I.T.Link Computer

I.T.Link Computer Laptop Seal Hasna Super Market, School Road, Patarhat, Mehendiganj, Barisalr

19/10/2022
18/03/2020

করোনাভাইরাস: ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য ও করণীয় নিয়ে চমক হাসানের স্ট্যাটাস

করোনাভাইরাসের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও সেসব ভুয়া তথ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পর্যালোচনামূলক স্ট্যাটাস দিয়েছেন বোস্টন সায়েন্টিফিকের প্রকৌশলী চমক হাসান।

গত ১৫ মার্চ নিজের টাইমলাইনে দেয়া তার সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকের উদ্দেশে দেয়া হলো -

‘নভেল করোনাভাইরাস এবং এই ভাইরাসের কারণে হওয়া রোগ নিয়ে উৎকণ্ঠিত সারা পৃথিবীর মানুষ। ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে বিশ্বব্যাপী মহামারী ঘোষণা করেছে। আমার অফিস থেকে জানিয়ে দিয়েছে খুব জরুরি প্রয়োজন না হলে অফিসের সীমানাতে এসো না, ঘরে বসে কাজ করো। সেটাই করছি। আমি থাকি আমেরিকার লস এঞ্জেলস এর কাছে সান্টা ক্লারিটা শহরে, এখানে সব স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। একসঙ্গে কোথাও ৫০ জনের বেশি একত্রিত হওয়া নিষেধ। বিয়ে বা জন্মদিনের দাওয়াত, কনসার্ট, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় সমাবেশ সবকিছু বন্ধ। দুয়েকজন সহকর্মী শুরুতে একটু আধটু গাইগুঁই করছিলেন- একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে নাকি! এখন আমরা সবাই জানি, এটা মোটেই বাড়াবাড়ি নয়, বরং খুবই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং খুবই খুবই জরুরি।

এরপর করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে গণিতের ভাষায় ব্যাখ্যা করেছেন চমক হাসান।

তিনি লেখেন, ‘গণিতের ভাষায় বললে এই ভাইরাস ছড়ায় ‘সূচকীয়’ হারে। এর গ্রাফটা খুব ইন্টারেস্টিং। যখন মান কম, বৃদ্ধির হারও কম। শুরুতে খুব ধীরে বাড়ে, তারপর যখন মান বেড়ে যায় বৃদ্ধির হারও বেড়ে যায়। ইতালিতে ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখে আক্রান্ত ছিল ২০ জন, এরপর একমাসও যায়নি- ১৪ মার্চ সংখ্যাটা ২১ হাজার ১৫৭। শুরুর সময় দেখে মানুষ বিভ্রান্ত হয়, একটা দুইটা কেস দেখে কেউ বোঝে না যে কী আসতে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে যত আগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা শুরু করা যায় তত ভালো।’

এরপর বাংলাদেশ প্রসঙ্গে চমক বলেন,‘ভয় হয় বাংলাদেশ নিয়ে। সাধারণ মানুষ এবং সরকার দুইপক্ষকেই সচেতন হওয়া খুব জরুরি। তার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু উদ্ভট তথ্য আর লেখা দেখে বিরক্ত লাগে। এগুলো মানুষকে আরও বিভ্রান্ত করবে।’

এরপর করোনাভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভুল তথ্য বা ভুল ভাবনার কথা জানান চমক।

১) ইউনিসেফ নাকি বলেছে ভাইরাসটা বড়, মাটিতে পড়ে যায়! - ভুল

ইউনিসেফের বরাত দিয়ে খুবই অদ্ভুত কিছু কথা বেশ কিছুদিন ফেসবুকে ঘুরেছে যার অধিকাংশই ভুল। সেগুলোর ভেতরে আছে এমন কিছু কথা- ভাইরাসটা আকারে বড়- মাটিতে পড়ে যায়, আইসক্রিম না খেয়ে গরম পানি খেলে ভাইরাস পেটে চলে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রথম কথা হচ্ছে ইউনিসেফ কোথাও এই জাতীয় কথা বলেনি। এমন কিছু দেখলেই সতর্ক হোন। আপনার কোনো বন্ধু শেয়ার করলে তাকে জানিয়ে দিন ওটা ভুল, তাকে স্পষ্টভাবে মানা করুন- এটা যেন আর না ছড়ায়। এরকম ভুলভাল কথা যে ইউনিসেফের নাম দিয়ে ছড়ানো হচ্ছে এই খবর তাদের কাছেও পৌঁছে গেছে, সেই ব্যাপারে তাদের বক্তব্য পাবেন।

