খাঁটির প্রতিশ্রুতি

খাঁটির প্রতিশ্রুতি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খাঁটির প্রতিশ্রুতি, Gaibandha, Rangpur.

আমি একজন খাদ্য সচেতন মানুষ।শুটকি ও সিদোল আমার খুব পছন্দের খাবার।কিন্তু কেমিকেল ফ্রি শুটকি না থাকায়,নিজের হাতে মাছ পরিস্কার, শুটকি বানানো,সিদোল বানানো ছারা উপায় নেই আমার।তাইআমার মতো খাদ্য সচেতন দের জন্যই আমার এই উদ্যোগ।ফ্রেশ শুটকি/সিদোল এর জন্য I can hlp u

04/03/2026

আসসালামু আলাইকুম।

ঘি তো অনেক খেলেন। কিন্তু আমরা যেই ঘি খাই, মনে হয়, অনেক মানুষই এমন ঘি খান নাই৷

এই ঘি কে পরিচয় করালে বলতে হবে ইন্সট্যান্ট ঘি।

একদম টাটকা দুধ থেকে ইন্সট্যান্ট মাখন বের করা হয়। ও সাথে সাথে মাখন জাল করে ঘি বানানো হয়।

এখানে দির্ঘদিন সর জমানোর প্রয়োজন নেই। তাই এটা বেশি হাইজেনিক পদ্ধতি।

হ্যা,আমি বলছি বাংলাদেশ এর গাইবান্ধা জেলার এক সুন্দর গ্রামের সুন্দর সুঘ্রাণ যুক্ত এই ঘি এর গল্প ।

আপনারা নিশ্চই জানেন, গাইবান্ধা জেলা রসমঞ্জুরি দিয়ে বিখ্যাত! এদের সম্ভবত ঘোষ বলে। যারা এই দুধ,মাখন, ঘি,মিষ্টি, রসমঞ্জুরী দুগ্ধজাত খাবার গুলো যারা বানিয়ে থাকেন।

আমি নিজেই ঘি বানিয়েছি অনেকবার,অনলাইনে কিনেও খেয়েছি অনেক। আমি কারো ঘি কে,এমন কি আমার বানানো ঘি কেও খারাপ বা কম ভালো বলছিনা! ঘি তো ঘি ই 🙂

তবে এই প্রাচীন পদ্ধতিতে সদ্য টাটকা দুধ থেকে মাখন কেটে তৈরী ঘি এর স্বাদ ও ঘ্রান একেবারেই রাজকীয় যা না বল্লেই নয়। যে আসোলে খায়নি সে এটার স্বাদ বুঝবেনা।

এই অতুলনীয় স্বাদের সাথে পরিচয় করাতে চাই সবাইকে। আল্লাহ্ যার রিজিকে রেখেছেন এই ঘি। ইনশাআল্লাহ সে তৃপ্ত হবে ☺️

রাতে শোয়ার আগে কাজ শেষ করে,রান্নাঘর গুছিয়ে রাখুন। দেখবেন পরের দিন রান্না ঘরে ঢুকে সব কিছু ফ্রেশ দেখলে সকাল টা অনেক সুন্দ...
09/02/2026

রাতে শোয়ার আগে কাজ শেষ করে,
রান্নাঘর গুছিয়ে রাখুন। দেখবেন পরের দিন রান্না ঘরে ঢুকে সব কিছু ফ্রেশ দেখলে সকাল টা অনেক সুন্দর লাগে 🤗

অনেকেই হয়তো পরের দিনের রান্নার কথা
ভাবেন। যে, কাল কি রান্না হবে, মাছ, নাকি সবজি, নাকি গোস্ত....

যদি আগের দিন রাতেই প্লান করে রাখেন যে পর দিন কি রান্না করবেন। তাহলে পরের দিনের কাজ হালকা হয় অনেকাংশে।

কাল ইনশাআল্লাহ আমার রান্না হবে একটু ভারি করে মিক্সড্ ডাল, মিশালি শাক ও ঝুড়ি আলুর ভর্তা। আর ডিম ভাজি হলে ত কথাই নেই 🥰 😋😇


#বাঙালি

✨ Assalamu alaikum ✨🌹 Very beautiful   collection niye ashlam🌹 ✔️ হিজাব বা নিকাব সেট করার জন্য একদম পার্ফেক্ট 👌👌 নিতে চা...
13/02/2023

