Arafat Library

Arafat Library if god ask me what u want in ur life ?then i decide 3thigns book,book n book

24/05/2018

ক্লাসে ম্যাডাম ঢুকেই বলল, " নীলয় তুই নাকি সাদিয়াকে প্রেমপত্র দিছিস! সাদিয়া তোর প্রেমপত্র পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে।" ম্যাডামের কথা শুনে আমার কলিজা শুকিয়ে গেলো। সাদিয়া ম্যাডামের একমাত্র মেয়ে। ডাইনী মায়ের একমাত্র আদরের সন্তান। ম্যাডাম আবার বলল, "কিরে তুই উত্তর দিচ্ছিস না কেন"? ভয়ে আমার পায়ে কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেলো। যেকোনো সময় প্যান্ট নষ্ট করে ফেলার মতন অবস্থা।

জীবনে কখনো ম্যাডামের ক্লাসে পড়া দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। ম্যাডাম এমনিতেই আমাকে দেখতে পারে না। তার উপর তার মেয়েকে প্রেমপত্র দিয়েছি, সেটা পড়ে বেচারি অজ্ঞান। ম্যাডাম আমার অবস্থা আজ কি করবে সেটা বুঝার বাকি রইলো না। মনে মনে বিপদের দোয়া পড়ছি আর নিজের বুকে ফুঁ দিচ্ছি। আল্লাহ এবারের মতন আমাকে বাঁচাও এরপর থেকে সাদিয়াকে নিজের বোনের চোখে দেখবো।

ম্যাডাম আস্তে আস্তে এগিয়ে এলো আমার দিকে।ক্লাসের সবাই সার্কাস দেখার অপেক্ষায় আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ম্যাডাম আমার কাছে এসে চিঠিটা আমার হাতে দিয়ে বলল, " পড়ে শোনা"। ম্যাডামের কথা শুনে এবার গলা পর্যন্ত শুকিয়ে কাঠ। আমি লজ্জায় নিচের দিকে তাকিয়ে আছি। ম্যাডার তার ডাইনী কণ্ঠে চিৎকার করে উঠে বলল, "এক্ষণ পড়ে শোনা বলছি।"

আমি চিঠি হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলাম।

কলিজার বোঁটা সাদিয়া,

কেমন আছো তুমি? জানি তুমি ভালো নেই। তোমার ডাইনী মা ৪৫ মিনিটের ক্লাসে আমাদের যে অবস্থা করে! আল্লাহ জানে সারাদিন তোমার উপর ঐ ডাইনীটা কতো নির্যাতন চালায়। তুমি বললে আমি উনার বিরুদ্ধে মামলা করবো।

প্রথমদিন তোমাকে দেখেই আমার বুক কেঁপে উঠেছিল। সেই কাঁপুনিতে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের কিছু অংশ কেঁপে উঠে। অথচ মানুষজন বলে সেটা নাকি ভূমিকম্পের কারণে। কাউকে বিশ্বাস করাতেই পারিনি ওটা আমারি বুকের ভূমিকম্প।

তুমি জানো সারাদিন শুধু আমি তোমার কথা ভাবি। এতো ভাবনা যদি আমি গণিতের প্রতি দিতাম তাহলে আইনস্টাইনের মতন আমারো পকেটে দুইচারটা নোবেল থাকতো। কিন্তু দেখো আমি নোবেলের কথা চিন্তা না করে শুধু তোমার কথা চিন্তা করি। কিন্তু তোমার ডাইনী মায়ের জন্য চিন্তাটাও ঠিকমতন করতে পারি না। হঠাৎ করে তোমার মা আমার চিন্তার মধ্যে এসে আমাকে লাঠিপেটা করে আর বলে " ঐ তুই আমার মেয়েকে নিয়ে চিন্তা করিস কেন?"

সেইদিন স্বপ্নে দেখি তোমাকে নিয়ে চাঁদে যাচ্ছি হানিমুন করতে। রকেটে আমি আর তুমি লুকোচুরি খেলছি। এরমধ্যে কোথা থেকে যেন তোমার মা এসে রকেটের ইঞ্জিন বন্ধ করে দিয়ে বলে, " এবার খেলা হবে।"

বিশ্বাস করো সাদিয়া, তোমার কথা মনে হইলেই এই হৃয়দের মধ্যে এনার্জি বাল্ব জ্বলে উঠে। তুমি আবার ভেবো না আমি ৩০০ টাকার এনার্জি বাল্ব ১০০ টাকায় কিনেছি শুধুমাত্র কোম্পানির প্রচারের জন্য।
আমি ফিলিপ্স বাল্বের কথা বলেছি। যা দিবে তোমাকে শতভাগ আলো ও দীর্ঘদিনের গ্যারান্টি।

সাদিয়া বিশ্বাস করো এই মনে!!...."