২) গরমের দেশে নাকি ছড়ায় না! - ভুল

ফেসবুকে একটা পোস্ট চোখে পড়েছে যেখানে তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করে কেউ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে গরমের দেশে এই ভাইরাস বেশি ছড়ায় না- এটা খুবই বিপজ্জনক ভুল তথ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটা ওয়েবসাইটে আছে ‘মিথ বাস্টার্স’ বলে। সেখানে প্রথমেই বলা আছে ‘ কভিড-১৯ উষ্ণ ও আদ্র আবহাওয়াতেও ছড়াতে পারে’। এখন পর্যন্ত পাওয়া সমস্ত তথ্য বলছে গরম এবং আর্দ্র এলাকাতেও কভিড-১৯ রোগ ছড়াতে পারে। বাংলাদেশ গরম দেশ, তাতে হাত গুটিয়ে বসে থাকার কিছু নেই। ১৪ মার্চ পর্যন্ত সৌদি আরব, মিশরে, ভারত, ইরাক - সব জায়গায় একশোর ওপরে আক্রান্ত। এগুলো কোনোটাই ঠাণ্ডার দেশ না।

৩) শিশুরা নাকি আক্রান্ত হয় না! - ভুল

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার লিঙ্কে গেলে এটাও পাওয়া যাবে। সব বয়সের মানুষই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। সবাইকেই সচেতন থাকতে হবে। যতদূর জানা গেছে বৃদ্ধ কিংবা বয়স্করা যদি আক্রান্ত হয় তাদের ক্ষেত্রে রোগের জটিলতা বেশি হবার সম্ভাবনা আছ। শিশুদের ক্ষেত্রে রোগটা মারাত্মক আকার ধারণ করে না (ইউনিসেফের তথ্য)। তাই বলে শিশুদের কিছু হবে না ভেবে অবহেলা করার মানে নেই। তাদের জন্য রোগের ভয়াবহতা হয়তো বেশি হবে না, কিন্তু তারা বাহক হিসেবে এই রোগ ছড়িয়ে দিতে পারে অসুস্থ কিংবা ঝুকিপূর্ণ মানুষের কাছে। বয়স্ক যারা এবং যাদের দেহে আগে থেকেই কোনো একটা অসুস্থতা আছে (যেমন অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ) তাদের ক্ষেত্রে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

৪) সবাইকে কি মাস্ক পরতে হবে?- ভুল

বাংলাদেশে মাস্কের আকাল পড়ে গেছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা চড়া দামে মাস্ক বিক্রি করছেন এমন খবর চোখে পড়ছে হরহামেশাই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে আপনি যদি সুস্থ হন, বিনা কারণে মাস্ক পরার দরকার নেই। একই কথা বলেছে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি)। আপনি যদি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিংবা সন্দেহভাজন কোনো রোগীর দেখাশোনা করেন, তাহলে নিজেকে সুরক্ষার জন্য মাস্ক পরুন। যদি আপনি নিজে হাঁচি বা কাশিতে আক্রান্ত হন, তাহলে মাস্ক পরুন, যেন আপনার থেকে জীবাণু আর না ছড়াতে পারে। তারা এটাও বলছে যে শুধু মাস্ক পরে নিজেকে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখা যাবে না। সঙ্গে সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোঁয়া, হাঁচি-কাশি এলে কনুই বা টিস্যু দিয়ে ঢাকা- এগুলোর চর্চাও লাগবে।

যদি মাস্ক ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে সেটা ব্যবহারের সঠিক নিয়মটাও জেনে রাখতে হবে। কী করে পরতে হয়, কী করে খুলতে হয়, কোথায় কীভাবে ফেলতে হয়- এগুলোও জানাটা জরুরি।

৫) রসুন খেলে, গরম পানি খেলে, ‘অমুক বলেছে তমুক খেলে’, অ্যান্টিবায়োটিক খেলে এই রোগ কি সেরে যাবে?- ভুল

অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়ার জন্য, ভাইরাসের জন্য নয়। কভিড-১৯ রোগ ভাইরাসঘটিত। প্রতিরোধক কিংবা প্রতিষেধক কোনো হিসেবেই অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। যদি কোভিডে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং তার ব্যাকটেরিয়াঘটিত অন্য কোনো রোগ থাকে, তাহলে সেই অন্য রোগের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারেরা অ্যান্টিবায়োটিক দিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে কভিড-১৯ রোগের কোনো ঔষধ এখনও নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে ২০ টির বেশি ভ্যাকসিনের কাজ চলছে, কিন্তু নানা ট্রায়াল পার হয়ে মানুষের গণহারে মানুষের ব্যবহার উপযোগী হতে বছরখানেক লেগে যেতে পারে বলে অনুমান করেছে সিএনএন। এই রোগের ঔষধ নিয়েও গবেষণা চলছে। কিন্তু সেখানেও একই ব্যাপার। নানান পরীক্ষাতে প্রমাণ করতে হবে যে ঔষধটা আসলেই কার্যকর এবং মানুষের ব্যবহারের উপযোগী। শতকরা আশি ভাগ ক্ষেত্রে এই রোগের লক্ষণ সাধারণ ঠাণ্ডা-জ্বর, কাশির মতো। এমনিতে আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাই এই জীবাণুগুলোকে একসময় হটিয়ে দেবে।

