোয়ার রাজ্জাক সাহেবের দোকানে এলো সকাল সোয়া ৯টার দিকে।
-রিকশা থেকে নেমেই তিনি আনোয়ারকে দেখে বললেন, কি মিয়া রওনা দিলা নাকি?
- আনোয়ার মুছকি হেসে বলে, হ্যাঁ। আপনার সাথে দেখা করতে এলাম।
- তো কিভাবে যাবা মোংলা? পথ তো কম নয়। তোমাকে আগে যেতে হবে খুলনা। এরপর সেখান থেকে বাসে মোংলা।
- জি¦ খুলনাতেই যাচ্ছি ট্রেনে।
- ট্রেনে মানে সান্তাহার হয়ে?
-জি¦
রাজ্জাক সাহেব বুঝলেন যুবক তাকে কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছে। কিছুটা বিব্রতও মনে হচ্ছে তাকে।
তিনি প্রসঙ্গ পাল্টে বললেন, সরকারি চাকরি পাইলা। তাও আবার কাস্টমসের চাকরি। কাঁচা পয়সার কারবার। পাত্রী দেখা শুরু করেছি। সবকিছু মিললে তোমাকে খবর দিবো। আর ভুলে যেওনা কিন্তু। চিঠি লিখো, উত্তর দেই বা না দেই।
আনোয়ার মাথা নেড়ে সম্মতি জানালো। সেই সম্মতি চিঠির নাকি পাত্রীর খোঁজা তা বোঝা গেল না। বিদায়ের সময় রাজ্জাক সাহেবের পায়ে সালাম করতে গেল। অমনি রাজ্জাক সাহেব আনোয়ারকে বুকে টেনে নিলেন।
-আরে সালাম করতে হবে না। আমি কি আর সালাম পাওয়ার মতো অত দামি মানুষ? তুমি নতুন চাকরিতে যোগদান করতে যাচ্ছ। এটাই আমার জন্য বড় আনন্দের!
রাজ্জাক সাহেবকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদতে লাগলো আনোয়ার। বললো, আপনার ঋণ আমি কোনদিন শোধ করতে পারবো না। আপনি সহযোগিতা না করলে আমি চাকরি তো দুরে থাক, বগুড়া শহরেই বাস করতে পারতাম না। আমি সারাজীবন আপনার কথা মনে রাখবো।
আনোয়ারের কান্নায় রাজ্জাক সাহেবের চোখও ভিজে আসলো। কিছুক্ষণ কিছুই বলতে পারলেন না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য প্রসঙ্গ পাল্টে বললেন, কাপড়চোপড় ঠিকমতো নিয়েছো তো? কাঁথা-বালিস?
-আনোয়ার ভাঙ্গা ভাঙ্গা গলায় বললো, কাপড়চোপড় নিয়েছি। কাঁথা বালিস লাগবে না। আমার বসের সাথে কথা হয়েছে। উনি বলেছেন, কাঁথা বালিশ, মশারি-এগুলো সবই আছে পোর্টের কাস্টমস রেস্ট হাউজে। ওখানেই থাকবো আমি।
ছুটে চলেছে খুলনাগামী রকেট এক্সপ্রেস। দেশের উত্তর থেকে সোজা দক্ষিণে। বৃটিশরা বাংলাদেশের সর্বপ্রথম রেললাইন করেছিল উত্তর থেকে দক্ষিণে। সম্ভবত এই অঞ্চলে তাদের ব্যবসা বাণিজ্য ভালো ছিল। সেটাকে আরও উন্নত করার জন্যই এই প্রয়াস। আনোয়ার বসেছেন জানালার পাশে। ট্রেনের জানালা দিয়ে অনেক দুরের গ্রাম দেখা যায়। গ্রামগুলো কেমন যেন ঘুরছে। মনে পড়লো ছোটবেলায় বাড়িতে যাওয়ার সময় রেললাইনের সমান্তরাল বিদ্যুতের খুঁটির সংখ্যা নিরুপণের খেলা খেলতেন ভাইবোনদের সাথে। সেই ভাইবোনরা আজ সাথে নেই। থাকলে আবার সেই ছোট বেলায় ফিরে যাওয়া যেতো। মাঝে মাঝে ট্রেন স্টেশনে প্রবেশের আগেই আউটার সিগন্যালে থামছে। তাতে যাত্রীরা বিরক্ত হয়ে নানা রকম মন্তব্য করছে। ট্রেন চলন্ত অবস্থায়ও কেউ কেউ মন্তব্য করছেন কিন্তু বাতাসের শো শো শব্দে সেগুলো আনোয়ারের কানে আসছে না। তবে চলন্ত ট্রেনে হকারদের গলার তীব্র আওয়াজ কানে না এসে উপায় নেই। কেউ বিক্রি করছে বাদাম, চিপস, চানাচুর, সিগারেট, মোয়া, চকলেট আরও কতো কি! পুরো ট্রেন হিসাব করলে হকারের সংখ্যা অর্ধশতাধিক ছাড়িয়ে যাবে। আনোয়ার মনে মনে ভাবে, এসব হকাররা ট্রেনের উপর ব্যবসা করে টাকা আয় করছে, অথচ রেল কর্র্তৃপক্ষ এদের কাছে থেকে একটি টাকাও পাচ্ছে না। বরং এরা সবাই ট্রেনে যাতায়াত করছে বিনা টিকিটে। একদিকে এরা যাত্রীদের বিরক্ত করছে, অন্যদিকে ট্রেনে বিনা পয়সায় ভ্রমণ ও ব্যবসা করছে। রেল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলেই এদের বিনা পয়সায় ভ্রমণ বন্ধ করে যাত্রীদের একটু স্বস্তি দিতে পারে। অথবা এদের টিকিট বাধ্যতামূলক করে লোকসানের অঙ্ক কমাতে পারে।

