Sonali Book Depo

Sonali Book Depo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sonali Book Depo, Shopping District, Bakharpur kaliachak malda, Malda.

Sonali Book Depo – আপনার বিশ্বস্ত বইয়ের দোকান।

স্কুল, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিভিন্ন রেফারেন্স বই এখানে পাওয়া যায়।
Original book, সাশ্রয়ী দাম এবং দ্রুত ডেলিভারি।

Website: https://sonalibookdepo.in
Order করতে WhatsApp / Messenger এ মেসেজ করুন।

10/05/2026

আপনি কি ঘরে বসে ইনকাম করার কথা ভাবছেন? কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোথা থেকে শুরু করবেন? আপনার জন্য আমরা নিয়ে এসেছি ৩৪টি প্রিমিয়াম বাংলা ফ্রিল্যান্সিং কোর্স এর এক বিশাল বান্ডেল! 🎓
✅ কী কী থাকছে এই কোর্সে?
ডিজিটাল মার্কেটিং, এআই মাস্টার ক্লাস, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং (ক্যাপকাট ও ফিল্মোরা), ইউটিউব অটোমেশন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং আরও অনেক কিছু! (লিস্ট ছবিতে দেখুন)
💰 অফার মূল্য: মাত্র ১৯৯ টাকা!
এতগুলো কোর্স একসাথে পাওয়ার এই সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য। নিজের স্কিল ডেভেলপ করুন এবং ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করুন আজই।
👉 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন অথবা কমেন্ট করুন।​

মোবাইল রিপেয়ারিং শিখে হয়ে উঠুন স্বনির্ভর! (সম্পূর্ণ কোর্স ২০২৬আপনি কি মোবাইল রিপেয়ারিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে চা...
29/04/2026

মোবাইল রিপেয়ারিং শিখে হয়ে উঠুন স্বনির্ভর! (সম্পূর্ণ কোর্স ২০২৬

আপনি কি মোবাইল রিপেয়ারিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে চান? অথবা একজন প্রফেশনাল টেকনিশিয়ান হিসেবে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে চান? 🛠️📱
​আপনার জন্য নিয়ে এলাম "মোবাইল রিপেয়ারিং সম্পূর্ণ কোর্স" বইটির নতুন ২০২৬ সংস্করণ। একদম জিরো থেকে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত সবকিছু এই একটি বইতেই সাজানো হয়েছে।
​📘 এই বইটিতে যা যা থাকছে:
​✅ হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার সমস্যার সমাধান।
​✅ আইসি (IC) এবং সার্কিট লেভেলের বিস্তারিত কাজ।
​✅ ট্রাবলশুটিং মাস্টার গাইড।
​✅ স্পেয়ার পার্টস চেনার উপায়।
​✅ বিজনেস আইডিয়া ও ইনকাম গাইড।
​✅ ২১টি অধ্যায় এবং প্র্যাকটিক্যাল ছবিসহ সহজ ব্যাখ্যা।
​🎁 স্পেশাল বোনাস:
বইটির সাথে পাচ্ছেন ফ্রি চেকলিস্ট, ডায়াগ্রাম এবং বিশেষ প্র্যাকটিক্যাল টিপস! 🎁
​যারা নতুন শিখছেন তাদের জন্য এটি সবথেকে সহজ ভাষায় লেখা একটি বই। আজই আপনার কপিটি সংগ্রহ করুন এবং নিজের ক্যারিয়ার বদলে ফেলুন।
​🛒 অর্ডার করতে বা বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন অথবা কমেন্ট করুন।

Mobile repairing coursepage- 463language- bengali price- 99
20/04/2026

Mobile repairing course
page- 463
language- bengali
price- 99

আপনি কি মোবাইল রিপেয়ারিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান? অথবা নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন? আমাদের এই "A to Z ...
19/04/2026

আপনি কি মোবাইল রিপেয়ারিং শিখে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান? অথবা নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন? আমাদের এই "A to Z মোবাইল রিপেয়ারিং মাস্টারকোর্স" আপনাকে একদম বেসিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেল পর্যন্ত হাতে-কলমে কাজ শিখিয়ে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ান হিসেবে গড়ে তুলবে।
​কেন আমাদের এই কোর্সটি সেরা?
​সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায়: সহজ ও সাবলীল বাংলায় প্রতিটি ধাপ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
​হাতে-কলমে শিক্ষা: থিওরির পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল কাজের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
​লেটেস্ট টেকনোলজি: বর্তমান বাজারের লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড (Android) এবং আইফোন (iPhone) রিপেয়ারিং টেকনিক অন্তর্ভুক্ত।
​আমরা যা যা শেখাবো (Course Curriculum):
​বেসিক ইলেকট্রনিক্স: মাল্টিমিটার ব্যবহার, কম্পোনেন্ট (Resistor, Capacitor, Coil) চেনা ও চেক করা।
​হার্ডওয়্যার সেকশন: মোবাইল ডিসসেম্বল করা, ডিসপ্লে পরিবর্তন, চার্জিং পোর্ট ও ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্ট।
​অ্যাডভান্স লেভেল: আইসি (IC) রিবলিং, মাইক্রো-সোল্ডারিং এবং মাদারবোর্ড শর্ট সলিউশন।
​সফটওয়্যার সেকশন: ফ্ল্যাশিং, আনলকিং (Pattern/FRP Lock), এবং ওএস (OS) আপডেট।
​ডেড ফোন রিকভারি: বন্ধ হয়ে যাওয়া ফোন স্টেপ-বাই-স্টেপ ডায়াগনোসিস ও ঠিক করার উপায়।
​এই কোর্সটি কাদের জন্য?
​যারা বেকারত্ব দূর করে স্বাবলম্বী হতে চান।
​যারা পার্ট-টাইম বা ফুল-টাইম মোবাইল মেকানিক হিসেবে কাজ করতে চান।
​যারা অলরেডি দোকানে কাজ করছেন কিন্তু অ্যাডভান্স লেভেলের কাজে দুর্বল।
​বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই কোর্সটি শেষ করার পর আপনি নিজেই যেকোনো ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন রিপেয়ার করার আত্মবিশ্বাস পাবেন এবং নিজের দোকান দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হবেন।
https://sonalibookdepo.in/product/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be/

08/04/2026

"Namaskar! Apni ki boi premik? Tahole ei video-ti apnar jonnei. Amader online book shop-e apni paben Golpo, Kobita, Onubad theke shuru kore shob dhoroner boi.

Keno amader theke kinben?

🏠 Ghore boshei home delivery.

📚 Hajar hajar boiyer songroho.

💰 Shasroyi dam ebong darun offer.

Ekhoni order korun: https://sonalibookdepo.in/


Naimouza High School (H.S.)1st Summative -2026Class VI, Sub- Paribesh Bigyanপরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা১) মানুষ...
30/03/2026