৬) মানুষ কি শুধু শুধুই করোনাভাইরাস নিয়ে লাফালাফি করছে?- ভুল

একেবারে পাত্তা না দেয়া এবং ভয়ে উল্টোপালটা কাজ করা- কোনোটাই কাজের কিছু না। অতি আতঙ্কিত হয়ে নিজের কথা ভেবে অতিরিক্ত কেনাকাটা করে গুদামজাত করে ফেললে সেটা ভালো কিছু নয়, যাদের প্রয়োজন তারা পাবে না। পাশাপাশি আপনাকে জানতে হবে- এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, মোটেই অবহেলার নয়। কিছু কিছু সময় থাকে যখন ভয় না পাওয়ার থেকে কিছুটা পাওয়া ভালো। এটা তেমন একটা সময়। একেবারে যারা গা করছেন না, তারাই বরং নিজের ও সমাজের জন্য বিপজ্জনক। সারা চীন, ইতালি, স্পেন লকডাউন অবস্থায়। আমেরিকায় বড় বড় শহরে জনসমাগম নিষেধ। বড় বড় পুঁজিবাদী কোম্পানিগুলো লোকসান গুনে হলেও অফিসে যেতে মানা করছে কর্মীদের। আপনার কি মনে হয় এটা শুধু-শুধুই? না, মহামারী ঠিক এমনও আবার না। একটা সময়ে গিয়ে যারা সুস্থ হয়ে উঠবে, তারা আর নতুন করে আক্রান্ত হবে না, নতুন করে ছড়াবে না। ফলে সংখ্যাটা কমতে থাকবে। কিন্তু যদি অবহেলা করা হয়, তার আগে আক্রান্ত হবে বহু বহু মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব মতে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার ৩.৪% । সংখ্যাটা কম না। ১০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হলে ৩৪ হাজার মানুষ মারা যাবে।’

এসব ভুল তথ্য উপস্থাপনের পর চমক হাসান জানিয়েছে করোনাভাইরাস কীভাবে সংক্রমিত হয়!

তিনি লেখেন, ‘এই ভাইরাস মূলত মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি আর কাশি দিয়ে বের হয় জীবাণু। সেই জীবাণুওয়ালা হাঁচি-কাশির ফোঁটা যদি সুস্থ মানুষের নাকে, মুখে বা চোখে পড়ে- জীবাণু ঢুকে যেতে পারে শরীরে। আপনি আক্রান্ত ব্যক্তির ৬ ফুটের ভেতরে থাকলে বাতাসে থাকা সেই ভাইরাস আপনার শ্বাসের সঙ্গেও ফুসফুসে ঢুকে পড়তে পারে। এটাই এই ভাইরাস ছড়ানোর প্রধান উপায়- মানুষের কাছাকাছি সংস্পর্শ।

তিনি বলেন, ‘একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছে। যাদের মধ্যে রোগের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে (জ্বর, কাশি, হাঁচি ইত্যাদি), যারা সবচেয়ে বেশি অসুস্থ তারাই রোগ ছড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সংক্রামক। যাদের শরীরে জীবাণু রয়েছে কিন্তু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, তারাও রোগ ছড়াতে পারে, তবে সেটার সম্ভাবনা কম, সেটা মূল উপায় নয়। দ্বিতীয় উপায় হলো হাত দিয়ে জীবাণুওয়ালা কোনো তল স্পর্শ করার পর সেই হাত নাকে-মুখে-চোখে স্পর্শ করলে। হয়তো আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশির সময় হাত দিয়ে মুখ ঢেকেছে, সেই হাত আর পরিষ্কার করেনি। এরপর সেই হাত দিয়ে সিঁড়ির রেলিং, দরজার হাতল, বেসিনের কল ধরেছে। জীবাণু লেগে গেছে সেখানে। আপনি সেগুলো ধরেছেন, আপনার হাতেও লেগে গেছে জীবাণু। তারপর আপনিও আর হাত সাবান দিয়ে পরিষ্কার করেননি। এরপর নিজের নাকে, মুখে, চোখে ধরেছেন। জীবাণু ঢুকে যাবে আপনার শরীরেও। তবে এই দ্বিতীয় উপায়টা রোগ ছড়ানোর মূল উপায় নয়, মূল উপায় কাছাকাছি মানুষের সংস্পর্শ। ’

