28/08/2025
✨🥗 অর্গানিক ফুড কি ও কেন🥗✨
👉জৈব খাদ্য বা অর্গানিক ফুড হল সেই সব খাবার যা উৎপাদনে কোনো ধরনের রাসায়নিক সার, এন্টিবায়োটিক, হরমোন বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। জৈব সার ব্যবহার করে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত খাদ্য হল জৈব খাদ্য।
👉আর যেসব পণ্য উৎপাদনে সহনীয় মাত্রায় নির্দিষ্ট সময়ে রাসায়নিক সার, কীটনাশক বা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়, সেসব পণ্যকে নিরাপদ খাদ্য বা সেইফ ফুড বলা হয়।
👉সবজি চাষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহৃত হয়। এছাড়া হাইব্রিড ও জিএমও জাত উৎপাদন করে জমি ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। কৃষিজমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক ও রাসায়নিক সার আমাদের খাবারের ভেতরে ঢুকে যায়।
👉গবাদি পশু-পাখির উৎপাদন বাড়াতে হরমোন ও এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়। শুধু সবজি নয়, ফল, ডিম, মাছ, মাংস—সবকিছুতেই এগুলোর জীবনকাল বাড়াবার জন্য ফরমালিন কিংবা কীটনাশক মেশানো হয় যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
👉এছাড়া ফলমূল পাকাতে বা পচে যাওয়া ঠেকাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে ওথেচ্ছভাবে। এই কৃত্রিম পদার্থগুলো খাবার ধোয়ার পর, এমনকি রান্না করার পরও সম্পূর্ণ দূর হয় না। যা আমাদের দেহের নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই রাসায়নিক জিনিসগুলো আমাদের শরীরে ধীরগতিতে বিষের মতো কাজ করে।
👉কৃত্রিম সার, রাসায়নিক দ্রব্য, হরমোন, এন্টিবায়োটিক, ফরমালিন ইত্যাদির যথেচ্ছ ব্যবহারে ক্যানসার, ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা ইত্যাদির প্রকোপ মারাত্মক হারে বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের ওপর এর প্রভাব আরও মারাত্মক। এই ক্ষতিকর দিক থেকে থেকে মুক্ত থাকার অন্যতম সমাধান হতে পারে অর্গানিক বা নিরাপদ খাবার।
👉অর্গানিক খাবার বলাটা সহজ হলেও বাস্তবতা অনেক কঠিন। কৃত্তিম স্যার ও রাসায়নিক ব্যবহার করা জমিতে অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে হলে বীজ বপনের আগে কয়েক বছর জমি ফেলে রেখে মাটি পরিশুদ্ধ করে নিতে হয়। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অর্গানিক খাবার উৎপাদন করা খুবই কঠিন।
👉তাই Safe Bazar এর পণ্যসমূহ আমরা অর্গানিক বলি না, নিরাপদ খাবার বলে থাকি। আর যে সকল খাবার আমরা নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে নিরাপদ হিসেবে পাই সেগুলো নিয়েই আমরা কাজ করে থাকি। তাই আমরা খুবই অল্প কিছু পণ্য নিয়ে কাজ করে থাকি।
👉স্বাস্থ্যকর, প্রাকৃতিক ও পার্শপ্রতিক্রিয়া মুক্ত খাবার হিসেবে জৈব খাবারের সারা পৃথিবীতে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশেও জৈব খাবারের চাহিদা ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে। তবে জৈব খাবারের দাম কিছুটা বেশি। এর একটি বড় কারণ হলো জৈব বা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের অভাব। ক্যান্সার, হৃদরোগ, ডায়বেটিস ইত্যাদি অসুখের প্রকোপ বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ডাক্তাররা খাদ্যে ভেজাল ও খাদ্যাভ্যাসকে দায়ী করে। এমন পরিস্থিতিতে জৈব খাদ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়তেই থাকবে।