24/12/2022
💞🥀মেসওয়াক_______
পুরুষ-নারী সবাই মেসওয়াক করতে পারে! আমাদের জীবনের প্রথম চাওয়া এটাই আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা.....! আমরা চাই মৃত্যুর সময় আমাদের কালিমা নসিব হোক.....!
★ আমরা জানি না আমাদের জীবনে কত নামাজ আমরা বরবাদ করে ফেলেছি.....! আমাদের নামাজ কতটুকু আল্লাহর শাহী দরবারে কবুল হয়েছে.....! যেখানে মেসওয়াকের এতো ফজিলত। ফজিলতের কথা মনে করে আজ থেকে আমরা মেসওয়াকের আমল করা শুরু করবো.....ইং_শা_আল্লাহ্!
★ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-----আমার উম্মতের জন্য যদি কষ্ট না হতো তাহলে আমি প্রত্যেক নামাজের পূর্বে মেসওয়াক করাকে ওয়াজিব করে দিতাম।
(হাদিস শরীফ)
★ মেসওয়াক করা হলো খাস সুন্নাতের অর্ন্তভুক্ত। যে গাছের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করা সুন্নাত হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে যে, হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিসওয়াক হিসেবে পিলু, যয়তুন ও খেজুর গাছের ডাল ব্যবহার করেছেন। এছাড়াও তিক্ত জাতীয় গাছের ডাল ব্যবহার করেছেন, যেমনঃ- নিম, ভাইট ইত্যাদি।
★ মেসওয়াকের মাপ:-
মেসওয়াক প্রত্যেক মেসওয়াককারীর কণিষ্ঠ অঙ্গুলির ন্যায় মোটা হওয়া ও তার হাতের আধ হাত বা এক বিঘৎ পরিমাণ
লম্বা হওয়া মুস্তাহাব।
★ মেসওয়াক ধরার সুন্নাতী নিয়ম:-
মেসওয়াক করার সময় মেসওয়াক এমন ভাবে ধরতে হবে যেনো মেসওয়াককারীর ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি মেসওয়াকের নীচ দিকে প্রায় মাঝ বরাবর থাকে। আর কনিষ্ঠা অঙ্গুলি দ্বারা মেসওয়াকের নীচে পিছনের দিকে ধরবে। আর তর্জনী, মধ্যমা ও অনামিকা এ তিনটি অঙ্গুলি মেসওয়াকের উপরে রেখে মেসওয়াক করা সুান্নত এবং মেসওয়াক করার সময় মুখের লম্বালম্বিভাবে মেসওয়াক করা ও বসে বসে মেসওয়াক করা হলো খাস সুন্নাতের অর্ন্তভুক্ত।
★ মেসওয়াক করার ফজিলত:-
হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-----মেসওয়াক করে যে নামাজ আদায় করা হয়, সে নামাজে মিসওয়াকবিহীন নামাজের তুলনায় সত্তরগুণ বেশি ফজিলত রয়েছে।
(বায়হাকি)
★ হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন----- মেসওয়াক মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের আরোগ্য দানকারী।
(ফেরদৌস)
★ হযরত ইবনে ওমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-----তোমাদের জন্য মেসওয়াক ব্যবহার করা অপরিহার্য। কারণ এতে মুখের পবিত্রতা হাসিল হয় এবং আল্লাহ্ তায়ালা-এর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়।
(বোখারী শরীফ)
★ মেসওয়াকে আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল হয়।
★ দারিদ্র্যতা দূর হয়ে সচ্ছলতা আসে এবং উপার্জন বাড়ে।
★ পাকস্থলী ঠিক থাকে ও শরীর শক্তিশালী হয়।
★ স্মরণশক্তি ও জ্ঞান বাড়ে, অন্তর পবিত্র হয়, সৌন্দর্য বাড়ে।
★ ফিরিশতা তার সঙ্গে মুসাফাহা করেন, নামাজে বের হলে সম্মান করেন, নামাজ আদায় করে বের হলে আরশ বহনকারী ফিরিশতারা তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
★ শয়তান অসন্তুষ্ট হয়।
★ পুলসিরাত বিজলীর ন্যায় দ্রুত পার হওয়া যাবে এবং ডান হাতে আমলনামা পাওয়া যাবে, ইবাদাতে শক্তি পাওয়া যাবে।
★ মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে, জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হবে এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হবে।
★ পূত-পবিত্র হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে।
আরো_অনেক_উপকারীতা_আছে________🤲