হঠাৎ ধপাস করে কিছু পরে যাওয়ার শব্দ পেলাম। সামনে তাকিয়ে দেখি ম্যাডাম অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেছে। সবাই মিলে দৌড়াদৌড়ি করে ম্যাডামকে তুলে ডাক্তার ডাকতে গেলাম।

ম্যাডামের জ্ঞান ফিরলে প্রিন্সিপ্যাল ম্যাডাম আমাকে ডেকে পাঠালেন। উনি বললেন," তুমি নাকি ম্যাডামের মেয়ে সাদিয়াকে চিঠি দিয়েছ। কি ছিল সেই চিঠিতে দেখি চিঠিটা আমাকে দেও।" আমি ভয়ে ভয়ে প্রিন্সিপ্যাল ম্যাডাম কে বললাম "আগে এখানে ডাক্তারকে ডাক দেন ম্যাডাম।"

প্রেমপত্র
লেখকঃ-রিফাত আহমেদ

26/08/2017

আমি বিশ্বাস করে ফেলি, ভরসা করে ফেলি ... স্বর্গের দরজার খুব কাছাকাছি পৌছে আমি যখন কড়া নাড়তে থাকি, প্রত্যেকবার আমি টের পাই সেটা ভুল দরজা ... কি অদ্ভুত ...

28/11/2016

"কেউ একটা ভুল করছে - সেটা সমস্যা না ... কিন্তু সেই ভুল করে সে ভুলটা বুঝতে পারে নি -সেটাও খুব বড় সমস্যা না !!

কিন্তু সে ভুল করার পর তাকে চোখে আঙুল দিয়ে তার ভুল ধরিয়ে দেয়ার পরও সে যখন সামান্যতম অনুতপ্ত হয় না, তার ভেতর কোন অপরাধবোধ কাজ করে না এবং সে একরোখা হয়ে যখন নিজের দোষটুকু স্বীকার করতে চায় না, নিজের ভুলটা মানতে চায় না - সমস্যাটা সেখানেই !!

এই পৃথিবীতে তোমাকে কষ্ট দেয়ার ক্ষমতাটা শুধু তোমার কাছের মানুষেরই আছে ... দূরের মানুষ ইট ছুড়লেও অতটা ব্যথা লাগে না ... কাছের মানুষ সামান্য টোকা দিলেও ব্যথা লাগে ... শরীরে না ... বুকের ভেতর ব্যথা লাগে ... কোথায় ব্যথা লাগে ??

ঢিপঢিপ করে স্পন্দিত হতে থাকা হৃদয়টার কোন এক পাশটায় ... খুব সম্ভবত, বামপাশটায় !!" :)

19/03/2016

"অপমান করার সুযোগ কেউ ছাড়ে না ... কথা দিয়ে দুর্বল জায়গায় আঘাত করে কাউকে অপমান করা খুব সহজ কাজ !!

জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে একটা মানুষ তোমাকে অপমান করেছিলো ... মানুষটার কোন একটা ঝাঁঝালো কথা তোমার ভেতরটায় চরমভাবে আঘাত করেছিলো ... সেই মূহুর্তটায় তোমার ইচ্ছে হচ্ছিলো মাটির সাথে মিশে যেতে ... তুমি চুপ করে দাঁতে দাঁত চেপে সেই কথার ছুরির আঘাত সহ্য করে ফেরত চলে এসেছিলে ... চোখ বুজে দুঃসহ একটা সময় পার করেছিলে !!

বুকের ভেতর সবচেয়ে বাজে অনুভূতি তৈরি হয়, যখন প্রচন্ড রাগ আর তীব্র কষ্ট - এই দুটো একসাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় ... কথা দিয়ে কেউ আঘাত করলে, প্রচন্ড অপমান করলে এই বাজে অনুভুতিটার স্বাদ পাওয়া যায় ... স্বাদটা ভীষণ তেতো ... সেই মূহুর্তে তোমার বাঁচতে ইচ্ছে হচ্ছিলো না ... একদম বাঁচতে ইচ্ছে হচ্ছিলো না !!

