M/s Rahman Tradas

M/s  Rahman Tradas জমি, মাটি,বাড়ি, প্লট ক্রয়বিক্রয়ের বিশ্বাস্ত প্রতিষ্ঠান

সাউথ সিটি পার্ক (ওদুদ এমপি পার্কে)এর পাশে ২০+ বিঘা জমি বিক্রি  করা হবে। রাস্তার পাশে সব মাটি। মৌজাঃ  দক্ষিণ শহর জমির মূল...
17/11/2020

সাউথ সিটি পার্ক (ওদুদ এমপি পার্কে)এর পাশে ২০+ বিঘা জমি বিক্রি করা হবে। রাস্তার পাশে সব মাটি।
মৌজাঃ দক্ষিণ শহর
জমির মূল্য ঃ আলোচনা সাপেক্ষ
লোকেশন ঃ দক্ষিণ শহর পার্ক, আতাহার, নয়াগোলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বর্তমান আইনে জমির বায়না রেজিষ্ট্রি করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। জমির বায়না রেজিষ্ট্রি করলে সকল ঝুঁকি ও ঝামেলামুক্ত থাকা যায়...
11/11/2020

বর্তমান আইনে জমির বায়না রেজিষ্ট্রি করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। জমির বায়না রেজিষ্ট্রি করলে সকল ঝুঁকি ও ঝামেলামুক্ত থাকা যায়। সরকারী ষ্ট্যাম্পে বায়না করার যে নিয়ম প্রচারিত আছে তা না করে রেজিষ্ট্রিমূলে বায়না করা অধিকতর নিরাপদ।
আপনার জমির দলিল যে ভেন্ডার লিখবেন তার দায়িত্ব হবে জমির সব কাগজপত্র পরীক্ষা করা। তিনি ঠিকভাবে কাগজপত্র পরীক্ষা করছেন কি না তা মিলিয়ে দেখুন।

কাগজপত্র পরীক্ষা :
ক্রেতা যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার থেকে ওই জমি-সংক্রান- সব কাগজপত্র চেয়ে নেবেন। জমির সব খতিয়ানসহ (সিএস, আরএস, এসএ ও বিএস খতিয়ান) জমিটি যতবার বেচাকেনা হয়েছে, তার দলিলসমূহ চেয়ে নেবেন। এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবেন, বর্তমানে জমির মালিক কে।

নামজারি :
জমির যিনি মালিক, তার নামে নামজারি (মিউটেশন) আছে কি না তা নিশ্চিত হতে হবে। যে এলাকায় জমি কিনছেন ওই এলাকার স্থানীয় সহকারী ভূমি কমিশনার অফিসে গিয়ে খোঁজ নিলে নিশ্চিত হওয়া যাবে জমির বর্তমান মালিক কে। যদি দেখা যায় সব কাগজ ঠিক আছে -নামজারি না হয়ে থাকলে কেনার আগে বিক্রেতাকে বলুন তার নামে নামজারি করিয়ে নিতে।

খাজনা :
মালিক হালনাগাদ খাজনা (ভূমিকর) পরিশোধ করেছেন কি না, নাকি অন্য কেউ পরিশোধ করেন, তা-ও স্থানীয় তহশিল অফিসে গিয়ে খোঁজ নিতে হবে। খাজনা পরিশোধের কাগজপত্র এনে ভবিষ্যতের জন্য ক্রেতার সংগ্রহে রাখতে হবে।

সাব-রিজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি :
ক্রেতা স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে তল্লাশি দিয়ে দেখবেন প্রস্তাবিত জমি হেবা, দান, বিক্রি বা এওয়াজমূলে কোনোভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে কি না। জেলা সাব রেজিস্টারের অফিস থেকে ১২ বছরের তল্লাশী সহ নির্দায় সার্টিফিকেট (এন.ই.সি.) দেখে নিতে হবে। এ সনদে সর্বশেষ মালিকের নাম থাকে।