Naimouza High School (H.S.)
1st Summative -2026
Class VI, Sub- Paribesh Bigyan

পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা
১) মানুষেরা কীভাবে উদ্ভিদ দ্বারা উপকৃত হয়? উদাহরণ সহ লেখ।
উঃ- উদ্ভিদ থেকে উপকার: মানুষ অক্সিজেন, খাদ্য (ধান, গম), ঘর তৈরির উপাদান (কাঠ, বাঁশ) এবং ঔষধ (তুলসী, নিম) পায়।
২) মিথোজীবিতা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ- মিথোজীবিতা: যখন দুই বা ততোধিক জীব একে অপরের ওপর নির্ভর করে একত্রে বেঁচে থাকে এবং উভয়েই উপকৃত হয়, তাকে মিথোজীবিতা বলে। যেমন: লাইকেন।
৩) সাগরকুসুম ও ক্লাউন মাছ কীভাবে একে অপরের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে?
উঃ- সাগরকুসুম ও ক্লাউন মাছ: সাগরকুসুমের বিষাক্ত কর্ষিকা ক্লাউন মাছকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে। বিনিময়ে ক্লাউন মাছ সাগরকুসুমের গায়ে লেগে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে এবং শত্রুকে তাড়িয়ে দেয়।
৪) পিঁপড়ে ও জাব পোকা এর মধ্যে কী ধরনের মিথেজীবিতা দেখা যায়?
উঃ- পিঁপড়ে ও জাব পোকা: জাব পোকা একরকম মিষ্টি রস (হানিডিউ) নিঃসরণ করে যা পিঁপড়েরা খায়। বিনিময়ে পিঁপড়েরা জাব পোকাদের অন্যান্য শত্রুর হাত থেকে পাহারা দেয়।
৫) ম্যালেরিয়ার জীবানু মানুষের শরীরে কোথায় বাসা বাঁধে ও মানুষের কী ক্ষতি করে?
উঃ- ম্যালেরিয়ার জীবাণু: এরা মানুষের যকৃৎ (লিভার) ও লোহিত রক্তকণিকায় বাসা বাঁধে। এর ফলে মানুষের রক্তাল্পতা (Anemia) দেখা দেয় এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
৬) যকৃৎ তেল পাওয়া যায় এমন দুইটি মাছের নাম লেখো। যকৃৎ তেলে কি কি ভিটামিন থাকে?
উঃ- যকৃৎ তেল ও ভিটামিন: হাঙর ও কড মাছের যকৃৎ থেকে তেল পাওয়া যায়। এই তেলে ভিটামিন-এ (A) ও ভিটামিন-ডি (D) থাকে।
৭) কোন্ কোন্ প্রাণী পরিবেশের দূষণ কমাতে সাহায্য করে? এরা ভীভাবে পরিবেশের দূষণ কমায়?
উঃ- পরিবেশের দূষণ রোধ: কাক, শকুনের মতো প্রাণীরা মরা পচা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। এদের 'প্রাকৃতিক মেথর' বলা হয়।
৮) পাউরুটি তৈরীর উপাদান গুলি কি কি? পাউরুটির গায়ে ফুটো থাকে কেন?
উঃ- পাউরুটি: এর প্রধান উপাদান হলো ময়দা, জল ও ইস্ট। ইস্ট ময়দার শর্করার ওপর কাজ করে কার্বন-ডাই-অক্সাইড তৈরি করে, যা বেরিয়ে যাওয়ার সময় পাউরুটির গায়ে অসংখ্য ছোট ফুটো তৈরি হয়।
৯) কোন এলাকায় কাঠের বাড়ি বেশি দেখা যায়?
উঃ- কাঠের বাড়ি: যেখানে ভূমিকম্প বেশি হয় (যেমন পাহাড়ী অঞ্চল বা জাপান) সেখানে কাঠের বাড়ি বেশি দেখা যায়।

১০) কোন গাছের তত্ত্ব থেকে সুতির জামাকাপড় তৈরী হয়?
উঃ-সুতির জামাকাপড়: কার্পাস (তুলা) গাছের তন্তু থেকে তৈরি হয়।
১১) ভিটামিন-ডি (D) এর একটি কাজ লেখো।
উঃ-ভিটামিন-ডি এর কাজ: হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে।
১২) একটি ঝাড়ুদার পাখির নাম লেখো।
উঃ- ঝাড়ুদার পাখি: কাক।
১৩) আমাদের পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এমন দুইটি প্রাণীর নাম লেখো।
উঃ- পরিবেশ পরিষ্কার রাখা প্রাণী: শেয়াল ও শুকর (এছাড়া কাক ও শকুনও কাজ করে)
১৪) দই তৈরীতে কোন অনুজীব সাহায্য করে?
উঃ- দই তৈরীর অণুজীব: ল্যাকটোব্যাসিলাস (Lactobacillus) নামক ব্যাকটেরিয়া।
১৫। দুইটি অ্যন্টিবায়েটিকের নাম লেখ।
উঃ- দুইটি অ্যান্টিবায়োটিক: পেনিসিলিন ও স্ট্রেপ্টোমাইসিন।

আমাদের চারপাশের ঘটনাসমূহ
১) শিলাবৃষ্টির সময় বরফের টুকরো হাতে চেপে ধরলে কী হয়?
উঃ-শিলাবৃষ্টির বরফ: শিলাবৃষ্টির বরফের টুকরো হাতে চেপে ধরলে চাপের ফলে বরফ গলে জল হয়ে যায়। আবার চাপ ছেড়ে দিলে সেই জল জমে বরফ হয়ে যায় (একে পুনশিলীভবন বলে)।
২) পর্যাবৃত্ত ঘটনা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উঃ-পর্যাবৃত্ত ঘটনা: যে ঘটনাগুলো একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর বারবার ঘটে, তাদের পর্যাবৃত্ত ঘটনা বলে। যেমন: ঘড়ির কাঁটার চলন বা ঋতু পরিবর্তন।
৩) বন্যার প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণ বর্ণনা করো।
উঃ-বন্যার কারণ:
• প্রাকৃতিক: অত্যধিক বৃষ্টিপাত বা নদীর নাব্যতা হ্রাস।
• মনুষ্যসৃষ্ট: অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ, বনভূমি ধ্বংস এবং প্লাবনভূমিতে বসতি স্থাপন

৪) নীচে কিছু রাসায়নিক পদার্থের নাম দেওয়া হলো এরা কোন কাজে ব্যবহৃত হয় তা লেখো -
(a) ইউরিয়া / (b) ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট / (c) কাঠোরিল/ (d) ম্যালাথিয়ন।
উঃ- রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার:
• (a) ইউরিয়া: জমিতে নাইট্রোজেন সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• (b) ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (DAP): গাছের বৃদ্ধিতে ফসফরাস ও নাইট্রোজেন সার হিসেবে লাগে।
• (c) কার্বারিল (কাঠোরিল): এটি একটি কীটনাশক যা পোকা দমনে ব্যবহৃত হয়।
• (d) ম্যালাথিয়ন: মশা ও কৃষিকাজের ক্ষতিকারক পোকা মারতে ব্যবহৃত হয়।

৫) বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালিয়ে পরে নিভিয়ে দেওয়া হলো এই ঘটনা একমখী না উভমখী?
উঃ-বাল্ব জ্বালানো ও নেভানো: এটি একটি উভমুখী ঘটনা (যেহেতু বাল্বটি আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে)।

৬) কোন এক বছর বন্যা হল, একটি পর্যাবৃত্ত না অপর্যাবৃত্ত ঘটনা?
উঃ-বন্যা: এটি একটি অপর্যাবৃত্ত ঘটনা, কারণ এটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর নিয়মিত ঘটে না।
৭) গাছে কাঁচা ফল পেঁকে গেল এটি ভৌত না রাসায়নিক ঘটনা?
উঃ- ফল পাকা: এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন (কারণ ফলের গঠন স্থায়ীভাবে বদলে যায়)।

৮) একটি গোটা আলু সেদ্ধ করা হলে। ওই একই আলুকে যদি ছোটো ছোটো টুকরো করে সেদ্ধ করা হয়, হলো। তাহলে কোন ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগবে?
উঃ-আলু সেদ্ধ: গোটা আলু সেদ্ধ করতে বেশি সময় লাগবে। কারণ টুকরো করলে আলুর তলদেশের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়, ফলে তাপ দ্রুত ভেতরে পৌঁছায়।
৯) মরচে চুম্বকের কাছে নিয়ে গেলে কী ঘটবে?
উঃ- মরচে ও চুম্বক: মরচে (আয়রন অক্সাইড) চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না। লোহা মরচে ধরলে তার চৌম্বক ধর্ম নষ্ট হয়ে যায়।
১১) দুধ থেকে ছানা কাটানো হলো এটি ভৌত না রাযায়নিক পরিবর্তন?
উঃ-দুধ থেকে ছানা: এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন (কারণ ছানা থেকে পুনরায় দুধে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়)।
১২) মোমবাতি জ্বালানো হলে কোন পরিবর্তন ঘটে ।
উঃ-মোমবাতি: মোমবাতি জ্বললে ভৌত ও রাসায়নিক উভয় পরিবর্তনই ঘটে। মোম গলে যাওয়া ভৌত পরিবর্তন, আর সলতে পুড়ে কার্বন-ডাই-অক্সাইড হওয়া রাসায়নিক পরিবর্তন।

১৩) ফাটা আলতে বাদামি ছোপ পড়ে কোন মোলের উপাস্থাতর কারণে?
উঃ-আলুর বাদামি ছোপ: আলুতে থাকা লোহা (Iron) বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জারিত হওয়ার ফলে বাদামি ছোপ পড়ে।

১৩। শুয়োপোকা থেকে প্রজাপতি হলো একটি পরিবর্তন।
উঃ-শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি: এটি একটি শারীরবৃত্তীয় ও রাসায়নিক পরিবর্তন (এটি একটি একমুখী ঘটনা)।

১৪) গাছের তৈরী খাবারে কোন শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে পরিনত হয়ে খাদ্যে আবদ্ধ থাকে?
উঃ-খাবারে শক্তি: গাছের তৈরি খাবারে সূর্যের সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে আবদ্ধ থাকে।

