17/06/2020
#লকডাউনে_ডায়াবেটিস
লকডাউন এর সময় থেকে তো ঘর থেকে বের হওয়া নিশেধ প্রোয়জন ছারা। ডায়াবেটিক পেসেন্ট এখন প্রায় প্রতিটা পরিবারেই আছে। তাদের তো নিয়মিত হাটতে হয়। না হাটলে সুগার বেড়ে যায়। আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
তো এই লকডাউনে ডায়াবেটিক পেশেন্ট রা তো বাইরে রাস্তায় হাটাহাটি করতে পারছে না।আমার মায়ের ডায়াবেটিস আছে তাই আমার অনেকের কথা মনে পরলো।
ডায়বেটিক রোগী ঘরের ভেতরেও একটা নির্দিষ্ট জায়গা করে নিয়ে সেখানে নিয়মিত হাটতে পারেন। এমন কি হাটা বলতে এক জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে শুধু এক পা ফেলবেন ও আরেক পা উঠাবেন এভাবে হাটা যায়।
যারা ফ্যাট নন তারা বিভিন্য ব্যায়াম করতে পারেন।এখন তো ইউটিউব এ সব ইজিলি পাবেন সার্চ করলে। সেখান থেকে কোনো না কোনো ইওগা বা ওয়ার্কআউট এর ভিডিও দেখে সুবিধা মতো স্টেপ গুলো বেছে নিয়ে সেগুলো করতে পারেন। এটা সবার জন্য ই।
ঘরে বসে গেলে শুধু খাই খাই স্বভাব হয়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে বাঙ্গালীর। এটাকে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। ঠিক মতো খাবেন ও নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করবেন। সুস্থতা সকল সুখের মূল। সুস্থ থাকলে তবেই সব কাজে মন দিতে পারবেন।
ডায়বেটিক রোগীর কিন্তু হাত পায়ের যত্ন বেশি নিতে বলে থাকে ডক্টর রা। এবং এটা জরুরী ও। যারা কর্ম ব্যাস্ততার কারনে কখনোই ডায়বেটিক রোগে ভোগা মা বাবার কোনো সেবা করতে পারেননি। তারা এই লকডাউনের সময় টা কে কাজে লাগান। এতে করে আপনার বাবা মা মানসিক ভাবে অনেক বেশি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
মা বাবা বেশি বয়স্ক হলে তাদের ধরে ধরে নিজে হালকা ব্যায়াম করিয়ে দিন। তাদের মাসেল গুলো ম্যাসাজ করে দিন।পায়ের তালু,হাতের তালু ম্যাসাজ করে দিন। এতে করে মরে যাওয়া নার্ভ গুলো সচল হবে। অনুভুতি শক্তির উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ । তাদের নখ গুলোর যত্ন নিন। আপনি ডায়বেটিক পেশেন্ট হয়ে থাকলে আপনার হাত পায়ের ও নখের যত্ন নিন।
প্রতিদিন কুসুম গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখতে বলে থাকে ডাক্তার রা ডায়বেটিক পেশেন্ট দের।এতে করে রক্ত সঞ্চারন বৃদ্ধি পায়।অনুভূতি শক্তির উন্নতি ঘটে।
খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।আবেগের বসে বাবা মা প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাইয়ে ফেলবেন না এই ভেবে যে নাহ একদিন খেলে কিছু হবে না।কারন সুগার লেভেল বেড়ে গেলে কষ্ট টা সে ভুগবে,আপনি না।আপনি যদি নিজে ডায়বেটিক রোগী হয়ে থাকেন তাহলে উত্তেজনার বসে অনেক কিছু খেয়ে ফেলবেন না যেনো।
#যেসব_খবার_কম_খাবেনঃ
অতিরিক্ত ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার বা অতিরিক্ত রান্না করা খাবার
প্যাকেটজাত ফাস্ট ফুড, বিশেষ করে যাতে চিনি, বেকিং করা খাবার, মিষ্টি, ডেজারট, চিপস ইত্যাদি থাকে।
সাদা পাউরুটি, চিনিযুক্ত সেরিয়াল, প্রক্রিয়াজাত পাস্তা বা চাল
প্রক্রিয়াজাত মাছ বা মাংস
#যেসব_খাবার_বেশি_খাবেনঃ
উপকারী চর্বি যেমন, বাদাম, অলিভ ওয়েল, মাছের তেল ইত্যাদি।
শাক সবজি ও ফলমূল– মূলত পরিষ্কার, টাটকা ও রঙিন শাকসবজি ভাল। জুসের থেকে ফল বেশি খেতে হবে।
দেশী মাছ ও মুরগি।
ভাল প্রোটিন জাতীয় খাবার– যেমন, ডিম, অল্প চর্বি জাতীয় দুধ, টক দই ইত্যাদি।
ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