Hobby Collection Bd

Hobby Collection Bd Numismatic shop

প্রিয় সংগ্রাহক পরিবার,ব্যাংকনোট সংগ্রহের প্রতি আপনাদের অপরিসীম ভালোবাসা আর আমাদের প্রতি নির্ভরশীলতা প্রতিদিন নতুন করে চম...
22/09/2025

প্রিয় সংগ্রাহক পরিবার,
ব্যাংকনোট সংগ্রহের প্রতি আপনাদের অপরিসীম ভালোবাসা আর আমাদের প্রতি নির্ভরশীলতা প্রতিদিন নতুন করে চমকে দেয়। 💖💖
প্রতিটি পার্সেল আসলে শুধু একটা ডেলিভারি নয়-এগুলো আপনাদের আস্থা, আগ্রহ আর সংগ্রহের গল্প।

আপনাদের হাসি আর সন্তুষ্টিই আমাদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকে।

✅ স্বল্প মূল্যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে রেয়ার ব্যাংকনোট সংগ্রহ করা এখন আরও সহজ
✅ মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নিরাপদ হোম ডেলিভারি- একেবারেই ফ্রি
✅ অসংখ্য আইটেমের বিশাল ক্যাটালগ থেকে নিজের মতো বেছে নেওয়ার সুযোগ
✅ খুচরা ও পাইকারি- দুইভাবেই কেনাকাটার সুবিধা

বিস্তারিত জানার জন্য কিংবা অর্ডারের জন্য আমাদের ইনবক্স করুন অথবা কমেন্টে জানিয়ে দিন।

12/06/2025

স্বল্প মূল্যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে রেয়ার ব্যাংকনোট সংগ্রহ করা এখন আরও সহজ!

মাত্র ১০ দিনে হোম ডেলিভারি! তাও আবার সম্পূর্ণ ফ্রি!

রয়েছে প্রায় লক্ষাধিক আইটেমের ক্যাটালগ সমূহ থেকে পছন্দমতো বাছাই করার সুযোগ।

আরও রয়েছে খুচরা ও পাইকারি কেনাকাটার সুবিধা।

তাহলে আর দেরি কেন? বিস্তারিত জানতে ও অফার সম্পর্কে জানার জন্য এখনই আমাদের ইনবক্স করুন।

31/12/2022

Join our stock group-

Hobby Collection Group Bd

13/04/2022

Zimbabwe 10 Trillion Dollars

video collected from Banknote World

টাকা দিয়েও যে জাদুঘর বানানো যেতে পারে, ভেবেছেন কখনও? ঢাকার মিরপুরেই কিন্ত এমন একটি জাদুঘর আছে, যেখানে ঢুকলেই আপনি হারিয়ে...
21/11/2020

টাকা দিয়েও যে জাদুঘর বানানো যেতে পারে, ভেবেছেন কখনও? ঢাকার মিরপুরেই কিন্ত এমন একটি জাদুঘর আছে, যেখানে ঢুকলেই আপনি হারিয়ে যাবেন অন্য একটি জগতে! বলে রাখা ভালো, এন্ট্রি ফি কিন্ত সবার জন্যেই ফ্রি...

এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জাদুঘর। নেই কোনো প্রবেশ মূল্য। এখানে এক অদ্ভুত মজার ব্যাপার আছে। আচ্ছা, কেমন হয় যদি টাকার মধ্যে আপনার নিজের বা প্রিয় মানুষের ছবি থাকে? তাও আবার এক লক্ষ টাকার স্মারক নোটে! এমনটা সম্ভব কেবল যদি আপনি টাকার জাদুঘরে যান। মাত্র ৫০ টাকার বিনিময়ে আপনি ১ লক্ষ টাকার স্মারক নোটে আপনার কিংবা আপনার প্রিয় কারো ছবি বসিয়ে নিতে পারবেন। ইন্টারেস্টিং না ব্যাপারটা?

