Manikganj e-Book Store

Manikganj e-Book Store We Think Different For You.

আপনি কতটা নিকৃষ্ট সমাজে বাস করেন জানেন...? হাফেজ এনামুল হাসান নবীন প্রবাস থেকে ফিরে বাংলাদেশে ক্রেতাদের না ঠকিয়ে ব্যবসা ...
24/03/2026

আপনি কতটা নিকৃষ্ট সমাজে বাস করেন জানেন...?
হাফেজ এনামুল হাসান নবীন প্রবাস থেকে ফিরে বাংলাদেশে ক্রেতাদের না ঠকিয়ে ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। তার প্রতিষ্ঠান 'নবীন পাঞ্জাবী' কোয়ালিটি ভালো দামে কম। একই মার্কেটে যেখানে একটি পাঞ্জাবীর সর্বনিম্ন দাম ৪৫০০টাকা, নবীনে সেটি ৩০০টাকা থেকে শুরু। শুধু তাইনা নবীন পাঞ্জাবীর ফ্যাক্টরিতে কাজ করে প্রতিবন্ধী, হিজড়া ও সমাজের সুবিধা বঞ্চিতরা। -এত ভালোমানুষি করে কি আর এই সমাজে থাকা যায়? রোজার মধ্যে সেদিন পাশের দোকানদার প্রিন্স’র মালিক মাইকেল ও অন্যান্য ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পুলিশসহ দোকানটি বন্ধ করে দেয়। কাস্টমারদের হেনস্তা করে। তারা বলে, এই মার্কেটে ৪৫০০ টাকার কমে পাঞ্জাবি ও ১৫০০ টাকার কমে পাজামা বিক্রি করা যাবে না। এইদেশে কমদামে জিনিস বিক্রি করাটাও একটা অপরাধ।
এরপর প্রতিনিয়ত হাফেজ সাহেবকে দেয়া হচ্ছে মেরে ফেলার হুমকি। বিষয়টি সবাই জানলেও কাউকে প্রতিবাদ করতে দেখিনি। পুলিশ এই লোকটাকে প্রটেকশন না দিয়ে উল্টো দোকান বন্ধে সহযোগিতা করেছে। শেষ পর্যন্ত তিনি আবারও প্রবাসে ফিরে গেলেন। যাবার আগে প্রেস কনফারেন্সে সব বললেন কিন্তু রাস্ট্র সেটাও হয়তো শুনতে পায়নি। রাস্ট্র ব্যার্থ হলো তার নিরাপত্তা দিতে, আমরা বরাবরের মতোই হেরে গেলাম সিন্ডিকেট লুটেরাদের কাছে।এভাবেই হাফেজ এনামুলের মতো ভালো মানুষগুলো দেশ ছেড়ে চলে যায়, লুটেরারা থেকে যায় সব আমলেই।
- আলী আসগর ইমন
সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী।
©️

24/02/2026

আজকে এক অন্যরকম শহীদ দিবস 💔
আজ ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্রাজেডি দিবস..

১ জন মেজর জেনারেল হত্যা..
২ জন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল হত্যা..
১৬ জন কর্নেল হত্যা..
১২ জন লেফটেন্যান্ট কর্নেল হত্যা..
২৫ জন মেজর হত্যা..
১ জন ক্যাপ্টেন হত্যা..
১৭ জন সিভিলিয়ান হত্যা

বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম কলংকজনক অধ্যায় রচিত হয় এই দিন।

২০০৯ সালের এই দিনে ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে এক ন্যাক্কারজনক হত্যাযজ্ঞ, যেখানে প্রাণ হারায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন।

মহান আল্লাহ যেন এই শহীদদের জান্নাতবাসি করেন আমিন। ❤️
©️

20/01/2026
07/01/2026

মেয়েটার বাড়ি কুড়িগ্রামে। সে তার বাবার সাথে ভারতে থাকে। সেখানে নয়াদিল্লিতে একটি বাড়িতে কাজ করে মেয়েটি। তার বাবা দিনমজুরের কাজ করে নয়াদিল্লিতেই। সীমান্তের মানুষ অনায়াসেই এপার অপার যাতায়াত করে, আত্মীয়তা করে। সামাজিকতা রক্ষা করে। মেয়েটি ও তার বাবা যখন ভারতে যায় তখন সীমান্তে কাঁটাতার ছিল না। তারা প্রায় ১০ বছর ধরে নয়াদিল্লীতে থাকে। বছরে কয়েকবার তারা সীমান্ত পার হয়।

