06/08/2026
#আগে_১৯৭১রে_মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করার কারণে এদেশের মানুষ #জামায়াত কে গ্রহণ করেনি। আর ের পরে #নারী, #শিশু, #বলৎকার ও #সমকামিতার কারণে #জামায়াত কে আবারও এদেশের মানুষ চিনতে পেরেছে।
ালে গণমাধ্যমে বহুল আলোচিত #জামায়াত_নেতাদের প্রধান প্রধান #নারী_কেলেঙ্কারির ঘটনাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
#গাজী_নজরুল_ইসলাম (সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য): ২০২৬ সালের জুলাই মাসে তাঁর বিরুদ্ধে একটি ভিডিও ভাইরালের মাধ্যমে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ ওঠে। এতে দেখা যায় তিনি ২০০৮ সালে জন্ম নেওয়া এক কিশোরীকে বিয়ে করেছেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে জামায়াতে ইসলামী তাঁকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করে।
#মোশাররফ_হোসেন (বগুড়ার ধুনট উপজেলা): বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর এই রুকন (সদস্য)-এর বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দল থেকে তাঁর রুকনিয়াত (সদস্য পদ) বাতিল করা হয়।
#মো_শহিদুল_ইসলাম (পটুয়াখালী): পটুয়াখালী সদর উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বিধবা নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এই ঘটনার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
#বদলগাছীর_জামায়াত_নেতা (নওগাঁ): নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে তাঁর নিজস্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কিন্ডারগার্টেন) এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাঁর প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।