✨ Assalamu alaikum ✨

🌹 Very beautiful collection niye ashlam🌹

✔️ হিজাব বা নিকাব সেট করার জন্য একদম পার্ফেক্ট 👌👌

নিতে চাইলে ইনবক্স করুন 🙂

ধন্যবাদ।

শুভ রাত্রি ☺️☺️
11/09/2022

শুভ রাত্রি ☺️☺️


 #ব্যায়াম_করার_পর_মাংশপেশীর_ব্যাথামানুষের শরীর ঠিক রাখতে বা ফিটনেস ধরে রাখতে প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম করা প্রয়োজন।অনেকেই আব...
24/07/2020

#ব্যায়াম_করার_পর_মাংশপেশীর_ব্যাথা

মানুষের শরীর ঠিক রাখতে বা ফিটনেস ধরে রাখতে প্রতিদিন কিছু ব্যায়াম করা প্রয়োজন।

অনেকেই আবার ইউটিউবে ভিডিও দেখে ব্যায়াম শুরু করে দেন যে কি করে দ্রুত পেটের চর্বি ঝড়ানো যাবে তা খুঁজতে লেগে পরেন। আবার মন মতো কয়েক টা ব্যায়াম সিলেক্ট করে তা করতে থাকেন।

কিন্তু যারা প্রথম অথবা দির্ঘদিন পর ব্যায়াম শুরু করতে যাচ্ছেন,, তাদের মাংশপেশীতে তীব্র ব্যাথা শুরু হয় হঠাৎ ব্যায়াম করার কারনে।এমন কি হাটাচলা ও করতে খুব অসুবিধা হতে পারে।।।

ঘাবরে গিয়ে অনেকেই ব্যায়াম করা ছেড়ে দেয়।কিন্তু এটা ঠিক নয়। তো আজকে বলবো ব্যায়াম করার পর মাংশ পেশীর ব্যাথা কি করে কমানো যাবে।

তো ডিওএমএস হলো ডিলেইড অনসেট মাসেল সোরনেস। জিম বা কঠোর শারীরিক ব্যায়াম করার কারনে,, মাংসপেশি মাংসপেশিতে একটু-আধটু ব্যথা হয়ে থাকে, যা স্বাভাবিক এবং বিশ্রামের পর ব্যাথা চলে যায়।

কিন্তু ডিওএমএস ব্যায়াম করার ছয় বা সাত ঘণ্টা পর ব্যথা শুরু হয় এবং দুই থেকে তিন দিন থাকে। মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হওয়া ছাড়াও ফুলে যেতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সন্ধির নড়াচড়া কমে যেতে পারে। অনেক সময় পায়ের ঊরুর, কাঁধের বা ঘাড়ের, পিঠের বা কোমরের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যেতে পারে।

যাঁরা নতুন ব্যায়াম শুরু করেছেন তাঁদের জন্য এটি খুবই কষ্টদায়ক। আর খেলোয়াড় বা অ্যাথলেটদের জন্যও যন্ত্রণাদায়ক।

তাহলে এই অবস্থায় কী করবেন?

ম্যাসাস করবেন। ব্যথা শুরু হওয়ার প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাসাজ ভালো কাজ করে। তবে অবশ্যই এক্সপার্ট ম্যাসাজ হতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় নিজেই করতে পারলে। এটাকে বলা হয় সেলফ ম্যাসাজ। তেল বা লোশন দিয়ে ব্যথার পেশিকে হালকা চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করা যায়।

ঠান্ডা বা গরম সেঁক দিতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে বা বাথটাবে পুরো শরীর ১০ থেকে ১৫ মিনিট বরফে ডুবিয়ে রাখলে ব্যথার উপশম হয়। ঠান্ডার তাপমাত্রা ১০-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে হবে।

অন্যদিকে, যেসব পেশিতে ব্যথা আছে সেখানে গরম সেঁক দিলে রক্ত চলাচল দ্রুত হয় এবং ব্যথার উপশম হয়।

এছারা,,স্ট্রেচিং মাংসপেশির ব্যথা দূর করতে কার্যকর। ধীরে ধীরে প্রতিটি জয়েন্টে স্ট্রেচ করতে হবে। স্ট্রেচিং করতে গিয়ে যে অবস্থানে মাংসপেশি শক্ত বা বাধা পাচ্ছে বলে মনে হয়, সেখানে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে। এভাবে ১০ বার করতে হবে। খু্ব জোর করে টান দেওয়া যাবে না, তাতে করে পেশি আঘাত পেতে পারে।

ধন্যবাদ 😊

#ব্যায়াম #এক্সারসাইজ #মেদভুড়ি #ডায়েট

 #লকডাউনে_ডায়াবেটিসলকডাউন এর সময় থেকে তো ঘর থেকে বের হওয়া নিশেধ প্রোয়জন ছারা। ডায়াবেটিক পেসেন্ট এখন প্রায় প্রতিটা পরিবার...
17/06/2020