(চলবে)

ধারাবাহিক উপন্যাসপর্ব: দুইএকদিন সত্যি সত্যি কাস্টমসে চাকরি হয়ে গেল আনোয়ারের। পোস্টিং হলো মোংলা পোর্টে। বগুড়া থেকে যেদিন ...
27/03/2024

ধারাবাহিক উপন্যাস
পর্ব: দুই
একদিন সত্যি সত্যি কাস্টমসে চাকরি হয়ে গেল আনোয়ারের। পোস্টিং হলো মোংলা পোর্টে। বগুড়া থেকে যেদিন মোংলা যাবে সেদিন সাত সকালে আনোয়ার এলো রাজ্জাক সাহেবের দোকানে। আগের দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে করতে রাত হয়ে গেছে। সে কারণে রাজ্জাক সাহেবের দোকানে গিয়ে আর দেখা পায়নি। ততক্ষণে রাজ্জাক সাহেব দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে গেছেন। একবার ভেবেছিল, তার বাড়িতে গিয়ে দেখা করে আসবে। কিন্তু রাজ্জাক সাহেবের বাড়ি চ্যালোপাড়া থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে। গ্রামের নাম বুজরুকবাড়িয়া। সংক্ষেপে মানুষ বলে বইরা। রিকশায় বইরা যেতে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় লাগে। সমস্যা হলো রাস্তা ভাঙা। অন্ধকারাচ্ছন্ন পথে মাঝে মধ্যে ছিনতাইকারীরা ওঁত পেতে থাকে। চকচকে ছুরি দেখিয়ে সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়। বইরায় রাজ্জাকের বাড়ির কাছেই হাড়ভাঙ্গা কবিরাজের বাড়ি। হাত-পা ভাঙ্গা রোগীরা লাইন ধরে চিকিৎসা করেন ওই কবিরাজের কাছে। চিকিৎসা বলতে কবিরাজ সাহেব প্রথমে ভাঙ্গা হাত-পা ধরে জোরছে টান দেন। আর তাতে রোগীর জান যায় যায় অবস্থা। তখন রোগীরা ভীষণ জোরে চিৎকার দিয়ে ওঠে। আশপাশে অপরিচিত কেউ থাকলে ভয় পেয়ে যায়। এলাকার মানুষের কাছে মরণসম সেই চিৎকার অনেকটা মামুলি ব্যাপার। আনোয়ার একদিন কবিরাজের চেম্বারের পাশে এক দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে চা পান করার সময় হঠাৎ চিৎকার শুনে ভয়ে চমকে ওঠে। তার হাত থেকে চায়ের কাপ পড়ে যায়। তখনও চিৎকার থামেনি। আনোয়ার ভয়ে চা দোকানিকে চায়ের কাপের দামসহ পরিশোধ করে ওই স্থান থেকে দৌড় দেয়। অনেকদূর যাওয়ার পরও কবিরাজের চেম্বার থেকে মানুষের গগণবিদারি চিৎকার তার কানে আসে। অনেকদুর যাওয়ার পর সে হাঁপাতে থাকে। একজন আনোয়ারের কাছে জানতে চায়:

-কি হয়েছে ভাই
-ওই যে একজন মানুষ বিকট শব্দে চিৎকার করছে শুনছেন না?
-লোকটি বলে, আরে ওটা তো কবিরাজের ঘরের চিৎকার। কবিরাজ সাহেব ভাঙ্গা হাত-পা টেনে জোড়া লাগাচ্ছেন। তাতে একটু আধটু ব্যাথা তো লাগবেই। ওই চিৎকার শুনে ভয় পাইছেন? কয়েকদিন শুনলে আর ভয় পাবেন না। আমাদের শুনতে শুনতে অভ্যাস হয়ে গেছে।
আনোয়ার লোকটির কথা শোনে আর মনে মনে ভাবে, হায়রে মানুষ কতো নিষ্ঠুর! ভাঙ্গা হাত-পা টেনে জোড়া লাগায় কিভাবে? আর মানুষ যে এত ব্যাথা পেয়ে চিৎকার করে তাতে কবিরাজ সাহেবের একটুও দয়া-মায়া হয় না? আধুনিক যুগে চিকিৎসার নামে এই অপচিকিৎসা নিয়ে কেউ কেন প্রতিবাদ করে না? এসব ভাবতে ভাবতে আনোয়ার পায়ে হেঁটে অনেকটা পথ চলে আসে। সেই থেকে সে আর ওই গ্রামে যায় নি। একবার রাজ্জাক সাহেব আনোয়ারকে ওই একই গ্রামে একটা টিউশনি ঠিক করে দিয়েছিলেন। রাজ্জাক সাহেবের ভাতিজা ভাতিজিদেরকে পড়ানোর দায়িত্ব। টাকার অঙ্ক শুনে আনোয়ারের লোভ হলেও কবিরাজ বাড়ির চিৎকারের ভয়ে রাজি হয়নি। আনোয়ারের মেধা ও পড়ানোর সুনামের কথা শুনে রাজ্জাক সাহেবের ভাতিজা রাজুও আনোয়ারকে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু আনোয়ার প্রকৃত কারণ না বলে অন্য উসিলায় রাজু সাহেবের অনুরোধ রাখে নি।

চলবে

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sarobritto Prokashon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sarobritto Prokashon:

Share

Category