হ্যাঁ, টাকা ব্যাপারটাই আসলে ইন্টারেস্টিং। টাকা এমন এক জিনিস যার কোনো ধর্ম নাই, যে সবাইকে খুশি করতে পারে। টাকার আছে মন ভালো করে দেয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা। পকেটে টাকা থাকলে মনের জোরটাও বেশি থাকে। নিজেকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। এই টাকা মানুষকে হাসায়, কাউকে কাঁদায়, কাউকে খুব টেনশনে রাখে, কাউকে হতাশও করে। টাকা এক বিচিত্র আবিষ্কার।
আমাদের বাংলাদেশের টাকা সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? আজকের দিনে সবচেয়ে বড় ১ হাজার টাকার নোট দেখা মানুষ আপনি, কিন্তু এই এক হাজার টাকা পর্যন্ত টাকার বিবর্তন কি করে হলো, একদম শুরুতে আমাদের দেশে কেমন ধরনের মুদ্রা প্রচলিত ছিল- তা নিশ্চয়ই আপনার খুব ভাল জানা নেই। আমারও নেই। সমস্যা নেই, টাকার জাদুঘর তো আছে। এখানে গেলেই জানা যাবে ও দেখা যাবে হরেক রকম মুদ্রা।

আপনি যদি টাকার জাদুঘরে যেতে চান, আপনাকে যেতে হবে মিরপুর - ২ এ। বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেইনিং একাডেমির ভবনের দ্বিতীয় তলাজুড়ে টাকার জাদুঘরের অবস্থান। ২০১৩ সালে ৫ অক্টোবর এই জাদুঘরটির যাত্রা শুরু। এখানে বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। অন্যান্য দিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টাকার জাদুঘর খোলা পাবেন। তবে শুক্রবার দিন খোলা থাকে বিকেলের দিকে। বিকেল ৪ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা। কোনো প্রবেশ মূল্য নেই। একদম ফ্রিতেই আপনি টাকার জাদুঘরে পা ফেলতে পারবেন।

ভেতরে ঢুকেই আপনি অবাক হয়ে খেয়াল করবেন, আপনি এক অন্য জগতে এসে গেছেন। এ জগত টাকার জগত। দেয়ালে থরে থরে সাজানো টাকা। আছে ধাতব মুদ্রাও। এদের এখন চল নেই বলে মূল্য নেই। আবার এদের মূল্য অনির্ণেয়। কারণ, এই মুদ্রাগুলো এখন এন্টিক ভ্যালুর দিক থেকে অনেক দামী। তারচেয়ে বড় কথা, দেশের ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে এই এন্টিক মুদ্রাগুলো। এদের দেখে বিবর্তনটা কিছুটা বোঝা যায়- কোথায় ছিলাম আমরা, কোথায় এসেছি।

এই জাদুঘরটি মূলত দুইটি গ্যালারিতে সাজানো হয়েছে। প্রথম গ্যালারিতে সাজানো আছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে পুরোনো ছাপা মুদ্রা। এ মুদ্রার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, কতগুলো প্রতীকের ছাপ। সাধারণ রুপা দিয়ে তৈরি এ মুদ্রার প্রচলন শুরু হয় খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে। বাংলাদেশের মহাস্থানগড় ও নরসিংদী জেলার উয়ারী-বটেশ্বরে পাওয়া গেছে এ ধরনের অনেক মুদ্রা। ভাবুন একবার, কত প্রাচীন মুদ্রাও এখানে সংরক্ষিত আছে!

শুধু তা-ই নয়, এখানে আছে গুপ্তযুগের মুদ্রা, গুপ্তযুগ-পরবর্তী বাংলার মুদা, খ্রিষ্টীয় সপ্তম থেকে নবম শতক পর্যন্ত হরিকেল রাজ্যে প্রচলিত রৌপ্য মুদ্রা এবং প্রাচীনকাল থেকে উনিশ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বাংলায় ধাতব মুদ্রার পরিবর্তে ব্যবহৃত কড়িসহ বিভিন্ন যুগের মুদ্রা। আর বর্তমানে প্রচলিত দেশি মুদ্রা তো পাবেনই। বিভিন্ন উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ দিনে প্রকাশিত স্মারক মুদ্রাগুলোও এখানে সংরক্ষিত আছে। দ্বিতীয় গ্যালারিতে ফটো কিয়স্ক ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রার দেখা মিলবে।

এখানে ১২০টির অধিক দেশের মুদ্রা কেমন দেখতে - তা আপনি পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাবেন। যেহেতু জাদুঘরটি ডিজিটাল, এখানে আপনি টাচ স্ক্রিনের মাধ্যমে মুদ্রা ও নোট সম্পর্কিত বিভিন্ন ইতিহাস জানতে পারবেন অনায়াসে। এই জাদুঘরের একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুদ্রা কিংবা নোট মূলত উপহার হিসেবে এসেছে সংগ্রাহকদের কাছ থেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এখানে মুদ্রা উপহার দিয়েছেন। মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী নামে একজন আছেন, যিনি একাই জাদুঘরকে উপহার দিয়েছেন ১ হাজার ১৮০টি মুদ্রা। তার উপহারের মধ্যে আছে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রাও!