২০১১ সালে মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়। পাত্রের বাড়ি কুড়িগ্রামেই, মেয়েটির খালাতো ভাই। বিয়ের প্রস্তুতি নিতে মেয়েটির বাবা ও মেয়েটি বাংলাদেশে ফিরে আসতে গিয়ে দেখে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়া। কাঁটাতারের পাশে মই লাগিয়ে পারাপারের ব্যবস্থাও আছে। মেয়েটির বাবা পার হয়ে যান আগে। এরপর মেয়েটি পার হতে গেলে তার কাপড় আটকে যায় কাঁটাতারের সাথে। ভয়ে চিৎকার করে ওঠে মেয়েটি।

তার চিৎকার শুনে সচকিত হয় ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষ কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই পাখি শিকারের মতো করে নির্দয়ভাবে ভয়ার্ত মেয়েটিকে টার্গেট করে গুলি করে। আর্তচিৎকার করে ওঠে মেয়েটি। এটা তার শেষ চিৎকার। গুলিবিদ্ধ মেয়েটির হাত ফসকে যায়। সে ঢলে পড়ে। কিন্তু তার কাপড় আটকে থাকে কাঁটাতারে। ঝুলতে থাকে মেয়েটি।

তার বাবা চেয়েছেন ঝুলে থাকা মেয়েটিকে নামিয়ে আনতে। চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে। না! বিএসএফ তা হতে দেয়নি। মেয়েটি ঝুলে ছিল প্রায় পাঁচ ঘন্টা। কোনো ফাঁসীর আসামীকেও মনে হয় এতক্ষণ ঝুলতে হয় না। ১৫ বছরের সেই মেয়েটির নাম ফেলানী। আজ ৭ জানুয়ারি ছিল ফেলানী হত্যার ১৪ বছর।

আমার জানামতে ফেলানীর মৃত্যুর এই মর্মান্তিক খবর ছাপে শুধুমাত্র আমার দেশ পত্রিকা। কয়েকদিন এই নিয়ে রিপোর্ট করার পর অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও আসা শুরু করেছিলো। এদিকে বাংলা ব্লগগুলো ছিল তখন তুমুল জনপ্রিয়। বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী হেলাল এম রহমান ভাই ছিলেন আমার দেশ পাঠকমেলার দায়িত্বশীল। আমার যতদূর মনে আছে তাঁর একটি বিপ্লবাত্মক লেখা সেসময় ৭ টি ব্লগে স্টিকি পোস্ট/ নির্বাচিত পোস্ট ছিল। তার নেতৃত্বে চট্টগ্রামে প্রথম ফেলানী হত্যার প্রতিবাদে ভারতের বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয় চট্টগ্রামে। এরপর ঢাকায় এবং সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

টুইটার স্টর্মের মাধ্যমে সারাবিশ্বের ভারতীয় হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মানুষ কথা বলতে থাকে। বাংলাদেশের মেইন্সট্রিম মিডিয়াও এই আলোচনা শুরু হয়। এতেও বোধোদয় হয় না ভারত সরকারের। কিন্তু এই নিয়ে বাংলাদেশের অনলাইন এক্টিভিস্টরা ও পৃথিবীর নানান মানবাধিকার সংস্থা সোচ্চার থাকে। এদিকে বিএসএফ ধারাবাহিকভাবে সীমান্তে হত্যা জারি রাখে।

২০১১ সালের ৯ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার আটরশিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান নামক ব্যক্তিকে বিএসএফ হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্র করে রাইফেলের বাঁট ও লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে পেটায়। এর ভিডিও কিছুদিন পর ভাইরাল হয়। এতে আবারো অনলাইন এক্টিভিস্টরা ক্ষিপ্ত হয়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকার থাকে একদম নির্বিকার।

সারাবিশ্বের চাপে ২০১৩ সালের ১৩ অগাস্ট কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়। সেখানে ফেলানীর বাবা ও মামা হানিফ সাক্ষ্য দেন। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাদ দেয় ভারতের কোচবিহারের সোনারী ছাউনিতে স্থাপিত বিএসএফের বিশেষ আদালত।