ফারায়েজ বা হিস্যাবন্টন :
বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে সম্পত্তির হিস্যাবন্টন সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার অংশনামা হয়েছে কি না, তা জমি কেনার আগে মিলিয়ে দেখতে হবে। ফারায়েজ অনুযায়ী, বিক্রেতা যেটুকু জমির মালিক, তার বেশি কেনা ঠিক হবে না। অনেক সময় দেখা যায় বিক্রেতা পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমি বিক্রি করছেন।

নোটিশ :
জমি বায়না করার আগে আইনের বিধানমতে সব অংশীদারকে নোটিশ দিতে হবে। অন্যথায় পরবর্তীকালে অগ্রক্রয় বা প্রিয়েমশন মামলা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পরিত্যক্ত কি না তা পরীক্ষা করতে হবে :
ক্রেতা যে জমি কিনবেন তা খাস, পরিত্যক্ত বা শক্রসম্পত্তি কি না, তা জানতে হবে। সঙ্গে এ ও জানতে হবে সরকার কোনো কারণে এ জমিটি অধিগ্রহণ করেছে কি না। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসন (ভূমি) অফিসে খোঁজ নিলে এগুলো জানা যাবে।

বন্ধক ক্ষমতা অর্পন করা আছে কি না:
জমি বিক্রি ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কাউকে ক্ষমতা অর্পণ করা অর্থাৎ আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি) আছে কি না, তা দেখতে হবে। এমনকি জমি বন্ধক রেখে কোনো ব্যাংক বা অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া আছে কি না সে সম্পর্কে খোজ খবর নিতে হবে।

সরেজমিনে জমি দেখা :
সরেজমিনে গিয়ে ক্রেতাকে জমি দেখতে হবে। জমির কাগজপত্র, দাগ নম্বর ও চৌহদ্দি (চারদিকের অবস্থান) মিলিয়ে দেখতে হবে যে জমি বিক্রি করবে, সেটিই প্রস্তাবিত জমি কি না। জমির চারদিকের সীমানার মালিকদের সঙ্গে প্রয়োজনে কথা বলে নিশ্চিত হতে পারেন আপনাকে যে জমি দেখানো হয়েছে তার প্রকৃত মালিক কে। নাকি দালালেরা অন্যের জমি ক্রেতাকে দখল দিতে যাচ্ছেন। বিক্রির জন্য প্রস্তাবিত জমি বর্তমানে কার দখলে আছে, ক্রয় করলে কোনো কারণে ভোগদখলে বাধাগ্রস্ত হবে কি না বা রাস্তা ও পথ অধিকারে কোনো বাধা-নিষেধ আছে কি না, তা ও ক্রেতাকে সরেজমিনে যাচাই করতে হবে।

বিক্রির অধিকার বিক্রেতার আছে কি না :
বিক্রেতার মালিকানা স্বত্ব বা বিক্রির বৈধ অধিকার আছে কি না, তা দেখতে হবে। জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতস্থ কি না, তা ও যাচাই করতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে জমি বিক্রির অনুমতি নিতে হবে। বিক্রেতা ওই অনুমতি নিয়েছেন কি না, তা-ও পরীক্ষা করে জমি কিনতে হবে।

মামলা মোকদ্দমা :
প্রস্তাবিত জমি নিয়ে কোনো মামলা-মোকদ্দমা রয়েছে কি না, তা-ও ক্রেতাকে খুজে দেখতে হবে। কারণ মামলা মোকদ্দমা থাকলে জমি কেনা হলে তা হবে অন্যন- ঝুঁকিপূর্ণ। পত্রিকায় আইনগত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কয়েকদিন সময় দিয়ে জমি ক্রয় করা উচিত। এতে জমির মালিকানা কেউ দাবি করলে কেনার আগেই তা করতে পারে। ফলে অবাঞ্ছিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারে।

জমি কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা দরকারজমি কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা দরকারShareঅ+অ-জমিজমা ক্রয়ের আগে অবশ্য সাবধান ...
13/06/2020