১৫) জল কী কী মৌল দিয়ে তৈরী?
উঃ-জলের উপাদান: জল হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন—এই দুটি মৌল দিয়ে তৈরি
মৌলিক, যৌগিক ও মিশ্র পদার্থ
১) ধাতুর চারটি ধর্ম লেখো।
উঃ-ধাতুর ধর্ম: ধাতু চকচকে হয়, তাপ ও তড়িতের সুপরিবাহী, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ হয় এবং এদের টেনে লম্বা তারে পরিণত করা যায়।
২) ধাতুর উদাহরণ লেখো।
উঃ-ধাতুর উদাহরণ: লোহা, তামা, সোনা, অ্যালুমিনিয়াম।

৩) অধাতুর উদাহরণ দাও।
উঃ-অধাতুর উদাহরণ: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, সালফার।
৪) বায়ুকে মিশ্র পদার্থ বলা হয় কেন?
উঃ- বায়ু মিশ্র পদার্থ: বায়ুতে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাসগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকে না এবং তারা নিজেদের ধর্ম বজায় রেখেই মিশে থাকে।
৫) জল কি কি মৌলের পরমান দিয়ে তৈরী? তৈরী হয় তার নাম কি?
উঃ-জলের উপাদান: জল হাইড্রোজেন (২টি পরমাণু) ও অক্সিজেন (১টি পরমাণু) দিয়ে তৈরি। এর নাম হাইড্রোজেন অক্সাইড।
৬) ম্যাগনেশিয়াম ফিতেকে জ্বালানো হলে মে সাদা গুঁড়ো তৈরী হয় তার নাম কি?
উঃ-ম্যাগনেসিয়াম ফিতে: সাদা গুঁড়োটির নাম ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO)।
৭) উঁচুপাহাড়ের ওপরে শ্বাসকষ্ট হয় কেন?
উঃ-পাহাড়ে শ্বাসকষ্ট: উঁচুতে বাতাসের চাপ কম থাকে এবং অক্সিজেনের পরিমাণও কমে যায়, তাই শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

৮) লবন কী কী মৌলের পরমান দিয়ে তৈরী?
উঃ-লবণের উপাদান: খাবার লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড) সোডিয়াম ও ক্লোরিন পরমাণু দিয়ে তৈরি।

৯) মোজ্যতা কাকে বলে?
উঃ-যোজ্যতা: কোনো মৌলের একটি পরমাণু অন্য কোনো মৌলের যতসংখ্যক পরমাণুর (সাধারণত হাইড্রোজেন) সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা রাখে, তাকে ওই মৌলের যোজ্যতা বলে।
১০) অক্সিজেন / কার্বন / সালফার / আয়োডিন মৌলগুলির যোজ্যতা কত?
উঃ-যোজ্যতা: অক্সিজেনের ২, কার্বনের ৪, সালফারের ২, ৪ বা ৬ এবং আয়োডিনের ১।
১১) কোনো জিনিসের সাথে লোহার গুঁড়ো মিশে থাকলে লোহাকে মিশ্রণ থেকে কিভাবে পৃথক করবে?
উঃ- লোহার গুঁড়ো পৃথকীকরণ: একটি চুম্বক ব্যবহার করে মিশ্রণ থেকে লোহাকে সহজেই আলাদা করা যাবে।
১২) অধাতু হলো লোহা / তামা / গ্রাফাইট / রুপো।
উঃ-অধাতু: এখানে সঠিক উত্তর হলো গ্রাফাইট।
১৩) ম্যাগনেশিয়াম হল একটি ধাতুকলপ / যৌগ / মৌল / ধাতু।
উঃ-ম্যাগনেসিয়াম: এটি একটি ধাতু।
১৪) হিরে অধাতু হলে ও তাপের
উঃ-হিরে: হিরে অধাতু হলেও তাপের সুপরিবাহী।
১৫) চিনির শরবত একটি পদার্থ।
উঃ-চিনির শরবত: এটি একটি মিশ্র পদার্থ (দ্রবণ)।
১৬। নিম্ন লিখিত মৌলগুলির চিহ্ন লেখো কোবাল্ট, বেরিলিয়াম, ব্রোমিন, হিলিয়াম।
উঃ- চিহ্ন: কোবাল্ট (Co), বেরিলিয়াম (Be), ব্রোমিন (Br), হিলিয়াম (He)।
১৭) তড়িতের সুপরিবাহী একটি অধাতুর উদাহরণ দাও।
উঃ-তড়িতের সুপরিবাহী অধাতু: গ্রাফাইট (পেনসিলের সিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়)।
১৮। জলের মধ্যে তড়িৎ পাঠিয়ে যে দুটি মৌল পাওয়া যায় তাদের নাম কী?
উঃ-জলের তড়িৎ বিশ্লেষণ: জল থেকে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাস পাওয়া যায়।
১৯) পরিস্রাবণ কাকে বলে?
উঃ-পরিস্রাবণ: ফিল্টার পেপার বা কোনো সূক্ষ্ম ছাঁকনির সাহায্যে তরল থেকে অদ্রবণীয় কঠিন কণা আলাদা করার পদ্ধতিকে পরিস্রাবণ বলে।
২০। নিম্নলিখিত যৌগগুলির সংকেত লেখ- কার্বন ডাই আক্সড, অ্যামোনিয়া, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড।
উঃ-সংকেত: কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), অ্যামোনিয়া (NH₃), কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (CCl₄)।

ভূগোল আকাশে ভরা সূর্য তারা ১) পূর্ণবাক্যে উত্তর দাও:ক) নীহারিকা কী?উত্তর: নক্ষত্র জন্মের আগে মহাকাশে যে ধূলিকণা এবং গ্যা...
30/03/2026

