22/03/2025
বিগত ১৬ বছরের কর্মীদের অভিশাপে আজ
আওয়ামী লীগের এই করুন অবস্থা যেমনটা ১/১১ এর আগে বিএনপির হয়েছিল তার আগে এরশাদের। প্রকল্পের নামে ঠিকাদারি সহ সকল আয়ের উৎসে নিয়োজিত ছিলো স্থানীয় এমপি, মন্ত্রী ও তাদের পরিবার আত্নীয় স্বজনরা। দালাললীগ, ত্যালবাজ লীগ, জুতা টানা লীগ, বাসার কাজের লোক লীগরা প্লেট থেকে পরে যাওয়া উচ্ছিষ্ট খেয়েই ফুলে ফেঁপে উঠেছিলো এবং তাদের দাপটে তৃনমুল কর্মীরা সুবিধাবঞ্চিত হয়েছে যুগের পর যুগ। জ্ঞানী মানুষদের কথাই ঠিক ভালো মানুষদের জন্য রাজনীতি নহে। সরকারের প্রতিটি সেক্টরে আমলারা নিরবে চাঁদাবাজি করেছেন সেই চাঁদাবাজির নিউজ প্রকাশ না করার স্বার্থে ভাগ খেয়েছে সাংবাদিকরা। বাংলাদেশের সর্বকালের সবচেয়ে বড় দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান "দূর্নীতি দমন কমিশন"। প্রতিটি সেক্টরে করাপশন সেটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই আর সেই করাপশন এখন আরো বেশী। ৭১ পরবর্তী অদ্যাবদী যারাই চেয়ারে বসেছে সবাই একই। এদেশ থেকে লুটেপুটে লন্ডনে বসে আমেরিকায় বসে দল চালায়। এদেশে বেকার তৈরীর কারখানা আর এর অন্তরায় মূল হচ্ছে দূর্নীতি এবং বিদেশে বসতীর সুযোগ। কালোকে সাদা করতে দেয়ার সুযোগ। ৫ আগষ্টের পর মনে হয়েছিলো এবার হয়তো এই সকল জিম্মী দশা থেকে দেশ জাতী মুক্তি পাবে করাপশনমুক্ত বেকারশূন্য দেশ হবে কিন্তু তারাও ব্যর্থ। আগের হাল যেমন পিছনের হালও তেমনই। ১৬ বছরে যে পরিমান দূর্নীতি হয় নি খবর নিলে দেখা যাবে বিগত ৭/৮ মাসে তার চেয়ে কমও হয় নি। এই সিচুয়েশন থেকে উত্তোরনের জন্য কোন দল নয় ব্যক্তি নির্বাচনে যদি মানুষ মনোনিবেশ করে তবেই মুক্তি সম্ভব! এদেশের সকল বেকার সম্প্রদায় যদি এক হয় এবং সমাজের মানুষ যদি তাদেরকে সেবা করার সুযোগ দেয়ার শর্তে এবং পাসপোর্ট বিহীন নাগরিক হিসেবে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে তবেই পরিবর্তন সম্ভব। দেশ ছেড়ে পালানোর সব পথ যেদিন বন্ধ হবে, রাজনীতি থেকে আয় বন্ধ হবে এবং সরকারী সকল সেবা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম বন্ধ হবে তবেই দেশ নিজে নিজে সংস্কার হয়ে যাবে কিন্তু যারা চেয়ারে বসা তারা এমনটা হতে দিবে না কারণ সংস্কারের দোহাই দিয়ে তারাও লুটপাটে ব্যস্ত। দল যার যার দেশটা সবার।🇧🇩
গোলামীর স্বভাব বাদ দিতে না পারলে এ জাতী আজীবন জিম্মিই থেকে যাবে। আমি না ভোট চালুর দাবি জানাচ্ছি আপনার মতামত দিন।