জমি কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা দরকার

জমি কেনার আগে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা দরকার
Shareঅ+অ-

জমিজমা ক্রয়ের আগে অবশ্য সাবধান হতে হয়। পৃথিবীর আদি লগ্ন থেকেই জমিজমা একজনের হাত থেকে অন্যজনের হাতে হস্তান্তর হয়ে আসছে। একসময় মানুষের মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে জমি ক্রয়-বিক্রয় হতো। আধুনিক যুগে সরকারি আইন অনুসরণ করে জমি ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। এই জমির ওপর থাকতে পারে নানা রকম ঝামেলা। কোনো একটি জমি ক্রয় করতে চাইলে অবশ্যই কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। নইলে স্বপ্নের ওই জমি আপনার হাতে না-ও আসতে পারে, অথবা ক্রয়ের পর ভুগতে হবে নানা সমস্যায়। এক. যে ব্যক্তি জমিটি বিক্রয় করবে ওই জমিতে বিক্রয়কারীর মালিকানাস্বত্ব আছে কি না প্রথমে সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য খতিয়ে দেখতে হবে, প্রস্তাবিত জমিটির সর্বশেষ রেকর্ডে বিক্রয়কারীর নাম উল্লেখ আছে কি না। ওই জমিটি তার নামে রেকর্ড থাকলেও তাতে অন্য কোনো ব্যক্তির নাম আছে কি না। যদি ক্রয়সূত্রে বিক্রয়কারী জমিটির মালিক হয়ে থাকে, তাহলে ওই জমিটির খারিজপত্র ঠিক আছে কি না। জমিটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আর ভূমি সংরক্ষিত কাগজপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। বিক্রয়কারী ওয়ারিশসূত্রে জমির মালিক হয়ে থাকলে আপস-বণ্টনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। জমিটির হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। ওই জমিতে ওয়ারিশদের কোনো অংশ থাকা-না থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। দুই. বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাবিত জমিটি বিক্রয়কারীর দখলে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। এ জন্য যেসব বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে_সরেজমিনে নকশার সঙ্গে জমিটির বাস্তবতা মিলিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী ভূমি মালিকদের কাছ থেকে দাগ-খতিয়ান জেনে মিলাতে হবে। এতে একাধিক নাম থাকলে ওই জমিতে বিক্রেতার দখল আছে কি না তা অন্য অংশীদারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে, তাহলে বণ্টননামায় জমি দখলের কথা উল্লেখ থাকার বিষয়টি দেখতে হবে। বণ্টননামার সঙ্গে বাস্তবে দখলস্বত্বের মিল থাকার বিষয়টি লক্ষ করতে হবে। তিন. কৃষিজমির ক্ষেত্রে অংশীদারিরা ও পার্শ্ববর্তী ভূমি মালিকরা অগ্রক্রয়াধিকার (ঢ়ৎব-বসঢ়ঃরড়হ) প্রয়োগ করতে পারবে কি না সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। জমিটির দাম যদি বাজারমূল্যের চেয়ে কম চাওয়া হয়, তাহলে ওই জমিতে সমস্যা থাকার আশঙ্কা বেশি। তাই দাম চাওয়ার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। প্রস্তাবিত জমির সঙ্গে সরকারের কোনো স্বার্থ থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। সরকারের কোনো স্বার্থ থাকলে জমিটি ক্রয়োপযুক্ত হবে না। জমিটি অর্পিত সম্পত্তির তালিকায় আছে কি না সেটাও দেখতে হবে। চার. জমিটি আগে কোনো সময়ে অধিগ্রহণ হয়েছে কি না বা প্রক্রিয়াধীন কি না, ওযাক্ফ, দেবোত্তর অথবা কোর্ট অব ওয়ার্ডসের জমি কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। প্রস্তাবিত জমিটি আগে কখনো খাজনা অনাদায়ের কারণে নিলাম হয়েছে কি না। ঋণের জন্য জমিটি কোনো ব্যাংকের কাছে