17/12/2021
আনুমানিক সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে মিসর ও ব্যাবালিনে ঘড়ির উৎপত্তি। মজার বিষয় হচ্ছে, এটি আজও টিকে আছে। তবে এতে নেই কোনো টিক টিক শব্দ। কারণ এটাতে কোনো সেকেন্ড বা মিনিটের কাঁটা নেই।🙂 আর এই ঘড়ি নামটি এসেছে লাতিন শব্দ ক্লক্কা থেকে আজকের ক্লক, যা এসেছিলো এখন থেকে ৭০০ বছর আগে।
একদম প্রথমে যার মাধ্যমে ঘড়ির যাত্রা শুরু তা ছিলো সূর্য ঘড়ি।☀️ এর জন্য মানুষ একটা লাঠি পুঁতে রাখতো খালি জায়গায়। আর তার পাশে গোল করে একে রাখতো চক্র আর তাতে নানা সংকেত, যা দেখে তারা বুঝতে পারতো সময় কত। 🙂
কিন্তু রাতে সৃষ্টি হতো সমস্যা। তাই চোখ যেতো আকাশে। খুব খোঁজাখুঁজি করে অবশেষে পাওয়া গেলো একটি তারা, যা দেখতে ইংরেজি অক্ষর W এর মতো। এর নাম ছিলো তারা ঘড়ি।🌟 যা প্রথম আবিষ্কার করে জার্মানিরা।
খ্রিস্টপূর্ব ১৪০০ সাল নাগাদ মিশরীয়রা আবিষ্কার করে পানি ঘড়ি। এটি একটি ফানেলে পানি তার সাথে সংযুক্ত পাইপ দিয়ে সময় মাপা হতো। এরপরে আসে বালু ঘড়ি। প্রায় ১২’শ বছর আগে এর প্রচলন শুরু হয়। এর কিছুদিন পর চীনে আবিষ্কার হয় মোমঘড়ি।
তবে প্রথম যন্ত্র ঘড়ি তৈরি হয় ১২৮৮ সালে লন্ডনে। 🙂 যা আমাদের পর্যন্ত আসতে আসতে মোবাইলের ভেতর 🙃
কিন্তু ঘর সাজাতে দেয়াল ঘড়ির জুড়ি নেই! 🙂
প্রত্যেকটা ঘড়ির বিস্তারিত দেখতে পিকচারগুলোতে ক্লিক করুন! 🙂