Girls Attire

Girls Attire An Online Authentic Shop For Beautiful Ladies.

body- pure vip lilen with ambrodari work and dollar work and les workwith vip tersel workpant- pure vip lilen with les w...
27/08/2025

body- pure vip lilen with ambrodari work and dollar work and les work
with vip tersel work
pant- pure vip lilen with les work

Silk fabricBody free size Jama long 44100% color guarantee and quality full.Rough use  Price: 7**
27/08/2025

Silk fabric
Body free size
Jama long 44
100% color guarantee and quality full.
Rough use

Price: 7**

bombay karchupi work 2 p*s with print workbody - indian moslin with print work with karchupi workorna- indian reon with ...
26/08/2025

bombay karchupi work 2 p*s with print work
body - indian moslin with print work with karchupi work
orna- indian reon with jori work
offer price-7**

শুধু কি খাবারের ক্রেভিং হয়? আমার তো মানুষেরও ক্রেভিং হয়। কবরে থাকা কারো সাথে কোন এক ঝিম ধরা দুপুরে খুব কথা বলতে ইচ্ছা কর...
24/08/2025

শুধু কি খাবারের ক্রেভিং হয়? আমার তো মানুষেরও ক্রেভিং হয়। কবরে থাকা কারো সাথে কোন এক ঝিম ধরা দুপুরে খুব কথা বলতে ইচ্ছা করে। বাচ্চাকালের এক বান্ধবী, হরিণের মতো টানা টানা চোখ ছিল। স্কুল থেকে যাওয়ার আগে ওয়াদা করিয়ে নিয়েছিল যে সারাজীবনের মতন বন্ধুত্ব থাকবে। তাকে খুব খুঁজে বেড়াই। তার ছটফট করে কথা বলা দেখতে খুব সাধ হয়।হাজার মাইল দূরে অনেক প্রিয় মানুষ। প্রায়ই এটা সেটা করতে গিয়ে চোখ বন্ধ করে ভাবি এই মূহুর্তে তারা কি করছে। বহুদিন কারো গলা শোনা হয় না। সেই কন্ঠের খুব ক্রেভিং হয়। আমার মাথার ভেতর অনেক মানুষ বাস করে। কখনো এক এক করে তাদের বের করে আনি মধ্য রাতে। কারো কন্ঠ, কারো হাসি, কারো হাত ধরা দেখার, শোনার যখন ক্রেভিং হয়, আর্কাইভ থেকে বের করে খুব করে তাদের দেখি।

©️নাবিলা নওশিন সেঁজুতি

Big shout out to my new rising fans! Sumaiya Akhtar Dina
24/08/2025

Big shout out to my new rising fans! Sumaiya Akhtar Dina

21/08/2025

এতো দিন পর পুলিশ একটা ঠিক কাজ করছে 😂

আশা করি এর আগে আপনি এমন ভয়ংকর ও মর্মান্তিক কাহিনী হয়তো কখনো শোনেননি....“এমন এক আজব লোক” যিনি ৩ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে মোট ২...
20/08/2025

আশা করি এর আগে আপনি এমন ভয়ংকর ও মর্মান্তিক কাহিনী হয়তো কখনো শোনেননি....

“এমন এক আজব লোক” যিনি ৩ থেকে ২৯ বছরের মধ্যে মোট ২৬ জন মেয়ের মৃতদেহ কবরস্থান থেকে চু/রি করেছিলেন। সেই লাশগুলোর পেট কে*টে, নাড়িভুঁড়ি আর হৃদপিণ্ড বের করে ফেলতেন। তারপর সেই শূন্য দেহের ভেতর বসিয়ে দিতেন মিউজিক সাউন্ড বক্স, যেনো পুতুল বানাচ্ছেন। কিন্তু কেন?

সময়টা ১৯৬৬ সালের ১লা সেপ্টেম্বর। রাশিয়ার নিঝনি নভগোরোদ নামের জায়গায় জন্ম হয় এক শিশুর। পিতামাতা খুশি হয়ে নাম রাখলেন— 'আনাতোলি মস্কভিন'।

তবে কাহিনীর সুবিধার্থে আমরা তাকে 'লুইস' বলে সম্মোধন করবো।

লুইস ছোটবেলা থেকেই ভদ্র, শান্ত আর পড়াশোনায় ভালো ছিল। স্কুলে সে সবসময় প্রথম পাঁচজনের মধ্যে থাকত। কিন্তু তার জীবনে একদিন এমন কিছু ঘটল যা তাকে চিরদিনের মতো পাল্টে দিল।