ইন্টারেস্টিং একটি দৃশ্য আপনার চোখে পড়বে, জাদুঘরের মূল ফটকে প্রবেশ করার পথে। আপনি এখানে দেখতে পাবেন, টাকার গাছ! ভবনের গায়ে গাছের রুপে স্টিলের কাঠামোতে এখানে একটি শিল্পকর্ম স্থাপিত হয়েছে। এই কাঠামোতে সাজানো আছে বিভিন্ন সময়ের মুদ্রার কপি। টাকার গাছ যে 'অবাস্তব' কিছু নয়, অন্তত সেটা নিজের চোখে দেখে আসতেও একবার হাজিরা দিতেই পারেন, এই ঢাকার টাকার জাদুঘরে!

আপনিও হতে পারেন মুদ্রা সংগ্রাহক।কয়েন একটা শখের জিনিস। শখের জিনিস না হলেই কি আর ১ সেন্টের একটা কয়েন তৈরি করতে আমেরিকা প্র...
19/11/2020

আপনিও হতে পারেন মুদ্রা সংগ্রাহক।

কয়েন একটা শখের জিনিস। শখের জিনিস না হলেই কি আর ১ সেন্টের একটা কয়েন তৈরি করতে আমেরিকা প্রায় আড়াই সেন্ট খরচ করে?
এক সেন্ট মানে ধর এক পয়সা। আমাদের দেশে যেমন ১০০ পয়সাতে এক টাকা হয়, আমেরিকাতে ১০০ সেন্টে হয় এক ডলার।
তোমরা কি এক পয়সার কয়েন কখনো দেখেছ? ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ প্রথম ১৯৭৩ সালে ৫,১০,২৫ এবং ৫০ পয়সার মুদ্রা চালু করে। এক পয়সার মুদ্রা বের হয় ১৯৭৪ সালে।
1.আপনিও হতে পারেন মুদ্রা সংগ্রাহক
তোমরা হয়তো ভাবছ, এখনতো এক টাকা দিয়েই একটা লজেন্সের বেশি পাওয়া যায় না, তখন এক পয়সা দিয়ে কি হতো? তখন এরকম ৮ টি পয়সা হলে একটা মিষ্টি কিনে খাওয়া যেত। সেই হিসেবে ১ টাকা হলে তো প্রায় ১২ টার বেশি মিষ্টি কিনে খেতে পারতে। খুব মজা হতো তাই না?
এখনকার দিনে তো কাউকে কয়েন দিলে নিতেই চায় না। পয়সা যে কতটা শখের সে বিষয়টা খুব ভাল করে বুঝা যায়, যখন আমেরিকান ১ সেন্টের দুটি কয়েনের মূল্য ওঠেছিল ১০ লাখ ডলার। চিন্তা করা যায়? শুধুমাত্র শখের বশে বাংলাদেশি টাকার প্রায় ৮০ লাখ টাকা দিয়ে দুটি কয়েন কিনেন একজন। কয়েন দুটি অবশ্য ১৭৯২ সালের। আমেরিকার দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যানাহেইমে মুদ্রা দুটি নিলামে বিক্রি করা হয়।
পুরনো পয়সার অনেক মূল্য তাই না? চলো, তবে এমন শখের মুদ্রা নিয়ে আরো কিছু জেনে আসি।
ফ্লোইং হেয়ার একটি ১ কোটি ডলার মূল্যের কয়েন। তাহলে এই কয়েনটি কি এমন ধাতু দিয়ে বানিয়েছে? তেমন কিছু না, রুপা দিয়ে বানানো সাধারণ মুদ্রা। যে রুপা গলিয়ে বিক্রি করলে ১২ ডলারের বেশি পাওয়া যাবে না। এই মুদ্রাটি ১৭৭৪ সালে আমেরিকা স্বাধীন হওয়ার পর ইউনাইটেড স্টেট ফেডারেল সরকারের চালু করা প্রথম মুদ্রা। এই মুদ্রার উপর রোমানদের