অথচ দেখো, তুমি এখন বেঁচে আছো ... সময়ের সাথে সেই অপমানের ক্ষত শুকিয়ে গেছে ... তুমি এখন স্বাভাবিক আছো ... তোমাকে স্বাভাবিক থাকতে হবে ... গুটি গুটি পায়ে তোমার গন্তব্যের দিকে আগাতে হবে !!

মাঝে মাঝেই তোমার সেই অপমানের কথা মনে পড়বে ... পথ চলতে গিয়ে সেই অপমান করা মানুষটার চেহারা দেখতে হবে তোমাকে ... মনটা প্রচন্ড বিষিয়ে উঠবে, ইচ্ছে করবে মানুষটাকে শেষ করে দিতে ... কিন্তু মাথা গরম করলে চলবে না ... উহু ... তোমাকে খুব শান্ত থাকতে হবে ... মাথা ঠান্ডা রেখে চলতে হবে !!

কাঁটার বিপরীতে কাঁটা দিয়ে জবাব দিয়ে নিচে নামার প্রয়োজন নাই ... কাঁটার বিপরীতে ফুল দিয়ে জবাব দিয়েও অতটা মহৎ হওয়ার প্রয়োজন নাই ... তুমি বরং শান্ত থাকো !!

নিজেকে আস্তে আস্তে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাও ... খুব নীরবে নিজের অবস্থানটা উঁচু করতে থাকো ... অনেক অনেক দিন পর উঁচু জায়গাটায় পৌছে তুমি শুধু নিচে মানুষটার দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিবে ... অতটুকুই ... অতটুকুতেই সব হিসেব মিটে যাবে ... ঐ মূহুর্তটায় তুমি যে আনন্দটা পাবে, সোজা বাংলায় সেটাকে বলেঃ "পৈশাচিক আনন্দ" !!

সব অপমান এর জবাব তিক্ত কথা দিয়ে দিতে হয় না ... কোন কোন অপমানের জবাব নীরবতা দিয়েই দেয়া যায় ... ঠান্ডা মাথায় ঠোঁটের কোণে একটু মুচকি হাসি দিয়েই দেয়া যায় !!

বুকের ভেতরের সমস্ত রাগ আর কষ্টের সমুদ্রে এক চিমটি ধৈর্য্য আর এক মুঠো জিদ মিশিয়ে তুমি শুধু অপেক্ষা করো ... তোমারও সময় আসবে ... একদিন না একদিন অবশ্যই তোমার সময় আসবে !!" :)

19/03/2016

"বেশি কিছু না ... মাঝে মাঝে যখন আমি প্রচন্ড ডিপ্রেসড হয়ে মাথাটা নিচু করে ঝিম মেরে বসে থাকি, আমার কাঁধে তখন আস্তে করে হাতটা রেখো !!

বেশি কিছু না ... দুনিয়ার প্রতি একরাশ বিরক্তি নিয়ে যখন আমি কপাল কুঁচকে বসে থাকি, তখন আলতো করে হাত দিয়ে আমার চুলগুলো এলোমেলো করে দিও !!

বেশি কিছু না ... প্রচন্ড মন খারাপের মূহুর্তে শুধু শক্ত করে হাতটা ধরে চুপটি করে বসে থেকো !!

বেশি কিছু না ... এমনই কোন রাতে আমার নির্ঘুম চোখগুলোর পানে ক্লান্তিহীনভাবে শুধু একটু চেয়ে থেকো !!

ঐটুকুতেই হবে ... কিছু বলতে হবে না ... কিছু লিখতে হবে না ... কিছু দিতে হবে না ... শুধু অমন ভালোবাসা মাখানো একটুখানি নীরবতা দিও আমাকে ... একটুখানি নীরবতা দিও !!" :)

30/11/2012
18/02/2012

চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব—
প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত?
উ.: লিকুইড।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।’ তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’
‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’
চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের

মজা পাইলে ধুমাইয়া লাইক মারেন :পি
এই রকম মজার মজার জোকস পোস্ট করা হয় নীচের পেইজটিতে !
যারা মন খুলে হাসতে ছান পেইজ টিতে জইন করতে পারেন , ধন্যবাদ !

07/11/2011
07/11/2011

hi friends ..we r open this page only for book..we r update any kinds of story every sun day..so please tell ur family n friends plese like this page...

Address

39, Abdul Wahed Super Market
Kushtia
7560

Telephone

008801712063218

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arafat Library posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arafat Library:

Share

Category