সেদিন স্কুলে যাওয়ার পথে মাঝপথে পড়ল একটি কবরস্থান। সেখানে দু’জন লোক দাঁড়িয়ে ছিল। হঠাৎ তারা লুইসকে দেখে তার হাত ধরে জোর করে টেনে নিয়ে গেল ভেতরে। ভেতরে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিল আরও কয়েকজন। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই লুইসকে নামিয়ে দেওয়া হলো এক খোলা কবরের ভেতর। ভয় আর আতঙ্কে সে থরথর করে কাঁপছিল।

এরপর তাকে বলা হলো কফিনের ঢাকনা খুলতে। কাঁপা হাতে ঢাকনা তুলতেই সে দেখতে পেল— তারই সমবয়সী এক মেয়ের লাশ। মেয়েটির নাম 'নাতাশা'। ওরা লুইসকে বলল, নাতাশাকে কিস করতে হবে। প্রথমে আতঙ্কে সে কেঁদে ফেললেও, একবার…দু’বার… তারপর অদ্ভুতভাবে তার ভেতরে জন্ম নিল এক অচেনা অনুভূতি। যেনো কিস করতেই তার ভালো লাগছে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আসলে ওই দু’জন লোক ছিল নাতাশার ভাই, আর যারা পাশে দাঁড়ানো তারা ছিল নাতাশার পিতা-মাতা। নাতাশার মা এগিয়ে এসে লুইসকে দিলেন দু’টি আংটি। একটি আংটি নাতাশার হাতে পরিয়ে দিতে বললেন, আরেকটি নিজের কাছে রাখতে বললেন। তারপর তারা ঘোষণা করলেন— আজ থেকে নাতাশা তোমার স্ত্রী।

ছোট্ট ছেলেটির মাথায় কিছুই কাজ করছিল না। মৃতদেহের সাথে এই অদ্ভুত বিবাহ সম্পন্ন করে তারা চলে গেল।

বাসায় ফিরে লুইস সব খুলে বলল মাকে। আংটিও দেখাল। কিন্তু মা বিশ্বাস করলেন না। বরং ভেবেছিলেন ছেলে পাগলামি করছে। ডাক্তার দেখানো হলো, খাবার ওষুধও দেওয়া হলো, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হলো না।

দিন যেতে লাগল, লুইসের চোখে-মনে শুধু ভেসে বেড়াতে লাগল মৃ/ত নাতাশার মুখ। স্কুল ছুটির পর প্রায়ই সে গিয়ে বসত সেই কবরস্থানের পাশে। মনে হতো নাতাশা যেনো ওখানেই আছে, তাকে ডাকছে।

এক রাতে স্বপ্নে লুইস নাতাশাকে জিজ্ঞেস করল— কি করলে তুমি আর আমাকে স্বপ্নে আসবে না? নাতাশা উত্তর দিল— তোমার দু’টি দাঁত তুলে বন্ধুর খাটের নিচে রেখে দাও। [ কল্পিত মনোভাব ]

কথা মতো লুইস পাথর দিয়ে নিজের দু’টি কাঁচা দাঁত তুলে নিল। আশ্চর্যের সাহস! তারপর দাঁতগুলো বন্ধুর খাটের নিচে রেখে এল। অবাক করার বিষয়, সেদিন থেকে আর কোনোদিন নাতাশা তার স্বপ্নে আসেনি। কিন্তু ঠান্ডা ঠোঁটে কিস করার সেই অনুভূতিটা বারবার তাকে মনে করিয়ে দিত অতীতের ঘটনা।

এরপর থেকে কবরস্থান হয়ে উঠল তার কাছে এক অদ্ভুত নেশার জায়গা। সেখানে বসে থাকতে থাকতে তার ভেতরে জন্ম নিল এক অচেনা টান।

কিছুদিন পর হঠাৎ ১১ জন লোক তাকে ধরে নিয়ে গেল পাশের জঙ্গলে। সেখানে নির্মমভাবে তাকে ধ/র্ষণ করা হলো। হ্যাঁ, লুইস ছেলে হলেও তাদের বিকৃত কামনার শিকার হলো। এরপর ছেড়ে দেওয়া হলো। সেই ঘটনার পর তার মানসিকতা আরও ভয়ংকর দিকে মোড় নিল। জীবিত মানুষের চেয়ে মৃতদেহের প্রতি আকর্ষণ দিনে দিনে বেড়েই চলল।

কলেজে ভর্তি হওয়ার পর লুইসের মাথায় তখন একটাই চিন্তা, কবর আর মৃতদেহ। লাইব্রেরিতে গিয়ে খুঁজতে লাগল বই, পড়তে লাগল মৃত্যু আর কবরস্থান নিয়ে লেখা। একসময় ১৩টি ভাষা আয়ত্ত করল, লিখল ১৩টি ইতিহাস বই। মিউজিয়ামে বক্তৃতা দেওয়ার ডাকও পেল।