ভূগোল
আকাশে ভরা সূর্য তারা
১) পূর্ণবাক্যে উত্তর দাও:
ক) নীহারিকা কী?
উত্তর: নক্ষত্র জন্মের আগে মহাকাশে যে ধূলিকণা এবং গ্যাসের বিশাল মেঘ থাকে, তাকে নীহারিকা বলে।
খ) আমরা কোন্ ছায়াপথে রয়েছি?
উত্তর: আমরা আকাশগঙ্গা (Milky Way) নামক ছায়াপথে রয়েছি।
গ) আকাশে কোন্ ধরনের তারার সংখ্যা বেশি?
উত্তর: আকাশে বামন নক্ষত্র বা ছোট লালচে নক্ষত্রের সংখ্যা বেশি।
ঘ) বায়ুশূন্য অবস্থায় আলোর গতিবেগ কত?
উত্তর: বায়ুশূন্য অবস্থায় আলোর গতিবেগ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
ঙ) সৌর কলঙ্ক কী?
উত্তর: সূর্যের গায়ে যেখানে উত্তাপ কম থাকার কারণে কালো দাগের মতো দেখায়, তাকে সৌর কলঙ্ক বলে।
চ) সৌর ঝড় কাকে বলে?
উত্তর: সূর্য থেকে মহাকাশে হঠাত্‍ প্রচণ্ড বেগে আগুনের শিখা এবং আয়নিত গ্যাস ছড়িয়ে পড়াকে সৌর ঝড় বলে।
ছ) সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ কোনটি?
উত্তর: সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ হলো বুধ।
জ) সূর্যের ভিতরের দিকের উষ্ণতা কত?
উত্তর: সূর্যের ভিতরের বা কেন্দ্রের উষ্ণতা প্রায় ১.৫ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঝ) কোন গ্রহকে কেন সন্ধ্যাতারা বলা হয়?
উত্তর: শুক্র গ্রহকে সূর্যাস্তের পর পশ্চিম আকাশে উজ্জ্বল দেখা যায় বলে একে সন্ধ্যাতারা বলা হয়।
ঞ) সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ কোনটি?
উত্তর: সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ হলো শুক্র।
ট) গ্রহাণুপুঞ্জ কাকে বলে?
উত্তর: মঙ্গল ও বৃহস্পতির মাঝখানে যে অসংখ্য ছোট ছোট পাথুরে মহাজাগতিক বস্তু সূর্যের চারদিকে ঘোরে, তাদের গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
ঠ) গ্যালাক্সি কী?
উত্তর: কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও গ্যাস নিয়ে গঠিত বিশাল জগতকে ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি বলে।
২) শূন্যস্থান পূরণ করো:
ক) বিজ্ঞানের সবচেয়ে পুরোনো চর্চা হলো জ্যোতির্বিজ্ঞান।
খ) মহাবিশ্বের সমস্ত পদার্থ প্রথমে একটি বিন্দুর মতো ছোট অবস্থায় ছিল।
গ) লক্ষ লক্ষ নক্ষত্র নিয়ে ছায়াপথ তৈরি হয়।
ঘ) সূর্যের পরই আমাদের সবচেয়ে কাছের তারা হলো প্রক্সিমা সেনচাউরি।
ঙ) শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে বহু আলোকবর্ষ দূরের ছায়াপথও দেখা যায়।
চ) সূর্য পৃথিবী থেকে ১৩ লক্ষ গুণ বড়।
ছ) সৌর জগতের বৃহত্তম উপগ্রহ হলো গ্যানিমেড (বৃহস্পতির উপগ্রহ)।
৩) বুঝে নিয়ে লেখো—আমি কে?:
ক) আমার থেকেই তারা বা নক্ষত্রের জন্ম হয়। আমি কে?
উত্তর: নীহারিকা।
খ) খালি চোখে রাতের আকাশে যত তারা দেখা যায় সবই আমার ছায়াপথে অবস্থিত। আমি কে?
উত্তর: আকাশগঙ্গা।
গ) আমি পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম তারা—আমি কে?
উত্তর: প্রক্সিমা সেনচাউরি।
ঘ) আমি উত্তর আকাশের একটি উজ্জ্বলতম তারা—আমি কে?
উত্তর: ধ্রুবতারা।
ঙ) আমি সূর্যের চারিদিকে উত্তর থেকে দক্ষিণে ঘুরি—আমি কে?
উত্তর: ইউরেনাস।
চ) আমি পৃথিবীর প্রায় সমান মাপের এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের গ্রহ—আমি কে?
উত্তর: শুক্র।
৪) ভুল সংশোধন করো
ক) আকাশগঙ্গা ছায়াপথে শেষ প্রান্তে রয়েছে পৃথিবী।
সঠিক: আকাশগঙ্গা ছায়াপথের একটি প্রান্তে (ওরিয়ন বাহুতে) আমাদের সৌরজগৎ অবস্থিত, তবে ঠিক 'শেষ প্রান্তে' নয়।
খ) 'M' চিহ্নের মতো নক্ষত্রমণ্ডলকে বলা হয় ক্যাসিওপিয়া।
সঠিক: বাক্যটি সঠিক। ইংরেজি 'M' বা 'W' অক্ষরের মতো দেখতে নক্ষত্রমণ্ডলটি হলো ক্যাসিওপিয়া।
গ) আমরা ধ্রুবতারা দেখেই রাত্রিবেলা উত্তর দিক ঠিক করি।
সঠিক: বাক্যটি সঠিক। উত্তর গোলার্ধে ধ্রুবতারা দেখে উত্তর দিক নির্ণয় করা হয়।
ঘ) শুক্রকে নীল গ্রহ বলে।
সঠিক: পৃথিবীকে নীল গ্রহ বলে। শুক্রকে বলা হয় 'শুকতারা' বা 'সন্ধ্যাতারা'।
ঙ) সেরেস হলো সৌর জগতের বৃহত্তম গ্রহাণু।
সঠিক: বাক্যটি সঠিক। সেরেস (Ceres) হলো গ্রহাণু বেল্টের বৃহত্তম জ্যোতিষ্ক (এটি একটি বামন গ্রহও)।
চ) মহাকাশে যাওয়ার পোশাককে বলে স্পেস শাটল।
সঠিক: মহাকাশে যাওয়ার পোশাককে স্পেস স্যুট (Space Suit) বলে। স্পেস শাটল হলো মহাকাশযান।
ছ) ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ হলো আর্যভট্ট।
সঠিক: বাক্যটি সঠিক।
জ) পৃথিবীর মানুষ ২০ জুলাই ১৯৬৯ তারিখে প্রথম চাঁদের মাটিতে পা রাখেন।
সঠিক: বাক্যটি সঠিক। নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন প্রথম চাঁদে পা রাখেন।
ঝ) আমার লেজ আছে এবং আমাকে বহু বছর অন্তর আকাশে দেখা যায় - আমি কে?
সঠিক: উত্তর হবে ধূমকেতু (যেমন: হ্যালির ধূমকেতু)
৫) ভৌগলিক টীকা লেখো
(ক) মহাবিশ্ব: এই সৃষ্টিজগতে যা কিছু আছে—সব গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ এবং বিশাল শূন্যস্থান—সবকিছু মিলিয়েই হলো মহাবিশ্ব।
(খ) ছায়াপথ: মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র, ধূলিকণা ও গ্যাসের বিশাল সমাবেশকে ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি বলে। আমাদের পৃথিবী 'আকাশগঙ্গা' নামক ছায়াপথের অন্তর্গত।
(গ) আলোকবর্ষ: আলো এক বছরে যতটা দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে এক আলোকবর্ষ বলা হয়। এটি মহাকাশের বিশাল দূরত্ব মাপার একক।
(ঘ) নক্ষত্রমন্ডল: আকাশের বিশেষ বিশেষ আকৃতিতে সাজানো নক্ষত্রের দলকে নক্ষত্রমন্ডল বলে (যেমন: সপ্তর্ষি মণ্ডল)।
(ঙ) সৌরজগৎ: সূর্য এবং তাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা গ্রহ, উপগ্রহ, ধুমকেতু ও গ্রহাণুপুঞ্জকে নিয়ে গঠিত পরিবারই হলো সৌরজগৎ।
৬) ভৌগোলিক কারণ উল্লেখ করো:
(ক) দিনের বেলা তারা দেখা যায় না কেন?
দিনের বেলা সূর্যের প্রখর আলোর কারণে আকাশের অন্যান্য নক্ষত্র বা তারাদের মৃদু আলো আমাদের চোখে পৌঁছাতে পারে না, তাই তাদের দেখা যায় না।
(খ) তারারা মিটমিট করে কেন?
তারাদের আলো যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে আসে, তখন বায়ুর ঘনত্বের পরিবর্তনের ফলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে। এর ফলে আলো কখনো আমাদের চোখে বেশি পড়ে, কখনো কম। তাই মনে হয় তারাগুলো মিটমিট করছে।
(গ) পৃথিবী থেকে চাঁদ ও সূর্য দুটোই প্রায় সমান আকারের মনে হয় কেন?
আসলে সূর্য চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড়। কিন্তু চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে অবস্থিত এবং সূর্য পৃথিবী থেকে অনেক দূরে। দূরত্বের এই পার্থক্যের কারণেই আকাশ থেকে দুটোকেই প্রায় সমান আকারের দেখায়।
৭) যথাযথ উত্তর দাও:
ক) মানুষের প্রথম চন্দ্র অভিযান সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
উঃ- ১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই আমেরিকার অ্যাপোলো ১১ (Apollo 11) মহাকাশযানে চড়ে মানুষ প্রথম চাঁদের বুকে পা রাখেন। প্রথম ব্যক্তি হিসেবে নীল আর্মস্ট্রং এবং তার পরেই এডুইন অলড্রিন চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করেন। তৃতীয় যাত্রী মাইকেল কলিন্স মূল যানে থেকে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করছিলেন।
খ) প্রথম চন্দ্রযানে ভারতের কে অবতরণ করেন? নাম কী এবং কত সালে চাঁদে পা রাখেন?
সংশোধনী: সরাসরি চাঁদের মাটিতে পা রেখেছেন এমন কোনো ভারতীয় এখনও নেই। তবে ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান 'চন্দ্রযান-১' ২০০৮ সালে এবং 'চন্দ্রযান-৩' ২০২৩ সালে সফলভাবে চাঁদে পৌঁছেছে। এছাড়া উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মা হলেন প্রথম ভারতীয়, যিনি ১৯৮৪ সালে মহাকাশে গিয়েছিলেন (তবে তিনি চাঁদে নামেননি)।
পৃথিবী কি গোল