#লকডাউনে_ডায়াবেটিস

লকডাউন এর সময় থেকে তো ঘর থেকে বের হওয়া নিশেধ প্রোয়জন ছারা। ডায়াবেটিক পেসেন্ট এখন প্রায় প্রতিটা পরিবারেই আছে। তাদের তো নিয়মিত হাটতে হয়। না হাটলে সুগার বেড়ে যায়। আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

তো এই লকডাউনে ডায়াবেটিক পেশেন্ট রা তো বাইরে রাস্তায় হাটাহাটি করতে পারছে না।আমার মায়ের ডায়াবেটিস আছে তাই আমার অনেকের কথা মনে পরলো।

ডায়বেটিক রোগী ঘরের ভেতরেও একটা নির্দিষ্ট জায়গা করে নিয়ে সেখানে নিয়মিত হাটতে পারেন। এমন কি হাটা বলতে এক জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে শুধু এক পা ফেলবেন ও আরেক পা উঠাবেন এভাবে হাটা যায়।

যারা ফ্যাট নন তারা বিভিন্য ব্যায়াম করতে পারেন।এখন তো ইউটিউব এ সব ইজিলি পাবেন সার্চ করলে। সেখান থেকে কোনো না কোনো ইওগা বা ওয়ার্কআউট এর ভিডিও দেখে সুবিধা মতো স্টেপ গুলো বেছে নিয়ে সেগুলো করতে পারেন। এটা সবার জন্য ই।

ঘরে বসে গেলে শুধু খাই খাই স্বভাব হয়ে যাওয়ার প্রবণতা আছে বাঙ্গালীর। এটাকে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। ঠিক মতো খাবেন ও নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করবেন। সুস্থতা সকল সুখের মূল। সুস্থ থাকলে তবেই সব কাজে মন দিতে পারবেন।

ডায়বেটিক রোগীর কিন্তু হাত পায়ের যত্ন বেশি নিতে বলে থাকে ডক্টর রা। এবং এটা জরুরী ও। যারা কর্ম ব্যাস্ততার কারনে কখনোই ডায়বেটিক রোগে ভোগা মা বাবার কোনো সেবা করতে পারেননি। তারা এই লকডাউনের সময় টা কে কাজে লাগান। এতে করে আপনার বাবা মা মানসিক ভাবে অনেক বেশি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

মা বাবা বেশি বয়স্ক হলে তাদের ধরে ধরে নিজে হালকা ব্যায়াম করিয়ে দিন। তাদের মাসেল গুলো ম্যাসাজ করে দিন।পায়ের তালু,হাতের তালু ম্যাসাজ করে দিন। এতে করে মরে যাওয়া নার্ভ গুলো সচল হবে। অনুভুতি শক্তির উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ । তাদের নখ গুলোর যত্ন নিন। আপনি ডায়বেটিক পেশেন্ট হয়ে থাকলে আপনার হাত পায়ের ও নখের যত্ন নিন।

প্রতিদিন কুসুম গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখতে বলে থাকে ডাক্তার রা ডায়বেটিক পেশেন্ট দের।এতে করে রক্ত সঞ্চারন বৃদ্ধি পায়।অনুভূতি শক্তির উন্নতি ঘটে।

খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।আবেগের বসে বাবা মা প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাইয়ে ফেলবেন না এই ভেবে যে নাহ একদিন খেলে কিছু হবে না।কারন সুগার লেভেল বেড়ে গেলে কষ্ট টা সে ভুগবে,আপনি না।আপনি যদি নিজে ডায়বেটিক রোগী হয়ে থাকেন তাহলে উত্তেজনার বসে অনেক কিছু খেয়ে ফেলবেন না যেনো।


#যেসব_খবার_কম_খাবেনঃ

অতিরিক্ত ভাজা পোড়া জাতীয় খাবার বা অতিরিক্ত রান্না করা খাবার

প্যাকেটজাত ফাস্ট ফুড, বিশেষ করে যাতে চিনি, বেকিং করা খাবার, মিষ্টি, ডেজারট, চিপস ইত্যাদি থাকে।

সাদা পাউরুটি, চিনিযুক্ত সেরিয়াল, প্রক্রিয়াজাত পাস্তা বা চাল

প্রক্রিয়াজাত মাছ বা মাংস

#যেসব_খাবার_বেশি_খাবেনঃ

উপকারী চর্বি যেমন, বাদাম, অলিভ ওয়েল, মাছের তেল ইত্যাদি।

শাক সবজি ও ফলমূল– মূলত পরিষ্কার, টাটকা ও রঙিন শাকসবজি ভাল। জুসের থেকে ফল বেশি খেতে হবে।
দেশী মাছ ও মুরগি।