স্বাধীনতার দেবী লিবার্টির মুখাবয়ব এবং তার চারদিকে ১৫ টি তারকা খচিত রয়েছে। ১৫ টি তারকা কেন? আমাদের দেশে যেমন বিভাগ আছে ঢাকা, খুলনা, সিলেট তেমনি আমেরিকাতে আছে অঙ্গরাজ্য। আমেরিকাতে তখন ছিল ১৫ টি অঙ্গরাজ্য। কয়েনের ওপরের দিকে লিখা আছে লিবার্টি। এটিই কিন্তু সব চেয়ে দামি মুদ্রা না, এর থেকেও বেশি দাম ওঠেছিল ডবল ঈগলের।
১৮৪৯ সালের এই মুদ্রাটি পৃথিবীতে একটিই অবশিষ্ট আছে। এই মুদ্রাটির দাম কতো জান? ২ কোটি ডলার। এই মুদ্রাটি দেখতে হলে তোমাকে যেতে হবে স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরে।
মুদ্রা সংগ্রহের শখটা অনেক পুরনো; প্রায় দুই হাজার বছর আগের। শখের বশে রাজা আর উচ্চবংশীয় ধনী লোকজন মুদ্রা সংগ্রহ করতেন। এই জন্য রেনেসাঁকালে মুদ্রা সংগ্রহের শখটাকে রাজার শখ বলা হত। প্রথমবার মুদ্রা সংগ্রহ শুরু করেছিলেন একজন রাজা। রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার বিভিন্ন সাম্রাজ্য থেকে প্রথম মুদ্রা সংগ্রহ শুরু করেন। শুধু রাজ-রাজাদেরই মুদ্রার শখ ছিল এমনটা নয়। চতুর্দশ শতকের ইতালিয়ান কবি পেত্রার্কের সংগ্রহে ছিল নানা ধরনের মুদ্রা।
মুদ্রা নিয়ে এত কথা কিন্তু এই মুদ্রা এসেছিল কিভাবে? এই ইতিহাস অনেক পুরনো। আমরা এখন কোনো কিছু কিনতে গেলে কি করি? দাম জিজ্ঞেস করে টাকা দিই,তাই না? একটা সময় ছিল যখন এই টাকা পয়সা কিছুই ছিল না। তাহলে কি সবকিছু ফ্রী-তে পাওয়া যেত? তখন মানুষ কি করত জান, একটা কিছুর বিনিময়ে আরেকটা কিছু দিতে হত। যেমন ধর তোমার কাছে সুন্দর জামা আছে, কিন্তু তোমার এখন কিছু খাবারের দরকার। তুমি তোমার সুন্দর জামা দিয়ে যার কাছে খাবার আছে তার থেকে খাবার নিয়ে যাবে। এইটাকে বলা হত বিনিময় প্রথা। এখন যার কাছে খাবার আছে তার যদি জামার দরকার না হয়? কি মুস্কিল, তাই না? এমন কোনো খাবার ওয়ালাকে খুজতে হবে যার জামার দরকার। এই রকম আরো অনেক অসুবিধা দূর করার জন্য মুদ্রা প্রচলন শুরু হয়। মুদ্রা হিসেবে ধাতুর ব্যাবহার শুরু হয় বর্তমান তুরস্কে। যিশু খ্রিষ্টের জন্মের পাঁচ হাজার বছর আগে। আনাতোলীয় সভ্যতার লাইডিয়ার জনগন প্রথম ধাতু মুদ্রার প্রচলন করে। কাগজের নোট গুলো এসেছে আরো অনেক পরে। যিশু খ্রিষ্টের জন্মের মাত্র সাতশ বছর আগে। চীন দেশে প্রথম কাগজের নোট চালু হয়।