১। পূর্ণবাক্যে উত্তর দাওঃ-
ক) দিগন্তরেখা কাকে বলে?
উত্তর: কোনো ফাঁকা জায়গায় দাঁড়ালে মনে হয় আকাশ আর ভূমি দূরে এক জায়গায় মিশে গেছে। এই কাল্পনিক রেখাটিকে দিগন্তরেখা (Horizon) বলা হয়।
খ) পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থান কোনটি?
উত্তর: পৃথিবীর সর্বনিম্ন স্থান হলো প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত (Mariana Trench), যার গভীরতা প্রায় ১১,০৩৩ মিটার।
গ) পৃথিবীর পরিধি কত?
উত্তর: পৃথিবীর গড় পরিধি হলো প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার। নিরক্ষীয় অঞ্চলে এটি প্রায় ৪০,০৭৫ কিমি এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৪০,০০৮ কিমি।
ঘ) পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত?
উত্তর: পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হলো প্রায় ৬,৩৭১ কিলোমিটার।
২। সংক্ষেপে উত্তর দাও:
ক) পৃথিবী গোল—এই ধারণা প্রথম কাদের?
উত্তর: পৃথিবী গোল—এই ধারণাটি প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ও বিজ্ঞানীদের। বিশেষ করে পিথাগোরাস, অ্যারিস্টটল এবং পরবর্তীতে এরাটোসথেনিস এই ধারণা পোষণ করতেন।
খ) পৃথিবী যে গোল এর স্বপক্ষে তিনটি প্রমাণ দাও।
উত্তর: পৃথিবী যে গোল তার তিনটি প্রমাণ হলো:
১. চন্দ্রগ্রহণ: চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের ওপর পৃথিবীর যে ছায়া পড়ে, তা সর্বদা গোলাকার হয়। একমাত্র গোল বস্তুর ছায়াই সব সময় গোলাকার হওয়া সম্ভব।
২. জাহাজ পর্যবেক্ষণ: সমুদ্রের দূর থেকে কোনো জাহাজ তীরের দিকে আসতে দেখলে প্রথমে তার মাস্তুল, তারপর ডেক এবং সবশেষে পুরো জাহাজটি দেখা যায়। পৃথিবী সমতল হলে পুরো জাহাজটি একসাথেই দেখা যেত।
৩. মহাকাশ থেকে তোলা ছবি: আধুনিক যুগে কৃত্রিম উপগ্রহ বা মহাকাশচারীদের মহাকাশ থেকে তোলা ছবি থেকে সরাসরি প্রমাণিত হয় যে পৃথিবী গোল।

তুমি কোথায় আছো

১।পূর্ণ বাক্যে উত্তর দাও:

ক) নিরক্ষীয় তল কাকে বলে?
উঃ- নিরক্ষরেখা যে তলের ওপর অবস্থিত, তাকে নিরক্ষীয় তল বলে। অর্থাৎ, পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে নিরক্ষরেখা বরাবর কল্পনা করা কাল্পনিক সমতলটিই হলো নিরক্ষীয় তল।
খ) পৃথিবীর কক্ষতল কাকে বলে?
উঃ- পৃথিবী যে পথ দিয়ে সূর্যের চারদিকে ঘোরে (কক্ষপথ), সেই কক্ষপথ যে তলে অবস্থিত, তাকে পৃথিবীর কক্ষতল বলে।
গ) নিরক্ষরেখা কোনটি?
উঃ- উত্তর ও দক্ষিণ মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত যে কাল্পনিক রেখাটি পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ—এই দুই গোলার্ধে ভাগ করেছে, তাকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
ঘ) মূল মধ্যরেখার মান কত?
উঃ- মূল মধ্যরেখার মান হলো ০ ডিগ্রি
ঙ) নিরক্ষীয় তলের সঙ্গে পৃথিবীর অক্ষ কত ডিগ্রি কোণ করে আছে?
উঃ- পৃথিবীর অক্ষ তার কক্ষতলের সাথে কোণ করে থাকলেও, নিরক্ষীয় তলের সঙ্গে এটি
(সমকোণ) কোণে অবস্থান করে।
চ) তোমার দেশটা কোন গোলার্ধে আছে?
উঃ- আমাদের দেশ ভারত উত্তর গোলার্ধে এবং পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত।
২। সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর দাও:
ক) "আমারে অতিক্রম করলে সময় ১ দিন কমিয়ে বা বাড়িয়ে নিতে হয়।" — আমি কে?
উত্তর: আমি হলাম আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)।
খ) "আমি গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে টানা হয়েছি।" — আমি কে?
উত্তর: আমি হলাম মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian)। এর মান হলো দ্রাঘিমা।
৩। ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নের উত্তর দাও:
ক) অক্ষরেখা কাকে বলে? একটি চিত্র অঙ্কন করে প্রধান প্রধান অক্ষরেখাগুলো চিহ্নিত করো।
অক্ষরেখার সংজ্ঞা: নিরক্ষরেখার সমান্তরালে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বলা হয়।
প্রধান অক্ষরেখা সমুহ:

পৃথিবীর আবর্তন
১) পুর্ণ বাক্যে উত্তর দাও:
ক) কে প্রমাণ করেন যে পৃথিবী নয়, সূর্যই সৌরজগতের কেন্দ্রে আছে?
উত্তর: বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস (Nicolaus Copernicus) প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ একে প্রদক্ষিণ করছে।
খ) কোন দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' ঠিক করা হয়েছে?
উত্তর: ১৮০° (১৮০ ডিগ্রি) দ্রাঘিমারেখাকে অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গ) স্টেশনের ঘড়িতে 20:00 hrs মানে সাধারণ ঘড়িতে কটা বাজবে?
উত্তর: সাধারণ বা ১২ ঘণ্টার ঘড়িতে এটি হবে রাত ৮:০০ টা। (২০ - ১২ = ৮)
ঘ) পৃথিবীর দৈনিক গতি বলতে কী বোঝ?
উত্তর: পৃথিবী তার নিজের অক্ষের চারপাশে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অবিরাম যে পাক খায়, তাকেই পৃথিবীর আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলে। এর ফলে দিন ও রাত হয়।
ঙ) পৃথিবীর আবর্তন গতি কাকে বলে?
উত্তর: পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর লাটিমের মতো ঘুরে আসাকেই আবর্তন গতি বলে।
২) শূন্যস্থান পূরণ করো:
ক) এক পাক শেষ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড (বা প্রায় ২৪ ঘণ্টা)।
খ) সূর্যোদয়ের আগের সময় হলো ঊষা।
গ) ভারতের ৮২°৩০' পূর্ব দ্রাঘিমার স্থানীয় সময় হলো ভারতের প্রমাণ সময়।
৩) বুঝে নিয়ে লেখো:
প্রশ্ন: আমি কোন দিকে গেলে বা অতিক্রম করলে সময় বাড়বে বা কমবে?
উত্তর: মূল মধ্যরেখা বা যেকোনো দ্রাঘিমা রেখা থেকে পূর্ব দিকে গেলে সময় বাড়ে এবং পশ্চিম দিকে গেলে সময় কমে।
৪) ভৌগলিক টীকা লেখো
ক) স্থানীয় সময় (Local Time): কোনো স্থানে যখন সূর্য ঠিক মাথার ওপর আসে, তখন সেই স্থানে দুপুর ১২টা ধরে যে সময় নির্ধারণ করা হয়, তাকে সেই স্থানের স্থানীয় সময় বলে।
খ) প্রমাণ সময় (Standard Time): কোনো দেশের মধ্যভাগের একটি নির্দিষ্ট দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে যখন সারা দেশের কাজ চালানোর জন্য আদর্শ সময় হিসেবে ধরা হয়, তাকে প্রমাণ সময় বলে। যেমন: এলাহাবাদের ওপর দিয়ে যাওয়া দ্রাঘিমার সময় হলো ভারতের প্রমাণ সময় (IST)।
গ) আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line): প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে অনুসরণ করে যে কাল্পনিক রেখা কল্পনা করা হয়েছে এবং যা অতিক্রম করলে তারিখ পরিবর্তন হয়, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে।
ক) সূর্য বা অন্য নক্ষত্র পূর্ব আকাশে আগে দেখা যায় কেন?
উত্তর: পৃথিবী তার নিজের অক্ষের চারদিকে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তিত হচ্ছে। এই ঘূর্ণন গতির কারণেই আকাশের সূর্য, চাঁদ ও অন্যান্য নক্ষত্রকে আমাদের মনে হয় তারা পূর্ব দিকে উদিত হচ্ছে এবং পশ্চিম দিকে অস্ত যাচ্ছে। তাই আমরা পূর্ব আকাশে এদের আগে দেখি।
খ) পৃথিবী মহাশূন্যে আবর্তন করছে, কিন্তু আমরা ছিটকে বেরিয়ে যাচ্ছি না কেন?
উত্তর: এর প্রধান কারণ হলো পৃথিবীর মহাকর্ষ বল (Gravity)। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আমাদের এবং আমাদের চারপাশের সব কিছুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে টেনে ধরে রাখে। এই বলের টানের তুলনায় পৃথিবীর ঘূর্ণন জনিত কেন্দ্রাতিগ বল (Centrifugal force) খুবই সামান্য, তাই আমরা ছিটকে যাই না।
গ) মেরুর দিকে যত যাওয়া যায়, আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে কেন?
উত্তর: পৃথিবী গোলকাকার হওয়ায় নিরক্ষরেখার পরিধি সবচেয়ে বেশি এবং মেরু অঞ্চলের দিকে যেতে থাকলে এই পরিধি ক্রমশ কমতে থাকে। যেহেতু পুরো পৃথিবীকে একবার ঘুরতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে, তাই বড় পথ পাড়ি দিতে নিরক্ষরেখায় গতিবেগ বেশি হয় এবং মেরু অঞ্চলে পরিধি ছোট হওয়ায় সেখানে গতিবেগ প্রায় শূন্য হয়ে যায়।
ঘ) পৃথিবীর আবর্তন থেমে গেলে কী হতো?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তন হঠাৎ থেমে গেলে এক ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে:
জড়তার কারণে পৃথিবীর ওপরের সব কিছু (মানুষ, ঘরবাড়ি, সমুদ্রের জল) প্রচণ্ড গতিতে পূর্ব দিকে ছিটকে যাবে।
পৃথিবীর একদিকে টানা ৬ মাস দিন এবং অন্যদিকে টানা ৬ মাস রাত থাকবে।
দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য এতো চরম হবে যে প্রাণের অস্তিত্ব থাকা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বায়ুমণ্ডল ও সমুদ্রের স্রোত সব এলোমেলো হয়ে যাবে।
আমাদের দেশ ভারত
১) পূর্ণ বাক্যে উত্তর দাও:
(ক) উপদ্বীপ বলতে কী বোঝ?
উত্তর: যে ভূখণ্ড তিন দিক জলভাগ দ্বারা বেষ্টিত এবং এক দিক স্থলভাগের সাথে যুক্ত থাকে, তাকে উপদ্বীপ বলে। যেমন— ভারতের দক্ষিণ অংশ একটি উপদ্বীপ।
(খ) ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু কোনটি?
উত্তর: ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু হলো কন্যাকুমারী (বা কুমারিকা অন্তরীপ)।
(গ) ভারতের আয়তন কত?
উত্তর: ভারতের মোট আয়তন প্রায় ৩২,৮৭,২৬৩ বর্গ কিমি।
(ঘ) ভারতের সংবিধানে স্বীকৃত ভাষা কয়টি?
উত্তর: ভারতের সংবিধানে স্বীকৃত ভাষার সংখ্যা বর্তমানে ২২টি।
(ঙ) ভারতের বৃহত্তম শহর কোনটি?
উত্তর: জনসংখ্যার বিচারে ভারতের বৃহত্তম শহর হলো মুম্বাই।
(চ) ভারতের বৃহত্তম রাজ্য কোনটি?
উত্তর: আয়তনের বিচারে ভারতের বৃহত্তম রাজ্য হলো রাজস্থান।
২। শূন্যস্থান পূরণ করো:
(ক) দ্রাঘিমারেখা ভারতকে পূর্ব-পশ্চিমে দুই সমান ভাগে ভাগ করেছে। (সম্ভবত প্রশ্নটি কর্কটক্রান্তি রেখা নিয়ে হতে পারত যা উত্তর-দক্ষিণে ভাগ করেছে, তবে ছবি অনুযায়ী 'দ্রাঘিমারেখা' উল্লেখ আছে)।
(খ) ভারতের সাক্ষরতার হার ________ শতাংশ।
উত্তর: ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ভারতের সাক্ষরতার হার ৭৪.০৪%।
(গ) ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য কোনটি? (এটি একটি ছোট প্রশ্ন হিসেবে দেওয়া হয়েছে)
উত্তর: ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য হলো উত্তরপ্রদেশ।
ভারতের ভূপ্রকৃতি ও নদ নদী
ক) ভারতের উচ্চতম শৃঙ্গ কোনটি?
উত্তর: গডউইন অস্টিন বা K2 (৮,৬১১ মিটার)। তবে ভারত অধিকৃত অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো কাঞ্চনজঙ্ঘা।
খ) 'হিমালয়' কথার অর্থ কী?
উত্তর: হিমালয় কথাটির অর্থ হলো 'তুষারের আবাস' বা বরফের ঘর (হিম = তুষার, আলয় = আবাস)।
গ) জোজিল কী?
উত্তর: জোজিল বা জজিলা হলো লাদাখ ও কাশ্মীরের মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ গিরিপথ (Mountain Pass)।
ঘ) উপত্যকা কাকে বলে?
উত্তর: দুটি পাহাড় বা পর্বতের মাঝখানের নিচু সমতল ভূমিকে উপত্যকা বলা হয়।
২. নদ-নদী
ক) পৃথিবীর বৃহত্তম 'ব'দ্বীপ কোন কোন নদীর মোহনায় সৃষ্টি হয়েছে?
উত্তর: গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর মোহনায় (গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ বা সুন্দরবন)।
খ) পৃথিবীর বৃহত্তম নদী দ্বীপ কোনটি?
উত্তর: অসমের ব্রহ্মপুত্র নদে অবস্থিত মাজুলি দ্বীপ।
গ) দাক্ষিণাত্য মালভূমির উচ্চতম শৃঙ্গ কোনটি?
উত্তর: আন্নামালাই পর্বতের আনাইমুদি (২,৬৯৫ মিটার)।
ঘ) উপকূলীয় সমভূমি বলতে কী বোঝ?
উত্তর: সমুদ্রের তীরবর্তী অঞ্চলে পলি, বালি বা কাদা জমে যে সমতল ভূমি তৈরি হয়, তাকে উপকূলীয় সমভূমি বলে।
ঙ) কয়াল কী?
উত্তর: ভারতের কেরালা রাজ্যের মালাবার উপকূলে অবস্থিত লবণাক্ত জলের হ্রদ বা উপহ্রদগুলোকে স্থানীয় ভাষায় কয়াল বলা হয় (যেমন- ভেম্বানাদ কয়াল)।
চ) দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা কোন নদীকে বলা হয়?
উত্তর: গোদাবরী নদীকে (দীর্ঘতম হওয়ার কারণে)। তবে পবিত্রতার দিক থেকে অনেকে কাবেরীকেও দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা বলেন। সাধারণত গোদাবরীকেই উত্তর হিসেবে ধরা হয়।

ইতিহাস ইতিহাসের ধারণা:সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর১. নদীমাতৃক সভ্যতা বলতে কী বোঝ?প্রাচীনকালে অধিকাংশ উন্নত সভ্যতা নদীর তীরে গড়ে...
30/03/2026

ইতিহাস
ইতিহাসের ধারণা:
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
১. নদীমাতৃক সভ্যতা বলতে কী বোঝ?
প্রাচীনকালে অধিকাংশ উন্নত সভ্যতা নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল। নদীর ওপর ভিত্তি করেই এই সভ্যতাগুলোর মানুষের জীবনযাত্রা ও জীবিকা (যেমন- কৃষি ও যাতায়াত) পরিচালিত হতো। তাই এই সভ্যতাগুলোকে নদীমাতৃক সভ্যতা বলা হয় (যেমন: সিন্ধু সভ্যতা)।
২. 'ভারত' শব্দের অর্থ কী?
প্রাচীনকালে 'ভারত' বলতে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বোঝাত। পরবর্তীতে এই গোষ্ঠীর নামানুসারে সমগ্র দেশের নাম হয় 'ভারতবর্ষ'। আক্ষরিক অর্থে ভারত বলতে ভরত নামক রাজার বংশধর বা রাজ্যকে বোঝায়।
৩. কোন অঞ্চলকে আর্যাবর্ত বলা হত?
প্রাচীনকালে ভারতের উত্তর অংশকে, বিশেষ করে হিমালয় থেকে বিন্ধ্য পর্বত পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে আর্যাবর্ত বলা হতো। মনে করা হয়, আর্যরা এই অঞ্চলে বসবাস করত বলেই এর নাম হয়েছিল আর্যাবর্ত।
৪. কোন সময়কে ধাতুর যুগ বলা হয়?
মানুষ যখন পাথরের ব্যবহারের পাশাপাশি তামা, ব্রোঞ্জ বা লোহার মতো ধাতুর ব্যবহার শিখল, তখন থেকেই ধাতুর যুগ শুরু হয়। মূলত ব্রোঞ্জ যুগ এবং লৌহ যুগকে একত্রে ধাতুর যুগ বলা যেতে পারে।
৫. প্রাক-ঐতিহাসিক যুগ বলতে কী বোঝ?
মানুষ যখন লিখতে জানত না বা যে সময়ের কোনো লিখিত বিবরণ পাওয়া যায় না, সেই সময়কে প্রাক-ঐতিহাসিক যুগ বলা হয়। এই যুগের ইতিহাস মূলত পাথরের হাতিয়ার ও অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ওপর ভিত্তি করে জানা যায়।
৬. কে কত সালে গুপ্তাব্দ গণনা শুরু করেন?
গুপ্ত বংশের রাজা প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ৩১৯-৩২০ খ্রিস্টাব্দে গুপ্তাব্দ গণনা শুরু করেন।
৭. কোন অঞ্চলকে দ্রাবিড় দেশ বলা হত?
ভারতের দক্ষিণ অংশকে, বিশেষ করে বিন্ধ্য পর্বতের দক্ষিণ দিকের অঞ্চলকে দ্রাবিড় দেশ বা দাক্ষিণাত্য বলা হতো। এখানে মূলত দ্রাবিড় ভাষায় কথা বলা মানুষরা বাস করত।
৮. জাদুঘর বলতে কী বোঝ?
জাদুঘর হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান বা স্থান যেখানে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, শিল্পকর্ম এবং বৈজ্ঞানিক বস্তুগুলো যত্ন সহকারে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন করা হয়।
৯. প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের উপাদানগুলি লেখ।
প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের উপাদানগুলিকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করা যায়:
সাহিত্যিক উপাদান: বেদ, পুরাণ, মহাকাব্য (রামায়ণ, মহাভারত), বিদেশিদের বিবরণ ইত্যাদি।
প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান: শিলালিপি, মুদ্রা, প্রাচীন স্থাপত্য, ভাস্কর্য এবং ধ্বংসাবশেষ।
১০. শাকাব্দ কে কত সালে চালু করেন?
কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ৭৮ খ্রিস্টাব্দে শাকাব্দ চালু করেন। এটি বর্তমানে ভারতের জাতীয় ক্যালেন্ডার হিসেবে স্বীকৃত।