ভাল প্রোটিন জাতীয় খাবার– যেমন, ডিম, অল্প চর্বি জাতীয় দুধ, টক দই ইত্যাদি।

ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
ধন্যবাদ

07/02/2020

#ডায়রিয়া_হলে_কি_ওষুধ_খাবেন?
======================================
ডা. মোহাম্মদ যায়েদ


ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে আমরা অনেকে চিন্তায় পড়ে যাই। অনেকে আবার ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে পায়খানা ঠেকাতে ফার্মেসি থেকে অযাচিত ওষুধ খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। এটি মোটেই ঠিক নয়। চিকিৎসকরা মনে করেন ডায়রিয়া হলে যে পানি ও লবণ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, সেটা খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে পূরণ করলেই চলবে। বেশির ভাগ ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়। ওষুধ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নাই।

সাধারণ ডায়রিয়ায় কোনো ওষুধ না খেয়ে বিশ্রাম নিন, বারবার খাওয়ার স্যালাইন বা ডাবের পানি পান করুন, বেশি করে তরল খান।

ডায়রিয়া হলে শুধুমাত্র খাবার স্যালাইন খেলেই হবে। খাবার স্যালাইন কিনে খাওয়া যেতে পারে। আর না হয় ঘরে হাফ লিটার পানির মধ্যে এক মুঠো গুড় ও এক চিমটি লবণ দিয়ে স্যালাইন বানিয়ে নিন। অ্যান্টিমটিলিটি ওষুধ খেলে অন্ত্রের চলন কমে যায়, ফলে বারবার টয়লেটে যাওয়ার প্রবণতা কমে। কিন্তু এটি ডায়রিয়া সারাতে সাহায্য করে -এমন কোনো প্রমাণ নেই।

বাজারে ডায়রিয়া বন্ধ করার কিছু ওষুধ প্রচলিত আছে। যেমন লপেরামাইড, কোডিন-জাতীয় ওষুধ। অনেকে আবার সিপ্রোফ্লক্সাসিন বা অ্যাজিথ্রোমাইসিন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলেন। ফ্লাজিল বা মেট্রোনিডাজলও খুব প্রচলিত। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রয়োজন ছাড়া এগুলো খাওয়া ঠিক নয়।

#ডায়েরিয়া কেন হয়
বেশির ভাগ ডায়রিয়াই হলো ভাইরাসজনিত, কখনো কখনো ফুড পয়জনিংয়ের কারণে হয়ে থাকে। এ ধরনের ডায়রিয়া এমনিতেই সারে। কোন ধরনের ডায়রিয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে, তার স্পষ্ট নির্দেশিকা আছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া উচিত।

আসুন জেনে নেই ডায়রিয়া হলে কী করবেন।

#খাবার স্যালাইন
ডায়রিয়া হলে খেতে হবে খাবার স্যালাইন। ওষুধ খাবার কোনো প্রয়োজন নাই। ডায়রিয়া হলে যে পানি ও লবণ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, সেটা খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে পূরণ করলেই চলবে। বেশির ভাগ ডায়রিয়া নিজে থেকেই সেরে যায়।

#তরল খাবার
ডায়রিয়া হলে ডাবের পানি, ভাতের মাড়সহ যে কোনো ধরনের তরল খাবার খাওয়া যেতে পারে। তরল খাবার শরীরে জন্য বেশ উপকারী। কারণ ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায় ।

#ওষুধ খাবেন না
সাধারণ ডায়রিয়া হলে ওষুধ খবার কোনো প্রয়োজন নেই। ডায়রিয়া ঠেকাতে অনেকে ব্যস্ত হয়ে যায় ওষুধ খেতে। এক্ষেত্রে ফ্লাজিল বা মেট্রোনিডাজলও খুব প্রচলিত ওষুধ। যা হাতের কাছেই পাওয়া য়ায়। কিন্তু কোনোভাবেই ওষুধ খাবেন না। কারণ ডায়েরিয়া ৩ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়।

#ডাক্তারের_পরামর্শ
=====================================
সাধারণত ডায়রিয়া এমনিতে ভালো হয়। আপনি যদি কোনো সমস্যা বোধ করেন, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কোনোভাবেই উল্টাপাল্টা ওষুধ খাওয়া যাবে না।

ঢামেক টেলিমেডিসিন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর সহযোগী অধ্যাপক

Address

Gaibandha
Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খাঁটির প্রতিশ্রুতি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share