করোনায় কী কী করণীয় সে বিষয়ে স্ট্যাটাসে চমক লেখেন, ‘কীভাবে রোগ ছড়ায় জানলে আপনি বুঝবেন কী করলে এই ছড়ানোটা ঠেকানো যায়। নিচের দুটো পয়েন্ট লেখা হয়েছে হু এর অ্যাডভাইজ ফর পাবলিক এবং সিডিসির কীভাবে নিজেকে সুরক্ষা করবেন? অবলম্বনে।

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুতে হবে বারবার (বিশেষ করে হাঁচিকাশির পর এবং পাব্লিক প্লেস থেকে ঘরে ফেরার পর)। সাধারণ সাবানই সবচেয়ে দারুণ কার্যকর- সাবানের অণুগুলো ভাইরাসের শরীরের চর্বির দেয়াল ভঙ্গে ফেলে ভাইরাসকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে। সাবান না থাকলে হ্যান্ড- স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে যেখান অ্যালকোহলের পরিমাণ ৬০% এর বেশি। হাত পানিতে ভিজিয়ে এরপর সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধুতে হবে (দুইবার হ্যাপি বার্থডে টু ইউ গান গাইলে প্রায় ২০ সেকেন্ডের একটু বেশি হয়)। নখের নিচে আঙুলের ভাঁজে, হাতের উল্টো পৃষ্ঠে ভালো করে ধুতে হবে।

হাঁচি-কাশি এলে হাতের তালু দিয়ে না ঢেকে কনুই দিয়ে ঢাকতে হবে। অথবা হাঁচি-কাশি টিস্যু পেপার দিয়ে ঢাকতে হবে, এরপর সাথে সাথে টিস্যু পেপারটা ময়লা ফেলার জায়গায় ফেলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। যেখানে সেখানে কফ, থুতু ফেলবেন না। নাকে মুখে চোখে হাত দেওয়া থেকে থেকে বিরত থাকতে হবে। হ্যান্ডশেক বাদ দিন। অপ্রয়োজনে বা স্বল্প প্রয়োজনে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন। জনসমাবেশে যাওয়ার দরকার নেই। যদি আপনি নিজে হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত হন, নিজেকে বাসায় আটকে ফেলুন, কোথাও বের হবেন না। বাসা থেকেই হটলাইনে ফোন দিন। রাষ্ট্র নিজেও এটাকে কার্যকর করতে পারে। প্রয়োজনে সারা দেশ লকডাউন করে দিতে পারে। আক্রান্ত এলাকার সঙ্গে সড়ক, নৌ- কিংবা আকাশপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারে। অফিস, আদালত, স্কুল, কলেজ সব বন্ধ করে দিতে পারে। এমন হলে সেই নির্দেশনাকে মেনে চলবেন।

সামাজিক দূরত্বায়ন যে কাজ করে সেটার প্রমাণ ইতিহাসে বহুবার পাওয়া গেছে। চীনের উহানে সব লকডাউন করে ফেলার পর নতুন আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আছে সামাজিক দূরত্বায়ন কার্যকর করার মাধ্যমে। ইতালি দেরিতে হলেও বুঝতে পেরেছে- সারা দেশ এখন লকডাউনে। কেউ ঘরে থেকে বেরোবে না খুব খুব জরুরি দরকার নাহলে।’

- চমক হাসান, বোস্টন

27/05/2019

আসুন জেনে নিই
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কী-বোর্ড শর্টকাট

Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
F1 key ( সাহায্য পাওয়ার জন্য )
F2 key (রিনেম বা পুনর্নাম নির্ধারন)
F3 key (সার্চ )
F4 key ( ঠিকানা বা এড্রেস বার দেখা )
F4 key (সক্রিয় তালিকা থেকে আইটেমগুলো দেখা )
F5 key ( রিফ্রেস/ বিদ্যমান উইন্ডো আপডেট করা)
F6 key ( ডেস্কটপ বা বিদ্যমান উইন্ডোর আইটেমগুলোতে ঘুরাফিরা করা)
F10 key (সক্রিয় প্রোগ্রামের মেনু বার সক্রিয় করার জন্য )
Keyboard shortcuts, Computer key Shortcut-
CTRL+A (একই উন্ডোর সবকিছু একসাথে বাছাই বা সিলেক্ট করার জন্য)
CTRL+C (কপি করুন)
CTRL+X (কাট করুন)
CTRL+V ( পেস্ট করুন )
CTRL+Z (আগের অবস্থায় ফিরে যান)
CTRL+SHIFT (শর্টকাট তৈরি করা)
CTRL+RIGHT ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের শব্দে নেয়া)
CTRL+LEFT ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের শব্দে নেয়া)
CTRL+DOWN ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের অনুচ্ছেদে নেয়া)
CTRL+UP ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের অনুচ্ছেদের প্রথমে নেয়া)
CTRL+TAB (বিদ্যমান ট্যাবগুলো নড়াচড়া করা)
CTRL+ESC (স্টার্ট মেনুতে ফিরে যাওয়া )
CTRL+SHIFT+TAB (ট্যাবগুলোতে ঘুরাফিরা করার জন্য)
CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (টেক্সটকে হাইলাইট করা)
SHIFT+TAB ( অপশনগুলোর পেছনে যাওয়া)
SHIFT with any of the arrow keys ( একই উইন্ডোতে একসাথে অনেকগুলো আইটেমকে বাছাই বা সিলেক্ট করা)
SHIFT+DELETE (বাছাইকৃত উপাদানগুলো permanently মুছে ফেলা)
SHIFT+F10 ( বাছাইকৃত আইটেমগুলোর জন্য শর্টকাট মেনু দেখা )
ALT+ENTER ( বাছাইকৃত আইটেম এরপ্রোপার্টিজ দেখা )
ALT+F4 ( চলমান কোন প্রোগ্রাম বা বিদ্যমান উইন্ডো বন্ধ করা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর শর্টকাট ওপেন করা )
ALT+TAB ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে মুভ করা )
ALT+ESC ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে ঘুরাফিরা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর জন্য সিস্টেম মেনু )
ALT+Underlined letter in a menu name ( সংশ্লিষ্ট মেনু দেখা )
Dialog Box (কীবোর্ড শর্টকাট)
BACKSPACE ( আগের মেনুতে ফিরে যাওয়া)
ESC ( সম্প্রতিক কাজ শেষ করা )
Accessibility Keyboard Shortcuts
HOME (সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
END ( সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
Windows Logo +U (ইউটিলিটি ম্যানাজার অন করা )
SHIFT five times (স্টিকি কী অন বা অফ করা )
Right SHIFT for eight seconds ( ফিল্টার কী অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (হাই কন্ট্রাসট অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK ( মাউস কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK for five seconds (টুগল কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK+Asterisk sign (*) (নির্বাচিত ফোল্ডারের মধ্যের সব সাব-ফোল্ডার দেখা )
NUM LOCK+Plus sign (+) (নির্বাচিত ফোল্ডারের সকল কন্টেন্ট দেখা )
NUM LOCK+Minus sign (-) (নির্বাচিত ফোল্ডারটি minimize করা
উইন্ডোজ ১০’র কিবোর্ড শর্টকাট
---------------------------
Windows key + A : অ্যাকশন সেন্টার খুলবে।
Windows key + C : করটানা কণ্ঠ নির্দেশনার জন্য তৈরি হবে।
Windows key + I : সেটিংস অ্যাপ্লিকেশন খুলবে।
Windows key + S: করটানা চালু হবে।
Windows key + Tab টাস্ক ভিউ দেখা যাবে।
Windows key + Ctrl + D :নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরি হবে।
Windows key + Ctrl + F4 :চালু থাকা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ হবে।
Windows key + Ctrl + left or right arrow : ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বদলাবে।
সাধারণ শর্টকাট
Windows key (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : স্টার্টমেন্যু খুলবে/বন্ধ হবে।
Windows key + X (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : স্টার্ট বোতামে ডান কিক করলে যে মেন্যু আসে, তা দেখা যাবে।
Windows key + left or right arrow (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর ডানে-বাঁয়ের পর্দাজুড়ে দেখা যাবে।
Windows key + E (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : দ্রুত ফাইল এক্সপ্লোরার চালু করে ফাইলপত্রের কাজ করা যাবে।
Windows key + L (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : ডেস্কটপ লক করা যাবে।
Alt + PrtScn (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে, কিপবোর্ডে কপি করা যাবে। Windosw key + Print Screen (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : ডেস্কটপের পুরো পর্দার ছবি (স্ক্রিনশট) নেওয়া যাবে। এগুলো জমা হবে Computer Picture screen shots ফোল্ডারে।
Collected

Address

Hasna Super Market, School Road, Patarhat, Mehendiganj, Barisal.
Barishal
8270

Telephone

01713900639

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I.T.Link Computer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to I.T.Link Computer:

Share