মুদ্রাগুলো শুধু বিনিময়ের কাজে লেগেছে এমনটা নয়,আজকে বহু পুরনো ইতিহাস গুলো বের হয়ে আসছে মুদ্রার মাধ্যমে। প্রতিটি মুদ্রায় জাগ্রত থাকে, একেক অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস। মুদ্রার ওপর লিখা এবং প্রতীক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিভিন্ন ইতিহাস। তাই মুদ্রাগুলোর আর্থিক দামের থেকে ঐতিহাসিক মূল্য অনেক বেশি। সম্রাট আকবরের সাহিত্যের প্রতি আগ্রহটা বুঝা যায় চার কোণার কয়েন কাপলিট দেখে। কাপলিট কয়েনে কিছু কবিতার লাইন খচিত হয়েছিল। প্রচীন গান্ধারা সভ্যতার বাঁকানো নৌকা আকৃতির ‘ব্যান্ডবার কয়েন’, প্রাচীন ভারতের বিজাপুর রাজ্যের চুলের ক্লিপ আকৃতির ‘লারিন কয়েন’মধ্যযুগের চট্টগ্রামের বণিকদের তৈরি ‘ট্রেড কয়েন’ ইতিহাসে অনেক তথ্য যোগ করেছে। তাইতো পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় শুধু মুদ্রার সংগ্রহ নিয়েই জাদুঘর তৈরী হচ্ছে। আন্তর্জাতিক জাদুঘর গুলোতে দেওয়া হচ্ছে মুদ্রার জন্য আলাদা কক্ষ। বাংলাদেশে মিরপুরে তৈরি হয়েছে টাকার জাদুঘর। মজার সব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে তুমিও ঘুরে আসতে পার।
যুগ পরিবর্তন হচ্ছে, পরিবর্তন হচ্ছে কয়েনের ধারনা। ওই যে বললাম, যুগের সাক্ষ্য বহন করে সে সময়ের কয়েন। এখন তো সময় তথ্য-প্রযুক্তি আর ইলেকট্রনিক্সের। এ যুগে আছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক মুদ্রা। হাতে ধরা যায় না, দেখা যায় না তবুও এই মুদ্রার দাম স্বর্ণের চেয়েও বেশি। এই মুদ্রাকে বলা হয় বিট কয়েন। ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রার প্রচলন করেন। বিটকয়েনের লেনদেনটি বিটকয়েন মাইনার নামে একটি সার্ভার কর্তৃক সুরক্ষিত থাকে। বিটকয়েনের দাম নির্দিষ্ট থাকে না, সব সময় ওঠা নামা করে। বর্তমানে ১ বিট কয়েনের বাজার দাম প্রায় সাড়ে নয়শত ডলার। ডিপ ওয়েব ও ডার্ক ওয়েবের একমাত্র কারেন্সি এই বিটকয়েন। তোমরা এই কয়েন নিয়ে আরো অনেক কিছু জানতে পারবে।
দিন যাচ্ছে আর মুদ্রায় আসছে পরিবর্তন। তোমার পকেটে রাখা ছোট্ট একটি কয়েন হয়তো পৃথিবীর কোনো এক সময়ে আমাদের এই সময়ের গল্প বলবে। তোমার, আমার, আমাদের গল্প বলবে। একদিন জৈন্তাপুর কয়েন, হরিকেল কয়েন গুলোও তোমাদের মতো কারো কারো হাতে ছিল। এখন সেই মুদ্রাগুলোর স্থান হয়েছে জাদুঘরে অথবা কারো শখের সংগ্রহশালায়। মুদ্রার সাথে শুধু আর্থিক লেনদেনের কোনো সম্পর্ক নয়, সম্পর্ক হয় আত্মার, হৃদয়ের স্পন্দন থেকে ওঠে আসা এক ভালবাসার নাম হয়ে ওঠে মুদ্রা; আমাদের শখের মুদ্রা।
সূত্রঃ আজকের ভোলা।

৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের নোট যার আছে তার কি আর চিন্তা আছে? থাকার কথাও নয়। তবে সেটি যদি হয় জিম্বাবুয়ের, তখন একটু চিন্তা হতেই পা...
19/11/2020

৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের নোট যার আছে তার কি আর চিন্তা আছে? থাকার কথাও নয়। তবে সেটি যদি হয় জিম্বাবুয়ের, তখন একটু চিন্তা হতেই পারে। কারণ জিম্বাবুয়েতে নাকি হাজার ট্রিলিয়ন টাকার নোটও আছে। আর আমাদের টাকার মানের কাছে সেই হাজার ট্রিলিয়ন টাকার নোটও কিছু নয়। আজ থাকছে এক
কায়ছারের টাকার খনির গল্প।

সারাদিন অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকলেও চিন্তা-ভাবনার পৃথিবীতে অনেকটাই জুড়ে আছে সংগ্রহ তার। তিনি মূলত টাকা ও মুদ্রার সংগ্রাহক। বিশ্বের প্রায় সব দেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত কাগজি এবং ধাতব মুদ্রা রয়েছে আহমেদ কায়সারের সংগ্রহে।
বলতে গেলে না বুঝেই প্রথমদিকে টাকা সংগ্রহ করতেন। দেশি টাকার পুরনো এবং আধা ছেঁড়া একটি নোট থেকে আজ এত বড় সংগ্রহশালা। এখন এটি শখ থেকে নেশায় পরিণত হয়েছে। শুরুর দিকে সার্কভুক্ত দেশের মুদ্রা ও নোট সংগ্রহ করতেন। এরপর গোটা দুনিয়ার নোট ও মুদ্রা সংগ্রহের দিকে হাত বাড়ান। যেসব দেশ এর মধ্যে পৃথিবী থেকে বিলীন হয়ে গেছে, আছে সেসব দেশের দুর্লভ কাগজি নোট এবং মুদ্রা।
শুরুর গল্প
স্কুলজীবন থেকেই তার সংগ্রহ শুরু। টাকা ও ডাকটিকিট তখন একসঙ্গেই সংগ্রহ করতেন। পরে ডাকটিকিট সংগ্রহ কমিয়ে টাকা সংগ্রহের দিকে ঝোঁকেন কায়সার। বর্তমানে তার সংগ্রহের ঝুলিতে একে একে জমা হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন বিলুপ্ত দেশ এবং বর্তমান দেশগুলোর কাগজি ও ধাতব মুদ্রা। আছে এক টাকার কাগজি মুদ্রা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার ট্রিলিয়ন মূল্যমানের কাগজি নোট।

