21/05/2022
To whom it may concern
Our price will be changing from Sunday May 22nd 2022.
ডলার এখন ১০২ টাকা! 🔥
সম্প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর টাকার মান অনেক কমে গিয়েছে।
খোলা বাজারে যারা অনলাইন শপিং, পড়াশোনা, ফ্রিল্যান্সিং ওয়ার্ক; সহ আরো বিভিন্ন কাজে নিয়মিত কিনতে তাদের এখন প্রতি ডলারে ১০২ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রতি ডলারের বিনিময়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা রেট নির্ধারন করে দিলেও—গুটিকয়েক ব্যাংক ছাড়া সবাই তাদের গ্রাহকদের প্রতি ডলারের বিনিময়ে ১০০ টাকার ওপরে চার্জ করছে।
যারা আমদানিকারক রযেছেন, তাদের বেশি দামে এলসি খুলতে হচ্ছে। আর বিদেশ ভ্রমণের জন্য সাধারণ জনগণকে এক ডলার কিনতে ১০০ টাকার ওপরে ব্যয় করতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ডলার আটকে রেখে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আমদানি কারকদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা ঠিক রাখতে সংকটের সময়ও ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হয়। আর ব্যবসায়ীরা সাধারণত ব্যাংক পরিবর্তন করেন না। আর এ সুযোগটি ব্যাংক নেওয়ার চেষ্টা করে।
এই ব্যাপারে ব্যাংকাররা বলছেন, ঈদের কারণে দেশে ভালো প্রবাসী আয় এসেছে। তবে আমদানি খরচ যে হারে বেড়েছে, প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় দিয়ে সেই খরচ মেটানো যাচ্ছে না। ফলে ডলার নিয়ে দেশের মুদ্রাবাজারে এখন অস্থিরতা বিরাজ করছে। আর এই সুযোগ নিয়ে অনেক ব্যাংক গ্রাহকদের কাছ থেকে বেশি দাম নিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত প্রতি ডলারের বিনিময়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা রেটের চেয়ে বেশি দাম নিচ্ছে ব্যাংকগুলো।
এ বিষয়ে বেসরকারি খাতের একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এলসির (ঋণপত্র) জন্য যে রেট দেয় সেটার চেয়ে বেশি ঘোষণার কোনো সুযোগ নেই। অবশ্য প্রকৃতপক্ষে ঘোষণার চেয়ে অনেক বেশি দামে এলসি খুলতে হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমানভাবে সব ব্যাংক ডলার পাচ্ছে না। ফলে বাজার থেকে বাড়তি দামে ডলার কিনে আমদানিকারকদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি জানান, গ্রাহক ধরে রাখতে এবং প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এটি করতে হচ্ছে।
কন্ট্রিবিউটর: Sheikh Al Zihad
Via Daily Star