পুনঃবিচারের দাবিতে ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে ভারত সরকারের নিকট আবেদন করেন। পরে বিজিবি-বিএসএফের দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুনঃবিচারের সিদ্ধান্ত হয়।

২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনঃবিচার শুরু করে বিএসএফ। ওই বছরের ১৭ নভেম্বর ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম বিএসএফের বিশেষ আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে পুনরায় সাক্ষ্য প্রদান করেন এবং অমিয় ঘোষের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। ২০১৫ সালের ২ জুলাই এ আদালতে অমিয় ঘোষ আবারও বেকসুর খালাস পান।

২০১৫ সালের ১৩ জুলাই ভারতীয় ‘মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ’ (মাসুম) ফেলানী খাতুন হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করে। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর শুনানীর পর ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে বারবার তারিখ পিছাতে থাকে। ফলে থমকে যায় ফেলানী খাতুন হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি।

আজ ১৫ বছর হলো। বিচার হলো না। বরং সীমান্তে মানুষ হত্যা চলছেই। পৃথিবীর আর কোনো সীমান্তে এত হত্যা হয় না যত হত্যা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। অথচ ভারতের সাথে আমাদের কোনো যুদ্ধ নেই। উপরন্তু দুই দেশের ক্ষমতাবানরা এতোদিন দাবি করে এসেছিল আমরা নাকি বন্ধু রাষ্ট্র! আজিব!

দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই পুরো বিচার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের মানে হাসিনা সরকারের ভূমিকা ছিলো নির্বিকার থাকা।

২৪ এর জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছি। নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আশা করি এই সরকার নানান ব্যস্ততার মাঝেও ফেলানী হত্যার বিচার নিয়ে কাজ করবে। আমি আশা করি এই একটি হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের মাধ্যমে ভারতের নজিরবিহীন নৃশংস সীমান্ত হত্যার অবসান হবে।
©️

তসলিমা নাসরিনকে নির্বাসিত কে করছে, জানেন? হ্যাঁ এটাই সেই খালেদা, যে কলিকাতার ব্রাহ্মণবাদী আর পশ্চিমা এনজিওবাদীদের প্রবল ...
30/12/2025

তসলিমা নাসরিনকে নির্বাসিত কে করছে, জানেন?

হ্যাঁ এটাই সেই খালেদা, যে কলিকাতার ব্রাহ্মণবাদী আর পশ্চিমা এনজিওবাদীদের প্রবল আপত্ত্বি সত্ত্বেও সংবিধানে 'বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম' এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থার ধারাটিকে সমুন্নত রাখতে এক বিন্দু আপস করেন নাই।

সেই সাহসী শাসক, যিনি কট্টর ধ'র্ম'বি'দ্বে'ষী তসলিমা নাসরিনকে তার গাট্টিগোট্টা নিয়া এদেশের পবিত্র মাটি ছাড়তে বাধ্য করেছিলেন। নির্বাসনে পাঠাইসিলেন। সীমালঙ্ঘন করা বইগুলো ব্যান করেন। দ্বীন ও নবীজির সম্মানের প্রশ্নে যে এক চুলও ছাড় দেন নাই।

যার শাসনামলে কামিল মাদ্রাসাকে মাস্টার্স মানের মর্যাদা দেওয়া হইসে এবং ফাজিলকে ডিগ্রি মানের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হইসিলো।

যে তার দলকে রাখ-ঢাক 'গুপ্ত-হেলমেট' ছাড়া প্রকাশ্যেই 'ইসলামী মূল্যবোধ' রক্ষার প্রতীক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন।

খালেদা যথার্থই উপলব্ধি করতেন- এদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামি মূল্যবোধ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সকল দেশপ্রেমিক এবং (জামাত ছাড়াও) অন্যান্য ইসলামী শক্তিকে এক মঞ্চে আইনা আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালাইয়া যাওয়ার চেষ্টা করসিলেন।