তার জীবনে একসময় এলো এক মেয়ে— 'ওলিয়া'। কিন্তু লুইস সরাসরি বলল— আমাদের সম্পর্ক থাকবে ঠিকই, কিন্তু কোনো বিশেষ কথা হবে না, কোনো বিয়ে নয়, কোথাও বেড়াতে যাওয়া নয়…সবকিছু থাকবে শুধুই বন্ধুত্বের মতো। ওলিয়া বিস্মিত হলো। শেষমেশ সম্পর্ক ভেঙে গেল।

এরপর সংবাদপত্রে ছাপা হলো এক খবর— একজন নামকরা লেখক, যিনি কবরস্থান নিয়ে বই লিখছেন, তার দরকার মৃতদেহ সম্পর্কিত তথ্য। খবরটা দেখে লুইস এগিয়ে গেল। প্রস্তাব দিল কাজটি করার।

সেই থেকে মাত্র দুই বছরে লুইস প্রায় ৭৫২টা কবরস্থান ঘুরল। প্রতিটি মৃতদেহের নাম, জন্ম, মৃত্যু, কারণ সব তথ্য সংগ্রহ করল। অনেক রাতে যখন আর ফেরার উপায় থাকত না, তখন কবরের পাশেই শুয়ে পড়ত।

এক রাতে, যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, হঠাৎ তার মনে এলো এক ভয়ংকর চিন্তা। কবর খুঁড়ে ভেতরে ঢুকতে হবে। দেখতে হবে, আসলে লাশের ভেতর কী আছে…!

চলবে...???

Story_By_Anatoly_Moskvin
Part_01

(আমি যদি ইন্ডিয়ান ড্রেস অর্ডার নেই, আপনারা কি কিনবেন?কমেন্টে জানান)

মনে আছে সেই দিনগুলো?১১ টাকার কার্ডে ১০০ টা sms। প্রতিটা অক্ষর লিখতে হতো যত্ন করে, কারণ জায়গা সীমিত ছিলো। একটা "s" লেখার ...
19/08/2025

মনে আছে সেই দিনগুলো?
১১ টাকার কার্ডে ১০০ টা sms। প্রতিটা অক্ষর লিখতে হতো যত্ন করে, কারণ জায়গা সীমিত ছিলো। একটা "s" লেখার জন্যও কী-প্যাড চারবার চাপতে হতো, তবুও বিরক্ত লাগতো না।

কোনো green tick ছিলো না, অনলাইন-অফলাইন দেখার সুযোগও ছিলো না। ছিলো শুধু অপেক্ষা—মেসেজ পাঠিয়ে বসে থাকা, কবে রিপ্লাই আসবে সেই আশায়।

রাতের "good night" বা সকালের "good morning" পাঠানোর জন্য sms জমিয়ে রাখা ছিলো একরকম অভ্যাস। তখন emoji ছিলো না, তবু অনুভূতি গুলো ঠিকই পৌঁছে যেতো অক্ষরের ভেতর দিয়ে।

সত্যিই, তখন শব্দের দাম ছিলো… আবেগের দাম ছিলো… অপেক্ষার দাম ছিলো।
©

আমি যদি ইন্ডিয়ান ড্রেস প্রি অর্ডার নেই, আপনারা কি নিবেন?
19/08/2025

আমি যদি ইন্ডিয়ান ড্রেস প্রি অর্ডার নেই, আপনারা কি নিবেন?

18/08/2025

আমি একজন স্বামী পেয়েছি, কিন্তু একজন জীবনসঙ্গী পাইনি। স্বামী হিসেবে সে তার সব দায়িত্ব পালন করে। আমার খাওয়া-পরা বা যা দরকার হয়, আলহামদুলিল্লাহ, সবই এনে দেয়। অনেক সময় কাজেও সাহায্য করে। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া বা ভালোবাসা নেই বললেই চলে। আমার সুখ-দুঃখ, ভালো লাগা, খারাপ লাগা, রাগ-অভিমান— কোনো কিছুরই তার কাছে কোনো দাম নেই। আমাদের মধ্যে কোনো আন্তরিকতা নেই। সে তার মতো থাকে, আর আমি আমার মতো। আমি তাকে বোঝাতে গেলে সে বলে, "আমি কি নয়-দশ বছরের বাচ্চা যে বউয়ের আঁচল ধরে বসে থাকব?" তাহলে কি স্ত্রীকে ভালোবাসা, স্ত্রীর সাথে গল্প করা, আন্তরিক হওয়া বা তাকে সময় দেওয়া— এসব শুধু ছোটদের কাজ? সে অফিস থেকে এসে তার মতো ফোন নিয়ে বসে থাকে। মন চাইলে বাচ্চাকে একটু সময় দেয়, তারপর আবার ফোনে ব্যস্ত হয়ে যায়। রাতে খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ে। আমি আমার সব কাজ শেষ করে তারপর শুতে যাই। এভাবেই আমাদের জীবন চলছে।

পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Girls Attire posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share