শুন্যস্থান পূরণ করো:
ক) ভারতের দীর্ঘতম হিমবাহ সিয়াচেন।
খ) আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ৫৭২ টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
গ) হিমাদ্রি হিমালয় ও পির পাঞ্জালের মাঝে কাশ্মীর উপত্যকা রয়েছে।
ঘ) শিবালিক ও হিমাচল হিমালয়ের মাঝের সংকীর্ণ অনুদৈর্ঘ্য উপত্যকাকে দুন বলে।
ঙ) ব্রহ্মপুত্র নদের উৎসস্থল চেমায়ুংদুং হিমবাহ।
চ) পশ্চিমঘাট পর্বতের আরেক নাম সহ্যাদ্রি।
ছ) উপকূল অঞ্চল বরাবর স্থলভাগ সমুদ্রে মিলিত হয়।
জ) লাক্ষাদ্বীপপুঞ্জের সব দ্বীপই হলো প্রবাল দ্বীপ।

বুঝে নিয়ে লেখ (আমি কে?)
ক) আমি ভারতের বৃহত্তম মরুভূমি।
উত্তর: থর মরুভূমি।
খ) আমার জন্ম গোমুখ তুষার গুহা থেকে।
উত্তর: গঙ্গা নদী।
গ) আমি দুটি পর্বতের মাঝের প্রাকৃতিক পথ।
উত্তর: গিরিপথ।
ভৌগোলিক কারণ উল্লেখ করো:
ক) গঙ্গার চেয়ে ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য বেশি হওয়া সত্ত্বেও গঙ্গা ভারতের দীর্ঘতম নদী কেন?
উত্তর: ব্রহ্মপুত্র নদের মোট দৈর্ঘ্য (প্রায় ২,৯০০ কিমি) গঙ্গার (প্রায় ২,৫২৫ কিমি) চেয়ে বেশি হলেও, ব্রহ্মপুত্রের একটি বড় অংশ তিব্বত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অন্যদিকে, গঙ্গা নদীর অধিকাংশ পথই ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থিত। ভারতে গঙ্গার প্রবাহপথ সবচেয়ে দীর্ঘ হওয়ায় গঙ্গাকেই ভারতের দীর্ঘতম নদী বলা হয়।
সংক্ষেপে উত্তর দাও:
ক) প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য অনুসারে ভারতকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? যে কোনো একটি ভাগ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তর: প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য অনুসারে ভারতকে প্রধানত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: ১. উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল, ২. উত্তরের বিশাল সমভূমি অঞ্চল, ৩. উপদ্বীপীয় মালভূমি অঞ্চল, ৪. পশ্চিমের মরুভূমি অঞ্চল এবং ৫. উপকূলীয় সমভূমি ও দ্বীপপুঞ্জ।একটি ভাগের আলোচনা (উত্তরের পার্বত্য অঞ্চল): ভারতের উত্তর সীমান্তে ধনুকের মতো অবস্থান করছে হিমালয় পর্বতমালা। এটি বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশ্রেণি। এখানে মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘার মতো অনেক উঁচু শৃঙ্গ দেখা যায় এবং এখান থেকেই গঙ্গা, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্রের মতো বড় বড় নদীর উৎপত্তি হয়েছে।

খ) ভারতের দীর্ঘতম নদী কোনটি? এই নদীর গতিপথ বর্ণনা করো। এই নদীর উপনদীসমূহের নাম লেখ।
উত্তর: ভারতের দীর্ঘতম নদী হলো গঙ্গা।গতিপথ: গঙ্গা নদী উত্তরাখণ্ডের গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ তুষার গুহা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর এটি উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়েছে—প্রধান শাখাটি 'পদ্মা' নামে বাংলাদেশে গেছে এবং অন্যটি 'ভাগীরথী-হুগলি' নামে পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়েছে।উপনদী: গঙ্গার প্রধান প্রধান উপনদী হলো যমুনা, সোন, গোমতী, গণ্ডক, কোশী ইত্যাদি।

ভারতীয় উপমহাদেশে আদিম মানুষ
১. 'হোমো হাবিলিস' কথার অর্থ কি?
উত্তর: 'হোমো হাবিলিস' শব্দের অর্থ হলো 'দক্ষ মানুষ' বা 'সুদক্ষ ব্যক্তি'। এরা প্রথম পাথর ব্যবহার করে অস্ত্র বা হাতিয়ার তৈরি করতে শিখেছিল।
২. হোমো ইরেকটাস মানুষের দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর: এরা প্রথম সোজা হয়ে দু-পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে ও হাঁটতে পারত।
এরা দলবদ্ধ হয়ে থাকত এবং প্রথম আগুনের ব্যবহার শুরু করেছিল বলে ধারণা করা হয়।
৩. পুরোনো ও নতুন পাথরের যুগের দুটি পার্থক্য লিখ।
উত্তর:
বিষয় পুরোনো পাথরের যুগ (Paleolithic) নতুন পাথরের যুগ (Neolithic)
হাতিয়ার হাতিয়ারগুলো ছিল বড়, ভারী এবং অমসৃণ। হাতিয়ারগুলো ছিল ছোট, ধারালো এবং অনেক মসৃণ।
খাদ্য মানুষ কেবল শিকার করে এবং ফলমূল সংগ্রহ করে খেত। মানুষ নিজের খাবার নিজেই উৎপাদন (চাষাবাদ) করতে শিখেছিল।

৪. দাবানল কি?
উত্তর: বনের শুকনো গাছে গাছে ঘর্ষণে বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক কারণে বনে যে প্রচণ্ড আগুন লেগে যায়, তাকেই 'দাবানল' বলা হয়। আদিম মানুষ প্রথম এই দাবানল থেকেই আগুনের পরিচয় পেয়েছিল।
৫. আদিম মানুষ কীভাবে আগুন জ্বালাতে শিখেছিল?
উত্তর: আদিম মানুষ পাথরে পাথর ঘষে বা কাঠের টুকরো ঘষার মাধ্যমে উৎপন্ন স্ফুলিঙ্গ থেকে আগুন জ্বালাতে শিখেছিল।
৬. 'লুসি'র কঙ্কালটি কোথায় খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল?
উত্তর: লুসি (Lucy)-র কঙ্কালটি আফ্রিকার ইথিওপিয়ার হাদারে (Hadar) খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। এটি প্রায় ৩০ লক্ষ বছরেরও বেশি পুরনো এক আদিম মানুষের কঙ্কাল।
৭. ভীমবেটকা কি?
উত্তর: ভীমবেটকা ভারতের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান, যা মূলত প্রাচীন গুহাচিত্রের জন্য বিখ্যাত। এখানকার গুহায় আদিম মানুষের আঁকা পশুপাখি ও শিকারের ছবি পাওয়া যায়।
৮. আলতামিরা (Altamira) কি?
উত্তর: স্পেনের আলতামিরা গুহা আদিম মানুষের আঁকা অসাধারণ সব গুহাচিত্রের জন্য পৃথিবীবিখ্যাত।
৯. মাঝের পাথরের যুগের দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর:এই যুগে মানুষ ছোট আকারের ধারালো পাথরের অস্ত্র ব্যবহার করত, যাকে 'মাইক্রোলিথ' বলা হয়।
মানুষ কুকুরকে প্রথম গৃহপালিত পশু হিসেবে পালন করা শুরু করে।
১০. যাযাবর কাদের বলা হতো?
উত্তর: যারা কোনো এক নির্দিষ্ট জায়গায় স্থায়ীভাবে বসবাস না করে খাদ্যের সন্ধানে এবং পশুর খাবারের জন্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত, তাদের যাযাবর বলা হতো।
১১. আদিম মানুষ কেন জোট বেঁধেছিল?
উত্তর: আদিম মানুষ মূলত দুটি প্রধান কারণে জোট বেঁধেছিল:
বন্য পশুর হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে।
বড় বড় পশু শিকার করার সুবিধার জন্য। একা শিকার করা কঠিন ছিল বলে তারা দলবদ্ধ হয়ে শিকার করত।