তিনিই সেই খালেদা, যিনি ২০১৩ সালের সেই অভিশপ্ত রাতে শাপলা চত্বরে মজলুম আলেমদের ওপর চালানো ব'র্ব'রো'চি'ত হ"ত্যা'য"জ্ঞে'র বিরুদ্ধে প্রথম গর্জে উঠেছিলেন। ঘরে বইসা থাকার বদলে নেতা-কর্মীদের শাপলায় যাওয়ার নির্দেশ দিছিলেন।

বামপাড়ার শা'তি'মগুলো যখন ইসলাম ও নবীজিকে নিয়ে সীমা"ল"ঙ্ঘ"ন করসিলো, তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে একমাত্র তারই কঠোর অবস্থানই ছিলো লক্ষ্যণীয়।

সীমান্তের কাঁটাতারে যখন ফেলানীর লা"শ ঝুলছিলো, তখন তিনি 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' নীতিতে অটল থাইকা আধিপত্যবাদের চোখে চোখ রাইখা কথা বলসিলেন।

যাইহোক।

দেখেন, মানুষ এখন চদু না। সাময়িক ট্রেন্ডে গা ভাসাইলেও দিনশেষে মানুষ সত্যটা বোঝে। খালেদার প্রতিটি অ্যাক্টিভিটি আজ আমাদের সামনে একেকটা 'লিটমাস পেপার'।

ফলে 'মিস্টার ধইঞ্চা ফাইভ ইয়ার্স'-দের আসল চেহারাও সবার সামনে আজ পরিষ্কার। যারা কিনা শপথের আগে অমুক তমুক উড়াইয়া দেবে মর্মে বিপ্লবের গান গাইয়া গদি দখল করে, আর গত দেড় বছরে আমাদের ঠেইলা দিসে আরও গভীর পশ্চিমা ও ভাড়তীয় আ'গ্রা'স'নে'র খাদে।

জনগণ আজ তাদের মুখে লিট্র্যালি 'থু' মারতেসে।

জিয়া ও খালেদার আমলের সার্বভৌমত্ব বনাম ফেরাউন হাসিনা ও আজকের ধইঞ্চা মহাজনের নতজানু নীতির তুলনা করলেই বোঝা যায়—কে ছিল এই মাটির আসল সন্তান, আর কারা কেবল ছদ্মবেশী।

~ Sajid Abdullah

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।😢
18/12/2025

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।😢

আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন,  যার যার প্রিয়জনের খোঁজ খবর নিন।
21/11/2025

আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন, যার যার প্রিয়জনের খোঁজ খবর নিন।

ভদ্রলোকের নাম জামির হোসেন৷ বাস ড্রাইভার ছিলেন৷ বেপরোয়া বাস চালিয়ে তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরদের হত্যার অভিযোগে উনাকে যাবজ...
18/11/2025

ভদ্রলোকের নাম জামির হোসেন৷ বাস ড্রাইভার ছিলেন৷ বেপরোয়া বাস চালিয়ে তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরদের হত্যার অভিযোগে উনাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় ২০১৭ সালে৷ এর তিনবছর পর সাজা ভোগের সময় তিনি হার্ট ফেইল করে মারা যান।

বাসচালককে শাস্তি দিতে কালচারাল এলিটরা তাদের মিডিয়া দিয়ে ক্রমাগত উস্কানি দেয়। যেমন বাংলা ট্রিবিউন ২০১৬ সালে লেখে,

'দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া তারেক-মিশুকের স্বপ্ন, বিচার হয়নি।'

২০১৭ সালে রায়ের পর উচ্ছ্বসিত প্রথম আলো লিখে,

'বেপরোয়া বাসচালকের যাবজ্জীবন'

অথচ এই বাস চালক ছিলেন নির্দোষ। বুয়েটের অধ্যাপক ড. সামছুল হক অনুসন্ধানে দেখিয়েছেন বাস চালক ছিলেন একদম নির্দোষ।

গরিব বলে কালচারাল এলিটরা রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যাবহার করে জামির হোসেনকে খুন করে। হয়তো দুমড়ে মুচড়ে যায় তারেক মিশুকের স্বপ্ন৷ কিন্তু জামির হোসেনের পুরো পরিবার লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়৷ তারও হয়তো কোন স্বপ্ন ছিলো। স্বপ্ন ছিলো পরিবারের নিয়ে সুদিন ফিরিয়ে আনার। তা আর সম্ভব হয়নি। কারণ তাকে আর তার স্বপ্নকে খুন করা হয়েছে।