বন্ধক আছে কি না, তা খেয়াল রাখতে হবে। পাঁচ. নির্বাচিত জমিটির ওপর কোনো মামলা থাকার বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। জমিটি সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত থাকলে বিক্রয় উপযোগী নয়। নির্দিষ্ট ফি দিয়ে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জমিটির হেবা, এওয়াজ ও বেচাকেনার সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন। জমিটির ওপর কোনো রাস্তা থাকলে সে বিষয়ে স্পষ্ট হতে হবে। জমিটির মালিক কোনো আমমোক্তার বা অ্যাটর্নি নিয়োগ করেছে কি না। দলিলের তফসিলে জেলা, থানা, মৌজা, খতিয়ান, ভূমির মোট পরিমাণ এবং চৌহদ্দির বিষয়ে স্পষ্ট জেনে নিতে হবে। ছয়. নির্দিষ্ট জমিটি কোনো আদিবাসীর কি না সে বিষয়ে সঠিকভাবে জানা দরকার। যদি কোনো আদিবাসীর জমি হয়ে থাকে, তাহলে জমি রেজিস্ট্রি করার সময় রেভিনিউ অফিসারের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। বিক্রয়কারী এ রকম কোনো লিখিত অনুমতি নিয়েছেন কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে যদি কোনো আদিবাসী তার জমি কোনো বাঙালির কাছে বিক্রয় করতে চায়, তাহলে অবশ্যই রেভিনিউ অফিসারের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। যদি কোনো আদিবাসী অন্য আদিবাসীর কাছে জমিটি বিক্রয় করতে চায়, তাহলে অনুমতির প্রয়োজন নেই। সাত. জমিটি এর আগে অন্য কোনো পক্ষের কাছে বিক্রি করেছে কি না। বর্তমান সময়ে এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি নজর রাখতে হবে এবং খতিয়ে দেখতে হবে। আট. প্রস্তাবিত জমিটির লেনদেনের চুক্তি হয়ে গেলে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য প্রথমত জমিটির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। কাগজপত্র সংগ্রহের দায়িত্ব বিক্রয়কারীর। কাগজপত্রের মধ্যে আছে জমিটির খতিয়ান বা আরএস। খতিয়ান সংগ্রহের জন্য জেলা ভূমি রেকর্ডরুমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর নির্দিষ্ট ফরমে আবেদন করতে হয়। আবেদনের ওপর সরকারি বিধি মোতাবেক ২০ টাকা মূল্যের একটি কোর্ট ফি ব্যবহার করতে হয়। আবেদনে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে। নয়. প্রস্তাবিত জমিটি যদি বিক্রেতা অন্য কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে ক্রয় করে থাকে, তাহলে অবশ্যই তাকে এ জমির ভায়া দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় উপস্থাপন করতে হবে। ভায়া দলিল যদি বিক্রেতার সংগ্রহে না থাকে, তাহলে এ দলিল থানা ভূমি রেকর্ড অফিস থেকে ওঠানো যাবে। যদি থানা ভূমি অফিসে না পাওয়া যায় সে ক্ষেত্রে জেলা ভূমি রেকর্ড অফিস থেকে তোলা যাবে। এ জন্য একটি আবেদন করতে হবে। আবেদন করার পর কয়েক দিনের মধ্যে ভায়া দলিল হাতে পাওয়া যায়। এমআর, এসআর পর্চা (খতিয়ান) সবকিছু ওঠানোর ক্ষেত্রেও জেলা ভূমি রেকর্ড অফিসে যোগাযোগ করতে হয়। এসব কাগজ ওঠাতে হলে একটি আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে হয়। আবেদন ফরমের ওপর ২০ টাকা দামের একটি কোর্ট ফি ব্যবহার করতে হয়। সব কাগজ সংগ্রহ করার পর দলিল সম্পন্ন করতে হয়।

Address

Chapai

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 07:00 - 11:00
15:00 - 19:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801722414486

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M/s Rahman Tradas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to M/s Rahman Tradas:

Share