প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালের প্রচলিত মুদ্রাও আছে তার সংগ্রহে। আছে ভারতবর্ষের রাজা এবং সুলতানি আমলের ধাতব মুদ্রা, স্বর্ণ, রৌপ্য, তামাসহ বিভিন্ন ধরনের ধাতুর নানা দেশের প্রচলিত এবং অপ্রচলিত ধাতব মুদ্রা। আছে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং ৬টি টেরিটরির আলাদা আলাদা ধাতব মুদ্রা, মুদ্রা স্মারক, প্রুফ (হাতের স্পর্শহীন) মুদ্রা। এমন কিছু কাগজি নোটও আছে যে নোটের ছবি একই কিন্তু প্রিফিক্স (কাগজি মুদ্রার গায়ে লিখিত বর্ণমালা) আলাদা। এই পার্থক্য থেকেই চেনা যায় আলাদা আলাদা দেশগুলোকে।
বাংলাদেশের মুদ্রা ও নোট
বাংলাদেশের টাকার যে সংগ্রহ তার কাছে আছে সে সংগ্রহ খুব কম মানুষের কাছেই আছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস (নাসিক) স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এক টাকা, পাঁচ টাকা, ১০ টাকা এবং ১০০ টাকার কাগজি মুদ্রা ইস্যু করে। এক টাকার নোটে স্বাক্ষর করেন অর্থ সচিব কেএ জামান এবং পাঁচ টাকা, ১০ টাকা এবং ১০০ টাকার নোটে স্বাক্ষর করেন গভর্নর এ এম হামিদুল্লাহ। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১০ জন গভর্নরের স্বাক্ষরকৃত বিভিন্ন নকশা এবং আকৃতির বিভিন্ন মূল্যমানের কাগজি মুদ্রা ইস্যু করে। আর কায়ছারের সংগ্রহে আছে তার প্রায় সবগুলোই। এ ছাড়াও এক পয়সা থেকে শুরু করে পাঁচ টাকা পর্যন্ত সব নকশা ও আকৃতির ধাতব মুদ্রাও তার সংগ্রহে আছে।
ভিনদেশের মুদ্রা ও নোট
এ পর্যন্ত তার সংগ্রহে আছে ২৪৫ দেশের কাগজি মুদ্রা এবং ২৭৬ দেশের ধাতব মুদ্রা। আর এ সংগ্রহের তালিকায় আছে বিশ্বের বেশকিছু দুর্লভ দেশের মুদ্রা। যেমন ধাতব মুদ্রার মধ্যে_ অ্যাসেনশেন আইল্যান্ড, জাঞ্জিবার, কাতাংগা, বেলজিয়ান কঙ্গো, তিব্বত, রোভেশিয়া, প্রিন্স অ্যাডওয়ার্ড আইল্যান্ড, ওয়েলস অ্যান্ড ফুটুনা, কিউরেকাউ, আলডারনিসহ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ, পর্তুগিজ, ফ্রেঞ্চ অধিকৃত প্রায় সব কলোনির ধাতব মুদ্রা। তেমনি কাগজি মুদ্রার মধ্যে আছে আরুবা, অস্ট্রো-হাঙ্গেরি, বহেমিয়া অ্যান্ড মোরাভিয়া, ফারো আইল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, স্ট্রেইটস সেটেলমেন্ট, ইস্ট আফ্রিকা, মালি, মন্টেনিগ্রো, লিচেস্টিনস্টেইনসহ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ, পর্তুগিজ, ফ্রেঞ্চ অধিকৃত প্রায় সব কলোনি এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান দখলকৃত বিভিন্ন দেশের মুদ্রা। এ ছাড়া বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশের কাগজি এবং ধাতব মুদ্রাও তার সংগ্রহে আছে।
অভিযানের এদিক-ওদিক
মুদ্রা সংগ্রহের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কায়সার জানান, মুদ্রা সংগ্রহ একটি ব্যয়বহুল এবং কষ্টসাধ্য বিষয়। প্রায় সময় বন্ধু মহলে এ নিয়ে হাস্যরস হয়। কেউ কেউ আন্তর্জাতিক ফকির ডেকেও বিদ্রূপ করেন তাকে। আবার বলেন, এয়ারপোর্টে থালা নিয়ে বসে থাকতে। এতে আরও কিছু সংগ্রহ হবে। সংগ্রহ করতে গিয়ে মজার সব ঘটনার পাশাপাশি দুঃখের স্মৃতিও কম নেই তার। একসঙ্গে একবার তার ২০টি দুর্লভ মুদ্রা চুরি হয়ে যায়। এ ছাড়া শুরুর দিকে মানুষের ধোঁকাতেও পড়তেন প্রায়ই। একবার বাংলাদেশের দুই টাকার দোয়েল পাখির ছবিসংবলিত নোট বিশ্বের সুন্দর নোটগুলোর মধ্যে পুরস্কৃত হয়, যা জানা ছিল না। সে সময় এক পর্তুগিজ বন্ধু আমাকে সেই নোটটি পাঠাতে বলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে সে কী পাঠাবে জানতে চাইলে জানান, সেই টাকার বিনিময়ে তাকে তাদের দেশের পাঁচ ইউরো মূল্যমানের নোটসহ (১ ইউরো = ৮৪ টাকা প্রায়) আরও বেশকিছু উপহার দেবেন। পরে তাই হয়েছিল। বাংলাদেশের দুই টাকার পরিবর্তে নানা উপহার পাঠিয়েছিলেন। সংগ্রহ করতে গিয়ে তার সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সংগ্রাহকদের সঙ্গে পরিচয় হয়। এর মধ্যে নরওয়ের একজন সঙ্গীত শিল্পী তাকে বিভিন্ন দেশের কাগজি নোট ও ধাতব মুদ্রা দিয়ে সাহায্য করেন।
বাংলাদেশি কাগজি মুদ্রা সংগ্রহে বন্ধু মহলের মধ্যে বাংলাদেশ নিউম্যাসমেটিক কালেক্টর সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুল হক তাকে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন। এ ছাড়া স্কুলজীবনের বন্ধু সাইফুল হক রনি লন্ডন থেকে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও কাগজি নোট সংগ্রহে সহযোগিতা করেন। যারা নতুন সংগ্রাহক তাদের উদ্দেশে কায়সার বলেন, যেহেতু মুদ্রা সংগ্রহ একটি ব্যয়বহুল শখ, তাই মুদ্রা সম্পর্কে ভালো ধারণা লাভ করে মুদ্রা কেনা এবং বিনিময় করা উচিত। আর আমার একটা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আছে। আমি বিভিন্ন দেশের কাগজি নোট এবং মুদ্রার একটি মিনি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যেখানে দর্শনার্থীরা একসঙ্গে বিশ্বের সব দেশের কাগজি নোট ও ধাতব মুদ্রা দেখতে পাবেন।

Address

Barishal

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 23:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

+8801732256800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hobby Collection Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hobby Collection Bd:

Share

Category