ভারতীয় উপমহাদেশে প্রাচীন ইতিহাসের ধারনা
১. কে কবে মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন?
ফরাসি প্রত্নতাত্ত্বিক জাঁ ফ্রাঁসোয়া জারিজ ১৯৭৪ সালে মেহেরগড় সভ্যতা আবিষ্কার করেন।
২. মেহেরগড়ের মানুষ কোন ফসল ফলাতে জানত?
মেহেরগড়ের মানুষ মূলত গম, যব এবং কার্পাস (তুলা) চাষ করতে জানত।
৩. মেহেরগড়ের বাড়িঘর কেমন ছিল?
এখানকার বাড়িগুলো ছিল রোদে পোড়ানো মাটির ইটের তৈরি। বাড়িগুলোতে বেশ কয়েকটি ঘর থাকত এবং শস্য মজুত করার জন্য আলাদা জায়গা ছিল।
৪. মেহেরগড়ে সমাধি কীভাবে দেওয়া হত?
মৃতদেহকে সমাধিতে শোয়ানোর সময় বিভিন্ন ব্যবহার্য সামগ্রী (যেমন- মাটির পাত্র, পাথরের হাতিয়ার, গয়না) এবং কখনও কখনও গৃহপালিত পশু সঙ্গে দেওয়া হত।
৫. হরপ্পা সভ্যতা কে কত খ্রীষ্টাব্দে আবিষ্কার করেন?
১৯২১ সালে দয়ারাম সাহনী হরপ্পা সভ্যতা আবিষ্কার করেন।
৬. হরপ্পা সভ্যতা কোন যুগের সভ্যতা?
হরপ্পা সভ্যতা মূলত তাম্র-ব্রোঞ্জ যুগের (Chalcolithic Age) সভ্যতা।
৭. হরপ্পা সভ্যতার মানুষ কোন ধাতুর ব্যবহার জানত?
তারা তামা ও ব্রোঞ্জ ধাতুর ব্যবহার খুব ভালো জানত। তবে তারা লোহার ব্যবহার জানত না।
৮. হরপ্পা সভ্যতা কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল?
এটি উত্তরে জম্মুর মান্ডা থেকে দক্ষিণে নর্মদা নদীর মোহনা এবং পশ্চিমে বালুচিস্তান থেকে পূর্বে উত্তরপ্রদেশের আলমগীরপুর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
৯. হরপ্পা সভ্যতার নগর পরিকল্পনা বর্ণনা কর।
হরপ্পার শহরগুলো পরিকল্পিতভাবে তৈরি ছিল। রাস্তাগুলো একে অপরকে সমকোণে ছেদ করত (গ্রিড সিস্টেম) এবং উন্নতমানের নর্দমা ও পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা ছিল।
১০. সিটাডেল কী?
হরপ্পার শহরগুলোর পশ্চিম দিকে উঁচুতে অবস্থিত এলাকাকে সিটাডেল বলা হত, যেখানে সম্ভবত শাসক গোষ্ঠী বা উচ্চবিত্তরা থাকতেন।
১১. মহেঞ্জোদাড়োর স্নানাগার সম্পর্কে লিখ।
মহেঞ্জোদাড়োতে একটি বিশাল স্নানাগার পাওয়া গেছে। এটি ইটের তৈরি ছিল এবং জল যাতে চুঁইয়ে না যায় সে জন্য বিটুমিনের প্রলেপ দেওয়া থাকত। এটি সম্ভবত কোনো ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হত।
১২. হরপ্পা সভ্যতার কৃষিকাজ সম্পর্কে লিখ।
হরপ্পার মানুষ লাঙল ও সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে চাষাবাদ করত। প্রধান ফসল ছিল গম, যব, মটর ও সরিষা।
১৩. হরপ্পা সভ্যতার গৃহপালিত পশুর নাম লিখ।
কুকুর, ভেড়া, ছাগল, কুঁজযুক্ত ষাঁড়, মোষ ইত্যাদি ছিল তাদের প্রধান গৃহপালিত পশু।
১৪. হরপ্পার মানুষের পোশাক ও গয়না সম্পর্কে লিখ।
তারা সুতি ও পশমের পোশাক পরত। নারী-পুরুষ উভয়েই হার, বালা, আংটি ইত্যাদি গয়না পরত যা সোনা, তামা বা বিভিন্ন পাথর দিয়ে তৈরি হত।
১৫. হরপ্পা সভ্যতার ভাস্কর্যের নমুনা পরিচয় দাও।
মহেঞ্জোদাড়োতে পাওয়া 'নৃত্যরতা নারী' (Dancing Girl) ব্রোঞ্জ মূর্তি এবং দাড়িওয়ালা এক ব্যক্তির পাথরের মূর্তি উল্লেখযোগ্য।
১৬. হরপ্পা সভ্যতার সিলমোহরগুলি কেমন ছিল?
এগুলো সাধারণত পোড়ামাটি বা পাথরের তৈরি ছিল এবং এতে বিভিন্ন পশুর মূর্তি (যেমন ইউনিকর্ন বা ষাঁড়) এবং কিছু সংকেত খোদাই করা থাকত।
১৭. 'লোথাল' এর অর্থ কী?
গুজরাটি ভাষায় 'লোথাল' শব্দের অর্থ হলো 'মৃতের স্থান' (Place of the Dead)।
১৮. হরপ্পা সভ্যতায় কি কি পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করা হতো?
রপ্তানি: সুতি বস্ত্র, হাতির দাঁতের তৈরি গয়না, বিভিন্ন ধরনের পাথরের পুতি, এবং কৃষি পণ্য।
আমদানি: তামা (রাজস্থান থেকে), সোনা (দক্ষিণ ভারত থেকে), রুপো ও মূল্যবান পাথর (আফগানিস্তান ও পারস্য থেকে)।
১৯. হরপ্পা সভ্যতায় যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যম কি ছিল?
হরপ্পা সভ্যতায় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল জলপথ ও স্থলপথ। স্থলপথে যাতায়াতের জন্য ষাঁড়ে টানা গাড়ি এবং জলপথে যাতায়াতের জন্য নৌকা ব্যবহৃত হতো।
২০. হরপ্পা সভ্যতার দুটি বন্দরের নাম লিখ।
১. লোথাল (এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম কৃত্রিম পোতাশ্রয় বা বন্দর ছিল)।
২. সুৎকাগেনডোর।
২১. মহেঞ্জোদাড়ো শব্দের অর্থ কী?
মহেঞ্জোদাড়ো শব্দের অর্থ হলো 'মৃতের স্তূপ'।
২২. হরপ্পা সভ্যতা পতনের দুটি কারণ লিখ।
১. প্রাকৃতিক বিপর্যয়: সিন্ধু নদের গতিপথ পরিবর্তন এবং ঘন ঘন বিধ্বংসী বন্যা।
২. পরিবেশগত পরিবর্তন: অনাবৃষ্টির ফলে সিন্ধু উপত্যকা মরুভূমিতে পরিণত হওয়া এবং কৃষিকাজে বিপর্যয় আসা।
২৩. হরপ্পা সভ্যতার লিপির দুটি বৈশিষ্ট্য লিখ।
১. হরপ্পার লিপি ছিল চিত্রলিপি (Pictographic), অর্থাৎ ছবির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করা হতো।
২. এই লিপি সাধারণত ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা হতো (বুস্ট্রোফেডন পদ্ধতি)।

Address

Bakharpur Kaliachak Malda
Malda
732206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sonali Book Depo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share