(রিপোস্ট)

আহ্ সুদান।পুরো বিশ্ব আজ নীরব। কারণ তারা কালো, আফ্রিকান, মুসলিম।তাদের নিয়ে রাজনীতি জমে না, তাদের রক্তে কারও স্বার্থ নেই।...
31/10/2025

আহ্ সুদান।
পুরো বিশ্ব আজ নীরব।
কারণ তারা কালো, আফ্রিকান, মুসলিম।
তাদের নিয়ে রাজনীতি জমে না, তাদের রক্তে কারও স্বার্থ নেই।

গতকাল এল ফারিশের এক হাসপাতালে ঢুকে প্রায় ৪৬০ জন নিরীহ মানুষকে হ//ত্যা করা হয়েছে।
আরব আমিরাতের প্রক্সি বাহিনীর হাতে সংঘটিত হয়েছে এই নৃশংস হ//ত্যা//কাণ্ড।

না কোনো সংবাদমাধ্যমের প্রচার,
না কোনো মানবাধিকার সংগঠনের বিবৃতি।
শুধু র/ক্ত, কান্না, আর নীরবতা…

اللهم انصر إخواننا في السودان 🤲
(হে আল্লাহ, আমাদের সুদানের ভাইদের সাহায্য করুন)
©️

প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র 😴
27/10/2025

প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র 😴

সতর্কতা!! 🔥🔥আজকে ১১ দিন হলো আমার স্ত্রীকে নিয়ে অনেক ভুগছি। ১ম ১–২ দিন ওর শরীরে পক্সের মতো কিছু একটা উঠেছিল। এরপর আমি ওকে...
20/10/2025

সতর্কতা!! 🔥🔥
আজকে ১১ দিন হলো আমার স্ত্রীকে নিয়ে অনেক ভুগছি। ১ম ১–২ দিন ওর শরীরে পক্সের মতো কিছু একটা উঠেছিল। এরপর আমি ওকে কমিউনিটি হাসপাতাল (মগবাজারে) নিয়ে যাই। ডাক্তার দেখে বললেন, “চিকেন পক্স উঠছে, ৭ দিনের ওষুধ দিলাম, এইটা খান। ওষুধ খেলে একটু বাড়বে, তারপর কয়েক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যাবে।” প্রায় ১৪০০–১৫০০ টাকার ওষুধ দিলো।

এরপর ওষুধ শুরু করার ৫–৬ দিনের মাথায় ওর সারাশরীরে ছোট ছোট ঠোঁসার মতো (ফুসকুড়ির মতো) দানা পড়তে শুরু করে। এরপর গতকাল ববৃহস্পতিবার আমি আবার নিয়ে যাই, বললাম এই অবস্থা। তখন তারা বলল, “এখন কনসালটেন্ট প্রফেসর দেখান, ওনার অবস্থা ভালো না — এটা এখন পক্স না।”

খুব চিন্তার মধ্যে পড়ে যাই। এইদিকে বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে কোথাও ভালো প্রফেসরের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছিলাম না। অনেক কষ্ট করে একজনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাই। ওনাকে দেখানোর পর ডাক্তার প্রথম ১০ মিনিট নিজেই বুঝতে পারছিলেন না এটা কী হয়েছে। পরে সব কিছু শুনে বুঝলেন, আগে যেই ডাক্তার অ্যান্টিবায়োটিকগুলো দিয়েছিলেন — যার এত দরকার ছিল না — তা থেকেই রিঅ্যাকশন হয়েছে।

আর আজ সারাদিন এমন আরও কয়েকটি ঘটনা ফেসবুকেও দেখলাম। এমন একটা দেশে থাকি যেখানে বেশিরভাগ ডাক্তার হচ্ছে ডাকাত — বিনা দরকারে আপনাকে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবে।

অস্বাভাবিক যন্ত্রণায় ভুগছে। কিছুই করতে পারছিনা এখন ডাক্তার আবার নতুন করে ওষুধ দিছে ওইটা খাওয়াচ্ছি। জানিনা কত দিনে সুস্থ হয়ে উঠবে।
সবাই আমার স্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। 🙏
©️

Address

Manikganj E-book Store
Manikganj
1800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Manikganj e-Book Store posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share